Jaigir High School And College

Jaigir High School And College

Share

জায়গীর উচ্চ বিদ্যলয় ও কলেজ
জায়গীরহাট, জায়গীর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ
জায়গীরহাট, মিঠাপুকুর, রংপুর।
স্থাপিত: ১৯৪৬

19/03/2023

আইএফআইসি
এখন সবচেয়ে বেশি শাখা-উপশাখায়
দেশের বৃহত্তম ব্যাংক।

আইএফআইসি ব্যাংক-এর ১২৪৩ শাখা ও উপশাখা
আপনার প্রতিবেশী হয়ে ছড়িয়ে আছে সারা দেশে
সীমাহীন সেবার দিগন্ত নিয়ে।
#আইএফআইসিব্যাংক

04/01/2023

শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতীদের সংবর্ধনা ২০২২

২০২২ সালের এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা
নিবন্ধন করতে আজই লগইন করো-https://www.gpa5reception.com

Photos from Jaigir High School And College's post 16/01/2020
05/03/2019

= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।

= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।

=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।

= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।

= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।

= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।

= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।

= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।

= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।

= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।

= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।

= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।

= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।

= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।

= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.

= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।

= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।

= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।

= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।

=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।

= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।

= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।

= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।

= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।

= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।

= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।

= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।

18/02/2019

👉 বিশেষ সতর্কতা ঃ

আমরা প্রায় অনেকেই বাড়িতে গ্যাস-সিলিন্ডার ব্যবহার করি, অনেক সময় শুনা যায় যে সিলিন্ডার ব্লাস্ট হয়ে মানুষ মারা গেছেন, কিন্তু এটা ব্লাস্ট কেন হয় তা অনেকে জানি না।

সব জিনিসের মত সিলিন্ডারেরও মেয়াদ শেষ বা expiry date থাকে যা আমরা অনেকে জানি না। মেয়াদ শেষ হওয়া কোন সিলিন্ডারকে ঘরে রাখা মানে টাইম বোমা রাখার সমান।

আমরা চিনব কিভাবে যে সিলিন্ডার মেয়াদপূর্ণ?

ফটোতে মার্ক করা কালো রং এর লেখাটাই হল এক্সপায়ারি ডেট। এখানে A, B, C, D সংকেত দিয়ে বুঝানো হয়েছে।

A = বছরের প্রথম তিন মাস যেমন: জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ।

B = তার পরের তিন মাস যেমন: এপ্রিল, মে, জুন।

একইভাবে C, D দ্বারা ক্রমানুসারে বাকি ছয় মাসকেই বুঝানো হয়।
আর সবার শেষে বছরের শেষ দুই ডিজিট থাকে, অর্থাৎ C13 (এখানে 13 দিয়ে 2013 ইং বোঝানো হয়েছে) যদি C18 থাকে তার মানে হল 2018 সালের জুলাই, আগস্ট, অথবা সেপ্টেম্বর মাসেই আপনার সিলিন্ডারের মেয়াদ বা expiry date হবে।

পোস্টটা কপি করে সকলকে জানিয়ে দেওয়ার অনুরোধ রইল।

বিঃদ্রঃ- মেয়াদের লেখাটা সিলিন্ডারের
প্রকারভেদে বিভিন্ন স্থানে লেখা থাকতে পারে , দোকান হতে নেয়ার সময় সেটা ভালো করে জেনে নেবেন।

আসুন নিজে সচেতন হই, অন্যদেরও সচেতন করি।

18/02/2019

Facebook হবে সব চেয়ে বৃহত্তম virtual
কবরস্থান।❌🎴

আগামী ১০০ বছর পর অধিকাংশ
Facebook ID গুলো মৃত পরে থাকবে। । শুধু
থাকবে তাদের কর্ম।(like+comment+upload)

১) যারা মানুষকে Love story
শিখিয়েছে,তার শাস্তি তারা
জাহান্নামে পাবে।

২) যারা অশ্লীল ও বেহায়াপনা
মেয়েদের ছবি upload করেছে
,তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী তাদের
Liker ও commenter দিবে।

৩) আর যারা ফেসবুককে আল্লাহর
বাণী ও ইসলাম প্রচারের মাধ্যম
বানিয়েছে তাদের পুরষ্কার
আল্লাহ দিবেন।(ইনশাআল্লাহ্)

ফেসবুকে কোনো অশ্লীল ছবি
আপলোড দেওয়া থাকলে মৃত্যুর পরও
তার পাপের বোঝা বাড়তে
থাকবে। তার কবরে অনন্ত কাল ধরে
পাপ পৌছাতে থাকবে। ফেসবুক
ভার্চুয়াল দুনিয়া হলেও এই ছবি গুলো
মানুষ দেখতে পাবে ও তাই এর
হিসাব ও দিতে হবে।
# হিসাব দিতে হবে
আনাচেকানাচে করা ছোটো
খাটো খারাপ ভালো সব comment+like এর। কারন তোমার সব কাজই লিখা
হচ্ছে তোমার # আমলনামায়

"So Be Carefull"
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার
তওফিক দান করুণ।💕
আমিন💙

14/02/2019

ইংরেজিতে যারা দুর্বল তাদের জন্য কিছু সহজ টিপস দিচ্ছি। শব্দে Noun, Adjective, Verb & Adverb চিনতে সমস্য হয় যাদের তাদের জন্য কিছু টিপস দেয়া হল। আশা করি কাজে লাগবে :

Noun : শব্দের শেষে নিম্নলিখিত Suffix
গুলো থেকে Noun চেনা যায় :→
(-tion, -ment, -ness, -hood, -dom, -ship, -th, -ity,
-gy, -phy, -my, -ure, -cy, -tude, -mony, -nce, –
age, -er, -or, -sion, -ist, -ee, -ism).

Adjective : শব্দের শেষে নিম্নলিখিত
Suffix গুলো থেকে Adjective চেনা যায় :→
(-ble, -ish, -less, -ary, -ive, -ful, -ar, -al, -ate, -ic,
-sque, -id, -ile, -ry, -line, -ous/ose, -lent, -an).

Verb : শব্দের শেষে নিম্নলিখিত Suffix
গুলো থেকে Verb চেনা যায়:→
(-ate, -en, -fy, -esce, -ise, -ize, -ish).


Adverb : শব্দের শেষে নিম্নলিখিত Suffix
গুলো থেকে Adverb চেনা যায়:→
(-wise, -ways, -ly, -ward)

চলুন এবার জেনে নেয়া যাক :
Commonly used English word :

❍ কাতুকুতু দেওয়া – To tickle

❍ কানে কানে কথা – Whispering

❍ ছলছল চোখ – Moist with tears

❍ ঝকঝকে পরিষ্কার- Glittering clean

❍ ধপধপে সাদা – Dazzling white

❍ ঝরঝর বৃষ্টি – Inceasant rain

❍ কনকনে শীত – Biting cold

❍ গুড়িগুড়ি বৃষ্টি- Dizzling of rain

❍ তালি দেওয়া – Clap (ক্ল্যাপ)

❍ থাপ্পড় মারা – Slap (স্ল্যাপ)

❍ নাক ডাকা – Snore (স্নোর)

❍ চিৎকার করা – Shout (শাউট)

❍ আদর করা – Fo**le (ফন্ডল)

❍ হাঁচি দেওয়া – Sneeze (স্নীজ)

❍ আঁচড় কাটা – Scratch (স্ক্র্যাচ)

❍ ফুপিয়ে কাঁদা- Sob (সব)

❍ চিমটি কাটা – Nip (নিপ)

❍ আঁচড়ানো – Heckle (হ্যাকল)

❍ বমি করা- Spew (স্পিউ)

❍ গিলা / গিলে ফেলা- Swallow

Try to make sentences with these words.

let’s try….:

কোন কিছু করতেই হবে এই ক্ষেত্রে নিয়মটি হচ্ছে-Sub+have to+V1+extension.
Example-
❖ I have to go to college now.-আমাকে এখন কলেজ যেতে হবে।
❖ I have to attend my class.-আমাকে ক্লাসে এটেন্ড করতে হবে।
❖ I have to go to Dhaka.-আমাকে ঢাকা যেতে হবে।
❖ I have to open a bank account.-আমাকে একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে।
❖ We all have to go together.-আমাদের সকলকে একত্রে যেতে হবে।
❖ We all have to learn English.-আমাদের সকলকে ইংরেজি শিখতে হবে।
আরো ভালো টিপস পেতে friend request পাঠাতে পারেন।ধন্যবাদ

08/02/2019

১.
উচ্চ বেতনে চাকুরি করা এক যুবক আরেক গরীব যুবককে প্রশ্ন করলো,
- তুমি কোথায় চাকুরি করো?
- একটা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে।
- স্যালারি কতো?
- ৫০০০।
- মোটে পাঁচ হাজার? চলো কিভাবে? তোমার মালিক তোমার প্রতি অবিচার করছে। তোমার যা যোগ্যতা, হেসেখেলেই তুমি অনেক টাকা বেতন পেতে পারো।

যুবকের মেজাজ খাট্টা হয়ে গেলো। নিজের কাজের প্রতি, বসের প্রতি বেজায় রুষ্ট হয়ে উঠলো। পরদিন গিয়ে সরাসরি বসকে জুলুমের কথা জানালো। কথা কাটাকাটি হওয়াতে বস তাকে চাকরিচ্যুত করলো।
এখন যুবকটি বেকার।

২.
- তোমার প্রথম সন্তান হলো বুঝি?
- জ্বি।
- তোমার স্বামী এ উপলক্ষ্যে তোমাকে কিছু দেয় নি? উপহার বা এ জাতীয় কিছু?
- না। কেন দিবে? এ তো আমাদেরই সন্তান! টাকা দিতে হবে কেন?
- কেন তোমাকে হাত খরচার জন্যেও তো দু’চার পয়সা দিতে পারে। তার কাছে তোমার কোনও মূল্য নেই? তুমি চাকরানি?

স্ত্রীর মনে ধরলো কথাটা। সারাদিন কথাটা ভাবতে ভাবতে মনটা বিষিয়ে উঠলো। সত্যিই তো! আমাকে একটা টাকাও কখনো ছোঁয়ায় না! রাতে কর্মক্লান্ত স্বামী ঘরে ফিরলো। স্ত্রীর মুখ দিয়ে বোমা বিস্ফোরিত হলো। লেগে গেলো দু’জনে। কথা কাটাকাটি। ঝগড়া। হাতাহাতি। শেষ পর্যন্ত তালাক, বিচ্ছেদে গিয়ে গড়াল।

৩.
- এই বৃদ্ধ বয়েসে কষ্ট করছেন? ছেলে ঢাকায় থাকে, বড় চাকুরি করে শুনেছি। বউ-বাচ্চা নিয়ে থাকে। আপনাদের দু’জনকে নিয়ে যেতে পারে না? আপনাদের দেখতেও তো আসে না!
- না না, ছেলে আমার খুবই ব্যস্ত। টাকা পাঠায় তো। ফোনে খোঁজ-খবর নেয়। নিয়মিত।
- কী এমন ব্যস্ততা তার শুনি? নিজের জন্মদাতা-দাত্রীকে দেখতে আসার সময় হয় না?
- সারাদিন অফিস-বাসা করতে করতেই সময় চলে যায়!
- আপনি খোঁজ নিয়েছেন? সে ঢাকায় বাড়ি-গাড়ি হাঁকিয়ে বেড়াচ্ছে। আর আর আপনারা অজপাড়াগাঁয়ে ধুঁকছেন?

বৃদ্ধ বাবা বাসায় এসে স্ত্রীকে খুলে বললো। স্ত্রীও বাধা দিল,
- আপনি ভুল শুনেছেন। সে আসলেই ব্যস্ত।
- নাহ, খন্দকার সাহেব কি মিথ্যা বলতে পারেন? ...আহা রে! কাকে বুকের রক্ত পানি করে বড় করলাম?


কিছু "নিরীহ" প্রশ্ন আমাদের সুখী জীবনকে এক লহমায় দুঃখী করে দিতে সক্ষম। ছদ্মবেশী দরদীরা নিস্তরঙ্গ শান্ত জীবনে অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে দেয়...

- কেন? সেটা এখনো কিনেন নি?
- আপনাদের এখনো বাচ্চাকাচ্চা হয় নি?
- এই জীবন কিভাবে বহন করে চলেছেন?
- ছেলেকে বিশ্বাস করে বসে আছেন?
- ছেলে তো বউয়ের কেনা গোলামে পরিণত হয়েছে!


গল্পের নির্যাসঃ
= ফাসাদ সৃস্টিকারী হয়ো না।
= হিংসুকদের ছলনায় পড়ো না।

গল্পের হিতোপদেশঃ
= মানুষের ঘরে অন্ধ হয়ে প্রবেশ করো। বোবা হয়ে বের হয়ে আসো...

(Collected)

04/02/2019

কখন বুঝবেন আপনি ম্যাচিউরড?

১. যখন বুঝতে পারবেন জগতের কোনকিছুই কখনো কারো জন্য থেমে থাকে না।

২. যখন অন্যের ওপর আশা করা ছেড়ে দিয়ে নিজের দায়িত্ব শতভাগ নিজে পালনে সচেষ্ট হবেন।

৩. যখন বুঝবেন প্রত্যেকে তার নিজের অবস্থান থেকে ঠিক।

৪. শুধু ঝামেলা এড়ানোর জন্যই যখন চুপ থাকবেন।

৫. গাধা শ্রেণির লোকদের সাথে তর্কে নামা শতভাগ পরিহার করবেন।

৬. বিনা বাক্য ব্যয়ে অপমান হজম করা এবং রাগ নিয়ন্ত্রনে রাখা ম্যাচিউরিটির অন্যতম লক্ষণ।

৭. নিজেই একটা কিছু- ভাবা বন্ধ হবে যখন।

৮. নিজের ভুল বুঝতে পারা এবং তা স্বীকার করার অভ্যাস হবে যখন।

৯. যখন শোঅফ করা বন্ধ হবে।

১০. যখন বুঝবেন নিজের সমস্যা অন্যকে জানানোর মতো বোকামি আর নেই। কেউ সমাধান করবে না, সহানুভূতিতে কিচ্ছু যায় আসে না।

১১. কেউ ভুল ধরিয়ে দিলে যখন খুশি হবেন এবং অন্যের ভুল ধরা বন্ধ করে দিবেন।

১২. নিজের ভুলের জন্য অন্যকে দোষারোপ করা বন্ধ করবেন যখন।

১৩. যখন বুঝতে পারবেন আপনার জ্ঞানের পরিধি শুধু সীমিতই নয়, অন্যদের তুলানায় আপনি কিছুই জানেন না।

১৪. জগতের সবকিছুই যখন স্বাভাবিক মনে হবে। কোনকিছুতেই আর অবাক হওয়া কাজ কাজ করবে না।

১৫. যখন বুঝবেন যা কিছু করেছেন সব নিজেকে ভালো রাখতেই। অন্যরা স্বার্থপর হলে আপনিও তার ব্যতিক্রম নন।

Collected

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Jaigirhat
Rangpur
5460