কেউ মারা যায় গান শুনতে শুনতে, কেউ গীবতের মাঝখানে। আবার কেউ বিদায় নেয় সেজদায়, তার রবের সবচেয়ে প্রিয় অবস্থায়।
আপনি কোন দলের সঙ্গী হয়ে মৃত্যুবরণ করতে চান?
আল্লাহ আমাদের শিখিয়েছেন, প্রার্থনা করতে সেই সৎ মানুষের দলে স্থান পাওয়ার, যাদের মৃত্যু হয় ঈমান ও আমলের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে।
*رَبَّنَا فَاغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوۡبَنَا وَ کَفِّرۡ عَنَّا سَیِّاٰتِنَا وَ تَوَفَّنَا مَعَ الۡاَبۡرَارِ*
"হে আমাদের রব! আপনি আমাদের পাপরাশি ক্ষমা করুন, আমাদের মন্দ কাজগুলো দূর করুন এবং আমাদেরকে সৎকর্মপরায়ণদের সহগামী করে মৃত্যু দিন।” *সূরা আলে ইমরান ১৯৩*
আসুন, আজ থেকেই আন্তরিকভাবে চাইতে থাকি, যেন আমাদের গোনাহগুলো মাফ হয়ে যায়, আমাদের মৃত্যু যেন হয় তাঁর প্রিয় বান্দাদের সান্নিধ্যে।
Working For Daowoa
to build up a conscious behaviour.
ওহি
>
ওহি কী
ওহি অর্থ ইশারা করা, প্রত্যাদেশ করা, কিছু লিখে পাঠান, কোন কথাসহ লোক পাঠান, গোপনে অপরের সাথে কথা বলা, অপরের অজ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে কিছু জানিয়ে দেওয়া ।
শরিয়তের পরিভাষায়: আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর নবী আলাইহিস সালামগণকে ফেরেস্তার মাধ্যমে কিংবা স্বপ্নযোগে অথবা ইলহামের সাহায্যে কোনো বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া।
ওহি কত প্রকার :
ওহি দুই প্রকার
১.ওহি মাতলু (আল-কুরআন)
২.ওহি গায়রে মাতলু (আল-হাদিস)
ওহি নাজিলের ধরণ ৭টি
১. সত্য স্বপ্নযোগে
২. ঘন্টাধ্বনির ন্যায়
৩. জিবরাইল (আ) এর নিজস্ব আকৃতিতে
৪. জিবরাইল (আ) কর্তৃক মানুষের আকৃতিতে
৫. ইসরাফিল (আ) এর মাধ্যমে।
৬. পর্দার অন্তরাল থেকে।
৭. অন্তকরণে ঢেলে দেয়া/ইলহামের মাধ্যমে
হে আরশের মালিক! উত্তরায় মাইলস্টোন কলেজের উপর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের দুর্ঘটনায় আহত, অগ্নিদগ্ধ সকলের প্রতি আপনি রহম করুন। নিহতদের শোকাহত পরিবারকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দিন
- আমিন
اِنَّمَا الْمُؤْمِنُوْنَ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا بِاللّٰهِ وَ رَسُوْلِهٖ ثُمَّ لَمْ یَرْتَابُوْا وَ جٰهَدُوْا بِاَمْوَالِهِمْ وَ اَنْفُسِهِمْ فِیْ سَبِیْلِ اللّٰهِ ؕ اُولٰٓىِٕكَ هُمُ الصّٰدِقُوْنَ
২. তারাই সত্যিকার মুমিন, যারা আল্লাহ ও রাসূলের ওপর ঈমান এনেছে, এরপর এতে কোন সন্দেহ করেনি এবং আল্লাহর পথে তাদের জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করেছে। এরাই সাচ্চা লোক। (সূরা হুজুরাত৪৯:১৫)
اِنَّمَا الْمُؤْمِنُوْنَ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا بِاللّٰهِ وَ رَسُوْلِهٖ ثُمَّ لَمْ یَرْتَابُوْا وَ جٰهَدُوْا بِاَمْوَالِهِمْ وَ اَنْفُسِهِمْ فِیْ سَبِیْلِ اللّٰهِ ؕ اُولٰٓىِٕكَ هُمُ الصّٰدِقُوْنَ
২. তারাই সত্যিকার মুমিন, যারা আল্লাহ ও রাসূলের ওপর ঈমান এনেছে, এরপর এতে কোন সন্দেহ করেনি এবং আল্লাহর পথে তাদের জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করেছে। এরাই সাচ্চা লোক। (সূরা হুজুরাত- ৪৯)
· وَ الْعَصْرِۙ
· اِنَّ الْاِنْسَانَ لَفِیْ خُسْرٍۙ
· اِلَّا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ
· وَ تَوَاصَوْا بِالْحَقِّ ۙ۬ وَ تَوَاصَوْا بِالصَّبْ۠رِ
১. সময়ের কসম, নিশ্চয় আজ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ততায় নিপতিত, তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করেছে, পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দিয়েছে এবং পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।(সূরা আসর ১০৩:১-৩)
দায়িত্বশীলের গুণাবলি
আল-কুরআন
فَبِمَا رَحْمَۃٍ مِّنَ اللهِ لِنْتَ لَهُمْ ۚ وَلَوْ كُنْتَ فَظًّا غَلِیْظَ الْقَلْبِ لَانْفَضُّوْا مِنْ حَوْلِکَ ۪ فَاعْفُ عَنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمْ وَشَاوِرْهُمْ فِی الْاَمْرِ ۚ فَاِذَا عَزَمْتَ فَتَوَکَّلْ عَلَی اللهِ ؕ اِنَّ اللهَ یُحِبُّ الْمُتَوَکِّلِیْنَ
এটা আল্লাহর অনুগ্রহ মাত্র যে আপনি (১) কোমল হৃদয়সম্পন্ন, যদি আপনি কঠোরভাষী ও তিক্ত মেজাজসম্পন্ন হতেন, তাহলে এরা আপনার চার পাশ থেকে বিক্ষিপ্ত হয়ে যেতো। (২) কাজেই এদের ত্রুটিকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখুন (৩) এদের জন্য শাফায়াত (ক্ষমা) চান এবং (৪) বিভিন্ন বিষয়ে এদের সাথে পরামর্শ করুন। (৫) অতঃপর পরামর্শের পর যখন কোন বিষয়ে দৃঢ় সংকল্প হয়ে যান (৬) তখন আল্লাহর উপর ভরসা করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ (তাঁর উপর) ভরসাকারীদের ভালবাসেন। (সূরা আলে ইমরান-৩:১৫৮)
১. اَلْهُدَى (আল হুদা) পদপ্রদর্শক
২. اَلْفُرْقَا نُ (আল ফুরকান) পার্থক্যকারী
৩. اَلْذِّكْرُ (আয্-যিকর) উপদেশ
৪. اَلْحِكْمَةُ (আল হিকমাহ) প্রজ্ঞা
৫. اَلشِّفَاءُ (আশ শিফা) উপশমকারী
৬. كِتَا بٌ مُّبِيْنٌ (কিতাবুম মুবিন) সুস্পষ্ট কিতাব
৭. اَلْكِتَابُ (আল কিতাব) গ্রন্থ
৮. اَلْنُوْرُ(আন নূর) আলো
৯. اَلْوَحْيُ(আল ওহি) প্রত্যাদেশ
১০. اَلْكَلَامُ (আল কালাম) বানী
জিহ্বা দিয়ে যে ১৯টি পাপ সংঘটিত হয়!!
১) কারও নাম খারাপ করে ডাকা/নাম ব্যঙ্গ করা।
২) খারাপ ঠাট্টা বা বিদ্রূপ করা।
৩) অশ্লীল ও খারাপ কথা বলা।
৪) কাউকে গালি দেয়া।
৫) কারও নিন্দা করা।
৬) অপবাদ দেয়া।
৭) চোগলখুরী করা।
৮) বিনা প্রয়োজনে গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়া।
৯) মোনাফিকী করা ও দুই মুখে (দ্বিমুখী) কথা বলা।
১০) বেহুদা ও অতিরিক্ত কথা বলা।
১১) বাতিল ও হারাম জিনিস নিয়ে আলোচনা করে আনন্দ লাভ করা।
১২) কারও গীবত করা।
১৩) খারাপ উপনামে ডাকা।
১৪) কাউকে অভিশাপ দেয়া।
১৫) কাউকে সামনা-সামনি বা সম্মুখে প্রশংসা করা।
১৬) মিথ্যা স্বপ্ন বলা।
১৭) অনর্থক চিৎকার বা চেঁচামিচি করা।
১৮) জিহ্বা দিয়ে হারাম বস্তুর স্বাদ নেয়া, গ্রহণ করা বা খাওয়া।
১৯) জিহ্বা দিয়ে খারাপ অর্থে কাউকে কোন ভঙ্গি করা বা দেখানো।
নিম্নোক্ত হাদিসটি আমাদের সবসময় সামনে রাখা উচিত :
সাহাল ইবনে সায়াদ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্ (স:) বলেছেন, 'যে ব্যক্তি দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী অঙ্গ (জিহ্বা) এবং দুই উরুর মধ্যবর্তী অঙ্গ (লজ্জাস্থান) হেফাজতের নিশ্চয়তা দেবে, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।' (বুখারী : ৬৪৭৪)
মহান আল্লাহ্ আমাদেরকে মুখ তথা জিহ্বাকে হেফাজত করার তৌফিক দান করুন।
আমিন।
মাক্কী সূরার বৈশিষ্ট্য :-
সুদীর্ঘ তেইশ বছরে মক্কায় ও মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে যেগুলো মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে সেগুলোকে মাক্কি সুরা বলা হয় :-
মাক্কি সুরা নিরূপণ করার নিয়মনীতি সম্পর্কে ওলামাগণ বিভিন্ন মতামত দিয়েছেন :-
১. যেসব আয়াতে ইসলামি দাওয়াত ও প্রচার কার্যের উপর অত্যধিক জোর দেওয়া হয়েছে এবং সম্বোধন এর ক্ষেত্রে বিনম্রতা এবং কোমল নীতি অবলম্বন করা হয়েছে সেগুলো মাক্কি সূরা।
২.মক্কায় কাফেরদের সাথে সশস্ত্র যুদ্ধের কথা উল্লেল্লখ নেই।
৩. যেসব সুরায় কঠিন কঠিন শব্দ প্রয়োগ করা হয়েছে সেগুলো মাক্কি আয়াত।
৪. যেসব সুতায় হৃদয়াবেগ ও মনস্তত্ত্বের প্রতি বিশেষ লক্ষ্য রাখা হয়েছে সেগুলো মাকি সুরা।
৫. মাক্কী সূরায় তাওহীদ, কেয়ামত এবং অন্যান্য উপদেশ নসিহতের বিষয় উল্লেখ রয়েছে।
৬. মাক্কি সুরায় ইবাদত ও কাজের বাস্তব নির্দেশ কম।
৭. মাক্কি সুরাগুলোতে আদম (আ.) ও ইবলিসের কাহিনী অনেক জায়গায় বর্ণিত হয়েছে।
৮. মাক্কি সুরাসমুহে আকিদা ও মতাদর্শ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
৯. মাক্কি সুরায় ইহুদি ও নাসারাদের সাথে কোনো বিতর্কের উল্লেখ নেই।
এবং সহজে মুখস্থ হওয়ার যোগ্য।
১১. মাক্কি সুরায় শরিয়তের বিধিবিধান সম্পর্কে আলোচনা নেই।
১২. যেসব সূরায় عزف روع) گلا( রয়েছে সেগুলো প্রায়ই মাকি সুরা।
১৩. এ ধরনের সুরাগুলো ছোটো ছোটো।
১৪. মাক্কি সুরাসমূহে অধিকাংশ ক্ষেত্রে يًّا أَيُّهَا التّاسُ )হে মানুষ।) বলে সম্বোধন করা হয়েছে ين أمنوا মুমিনগণ।) বলে সম্বোধন করা হয়নি।
১৫. যেসব সুরায় حرف مُقمَا রয়েছে সেগুলো মাক্কি সুরা।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর ডালিম (বীর উত্তম) এর বদৌলতে যে সত্য ইতিহাসগুলো জাতি অর্ধ শতাব্দী বছর পর জানলো:
১. মুজিব নিজে স্বয়ং ধরা দিয়ে পা'কি'স্তা'নি আর্মির কাছে ফ্যামিলির দায়িত্বভার দিলেন।
২. মুজিবের ভাষনে নয় মেজর জিয়াউর রহমানের ডাকে লক্ষ লক্ষ মানুষ একতাবদ্ধ হয়েছিলো এবং আমি নিজেও পা'কি'স্তা'ন থেকে চলে এসেছিলাম মেজর জিয়ার ডাকে।
৩. মুক্তিযুদ্ধে সর্বমোট শহীদের সংখ্যা ৩০ লক্ষ নয়, ৩ লক্ষ।
৪. মুক্তিযুদ্ধে ধ'র্ষ'ণের শিকার নারীদের সংখ্যা ২ লক্ষ নয় বরং আরো অনেক অনেক কম কারণ ডালিম সাহেব বলেছেন উনি মাত্র দুইজন ধ'র্ষি'তা নারীকে পেয়েছেন।
৫. মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাইনি।
৬.ভা'র'ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করছে যাতে তাদের একটি প্রদেশ বানাতে পারে।
৭. মুজিব হ'ত্যায় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও জড়িত ছিলেন।
৮. কোরআন শপথ করে জিয়া আগস্ট বিপ্লবীদের সাথে থাকার ওয়াদা করেন। (কিন্তু তার বদলে) তিনি ক্ষমতা সুসংহত করতে ৪০০০ লোককে মৃ'ত্যু'দ'ন্ড দিয়েছিলেন।
৯. বুদ্ধিজীবীদের হ'ত্যা করেছিলো ভা'র'তীয় বাহিনী।
১০. ভারত তৎকালীন ১৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বাংলাদেশ থেকে লুট করে নিয়ে যায়। বাঁধা দিলে মুজিব মেজর জলিলকে গ্রেপ্তার করে।
১১. জহির রায়হান ও শহিদুল্লাহ কায়াসারকে হ'ত্যা করেছিলো মুজিব।
১২. মুক্তিযুদ্ধে ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জৎ লু'ট হয়েছিলো এইটা একটা মিথ্যা প্রচারণা।
১৩. বিপ্লবী সিরাজ সিকদারকে পরিকল্পনা করে হ'ত্যা করে মুজিব।
১৪. কথা আর কাজে কোন মিল ছিলোনা মুজিবের৷
১৫. মুজিব হত্যার পরে মিষ্টি বিতরণ করে দেশের মানুষ।
১৬. মেজর ডালিমের স্ত্রীকে চিকিৎসা নিতে দেয়নি হাসিনা ও খালেদা।
তারিখ: জানুয়ারি ০৫-০১-২০২৫ ইং
26/11/2024
শহীদ আলিফ ভাই।
কিছুক্ষন আগে ইসকন ও চিন্ময় দাসের অনুসারীদের হাম/লায় শহীদ হলেন এই তরুণ আইনজীবী।
তাঁকে জবা/**ই করে খু/**ন করেছে উ/গ্র এই ইসকন।
ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন।
আল্লাহ ভাইকে শহীদ হিসেবে কবুল করুক আমিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Satkhira
Opening Hours
| Thursday | 10:00 - 23:45 |
| Friday | 10:00 - 17:00 |