Bachelor's লাইফ স্টাইল - SMS

Bachelor's লাইফ স্টাইল - SMS

Share

জীবন একটাই।।।।।।।
নষ্ট করোনা।
এনজয় ক?

05/03/2025

বেঁচে থাকাটাই আসলে আশ্চর্য !

সকালে ঘুম থেকে উঠে কোলগেট পেস্ট নিলাম-তার মধ্যে ক্যান্সারের উপাদান!

তারপর নাস্তায় পরোটা খাইলাম- তার মধ্যে অ্যামোনিয়ার তৈরি সল্টু মিশানো!

তারপর কলা খাইলাম - কার্বাইড দিয়ে পাকানো!

তারপর কফি নিলাম - এতে তেঁতুলের বিচির গুড়া মিশানো!

তারপর বাজারে গেলাম টাটকা শাক সবজি কিনলাম-
কপার সালফেট ছিটায়ে সতেজ করা, হাইব্রিড সার দিয়ে ফলানো!

মসলা আর হলুদের গুড়া নিলাম - লেড এবং ক্রোমাইট ক্যামিকেল মিশানো!

গরমের দিন বাসায় এসে তরমুজ খাইলাম - পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট দিয়ে লাল করা!

আম এবং লিচু বাচ্চাকে দিলাম খেতে - কার্বাইড দিয়ে পাকানো এবং ফরমালিন দিয়ে সংরক্ষিত!

দুপুরে ভাত খাবো - ইউরিয়া দিয়ে সাদা করা!

মুরগী নিলাম প্লেটে- ক্রমাগত এন্টিবায়োটিক দিয়ে বড় করা!

সয়াবিন তেলে রান্না সব - ভিতরে অর্ধেক পাম অয়েল মেশানো!

খাওয়ার পর মিষ্টি জিলাপি নিলাম - পোড়া মবিল দিয়ে মচমচে করা!

রোজা থাকলে সন্ধ্যায় রুহ আফযা নিলাম - ক্যামিকেল আর রং ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি পরীক্ষায়!

খেজুর খাইলাম - বছরের পর বছর স্টোরেজে ফরমালিন দিয়ে রেখেছিলো!

সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি মাখানো খাইলাম- মুড়ি ইউরিয়া দিয়ে ফুলানো আর সাদা করা এবং সরিষার তেলে ঝাঁঝালো ক্যামিকাল মিশানো!

রাতে আবার একই বিষ ডবল খাইলাম!

ঘুমানোর আগেও বাদ যাবেনা। গরম দুধ আর হরলিক্স খাইলাম- গাভীর পিটুইটারি গ্রন্থিতে ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর অতিরিক্ত দুধ দোওয়ানো হয়, এরপর ইউরিয়া মেরে সাদা করা হয়।আর হরলিক্সে পরীক্ষা করে ক্যামিকাল ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি!

এত ভেজাল খেয়ে দু একটা ঔষধ না খেলে তো শরীর টিকবেনা। ৭০ ভাগ ঔষধ কোম্পানি দেশে মান সম্মত ঔষধ তৈরি করেনা।

এইসব খাওয়ার পর ভাবতেছি, কেমনে বেঁচে আছি!..মানুষের ঈমান তো নাই নাই, দুর্নীতির ভিতরেও এরা দুর্নীতি করে। আসলে আমরা কেউই বেঁচে নাই।

s.daraz.com.bd 18/11/2024

I found this great deal on Daraz! Check it out!
Product Name: Starship Full Cream Milk Powder - 1kg
Product Price: ৳690
Discount Price: ৳669

s.daraz.com.bd

Photos from Dairy Farmers, Bangladesh's post 17/11/2017
12/05/2016

-------*বি.এস.সি টেকনোলোজিস্ট*-------

কি করেন ভাই,কোথায় পড়েন?
সুধায় গ্রামের লোকে
কাজ আছে ভাই সড়েন সড়েন,
বল্টু আর না থাকে

বলবে কি আর বল্টু সোনা,
বলার কি মুখ আছে?
এমন কোর্সে পড়লে মনা,
কেউ কি থাকে কাছে?

প্রথম বর্ষই হয় নাকো শেষ,
বছর দুয়েক বাদে
পেলো বুঝি আদু ভাইয়ের বেশ,
জীবন গেল খাঁদে

কেউবা বলে ডাক্তার,কেউবা প‍্যারামেডিক,
টেকনোলোজিস্ট বোঝেনা কেউ
বলে একই, কিসের ঠিক বেঠিক।

বেশি বুঝে বলেন কেহ,
ও!!গু-মুত্রের পরীক্ষা?
অমন গন্ধ ক‍্যামনে সহ,
এই কি পেলে দীক্ষা?

গু-মুত হলো হাদীয়া তোমার,
ভাবেন পাত্রী-পক্ষ
এই জীবনে পেলে না আর
সেই সে বাসর কক্ষ

দুঃখ করো না বন্ধু আমার,
এই দিনই শেষ নয়
তোমারও হবে প্রেমের খামার,
করবে যুদ্ধ জয়...

18/09/2015

লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো,,,,,
তাই সবার জন্য শেয়ার করলাম।।।।।
সবারই পড়া উচিত...
‘মা’
বিয়ের ২১ বছর পর আমার স্ত্রী
আমাকে বলল অন্য একজন মহিলাকে
নিয়ে বাইরে বেড়াতে ও খেতে
নিয়ে যেতে। সে বলল, “আমি
তোমাকে ভালবাসি, কিন্তু আমি
জানি এই মহিলাটিও তোমাকে
ভালবাসেন এবং তিনি তোমার
সাথে একান্তে কিছু সময় কাটাতেও
ভালবাসবেন।”
আমার স্ত্রী যার সাথে আমাকে
বাইরে যেতে বলছিল, তিনি ছিলেন
আমার মা, যিনি ১৯ বছর আগে বিধবা
হয়ে গেছেন; কিন্তু আমার কাজের
চাপ আর তিন সন্তানের দায়িত্বের
কারনে শুধু কোন উপলক্ষ হলেই তার
সাথে আমার দেখা হওয়া সম্ভব হত।
সেই রাতে আমি মাকে ফোন করে
একসাথে বাইরে বেড়াতে ও খেতে
যাওয়ার আমন্ত্রন জানালাম। তিনি
প্রশ্ন করলেন, ‘কি ব্যপার বাবা, তুমি
ভাল আছ তো?’
আমার মা হলেন এমন একজন মানুষ যিনি
গভীর রাতে ফোন কল বা আকস্মিক
দাওয়াতকে কোন দুঃসংবাদ বলে
আগাম আশঙ্কা করেন। মায়ের প্রশ্নে
আমি বললাম, ‘ভাবছি তোমার সাথে
কিছু ভাল সময় কাটাবো মা। শুধু তুমি
আর আমি।’ তিনি এক মুহূর্ত ভাবলেন,
তারপর বললেন, “এমন হলে আমার খুবই
ভাল লাগবে বাবা।”
কাজ শেষে সেদিন যখন ড্রাইভ করে
মাকে তুলে নিতে গেলাম, কিছুটা
নার্ভাস বোধ করছিলাম। যখন
সেখানে পৌঁছলাম, খেয়াল করলাম,
তিনিও যেন এভাবে দেখা করার জন্য
কিছুটা নার্ভাস। তিনি রেডি হয়ে
দরজার কাছেই অপেক্ষা করছিলেন।
তার চেহারা ছিল দ্যুতিময় হাসি।
গাড়িতে উঠতে উঠতে তিনি বললেন,
‘আমি আমার বন্ধুদের বলেছি যে আমি
আমার ছেলের সাথে বেড়াতে
যাচ্ছি; তারা শুনে খুবই খুশী হয়েছে।
আমাদের সাক্ষাতের বর্ণনা শোনার
জন্য তারা অধীর ভাবে অপেক্ষা
করছে।’
আমরাযে রেস্তোরাঁয় গেলাম,
সেটা খুব দামী না হলেও বেশ ভাল
আর আরামদায়ক ছিল। আমার মা আমার
বাহু ধরে ছিলেন, যেন তিনি একজন
‘ফার্স্ট লেডী’। বসার পরে আমাকেই
মেনু পড়ে শোনাতে হল। তিনি শুধু বড়
লেখা পড়তে পারতেন। অর্ধেক পড়ে
শোনানোর পর মুখ তুলে তাকিয়ে
দেখলাম, তিনি তাকিয়ে শুধু আমাকে
দেখছেন। তার ঠোঁটে এক নস্টালজিক
হাসি। তিনি বললেন, ‘তুমি যখন ছোট
ছিলে, আমাকে মেনু পড়ে শোনাতে
হত।’ আমি বললাম, ‘এখন তাহলে সময়
এসেছে যেন তুমি আরাম কর আর
আমাকে সুযোগ দাও তোমার সেই
কষ্টের প্রতিদান কিছুটা হলেও
দেওয়ার।’
খেতে খেতে আমরা সাধারন
নিত্যনৈমিত্তিক কথা বার্তা
বললাম- বিশেষ কিছু না, জীবনের নতুন
নতুন ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী একজন
আরেকজনকে জানালাম। আমরা
অনেকক্ষন গল্প করলাম। পরে যখন মাকে
তার বাসায় নামিয়ে দিচ্ছিলাম,
তিনি বললেন- “আমি তোমার সাথে
আবার বেড়াতে যাব, কিন্তু
দাওয়াতটা আমি দেব।” আমি রাজী
হলাম।
যখন ঘরে ফিরলাম, আমার স্ত্রী প্রশ্ন
করল, ‘তোমার সাক্ষাত কেমন কাটল?’
জবাব দিলাম, ‘ভীষণ ভাল, আমি যেমন
ভেবেছিলাম তার চেয়েও অনেক
ভাল।’
কিছুদিন পর আমার মা হঠাৎ হার্ট
অ্যাটাকে মারা গেলেন। এটা এমন
আকস্মিকভাবে ঘটলো যে তার জন্য
আমার কোন কিচ্ছু করার সুযোগও হল
না। কিছুদিন পর একটা খাম আসলো
আমার কাছে। ভেতরে একটা সেই
রেস্তোরাঁর রিসিট যেখানে মাকে
নিয়ে খেতে গিয়েছিলাম। সাথে
একটি ছোট্ট চিঠি, তাতে লেখা-
‘আমি এই বিলটি অগ্রিম আদায় করে
দিয়েছি, জানিনা তোমার সাথে
আবার সেখানে যেতে পারতাম
কিনা; যাইহোক আমি দুই জনের
খাবারের দাম দিয়ে দিয়েছি-
একটা তোমার আরেকটা তোমার
স্ত্রীর জন্য। তুমি কখনও বুঝবে না সেই
রাতটি আমার জন্য কত বিশেষ ছিল।
তোমাকে অনেক ভালবাসি বাবা।’
সেই মুহূর্তে আমি বুঝতে পারলাম,
সময়মত ‘ভালোবাসি’ কথাটা বলতে
পারা এবং প্রিয় মানুষগুলোকে
কিছুটা একান্ত সময় দেওয়া কতটা
জরুরী। জীবনে নিজের পরিবারের
চেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই।
তাদেরকে তাদের প্রাপ্য সময়টুকু দিন,
কারন এগুলো কখনও ‘পরে কোন এক সময়’
এর জন্য ফেলে রাখা যায় না।
আল্লাহ যেন আমাদের সবার
মাদেরকে যারা জীবিত আছেন এবং
মারা গেছেন, তাদের উপর রহমত বর্ষণ
করেন। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে
তাদের জন্য দয়া, ধৈর্য এবং
ভালবাসা দান করেন। "রব্বির হামহুমা
কামা রব্বায়া-নি সগীরা"
একটি ফ্রেন্ড এর লেখা থেকে কপি
করেছি ।।।।!।।।।।।

11/09/2015

*****No Vat On Education****
টিউশন ফি থেকে মূল্য সংযোজন কর
(ভ্যাট) প্রত্যাহারের দাবি ও
আন্দোলনরত
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি
হামলার প্রতিবাদে বেসরকারি
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের
বিক্ষোভ কর্মসূচিকে সংগ্রামী
স্বাগতম জানাচ্ছি ।।।।

28/06/2015

এই রমজানে ওজন কমান

রোজার সময় আমরা যে খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করি তা বেশ অস্বাস্থ্যকর। সারাদিন রোজা রাখার পর ভাজা-পোড়া খাবার, শরবত এবং মিষ্টিদ্রব্য দিয়ে আমরা ইফতার করি। অন্যদিকে সেহেরিও খাওয়া হয় ভোর ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে। এই খাদ্যাভ্যাসের ফলে আপনার রক্তে লিপিডের মাত্রা এবং ওজন দুইই বেড়ে যায়। এই মাসে অধিকাংশ মানুষের ওজন বেড়ে যায়, যদিও এই পবিত্র মাসটি আপনার শরীরের বাড়তি ওজন এবং দূষিত পদার্থ কমানোর একটি চমৎকার সুযোগ হতে পারে।

আমরা কি করতে পারি?

রোজা রাখার ফলে আমাদের শরীর কি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়, তা আমাদের বুঝতে হবে। সর্বশেষ বার খাওয়ার ৮ ঘণ্টা পর আমাদের শরীর উপবাস পর্যায়ে পৌঁছায়, এই সময়ের মধ্যে আমাদের অন্ত্র খাবার থেকে সবধরনের পুষ্টি শুষে নেয়। এরপর, অন্ত্র শরীরের অন্যান্য অংশে, যেমন- যকৃত, পেশী ইত্যাদি; সঞ্চিত গ্লুকোজ ব্যবহার করা শুরু করে। যখন গ্লুকোজ শেষ হয়ে যায়, তখন দেহে শক্তি উৎপাদনের জন্য অন্ত্র দেহে সঞ্চিত চর্বি ব্যবহার শুরু করে। দীর্ঘক্ষণের জন্য কয়েক সপ্তাহ রোজা রাখার পরই দেহ শক্তি উৎপাদনের জন্য প্রোটিন ব্যবহার শুরু করে।


রমজানের সময়, যখন আমরা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত না খেয়ে থাকি, তখন শরীরের ওজন কমানোর একটা সুযোগ আমরা পাই। শক্তি উৎপাদনে চর্বি ব্যবহার হওয়ায় আমাদের ওজন এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে থাকে। এই সময় আমরা ডায়াবেটিস এবং রক্তচাপও বেশ ভালভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি। কয়েকদিন রোজা রাখার পর রক্তে কিছু হরমোনের (এন্ডরপিনস) মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে আমরা এক ধরনের মানসিক শান্তি অনুভব করি।


তবে, রমজানে যে সময়টুকু আমরা রোজা থাকি না সে সময়ের খাদ্যাভ্যাসের বিষয়ে আমাদের সতর্ক হতে হবে। খাদ্যতালিকায় শক্তি উৎপাদনকারি এবং অন্যান্য পুষ্টিউপাদান সমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিৎ, যাতে শরীরের পুষ্টির চাহিদা পুরন হয়। রোজার সময় স্বাভাবিক খাবারের চেয়ে পরিমাণে কম কিন্তু পুষ্টিউপাদান সমৃদ্ধ খাবার একজন মানুষকে স্বাস্থ্যবান এবং কর্মঠ রাখতে সাহায্য করে।


কীখাবেন এবং কীখাওয়া থেকে বিরত থাকবেন?

জটিল শ্বেতসার এবং আঁশযুক্ত খাবার অবশ্যই খেতে হবে:

এই খাবারগুলো ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে। এরকম খাবারগুলো হচ্ছে: ভাত, ময়দা, সীম ইত্যাদি। আঁশ সমৃদ্ধ সবজিগুলো হচ্ছে: আলু, মিষ্টিকুমড়া, সবুজ সীম, ফুলকপি, শসা ইত্যাদি এবং আঁশ সমৃদ্ধ ফলের মধ্যে আছে: কমলা, আপেল, তরমুজ, বাঙ্গি, আনারস ইত্যাদি।


অবশ্যই মশলাদার এবং ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করবেন।

এধরনের খাবারগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট বা শ্বেতসারযুক্ত খাবার যেমন- চিনি এবং সাদা ময়দা এবং চর্বিযুক্ত খাবার যেমন- কেক, বিস্কুট , মিষ্টি ইত্যাদি। বেশি তেলে ভাজা খাবার এবং ক্যাফেইন যুক্ত খাবার যেমন- চা, কফি, কোকাকোলা ইত্যাদি পরিহার করুন। এই খাবারগুলো মূত্রবর্ধক।

যে খাবারগুলো পরিহার করবেন

বিকল্প স্বাস্থ্যকর খাবার

ডুবো তেলে ভাজা খাবার যেমন- পাকোড়া, সমুচা, ভাজা ফুলুরি, স্প্রিং রোল, ডালপুড়ি ইত্যাদি।

ছোলা, দই সহ আলু্, সেদ্ধ ফুলুরি ইত্যাদি। ভাজার পরিবর্তে খাবার রান্না বেক (bake) করুন।

উচ্চ মাত্রার চিনি/ চর্বি যুক্ত খাবার, যেমন- মিষ্টি, ফালুদা ইত্যাদি।

দই এবং দুধের তৈরি খাবার যেমন- দই-বড়া।

বেশি তেলে রান্না করা খাবার যেমন- পরটা, তেলযুক্ত তরকারি, তেলচিটচিটে পেস্ট্রি ইত্যাদি।

পরটার বিকল্প হতে পারে তেল ছাড়া তৈরি চাপাটি, পোড়ানো বা গ্রিল গরু বা মুরগির মাংস। বাসায় পেস্ট্রি বাবানোর চেষ্টা করুন এবং একটি মাত্র লেয়ার তৈর করুন।

যে রান্না পদ্ধতি পরিহার করবেন

বিকল্প রান্না পদ্ধতি

ডুবো তেলে ভাজা

কম তেলে ভাজা, সাধারণত এতে স্বাদের খুব একটা পরিবর্তন হয় না।

ভাজা

গ্রিল বা পোড়ানো খাবার অধিক স্বাস্থ্যকর এবং এতে খাবারের আসল স্বাদ বজায় থাকে, বিশেষত মুরগি এবং মাছের ক্ষেত্রে।

অতিরিক্ত তেলে রান্না করা তরকারি

তরকারিতে ব্যবহৃত তেল মাপা শুরু করুন এবং ধীরে ধীরে তেলের পরিমাণ কমান, যেমন- ৫ টেবিল চামচ থেকে কমিয়ে ৪ টেবিল চামচ করুন। স্বাদের বেশি হেরফের না করে তরকারিতে তেলের পরিমাণ কমানোর এটি একটি কার্যকর পদ্ধতি। তরকারিতে বেশি করে পেঁয়াজ এবং টমেটো ব্যবহার করলেও তেল কমানোর বিষয়টি ধরা পড়ে না।

সেহেরি, যা ভোরের আগে খাওয়া হয়, একটি পরিপূর্ণ এবং স্বাস্থ্যকর খাবার হওয়া উচিৎ, কারণ এট বেশ কয়েক ঘণ্টার জন্য শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে। ফলে সেহেরিতে ধীরে ধীরে হজম য় এরকম খাবার রাখা উচিৎ। ইফতারের মাধ্যমে আমরা রোজা শেষ করি। ইফতারে সুন্নত মেনে খেজুর থাকতে পারে। খেজুর অতি প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করবে। ফলের রসও একইভাবে পুনরুজ্জীবিত করে। ভোজনকে ভোজনেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে, এটিকে ভোজনোৎসবে পরিণত করা উচিৎ নয়

05/06/2015

প্রিয় মানুষটিকে দেওয়ার জন্য
সবচেয়ে ভালো উপহার কি জানেন .......?
সেটা হল ``সময়`` .....
এই উপহারের অর্থ হচ্ছে..... আপনি সেই মানুষটিকে নিজের জীবনের একটা অংশ দিয়ে দিলেন
যা আর কখনো ফেরত নেওয়া........ কিংবা ফেরত দেওয়া সম্ভব না ..........
এর চেয়ে সুন্দর উপহার কি আর কিছু হতে পারে .........?

05/06/2015

বিবাহিত অথবা অবিবাহিত, আপনার পড়া উচিৎ।
ঐ রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পর আমার স্ত্রি প্রতিদিনের মত আমাকে নিয়ে রাতের খাবার খেতে বসলো। তখন আমি তার হাতটি জড়িয়ে ধরলাম এবং বললাম,আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই।
সে আমার চোখের দিকে শান্ত ভাবে তাকালো আমি বুঝতে পারছিলাম না যে তাকে আমি কথাগুলো কিভাবে বলবো।কিন্তু তাকে আমার জানানো উচিৎ যে, আমি তার সাথে আর সংসার করতে চাই না। আমি খুব ধীরে,শান্তভাবে বিষয়টি তুললাম।
সে আমার কথায় কোনরকম বিরক্ত প্রকাশ না করে ধীরে ধীরে জিজ্ঞেস করল,কেন?আমি তার প্রশ্ন এড়িয়ে গেলাম।এতে সে রেগে গেলো। টেবিলের উপর থেকে সবকিছু ছুড়ে ফেলে দিয়ে চিৎকার করে বললো,তুমি একটা কাপুরুষ।
সেই রাতে আমাদের আর কথা হল না।সে সারা রাত নিঃশব্দে কাঁদলো।হয়তো ও বুঝার চেষ্টা করছিল কেন আমি এমনটা চাইলাম। কিন্তু আমি তাকে বলতে পারিনি যে,আমি আর একটা মেয়েকে ভালোবেসে ফেলেছি।
আমি নিজেকে খুব অপরাধী মনে করেছিলাম আর ঐ অপরাধবোধ নিয়েই আমি ডিভোর্স লেটার লিখলাম, যেখানে উল্লেখ ছিল, আমাদের বাড়ি, আমাদের গাড়ি,এবং আমার ব্যবসায়ের ৩০% এর মালিক সে হবে। তার হাতে কাগজটি যাওয়ার সাথে সাথে ছিঁড়ে টুকরা টুকরা করে ফেললো।
যে মানুষটার সাথে আমি ১০ টা বছর সংসার করলাম, আজকে আমি তাকেই আর চিনি না। তার এতগুল সময়, সম্পদ, এবং শক্তি নষ্ট করার জন্য আমার খুব খারাপ লাগছিলো, কিন্তু এখন আমি আর তাকে ফেরত নিতে পারবো না কারণ,আমি ফারহানা কে ভালোবাসি। অবশেষে সে আমার সামনে চিৎকার করে কান্না করে দিল যা আমি আশা করছিলাম। আমার কাছে তার কান্না একরকম মুত্তির চিহ্নের মত লাগছিল।
তখন মনে হচ্ছিল,এবার আমি আসলেও সফল। পরের দিন, আমি অনেক দেরী করে বাসায় ফিরি। দরজায় ঢুকতেই দেখি, ও ডাইনিং রুমে টেবিলে কিছু লিখছিল।আমি আর খাবার খেতে গেলাম না এবং সরাসরি ঘুমাতে চলে গেলাম কারণ সারাদিন ফারহানাকে নিয়ে অনেক ঘুরেছি এবং এখন আমি ক্লান্ত। আমি ঘুমিয়ে গেলাম।
যখন আমার ঘুম ভাঙ্গলো, তখনো ও লিখছিল। আমি গ্রাহ্য করলাম না এবং আবার ঘুমিয়ে পরলাম।সকালে সে আমাকে কিছু শর্ত দিল যেখানে লেখা ছিল, "আমি তোমার থেকে কিছুই চাইনা, কিন্তু আলাদা হয়ে যাওয়ার আগে শুধু এক মাস সময় চাই। এই একমাসে আমরা জতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক জীবন জাপন করবো কারণ আর একমাস বাদেই আমাদের ছেলেটার পরীক্ষা। ওর যাতে কোন ক্ষতি না হয় তাই আমি এমনটা চাইছি।আমি মেনে নিলাম। কিন্তু সে আমার কাছে আরও কিছু চেয়েছিল... ও আমাকে মনে করতে বললো, বিয়ের দিন আমি তাকে যেভাবে কোলে করে নিয়ে ঘরে ঢুকে ছিলাম।ও আমাকে অনুরোধ করলো, যাতে এই একমাস আমি তাকে প্রতি সকালে কোলে করে আমাদের শোবার ঘর থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত নিয়ে যাই। আমি ভাবলাম, ও পাগল হয়ে গেছে। যাই হোক, এই শেষ সময়ে যাতে আর ঝামেলা না হয়,তাই আমি তার অনুরোধ মেনে নিলাম।
আমি ফারহানাকে আমার স্ত্রির দেয়া শর্তগুলোর কথা বলেছিলাম।শুনার পর সে অট্ট হাসিতে ফেটে পড়লো,যা খুবই অযৌক্তিক লাগলো আমার কাছে। তখন ফারহানা আমার স্ত্রির উপর ঘৃণা এবং রাগ নিয়ে বললো, "সে যতই ছলনা করুক আর মায়া কান্না দেখাক,তাকে ডিভোর্স নিতেই হবে।আমাদের বিবাহবিচ্ছেদের উদ্দেশ্য স্পস্টভাবে প্রকাশ হওয়ার পর থেকে আমার স্ত্রি এবং আমার মধ্যে আর কোন শরীরী যোগাযোগ ছিল না।
যাই হোক, যেদিন আমি প্রথম তাকে কোলে তুললাম, তখন আমরা দুজনেই খুব বিব্রতবোধ করছিলাম। আমাদের ছেলেটা পেছন থেকে তালি বাজাচ্ছিল আর বলছিল,আব্বু আম্মুকে কোলে তুলেছে,কি মজা কি মজা।" ছেলেটার কথা শুনে কেন জেন আমার খারাপ লাগতে শুরু করলো।
শোবার ঘর থেকে ড্রইংরুম, ড্রইংরুম থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত আমি ওকে কোলে করে নিয়ে গেলাম। সে তার চোখ বন্ধ করলো এবং ফিস ফিস করে বললো,আমাদের ছেলেটাকে আমাদের ডিভোর্সের কথাটা কখনও জানতে দিওনা।" আমি ওকে দরজার বাইরে নামিয়ে দিলাম। সে তার কাজে চলে গেল, আর আমি অফিসে চলে গেলাম।দ্বিতীয় দিন, আমরা দুজনেই খুব স্বাভাবিক আচরন করলাম। সে আমার বুকে মাথা রাখলো। আমি তার চুলের গন্ধ পাচ্ছিলাম।
আমার মনে হল,আমি কতদিন এই মানুষটাকে একটু ভালোভাবে দেখিনি, বুঝার চেষ্টা করিনি। দেখলাম, ওর কত বয়স হয়ে গেছে। চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে গেছে... চুলে কাঁচাপাকা রঙ ধরেছে। কিছু মুহূর্তের জন্য মনে হল আমি তার সাথে কি করেছি।চতুর্থ দিন, যখন আমি তাকে কোলে তুললাম, তখন বুঝতে পারলাম আবার আমাদের অন্তরঙ্গতা ফিরে আসছে। এটাই সেই মানুষ, যে তার জীবনের ১০ টা বছর আমার সাথে পার করেছে। পঞ্চম এবং ষষ্ঠ দিন আমার আবারো মনে হল যে, আমাদের সম্পর্কটা আবার বেড়ে উঠছে।
আমি এসব বিষয়ে ফারহানাকে কিছুই বলিনি। যতই দিন যাচ্ছিল, ততই খুব সহজে আমি আমার স্ত্রিকে কোলে তুলতে পারতাম।সম্ভবত প্রতিদিন কোলে নিতে নিতে অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল। একদিন সকালে বাইরে যাওয়ার জন্য সে পছন্দের কাপড় খুঁজছিল। প্রায় অনেকগুলো কাপড় সে পরে দেখল, কিন্তু একটাও তার ভালো লাগছিলো না। সে স্থির হয়ে বসলো এবং দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে বললও"আমার সব গুলো কাপড় ঢিলে হয়ে গেছে...।
তখন আমি বুঝতে পারলাম সে অনেক শুকিয়ে গেছে এবং এ জন্যই আমি তাকে খুব সহজে কোলে তুলতে পারতাম। হঠাৎ এটা আমাকে খুব আঘাত করলো সে তার মনে অনেক কষ্ট চাপা দিয়ে রেখেছে।
মনের অজান্তেই আমি আমি ওর কাছে যাই এবং ওর মাথায় হাত দেই।ঐ মুহূর্তে আমাদের ছেলেটাও চলে এল এবং বললও আব্বু আম্মুকে কোলে তুলার সময় হয়েছে। আমার স্ত্রি ছেলেটাকে ইশারায় কাছে আসতে বলল এবং তাকে কিছুক্ষণের জন্য খুব শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। আমি অন্য দিকে তাকালাম, কারণ আমার ভয় হচ্ছিল, এই শেষ মুহূর্তে জেন আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হয়ে যায়।কিছুক্ষণ পর আমি তাকে কোলে নিলাম।
শোবার ঘর থেকে ড্রইং রুম, ড্রইং রুম থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত তাকে নিয়ে গেলাম। সে তার হাত দিয়ে আলতো ভাবে আমার গলা জড়িয়ে ছিল। আমিও তাকে খুব হাল্কাভাবে কোলে নিয়ে ছিলাম ঠিক জেন বিয়ের প্রথম দিনের মত।কিন্তু তার এই এত হাল্কা ওজন আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছিল... প্রায় অনেক আগে যেদিন আমি তাকে কোলে নিয়েছিলাম সেদিন তাকে নিয়ে কিছু দূর হাটতেই আমার অনেক কষ্ট হচ্ছিলো।
আমাদের ছেলেটা স্কুলে চলে গেছে.আমি আমার স্ত্রিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললাম আমি বুঝতে পারিনি যে, আমাদের মধ্যে এতটা অন্তরঙ্গের অভাব ছিল। এ কথা বলেই আমি অফিসে চলে গেলাম।অফিস থেকে ছুটি নিয়েই বেরিয়ে গেলাম। চলে গেলাম সোজা ফারহানার বাসায়।সিঁড়ি বেয়ে দ্রুত উপরে উঠে গেলাম। আমি খুব তাড়াহুড়ো করছিলাম, ভয় পাচ্ছিলাম যাতে আমার মন আবার পরিবর্তন হয়ে যায়।
ফারহানা দরজা খুলতেই আমি তাকে বললাম ফারহানা,আমাকে মাফ করে দিও... আমি আমার স্ত্রির সাথে ডিভোর্স চাইনা।ফারহানা আমার দিকে খুব অবাক হয়ে তাকাল এবং আমার কপালে হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করলো,আচ্ছা তুমি ঠিক আছো তো? তোমার কি জ্বর আসছে?
আমি ওর হাত আমার কপাল থেকে সরালাম এবং আবারো বললাম, "ফারহানা, আমি ওকে ডিভোর্স দিতে চাই না।তুমি পারলে আমাকে মাফ করে দিও।আমাদের বৈবাহিক সম্পর্কটা হয়তো বিরক্তিকর ছিল, কারণ আমরা আমাদের জীবনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মুহূর্ত গুলোকে মুল্য দেইনি কিন্তু এর মানে এই না যে আমরা কখনো একে অপরকে ভালোবাসিনি।
কিন্তু এখন আমি বুঝি যে, যেদিন আমি তাকে বিয়ে করেছিলাম,সেদিন আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, যে মৃত্যু পর্যন্ত আমি তার সাথে থাকবো।তখন ফারহানা আমাকে খুব জোরে একটা চড় মারলো এবং আমার মুখের উপর দরজা লাগিয়ে দিয়ে ভেতরে চিৎকার করে কান্নায় ভেঙে পড়লো।
আমি বাসার নিচে নেমে এলাম এবং চলে আসলাম। পথেই একটা ফুলের দোকান পেলাম এবং একটা ফুলের তোড়া কিনলাম আমার স্ত্রির জন্য।আমাকে দোকানদার জিজ্ঞেস করলো স্যার কার্ডের উপর কি লিখবো?
আমি একটু মৃদু হাসলাম এবং লিখতে বললাম আমি প্রতিদিন সকালে তোমাকে কোলে নিব আমার মৃত্যু পর্যন্ত.ঐ দিন সন্ধ্যায় আমি বাসায় ফিরি,আমার হাতে ফুলের তোড়া, আমার চেহারায় সুখের হাসি,আমি সোজা আমার শোবার ঘরে চলে যায় এবং দেখি আমার স্ত্রি আর নেই।সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে..সারা জীবনের জন্য চলে গেছে..যেখান থেকে আর কখনো ফেরা সম্ভবনা।
আমার স্ত্রির ক্যান্সার ছিল, অথচ আমি ফারহানাকে নিয়ে এতটাই ব্যাস্ত ছিলাম যে এদিকে কোন খেয়ালই করিনি।সে জানতো যে সা মারা যাচ্ছে..কিন্তু সে আমাকে বুঝতে দেয়নি কারণ আমাদের ছেলের পরীক্ষা ছিল এবং আমাদের ডিভোর্স হয়েছে এটা জানলে আমাদের ছেলেটার মন-মানষিকতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।সে মারা গেলে আমাদের আর আলাদা হয়ে বেঁচে থাকতে হবে না। সে আমার ছেলের কাছে প্রমান করে দিয়ে গেল, আমি খুব ভালো স্বামী ছিলাম, যে তার স্ত্রির অনেক খেয়াল করতো।
সম্পর্কের এই ছোট ছোট ব্যাপারগুলো আসলেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।এই বড় রাজপ্রাসাদ, গাড়ি, সম্পত্তি,টাকা এগুলো সব কিছুই ভালো থাকার পরিবেশ তৈরি করে কিন্তু নিজেরা কোন সুখ দিতে পারে না। তাই কিছু সময় বের করুন আপনার স্বামী বা স্ত্রির জন্য। তার বন্ধু হন।এবং কিছু কিছু ছোট ছোট মুহূর্ত তৈরি করুন যা আপনাদের সম্পর্ককে আরও কাছের করবে। কারণ, এটাই সত্য পরিবার পৃথিবীতে সব চাইতে দামি।
আপনি যদি এখন কোন সম্পর্কতে নাও থাকেন তারপরেও দ্বিতীয় বারের মত অথবা তার চাইতেও বেশী চিন্তা করুন,কারণ এখনো দেরী হয়ে যায় নি এখনো অনেক সময় আছে।

31/05/2015

মানুষের মরণ যে কখন হবে!
তা বলা খুব কঠিন।
নিঃশ্বাসের বিশ্বাস নেই।
আজ আমার মেস এর এক ছোট ভাই সড়ক
দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে ।।।।।
খুব খারাপ লাগছে ।।।
ছেলেটা অনেক ভালো ছিল। ।
সকালে বাসা গেল, সন্ধায় তার মৃত্যুর
খবর আসলো । ।।
কী মর্মান্তিক।।।।।।।।।
সবাই তার জন্য দোয়া করবে ।।।
সে জেনো জান্নাত বাসী হয়।

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Ulipur
Rangpur
5600