Maryeam Pathology & Diagnostic Center

Maryeam Pathology & Diagnostic Center

Share

সকল প্যাথলজিক্যাল পরিক্ষা সহ ডিজিটাল কালার আল্ট্রাসনোগ্রাম, ই.সি.জি, ডিজিটাল এক্স রে ।

02/05/2026

ল্যাব রিপোর্ট ভুল হওয়া খুবই কমন একটি সমস্যা, আর এর পেছনে বেশ কিছু নির্দিষ্ট কারণ থাকে।
সাধারণভাবে বিষয়টা ৩টা ধাপে হয়ে থাকে—Pre-analytical, Analytical, Post-analytical error।

🔹 1. Pre-analytical error (সবচেয়ে বেশি হয়)

এই ধাপে স্যাম্পল নেওয়ার আগেই ভুল হয়।

রোগীর ভুল প্রস্তুতি (ফাস্টিং না করা, ওষুধ খাওয়া)

ভুল সময়ে স্যাম্পল নেওয়া (যেমন হরমোন টেস্ট)

ভুল স্যাম্পল সংগ্রহ (Hemolysis, clot)

ভুল টিউব ব্যবহার (EDTA vs Plain)

স্যাম্পল ঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা (তাপমাত্রা সমস্যা)

ভুল লেবেলিং (একজনের স্যাম্পল অন্যজনের নামে)

🔹 2. Analytical error (মেশিন বা টেস্ট প্রসেসে ভুল)

ল্যাবে টেস্ট করার সময় সমস্যা।

মেশিন ক্যালিব্রেশন ঠিক না থাকা

রিএজেন্ট এক্সপায়ার বা খারাপ হওয়া

টেকনোলজিস্ট এর ভুল (pipetting error)

QC (Quality Control) ঠিকমতো না করা

বিদ্যুৎ বা মেশিন ত্রুটি

🔹 3. Post-analytical error (রিপোর্ট দেওয়ার সময় ভুল)

রিপোর্ট তৈরি বা ডেলিভারির সময় ভুল।

ডাটা এন্ট্রি ভুল

ইউনিট ভুল লেখা

রেফারেন্স রেঞ্জ ভুল দেওয়া

রিপোর্ট অন্য রোগীর সাথে মিশে যাওয়া

🔬 কীভাবে ভুল কমানো যায়?

রোগীকে সঠিক নির্দেশনা দেওয়া

সঠিক টিউব ও টেকনিক ব্যবহার

নিয়মিত QC ও calibration করা

রিপোর্ট যাচাই করে ডেলিভারি দেওয়া

Maksudul Alam
BSc (Pathology), MPH (Community Medicine)
Director & Sr Pathologist
Maryeam Pathology & Diagnostic Centre
Dariapur, Gaibandha.

28/04/2026

উন্নত পরিবেশ.....আন্তরিক সেবা.......স্বল্প খরচ । সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত একটি ডিজিটাল প্যাথলজি। মরিয়ম প্যাথলজি,দারিয়াপুর, গাইবান্ধা।

"আপনার স্বাস্থ্যসেবার জন্য কাছেই একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান খুঁজছেন?
মরিয়ম প্যাথলজি এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার আপনাকে দিচ্ছে সেরা মানের চিকিৎসা সেবা। দারিয়াপুর চার রাস্তা থেকে পশ্চিমে - লক্ষীপুর রোড, দারিয়াপুর এলাকায় অবস্থিত আমাদের প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক চিকিৎসা ও যত্নশীল সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করছে।

আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং স্বাস্থ্যসেবায় নতুন অধ্যায় শুরু করুন।
📍 ঠিকানা: লক্ষীপুর রোড,দারিয়াপুর , গাইবান্ধা।
📞 যোগাযোগ: 01710-359980; 01312-359980
বি. দ্র :- এখানে সার্বক্ষনিক এম.বি.বি.এস ডাক্তার দ্বারা কম খরচে চিকিৎসা প্রদান ও সকল রোগ নির্ণয় পরিক্ষা করা হয়।

https://www.facebook.com/drmaksudul?mibextid=JRoKGi

28/01/2026

🩺রক্তে ক্রিয়েটিনিন বেড়েছে মানেই কি কিডনি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে??অনেকেই রিপোর্টে ক্রিয়েটিনিন বেশি দেখলেই ভয় পেয়ে যান।।👩‍⚕️জেনে নিন ক্রিয়েটিনিন বাড়ে কেন??👇👇
✅️১। শরীরে জলের অভাব ঘটলে।
✅️২। অতিরিক্ত প্রোটিন জাতীয় খাবার খেলে।
✅️৩। ব্যথার ওষুধ দীর্ঘদিন খেলে।
✅️৪। ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত থাকলে।
✅️৫। কিডনির উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হলে বা কোনো সমস্যা থাকলে। ইত্যাদি।

👉রক্তে অতিরিক্ত ক্রিয়েটিনিন কমাতে কি করবেন??

✅️১।পর্যাপ্ত জল পান করুন ( ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)।
✅️২। অতিরিক্ত প্রোটিন ও রেডমিট খাওয়া কমান।
✅️৩। ব্যথার কমানোর ওষুধ নিজে থেকে খাবেন না।
✅️৪। নিয়মিত ব্লাডসুগার এবং ব্লাডপ্রেসার check করুন এবং বেশি থাকলে নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
✅️৫। ডাক্তারের পরামর্শে নিয়মিত পরীক্ষা করান। ইত্যাদি।

✨️সচেতন থাকুন,ভয় পাবেন না।✨️

ধন্যবাদ

20/06/2025

লেক্টিন কী? কোন খাবারে থাকে? এবং এটা আপনার শরীরের কী ক্ষতি করছে আপনি জানেন?

লেক্টিন (Lectin) হলো এক ধরনের প্রোটিন, যা বিভিন্ন শস্য, ডাল, শাকসবজি ও বীজে প্রাকৃতিকভাবে থাকে। উদ্ভিদ নিজেদের রক্ষা করতে এই লেক্টিন তৈরি করে।

লেক্টিন বেশি পাওয়া যায় যেসব খাবারে:
• গম (বিশেষ করে হোয়াইট ব্রেড, পাস্তা)
• সয়াবিন ও সয়া পণ্য
• মুগ ডাল, মাষকলাই, মটরশুঁটি, ছোলা
• আলু, টমেটো, বেগুন (নাইটশেড গোত্রের সবজি)
• চিনাবাদাম, কাজু
• কাঁচা বা আধা-সেদ্ধ ডাল ও লেগুম জাতীয় খাবার

এই লেক্টিন কীভাবে শরীরের ক্ষতি করে?

১. অন্ত্রে গর্ত করে – Leaky Gut:
লেক্টিন অন্ত্রের দেয়াল ভেঙে দেয়, ফলে অপাচ্য খাবার, টক্সিন, ব্যাকটেরিয়া রক্তে ঢুকে পড়ে।

২. ইমিউন সিস্টেম অতি সচল হয়:
ফলাফল — শরীর নিজের কোষের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ শুরু করে। জন্ম নেয় অটোইমিউন রোগ।

৩. ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি করে:
লেক্টিন ইনসুলিন রিসেপ্টর ব্লক করে দেয়। ফলে ইনসুলিন কাজ করতে পারে না, ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বাড়ে।

৪. লিভারে ফ্যাট জমে:
লেক্টিন-প্রবাহিত টক্সিন সরাসরি লিভারে গিয়ে NAFLD (Fatty Liver) তৈরি করে।

৫. হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি:
লেক্টিন-চালিত ইনফ্ল্যামেশন ধমনী শক্ত করে, রক্তচাপ বাড়ায়, হৃদরোগ ডেকে আনে।

যেসব রোগীরা লেক্টিন এড়িয়ে চলবেন বা খুব সীমিত খাবেন:
• অটোইমিউন রোগে আক্রান্তরা (যেমন: হ্যাশিমোটো, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, সেলিয়াক)
• টাইপ ২ ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিস রোগী
• ফ্যাটি লিভার বা লিভার ইনফ্ল্যামেশনে ভুগছেন যারা
• হৃদরোগ, হাই ব্লাড প্রেশার বা ব্লকেজের ইতিহাস আছে যাদের
• ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS) বা ক্রনিক গ্যাস-অম্বলের রোগী
• পিগমেন্টেশন, স্কিন অ্যালার্জি, একজিমা বা সোরায়াসিসে আক্রান্তরা

তাহলে কি ডাল-ভাত খাব না?

খাবেন, তবে সঠিকভাবে:
• ভিজিয়ে রাখুন অন্তত ৮–১২ ঘণ্টা
• ভালোভাবে সেদ্ধ করুন (হালকা ফুটানো নয়)
• ফারমেন্ট করুন (যেমনঃ টেম্পে, ইডলি, দোসা ব্যাটার)
• আধা-সেদ্ধ বা কাঁচা অবস্থায় কখনো খাবেন না

লেক্টিন – ক্ষতিকর তখনই, যখন আপনি অজ্ঞানভাবে খাচ্ছেন।
সঠিক জ্ঞানই আপনার রক্ষাকবচ। জ্ঞান নিন, জীবন বদলান ইনশাআল্লাহ।

02/06/2025

PCO আর PCOS কি একই জিনিস?
অনেকেই ভাবেন PCO আর PCOS এক বিষয়, কিন্তু বাস্তবটা ভিন্ন। চলুন জানি বৈজ্ঞানিকভাবে এদের পার্থক্য👇

🔹 PCO (Polycystic Ovaries): এটা একটা অবস্থা — যখন ডিম্বাশয়ে (o***y) স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সংখ্যক ফলিকল (follicle) জমে থাকে।
📌 এটি কোনো রোগ নয়।
📌 সাধারণত কোন উপসর্গ/সমস্যা থাকে না।
📌 আল্ট্রাসাউন্ডে ধরা পড়ে।
📌 হরমোন স্বাভাবিক থাকে, পিরিয়ড ঠিকঠাক চলতে পারে।
📌 এটা হতে পারে বয়স, ওজন, জীবনযাপন বা সাময়িক হরমোন ভারসাম্যের কারণে।

👉 গবেষণায় দেখা গেছে, ২০-৩০% নারীর ওভারিতে PCO থাকতে পারে, কিন্তু তাদের PCOS নাও থাকতে পারে।

🔹 PCOS (Polycystic O***y Syndrome): এটা একটা হরমোনজনিত রোগ (endocrine disorder)।
📌 এখানে শুধু পলিসিস্টিক ওভারি(PCO) না, সঙ্গে থাকে – ✔ অনিয়মিত মাসিক
✔ অতিরিক্ত পুরুষ হরমোন (androgen)
✔ ব্রণ, মুখে/বুকে লোম
✔ ওজন বেড়ে যাওয়া, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ইত্যাদি

📌 এটি ডায়াগনোসিসের জন্য সাধারণত Rotterdam Criteria (2003) অনুসরণ করা হয়।

📍 PCO মানেই PCOS নয়। PCO থাকলেই দুশ্চিন্তা নয়, তবে উপসর্গ থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মেডিসিন,গাইনি, বন্ধ্যাত্ব রোগ অভিজ্ঞ ও আল্ট্রাসনোগ্রাম বিশেষজ্ঞ:-
👩‍⚕️ডা: মোছা: মাহফুজা বেগম
এম.বি.বি.এস (রংপুর মেডিকেল কলেজ)
পিজিটি - মেডিসিন, গাইনি এন্ড অবস্
এম.ও.এইস - আরব আমিরাত
ডিএমইউ আল্ট্রাসনোগ্রাম
🎀 রোগি দেখার সময় : প্রতি শনিবার ও বুধবার সকাল ১০.০০ টা হতে সন্ধ্যা ৭.০০ টা পর্যন্ত।
🏥 চেম্বার: মরিয়ম প্যাথলজি এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
লক্ষিপুর রোড, দারিয়াপুর,গাইবান্ধা।
মোবাইল: 01710-359980; 01312-359980
এছাড়াও প্রতিদিন মেডিসিন, হৃদরোগ, শিশুরোগ, চর্ম- যৌন-এলার্জি, নাক-কান-গলা, লিভার ও কিডনী রোগ এবং বাত ব্যাথার ডাক্তারগণ প্রতিদিন নিয়োমিত রোগী দেখছেন।
প্রতিদিন সকাল ৮.০০ টা হতে রাত্রি ১০.০০ টা পর্যন্ত এম বি বি এস ডাক্তার দ্বারা আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো হয়।

29/05/2025

মৃত্যুর আরেক নাম 'নিগ্লেরিয়া ফাউলারি' (Naegleria fowleri) –এক মস্তিষ্ক খাদক অ্যামিবা!

নিগ্লেরিয়া ফাউলেরি হচ্ছে ধরনের অতিক্ষুদ্র জীবাণু (অ্যামিবা) যা সাধারণত উষ্ণ মিঠাপানির জলাধার যেমন হ্রদ, নদী, অথবা অপর্যাপ্তভাবে ক্লোরিন দেওয়া সুইমিং পুলে বাস করে। গোসল বা ডুব দেয়ার সময় এটি নাক দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে ঘ্রাণনালীর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায় এবং সেখানকার কোষ ধ্বংস করতে থাকে। এটি 'প্রাইমারি অ্যামেবিক মেনিনজোএনসেফালাইটি' (PAM) নামক একটি অত্যন্ত মারাত্মক মস্তিষ্কের রোগ সৃষ্টি করে। মরণঘাতী এই রোগেলক্ষন প্রকাশের পর রোগী সাধারণত ৫–১০ দিনের মধ্যেই মারা যায়। এই রোগের মৃত্যুহার প্রায় ৯৮%।

সংক্রমণের উপসর্গ শুরু হয় সাধারণত ১–৯ দিনের মধ্যে, যার মধ্যে তীব্র মাথাব্যথা, জ্বর, বমি, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, বিভ্রান্তি, খিঁচুনি ও অচেতনতা দেখা দেয়। যদিও এই রোগের সংক্রমণ খুবই বিরল তবে কারো হলে তা প্রাণঘাতী। দূষিত পানি পান করলে শরীরে এই অ্যামিবা সংক্রমণ ঘটাতে পারে না। এটি শুধু নাসারন্ধ্র দিয়ে ওলফ্যাকটরি গ্ল্যান্ডের মাধ্যমে মস্তিষ্কে ঢুকে।

কিছু অল্পসংখ্যক রোগী দ্রুত শনাক্ত ও বিশেষ ওষুধ (যেমন মিল্টেফোসিন) দিয়ে চিকিৎসার মাধ্যমে বেঁচে গেছেন, কিন্তু এখনও এই রোগের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়নি। তাই সাবধানতা ও সচেতনতাই হলো সবচেয়ে ভালো প্রতিরোধ, গরমকালে নদী বা হ্রদে সাঁতার কাটার সময় খুব সতর্ক থাকতে হবে। নাকের মাধ্যমে পানি প্রবেশ না করতে দেওয়া, নাকচিপি দিয়ে সাঁতার কাটা কিংবা নাকে সাঁতারের জন্য বিশেষ ক্লিপ ব্যবহার করাই হতে পারে জীবন রক্ষার উপায়।

28/05/2025
20/05/2025

লোলামাইসিন (Lolamicin): অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসায় এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ!

নতুন দিগন্ত উন্মোচন:
লোলামাইসিন এমন এক অভিনব অ্যান্টিবায়োটিক যা শুধুমাত্র ক্ষতিকর গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া (যেমন E. coli, Klebsiella pneumoniae) ধ্বংস করে, অথচ উপকারী অন্ত্র ব্যাকটেরিয়াকে অক্ষত রাখে।

কীভাবে কাজ করে:
এটি ‘Lol লিপোপ্রোটিন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম’ লক্ষ্য করে কাজ করে, যা শুধুমাত্র ক্ষতিকর গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়াতেই থাকে।

মূল সুবিধাসমূহ:

✅উপকারী অন্ত্র ব্যাকটেরিয়ার সুরক্ষা
✅অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধ
✅দ্বিতীয়িক সংক্রমণ প্রতিরোধ
✅অন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখা

চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত... লোলামাইসিন!

11/05/2025

প্রেগনেন্সির শেষ দিকে অনেক মায়েরা ফলস পেইন (False Labor Pain) আর ডেলিভারি পেইন (True Labor Pain) আলাদা করতে হিমশিম খান। নিচে খুব সহজ করে দুইটার পার্থক্য বোঝানো হলো:



ফলস পেইন (False Labor Pain) বা ব্র্যাক্সটন হিকস:
• অনিয়মিত ব্যথা হয়, সময়ের ব্যবধান ঠিক থাকে না।
• কম সময়ের জন্য হয় (২-৩০ সেকেন্ড বা ১ মিনিট)
• পজিশন বদলালে বা বিশ্রামে গেলে ব্যথা কমে যায়
• পেট শক্ত হয়, কিন্তু ব্যথা খুব বেশি তীব্র হয় না
• বাচ্চার নড়াচড়া হয় স্বাভাবিক
• সাধারণত গর্ভধারণের শেষের দিকে (৩য় ট্রাইমেস্টার) হয়
• বলা যায় প্রস্তুতিমূলক সংকোচন



ডেলিভারি পেইন (True Labor Pain):
• নিয়মিত সময়ের ব্যবধানে ব্যথা হয় (প্রথমে ১৫-২০ মিনিট পরপর, পরে কমে ৫-৭ মিনিটে আসবে)
• প্রতিটি সংকোচন ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট বা তারও বেশি স্থায়ী হয়
• সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যথার তীব্রতা বাড়ে
• পজিশন পরিবর্তন করলেও ব্যথা কমে না
• পেট, কোমর এবং তলপেটে চাপ ও ব্যথা একসাথে হয়
• সাধারণত শুরুর দিকে স্রাব বা শ্লেষ্মা ও পানি ভাঙার মতো উপসর্গও থাকতে পারে
• বাচ্চা নিচের দিকে চাপ দেয়



একটি সহজ পরীক্ষা:

ঘড়ি দিয়ে ১ ঘণ্টা দেখে ফেলুন—
• যদি ব্যথা নিয়মিত হয়, সময় কমে কমে আসে, এবং তীব্রতা বাড়ে — ডেলিভারি পেইন
• যদি অনিয়মিত হয়, বিশ্রামে কমে যায় — ফলস পেইন



পরামর্শ:
যদি আপনি ৩৭ সপ্তাহের বেশি প্রেগন্যান্ট হন এবং মনে হয় ব্যথা বাড়ছে, পানি ভাঙছে বা স্রাব যাচ্ছে— তাহলে দেরি না করে হাসপাতালে চলে যান।

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


দারিয়াপুর, গাইবান্ধা।
Rangpur
5700