26/09/2024
সাবেক প্রধানমন্ত্রী নিউ ইয়র্ক সফরে এসে দিনের পর দিন হোটেলে অপেক্ষা করতেন যদি আমেরিকান সরকারের কারো সাথে কোনোরকমে একটা মিটিং আয়োজন করা যায়। আমেরিকা সফরে এসে সাদা চামড়ার কারো সাথে মিটিংয়ের একটা ছবি সংবাদপত্রে প্রকাশ নাহলে কি মান ইজ্জত থাকে? তার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন তাদের সরকার প্রধান ইংল্যান্ড ও আমেরিকা সফরের আগে সেসব দেশের সরকারের উচ্চ পর্যায়ের মানুষের সাথে মিটিং অনুরোধ করে ইমেইল করেছিলেন, কিন্তু কেউ উত্তরই দেয়নি। ভারতে গত সরকার প্রধান ও তার মেয়ে বাইডেন হলওয়ে তে সেলফি তুলেছিলেন, এটা নিয়ে দেশে দুই সপ্তাহ ধরে ক্লাস ফাইভের ছেলেমেয়েদের মতো সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বের হাস্যকর উচ্ছ্বাস নিশ্চয়ই সবার মনে আছে!
ডক্টর ইউনুস এর ৩ দিনের সংক্ষিপ্ত নিউ ইয়র্ক সফরে যাদের সাথে বিলেটারাল মিটিং করবেন:
১) আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
২) আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন
৩) জাতিসংঘের মহাসচিব
৪) জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান
৫) ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট
৬) বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট
৭) USAID এডমিনিস্ট্রেটর
৮) নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
৯) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
১০) নেপালের প্রধানমন্ত্রী
১১) ইতালির প্রেসিডেন্ট
১২) কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স
১৩) চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
গত সরকার, গত ৫ বছরে এত্তজন হাই প্রোফাইল ফরেন ডিগনিটারিসদের সাথে এক বছরেও মিটিং করেছেন বলে মনে হয়না!
ডক্টর ইউনুস এর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতা বাংলাদেশকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। ছোটখাটো বিষয়ে অনুযোগ অভিযোগ না করে এই মানুষটিকে সবাই মিলে সাহায্য করেন আমাদের দেশটাকে সঠিক পথে নিয়ে আসতে। উনি ৮৪ বছরের বয়স্ক মানুষ। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে তার পাওয়ার কিছুই নাই। সম্মান, পরিচিতি, খ্যাতি, টাকা তার সব আছে। আমাদের দেশকে উনি দিতে পারেন অনেক কিছু যদি আমরা ফালতু বিষয় নিয়ে বিতর্ক না করে, নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ বাদ দিয়ে তাঁকে একটু সহযোগিতা করি। এমন সুযোগ এই জাতির জীবনে নিকট ভবিষ্যতে আর আসবেনা