https://www.facebook.com/Zarin.footwear.bd/
যারীন ফুটওয়্যার এন্ড রাবার ইন্ডাস্ট্রি
এখানে উন্নত মানের সকল প্রকার জুতা পাইকারি বিক্রয় করা হয়।
Imo/ WhatsApp-01719000581
Naldanga Buddhi Protibondhi & Autistic School
https://www.facebook.com/Zarin.footwear.bd/
যারীন ফুটওয়্যার এন্ড রাবার ইন্ডাস্ট্রি
এখানে উন্নত মানের সকল প্রকার জুতা পাইকারি বিক্রয় করা হয়।
Imo/ WhatsApp-01719000581
16/10/2020
আপনি জানেন কি?? ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি কোন ফি দিতে হয় না!!!
08/04/2020
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩১ দফা নির্দেশনাগুলো হচ্ছে—
১) করোনাভাইরাস সম্পর্কে চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ভাইরাস সম্পর্কিত সচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে।
২) লুকোচুরির দরকার নেই, করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
৩) ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী (পিপিই) সাধারণভাবে সবার পরার দরকার নেই। চিকিৎসা-সংশ্লিষ্ট সবার জন্য পিপিই নিশ্চিত করতে হবে। এই রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত পিপিই, মাস্কসহ সব চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত রাখা এবং বর্জ্য অপসারণের ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
৪) কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় নিয়োজিত সব চিকিৎসক, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, অ্যাম্বুলেন্সচালকসহ সংশ্লিষ্ট সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।
৫) যাঁরা হোম কোয়ারেন্টিনে বা আইসোলেশনে আছেন, তাঁদের প্রতি মানবিক আচরণ করতে হবে।
৬) নিয়মিত হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
৭) নদীবেষ্টিত জেলাগুলোতে নৌ অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে হবে।
৮) অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখতে হবে।
৯) পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা। সারা দেশের সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।
১০) আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে দৃষ্টি দিতে হবে। জাতীয় এ দুর্যোগে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ সব সরকারি কর্মকর্তা যথাযথ ও সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন, এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।
১১) ত্রাণ কাজে কোনো ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।
১২) দিনমজুর, শ্রমিক, কৃষক যেন অভুক্ত না থাকেন। তাঁদের সাহায্য করতে হবে। খেটে খাওয়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত তালিকা তৈরি করতে হবে।
১৩) সোশ্যাল সেফটিনেট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
১৪) অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেন স্থবির না হয়, সে বিষয়ে যথাযথ নজর দিতে হবে।
১৫) খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে, অধিক ফসল উৎপাদন করতে হবে। খাদ্যনিরাপত্তার জন্য যা যা করা দরকার করতে হবে। কোনো জমি যেন পতিত না থাকে।
১৬) সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখতে হবে, যাতে বাজার চালু থাকে।
১৭) সাধারণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
১৮) জনস্বার্থে বাংলা নববর্ষের সব অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে যাতে জনসমাগম না হয়। ঘরে বসে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নববর্ষ উদযাপন করতে হবে।
১৯) স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সমাজের সব স্তরের জনগণকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রশাসন সবাইকে নিয়ে কাজ করবে।
২০) সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
২১) জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসন ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন করে দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ করবেন।
২২) সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী যেমন: কৃষিশ্রমিক, দিনমজুর, রিকশা/ভ্যানচালক, পরিবহনশ্রমিক, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, পথশিশু, তালাক/বিধবা নারী এবং হিজড়া সম্প্রদায়ের প্রতি বিশেষ নজর রাখাসহ ত্রাণ সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।
২৩) প্রবীণ নাগরিক ও শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
২৪) দুর্যোগবিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি (এসওডি) যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সব সরকারি কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
২৫) নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের উৎপাদন, সরবরাহ ও নিয়মিত বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া মনিটরিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
২৬) আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত পণ্য ক্রয় করবেন না। খাদ্যশস্যসহ প্রয়োজনীয় সব পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
২৭) কৃষকেরা নিয়মিত চাষাবাদ চালিয়ে যাবেন। এ ক্ষেত্রে সরকারি প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে।
২৮) সব শিল্পমালিক, ব্যবসায়ী ও ব্যক্তিপর্যায়ে নিজ নিজ শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং বাড়িঘর পরিষ্কার রাখবেন।
২৯) শিল্পমালিকেরা শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে উৎপাদন অব্যাহত রাখবেন।
৩০) গণমাধ্যমের কর্মীরা জনসচেতনতা সৃষ্টিতে যথাযথ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের গুজব ও অসত্য তথ্য যাতে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
৩১) গুজব রটানো বন্ধ করতে হবে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নানা গুজব রটানো হচ্ছে। গুজবে কান দেবেন না এবং গুজবে বিচলিত হবেন না।
08/06/2019
অটিজম যুক্ত শিশুদের কিভাবে লেখা শেখাবেন?
বেশীরভাগ অটিজম যুক্ত শিশুদের ভাষাগত সমস্যা দেখা যায়। লেখা ও পড়া এই দুটোই তাদের কাছে এক বড় সমস্যা। এই সমস্যা গুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। হাতের সঞ্চালনগত ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও নিয়মিত লেখার অভ্যাস করে এই সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
নিম্নলিখিত পদ্ধতির দ্বারা অটিজম শিশুর লিখন পদ্ধতি উন্নত করা যেতে পারে।
১) শিশুকে শেখাতে হবে কিভাবে সে পেনসিল বা পেন সঠিক পদ্ধতিতে ধরবে- শিশুকে লেখা ও পড়ার কাজে যুক্ত করার আগে এই কাজটি অভিভাকদের করতে হবে। প্রথমে আপনি নিজে একটি পেনসিল ধরুন ও আপনার শিশুর সামনে কোনো খাতায় পেনসিল দিয়ে লিখে দেখান। এবার আপনি পেনসিল টি আপনার শিশুর হাতে সঠিক ভাবে ধরিয়ে দিন ও তার হাত ধরে আপনার লেখাটির ওপর হাত ঘুরিয়ে দিন। এটা যত দ্রুত সম্ভব শেখান। বেশীরভাগ চাইল্ড ৪ বছর বয়সের মধ্যেই সঠিক ভাবে পেনসিল ধরতে শিখে যায়।
২) আঙ্গুল ও হাতের পেশির শক্তি বৃদ্ধির জন্য Squeeze এক্সারসাইজ করান- এক্ষেত্রে স্ট্রেস বল ও প্লে-ডো এর কাজের মাধ্যমে আঙুলের শক্তি বাড়ানো যেতে পারে। খুবই হালকা বস্তু দিয়ে কাজ শুরু করুন ধীরে ধীরে কঠিন বস্তু ব্যবহার করে আঙুলের এক্সারসাইজ করান। কাদা মাটি দিয়ে বিভিন্ন বস্তু বানানো আটা মাখা, ছোট বোতলে চাল ঢালা, পুঁথি গাঁথা, গাছের পাতা ছেঁড়া এসব কাজ করান।
৩) আঁকার কাজের বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহারের মধ্য দিয়ে শিশুর হাতের সঞ্চালন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। চক, পেইন্টস, মার্কার, ক্রায়নস, কালারিং বুক, ষ্ট্যাম্প এসবের দ্বারা শিশুকে স্বাধীনমতো কোন কিছু আঁকতে দিন যা হবে খুবই সহজ।
৪) উল্লম্ব পৃষ্ঠতলের উপর পেইন্ট করতে বা আঁকতে দিন। উল্লম্ব সারফেসে কাজ করলে পেশি ও কব্জির সঞ্চালন ক্ষমতার বিকাশ ঘটে যা অটিজম শিশুর লিখন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৫) হাতের সঠিক অবস্থানের জন্য পেনসিল গ্রিপ ব্যবহার করুন- যদি শিশুর পেনসিল ধরতে সমস্যা হয় সেক্ষেত্রে পেনসিল গ্রিপ ব্যবহার করুন। বিভিন্ন ধরনের পেনসিল গ্রিপার রয়েছে। আপনার শিশু যেটাতে আরামদায়ক অনুভব করে সেটি ব্যবহার করুন। এছাড়া বিভিন্ন বিশেষ ডিজাইন করা পেনসিলও পাওয়া যায় সেটাও ব্যবহার করতে পারেন। শিশুকে লেখার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করার জন্য এই সমস্ত উপকরণ গুলো ব্যবহার করতে হবে।
৬) শিশুকে বিভিন্ন শেপস কপি করতে দিন। প্রথমে শিশুকে একটি খাতায় লাইন টানতে বলুন নিজের ইচ্ছে মত। তারপর বিভিন্ন আকারের লাইন টানতে বলুন। খুব ধীরে ধীরে এই কাজটি করুন। প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট এভাবে কপি করতে দিন। তারপর বড় আর্ট পেপারে লাইন টানতে বলুন ও বিভিন্ন আঁকার কপি করতে দিন।
৭) যে সকল শিশু টাচ করতে ভালোবাসে তাদের ক্ষেত্রে আঙ্গুল দিয়ে লেটার লিখতে শেখাতে হবে। যেমন- শেভিং ক্রিম থালায় ঢেলে তার মধ্যে বিভিন্ন লেটার লেখানো আবার গলা আটা বা বালির ব্যবহার করেও এই কাজটি করা যেতে পারে। এতে শিশুর লেখার প্রতি আগ্রহ বাড়ে।
৮) ডট জয়েনিং অ্যালফাবেট ওয়ার্কশীট ব্যবহার করুন। ওয়ার্কশীট কিনে তাতে শিশুকে দিয়ে নিয়মিত ডট জয়েনিং অভ্যাস করান। বিভিন্ন ধরনের লাইন ট্রেসিং অ্যালফাবেট ট্রেসিং ওয়ার্কশীট পাওয়া যায় সেগুলো ব্যবহার করুন।
৯) বড় বড় অক্ষর দিয়ে শব্দ লিখুন। বড় অক্ষরে শব্দগুলো শিশুর মনে শব্দটির গঠন সম্পর্কে সহজেই ধারনা সৃষ্টি করে। শিশুকে প্রথম যে শব্দের সাথে পরিচয় করাবেন সেই শব্দটি যেন তার পছন্দের কোন শব্দ হয়। যেমন কোন প্রিয় খাবার বা প্রিয় কোন বস্তুর নাম।
১০) শিশুকে তার আগ্রহের বিষয় লিখতে বলুন। যদি দেখা যায় চাইল্ড লিখতে পারে কিন্তু লিখছে না লেখার কোন আগ্রহ নেই এই সময় তার প্রিয় কাজটির সম্পর্কে কথা বলুন। কথার ছলে তাকে বলুন সেই বিষয়টি লিখে দেখাতে যদি সে লিখে দেখায় তাহলে আপনি তাকে একটি গিফট দিবেন। যেমন ধরা যাক শিশুকে তার প্রিয় পাখিটির নাম বলতে বলুন। সে নাম বললে এবার তাকে সেই পাখির নামটি লিখতে বলুন। তারপর সে এর মধ্যে অন্য কি পাখি দেখেছে তা জিজ্ঞেস করুন। সেই পাখির নামটিও লিখতে বলুন। এভাবে বিশেষ আগ্রহের বিষয় দিয়ে শিশুকে লেখার ক্ষেত্রে আবার আগ্রহী করে তোলা যায়।
১১) সেন্সরই সমস্যাগুলো খেয়াল রাখুন। অটিজম শিশুর অভিভাবকরা শিশুর সেন্সরই সমস্যাগুলো বেশীরভাগই খেয়াল রাখে না পড়ানোর সময়। মনে রাখতে হবে আমাদের শিশুরা বিশেষ শিশু আর অটিজম শিশুদের সেন্সরই সমস্যা বেশি। তাই তাদের জন্য একটু আলাদা ব্যবস্থা করতে হবে। ঘরের একটা শান্ত পরিবেশ বেঁছে নিন। যেখানে পর্যাপ্ত বাতাস ও আলো থাকে। যদি চারপাশে শব্দ থাকে তবে সফট মিউজিক ব্যবহার করুন আশেপাশে যেন কোন দুর্গন্ধ না থাকে বা যা শিশু সহ্য করতে পারেনা তা যেন না থাকে।
১২) মৌখিক নির্দেশ অনেক অটিস্টিক শিশু বুঝতে পারে না। এক্ষেত্রে ভিসুয়াল উপকরণ সামনে রাখতে হবে ও তা দেখিয়ে নির্দেশ দিতে হবে।
১৩) প্রতিদিনের রুটিনে লেখার কাজ রাখতে হবে। অটিস্টিক শিশুরা নিয়ম মত একটা নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলতে ভালোবাসে তাই তাদের প্রতিদিনের কাজে লেখার কাজ রাখা জরুরী। দেখা গিয়েছে দুপুরে খাবার আগে বা পরে অটিজম শিশুকে দিয়ে যদি লেখানোর কাজ করানো যায় তাহলে তারা আগ্রহের সাথে সেই কাজ করে। শিশুর উপর লেখার জন্য চাপ সৃষ্টি করবেন না। যদি সে লিখতে না চায় কোন মুহূর্তে সেক্ষেত্রে তার পছন্দের কাজ করান।
উল্লিখিত পদ্ধতির ব্যবহারের পরেও যদি শিশুর লেখার ক্ষেত্রে সমস্যা থেকে যায় তবে তার জন্য কোন ভালো অকুপেশনাল থেরাপিস্ট এর পরামর্শ নিন।
09/04/2019
প্রতিবন্ধী স্কুলগুলোকে অনুমোদন দেওয়ার আহ্বান | BD Autistic School | Somoy Tv "SOMOY TV" is the Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh ==================== Somoy TV has the sole rights of all con...
30/03/2019
মানুষ কত টা অসহায় যখন মানুষের কাছাকাছি না গেলে বোঝা যায় না,আমাদের স্কুলের ছাএ মহাসিন অনেক দিন ধরে অসুস্থ তাকে দেখতে গিয়ে বুঝতে পারলাম।একই পরিবারের তিন ছেলে মেয়ে তিনজনই যখন প্রতিবন্ধী একজন দৃষ্টি,বাক,ও মানসিক বাবা ভ্যান চালক মা গৃহিনী সামন্য আয়ে তার সংসার চলে এই আয়ে, ছেলে মেয়েদের শিক্ষা, চিকিৎসা তো দুরের কথা তারা তিন বেলা খাইতে পারে না , তাদের ও বুক ভরা স্বপ্ন আছে আমাদের মতো,আমাদের সমাজে অনেক বৃওবান ও ভাল মানুষ আছে তারা যদি এগিয়ে আসে, তাহলে এই অসহায় প্রতিবন্ধী ছেলে মেয়েদের কে সহযোগিতা করলে তাদের মুখে হাসি ফুটানো যাবে ☆ তারাও একদিন সমাজে মাথা উচু জরে দাড়াতে পারবে। # আমার পাশে শ্রদ্ধোয় #রকিব ভাই,সে আমাকে নিয়ে বের হয়ে ছিল প্রতিবন্ধী ছেলে মেয়েদের কে দেখার জন্য তার উদার মন মানসিকতা, দেশ প্রেম, সহযোগিতায় আমাকে মুগ্ধ করে আল্লাহ তাকে দীর্ঘ জীবি করুক এই প্রতিবন্ধী ছেলে মেয়েদের বেশি করে সেবা করার তৌফিক দান করুক।। আমিন
29/03/2019
05/02/2019
#আজ ................... দৈনিক মাতৃছায়া পত্রিকায়................আমাদের স্কুল ......নিউজ ।।। ধন্যবাদ, দৈনিক মাতৃছায়া সম্পাদক মহোদয় ও নিবাহী সম্পাদক হাসান হাবিব তালুকদার এবং ক্রাইম চীফ ময়নুল কে।।।🌱🌱
তাং- ০৫/০২/১৯
24/01/2019
প্রবীণ ব্যক্তিদের শান্তির আবাসস্থল হতে পারে শিশুদের সাথে...
18/01/2019
Nothing is Impossible !
13/01/2019
আমি খুশি হচি, আজ নতুন কম্বল গায়ে দিয়ে থাকব ।
প্রথম আলো ট্রাষ্টের উদ্যোগে নলডাঙ্গা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে কম্বল বিতরণ ।
13.01.19
| Monday | 08:30 - 16:00 |
| Tuesday | 08:30 - 16:00 |
| Wednesday | 08:30 - 16:00 |
| Thursday | 08:30 - 16:00 |
| Sunday | 08:30 - 16:00 |