Md. Shafiul Azam Kayem

Md. Shafiul Azam Kayem Md. Shafiul Azam (Kayem), Assistant Teacher (Math.), Chibbari Model High School, Satkania, Chattogra

26/12/2025

৮ম শ্রেণির পাঠ্যসূচি ও মান অনুযায়ী জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের শৈশব নিয়ে 'কাজী নজরুল ইসলামের ছোটবেলা' বিষয়ক একটি প্রবন্ধ নিচে উপস্থাপন করা হলো:
​কাজী নজরুল ইসলামের ছোটবেলা
​ভূমিকা
​বাংলা সাহিত্যের আকাশে কাজী নজরুল ইসলাম এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি আমাদের জাতীয় কবি এবং ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে বিশ্বনন্দিত। অন্যায়, অবিচার আর পরাধীনতার বিরুদ্ধে তাঁর বজ্রকণ্ঠ চিরকাল বাঙালিকে প্রেরণা দিয়ে আসছে। তবে এই মহান কবির শৈশব ও কৈশোর ছিল প্রচণ্ড অভাব-অনটন এবং অদম্য সংগ্রামের গল্পে ঘেরা। তাঁর জীবন আমাদের শেখায় যে, প্রবল ইচ্ছাশক্তি থাকলে চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজেকে বিকশিত করা সম্ভব।
​জন্ম ও বংশ পরিচয়
​১৮৯৯ সালের ২৪শে মে (১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে নজরুল জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম কাজী ফকির আহমদ এবং মায়ের নাম জাহেদা খাতুন। নজরুলের পূর্বপুরুষরা বিচারক বা ‘কাজী’ ছিলেন বলে তাঁদের বংশের পদবি ছিল কাজী।
​‘দুখু মিয়া’ ও জীবনসংগ্রাম
​নজরুলের শৈশব ছিল দুঃখের কালো মেঘে ঢাকা। জন্মের পর একে একে বেশ কয়েকজন ভাইবোন মারা যাওয়ায় তাঁর ডাকনাম রাখা হয়েছিল ‘দুখু মিয়া’। দুর্ভাগ্যজনকভাবে মাত্র নয় বছর বয়সে তাঁর বাবা মারা যান। পিতৃহারা কিশোর নজরুলকে সংসারের হাল ধরতে হয় খুব অল্প বয়সেই। তিনি গ্রামের মক্তব থেকে নিম্ন প্রাথমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সেখানেই শিক্ষকতা শুরু করেন। একই সাথে মাজারের খাদেম এবং মসজিদের মুয়াজ্জিনের কাজও করেন তিনি। শৈশবের এই কঠিন অভিজ্ঞতা তাঁর মনে সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ তৈরি করেছিল।
​লেটো দলের কিশোর কবি
​নজরুল ছিলেন অসম্ভব মেধাবী এবং চঞ্চল। পড়াশোনার চেয়ে গান ও নাটকের প্রতি তাঁর আকর্ষণ ছিল বেশি। মাত্র ১২-১৩ বছর বয়সে তিনি ‘লেটো’ নামক এক লোকসংগীতের দলে যোগ দেন। অল্প বয়সেই তিনি এই দলের জন্য ‘চাষার সঙ’, ‘শকুনীবধ’, ‘রাজপুত্রের সঙ’ ইত্যাদি পালাগান ও কবিতা রচনা করে সকলকে তাক লাগিয়ে দেন। লেটো দলেই তাঁর সংগীত ও কাব্য প্রতিভার প্রথম বিচ্ছুরণ ঘটে।
​রুটির দোকান ও ত্রিশাল জীবন
​অভাবের তাড়নায় নজরুল একবার আসানসোলের একটি রুটির দোকানে মাসিক এক টাকা বেতনে কাজ নেন। সারাদিন রুটি বেলা আর দোকানে কাজ করলেও তাঁর ভেতরে ছিল অজানাকে জানার তীব্র তৃষ্ণা। সেখানে তাঁর পরিচয় হয় পুলিশ দারোগা কাজী রফিজউল্লাহর সাথে। নজরুলের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে তিনি তাকে ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহের ত্রিশালে দরিরামপুর স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করে দেন। ত্রিশালের সেই স্মৃতি কবির জীবনে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
​শিক্ষা ও সৈনিক জীবন
​পরবর্তীতে নজরুল আবার নিজ এলাকায় ফিরে আসেন এবং রানীগঞ্জের সিয়ারসোল রাজ স্কুলে পড়াশোনা করেন। ১৯১৭ সালে দশম শ্রেণির ছাত্র থাকাবস্থায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে তিনি পড়াশোনা ছেড়ে বাঙালি পল্টনে যোগ দেন। সৈনিক হিসেবে তিনি করাচি যান এবং সেখানে থাকাকালেই তাঁর সাহিত্যচর্চার প্রসার ঘটে।
​উপসংহার
​কাজী নজরুল ইসলামের শৈশব ছিল ভাঙাগড়ার এক বিচিত্র উপাখ্যান। অভাবের কশাঘাত তাঁর প্রতিভাকে দমাতে পারেনি, বরং তাঁকে করেছে আরও ধারালো ও সাহসী। শৈশবের সেই ‘দুখু মিয়া’ই আজকের বিশ্বজয়ী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর জীবন থেকে প্রতিটি শিক্ষার্থীর শিক্ষা নেওয়া উচিত যে, কোনো বাধা বা দারিদ্র্যই মানুষের সাফল্যের পথে অন্তরায় হতে পারে না।

17/12/2025

নিশ্চয়ই! এখানে “The Clever Fox and the Crow” গল্পটি ক্লাস ৮-এর স্তরের জন্য সহজভাবে সংক্ষেপে ও শিক্ষণীয়ভাবে দেওয়া হলো:

---

The Clever Fox and the Crow

Once upon a time, there was a crow who found a piece of cheese. She picked it up and flew to a tree to eat it.

A clever fox saw the crow with the cheese and wanted it for himself. He thought of a plan.

The fox praised the crow, saying,
"Oh crow! You are so beautiful, and I have heard that your voice is very sweet. Please sing for me."

The crow, feeling proud and wanting to show off her voice, opened her mouth to caw, and the cheese fell down.

The clever fox quickly grabbed the cheese and ran away, saying,
"Learn this, proud crow: Do not trust flatterers!"

Moral of the story:
Do not be fooled by flattery. Pride and vanity can lead to loss.

17/12/2025

৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উপযোগী করে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' শীর্ষক প্রবন্ধটি নিচে দেওয়া হলো:
​মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
​ভূমিকা
​বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায় হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। এই যুদ্ধের স্মৃতি, বীরত্বগাথা এবং আত্মত্যাগের নির্দয় ইতিহাসকে সংরক্ষণ করার জন্য যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে, সেটিই হলো 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর'। এটি কেবল একটি ভবন নয়, বরং আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক এবং নতুন প্রজন্মের কাছে দেশপ্রেমের এক অফুরন্ত উৎস।
​অবস্থান ও প্রতিষ্ঠা
​মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর একটি ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে পরিচালিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি ভাড়া বাড়িতে প্রথম যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল ঢাকার আগারগাঁওয়ে নিজস্ব বিশাল ভবনে জাদুঘরটি স্থানান্তরিত হয়। আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর এই ভবনটি এখন আমাদের ইতিহাসের ধারক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
​গ্যালারি ও প্রদর্শিত বস্তুসমূহ
​জাদুঘরটিতে মোট চারটি স্থায়ী গ্যালারি রয়েছে। এখানে ধারাবাহিকভাবে বাঙালির ইতিহাস ও যুদ্ধের ঘটনাবলি সাজানো হয়েছে:
​প্রথম গ্যালারি: এখানে বাংলার প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্য থেকে শুরু করে ব্রিটিশ শাসন আমলের আন্দোলনগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
​দ্বিতীয় গ্যালারি: এই অংশে ১৯৪৭-এর দেশভাগ থেকে ১৯৭১-এর অসহযোগ আন্দোলন পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে।
​তৃতীয় গ্যালারি: এখানে ২৫শে মার্চের কালরাত্রির বিভীষিকা এবং গণহত্যার করুণ চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে।
​চতুর্থ গ্যালারি: এই গ্যালারিতে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়, মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত অস্ত্র, পোশাক এবং শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত আছে।
​এছাড়াও জাদুঘরে সংগৃহীত হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের ডায়েরি, চিঠি, মানচিত্র এবং পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের দলিলের প্রতিলিপি।
​গুরুত্ব ও তাৎপর্য
​মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের গুরুত্ব অপরিসীম। এটি বর্তমান প্রজন্মের কাছে যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান দেয় এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার অনুপ্রেরণা জোগায়। এখানে রাখা বধ্যভূমির মাটি এবং শহীদদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, এই স্বাধীনতা কত রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে।
​শিক্ষা কার্যক্রম
​জাদুঘরটি কেবল প্রদর্শনীতেই সীমাবদ্ধ নয়। এর একটি 'ভ্রাম্যমাণ জাদুঘর' বাস রয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পৌঁছে দেয়। এছাড়া এখানে নিয়মিত সেমিনার, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী এবং কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
​উপসংহার
​মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আমাদের অহংকার। এটি আমাদের শিকড়ের সন্ধান দেয়। প্রতিটি শিক্ষার্থীর উচিত অন্তত একবার এই জাদুঘর পরিদর্শন করা। আমরা যদি আমাদের ইতিহাসকে সঠিকভাবে জানি, তবেই আমরা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারব এবং শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করতে পারব।

17/12/2025

৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী করে "মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর" বিষয়ক একটি প্রবন্ধ নিচে দেওয়া হলো:
​মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
​ভূমিকা
​বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায় হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। এই যুদ্ধের স্মৃতি এবং বীরত্বগাথা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এটি আমাদের আত্মত্যাগ ও বিজয়ের এক জীবন্ত দলিল।
​অবস্থান ও ইতিহাস
​মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁওয়ে নিজস্ব বিশাল ভবনে অবস্থিত। ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি ভাড়া বাড়িতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই জাদুঘর প্রথম যাত্রা শুরু করেছিল। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে এটি আগারগাঁওয়ে তার স্থায়ী ঠিকানায় স্থানান্তরিত হয়।
​জাদুঘরের ভেতরটা যেমন
​জাদুঘর ভবনটি অত্যন্ত আধুনিক এবং সুপরিকল্পিত। এখানে মোট ৪টি স্থায়ী গ্যালারি রয়েছে। গ্যালারিগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যে, ভেতরে ঢুকলে মনে হবে আপনি সেই ১৯৭১ সালের দিনগুলোতে ফিরে গেছেন।
​প্রথম গ্যালারি: এখানে বাংলার প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন রয়েছে।
​দ্বিতীয় গ্যালারি: ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
​তৃতীয় ও চতুর্থ গ্যালারি: এখানে মুক্তিযুদ্ধের মূল ঘটনাপ্রবাহ, পাক-হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের স্মৃতিচিহ্ন রাখা হয়েছে।
​সংরক্ষিত নিদর্শনসমূহ
​জাদুঘরে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত পোশাক, জুতো, অস্ত্র, চিঠিপত্র এবং ডায়েরি সংরক্ষিত আছে। এছাড়াও এখানে রয়েছে শহীদদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র এবং বধ্যভূমি থেকে উদ্ধারকৃত মানুষের হাড় ও মাথার খুলি, যা যুদ্ধের ভয়াবহতা মনে করিয়ে দেয়। দেওয়ালে টাঙানো ছবিগুলোতে ফুটে উঠেছে সাধারণ মানুষের সংগ্রাম ও ত্যাগের দৃশ্য।
​গুরুত্ব ও শিক্ষা
​মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আমাদের দেশের শেকড়কে চিনতে সাহায্য করে। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, তারা এখানে এসে জানতে পারি কীভাবে অনেক কষ্টের বিনিময়ে আমাদের এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। এটি আমাদের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত করে এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রেরণা দেয়।
​উপসংহার
​মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কেবল একটি প্রদর্শনী কেন্দ্র নয়, এটি আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক। প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর উচিত অন্তত একবার এই জাদুঘর পরিদর্শন করা। দেশ ও জাতির সঠিক ইতিহাস জেনে নিজেদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

12/12/2025

অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার জন্য :

গল্পের বিষয়বস্তু (সাধারণ নাম) সম্ভাব্য নীতিবাক্য (Moral) / শুরুর লাইন (Beginning)
১. The Thirsty Crow (তৃষ্ণার্ত কাক) Moral: Where there is a will, there is a way. (ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়)
২. The Clever Fox and the Crow (চতুর শিয়াল ও কাক) Moral: Beware of flatterers. (তোষামোদকারীদের থেকে সাবধান)
৩. Unity is Strength (একতাই বল) Moral: Union is strength. (একতাই শক্তি)
৪. The Honest Woodcutter (সৎ কাঠুরিয়া) Moral: Honesty is the best policy. (সততাই সর্বোত্তম পন্থা)
৫. A Shepherd Boy and the Wolf (রাখাল বালক ও নেকড়ে) Moral: Nobody believes a liar. (মিথ্যাবাদীকে কেউ বিশ্বাস করে না)
৬. Grapes are Sour (আঙুর ফল টক) Moral: What one cannot have, one despises. (যা পাওয়া যায় না, তার প্রতি অবজ্ঞা)
৭. Slow and Steady Wins the Race (ধীরে ধীরে চললেই জয়ী হওয়া যায়) Moral: Slow and steady wins the race. (কচ্ছপ ও খরগোশের গল্প)
৮. The Boy who Cried Wolf (The Liar) Moral: Nobody trusts a liar. (একই গল্পের অন্য ভার্সন)

12/12/2025

বিগত জেএসসি পরীক্ষা এবং অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন অনুযায়ী ইংরেজির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি Dialogue (সংলাপ)-এর সাজেশন নিচে দেওয়া হলো। এই বিষয়গুলি সাধারণত কথোপকথনমূলক রাইটিং অংশে আসে:
​🗣️ গুরুত্বপূর্ণ Dialogue-এর সাজেশন:
​১. Dialogue between two friends about the importance of reading newspaper.
* সংবাদপত্র পড়ার গুরুত্ব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ।
​২. Dialogue between two friends about your preparation for the coming exam / scholarship exam.
* আসন্ন পরীক্ষা/বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ।
​৩. Dialogue between two friends about the bad effects of smoking / drug addiction.
* ধূমপান/মাদকাসক্তির খারাপ প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ।
​৪. Dialogue between two friends about how to improve in English.
* ইংরেজিতে কীভাবে উন্নতি করা যায়, তা নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ।
​৫. Dialogue between a customer and a shopkeeper about buying a product (like a book or a dress).
* কোনো পণ্য (যেমন: একটি বই বা পোশাক) কেনা নিয়ে একজন ক্রেতা এবং দোকানদারের মধ্যে সংলাপ।
​৬. Dialogue between two friends about the importance of physical exercise / tree plantation.
* শারীরিক ব্যায়াম/বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ।
​৭. Dialogue between a student and a headmaster / teacher about asking for leave of absence.
* ছুটি চাওয়ার জন্য একজন ছাত্র এবং প্রধান শিক্ষক/শিক্ষকের মধ্যে সংলাপ।

12/12/2025

বিগত জেএসসি পরীক্ষা এবং অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন অনুযায়ী ইংরেজির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি Application (দরখাস্ত) এর সাজেশন নিচে দেওয়া হলো। এই বিষয়গুলি সাধারণত Formal Writing বা Formal Application অংশে আসে।
​📝 গুরুত্বপূর্ণ Application এর সাজেশন:
​Application লেখার সময় অবশ্যই Formal Tone এবং সঠিক Format অনুসরণ করতে হবে। নিচে প্রধানত Headmaster/Principal এর কাছে লেখা দরখাস্তগুলো উল্লেখ করা হলো:
​১. Prayer for a Full-Free Studentship / Stipend:
* সম্পূর্ণ বিনা বেতনে অধ্যয়নের জন্য আবেদন। (সাধারণত দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রদের জন্য)
​২. Prayer for Leave of Absence:
* অসুস্থতা বা পারিবারিক কারণে ছুটি চেয়ে আবেদন। (যেমন: for five days because of illness)
​৩. Prayer for increasing common room facilities / library facilities:
* সাধারণ কক্ষের সুযোগ-সুবিধা/লাইব্রেরি সুবিধা বৃদ্ধির জন্য আবেদন।
​৪. Prayer for setting up a debating club / a science club:
* একটি বিতর্ক ক্লাব বা বিজ্ঞান ক্লাব স্থাপনের জন্য আবেদন।
​৫. Prayer for arranging a study tour / a picnic:
* একটি শিক্ষামূলক ভ্রমণ বা পিকনিকের আয়োজন করার জন্য আবেদন।
​৬. Prayer for issuing a Transfer Certificate (T.C.):
* স্থানান্তর সনদ (টিসি) প্রদানের জন্য আবেদন।
​৭. Prayer for permission to go on a trip:
* কোনো ভ্রমণে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন।
​এই অ্যাপ্লিকেশনগুলোর ফরম্যাট এবং ভেতরের বিষয়বস্তু (Body) অনুশীলন করলে আপনি পরীক্ষায় সহজেই উত্তর দিতে পারবেন।
​আপনার আর কোনো বিষয়ে সহায়তার প্রয়োজন হলে জানাতে পারেন।

12/12/2025

অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার জন্য :

Informal Letters (বন্ধুর কাছে/আত্মীয়ের কাছে) E-mail (একই বিষয়বস্তু)
১. জীবনের লক্ষ্য (Aim in Life) নিয়ে তোমার বন্ধুর কাছে একটি চিঠি লেখো। তোমার জীবনের লক্ষ্য জানিয়ে বন্ধুকে একটি ই-মেইল করো।
২. পরীক্ষায় বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে চমৎকার সাফল্যের জন্য বন্ধুকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি চিঠি লেখো। বন্ধুর সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়ে একটি ই-মেইল করো।
৩. গ্রীষ্মকালীন/শীতকালীন ছুটি কাটাতে তোমার বাড়িতে বন্ধুকে আমন্ত্রণ জানিয়ে একটি চিঠি লেখো। বন্ধুকে তোমার বাড়িতে ছুটি কাটাতে আসার জন্য ই-মেইল করো।
৪. তোমার সম্প্রতি পড়া একটি বই (A book you have recently read) সম্পর্কে মতামত জানিয়ে বন্ধুর কাছে চিঠি লেখো। সম্প্রতি পড়া একটি বই সম্পর্কে বন্ধুকে ই-মেইল করো।
৫. তোমার স্কুল লাইব্রেরির গুরুত্ব (Importance of a school library) বা সংবাদপত্র পড়ার প্রয়োজনীয়তা (Necessity of reading newspaper) জানিয়ে ছোট ভাইকে উপদেশ দিয়ে একটি চিঠি লেখো। ছোট ভাইকে অধ্যয়নে মনোযোগী হতে বা দৈনিক সংবাদপত্র পড়তে উৎসাহিত করে একটি ই-মেইল করো।
৬. তোমার বন্ধু বা আত্মীয়ের আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি লেখো। আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ই-মেইল করো।
৭. তোমার শিক্ষাজীবনের প্রস্তুতি (Preparation for the exam) বা একটি পিকনিকের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বন্ধুর কাছে চিঠি লেখো। তোমার পরীক্ষার প্রস্তুতি বা একটি পিকনিকের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বন্ধুকে ই-মেইল করো।

12/12/2025

বিগত জেএসসি (JSC) পরীক্ষার ধরনের ওপর ভিত্তি করে অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ইংরেজির জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ Composition (রচনা)-এর নাম নিচে দেওয়া হলো। এই বিষয়গুলো সাধারণত পরীক্ষায় বেশি আসে:
​📝 গুরুত্বপূর্ণ Composition (রচনা)
​১. A Journey by Train/Boat/Bus (ট্রেন/নৌকা/বাসে ভ্রমণ)
২. Your Aim in Life/Future Plan (তোমার জীবনের লক্ষ্য/ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা)
৩. Duties of a Student (একজন ছাত্রের কর্তব্য)
৪. The Game You Like Most (অথবা A Cricket Match/A Football Match) (তোমার প্রিয় খেলা/একটি ক্রিকেট ম্যাচ/একটি ফুটবল ম্যাচ)
৫. Science in Everyday Life (দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান)
৬. Newspaper (সংবাদপত্র)
৭. Physical Exercise (শারীরিক ব্যায়াম)
৮. Tree Plantation (বৃক্ষরোপণ)
৯. The Season You Like Most (তোমার প্রিয় ঋতু)
১০. Our National Flag/Our Liberation War (আমাদের জাতীয় পতাকা/আমাদের মুক্তিযুদ্ধ)

24/11/2025

শব্দের পিচ (Pitch):
শব্দের পিচ (Pitch) বা তীক্ষ্ণতা হলো শব্দের সেই বৈশিষ্ট্য, যার সাহায্যে একই প্রাবল্যের (Loudness) খাদ সুর (Low Pitch) এবং চড়া সুরের (High Pitch) মধ্যে পার্থক্য বোঝা যায়।
​সহজ কথায়:
​কম্পাঙ্ক (Frequency) বেশি হলে শব্দের পিচ বেশি হয়, এবং শব্দটি চড়া (তীব্র) শোনায় (যেমন— বাঁশির শব্দ বা ছোট শিশুর কান্না)।
​কম্পাঙ্ক (Frequency) কম হলে শব্দের পিচ কম হয়, এবং শব্দটি খাদ (মোটা) শোনায় (যেমন— পুরুষের কণ্ঠস্বর বা ড্রামের শব্দ)।
​অতএব, শব্দের পিচ হলো মূলত শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্কের সাথে সম্পর্কিত একটি অনুভূতি।

19/02/2024
19/02/2024

স্মার্ট নাগরিক মানে সৎ, সহমর্মী, তিনি অন্যের দুঃখ-কষ্ট বুঝবেন, তিনি পরমতসহিষ্ণু, নিজের মতের পাশাপাশি বিরোধী মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় তিনি বিশ্বাস করেন। ভিন্নমত থাকলে তিনি সম্মান করেন। একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি সমস্যা নিরূপণ করতে পারেন, সমস্যা সমাধান করতে পারেন। তিনি যা বলতে চান, তা বুঝাতে পারেন অর্থাৎ যোগাযোগের দক্ষতা আছে। এই সমস্ত গুণাবলি যাদের আছে তারাই আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট নাগরিক।

Address

Chibbari
Satkania
4397

Telephone

+8801818358115

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Shafiul Azam Kayem posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Md. Shafiul Azam Kayem:

Shortcuts

Share

Category