18/09/2025
বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বেরোবি শিক্ষার্থীদের জন্য ৩ টি বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামীকাল সকাল ৮ :০০ ঘটিকায় ক্যাম্পাস থেকে রওনা দিবে এই বাস তিনটি।
পরিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত তিনটি বাসের মধ্যে,
▪️দুটি বাসঃ ক্যাম্পাস > লালবাগ > শাপলা > জাহাজকম্পানি মোড় > মেডিকেল মোড়
▪️অন্যটিঃ ক্যাম্পাস > মর্ডান > টার্মিনাল > মেডিকেল মোড়
14/09/2025
কমলার পর এবার লাল সুন্দরী বেরোবি পরিবহনে।
13/09/2025
♦️♦️আজ সকাল ১০ টায় বেরোবিতে বিআরটিসি বাসের কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন।♦️♦️
কমেন্টে রুট ও সিডিউল অনুযায়ী আগামীকাল থেকেই বিআরটিসি গাড়ি চলবে। তবে আগামীকাল যেহেতু ১০ টায় উদ্বোধন হবে তাই সকালের ট্রিপটা যাবে না। ১০ টার পরের ট্রিপগুলো নির্দিষ্ট সিডিউলে চলবে। নিসবেতগঞ্জ ও পাগলাপীর রুটের সকালের গাড়ি পূর্বের মতো চলবে। যে সিডিউল দিলাম এটা শুধু বিআরটিসির জন্য। আমাদের গাড়িগুলোর নতুন সিডিউল আগামীকাল দিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ। নতুন সিডিউল দেওয়ার আগ পর্যন্ত পূর্বের সিডিউল অনুযায়ী আমাদের গাড়ি চলবে।
--পরিচালক
পরিবহন পুল, বেরোবি।
13/09/2025
নিম্নোক্ত রুট ও সিডিউল অনুযায়ী আগামীকাল থেকে বিআরটিসি বাস চলবে। এছাড়া নিসবেতগঞ্জ ও পাগলাপীর রুটের সকালের বাস পূর্বের মতোই চলবে।
যে সিডিউলটি দেওয়া হলো, এটি শুধুমাত্র বিআরটিসি বাসের জন্য প্রযোজ্য। বেরোবির নিজস্ব গাড়িগুলোর নতুন সিডিউল আগামীকাল প্রকাশ করা হবে। এর আগে পর্যন্ত বেরোবির গাড়িগুলো পূর্বের সিডিউল অনুযায়ী চলবে।
তথ্যসূত্রঃ BRUR Campus
04/03/2025
রমজান মাসের বাস সিডিউল (আপডেটেড)
📌 সকাল ও দুপুরের ট্রিপ:
🔹 সকাল ৮:১০
🔹 সকাল ১১:১০
🔹 দুপুর ১:৪০
📌 বিকালের ট্রিপ:
🔹 লাস্ট ট্রিপ: বিকাল ৩:৪০
⏩ বিকাল ৩:৩০ ট্রিপের আপডেট:
বিকাল ৩:৩০-এর বাসে প্রচণ্ড ভিড় হওয়ায় আজ বিকাল ৩:৪০-এ অতিরিক্ত একটি বাস সংযুক্ত করা হয়েছে। আজ থেকে বিকাল ৩:৪০-এ তিনটি বাস চলবে।
● তৃতীয় বাসটি মেডিকেল মোড় হয়ে পাগলাপীর যাবে।
📌 অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট:
● লাইব্রেরি ট্রিপ (রাত ৭:১০) রমজান মাসে বন্ধ থাকবে।
● ঈদের পর রেগুলার সিডিউল অনুযায়ী বাস চলবে।
● ঈদের পর বিকাল ৩:৩০-এর ট্রিপে তিনটি বাস চলবে, একটি অতিরিক্ত বাস সংযুক্ত করা হবে।
● ঈদের পর বাস ঠিক হলে বিকাল ৫:১০ এবং সন্ধ্যা ৭:১০ ট্রিপে অতিরিক্ত একটি করে বাস সংযুক্ত করা হবে।
● স্টপেজ ছাড়া বাস কোথাও থামানো যাবে না।
● সকল শিক্ষার্থীকে সহযোগিতার অনুরোধ করা হলো।
বি.দ্র :
এই সিডিউল রমজান মাসের কথা বিবেচনা করে করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সুবিধা অনুযায়ী প্রয়োজনে এটি পরিবর্তন করা হতে পারে। - পরিবহন পুল।
Source : SM Ashikur Rahman
25/01/2025
শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ এর প্রথম সপ্তাহ হতে প্রতি শনিবার সকালে একটি ও বিকেলে একটি ট্রিপে একটি বাস চলাচল করবে। সময়সূচী পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া হাজিরহাট রুটের চলমান সকাল ৯.১০ ও বিকেল ৫.১০ এর ট্রিপ দুইটি পাগলাপীর পর্যন্ত চলাচল করবে। আমাদের পরিবহন পুলের সক্ষমতা অনুযায়ী সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে ইনশাআল্লাহ। সবার সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ ।
Masud Rana স্যার,
পরিচালক, পরিবহন পুল, বেরোবি।
07/11/2024
নবীন শিক্ষার্থী স্বার্থে, বেরোবির বাসের সময় সুচি ও রুট তুলে ধরা হলো।
11/08/2024
প্রিয় সাবেক বেরোবিয়ান আসসালামু আলাইকুম।বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের প্রক্রিয়া চলমান আছে। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ সফলকাম করতে (প্রথম থেকে দশম ব্যাচ) নিম্নোক্ত আলোচ্য সূচি মোতাবেক ১০-০৮-২০২৪ ইং তারিখে রাত ৯.০০ ঘটিকায় একটি উন্মুক্ত অনলাইন আলোচনার আয়োজন করা হয়েছিলো। উক্ত আলোচনায় সাবেক বেরোবিয়ানদের অংশগ্রহণ এবং মতামত প্রদান করায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
আলোচ্যসূচি :
১) অফিসিয়াল ইমেইল - ইমেইল খোলা সিদ্ধান্ত অনুমোদন হয়েছে।
২) ওয়েবসাইট - গুগল ডস ফাইলের পরিবর্তে ওয়েবসাইটে সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ করার ব্যাপারে অনেকে মতামত প্রদান করেন।
৩) লোগো ও প্যাড: ৩ সদস্য বিশিষ্ট উপকমিটি করা হয়েছে মারুফ এর তত্ত্বাবধানে।
৪) অস্থায়ী অফিস - আপাতত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।
৫) ব্যাচ প্রতিনিধি- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ব্যাচের (সম্ভব হলে প্রতি বিভাগের) সমন্বয়ে প্রতিনিধি নিধারন করা।
৬) প্রেস রিলিজ- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের প্রক্রিয়া চলমান আছে এই বিষয়ে ব্যাবকহারে প্রচার প্রচারনা করার জন্য নিমু এর তত্ত্বাবধানে ৩ সদস্য উপকমিটি করা হয়।
৭) গঠনতন্ত্র- পরবর্তী মিটিং এ উপস্থাপনা জন্য কামরুজ্জামান ভাই এর তত্ত্বাবধানে ৫ সদস্য বিশিষ্ট খসড়া গঠনতন্ত্র উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য- পরবর্তী অনলাইন মিটিং তারিখ: ১৬-০৮-২০২৪ ইং তারিখে রাত ৯ ঘটিকায়।
মিটিং লিংক দেওয়া হবে সকলে জয়েন হয়ে মতামত দিবো ইনশাআল্লাহ।
এটা একটা প্রাথমিক খসড়া, যারা আগ্রহ দ্রুত সকলে ১,২,৮ নাম্বার সদস্য সহ সকল ব্যাচের যারা আছে তাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। এখনো সকল ব্যাচের কাছে পৌঁছাতে পারিনি, দ্রুত নিজ উদ্যোগে একটু দ্রুত যোগাযোগ করবেন।
01/05/2024
১ম ও ২য় ছবির মানুষটাকে কি চিনেন ????
প্রথম ব্যাচ হতে ষষ্ঠ ব্যাচ পর্যন্ত অনেকেই হয়তো চেনেন তাকে, বাকিদের চেনার কথা না। তিনি হলেন ইসতিয়াক আহমেদ । আমাদের ভার্সিটির তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের। ভাইয়ার বাসাই রংপুরে। ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ রংপুর হতে এসএসসি ও এইচএসসি শেষ করে ভর্তি হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিজনেস ফ্যাকাল্টির তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী হওয়ায় তার বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম দিন টিই শুরু হয় ভার্সিটি স্থায়ী ক্যাম্পাসে উদ্বোধনের মাধ্যমে। সেই সময় ভার্সিটির ক্যাম্পাস ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। ক্লাস রুম মূল ক্যাম্পাসে তো ল্যাব লালকুঠি মোড়ে এমন দসা। এতটা দুরত্ব নিয়ে একটা বিশ্ববিদ্যালয়, ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক কস্টের। সেই সময় তিনি ও তার দুই সহপাঠী রোকুনুজ্জামান রনি (AIS ৩য় ব্যাচ) ও মোঃ তৌফিকুর রহমান তুষার (সাবেক AIS ৩য় ব্যাচ, যদিও F&B ৪র্থ ব্যাচ হিসেবে পোস্ট গ্রাজুয়েশন শেষ করেন)। তারা তিন জন মিলেই শুরু করেন বাস ক্লাব। পাবলিক ভার্সিটির অন্যতম এক অংশ ভার্সিটি বাস। যে অংশটি বাদ দিলে আর যাইহোক পূর্নাঙ্গ ভার্সিটির অনুভুতি পাওয়া কঠিন। তারা শুধু বাস এর দাবিই নয় সেই সাথে প্রতিবাদ স্বরুপ টার্মিনাল হতে মর্ডান রুট ব্যবহার করা সকল বাসে যাতায়াত এবং ভার্সিটির পরিচিতি শুরু করেন। পাবলিক ভার্সিটি এবং ভার্সিটি গুরুত্ব সেই সাথে ভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা সম্পর্কে ততকালীন মটর মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়ন কে জানান দেয়ায় ছিল তাদের বিশাল ভূমিকা। এমন কি ততকালীন মটর শ্রমিক নেতা আব্দুল মজিদ কেও এক দিন ভার্সিটি বাস হবার পড়, বাসের উঠতে তো দেয় নি বরং নামায় দিয়েছিলো তারা। এই মর্মে যে এটা ভার্সিটি বাস, যার তার বাস নয় যে কেউ চাইলেই যাতায়াত করতে পাবে না । যাইহোক সাল ২০১১ এর মাঝামাঝি তাদের সেই কার্যক্রম এর পর ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ রংপুর মটরমালিক সমিতির অন্তর্ভুক্ত শাহেদ শিমু পরিবহনের একটি বাস দিয়ে শুরু করে ভার্সিটি বাসের যাত্রা। আমাদের প্রিয় রাশেদ মামা ছিলেন ততকালীন ড্রাইভার। একটি মাত্র বাস আর তা দিয়েই সকাল ৮ টা ৯ টা দুপুর ১:৩০ আর ৩:৩০ এর বাস দিয়ে যাত্রা শুরু ভার্সিটি বাসের। কিন্তু তা চাহিদার তুলনায় ছিল একদম নগন্য। ফলে শুধু বাস নয় বাসের ছাদে ভরে যাত্রা করাই ছিল নিত্য দিনের শিক্ষার্থীদের এক মাত্র উপায়। এরাই প্রথমে প্রচলন করেন ভার্সিটি বাসে আপনি যতই আগে উঠেন না কেন, যতই ভাল সিটে বসেন না কেন, নারীদের এবং বড়রা যদি সিট না পায় দাড়িয়ে থাকে তবে তাদের জন্য ছেড়ে দেবেন আপনি সিট। যাইহোক এর কিছুদিন পর বাধ্য হয়েই ভার্সিটি পরিবহন পুল যুক্ত করেন আরো একটি শাহেদ শিমু পরিবহনের বাস ভার্সিটি বাস বহরে। কিন্তু এবার তাতে বাগড়া দেয় মটর মালিক শ্রমিকরা। এলাকার ভার্সিটিতে সকলের হক তাই সকল মটর মালিক ই চায় তাদের বাস ভার্সিটিতে চলুক। পরে এই সিদ্ধান্তে আসা হয় যে, সব সময় একটি বাস থাকবে শাহেদ শিমু পরিবহনের কিন্তু অন্য বাস টি প্রতি মাসে পরিবর্তন হবে। আর এভাবেই চলতে থাকে ভার্সিটি বাস। সে এক যেন বিভিষিকা কারন প্রয়োজনের তুলনায় খুবি অপ্রতুল সেই সার্ভিস সেই সাথে এত দুরের দুই ক্যাম্পাসের মধ্যে সমন্নয় করে ক্লাস করায় আর যাইহোক সেই বাস গুলো ততোটা ভুমিকা রাখতে পারছিল না। এখন একক ভাবে এগিয়ে আসলো আমাদের ইসতিয়াক ভাইয়া। সকাল ১০:৩০ এ ক্লাস শেষ করে ১২ টায় ল্যাব ধরা যেমন ছিল খরচা সাপেক্ষ তেমনি শিক্ষাথীরা ভয়ংকর রকমের সিডিউল মেলাতে হিমসিম খেত। এখন দরকার ১১ টায় একটা বাস। তাই পরিবহন পুল, ভিসি, বাস স্টাফ, ডিপার্টমেন্ট, ফ্যাকাল্টি সব কিছুতেই একাই সে শুরু করে লাগাতার পুস করা। ফাস্টে যখন কাজ হতচ্ছিল না তখন সে এক প্রকার জোর করেই বাস চালাতে বাধ্য করে সকাল ১১ টায়। পরে তার যুক্তি ও চেস্টায় ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয় ১১ টায় নিয়মিত বাস সার্ভিস চালু করতে। এর মাঝেই হয়ে যায় তার পরিবহন পুল, ভিসির পিএস এমন কি ভিসি স্যারের সাথেও নানান বাকবিতন্ডা। যাইহোক তার একক প্রচেস্টায় চালু এই ১১ টার। শুধু তাই নয় তাদের প্রচেস্টাতেই শুরু হয় বিকাল ৫ টার বাস ও। তাদের সময় বাস ভর্তি হবার পরের অতিরিক্ত ৫-৬ জন শিক্ষার্থী থাকলেও ভার্সিটি পরিবহন পুল বাধ্য হত অতিরিক্ত বাস দিতে। ততকালীর সময় ই ভার্সিটি বাস ছিল প্রকৃত পক্ষেই ভার্সিটির শিক্ষার্থীদের। ইতি মধ্যেই চলে আসে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেয়া চাইনিজ ডংফেং কোম্পানির দুটো সিএনজি বাস। এদিকে ওয়াজেদ মিয়া ফাউন্ডেশন থেকে দেয়া হয় পুরনো হিনো একে১৭২ মডেলের একটি বাস। আর তাই নিয়ে জমে উঠে ভার্সিটি পরিবহন পুল। এমন কি দেশের লাগাতার ধর্মঘটের সময় যখন ভার্সিটি বাস বলে কিছু একটা আছে তা প্রায় ভুলতেই বসেছিল ভার্সিটির শিক্ষার্থীরা তখনো এগিয়ে আসে এই ইসতিয়াক ভাই ও রনি ভাই। তাদের চাপের মুখে ততকালীন ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ আবারো বাধ্য হয় বাস সার্ভিস চালু করতে। যদিও বা এর জন্য অনেক হুমকি ও ভয় ভিতি তাদের দেখানো হয় কিন্তু কখনোই তারা পিছপা হয় নি, শিক্ষার্থীদের দাবি থেকে। এমন কি এখন কার যে ৭ টার বাস সেটাও ছিল তাদের দাবির অংশ যদিও ভাইয়ারা নিজেরা এর সুফল ভোগ করতে পারেন নাই কিন্তু ভার্সিটি হতে চলে যাওয়ার পূর্বেই তা চালু করে দিয়ে গেছেন আমাদের কে। এই ইসতিয়াক, রনি ও তুষার ভাই এর মাঝে আরেকটি মিল রয়েছে। তারা যেমন রংপুরের সন্তান, তেমনি তারা তিন'ই বর্তমানের ব্যাংকার। ইসতিয়াক ভাইয়া ছিলেন ভার্সিটি ৩য় ব্যাচের মধ্যে প্রথম ব্যাংকার। তিনি আগে ইস্টার্ন ব্যাংকে কর্মরত থাকলেও বর্তমানে আছে ব্রাক ব্যাংকে কর্মরত, তিনি একজন Certified Expert in Anti-Money Laundering and Financial Crime, রনি ভাইয়া আছেন ইউসিবি ব্যাংকে কর্মরত আর তুষার ভাই বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে কর্মরত। তারা শুধু ভার্সিটি বাস নিয়ে নয়, আরো নানান বিষয়ে ভার্সিটি স্থায়ী ক্যাম্পাস গড়তে রয়েছে তাদের অসামান্য অবদান। ভার্সিটি যে ১নং খেলার মাঠ সেটিকেও প্রথম খেলার উপযোগী করা ও খেলা চালু করা তাদের হাত দিয়েই, স্থায়ী ক্যাম্পাসে আল্পনা আঁকার সংস্কৃতি প্রচলন তাদের করা। এমন কি বিজয় সড়ক নামের যে রাস্তা দিয়ে আমরা প্রতিদিন হাটি সেই নামও ইসতিয়াক ভাইয়াদের দেয়া। ভার্সিটিতে প্রথম ১০০% স্পনসর দিয়ে অনুষ্ঠান করা যে সম্ভব তাও প্রথম করে দেখিয়ে গেছেন এই ভাইয়ারা। ততকালীন সময় রবির মত বড় মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী ভাইয়াদের অনুষ্ঠানে যেখানে ১,২০,০০০ টাকা স্পনসর হতে রাজি হতো সেখানে একি অনুষ্ঠান ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ কে জাস্ট ৪০,০০০ টাকা দিয়ে ছিল। আর ভার্সিটিতে যে জারুল ও সোনালু গাছ গুলো ফুল গুলো দেখি তাও এই রনি ভাই, ইসতিয়াক ভাইয়াদের অবদান। ভাইয়ারা আজ ক্যাম্পাসে নেই কিন্তু ক্যাম্পাস টিকে সাজিয়ে দিয়ে গেছেন এই সকল ব্যাক স্টেজের হিরোরা। কখনোই যাদের কে কোন স্টেজে দেখা যায় নি। থেকে গেছেন স্টেজের পিছনেই, করে গেছেন সকলের জন্য। ধন্যবাদ ভাইয়াদের দের কে, তাদের এই সকল অসামান্য অবদানের জন্য। ব্যাক্তি জীবনে তারা আরো সফল হোক, সেই সাথে সুস্থ ও সুন্দর হোক তাদের পথ চলা এই কামনা ভার্সিটির সকল সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে।
27/04/2024
কত শত-সহস্র শিক্ষার্থীর আর্তনাদ এই বাসে চড়ার..! ক'জনেরইবা সৌভাগ্য হয় এই কমলা বাসটাকে নিজের করে নেওয়ার..?
প্রাক্তন লাখো শিক্ষার্থীর স্মৃতি, বর্তমানের হাজারো শিক্ষার্থীর ভালোবাসা আর ছুতে না পারা বহু শিক্ষার্থীর আক্ষেপ রোজ বহন করে চলে এই বাসগুলো।🥀
©️ Utshob (AIS-14)