Department of Sociology, North Satkania Zafar Ahmed Chowdhury College

Department of Sociology, North Satkania Zafar Ahmed Chowdhury College Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Department of Sociology, North Satkania Zafar Ahmed Chowdhury College, Education Website, Satkania.

অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
02/10/2024

অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

অনার্স ১ম বর্ষের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস
26/09/2024

অনার্স ১ম বর্ষের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস

অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তি বিজ্ঞপ্তিপ্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে অনার্স ১ম বর্ষে ২...
11/09/2024

অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে অনার্স ১ম বর্ষে ২য় রিলিজ স্লিপে ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে। উত্তর সাতকানিয়া জাফর আহমদ চৌধুরী কলেজে ভর্তির আবেদন করা যাবে। আসন খালি আছে।

আবেদনের তারিখ : ১১/০৯/২০২৪ ইং হতে
২৩/০৯/২০২৪ ইং পর্যন্ত।

বিষয়সমূহ : সমাজবিজ্ঞান
হিসাববিজ্ঞান
অর্থনীতি

যোগাযোগ : জনাব মুহাম্মদ আবু নোমান
প্রভাষক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ।
মোবাইল : 01813177005

07/08/2024
অনার্স ১ম বর্ষ ভর্তির ২য় পর্যায়ের আবেদন
08/07/2024

অনার্স ১ম বর্ষ ভর্তির ২য় পর্যায়ের আবেদন

আজ এই মুখর দিনে এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৪ শুরু হলো। উত্তর সাতকানিয়া জাফর আহমদ চৌধুরী কলেজে পরীক্ষার্থীদের স্বাগতম।
30/06/2024

আজ এই মুখর দিনে এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৪ শুরু হলো। উত্তর সাতকানিয়া জাফর আহমদ চৌধুরী কলেজে পরীক্ষার্থীদের স্বাগতম।

12/06/2024

উত্তর সাতকানিয়া জাফর আহমদ চৌধুরী কলেজে সমাজবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিভাগে চান্স প্রাপ্ত

শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন!

27/05/2024

বাস্তব ও অবাস্তব

সম্প্রতি ৪০ তম পুলিশ ক্যাডারের ৪ জন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন এবং তাঁরা ৪১ তম প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছেন।একইভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫৭ জন ১ম শ্রেণির কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন এবং ৪১ তম ক্যাডার সার্ভিসের কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছেন।

এই যে পদত্যাগ এবং যোগদান প্রবাহ চাকরি ক্ষেত্রে এটি খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। আজকে যাঁরা প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করলেন, তাঁদের এইম ইন লাইফ হয়তো এটা ছিল না। খোঁজ নিলে দেখা যাবে তাঁরা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হতে চেয়েছেন।আর এখন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হবার পরও প্রশাসন ক্যাডার হতে চায়।
ডাক্তার ক্যাডার ত্যাগ করে প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দেন। এমনটাই হচ্ছে। কিন্তু কেন?

প্রশাসন ক্যাডার দেশের চাকরিজীবীদের একনম্বর পছন্দ। এতে যে ক্ষমতা, মর্যাদা, টাকা, বাড়ি-গাড়ির সুবিধা আছে ; সেটা অন্য কোন ক্যাডারে নাই। তাই এখন সবাই প্রশাসন ক্যাডার হতে চায়। মেনিয়াটা এই পর্যায়ে পৌঁছে যে, যে পড়ালেখা করেছে, সে যদি প্রশাসন ক্যাডার হতে না পারে তবে জিন্দেগী বরবাদ!

এটা অবশ্যই একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা। মানুষের শান্তি নষ্টের কারন।এটা সমাজে বৈষম্য বাড়াচ্ছে। এভাবে না।চাকরির বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত, কোনটি ছেড়ে কোনটি করবো।সব তো একই।সব পেশার সুবিধা সমান। তবে হয়তো সব পেশার মূল্য থাকতো।
এখন প্রশাসন ক্যাডারের সামনে অন্য সব ক্যাডার তুচ্ছ।

আর এখন শিক্ষার্থীদের অবস্থা দেখে মনে হয়, তারা পড়ালেখা জিনিসটা নিয়ে বেশ বিপদে আছে। বইপত্রে এতো ভালো ভালো কথা, উপদেশ আছে কিন্তু কোথাও ক্যাডার হওয়ার কথা নাই। এটা তাদের অবাস্তব মনে হয়।এটা তারা বুঝতে পারে কোথাও একটা ঘাপলা আছে। পড়ালেখা করা আর ক্যাডার হতে পারা ভিন্ন জিনিস।

তবে তারা এটা বুঝতে পারে যে একটা সার্টিফিকেট, ভালো জিপিএ ছাড়া ক্যাডার হওয়া সম্ভব নয়।তাই তারা বই পড়তে চায় না।তারা কিছুতেই পড়বে না। তারা জানে এই বই পড়ার কোন মূল্য নাই। তাই তাদের জোর করেও পড়ানো যায় না।ঘোড়াকে পানির কাছাকাছি নেয়া যাবে, কিন্তু পানি খাওয়ানো যাবে না।

তারা সাজেশন চায়,পরীক্ষার প্রশ্ন চায়,উত্তর চায়, ভালো জিপিএ চায়।এগুলোর মূল্য আছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, কোচিং সেন্টারের মালিক, গাইড বইয়ের প্রকাশক,সরকার, সবাই ভালো জিপিএ চায়।
পাবলিক পরীক্ষা গুলোতে প্রতি বছর জিপিএ 'র রেকর্ড হয়। সবাই খুশি।

এই খুশি দ্রুতই ম্লান হয়ে যায়। এতো ভালো রেজাল্ট। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায়,চাকরির পরীক্ষায় ধরা খায়।পাশ করতে পারে না। এইসব ভালো জিপিএ প্রশ্নবিদ্ধ হয়।ফাঁকা মনে হয়। মনে হয় বাইরে ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট!

আগে বাচ্চাদের শেখানো হতো, পড়ালেখা করে যে গাড়ি-ঘোড়া চড়ে সে। এখন ব্যাপার ভিন্ন। লেখাপড়া করলে বেকার থাকতে হয়।সবার চাকরি হয় না।যাদের চাকরি হয় তারা চাকরি করতে চায় না।চাকরি ছেড়ে দিতে চায়।প্রশাসন ক্যাডার হতে চায়। এই যেমন পুলিশ ক্যাডার চাকরি ছাড়লেন।এমনই।

যারা এইম ইন লাইফ রচনা লিখেছিল, তাদের সবাই জানে সেটা ভুল ছিল। আসলে এইম ইন লাইফ বলে কিছু নাই। ওটা একটা মিথ্যা।

স্কুল,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে স্যাররা আর শিক্ষার্থীদের কনভিন্স করতে পারে না। কারণ শিক্ষার্থীরা জানে উনাদের সামাজিক অবস্থান অত সুবিধার নয়।তাঁদের কথা শুনে কি হবে? তাঁরা এতো ভালো বলেন, শিখাতে চান।কিন্তু তাঁদের অবস্থান তো তলানিতে। তাঁরা কি আমাদের পথ দেখাতে পারবেন?

Nouman Mohammed
২৭/০৫/২০২৪

15/05/2024

জাতির চরিত্র উন্নয়ন ভাবনা

বাঙালির চরিত্র কেমন? ভালো না খারাপ?
চরিত্র ভালো হলে জাতির চরিত্র উন্নত হবে,জাতি হিসেবে উন্নত হবে আর চরিত্র খারাপ হলে জাতির চরিত্র নিচু হবে। জাতি হিসেবে নিচু হবে।

বাঙালি কেমন জাতি? উচু জাতি নাকি নিচু জাতি?
বাঙালিরা নিজেদের পছন্দ করে না। নিজেদের বাঙাল বলে গালি দেয়।বহিরাগত শাসকরা বাঙালিদের পছন্দ করতো না,বলতো বাঙালির চরিত্রে সমস্যা আছে। এই ধারা, ধারনা এখনো আছে, পরিবর্তন হয়নি।বিদেশিরা বাঙালিদের নিচু জাতি মনে করে।সন্দেহ করে।

এই যে বাঙালি জাতি;তাঁর জাত সম্পর্কে, চরিত্র চরিত্র সম্পর্কে একটি নেতিবাচক ধারনা, বাঙালিদের নিচু জাতি মনে করা, নিচু জাতি হিসেবে ট্রিট করা, এটা কেন?এর কি কোন ভিত্তি আছে? এটা কি আসলেই ঠিক?

জাতির চরিত্রের নেতিবাচক দিক গুলো কি? এর অনেক উপাদান হয়তো আছে। দুর্নীতি, চুরি, প্রতারণা করা, ভীরুতা, কাপুরুষতা,চিন্তাগতভাবে নিচু হওয়া ইত্যাদি।

নাগরিকদের মধ্যে উচু চিন্তার চাষাবাদ করা, উচু চিন্তার চাষ শুরু করতে হবে। শিশুদের উচু চিন্তার শিক্ষা দিলে হবে না। এটা বাস্তবে কার্যকরী হতে হবে।
শিক্ষার্থীরা বই পুস্তকে ভালো ভালো কথা পড়ছে।
বাস্তবে দেখছে যারা দুর্নীতি করে, চুরি করে তাদেরই দাপড় সমাজে। তাহলে শিক্ষার্থীরা সমাজে নিজের অবস্থান শক্ত করার জন্য দুর্নীতির চর্চা করবে, ভালো চিন্তার চাষাবাদ করবে না।

তাই দুর্নীতি, রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরি, বন্ধ করতে হবে। উন্নত চরিত্রের দেশপ্রেমিক নাগরিক ও শাসকের জন্ম দিতে হবে। যারা দেশের সম্পদ চুরি করে সিঙ্গাপুর বা কানাডায় বসবাসের স্বপ্ন দেখবে না। স্বপ্ন দেখবে
বাঙালির চরিত্র উন্নত করার।বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার।

© Nouman Mohammed
১৫/০৫/২০২৪

11/05/2024

হে শাসক;জাতির চরিত্রে সমস্যা:উন্নয়নের উদ্যোগ নিন

নৃগোষ্ঠিগতভাবে আমরা বাঙালি। একটি সংকর জাতি।কেউ কখনো স্বীকার করেনি, স্বীকৃতি দেয়নি যে বাঙালি উন্নত জাতি। বাঙালি নিজেও এমনটা কখনো দাবি করেনি। নিচু জাতির তকমা নিয়েই থেকেছে। বহিরাগত শাসকরাই বাঙালিকে নিচু জাতির তকমা দিয়েছে।ক্ষমতা শাসকের হাতে। শাসকের কথাই আইন।

বাঙালিকে নিচু জাতি বানানো শাসকের জন্য খুবই দরকার ছিল। উচুঁ জাতি নিচু জাতিকে শাসন করে। বহিরাগত শাসকরা নিজেদের উঁচু জাতি দাবি করেছে।
আর বাঙালিকে বানিছে নিচু জাতি।

বহিরাগতদের সবকিছু উন্নত আর বাঙালির সবকিছু নিচু, এই আইন তারা প্রতিষ্ঠা করলো।আর তা বাঙালিদের মানতে হলো।একসময় এটা বাঙালির অভ্যাসে পরিণত হলো।

এরই মধ্যে বহিরাগত শাসকরা বিতাড়িত হলো।বাঙালি শাসন ক্ষমতা দখল করলো পঞ্চাশ বছর হলো। কিন্তু বাঙালি উন্নত জাতি হতে পারলো না।বাঙালিরা নিজেদের নিচু জাতি বলে গালাগাল করে।

আমরা জানি শাসকের কথাই আইন। আজ পর্যন্ত কোন শাসকের কোন ইশতেহার দেখলাম না যে, বাঙালিদের উঁচু জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে।
শুধু শুনছি দেশকে উন্নত করা হবে। উন্নয়নশীল দেশ হবে, মধ্যম আয়ের দেশ হবে, উন্নত দেশ হবে ইত্যাদি।

যেটা বলা হচ্ছে সেটা অর্থনৈতিক উন্নতির কথা। জাতির চরিত্র ভালো না হলে, চরিত্রে চুরির অভ্যাস থাকলে, যত উন্নয়নই হোক চুরি হয়ে যাবে। তাই জাতিকে উন্নত করতে হবে। জাতির চরিত্র উন্নত করতে হবে।

জাতির চরিত্রে যে সমস্যা আছে, সেটা সংশোধনের কথা কেউ বলছে না।জাতির চরিত্র উন্নয়নের কথা কেউ বলছে না। বাঙালির গায়ে যে নিচু জাতির তকমা লেগে আছে সেটা কাটিয়ে ফেলার কোন উদ্যোগ দেখছি না।

বাংলাদেশ যদি উন্নত হয়, আর জাতির চরিত্র যদি উন্নত না হয় তবে লোকজন বলবে নাতো :
বানরের গলায় মুক্তোর হার!

©Nouman Mohammed
11/05/2024

11/05/2024

হে শাসক;জাতির চরিত্রে সমস্যা:উন্নয়নের উদ্যোগ নিন

নৃগোষ্ঠিগতভাবে আমরা বাঙালি। একটি সংকর জাতি।কেউ কখনো স্বীকার করেনি, স্বীকৃতি দেয়নি যে বাঙালি উন্নত জাতি। বাঙালি নিজেও এমনটা কখনো দাবি করেনি। নিচু জাতির তকমা নিয়েই থেকেছে। বহিরাগত শাসকরাই বাঙালিকে নিচু জাতির তকমা দিয়েছে।ক্ষমতা শাসকের হাতে। শাসকের কথাই আইন।

বাঙালিকে নিচু জাতি বানানো শাসকের জন্য খুবই দরকার ছিল। উচুঁ জাতি নিচু জাতিকে শাসন করে। বহিরাগত শাসকরা নিজেদের উঁচু জাতি দাবি করেছে।
আর বাঙালিকে বানিয়েছে নিচু জাতি।

বহিরাগতদের সবকিছু উন্নত আর বাঙালির সবকিছু নিচু, এই আইন তারা প্রতিষ্ঠা করলো।আর তা বাঙালিদের মানতে হলো।একসময় এটা বাঙালির অভ্যাসে পরিণত হলো।

এরই মধ্যে বহিরাগত শাসকরা বিতাড়িত হলো।বাঙালি শাসন ক্ষমতা দখল করলো পঞ্চাশ বছর হলো। কিন্তু বাঙালি উন্নত জাতি হতে পারলো না।বাঙালিরা নিজেদের নিচু জাতি বলে গালাগাল করে।

আমরা জানি শাসকের কথাই আইন। আজ পর্যন্ত কোন শাসকের কোন ইশতেহার দেখলাম না যে, বাঙালিদের উঁচু জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে।
শুধু শুনছি দেশকে উন্নত করা হবে। উন্নয়নশীল দেশ হবে, মধ্যম আয়ের দেশ হবে, উন্নত দেশ হবে ইত্যাদি।

যেটা বলা হচ্ছে সেটা অর্থনৈতিক উন্নতির কথা। জাতির চরিত্র ভালো না হলে, চরিত্রে চুরির অভ্যাস থাকলে, যত উন্নয়নই হোক চুরি হয়ে যাবে। তাই জাতিকে উন্নত করতে হবে। জাতির চরিত্র উন্নত করতে হবে।

জাতির চরিত্রে যে সমস্যা আছে, সেটা সংশোধনের কথা কেউ বলছে না।জাতির চরিত্র উন্নয়নের কথা কেউ বলছে না। বাঙালির গায়ে যে নিচু জাতির তকমা লেগে আছে সেটা কাটিয়ে ফেলার কোন উদ্যোগ দেখছি না।

বাংলাদেশ যদি উন্নত হয়, আর জাতির চরিত্র যদি উন্নত না হয় তবে লোকজন বলবে নাতো :
বানরের গলায় মুক্তোর হার!

© Nouman Mohammed
11.05.2024

Address

Satkania

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Department of Sociology, North Satkania Zafar Ahmed Chowdhury College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Department of Sociology, North Satkania Zafar Ahmed Chowdhury College:

Shortcuts

Share