একটা হরর স্টোরি বলি। সত্যিকারের হরর স্টোরি।
এ লেখার বিষয়বস্তু নিয়ে কিংবা পোস্টে দেয়া লিঙ্ক ঘাঁটাঘাঁটি করলে নিজ দায়িত্ব করবেন। মজা করছি না, সিরিয়াসলি বললাম।
পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিতে দুই ধরণের মুরগীর প্রজনন করা হয়। ডিমের জন্য লেয়ার মুরগী, আর মাংসের জন্য ব্রয়লার। ব্রয়লার মুরগী ছয়-সাত সপ্তাহের মধ্যে বিশাল বড় হয়ে যায়। মাংশ হয় প্রচুর। আর লেয়ার মুরগীর স্পেশালিটি হল সাইযে বড় না হলেও এ জাতের মুরগী অনেক বেশি ডিম দেয়। তবে ডিম তো দেয় শুধু নারী মুরগী। পুরুষদের কী হয়?
মেরে ফেলা হয়।
জন্মের প্রথম দিনই ওদের মেরে ফেলা হয়। কারণ এ মুরগীগুলোর জীবন প্রফিটেবল না। পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রির কাছে এরা ‘সারপ্লাস’। পুরুষ হবার কারণে এদের কাছ থেকে ডিম পাওয়া যায় না। আর লেয়ার জাতের হবার কারণে পাওয়া যায় না ব্রয়লার মুরগীর মতো মাংসও তাই সবচেয়ে লাভজনক, সবচেয়ে ‘একোনমিক’ সমাধান হল এই বাচ্চাগুলোকে যতো দ্রুত সম্ভব মেরে ফেলা।
আর তাই প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে এক দিন বয়েসী ৭০০ কোটি পুরুষ শিশু মুরগী হত্যা করা হয়। হ্যাঁ, ৭০০ কোটি। ৭ বিলিয়ন।
এই মেরে ফেলার কাজটা কীভাবে করা হয় জানেন?
বিভিন্ন পদ্ধতি আছে।
১। শ্বাসরোধ করা: বাচ্চাগুলোকে বিশাল বিশাল প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে আটকে দেয়া হয়। বাতাসের জন্য হাঁসফাঁস করতে করতে দমবন্ধ হয়ে মারা যায় ওরা।
২। ইলেক্ট্রোকিউশান: ডিম ফুটে বের হওয়া বাচ্চাদের ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে হত্যা করা হয়।
৩। সারভিকাল ডিসলোকেশান: সোজা বাংলায়, হাত দিয়ে টেনে মাথা ছিড়ে ফেলা হয় শরীর থেকে।
৪। গ্যাসিং: গ্যাস চেইম্বারে চালু করে দেয়া হয় কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস। সদ্যজাত মুরগীগুলো একসময় জ্ঞান হারায় এবং মারা যায়।
৫। ম্যাসেরেইশান: পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে পছন্দের পদ্ধতি। বাচ্চাগুলোকে প্রথমে একটা কনভেয়ার বেল্টে ছুড়ে দেয়া হয়। কনভেয়ার বেল্ট জীবন্ত বাচ্চাগুলোকে নিয়ে ফেলে প্রচন্ড গতিতে ঘুরতে থাকা ধারালো ধাতব পাতের মধ্যে। মূহুর্তের মধ্যে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ওরা।
ব্লেন্ডার আছে না? একটা ঢাউস সাইযের ব্লেন্ডারের ভেতর একদিন বয়েসী মুরগীর বাচ্চাকে ছেড়ে দিলে কী হবে চিন্তা করুন। সেইম প্রসেস। তবে একটা না, শত শত কোটি মুরগীর বাচ্চাকে এভাবে হত্যা করা হয়। পুরো ব্যাপারটা পুঁজিবাদের ইউটিলিটারিয়ান সমীকরণ আর মডার্নিটির মনস্তত্ত্বের অসাধারণ এক দৃষ্টান্ত। আগাগোড়া পিওর মেশিন লজিক।
দুটা ভিডিও লিঙ্ক দিচ্ছি কমেন্টে, ভিডিগুলো দেখেন। না দেখলে ব্যাপারটার যান্ত্রিক নিষ্ঠুরতা বোঝা সম্ভব না।
এই ভয়ঙ্কর কাজটার একটা সুন্দর নাম আছে। Chick Culling বা Male Chick Culling। বাংলাদেশে কী হয় জানি না, কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ জায়গায় এটা পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রির স্ট্যান্ডার্ড প্র্যাকটিস। এবং আমরা সবাই এই প্রক্রিয়ার অংশীদার।
হ্যাঁ, এই নৃশংসতা বন্ধ করতে গেলে নিশ্চিতভাবেই পোল্ট্রি প্রডাকশন কমবে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে, ফ্রাইড চিকেন হয়তো পাওয়া যাবে না। চালানো যাবে না কেএফসির মতো মাল্টিবিলিয়ন ডলার ফ্র্যাঞ্চচাইয। ফাস্ট ফুডের নেশা উপভোগ করা যাবে না যখন তখন। কিন্তু অবিশ্বাস্য মাত্রার এ নিষ্ঠুরতাকে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার বানিয়ে ফেলার চেয়ে কি তা খুব একটা খারাপ হবে?
আলহামুদলিল্লাহ, মহান আল্লাহ আমাদের অনেক নিয়ামত দিয়েছেন। প্রানীজগত থেকে আমরা উপকৃত হতে পারি, এটাও একটা নিয়ামাহ। খাদ্যের জন্য হালালভাবে পশু হত্যা জায়েজ, এবং এটা মানবজাতির জন্য প্রয়োজন। কিন্তু এমন একটা প্রসেসকে কীভাবে সমর্থন করা যায়, যেটার অবশ্যাম্ভাবী সাইড ইফেক্ট হিসেবে বছরে ৭০০ কোটি সদ্যজাত মুরগীকে এতো বীভৎসভাবে হত্যা করা হয়? কীভাবে এখানে হুকুকুল ইবাদ (বান্দার হক) রক্ষিত হয়? কীভাবে রাহমাতুললি আলামীনের (ﷺ) এর শিক্ষার সাথে এমন আচরণকে মেলানো যায়?
মনে রাখবেন পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু এই ৭০০ কোটি শিশু মুরগীকে কোন কাজে লাগাচ্ছে না। এরা স্রেফ সারপ্লাস। বিক্রিয়ার অপদ্রব্য। এর সাথে কুরবানীর অবস্থা মিলিয়ে দেখুন।
কুরবানীর পশুর প্রায় প্রতিটি অংশ কাজে লাগে। শুধু একজন ব্যক্তি কিংবা পরিবার না, বরং পুরো সমাজ উপকৃত হয়। কুরবানীর পশুর মাংসের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ বিলিয়ে দেয়া হয়। কুরবানীর সময় এমন অনেক মানুষ মাংস খেতে পায় বছরের অন্য সময় মাংস খাবার সুযোগ যাদের হয়তো হয় না। কুরবানী কেন্দ্রিক বেচাকেনাতে গ্রামাঞ্চলের মানুষ এবং খামারীরা সুযোগ পায় অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবার।
এবং পুরো ব্যাপারটা করা হয় সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টির জন্য। আত্মকেন্দ্রিক ভোগের জন্যে না। আমরা সব কিছুর মালিকের নির্দেশে, তাঁরই দেয়া সম্পদ, তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কুরবান করি। বছরে একদিন। আর এই এক ইবাদাহ থেকে উপকৃত হয় পুরো সমাজ।
ফাস্টফুডের নির্জীব আত্মকেন্দ্রিকতা, মাল্টিবিলিয়ন ডলার কর্পোরেইশানের নির্জলা প্রফিটমুখীর চিন্তা, আর সারপ্লাস হত্যার সাথে কতো আকাশপাতাল তফাৎ।
তবু বছর বছর ইসলামের বিধান কুরবানীর বিরোধিতা করে হাজার হাজার শব্দ লেখা হয়। কিন্তু পুঁজিবাদী পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ আমরা বিনা প্রশ্নে সয়ে যাই। এক বিচিত্র মনস্তত্ত্ব আধুনিকতা আর আধুনিক মানুষের। এক বিচিত্র দ্বিচারিতা সহনশীলতা আর উদারতার নামে।
~ আসিফ আদনান
ফেসবুক পোস্ট, ০৯ জুলাই, ২০২২
Al Furqan Dawyah Academy
This is the official page of Al Furqan Dawyah Academy located in Madani Nagar, Dokkhin Para, Khejurbaria, Parulia, Debhata, Satkhira.
আলেম হওয়ার জন্য প্রধান তিনটি শর্ত ⤵️
১. [মা'রেফাতুল্লাহি সুবহানাহু ওয়া তা'আলা] তথা- আল্লাহর তাওহিদের যে জ্ঞান রয়েছে সে সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকা।
২. [মা'রেফাতু রাসূলিল্লাহ] তথা- আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরিচয় সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকা।
যদি এগুলোর বিচ্যুতি হয় দুনিয়ার যত বড়ই আলেম হোক - সে আলেম নয়। দুনিয়ার সমস্ত জ্ঞান তার মাঝে থাকলেও কোন লাভ নেই তাকে আলেম বলা হবে না শরিয়াহ অনুযায়ী ।
৩. [মা'রেফাতু দলিল আদিল্লাহ] তথা- দলীলের মাধ্যমে আল্লাহর দ্বীনের যে বিধান গুলো রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকা।
এই তিনটি শর্ত যার কাছে পাওয়া যাবে তিনি আলেম। আর যার কাছে পাওয়া যাবে না সে যতই কামেল পাস বা দশবার দাওরাহ পাস করলেও সে আলেম নয়।
🎙️ফদ্বিলাতুশ শাইখ ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মাদানী হাফিজাহুল্লাহু
পিএইচডি (ফিকহ), মদীনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদিআরব।
06/04/2025
"ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা সব ধর্মকে সমর্থন করে, ইসলাম ছাড়া। তারা সব ভাষা কে ভালোবাসে, আরবি ছাড়া। তারা সব পোশাক কে পছন্দ করে, হিজাব ছাড়া। তারা সব উপাসনালয় কে পছন্দ করে, মসজিদ ছাড়া। তারা সব মতামতকে পছন্দ করে, ফতওয়া ছাড়া।"
-শায়খ ড. ছালেহ আল ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ) তিনি একজন ইসলামী ধর্মতত্ত্ববিদ এবং সৌদি আরবের সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের সদস্য।
ইয়া হাকিমু
আল্লাহ আজিজুল হাকিম
ইয়া ওয়াকিলু,
আল্লাহ কারিমুল ওয়াকিল
ইয়া গাফুরু
আল্লাহ আজিজুল গাফফার
ইয়া রকিবু
আল্লাহ হাফিজুর রকিব
ইয়া লতিফু
আল্লাহ লতিফুল খবির
খুব অর্থবহ, খুব তাৎপর্যপূর্ণ।
যাকাতুল ফিতর: একটি পবিত্র দায়িত্ব
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "যাকাতুল ফিতর রোযাদারের জন্য অপ্রয়োজনীয় ও অশ্লীল কথার গুনাহ থেকে পরিশোধন এবং অভাবীদের খাদ্যের ব্যবস্থা করে।" (আবু দাউদ)
তিনি যাকাতুল ফিতর ঈদের নামাজের পূর্বে খাদ্যদ্রব্য হিসেবে বিতরণের নির্দেশ দিয়েছেন, যা সহিহ সুন্নাহ মোতাবেক আদায় করা বাধ্যতামূলক ।
আল ফুরকান দাওয়াহ একাডেমিতে যাকাতুল ফিতর গ্রহণ চলছে
আল ফুরকান দাওয়াহ একাডেমি ও এতিমখানা সম্পূর্ণ সহিহ সুন্নাহ মোতাবেক পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। এখানে যাকাতুল ফিতর সুন্নাহর নিয়ম মেনে গ্রহণ ও বিতরণ করা হয়। ঈদুল ফিতরের পূর্ব পর্যন্ত যাকাতুল ফিতর গ্রহণ করা হবে। যারা দিতে ইচ্ছুক, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দিন।
📍 ঠিকানা: মাদানি নগর, দক্ষিণ খেজুরবাড়িয়া, পারুলিয়া, দেবহাটা, সাতক্ষীরা
📞 যোগাযোগ: ০১৯৪৬৭৯৮৬৮২
আসুন, সুন্নাহর অনুসরণে যাকাতুল ফিতর আদায় করি ও অভাবীদের মুখে হাসি ফোটাই!
07/12/2024
আলহামদুলিল্লাহ। ভর্তি চলছে - আল ফুরকান দাওয়াহ একাডেমী ও এতিমখানা, মাদানীনগর খেজুরবাড়িয়া।
"আল্লাহ যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দু’এর মাঝে যা কিছু আছে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন- অতঃপর তিনি ‘আরশে সমুন্নত হন। তিনি ব্যতীত তোমাদের জন্য কোন অভিভাবক নেই, সুপারিশকারীও নেই। তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না?"
(QS. As-Sajdah 32: Verse 4)
* Via Al-Qur'an Bangla
খাওয়ারিজদের ভণ্ডামির শেষ নাই। আর এই খাওয়ারিজদের বিশেষ ভন্ডামিতে প্রবাহিত হচ্ছে অনেক সালাফি ভাই-বোনরা
যারা এটি প্রচার করতেছেন, এই কথা বলার জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, لا يرد القضاء إلا الدعاء "দু‘আ ব্যতীত কোনো কিছুই তাক্বদীর (আল্লাহর নির্ধারণ/ভাগ্য) পরিবর্তন করতে পারে না।" তিনি আরো বলেছেন,ليس شئ أكرم على الله من الدعاء "আল্লাহর নিকট দু‘আর চেয়ে সন্মানিত কিছুই নেই।" অন্যত্র তিনি আরো বলেছেন, الدعاء هو العباده "দু‘আই ইবাদত।" তিনি আরো বলেছেন, إن ربكم حَييٌّ كريم، يستحيي من عبده إذا رفع يديه إليه، أن يَرُدَّهُمَا صِفْراً "আল্লাহ লাজুক দয়াবান। যখন কোনো মানুষ তাঁর দিকে দু’খানা হাত উঠায় (দু‘আ করতে) তাহলে তিনি তা ব্যর্থ ও শূন্যভাবে ফিরিয়ে দিতে লজ্জা পান।"
আল্লাহ তাআলা বলেন, ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ "তোমরা আমার কাছে দু‘আ কর, আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব বা তোমাদের প্রার্থনা পূরণ করব। নিশ্চয় যারা আমার ইবাদত থেকে অহঙ্কার করে (আমার কাছে প্রার্থনা না করে) তারা শীঘ্রই লাঞ্ছিত অপমানিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।"
এটা ঠিক যে, সমাধান কেবল দু‘আর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। কিন্তু এর দ্বারা সমাধান হয় না, এটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কেবল দু‘আর মাধ্যমেই অর্জিত হয়েছে এমন বহু বিজয় লাভের ঘটনার প্রমাণ রয়েছে। যেমন: যখন একজন নবীর বিষয়ে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তিনি আল্লাহর নিকট দু‘আ করেছেন, ফলে আল্লাহ তা'আলা কেবল এর বদলতে বিজয় দিয়ে দিয়েছেন (দেখুন - বুখারী হা/৩১২৪; মুসলিম হা/১৭৪৭)। যেমন: হস্তি বাহিনীর ঘটনা। এরূপ আরো বহু উদাহরণ রয়েছে।
এবার আসি শাইখ ইয়াসির দুসারী হাফি. এর উক্তির সত্যতা নিয়ে!
বস্তুত এই উক্তি তার নয়; এটি তার নামে মিথ্যাচার। এটি আরবিয়ান কারো উক্তি। এই উক্তি আরবিতে খুব বেশি প্রচারিত হচ্ছে। কিন্তু সেখানে কোনো নাম মেনশন করা হচ্ছে না, সেটি কার উক্তি। প্রসারিত সেই উক্তিটির মূল আরবি হল:
قضايا المسلمين إذا كانت تُحل بالدعاء فقط ماخاض رسول الله حربا وهو أفضل المستاجيبين
12/06/2024
কি ভাবছেন ছবিটি কোন মুভি কিংবা নাটকের দৃশ্য???
তাহলে আপনার ধারণা ভুল কারণ ছবিটি এবারের হজে একজন #হাজীর হয়তোবা আফ্রিকান হতে পারে।
‘ইনসাইট দ্যা হারামাইন’ নিজেদের পেইজে শেয়ার করেছে।
কপোল বেয়ে নামা তাঁর পবিত্র অশ্রু—
সেটা কি নবীজীর মদিনায় পৌঁছার আনন্দের নাকি গিয়েও তাঁকে না দেখার বেদনায়?
প্রভূর ডাকে ‘লাব্বাইক’ বলার স্বপ্নপূরণের কৃতজ্ঞতায় নাকি চুপিসারে প্রভূর কাছে কোনো আবদারে, অনুযোগে?
ইসলামের জন্য নবীজী-সাহাবীগণের রক্তের ইতিহাস স্মরণে নাকি বর্তমান নির্যাতিত মুসলমানদের অসহায়ত্বের কষ্টে?
আসল কথা জানেন কি আমরা মনে করি যারা ফর্সা সুন্দর তারাই হয়তো প্রকৃত সফলতা লাভ করছে কিন্তু এই কনসেপ্ট টা ভুল কারণ প্রকৃত সফলতা এই অর্জন করে যার মধ্যে ঈমান থাকে সেটা হোক কালো কিংবা ফর্সা।
আল্লাহ তাঁকেসহ সকল হাজীদের কবুল করে নিন এবং আমাদেরকেও বারবার হাজিরা দেয়ার তাওফিক দিন
আমিন🤲
©️
জানার জন্য :
Fiverr এর মালিক কে? এর টাকা কে কিভাবে ব্যবহার হয় ?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
HXXW+397, Debhata
Satkhira
9430