Sarishabari Riaz Uddin Talukder High School

Sarishabari Riaz Uddin Talukder High School আমাদের ভালবাসার বিদ্যালয়...।

শিক্ষা এমন একটা জিনিস এই মহিলাটি কেরালার মল্লপুরমের একটি স্কুলের গণিতের শিক্ষিকা ছিলেন।একদিন তাঁর এক ছাত্রী রেলস্টেশনের ...
10/09/2020

শিক্ষা এমন একটা জিনিস

এই মহিলাটি কেরালার মল্লপুরমের একটি স্কুলের গণিতের শিক্ষিকা ছিলেন।

একদিন তাঁর এক ছাত্রী রেলস্টেশনের কাছে তাঁকে ভিক্ষা করতে দেখে প্রথমে সঠিকভাবে চিনতে পারেনি। তখন কাছে গিয়ে সে আশ্চর্য্য হয়ে যায়,এটা যে তার স্কুলের শিক্ষিকা। তখন সেই ছাত্রী তাঁর অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করায়,,

তিনি বলেন যে - “আমি অবসর নেওয়ার পরে আমার সন্তানরা আমাকে ছেড়ে চলে যায় এবং তাদের জীবনযাত্রার কথা আমি জানি না”। তাই তিনি রেলওয়ে স্টেশনের সামনে ভিক্ষা শুরু করেন। তখন মেয়েটি কেঁদে ওঠে এবং তাঁকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়, ভাল পোষাক দেয়, খাওয়ার ব্যবস্থা করে এবং তাঁর ভবিষ্যৎ জীবনযাপনের পরিকল্পনা করে। তার সাথে পড়াশোনা করা প্রতিটি বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করে এবং তাঁকে থাকার জন্য আরও ভাল জায়গায় ব্যবস্থা করে দেয়।
নিজের সন্তানরা তাকে ছেড়ে চলে গেলেও, তিনি যে ছেলেমেয়েদের শিক্ষা দিয়েছিলেন তারা তাঁকে ছেড়ে যায়নি। এটাই গুরু শিষ্য সম্পর্কের মাহাত্ম্য ....

ইনফোসিসের কত্রী! যার গল্প আপনার জন্য প্রেরণারঃ"টিকিট প্লিজ" - বলে টিটি আমার কাছে এসে দাঁড়াতে আমি একটু অবাকই হলাম। বললাম ...
31/08/2020

ইনফোসিসের কত্রী! যার গল্প আপনার জন্য প্রেরণারঃ

"টিকিট প্লিজ" - বলে টিটি আমার কাছে এসে দাঁড়াতে আমি একটু অবাকই হলাম। বললাম - "এইমাত্র টিকিট দেখালাম যে!" টিটি বলল - "আপনার নয়, আপনার সিটের নিচে আরেকজনকে দেখতে পাচ্ছি যে।"
"বেরিয়ে এসো" - বলতেই দেখি একটা বছর তেরো-চোদ্দর মেয়ে অস্বাভাবিক কান্নাকাটি করছে। টিকিট তো নেইই। তার উপর শীর্ণ, অভুক্ত, মলিন একটা মুখ। টিটি বলল - "ভাগো ইঁহা সে।"

আমি জিজ্ঞেস করলাম - "কোথায় নামবে তুমি?"
কোন উত্তর নেই, শুধু কান্নাকাটি। বাধ্য হয়ে টিটিকে বললাম - "ওর ভাড়া আমি দিয়ে দিচ্ছি, একদম শেষ স্টেশন ব্যাঙ্গালোর অবধি টিকিট দিন।" টিটি বলল - "কেন ফালতু এতগুলো টাকা নষ্ট করবেন ম্যাডাম?" তবুও কি ভেবে বললাম - "না, আপনি টিকিটই দিয়ে দিন। শুধুই কাঁদছে। শেষ অবধি কাটা থাকুক। মধ্যিখানে কোথাও নেমে যাবে হয়তো।"

আমায় অবাক করে মেয়েটি কোথাওই নামল না। নাম জানলাম চিত্রা। নিজের বাবা মা কেউই নেই দুনিয়ায়। সৎ মা খুব খাটায় এবং মারে। সে তাও সহ্য করে নিয়েছিল, কিন্তু খেতে দিত না যে। খিদের জ্বালায় পালিয়ে এসেছে। শুধু এটুকু ভেবেছে যে, ওই নরকের চেয়ে অন্ততঃ ভালো থাকবে।

ব্যাঙ্গালোরে নামলাম। শুধু একবার পিছন ঘুরেছি, দেখি চিত্রা অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। টিকিট কাটার সময় একবারও ভাবিনি এই মেয়েটার দায়িত্ব নিতে হতে পারে। আমার পক্ষে এ গুরু দায়িত্ব নেওয়া এই মুহূর্তে সম্ভব নয়, আমার ট্যুরে যাওয়া আছে দুদিন বাদেই। তবুও বললাম - "এসো আমার গাড়িতে এসো।" ড্রাইভার অবাক হয়ে বারবার দেখছে।

আমার এক বন্ধু আছে রাম। সে মেয়েদের শেলটার দেয় ও আরো সমাজসেবা মূলক কাজ করে। ওর ওখানে চিত্রাকে দিই। আর বলি, আমাদের ফাউন্ডেশন ওর সমস্ত দায়িত্ব নেবে। থাকতে চাইলে থাকবে, নয়তো আবার পালাবে মেয়েটা।

ভুলেই গিয়েছিলাম ওর কথা। হঠাৎ মনে পড়তে দেখতে গেলাম। কি হাসিখুশি হয়েছে এখন চিত্রা আর পড়াশোনায় ভারী আগ্রহ। ও স্কুলে আবার ভর্তি হতে চায়। এভাবে চলতে লাগল।

ওকে একদিন গিয়ে বলেও এলাম, তুমি যতদূর পড়তে চাও পড়তে পারো। আমরা দায়িত্ব নিয়েছি।
আমায় অবাক করে বলল, "না আকা (দিদি), আমি তাড়াতাড়ি একটা চাকরি পেতে চাই। তাই কম্পিউটার সায়েন্স এ ডিপ্লোমা করব।"

তারপর প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম ওর কথা। হঠাৎ একদিন বিদেশ থেকে ইমেল পেলাম চিত্রার। ও বিদেশে চাকরিতে খুব উন্নতি করেছে আর এখন খুব হাসিখুশি সুন্দর জীবন ওর। মেল পড়ে ভগবানকে বললাম, ওর মুখের হাসি যেন এমনিই থাকে।

এবারে সানফ্রান্সিসকোতে একটা লেকচার দিতে গিয়েছি। যখন হোটেল থেকে চেক আউট করব , গিয়ে দেখি রিসেপশনিস্ট বলছে, "ম্যাম, আপনার সমস্ত বিল ফুললি পেড। ওই লেডি নিশ্চয়ই আপনাকে খুব ভালো করে চেনে।"

খুব অবাক হয়ে চারিদিকে দেখলাম, দেখি একজন ভদ্রমহিলা সুন্দর একটা শাড়ি পরা, একটু দূরে দাঁড়িয়ে মুচকি হাসছে। পাশে বর। কি সুন্দর দেখাচ্ছিল ওকে ছোট ছোট চুলে। সেই চিত্রা। এসে আমায় জড়িয়ে ধরল।

"চিত্রা তুমি আমার সমস্ত বিল কেন পে করবে?"
আরো শক্ত করে জড়িয়ে নিয়ে বলল - "কারণ তুমি একদিন আমার সমস্ত বিল পে করেছিলে। আমার সমস্ত জীবনটাই যে ওই পেমেন্টের ওপর দাঁড়িয়ে। সেই বম্বে টু ব্যাঙ্গালোর।"
____________ _______________ ___________

এই ঘটনা ইনফোসিসের কো-ফাউন্ডার সুধা মূর্তি তাঁর ব্লগে লিখেছিলেন। এই ঘটনা থেকেই যেন তাঁকে খানিকটা চেনা যায়। তিনি বিয়ের আগে ছিলেন সুধা কুলকার্নি। সেই সুধা যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাইলেন বাড়ির সবাই বলেছিলেন আমাদের কমিউনিটিতে কিন্তু ছেলে পাওয়া যাবে না। তোমার বিয়ে হবে কি করে? প্রসঙ্গত সুধাদেবীর বাবা ডাক্তার ছিলেন। নামী সার্জেন। কিন্তু তবুও তিনি ইঞ্জিনিয়ারিংই বেছে নেন।

ক্লাসে 599 টা ছেলে আর একটিই মেয়ে। সে আমলে মেয়েরা তেমন কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ত না যে। সুধা জোর করে ভর্তি হয়েছিলেন। কর্ণাটকের হুবলির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। তিনি সে শহরের প্রথম ছাত্রী। কলেজের প্রিন্সিপাল সুধাকে ডেকে বলেছিলেন, তিনটি শর্ত মানতে হবে।

১) রোজ শাড়ি পরে আসতে হবে ।
২ ) কলেজ ক্যান্টিনে ছেলেদের ভিড়, ওদিকে যাওয়া চলবে না।
৩ ) কোন ছেলের সঙ্গে ক্লাসে কথা বলা যাবে না।

তিনি অক্ষরে অক্ষরে তিনটিই মেনে চলতেন। কিন্তু কলেজের দ্বিতীয় বর্ষে তিন নম্বর শর্তটি আর মানা সম্ভব হয়নি। কারণ ছেলেরা তাঁর দিকে পূর্ণ দৃষ্টি নিয়ে ফিরল এবং এসে কথা বলল। ওই 600 স্টুডেন্টের মধ্যে ফার্স্ট হয়েছিলেন যে সুধা।

তিনি তারপরে আর কোথাওই দ্বিতীয় হননি। BE তে ফার্স্ট। রেকর্ড নাম্বার। গোল্ড মেডালিস্ট। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে সেই মেডেল নেন। আরো পড়তে ইচ্ছে হল তাঁর। এবারে ME। সেখানেও গোল্ড মেডেল। সেই মেডেল এবারে দিল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ার্সরা।

কিন্তু পাশ করে বেরোনোর পর অদ্ভুত ব্যাপার। তাঁর জন্য কোথাও কোন চাকরির দরজা খুলল না। সমস্ত কোম্পানিই মেল ডমিনেটিং। মহিলা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য দরজা বন্ধ। কি আশ্চর্য! তাই না? খুব বেশিদিন আগেও না। 1970 - 72 এর ঘটনা ।

এইসময় একটা বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে সুধা কুলকার্নির। ইঞ্জিনিয়ার চাই। যোগ্যতা অমুক তমুক। কিন্তু নিচে বড় হরফে লেখা মহিলাদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। টেলকো কোম্পানির বিজ্ঞাপন।

তিনি খুব রেগে টাটা কোম্পানিতে স্বয়ং জে আর ডি টাটাকে একটা চিঠি লিখলেন। এরকম কেন হবে? যোগ্যতাই কি একমাত্র মাপকাঠি হতে পারে না? টাটা কর্তারা নড়েচড়ে বসলেন। ডাক পেলেন স্পেশাল ইন্টারভিউতে। এবং বাকিটা ইতিহাস। তিনিই টাটার টেলকো কোম্পানির প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার। ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে যোগ দিলেন। কাউকে না কাউকে তো অসম লড়াই চালাতে হয়। তার সুফল ভোগ করে পরবর্তী প্রজন্ম।

এরপর ওই টেলকোতেই নারায়ণ মূর্তির সঙ্গে আলাপ। তারপর বিয়ে। সুধা 400 টাকা আর নারায়ণ 400 টাকা দিয়েছিলেন নিজেদের বাড়িতে। সেই টাকাতেই সাদামাটা আড়ম্বরহীন বিবাহ হয়েছিল। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। দুজনেই এখন প্রতিষ্ঠিত ।

ইনফোসিস খোলার কথা মাথায় আসে নারায়ণের।
নিশ্চিত জীবন ছেড়ে এক অনিশ্চিত সম্ভাবনা। সুধা তখনও চাকরি করতেন এবং নিজের সমস্ত জমা পুঁজি দিয়ে দিয়েছিলেন। তারপরেও খানিক দিন সুধার চাকরির আয়ে চারজনের সংসার চলত। এই হল গোড়ার কথা।

19/05/2020
এই করোনার কালে বাবা-মায়েরা যদি লেখাপড়ার আসল উদ্দেশ্যটা কী সেটা নিয়ে একটু চিন্তা ভাবনা করেন, আমার মনে হয় তাহলে তাদের  ...
15/05/2020

এই করোনার কালে বাবা-মায়েরা যদি লেখাপড়ার আসল উদ্দেশ্যটা কী সেটা নিয়ে একটু চিন্তা ভাবনা করেন, আমার মনে হয় তাহলে তাদের দুর্ভাবনাটা আরো কমে যাবে।

কোনো কিছু জানা বা শেখা লেখাপড়ার আসল উদ্দেশ্য না। লেখাপড়ার আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে একজন ছেলে বা মেয়ের ভেতরে জানা কিংবা শেখার ক্ষমতা তৈরি করে দেওয়া। যার ভেতরে জানা বা শেখার ক্ষমতা আছে সে যে কোনো কিছু নিজে নিজে জেনে নিতে পারবে বা শিখে নিতে পারবে।

- ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল

শিক্ষকদের লেসন প্ল্যান কেন করা উচিত?লেসন প্ল্যান কী?লেসন প্ল্যান হলো গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্নের উত্তর সংবলিত একটা সংক্ষিপ্ত এ...
14/05/2020

শিক্ষকদের লেসন প্ল্যান কেন করা উচিত?

লেসন প্ল্যান কী?
লেসন প্ল্যান হলো গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্নের উত্তর সংবলিত একটা সংক্ষিপ্ত এবং সাজানো কাঠামো। শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের স্ট্যান্ডার্ড প্যাটার্ন কিভাবে অনুসরন করবেন, সেসব প্রশ্নের একটি রূপরেখা।
একজন শিক্ষকের মেধার মূল্যায়ন শুধুমাত্র লেসন প্ল্যান দিয়ে করা যায় না, তা সত্য। কিন্তু, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত লার্নিং আউটকাম অর্জনের জন্য প্রয়োজন আছে লেসন প্ল্যানের।

আসুন জেনে নেই ঠিক কেন লেসন প্ল্যান করা উচিৎঃ

১) উত্তম শিক্ষা দানের কার্যকরী তিন উপাদানকে কাজে লাগানো যায়
২. শ্রেণিকক্ষের নির্ভুল টাইম ম্যানেজমেন্ট টুল হিসেবে ব্যবহার করা যায়
৩. শিক্ষকদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি করে
৪. কার্যকরী শিক্ষকতার ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ রুট ম্যাপ হিসেবে কাজ করে
৫. লেসন প্ল্যান দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ
৬. শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরবর্তী লেসন সম্পর্কে মুড তৈরি করা যায়
৭. নতুন শিক্ষক পূর্ববর্তী শিক্ষকের অনুপস্থিতির অভাব সহজে পূরণ করতে পারেন

সমাজের চেতনার বাতিঘর, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ এবং জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান এর মৃত্যুতে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত।ড.আনিসুজ্জা...
14/05/2020

সমাজের চেতনার বাতিঘর, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ এবং জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান এর মৃত্যুতে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত।

ড.আনিসুজ্জামান শিক্ষাবিদ, লেখক ও জাতীয় অধ্যাপক ছিলেন। তার জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি। তিনি ভাষা আন্দোলন (১৯৫২), ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান (১৯৬৯) ও ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ড. কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে তার গবেষণা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য একাধিক পুরস্কার লাভ করেছেন। প্রবন্ধ গবেষণায় অবদানের জন্য ১৯৭০ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। শিক্ষায় অবদানের জন্য তাকে ১৯৮৫ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য তাকে ভারত সরকার তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পদক প্রদান করে। সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তাকে বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে। এছাড়া তিনি ১৯৯৩ ও ২০১৭ সালে দুইবার আনন্দবাজার পত্রিকার ‘আনন্দ পুরস্কার’, ২০০৫ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট. ডিগ্রি এবং ২০১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেন।

শিশুর জ্ঞানীয় বিকাশের প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণায় সুইজারল্যান্ডের মনোবিজ্ঞানী জ্যাঁ পিঁয়াজে অমর হয়ে রয়েছেন। জন্ম থেকে শিশুদের...
13/05/2020

শিশুর জ্ঞানীয় বিকাশের প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণায় সুইজারল্যান্ডের মনোবিজ্ঞানী জ্যাঁ পিঁয়াজে অমর হয়ে রয়েছেন। জন্ম থেকে শিশুদের বুদ্ধির বিকাশ কিভাবে হয়, কিভাবে সে চারপাশের প্রকৃতি থেকে জ্ঞান লাভ করে, সেই জ্ঞানের সাথে বড়দের জ্ঞানের পার্থক্য কী, আনুষ্ঠানিক লেখাপড়ায় এই জ্ঞানীয় উপাদানগুলো কিভাবে প্রভাব ফেলে- তা নিয়েই গবেষণা করেছেন।

পিয়াজের মতে শিশুর জ্ঞান বিকাশের এই চারটি স্তর
১. ইন্দ্ৰীয়-পেশীয় সমন্বয় কাল (Sensorimotor Period) : জন্ম থেকে ২ বৎসর

২. প্রাক প্রায়োগিক কাল (Pre-operational Period) : ২ থেকে ৭ বৎসর

৩. বাস্তব প্রায়োগিক কাল (Concrete operational Period) : ৭ থেকে ১১ বৎসর

৪. রীতিবদ্ধ প্রায়োগিক কাল (Formal operational Period): ১১ থেকে ১৫/১৬ বৎসর

সরিষাবাড়ি রিয়াজ উদ্দীন তালুকদার উচ্চ বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ২০০৪ ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে গঠিত সামাজিক সং...
13/05/2020

সরিষাবাড়ি রিয়াজ উদ্দীন তালুকদার উচ্চ বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ২০০৪ ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে গঠিত সামাজিক সংগঠন দীপ্তিময় অক্টাল। যারা প্রায় ১৭ বছর হচ্ছে সরিষাবাড়িতে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। করোনার সময়েও তারা বসে নেই। আসুন, আমরাও এদের পাশে দাড়াই।

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1415263045327301&id=176111555909129

একটি মানবিক আহবানঃ
কমপক্ষে ৫০০ টি পরিবারে আমরা সাহায্যগুলো পৌছে দিতে চাই, কিন্তু দীপ্তিময় অক্টালের একার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই আপনাদের কাছেই সহযোগিতা চাই। জানি আমরা প্রত্যেকেই একা, কিন্তু সবাই মিলে একা না।

সুবিধাবঞ্চিত মানুষগুলোকে খাদ্যউপরনের পাশাপাশি আরো কিছু অতিরিক্ত জিনিস দিতে চাই যেন তারা ভবিষ্যতের জন্য কিছুটা চিন্তামুক্ত হয়। ধারাবাহিকতা প্রাথমিকভাবে পরিবারগুলোর কাছে খাদ্য উপকরণ (চাল/ডাল/আলু/লবন) এবং বীজ (যে পরবর্তিতে নিজেরা নিজেদের খাদ্য উৎপাদন করতে পারে) পৌছে দিতে যাচ্ছি।

আমরা বিশ্বাস করি সব ভেদাভেদ ভুলে মানুষের পাশে দাড়ানোর এইতো সময়।

এই উদ্যোগের সাথে যুক্ত থাকতে পারেন আপনিও। আপনাদের সহযোগীতাই আমাদের কার্যক্রম আরো বড় পরিসরে করতে সাহায্য করবে। যারা সহযোগীতা পাঠাতে আগ্রহী তারা নিম্নোক্ত প্রক্রিয়া (ছবিতে দেয়া আছে) অনুসরণ করে সাহায্য পাঠাতে পারেন।

বিকাশ-০১৬৭৬১১৮৩৬৬ (পার্সোনাল)
রকেট-০১৬৭৬১১৮৩৬৬৮ (পার্সোনাল)
ব্যাংক একাউন্ট (ডাচ বাংলা)-১৪৭১০৩২০৯১২০

আপনারা সকলে অংশ নিন। করোনার এই সংকটকালে যারা হাত পাততে পারছেন না আমরা ভালভাবেই দাঁড়াবো তাদের পাশে।

সাহায্য পাঠানোর পর যে কোন একটি ডকুমেন্ট (যেমনঃ বিকাশ পেমেন্টের স্ক্রিনশট, ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার ইনফো ইত্যাদি) আমাদের পেইজের ইনবক্সে দেয়ার অনুরোধ রইলো। যেন কার্যক্রম পরবর্তি ত্রানের বিভিন্ন আপডেট আমরা আপনাদের জানাতে পারি।

দীপ্তিময় অক্টাল, সরিষাবাড়ির অন্যতম সেরা এবং ভিন্ন ধারার সামাজিক সংগঠন। নতুন সময়ের প্রত্যাশা নিয়ে যাদের পথচলা শুরু হয়েছিলো ২০০৩ সালে।

সাহায্য বিষয়ক যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুনঃ
০১৮৩৩১৬৮১৮৭ (সাদি)/ ০১৭১২৪২৫৯৪০ (জুয়েল)

15/05/2014

আগামী শনিবার সকাল দশটায় ২০১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য রইল শুভ কামনা।
আশা করি তারা অত্যন্ত ভাল ফলাফল করবে এবং বিদ্যালয়ের গৌরব অক্ষুণ্ণ রাখবে।

সজল খালেদ আপডেটস্:বাংলাদেশি পর্বতারোহী সজল খালেদের মরদেহ হিমালয় থেকে নামিয়ে আনতে রওয়ানা হওয়া উদ্ধারকারী দল ইতিমধ্যেই প্র...
25/05/2013

সজল খালেদ আপডেটস্:
বাংলাদেশি পর্বতারোহী সজল খালেদের মরদেহ হিমালয় থেকে নামিয়ে আনতে রওয়ানা হওয়া উদ্ধারকারী দল ইতিমধ্যেই প্রায় ছয় হাজার ৮শ’ মিটার উপরে চতুর্থ বেস ক্যাম্পে পৌঁছেছেন।
হিমালয়ের সাউথ সামিটের যেখানে সজলের মৃতদেহ শেরপারা দেখে এসেছেন তার উচ্চতা প্রায় ২৮ হাজার ৭৫০ ফুট। পরশু নাগাদ উদ্ধারকারী শেরপারা সেখানে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সজল খালেদ আপডেটস্: বাংলাদেশি পর্বতারোহী সজল খালেদের মরদেহ হিমালয় থেকে নামিয়ে আনতে রওয়ানা হওয়া উদ্ধারকারী দল ইতিমধ্যেই প্রায় ছয় হাজার ৮শ’ মিটার উপরে চতুর্থ বেস ক্যাম্পে পৌঁছেছেন। হিমালয়ের সাউথ সামিটের যেখানে সজলের মৃতদেহ শেরপারা দেখে এসেছেন তার উচ্চতা প্রায় ২৮ হাজার ৭৫০ ফুট। পরশু নাগাদ উদ্ধারকারী শেরপারা সেখানে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

24/05/2013

সজল খালেদ তো বাংলাদেশের পতাকা নিয়েই এভারেস্টে গিয়েছিলেন।

এই বীরের মৃতদেহ দেশের ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব আমাদের সবার।

আসুন এগিয়ে ...

26/09/2012

i am not a HANDSOME guy but i can give my HAND-TO-SOME one who needs help,beauty is in heart not in face (A P Z ABUL KALAM)

Address

Sarishabari
2050

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sarishabari Riaz Uddin Talukder High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share