28/08/2015
http://www.ahcaf.org/contact-us/
Contact Us - AHCAF
If you would like to get in touch with the web administrator of this website please email him in the email listed below and remove all the 4s from the email to not have any spam [email protected]
24/08/2015
পাসপোর্ট করার সহজ নিয়মাবলী।
(Passport process for Bangladesh)
-----------------------------------------------
পাসপোর্ট (Passport) ছাড়া আপনি কি নিজকে বাংলাদেশী নাগরিক ভাবতে পারেন। নিজের পাসপোর্ট (Passport) থাকা জরুরী। পত্রিকা পড়ে অনেকের পাসপোর্টকরা নিয়ে ভিতি ভাব আছে । অফিসিয়াল ব্যাপারগুলো আত্মবিশ্বাসের সাথে করলে একটা না একটা উপায় সহজভাবেই বের হয়ে আসে। বর্তমানে অনলাইনে পাসপোট (Passport) ফরম জমা দিলে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় না । পরে নিধারিত সময়ে দালালের খপ্পড় বা পাসপোর্ট (Passport) অফিসের কারো কোন সমস্যার ছাড়াই একদম সরাসরি যেয়ে ছবি তুলে ও ফিঙ্গারিং করা যায়। এতে অনাহুত খরচের বালাই নেই।
যারা অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য ব্যাপারটাকে আরো সহজ করে তোলার জন্য এই পোস্ট। আপনিও খুব সহজেই পারবেন। কারণ অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) পাওয়া অনেক অনেক সহজ একটা কাজ যদি একটু জানা থাকে । পাসপোর্ট (Passport) হাতে পাওয়াসহ সব মিলিয়ে আপনাকে মাত্র তিনদিন যেতে হবে ।আর সাথে টুকিটাকি যদি জানা থাকে তাহলে আর কথাই নেই ।
আসেন, একদম শুরু থেকে শুরু করি অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) ফর্ম পূরণ করা এবং পরের ধাপের কাজগুলো নিয়ে।
প্রথম ধাপ : ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া।
সোনালী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় পাসপোর্ট (Passport) আবেদনের ফি হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। রেগুলার ফি ৩০০০/- টাকা ( ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) আর ইমারজেন্সি ফি ৬০০০/- টাকা ( ১৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) ।
প্রথমেই টাকা জমা দেয়া প্রয়োজন এই কারণে যে , অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং জমাদানের রিসিটের নাম্বারউল্লেখ করার প্রয়োজন হবে। তাই টাকা আগে জমা দেয়া থাকলে একবারেই ফর্ম পূরণ করা হয়ে যাবে।
টিপস
-ভুলেও আবার আগারগাঁও সোনালী ব্যাংকের শাখায় গেলে – – – – – । সোনানী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় বেশ দ্রুত টাকা জমাদেয়া যায় , কারণ এইখানে ভিড়টা কম । আপনার সুবিধামত সোনালী ব্যাংকের শাখায় / ব্রাঞ্চে টাকা জমা দিয়ে রিসিট বুঝে নিন ।
লাইনে দাঁড়ালে ব্যাংকের কাজ শুরুর আগেই ব্যাংকের লোকজন রিসিট দিয়ে যাবে। বা নিজেই টাকা দেয়ার রিসিট সংগ্রহ করে নিন । রিসিট পেলেইংরেজি ব্লক লেটার স্পষ্টভাবে পূরণ করুন। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন।
(আমি যখন টাকা জমা দিয়েছিলাম , তখন আগারগাঁও ব্রাঞ্চ এ টাকা জমা নিত , এখন খোঁজ নিয়ে দেখলাম সেখানে টাকা জমা নেয়া বন্ধ ! এছাড়াঅনলাইনে যেসব ব্রাঞ্চের লিস্টগুলো আছে , তার অনেকগুলোতেই টাকা জমা নেয় না । তাই ঢাকায় থাকলে কলেজ গেইট ব্রাঞ্চেই যাওয়া বেটার)
দ্বিতীয় ধাপ – অনলাইনে ফর্ম পূরণ
অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমেই যান পাসপোর্ট (Passport) অফিসের এই সাইটে – http://www.passport.gov.bd/ । নির্দেশনা ভালোভাবে দেখুন , সতর্কতার সাথে একাউন্ট করুন ।আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি ( যেমন নামের বানান, প্যারেন্টস এর নাম ) যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের মতই হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নাম্বার উল্লেখ করুন।
সবশেষে আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেইদিনটা নির্বাচন করে সাবমিটকরুন। অর্থ্যাৎ আপনি নিজের পছন্দসই সময়েই যেতে পারছেন ! ব্যাপারটা খু্বই মজার না !
পুনরায় চেক করার পর সবশেষে সাবমিট করুন । সফলভাবে সাবমিশন শেষ হলে পূরণকৃত ফর্মের একটি পিডিএফ কপি আপনার মেইলে চলেআসবে । এইধাপ এইখানেই শেষ।
টিপস 1
– অনলাইনে একাউন্ট খোলার পরপরই আপনাকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেবে । সেটা সংরক্ষণ করুন। আর ছবিতোলার জন্য যেদিন সময় দেবেন সেদিনটা ফ্রি রাখবেন। সময় লাগতেও পারে এই দিনে যদি মানুষ বেশী হয় ।
তৃতীয় ধাপ
– জমা দেয়ার আগে ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন আপনার পূরণকৃত ফর্মের যেই পিডিএফ কপিটা পেয়েছেন, সেটার ২ কপি কালার প্রিন্টকরে ফেলুন। যেসব জায়গা হাতে পূরণ করতে হবে সেগুলো করে ফেলুন । আপনার সাইন দিন। এবার নিজের চারকপি ছবি , জাতীয় পরিচয়পত্রেরফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিন। পরিচিত কাউকে দিয়ে সসত্যায়নকরানো দরকার এই কারণে যে, ঐ কর্মকর্তার নাম , যোগাযোগ ও ফোন নাম্বার ফর্মে লিখতে হয়। সত্যায়ন শেষে পুরো ফর্মটি রিচেক করুন।
সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফর্মের সাথে যুক্ত করুন। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটি নিন। আপনার ফর্ম জমাএখন দেয়ার জন্য প্রস্তুত।
টিপস 2
– ফর্মের প্রিন্ট করার সময় এক কপি এক্সট্রা করুন। ব্যাকআপ থাকা ভালো । আমার প্রথম পেজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শেষ সময়ে ব্যাকআপকপির প্রথম পেইজ দিয়ে দিয়েছি।
ছবি দুই কপি লাগলেও এক্সট্রা দুই কপি করিয়ে রাখা ভালো , পাসপোর্ট অফিসে চেয়ে বসে মাঝে মাঝে। একই কথা জাতীয় পরিচয়পত্রেরব্যাপারেও।
চতুর্থ ধাপ
– ছবি তোলা এবং অন্যান্য আপনার নির্বাচন করা তারিখে সকাল সকাল পাসপোর্ট অফিসে চলে যান । অবশ্যই সাদা পোষাক পরবেন না, ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
সকাল ৯ টার দিকে গেলেই হবে। কোন লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনাকে । সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে যান। সেখানে দায়িত্বরত সেনাসদস্যকে জিজ্ঞেস করুন কোন রুমে যাবেন ।
প্রথমে আপনাকে আটতলায় যেয়ে ফর্ম দেখিয়ে আনতে হবে। খুবই অল্প সময়ের কাজ । ৮০৩ নাম্বার রুম । সিরিয়াল নেবেন। এবার ৮ তলারথেকে আসতে বলবে ৩ তলায় । সেখানে এসেই আসল কাজ । প্রথমে আপনার ফর্মটি চেক করবে এবং সাইন করে দেবে। সাইন শেষে আপনাকেজানিয়ে দেয়া হবে ছবি তোলার জন্য কোন রুমে যাবে। ঐ রুমগুলো ঠিক পাশেই। সিরিয়াল আসলে ছবি তুলুন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিন। ব্যস , কাজ শেষ !
এবার আপনাকে পাসপোর্ট (Passport) রিসিভের একটা রিসিট দেবে। সেটা যত্ন করে রাখুন । পুলিশ ভেরিফিকেশান সাপেক্ষে, রিসিট পাওয়ার একমাস বা ১৫দিনের মধ্যেই আপনি পাসপোর্ট পাবেন ।
আমার টিপস
– আবারো বলছি, সাদা পোষাক পরবেন না , ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
আর সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপিসহ সত্যায়িত কপিগুলো নিয়ে যান। তিনতলায় যেয়ে সেখানকার সেনাসদস্যের কাছ থেকে দেখিয়ে নিশ্চিতহয়ে নিন , সব সংযুক্তি ঠিক আছে কিনা। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন। আঠা, স্ট্যাপলার, এক্সট্রা ছবিও সাথে রাখুন।
আর যারা সরকারী কর্মকর্তা বা শিশুসহ যাচ্ছেন , তাদের কিছু আলাদা কাগজ লাগবে । সেটার জন্য নির্দেশনা দেখুন । কিংবা ৮০৩ এ যোগাযোগকরুন।
পঞ্চম ধাপ
– পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট (Passport) রিসিভ ডেট ( টিপস সহ)
পুলিশ ভেরিফিকেশানই আমার কাছে ঝামেলার মনে হয়েছে। যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয় , তবে দুই জায়গাতেই আপনারভেরিফিকেশান হয়ে থাকে। পুলিশের এস বি ( স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এই কাজটা করে থাকে।
এবং এইটা করতে যেয়ে পুলিশ বখশিশ হিসাবে টাকা চেয়ে বসে। খুবই ইরিটেটিং একটা ব্যাপার । সেটা ৫০০-১০০০ পর্যন্ত হতে পারে !!!!!
তবে স্ট্রিক্ট থাকলে এটা এড়ানো সম্ভব। আপনি কীভাবে তাদের ফেইস করছেন সেটার উপর নির্ভর করে। সরাসরি বলে দিতে পারেন যে, এইটাআপনার দায়িত্ব, তো টাকা দেয়ার প্রশ্ন কেন। কিংবা বলতে পারেন যে, আপনি ছাত্র , টাকা দেয়া সম্ভব না । ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি !
যাই হোক, ভেরিফিকেশান শেষ হলে আপনার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহকরতে পারবেন।
ব্যস, এইবার পাসপোর্ট হাতে নেয়ার পালা।
ষষ্ঠ ধাপ –পাসপোর্ট সংগ্রহ
এইখানে কাজ সহজ । পাসপোর্ট (Passport) অফিসে চলে যান। লাইনে দাঁড়ান।
সাথে রিসিট আর কলম রাখুন । ৯ টার দিকে গেইট খুলবে। লাইন ধরে প্রবেশ করুন। রিসিট জমা দিন। অপেক্ষা করুন।
এবার আপনার নাম ডাকবে । সাইন করুন , বুঝে নিন আপনার পাসপোর্ট ।
টিপস 3
– হাতে পেয়েই সবার আগে চেক করুন আপনার ইনফোগুলো ঠিক এসেছে কিনা। নিজের এবং পিতামাতার নাম, ঠিকানা এবংঅন্যান্যসব তথ্যগুলো মিলিয়ে নিন।
এই হচ্ছে একটি ঝামেলাবিহীন পাসপোর্টের (Passport) আত্মকাহিনী বা আমি যেভাবে খুব সহজেই পাসপোর্ট পেলাম এর আদ্যোপান্ত । আশা করি কাজেলাগবে।
সবার জন্য শুভকামনা। হ্যাপি পাসপোর্টিং (Passport) !
সংযুক্তি –
০১) আপনার বর্তমান ঠিকানা যদি ঢাকা হয় , তাহলে এখান থেকেই পাসপোর্ট (Passport) করতে পারেন । আলাদা করে দেশের বাড়ির জেলা অফিসে যাওয়ারপ্রয়োজন হবে না।
০২) ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য যে স্লিপ লাগে , সেখানে আলাদা একাউন্ট নম্বরের প্রয়োজন নেই ।নতুন পাসপোর্ট করা বা রিনিউ এর জন্যআলাদা স্লিপই থাকে ।
০৩) GO: Government order
NOC: NO Objection Certificate
PDS: Proof of retired Date
সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবীরা এই ঘর পুরণ করবেন। সরকারী কর্মকর্তাদের পাসপোর্ট নীল রঙের । পুলিশ ভেরিফিকেশান এর ঝামেলা নাই ।
23/08/2015
২৩ হাজার তরুণ পাবে আইটি প্রশিক্ষণ, নিবন্ধন শুরু
______________________________________________
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘স্কিলস ফর এম্লয়মেন্ট ইনভেস্ট প্রোগ্রাম (এসইআইপি)’-এর আওতায় বিনামূল্যে সারাদেশের ২৩ হাজার তরুণকে তথ্য ও প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্ষি হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দিবে বেসিস। তিন বছরের এ প্রকল্পে চলতি বছর ৫ হাজার ও এর পরের দুই বছর ৯ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন (বেসিস)। প্রকল্পটির ব্যবস্থাপনার দ্বায়িত্বে রয়েছে বেসিস ইনিস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)।
প্রশিক্ষণের বিষয়: ওযেব ডিজাইন, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজাটাল মার্কেটিং, প্রাকটিক্যাল এসইও ও অ্যাফিলিয়েটেড মার্কেটিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: নূন্যতম স্নাতক অথবা ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
প্রশিক্ষণের মেয়াদ: ২ থেকে ৩ মাস।
বিস্তারিত: বেসিস ইনিস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম), বিডিবিএল ভবন, ১২ কারওয়ান বাজার, ঢাকা। ফোন: ০৯৬১২৩২২৭৪৭, ই-মেইল: [email protected]
Details : www.bitm.org.bd/seip/registration
17/08/2015
অনলাইনে এখন জাতীয় পরিচয়পত্রের সবকিছু- এ সম্পর্কে জেনে নিন কিছু তথ্য|
(national identity card bd is now online)
--------------------------------------------------------------------
এখন থেকে অনলাইনেই জাতীয় পরিচয়পত্রের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা যাবে। জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন আবেদন, হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া পরিচয়পত্র নতুন করে তোলা, ছবি বা স্বাক্ষর পরিবর্তনের আবেদন সবকিছু হবে এখন এক ক্লিকেই।নির্বাচন কমিশনের https://services.nidw.gov.bd/ এই ওয়েবসাইটে গিয়ে এখন ঘরে বসেই সবকিছু করতে পারবেন ইন্টারনেট ব্যবহারকারিরা। পাশপাশি বিদ্যমান প্রক্রিয়াও অব্যাহত থাকবে।বুধবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ভাবে এর উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ।এসময় কাজী রাকীব উদ্দিন বলেন, আমরা ডিজিটাল কার্যক্রমে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলাম। সবাই এখন এই সেবা ভোগ করবেন তা নয়। কারণ সবার ইন্টারনেট সুবিধা নেই। কিন্তু যারা আগ্রহী বা যাদের ইন্টারনেট সুবিধা আছে তাদের জন্যই নতুন এই সেবা।যে সব সেবা পাওয়া যাবে…
১. নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন আবেদন
২. নিবন্ধনের মাধ্যমে নিজের হিসাব খোলা
৩. নিজস্ব তথ্য ও ভোটার কেন্দ্রের তথ্য
৪. তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন ও হালনাগাদ
৫. ছবি পরিবর্তন
৬. হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র
হোম
ভোটার তালিকা হালনাগাদ একটি চলমান প্রক্রিয়া। যিনি বাংলাদেশের নাগরিক, সচরাচর কোন এলাকায় বসবাস করেন কিন্তু এখনও ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হননি এবং আপনার বয়স যদি ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারী বা তার পূর্বে ১৮ বছর হয়ে থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে আপনার এলাকার সিডিউল মোতাবেক ফরম-২ পূরণ…
14/08/2015
Two easy ways to keep the house free of mosquitoes: ঘরকে মশা মুক্ত রাখুন ২টি সহজ উপায়ে।
এখন এমন একটা সময় কখনো বৃষ্টি আবার কখনো গরম। গ্রীষ্মের এই সময়ে গরমের প্রভাব অতিরিক্ত হয়ে থাকে। গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি বিরক্তিকর উপদ্রবও বাড়তে থাকে। এই বিরক্তিকর উপদ্রবটি হচ্ছে মশা (Mosquitoes)। অতিরিক্ত গরমের সঙ্গে এই মশার (Mosquitoes) যন্ত্রণার কারণে মশারির ভেতরে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে।
মশার কয়েল, মশা (Mosquitoes) মারার স্প্রে কোনো কিছুতই যেন মশা দূর করা যায় না। যদি মশার কয়েল বা স্প্রে শেষ হয় তাহলে তো কথাই নেই। আপনার ঘুম হারাম হয়ে যাবে সে রাতের জন্য। কিন্তু খুব সহজেই এই মশার (Mosquitoes) যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
আগেকার যুগে মশার কয়েল বা স্প্রে না থাকলেও মশা (Mosquitoes) কিন্তু ঠিকই ছিল। তখনকার মানুষ কি করতেন মশার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে? জানলে অবাক লাগবে প্রকৃতিতেই রয়েছে এই মশা (Mosquitoes) থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায়। ভাবছেন কেমন করে? জেনে নিন কি সেই প্রাকৃতিক কার্যকরী উপায় যার মাধ্যমে ঘরকে রাখতে পারবেন একেবারেই মশা মুক্ত(House free of mosquitoes)।
# লেবু ও লবঙ্গের ব্যবহার
একটি গোটা লেবু খণ্ড করে কেটে নিন। এরপর কাটা লেবুর ভেতরের অংশে অনেকগুলো লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা শুধুমাত্র মাথার দিকের অংশ বাইরে থাকে এমনভাবে লবঙ্গ গেঁথে দিন। এরপর লেবুর টুকরোগুলো একটি প্লেটে রেখে ঘরের কোণায় রেখে দিন।
ব্যস, এতেই বেশ কয়েকটা দিন মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত (House free of mosquitoes) থাকতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে ঘরের মশা (House free of mosquitoes) একেবারেই দূর হয়ে যাবে। আপনি চাইলে লেবুতে লবঙ্গ গেঁথে জানালার গ্রিলেও রাখতে পারেন। এতে করে মশা (Mosquitoes)ঘরেই ঢুকবে না।
# কর্পূরের ব্যবহার
মশা (Mosquitoes)কর্পূরের গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারে না। আপনি যেকোনো ফার্মেসিতে গিয়ে কর্পূরের ট্যাবলেট কিনে নিতে পারেন। একটি ৫০ গ্রামের কর্পূরের ট্যাবলেট একটি ছোটো বাটিতে রেখে বাটিটি পানি দিয়ে পূর্ণ করুন। এরপর এটি ঘরের কোণে রেখে দিন। তাৎক্ষণিকভাবেই মশা (Mosquitoes)গায়েব হয়ে যাবে। দুদিন পর পানি পরিবর্তন করুন। আগের পানিটুকু ফেলে দেবেন না। এই পানি ঘর মোছার কাজে ব্যবহার করলে ঘরে পিঁপড়ের যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি (House free of mosquitoes) পাবেন।
তাহলে আজ থেকে শুরু করুন একটি ভাল আভ্যাস আর জানান আপনার কাছের মানুষদের যারা মশা উপদ্রব থেকে বাঁচার এই সহজ পদ্ধতিটি জানে না ।।
13/08/2015
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory) কিভাবে কাজ করে?
How Cache Memory works (Lang: Bangla) ক্যাশ মেমোরি কিভাবে কাজ করে
A short brief on How cache memory works in our computer. More about cache: http://en.wikipedia.org/wiki/Cpu_cache
09/07/2015
যারা বাইক কিনার জন্য নিজের বাবা মা কে চাপ দেন প্রতিনিয়ত... এই লেখা টা তাদের উদ্দেশে >>
রাতে খাওয়ার পর বাবার সামনে দাঁড়িয়ে কাঁচুমাচু করে বলেই ফেলে,
" বাবা, আমার একটা এন্ড্রোয়েড লাগবে ! "
" দাম কত এ ফোনের ? "
" পনের বিশ হাজারের মতো ! "
দাম শুনে বড় একটা ধাক্কা খেলেও ছেলেকে বুঝতে দেন না বাবা ... তবু ছেলে খুশী থাক। ছেলেকে জাতে উঠাতে গিয়ে নিজে সেধে খাদে নামেন বাবা ...
মধ্যবিত্ত বাবাদের জুতোর তলা সবসময় ইতিহাসের সাক্ষ্য দেয় ...
ক্ষয়ে ক্ষয়ে ... সয়ে সয়ে ...
প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার পথে বাটার দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় নিজেকে স্মরণ করিয়ে দেন বাবা ... "চার বছর হয়ে গেলো, এ জোড়া জুতোকে এবার মাফ করা দরকার।"
জুতো কিনবো কিনবো করে ছোট ছেলের সেমিস্টার ফাইনাল চলে আসে, তিরিশ পঁয়ত্রিশ হাজার টাকার ব্যাপার... কিংবা ভার্সিটির ভর্তি কোচিং... নিজেকে বলেন, "ছেলের ক্যারিয়ার সবকিছুর আগে!"
অতঃপর আরও একবার প্রাগৈতিহাসিক জুতো জোড়া নিয়ে জুতোর ডাক্তারের কাছে দৌড়ায় মধ্যবিত্ত বাবা ... সে জুতো দেখে মুচিও নাক কুঁচকায় ...
"এ জোড়ায় আর কত বেলা যাবে, স্যার ? পকেটটা একটু খুলেন !"
শুনে যায় বাবা। কিছু বলে না। ছেলেটা সকালে টাকা নিয়ে গেলো... শীত এসেছে, জুতো কিনবে।
কি যেন নাম! কনভাস না ক্যানভাস ... যে ক্যানভাসে ছবি আঁকে, সে ক্যানভাস আবার কখন মানুষের পায়ের কাছে পৌঁছে গেলো, ভেবে পান না বাবা ...
মধ্যবিত্ত বাবাদের অবশ্য বুঝতে হয় না কখনো ... একটু আধটু বুঝতে গেলে বৌ, ছেলে কিংবা মেয়ের ধমক জোটে কপালে "তুমি আমার চেয়ে বেশী বোঝো ?"
মধ্যবিত্ত বাবারা তাই অবুঝের মতো দিয়ে যান ...
এভাবে দিতে দিতে একদিন বুকের বামপাশের ব্যাথাটা জেগে উঠে ... অবহেলায় অবহেলায় একদিন এনজিওগ্রাম করান বাবা ...
ধরা পড়ে, হার্টে নাকি জ্যাম, ব্লক টক ... !
রিং পড়াতে হবে ... সারাজীবন জ্যাম ঠেলে বাসে ঝুলে
হার্টেও জ্যাম লেগে যায় মধ্যবিত্ত বাবার ...
ঠিক যে মুহূর্তে নিজের হার্টে রিং পড়ানো নিয়ে টেনশন করা দরকার ... বাবার টেনশন লাগে মেয়েকে "রিং" পড়ানো নিয়ে ... তিনি মারা গেলে মেয়েটার বিয়ে দেবে কে?
রাজকন্যা ধরে আনে এক রাজপুত্রকে। সে রাজপুত্রের আবার ভীষণ ক্ষিদে ...
ঘর সাজানোর পাশাপাশি রাজপুত্র টুয়েন্টি টু ক্যারেটের ডায়মন্ডের আংটি আবদার করে ...
মেয়েও বলে, "দাও না, বাবা ! একটাই তো মেয়ে জামাই তোমার !"
রাজকন্যার রাজপুত্রকে ডায়মন্ডের রিং পড়াতে গিয়ে নিজের হার্টের রিং পড়ানোকে টঙ্গের ওপর তুলে রাখে মধ্যবিত্ত বাবা ... একটাই তো জামাই। বিয়ে হয় মহা ধুমধামে ... হাজার মানুষ মিলে গান্ডে পিণ্ডে খায়, হলুদে ব্যান্ড পার্টি আসে, লাল সুতো বের হয় বাবার ... তবু হাসিটা ধরে রাখেন ... !
তারপর একদিন ... সেই মুহূর্তটা আসে ... ব্যাথাটা জেগে উঠে ...
অবাক হন না বাবা ... জানতেন, অবহেলার শোধ নেয়া হবে ...
বেশীরভাগ সময় হাসপাতালের পথে থাকতে চোখ বন্ধ করেন বাবা, আর না হলে আইসিইউতে নিভে যায় সূর্যটা ... কিছু না বুঝেই ...
মধ্যবিত্ত বাবাদের হয়তো বুঝতে হয় না ... তাদের কাজ হল দিয়ে যাওয়া ... মধ্যবিত্ত বাবারা হলেন চলমান সুপার স্টোর। অ্যাগোরার জায়গায় বাবাদের বসিয়ে দিলেই হয় ...
মধ্যবিত্ত বাবারা সূর্য হন ... রোদ দেন ... আবার গাছকে টেনে তুলে ছায়া দেন, অক্সিজেন দেন।
আমরা সেই সূর্যের খেয়ে পড়ে চোখে একটা রোদচশমা লাগাই সূর্য থেকে পালাবার জন্য।
বোঝা যায় না ...
কিন্তু যেদিন দপ করে সূর্যটা নিভে যায়, সেদিন বোঝা যায় সূর্যগ্রহণ কাকে বলে ... !!!
Courtesy: ওয়ারিশ আজাদ নাফি
19/05/2015
জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা-২০১৫
উপলক্ষ্যে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে
(বেরোবি) চলছে উৎসবের আমেজ। দেশের মোট
আটটি অঞ্চলে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
(বেরোবি)আটটি অঞ্চলের মধ্যে একটি।
২ মে শুরু হওয়া রেজিস্ট্রেশন চলবে বুধবার (২০ মে)
পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা
পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চলবে জানিয়েছেন
সংশ্লিষ্টরা। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
বিভাগের অধীনে সারাদেশের মতো রংপুর
অঞ্চলেও এ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন
করা হচ্ছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের
মধ্যে বিজ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে এ ব্যতিক্রমী
আয়োজন। প্রোগ্রামিংয়ের পাশাপাশি থাকছে
কুইজ প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতায় জুনিয়র (ষষ্ঠ-
নবম) এবং সিনিয়র বিভাগে (দশম-দ্বাদশ ও
পলিটেকনিক ৪র্থ সেমিস্টার) শিক্ষার্থীরা অংশ
নিচ্ছেন। এদিকে, কুইজ প্রতিযোগিতায় জুনিয়র (ষষ্ঠ-
অষ্টম), মাধ্যমিক (নবম-এসএসসি) এবং উচ্চ মাধ্যমিক
(একাদশ-এইচএসসি ও পলিটেকনিক) বিভাগে
শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এর কম্পিউটার
সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে
প্রতিযোগিতার রেজিস্ট্রেশন চলছে।
রেজিস্ট্রেশনের জন্য কোন ফি নেই।
রেজিস্ট্রেশনের জন্য শিক্ষার্থীদের ২ কপি
পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং পরিচয়পত্র বা বেতন
রশিদ অথবা ফলাফল বই সঙ্গে আনতে হবে।
আগামী শনিবার (২৩মে) সকাল ৮ টায় বেরোবি
ক্যাম্পাসে প্রোগ্রামিংয়ের পাশাপাশি কুইজ
প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগীতায়
অংশগ্রহণকারী সবাইকে অংশগ্রহণ সার্টিফিকেট
এবং বিজয়ীদের পুরস্কারসহ সার্টিফিকেট প্রদান
করা হবে ।
এ প্রতিযোগিতার আয়োজক তথ্য ও যোগাযোগ
প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ। সহযোগিতায় রয়েছে
বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক, ধাঁনসিড়ি
কমিউনিকেশন । একাডেমিক সহযোগিতায় রয়েছে
কোডমার্শাল ও দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুল।
পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে রবি ও আনোয়ার ইস্পাত।
স্থানীয় সহযোগী হিসেবে রয়েছে বেগম রোকেয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সিএসই ক্লাব’ এবং ‘এসিএম
অ্যারেনা’ । প্রতিযোগিতার বিস্তারিত জানা
যাবে www.nhspc.org এবং www.facebook.com/
nhspcbd এই ঠিকানায়। রংপুর অঞ্চলের নিবন্ধনের
প্রয়োজনে মোবাইল নম্বর ০১৭১০৫০৪৬৯২ এবং
০১৭৩৪২৬৫৫৭৭-তে যোগাযোগ করা যাবে। #
লেখাপড়া২৪
NHSPC
বিশ্বব্যাপী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং এর প্রয়োগ জ্যামিতিক হারে বেড়ে চলেছে। এর ফলে একদিকে মানুষের জীবন হয়ে উঠছে সহজ ও কার্যকরী অন্যদিকে এই প্রবৃদ্ধি উন্মোচন করছে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। অটোমেশন, কম্পিউটারায়ন ও ডিজিটালাইজেশনের কারণে আমাদের মত দেশেও প্রযুক্তিবিদ তথা কম্পিউটার প্রোগ্রামারদের…
23/04/2015
আমি BRUR এর একজন ভর্তি পরীক্ষার্থী। কিন্তু আমি আমার ID এবং password হারিয়ে ফেলেছি। আমি কি ভাবে password ফিরে পেতে পারি??
Solution:
Type BRUR HELP 1st 3 letters of HSC board HSC ROLL HSC passing Year UNIT short Code(A/B/C/D/E/F) aND SEND TO 16222 (only valid for teletalk SIM)
18/04/2015
আমি কি কম্পিউটার সাইন্স পড়ে ভালো ক্যারিয়ার গড়তে পারব?
আমার কি কম্পিউটার সাইন্স পড়া উচিত?
আমি কি পারব?
এরকম প্রশ্ন অনেকে করছেন।
আসলে এই প্রশ্নের উত্তর আপনাকেই নিতে হবে।
আপনি যদি মন থেকে এই বিষয়ে এক্সপার্ট হতে চান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় দিতে আগ্রহী থাকেন, তাহলে আপনি কম্পিউটার সাইন্স বা IT পড়তে পারেন। আমি মনে করি।
-আই,টি sardar -