19/03/2026
আকরাম ছেলেটা প্রতিদিন ব্যাগ গোছাতো
আমারা গোছাতাম ঈদের আগের দিন
হ্যাঁ ঐ দিনটাই তো ছিল ঈদের দিন
যেদিন আছর মাগরিব এশা বা ফজরের পর ঘোষণা আসতো ।
সেদিন ঘোষণাকারীকে মনে হতো যেন পবিত্র দূত
এর আগে যদিও দুষ্টু জিনদের মধ্য থেকে ইলহাম হতো
খবরগুলো আমাদের শিরদাঁড়ায় কি যে অনুভূতি দিতো
আল্লাহ যেন মিথ্যে না হয় ফজর বাদ গাড়ি ভাড়াটা দিবে তো ।
রাত্রে ট্রাঙ্ক বুকে নিয়ে শুয়ে থাকা
মাথার উপরের ছাদ হাওয়ার মতো উবে যেত
তারাদের রাজ্যেও ওদের চেয়ে গতি বেশি আমাদের কল্পনার
সকাল ছুটি গাড়ি বাড়ি মা গ্রাম পাখি ঘুড়ি ফুল আহ শৈশব তো !
এ রাতে কি কেউ ঘুমায়
মাগরিবের পর থেকেই শুরু হতো আনন্দ্যোৎসব
ইফতারের আইটেম তো আজ না খেয়ে গায়ে মাখার দিন
এ যেন জান্নাতে যাওয়ার প্রস্তুতির জন্য খাবার ছাড়ার জুহদ ।
ত্রাণের বস্তা, ঈদের জন্য দু এক সেট কাপড়
হয়তো হযরত উসমান গণির বাগান থেকে আসা খেজুর
রোজা রেখে এই বাতাসে দোলা শরীরে কি যে মিষ্টি নির্যাতন
তবু বাড়ি যাবো বাড়ি যাবো এটাকেই কি বলে ইয়াতিমের আস্ফালন ।
বোকা বোকা ছেলেগুলো বাড়ি ফেরে
মায়ের মমতার বাঁধ ভাঙা জোয়ারে পুষ্টি পায় জীবনের দাগ
হাতে গোনা দিনগুলো কি যে অসীম গতিতে ছুটে যেত হায়
আবার ফিরতে হবে দিন বেঁচে জীবন গড়তে হবে হযরত খুবাইবের অনুপ্রেরণায় ।
এই যে ফিরে যাওয়া
এটাই তো ছিল জীবনের আধ্যাত্মিকতার সৌরভ
আমরা বেঁচে আছি প্রতিষ্ঠান কাফালাত কিংবা আমাদের ইতিহাস
জ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা ছাড়া কিছু নেই আমাদের এটাই তো গৌরব ।
কবিতা : ফিরতি পথের গান
কাব্য : আলোছায়া
সময়কাল :
বুধবার রাত দশটা ৩/২৬
সুজন বিন শফিক
16/03/2026
জীবনের বৈঠা পেয়েছি যেখানে
সুজন বিন শফিক
____________________________//
নির্জীব আলয়
নিস্পৃহ জীবন যেন শুকনো চর
শ্মশানের মতো খাঁ খাঁ বারান্দা
আধখোলা অস্পৃশ্য ঘরের দোর,
দিগন্ত হীন বুনো পায়েরা চলে
যেন প্রকৃতি পাথারের ডাক হরকরা
কোকিলের মতো ডেকে
দেখা বাছুরের ছুটে চলা,
আকাশের ঘুরির মতো মন
মগডালে গান গেয়ে গোছানো নাটাই
শুকনো শাসনের বিতৃষ্ণায়
মাদ্রাসার মাঠে ঘুরেছে লাটিম শেষ সন্ধ্যায় ,
চেনে গ্রামান্তরের মিষ্টি মুনিয়ারা
বড় বাড়ির খুলিতে বানরের খেলা
নিখুঁত নিশানায় মার্বেলের টিপ
মাছ ধরার স্বপ্নে ভেঙে যেত নিঁদ ।
জীবনের প্রথম সফর
অজানা দেউড়িতে যাওয়া
রোজ দারসে বস এখন
শয়তানের রজিম গাওয়া ,
এতোগুলো রিক্ত মন ! এতিম !
বহু বিশাল জগৎ বিধ্বস্ত রক্তিম
আল্লাহর দান আসে ফেরি করে
বহু স্নেহের হাত তাই আবাদ করে,
মা-বাবা নয় !
কে এরা ?
এনারাই সেই পিপাসু শ্রদ্ধাভাজন
জান্নাতে রহমতে রাসূলের সহচর !
জীবন-গাঁয়ে ঘুড়ি হয়তো ওড়ে
কোকিলের ডাক কোকিলই নকল করে
এইখানে হাতে নিয়ে হযরত খুবাইবের নিশান
দিন মাস বছর ধরে চলে অবিনাশী চেতনার সুধা পান ।
একটা স্বপ্নের ঘোরে
ছুটে চলে শত স্বপ্নবাজ
হৃদয়ের পাঠশালায় চলে
সফেদ হৃদয় গড়ার কাজ ,
প্রতিটা স্বপ্নের নায়কেরা
সতেরটি স্বপ্নের মানে বোঝে
কে কোথা যাবো দিন শেষে
হৃদয় এখনো এক হবার আশায় চোখ বুজে ,
আমাদের নিঃশ্বাস কিংবা পিপাসা
আমাদের চাওয়া কিংবা দুরাশা
সবি ছিল সম্মুখের স্রোতহীন খালের মতো
সব তবে সম্ভাবনা হয়ে মিশুক সাগর পর্যন্ত ,
বিয়ের কাবিনের মতো কিছু ঋণ
স্বর্ণ কলমে লিখেছি দাম দেইনি আমরা অর্বাচীন
ভাই বন্ধু নাম ধরে ডাকা কিংবা স্যারের পরশ
আজো ডুকরে কেঁদে এসব পেতে ইচ্ছে হওয়ার হয় সাহস ।
মারকায খুবাইব,
সুবহে সাদিকের পূর্বে
জান্নাতের স্বপ্ন দেখার মতো এক স্বাদ ।
মারকায খুবাইব,
সহস্র অচলায়তনে
হাউযে কাউসারের আবে হায়াতের সুসংবাদ ।
মারকায খুবাইব,
মেঘে ঢাকা দিনে
দেদীপ্যমান সূর্যের আলো জীবন-পৃথিবীর গগনে ।
মারকায খুবাইব,
বিচ্যুত পথ থেকে এসে
জীবনের বৈঠা পেয়েছি যেখানে ।
করজোড়ে প্রার্থনা করি প্রভু
ফিরিয়ে দাও কালের কলসের দাগ
জীবনের মতো প্রাণোচ্ছ্বল হোক আবারো
যেন ফের হয়ে ওঠে আমাদের এই হৃদয় জান্নাতি গুলবাগ ।।
রচনার সময়কাল :
১৬/০৩/২০২৬
সোমবার
কাব্য : স্বরসমীক্ষণ
03/12/2025
Big thanks to Md Sømrãt Ïšläm
for all your support! Congrats for being top fans on a streak 🔥!
31/07/2025
পেজটি থেকে ঘুরে আসার জন্য সকলের কাছে অনুরোধ রইলো।
https://www.facebook.com/share/1CJSbBK9Pb/https://www.facebook.com/share/1CJSbBK9Pb/
GramHaat - গ্রামহাট
“সবকিছু এক ছাদের নিচে – গ্রামহাট আপনার পাশে” – ডিজিটাল প্রিন্টিং,গৃহস্থালি উপকরণ, স্কুল সামগ্রী, মহিলাদের ভেনিটি ব্যাগ ও মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা এখন এক জায়গায়।
03/02/2025
🎉 কাতার চ্যারিটি বাংলাদেশ - কনভেনশন ও এলামনাই পুনর্মিলনী ২০২৫ 🎉
✨ শিক্ষা | কর্মসংস্থান | মানবতার সেবা
📢 কনভেনশনে অংশ নিন, স্মরণীয় মুহূর্তের অংশ হোন!
✅ অংশগ্রহণের শর্ত:
✔️ অবশ্যই এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
✅ আপনার জন্য থাকছে:
🎗️ বিশেষ সম্মাননা ও স্বীকৃতি
📜 কনভেনশনের এক্সক্লুসিভ উপহার
📖 জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ
💡 নেটওয়ার্কিং ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন
🏆 সফল ও কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ স্বীকৃতি!
💡 ক্যারিয়ার ও উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ
🎓 স্কলারশিপ ও প্রশিক্ষণ সুযোগ
💰 ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন
💡 এছাড়াও থাকছে:
✅ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য বিশেষ পুরস্কার
✅ মানবতার সেবায় রক্তদান কর্মসূচি
📥 নিবন্ধন করুন এখনই!
🔗 https://forms.gle/DvyDDNuz5cvt1xUN8
📢 আপনার বন্ধুরা জানে তো?
এই পোস্টটি শেয়ার করুন ও সবাইকে আমন্ত্রণ জানান!
📢 গুগল ফর্ম পূরণ শেষে আমাদের বিশেষ WhatsApp গ্রুপে যোগ দিন!
✅ আপনার নিবন্ধন সম্পন্ন করুন এখানে: https://forms.gle/DvyDDNuz5cvt1xUN8
🔗 যোগ দিন আমাদের WhatsApp গ্রুপে: https://chat.whatsapp.com/Cqi10uTaDH35kQAmkmIiT7 গ্রুপ
📌 একসাথে আমরা সফলতার পথে এগিয়ে যাবো! 🚀
docs.google.com
30/08/2024
আসসালামুয়ালাইকুম,
মারকাজ খোবাইব নিয়ে কথা বলতে গেলে সবার আগে এবং সবসময় মনে রাখা উচিত
আমাদের প্রতিষ্ঠানের নাম হযয়ত খোবাইবের নামে কেন নামকরণ করা হয়েছিল ?
হযরত খোবাইব রাদিআল্লাহু আনহুর ইসলামের জন্য আত্মত্যাগ,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসার যে অনন্য নজির স্থাপন করেছিলেন । সেই আত্মত্যাগ এবং ইসলামের প্রতি ভালোবাসায় নিবেদিত হওয়ার লক্ষ্যে মানুষ গড়াই ছিল এই প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য দুটোই ।
এরজন্য কি দরকার ছিল ?
যার আদর্শের বিচ্যুতি নেই এমন শিক্ষক । যিনি ব্যক্তি স্বার্থের ওপরে দ্বীনের সেবা করতে পারবেন এমন শিক্ষক । যিনি প্রত্যেক মুসলিমকে নিজের চেয়ে ভালো মনে করেন এমন শিক্ষক । যিনি পাঠদানের সাথে সাথে বাস্তবজীবনের সবখানে শিক্ষার্থীদের জন্য একজন আদর্শ । (বাংলাদেশে শিক্ষার মানোন্নয়নে সবচেয়ে বড় বাধা হলো শিক্ষক ক্লাসে যেমন আদর্শ ক্লাসের বাইরে তেমনটা নন । এই বৈপরীত্য প্রথমত শিক্ষার্থীদের এরপরে মানুষদের আদর্শের লড়াইয়ে পিছিয়ে দেয় ।)
কেননা শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।
এই উদ্দেশ্যে কি উপর মহল বাস্তবায়িত করতে পেরেছে ?
তারা কি কখনো আদর্শবান শিক্ষক নিয়োগে সচেষ্ট ছিলেন ?
প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে কখনোও কি প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে নিয়োজিত শিক্ষকদের মোটিভেট করেছেন ?
চোখে আঙুল দিয়ে সত্যটা দেখিয়ে দিয়েছেন ?(আল্লাহু আ'লাম)
এর জবাব তারা সৃষ্টিকর্তার কাছে দিতে বাধ্য । আমাদের দাবি ভবিষ্যতে এটা করা হোক ।
আমি আমাদের সময়কালের কথা বলতে পারি । মাত্র গুটিকয়েক শিক্ষক ছাড়া এই আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য আদর্শিক শিক্ষক আমরা পাইনি । সেটা তখন প্রমাণিত না হলেও এখন দিনের মতো স্পষ্ট ।।
হারামাইনের ফান্ডিংয়ে চলে এরকম একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যে বাংলাদেশের অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মতো হবে না এই প্রতিষ্ঠানের সিলেবাস শিক্ষা ব্যবস্থাই তো সেটা বলে দেয় ।
কুরআন হাদীস তাওহীদ ফিকহ নাহু দুরুস এইসব শিক্ষা কি কখনোও তাদের উপযোগিতা হারাবে ?
না । অবশ্যই নয় ।
তাহলে কিসের জন্য এসব শুধু নামে মাত্র রাখা হলো এবং পরবর্তীতে বাতিল করা হলো ?
এটা ছিল একদম মূলে কুঠারাঘাত । জবাবদিহিতার বাইরে থেকে স্বচ্ছতার বিপরীতে অবস্থান নেওয়ার কারণে ব্যক্তি স্বার্থের কাছে পরাজিত হয়ে সরকার আরোপিত সবরকমের বিধিনিষেধ মেনে নেওয়াই ছিল এর মূল কারণ ।।
যারা প্রতিষ্ঠানের নাম মুখে নেওয়ার সাথে সাথে হযরত খোবাইবের আত্মমর্যাদার কথা মনে-মস্তিষ্ক ইমেইজ করতে পারেন তারা এখানকার হোক শিক্ষক ছাত্র কিংবা কর্মচারী হওয়ার যোগ্য নন । এটাই আমার বিশ্বাস ।।
প্রতিষ্ঠানের সিলেবাস বলে দেয় এই শিক্ষা কতটা উচ্চাঙ্গের ছিল । জনসাধারণের মধ্যস্থিত কোনো আলেম মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন বিভিন্ন ইসলামী দলগুলোর আমীর এখানকার এসএসসি পাশ করেছে এমন একজন শিক্ষার্থীর সাথে জ্ঞানে আচরণে বাগ্মীতার তুলনায় অনেক ঊর্ধ্বে ।
কিন্তু আমরা দেখেছি । আমাদের সময়ে । ৩% শিক্ষার্থীও যাদের বাড়ির এবং এখানকার মাযহাব-মাসলাকের ভিন্নতা নিয়ে কোনো মাথা ব্যথা ছিল না এবং শিক্ষকদেরও এই সহাবস্থান শিক্ষা দেবার পেছনে কোনো রকম আত্মিক প্রচেষ্টা ছিল না ।।
প্রতিষ্ঠান ফল করার পিছনে এটাই সবচেয়ে বড় কারণ ।
//
তারপরেও । উদোর পূর্ণ নয় এমন বাঙালি শিক্ষিত হবার শখ করে না । কেননা দুর্নীতি সবার উপরে স্থান পেয়েছে । এমনকি মুখের ভাষ্য অন্তরের ইচ্ছা দুটোই যখন স্বর্প জিহ্বার মতো লিপ্সার বিষ ছড়াতে ব্যস্ত । তখন আমরা বস্তুবাদী হয়ে উঠলাম আমরা । প্রত্যেক শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী আর কর্মচারী । কারণ উপর মহল তার কাজের আঞ্জাম দিতে পারেনি ।
এখান থেকেও একটা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে যেতে পারতো । এখনো তার অবদান থেমে যায়নি । কারণ যে বাচ্চাটা টোকাই গুন্ডা বদমাশ হতো ছোট থেকেই । সে শুধু মাত্র খাবার পায় এজন্য প্রতিষ্ঠান সদস্য হয়ে ইন্টার পাশ করে একজন তার জীবন ভবিষ্যৎ নিয়ে মাথা ঘামানোর মতো রসদ পেতো । দেশটাকে জাতিকে ভাবার একটু অবকাশ পেতো ।
সেখান থেকেও এই প্রাণের প্রতিষ্ঠানের প্রতি সবসময় একটা প্রচন্ড ভালোবাসা কাজ করে । কারণ এই প্রতিষ্ঠান রক্তে মিশে আছে । এই প্রতিষ্ঠান আমাকে জীবনের বৈঠা দিয়েছে ।
//
উপর মহল কেন সবসময়ই শিক্ষক নিয়োগ কিংবা পরিচালক পরিবর্তন নিয়ে সচ্ছ নয়, জবাবদিহিতার আচরণ করে না এটা অবশ্যই প্রশ্নের বিষয় । এবং আশ্চর্যের বিষয়ও বটে । তারা কি তাদের দায়িত্বের জবাবদিহী সম্পর্কে সচেতন নন ?
আমরা কখনোই এমনটা হতে দেখিনি যে একটা শান্তিপূর্ণ উপায়ে প্রফেশনালিজমের মাধ্যমে তারা পরিচালক নিয়োগ দিয়েছেন আর শিক্ষক তো নয়ই ।
কেন কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই ?
এরচেয়েও ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোও কি এর থেকে বেশি নিয়মমাফিক নয় ?
প্রতিষ্ঠাতা যিনি তিনিও কেন শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলে বসে থাকবেন ?
তার ম্যান্ডেট কেন তিনি হারাবেন আর শাসনের চাবুকটাই বা কেন ?
শিক্ষক নিয়োগ,পরিচালক নিয়োগ-পরিবর্তন,সরকার পরিবর্তনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিবৃতি কোনো পর্যায়েই কোনো রকম আনুষ্ঠানিকতা নেই জন্যই কি আজ শিক্ষার্থীরা দ্বিধা বিভক্ত নয় ?
//
এরকম প্রতিষ্ঠানের যিনি একবার সদস্য হন তিনি আজীবন সদস্য । তাই পরিচালক পরিবর্তন পর সময়কালে
: আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে দায়িত্ব প্রাপ্ত সত্যনিষ্ঠ বড় ভাইয়েরা
: স্থানীয় ছোট বড় প্রাণের ভাইয়েরা এবং কর্মচারীগণ
( আপনারা একটা টিম তৈরি করেন । এবং এটা আমাদের সবার যে মেসেঞ্জার গ্রুপ আছে এটা হওয়াই বেটার )
প্রশাসন ব্যতিরেকেও আপনারা যে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন তাতে অবশ্যই
: প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত নিঃস্বার্থ আজীবন সদস্যদের কাছ থেকে পরামর্শ নিবেন (যেমন আব্দুন নূর ওস্তাদ)
: কোনো রকম সহিংসতায় জড়াবেন না
: সকলে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে
: পাশের জন আসলেই কে সেটা চিনতে হবে আপনাদের (নতুন কোনো দালালকে সাথে নিবেন না)
: দালাল চিহ্নিত করার জন্য নির্দিষ্ট জনের সম্মতিতে সে কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং কার কাছ থেকে হয়েছে ডকুমেন্ট সংগ্রহ করুন
: কে কোন কোন উপায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা প্রকাশ করুন গোপনীয়তা বজায় রেখেই যেন পরবর্তীতে এটার পুনরাবৃত্তি না হয় ।
আর একটা অনুরোধ থাকবে :
যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন আমাদের সবার জানার অধিকার আছে । এজন্য অবশ্যই গ্রুপে আপডেট দিবেন ।।
//
নতুন কোনো সাহসী সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠানের এই অবস্থার আমূল পরিবর্তন করে দিতে পারে । এটা সম্ভব । এরজন্য প্রতিনিধি দরকার অবশ্যই । প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য তো প্রতিনিধিই দরকার । যারা জায়গা মতো সঠিক তথ্য উপদেশ পরামর্শ এবং প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির তথ্য সার্ভ করতে পারবে ।
কিন্তু প্রকাশিত ঘটনাবলী শিক্ষার্থীদের সহজ বিশ্বাসকে টোপ হিসেবে কাজে লাগিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল পর্যায়ের কর্মীগণ যা করেছেন তাতে মনে হয় না খুব সহজেই সমাধান আসতে যাচ্ছে ।
সব শিকড়েই যে পচন ধরেছে এটা নিয়ে প্রায় সবাই নিশ্চিত । তবে প্রত্যেক শিক্ষার্থী এবং ভূক্তভোগীদের এখন সেসব ভুলে প্রাণের দাবিকে সামনে রেখে যতটা পারা যায় প্রতিষ্ঠান সংস্কারে যে কোনোভাবে অংশ নেওয়াই প্রধান কাজ ।।
//
আমি একজন শিক্ষার্থী । মারকাজ খোবাইবের শিক্ষার্থী ।
অবশ্যই এখানকার যে কোনো প্রশ্নবিদ্ধ বিষয়ে আওয়াজ তোলা আমার কর্তব্য । যে ব্যক্তিই প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের বাইরে কাজ করবে তাকে ব্যক্তিগত সংশোধনের জন্য বলা আমার দায়িত্ব ।
এখানে আমি মানে আপনি । এখানে আমার মানে আমাদের ।
এখানে আমি আপনি আমরা সবাই একটা পরিবার ।
সুতরাং বলুন । সচেতন হোন । আওয়াজ তুলুন । প্রতিষ্ঠান বাঁচান ।।
//
যারা যে কোনো ভাবে প্রতিষ্ঠানের যে কোনো সদস্যের ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন । জীবনগুলোকে নষ্ট করে দিয়েছেন । আগে বাড়ার পথ রুদ্ধ করে দিয়েছেন । জীবনের সম্ভাবনাগুলোকে বিনষ্ট করেছেন । তাদের সবাইকে বিপ্লবের লাল সেলাম ।।