আন নূর শিশু একাডেমি মহিমাগঞ্জ

  • Home
  • Bangladesh
  • Rangpur
  • আন নূর শিশু একাডেমি মহিমাগঞ্জ

আন নূর শিশু একাডেমি মহিমাগঞ্জ Give your child a best start discover to difference Nursery to Class 5

হিফজ পড়াতে ইচ্ছুক সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি পরামর্শ। 🔴🔷🔹এক : বাচ্চা মেধাবী হলে হিফজে দিন। মেধা দুর্বল হলে হিফজে না দেওয়া...
08/08/2026

হিফজ পড়াতে ইচ্ছুক সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি পরামর্শ।

🔴🔷🔹এক : বাচ্চা মেধাবী হলে হিফজে দিন। মেধা দুর্বল হলে হিফজে না দেওয়াই ভালো ।

🔴🔷🔹দুই : মেধা ভালো। হিফজে দিয়েছেন। কিন্তু সে হিফজে পড়তে বিলকুল(একদমই) আগ্রহী না। অসহ্য লাগে। পালিয়ে আসে। হিফজের চিন্তা বাদ দিয়ে ক্লাসে ভর্তি করে দিন।

🔴🔷🔹তিন : মেধা দুর্বল। তবুও আশা করে হিফজে দিয়েছেন, পারছে না। শত চেষ্টা করেও হচ্ছে না। অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে ক্লাসে ভর্তি করে দিন।

🔴🔷🔹চার : নূরানী ৩য় ক্লাস পাশ করে হিফজে দিন। জীবনের শুরুতেই হিফযে দেওয়া চরম ভুল। এতে অনেক সমস্যা দেখা দেয়।

🔴🔷🔹পাঁচ : হাফেজ হওয়া ফরয, ওয়াজিব কিছুই না। অতিরিক্ত আবেগী হয়ে বাচ্চার সময় নষ্ট করবেন না।

🔴🔷🔹ছয় : উস্তাদের দোয়া নিন। উস্তাদকে সর্বোচ্চ সম্মান করুন। উস্তাদের দোয়া ও আন্তরিক প্রচেষ্টা ছাড়া বাচ্চার পড়ার উন্নতি হবে না।

🔴🔷🔹সাত : আল্লাহর খাস রহমত ও বাচ্চার স্বঃতস্ফুর্ত অবিরাম চেষ্টা সাধনা ছাড়া হাফেজ হওয়া যায় না। এজন্য হালাল হারাম মেনে চলুন। বেশি বেশি দোয়া ও আমল করতে থাকুন।

🔴🔷🔹আট : হাফেজ হওয়া সম্মানের, সৌভাগ্যের। তবে বাচ্চার অবস্থা বিবেচনা করতে হবে। অভিভাবকের ভুলের কারণে বাচ্চার জীবন যেন হুমকির মুখে না পড়ে।

🔴🔷🔹নয় : হাফেজ হওয়ার পর ভালো আলেম বানানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন। শুধু হাফেয হওয়ার মধ্যে পরিপূর্ণ কল্যাণ নেই।

🔴🔷🔹দশ অভিভাবকদের প্রতি ছোট একটি আবেদন,,,,,,,,,,
এই ভুল কেউ করবেন না,,,,,,,

ইলম আসার জন্য উস্তাদের দুআ নিন। উস্তাদকে সর্বোচ্চ সম্মান করুন। উস্তাদের দুআ ও আন্তরিক প্রচেষ্টা ছাড়া বাচ্চার লেখা পড়ার উন্নতি হয় না।
উস্তাদের সাথে যে গার্ডিয়ান যত ভদ্র আচরণ করবে, তার সন্তান উস্তাদকে তত বেশি সম্মান করবে। এমনকি যে গার্ডিয়ান উস্তাদের সাথে খারাপ আচরন করবে, তার সন্তানের ভবিষ্যৎ জীবন নষ্ট করার জন্য তিনি নিজেই দায়ী থাকবেন ।

আল্লাহ আমাদের সকলকে সহীহ বুঝ দান করুন।

নিজের সন্তানকে সম্মান করা কি জরুরি?১. সন্তানের সাথে  কথা বলার সময় ভাষার ব্যাপারে সচেতন হন,তা সে যত ছোট শিশুই হোক না কেন...
07/08/2026

নিজের সন্তানকে সম্মান করা কি জরুরি?

১. সন্তানের সাথে কথা বলার সময় ভাষার ব্যাপারে সচেতন হন,তা সে যত ছোট শিশুই হোক না কেন! কখনোই বাচ্চার সামনে তাকে গালাগালি করা ঠিক নয়।

২. সন্তানকে কখনোই 'বোকা', 'গাধা 'ইত্যাদি বলে অসম্মান করবেন না বা ট্যাগ করবেন না। আমরা নিজেও সকল বিষয়ে পারদর্শী নই, একটি শিশুও সকল বিষয়ে পারদর্শী হবে না। বরং তাকে উৎসাহিত করলে সে তার যোগ্যতার চেয়ে বেশি কিছু করতে পারবে।

৩. সন্তানের সাথে আচার-আচরণের ক্ষেত্রে, আপনি নিজে কোন ভুল করলে অবশ্যই ক্ষমা চান।

৪. কিছু ব্যাপারে অবশ্যই সন্তানের সিদ্ধান্তকে সম্মান করতে শিখুন। যেমন, সে কাউকে নিজেকে ধরতে দিবে কিনা, সে নিজে কাউকে ধরবে কিনা, সে আদৌ বাইরে যেতে চায় কিনা ইত্যাদি।

৫.আমাদের যেমন ব্যক্তিগত সময় প্রয়োজন, তেমনি শিশুদেরও প্রয়োজন। সন্তানের প্রাইভেসিকে সম্মান করুন।

৬.একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে, সন্তানের সবকিছু তাকে জিজ্ঞেস না করে ধরার অভ্যাস পরিত্যাগ করুন।

৭. সন্তানের সম্পূর্ণ বক্তব্য শুনুন, এরপর নিজের মতামত দিন।

৮.সন্তানকে বুঝান, আপনি তাকে নি:শর্তভাবে ভালবাসেন।

৯.সন্তানের সামনে বাকিদের সম্মান করে কথা বলুন।

১০. সন্তানকে সবাইকে সম্মান করতে উৎসাহিত করুন।

সম্মান একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয়, আপনি কাওকে না দিলে,তার থেকে আশা করাটাও অনুচিত!

07/08/2026
পড়াশোনায় মনোযোগী করতে বাবা-মায়ের কর্তব্যনিজ সন্তান পড়াশোনায় অমনোযোগী হলে তা নিয়ে কার না মন খারাপ হয়? কিন্তু মন খারাপে তো...
07/08/2026

পড়াশোনায় মনোযোগী করতে বাবা-মায়ের কর্তব্য

নিজ সন্তান পড়াশোনায় অমনোযোগী হলে তা নিয়ে কার না মন খারাপ হয়? কিন্তু মন খারাপে তো আর সমস্যা দূর হবে না। বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির যুগে বাচ্চারা মোবাইল, ল্যাপটপ গেইমস ইত্যাদি নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করে। গেইমের একেকটা লেভেল পার হওয়ার তুলনায় তাদের কাছে বই পড়া, মুখস্ত করা ইত্যাদি একেবারেই পানশে লাগে।
অন্যদিকে, মন পড়ে থাকলে পড়ায় মনোযোগ ধরে রাখা যায় না। তাছাড়া একটানা বসে পড়তেও ভালো লাগে না ঘণ্টার পর ঘণ্টা। তবে বাবা-মা হিসেবে আমরা সন্তানদের পড়ায় মনোযোগী করে তুলতে কিছু সাহায্য করতে পারি। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কীভাবে

তাদের পড়ায় আরো মনোযোগী করে তোলা যায়:

আনন্দময় করে: শিশুরা আনন্দ চায়। পড়াশোনাও যদি আনন্দময় হয়ে ওঠে তবে তা করতে আগ্রহী হবে আপনার সন্তান। এ কাজটি করার সময় আপনার আচরণই আসল ভূমিকা পালন করে। লেখাপড়া মজাদারভাবে উপস্থাপন করুন। শিশুটি মজা করার আদলে পড়ার কাজটি সারবে।

সঠিক উপায় বেছে নিন: বেশিরভাগ সময় বাচ্চারা মনে করে, লেখাপড়া অন্যান্য ব্যস্ত কাজের মতোই একটি কষ্টকর কাজ। তারা তো বুঝবে না যে, তাদের বড় হয়ে বড় কিছু হতে হলে পড়তে হবে। তাই আপনি যদি শিক্ষা অর্জনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে লেকচার শুরু করেন, তবে তারা একে আরো বিরক্তিকর মনে করবে। তাদের জিজ্ঞাসা করুন, তাদের কী করতে ভালো লাগে? সেই ভালো লাগার সঙ্গে লেখাপড়াকে যোগ করে বোঝানোর চেষ্টা করুন। একটু বুদ্ধি খাটিয়ে বোঝালেই শিশুরা বোঝে।

পুরস্কার: পড়ার জন্য ছোটদের পুরস্কৃত করুন। ঠিক মতো পড়লে দুটো চকলেট কি মন্দ হয়? অথবা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পড়লে ৫ মিনিট খেলার সুযোগ। আর এসবের লোভে ঝটপট পড়ার কাজটা সেরে নেবে বাচ্চারা।

টাইম ঠিক করে নিন: প্রতিদিনের নির্দিষ্ট কাজের জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে নিন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতি রাতে হোম ওয়ার্কের জন্য ৪৫ মিনিট যথেষ্ট সময়। শিশুকেও বলুন যে, তার পড়ার কাজটি অসীম সময় পর্যন্ত নয়। ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে বলুন, এটা বেজে ওঠার আগ পর্যন্ত তাদের পড়তে হবে, তার বেশি নয়।

প্রশংসা করুন: ছোট বা বড় যে কাজই করুক না কেনো, শিশুটিকে উৎসাহ দিন। শিশুরা প্রশংসা বা উৎসাহ পেতে দারুণ ভালোবাসে। কাজেই পড়াশোনার কারণে যদি এই প্রশংসা পাওয়া যায়, তবে তা করতে পিছপা হয় না তারা।

নিজেও পড়ুন: শিশুদের পড়াতে গেলে দেখা যায়, তাদের পড়ে পড়ে পড়ানো হচ্ছে। তা না করে, নিজে বরং অন্যকিছু পড়ুন। আপনার পড়া দেখে শিশুটিও তার পড়া পড়তে উৎসাহ বোধ করবে। আর তার নিজের পড়াটা নিজের করাই উত্তম।

সন্তান আল্লাহ্‌ পাকের পক্ষ থেকে এক বিশেষ নেয়ামাত, এই নেয়ামতের যথাযথ পরিচর্যা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
এর একটা টাইটেল লিখে পোষ্টার বানিয়ে দাও

04/08/2026

#শ্রেণিকক্ষে_প্রবেশের_পর_একজন_শিক্ষকের_অবশ্য -পালনীয় -নিয়মাবলি
একজন শিক্ষককের পড়ানোর উপর নির্ভর করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কতটা ভাল.... সুতরাং নিচের নিয়মগুলো মেনে চলার অনুরোধ করছি প্লিজ
১. হাসিমুখে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করুন।
শিক্ষকের হাসিমুখ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করে।
২. সালাম বা শুভেচ্ছা বিনিময় করুন।
"আসসালামু আলাইকুম" বা "Good Morning" বলে ক্লাস শুরু করুন।
৩. শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও পরিচ্ছন্নতা পর্যবেক্ষণ করুন।
ইউনিফর্ম, পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলার দিকে নজর দিন।
৪. শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ গুছিয়ে নিন।
অপ্রয়োজনীয় শব্দ বন্ধ করুন এবং সবাইকে শেখার উপযোগী পরিবেশে আনুন।
৫. পূর্বের পাঠ সংক্ষেপে পুনরালোচনা করুন।
২–৩ মিনিটে আগের ক্লাসের বিষয় মনে করিয়ে দিন।
৬. আজকের পাঠের উদ্দেশ্য পরিষ্কারভাবে জানান।
শিক্ষার্থীরা যেন জানে আজ তারা কী শিখবে।
৭. সময়মতো পাঠদান শুরু করুন।
অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তায় সময় নষ্ট করবেন না।
৮. সব শিক্ষার্থীকে অংশগ্রহণের সুযোগ দিন।
শুধু মেধাবী নয়, দুর্বল শিক্ষার্থীদেরও প্রশ্ন করুন।
৯. সহজ ও প্রাণবন্ত ভাষায় পাঠদান করুন।
বাস্তব উদাহরণ ব্যবহার করে বিষয়টি বোঝান।
১০. ইতিবাচক ভাষা ব্যবহার করুন।
অপমান, ভয়ভীতি বা কটু কথা পরিহার করুন।
১১. শিক্ষার্থীদের মনোযোগ পর্যবেক্ষণ করুন।
প্রয়োজনে কৌশল পরিবর্তন করে পাঠ আকর্ষণীয় করুন।
১২. প্রশ্ন করতে উৎসাহিত করুন।
শিক্ষার্থীরা যেন নির্ভয়ে প্রশ্ন করতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করুন।
১৩. বোর্ড পরিষ্কার ও সুন্দরভাবে ব্যবহার করুন।
লেখা স্পষ্ট, বড় ও পরিচ্ছন্ন হওয়া উচিত।
১৪. সকল শিক্ষার্থীর প্রতি সমান আচরণ করুন।
কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
১৫. শৃঙ্খলা বজায় রাখুন, তবে মানবিক থাকুন।
শাস্তির পরিবর্তে পরামর্শ ও উৎসাহকে গুরুত্ব দিন।
১৬. সময় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করুন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পাঠ শেষ করার চেষ্টা করুন।
১৭. পাঠ শেষে সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন করুন।
কয়েকটি প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শেখা যাচাই করুন।
১৮. বাড়ির কাজ বা পরবর্তী ক্লাসের নির্দেশনা দিন।
কী প্রস্তুতি নিয়ে আসতে হবে তা পরিষ্কারভাবে বলুন।
১৯. অনুপ্রেরণামূলক একটি বাক্য দিয়ে ক্লাস শেষ করুন।
যেমন: "আজ যা শিখেছ, তা জীবনে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে।"
২০. হাসিমুখে বিদায় জানান।
শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ দিয়ে সুন্দরভাবে ক্লাস শেষ করুন।
একজন আদর্শ শিক্ষকের মূলনীতি
সময়নিষ্ঠ হোন।
সততা ও নৈতিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন।
ধৈর্যশীল ও সহানুভূতিশীল থাকুন।
প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সম্মান করুন।
আজীবন শেখার মানসিকতা বজায় রাখুন।
নজরুল স্যার

ইংরেজি শব্দের সঠিক উচ্চারণের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম (পর্ব–২)ইংরেজি ভাষায় অনেক বর্ণ ও বর্ণসমষ্টির উচ্চারণ শব্দভেদে পরিবর্তিত হ...
03/08/2026

ইংরেজি শব্দের সঠিক উচ্চারণের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম (পর্ব–২)

ইংরেজি ভাষায় অনেক বর্ণ ও বর্ণসমষ্টির উচ্চারণ শব্দভেদে পরিবর্তিত হয়। নিচে বহুল ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ উচ্চারণের নিয়ম উদাহরণ ও বাংলা অর্থসহ দেওয়া হলো।

ক্র.| নিয়ম| উদাহরণ| বাংলা অর্থ
১১| TU একসঙ্গে থাকলে অনেক ক্ষেত্রে "চার/চু/চুয়" (ch) ধ্বনিতে উচ্চারিত হয়।| Future (ফিউচার), Nature (নেচার), Picture (পিকচার)| ভবিষ্যৎ, প্রকৃতি, ছবি
১২| OUGH-এর উচ্চারণ শব্দভেদে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।| Though (দো), Through (থ্রু), Rough (রাফ)| যদিও, মাধ্যমে, খসখসে
১৩| অনেক শব্দে D অনুচ্চারিত (Silent) থাকে।| Wednesday (ওয়েনজডে/ওয়েন্সডে), Handsome (হ্যানসাম)| বুধবার, সুদর্শন
১৪| অনেক শব্দে H অনুচ্চারিত (Silent) থাকে।| Honest (অনেস্ট), Hour (আওয়ার), Heir (এয়ার)| সৎ, ঘণ্টা, উত্তরাধিকারী
১৫| অনেক শব্দে T অনুচ্চারিত (Silent) থাকে।| Castle (ক্যাসেল), Listen (লিসেন), Whistle (হুইসেল)| দুর্গ, শোনা, বাঁশি
১৬| GH শব্দের মধ্যে বা শেষে থাকলে অনেক সময় অনুচ্চারিত থাকে অথবা "ফ" (F) ধ্বনিতে উচ্চারিত হয়।| Light (লাইট), High (হাই), Laugh (লাফ)| আলো, উচ্চ, হাসি
১৭| অনেক ইংরেজি শব্দের শেষে E অনুচ্চারিত (Silent) থাকে; তবে এটি আগের স্বরধ্বনিকে দীর্ঘ (Long Vowel) করতে সাহায্য করে।| Hope (হোপ), Time (টাইম), Make (মেইক)| আশা, সময়, তৈরি করা
১৮| C-এর পরে E, I, Y থাকলে সাধারণত "স" (S) ধ্বনিতে উচ্চারিত হয়।| City (সিটি), Cell (সেল), Cycle (সাইকেল)| শহর, কোষ, সাইকেল
১৯| C-এর পরে A, O, U থাকলে সাধারণত "ক" (K) ধ্বনিতে উচ্চারিত হয়।| Cat (ক্যাট), Cup (কাপ), Cold (কোল্ড)| বিড়াল, কাপ, ঠান্ডা
২০| G-এর পরে E, I, Y থাকলে সাধারণত "জ" (J) ধ্বনিতে উচ্চারিত হয়।| Giant (জায়ান্ট), Gentle (জেন্টল), Gym (জিম)| দৈত্য, নম্র, ব্যায়ামাগার

মনে রাখুন

- এগুলো ইংরেজি উচ্চারণের সাধারণ নিয়ম। সব শব্দ এই নিয়ম অনুসরণ করে না।
- বিশেষ করে OUGH-এর উচ্চারণ একাধিক রকম হতে পারে। তাই নতুন শব্দ শেখার সময় অভিধান বা নির্ভরযোগ্য উচ্চারণ উৎস ব্যবহার করা উত্তম।
- ইংরেজি উচ্চারণে অনেক Silent Letter (অনুচ্চারিত বর্ণ) রয়েছে। এগুলো নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে সহজে আয়ত্ত করা যায়।

01/08/2026

"বাচ্চাকে রাগের মাথায় একটু-আধটু বকা দেওয়া বা 'তুমি কিচ্ছু পারো না' বলা তো সাধারণ ব্যাপার, ও আবার এসব কী মনে রাখবে!" 🛑 আমাদের চারপাশের মানুষের এই চেনা ধারণাই কিন্তু বাচ্চার মেধা ধ্বংস করে দিচ্ছে। বিজ্ঞান বলছে, আমাদের বলা প্রতিটা শব্দই ওর সারা জীবনের ভেতরের কণ্ঠস্বর হয়ে যাচ্ছে!

আমরা অনেক সময় রাগের মাথায় বা হতাশ হয়ে আমাদের বাচ্চাকে বলে ফেলি, "তুমি এত ধীরগতি কেন?", "তোমার দ্বারা কিচ্ছু হবে না", কিংবা "তুমি একটা খুব বাজে বাচ্চা"। আমরা ভাবি ও তো ছোট মানুষ, এই কথাগুলো ও এমনিতেই ভুলে যাবে।

কিন্তু চাইল্ড সাইকোলজি আর কগনিটিভ ডেভেলপমেন্টের আসল সত্যটা জানলে আপনি চমকে যাবেন।

চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট সায়েন্স বলছে, ছোটবেলায় মা-বাবার বলা প্রতিটা কথা আর মুখের ভাষা বাচ্চার অবচেতন মন প্রসেস করে নেয়। পরবর্তীতে ও যখন বড় হয়, তখন যেকোনো ভুল বা কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে ওর ব্রেইন ঠিক মায়ের সেই কণ্ঠটাকেই নিজের 'ইনার ভয়েস' বা ভেতরের কথা হিসেবে শুনতে পায়।

আমাদের মুখের ভাষা কীভাবে বাচ্চার মনস্তাত্ত্বিক ভবিষ্যৎ তৈরি করে, চলুন খুব সহজে জেনে নিই:

🗣️ আত্মবিশ্বাস বনাম ভয়: আমরা যখন বলি "তুমি তো সবসময় ভুল করো", তখন বড় হয়ে ও যেকোনো নতুন কাজ করতেই ভয় পাবে। আর আমরা যদি বলি "ভুল হওয়া স্বাভাবিক, চলো আবার চেষ্টা করি", তখন ওর ভেতরে কাজ সম্পন্ন করার অদম্য সাহস তৈরি হবে।

🧠 আত্মসমালোচনা ও বিষণ্ণতা: বাচ্চার সাথে অতিরিক্ত নেতিবাচক বা কটু ভাষায় কথা বললে ও বড় হয়ে নিজের প্রতি চরম নির্মম ও অপরাধবোধে ভোগা একজন মানুষ হয়ে উঠতে পারে।

🛡️ সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা: বিপদের মুখে আমরা ওকে যেভাবে শান্ত বা আশ্বস্ত করি, ও সারাজীবন সেই কৌশলটি ব্যবহার করেই নিজের জীবনের কঠিন পরিস্থিতিগুলো সামলাবে।

তাই আমাদের বাচ্চার কোনো ভুল বা দুষ্টুমিতে মেজাজ হারালেও ওর চরিত্র বা যোগ্যতা নিয়ে আঘাত না করে, স্রেফ ওর ভুল আচরণটা নিয়ে শান্তভাবে কথা বলুন।

আজ আমরা যেভাবে ওর সাথে কথা বলবো, সেটাই বড় হয়ে ওর ভেতরের সবচেয়ে বড় শক্তি আর ভালো বন্ধু হয়ে উঠবে। 💡✨

Address

Jibonpur, Mohimaganj
Rangpur
4751

Telephone

+8801912429269

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আন নূর শিশু একাডেমি মহিমাগঞ্জ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to আন নূর শিশু একাডেমি মহিমাগঞ্জ:

Shortcuts

Share

Category