Haragach Multilateral High School

Haragach Multilateral  High School One of the famous & Historical School in Kawnia Upazilla,Rangpur

****************হারাগাছ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাস****************

হারাগাছস্থ খান বংশীয় খান সাহেব আছিমুদ্দিন দালাল তার পিতা বন্দে আলী মিয়ার নামে ধুমগাড়া গোলাহাটে প্রতিষ্ঠা করেন “বন্দে আলী জুনিয়ার মাদ্রাসা”।এটি তিনি পরবর্তীতে সারাই হক বাজার এলাকায় পাবলিক মাঠ সংলগ্ন রাস্তার পশ্চিম পার্শ্বে স্থানান্তরিত করেন এবং ইহাকে নিউ স্কীমভূক্ত “হারাগাছ সিনিয়র মাদ্রাসা” নামে প্রতিষ্ঠা করেন। পরে উহার বর্তমান

অবস্থানে(হারাগাছ হাইস্কুল) স্থানান্তরিত করা হয়। এই মাদ্রাসার জন্য সমূদয় জমি দান করেন প্রামাণিক বংশীয়-

*তমিজ উদ্দিন প্রামাণিক
*মফিজ উদ্দিন প্রামাণিক
*আলহাজ আব্দুল হামিদ প্রামাণিক ও
*আঃ হক প্রামাণিক ভ্রাতৃগণ

সমুদয় আসবাবপত্র দান করেন-

*জিয়ারতুল্যা সাহেব

খান সাহেব নিজেই উহার পাকা মেঝে সহ টিনের বেড়াযুক্ত বিরাট ভবনটি নির্মাণ করে দেন।
তৎকালে সারা পূর্ব বঙ্গে এই স্কীমভূক্ত একটি মাত্র মাদ্রাসাই ছিল তা হলো এই হারাগাছ সিনিয়র মাদ্রাসা। এই মাদ্রাসায় এতদঞ্চলের ও দেশ-বিদেশের বহু ছাত্র লেখাপড়া করত। খান সাহেব আছিমুদ্দিন স্বীয় প্রচেষ্টায় বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিজ্ঞ ও ভাল শিক্ষক খুজে এনে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করতেন।
খান সাহেব অছিমুদ্দিনের মৃত্যুর পর কিছুকাল যাবত হারাগাছ হাই মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা ও পরিচালনা সঠিকভাবে চললেও ধীরে ধীরে এর ব্যবস্থাপনায় ও শিক্ষাদান ক্ষেত্রে শিথিল অবস্থার সৃষ্টি হতে থাকে।
১৯৪৭ এর পরবর্তীতে মুসলিম লীগ ভেঙ্গে একটি অংশ(মৌলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শেরে বাংলা, হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী প্রমুখ) আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন করে। ডাঃ আব্দুল হামিদ খন্দকার সাহেব এই নতুন দলে সম্পৃক্ত হন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পাশাপাশি সামাজিক পট পরিবর্তন ঘটে এবং এই রাজনৈতিক তৎপরতার ব্যপ্তি ঘটাবার জন্যই ডাঃ আব্দুল হামিদ খন্দকার সাহেব “হারাগাছ হাই মাদ্রাসা”-টিকে “আছিমুদ্দিন মেমোরিয়াল হাই স্কুল” নামে রূপান্তরিত করার প্রস্তাব দেন। প্রস্তাব গৃহীত না হওয়ায় একটি নতুন হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাজী জিয়ারতুল্যা সাহেবের পুত্র রইচ উদ্দিন আহম্মেদ ও সামসুদ্দিন আহম্মেদের বাসভবনের পরিত্যক্ত বিরাট গুদামঘরে “হারাগাছ হাই স্কুল” নামে একটি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়।
১৯৫০ সালের পর এদেশের মানুষের কাছে আরবী ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি একটা অনীহার ভাব ফুটে উঠে,ছাত্র ও অবিভাবকেরা ইংরেজী ও সাধারণ শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠে। এমনকি এ সময়েই দু’চারটি অভিজাত পরিবার ধর্মের গোঁড়ামির বেড়া ভেঙ্গে শিক্ষার জন্য মেয়েদেরকে হাই মাদ্রাসায় পাঠাতে শুরু করেন। ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার শিথিলতার কারণে হারাগাছ হাই মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে, ছাত্র সংখ্যা কমতে থাকে, উপযুক্ত শিক্ষকের ওভাব প্রকট হয়ে দেখা দেয়।
অপরদিকে ডাঃ আঃ হামিদের ভ্রাতা খন্দকার আঃ বারী সাহেবকে, যিনি একজন সুযোগ্য ও নামকরা প্রধান শিক্ষক হিসেবে খ্যাত ছিলেন, এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। ১৯৫৯ সালে ইহার গোড়া পত্তন হয় ও ১৯৬০ সালে এই স্কুলটি যথারীতি অনুমোদন লাভ করে।
এই সময়ে মুসলিম লীগ ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও তৎপরতা হানাফী-মোহাম্মদী কোন্দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে। হারাগাছ হাই মাদ্রাসার শুভাকাঙ্কী কর্তৃপক্ষ হারাগাছ হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার পর সচেতন ও তৎপর হয়ে উঠেন এবং তারাও মাদ্রাসা শিক্ষার পরিবর্তে সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালান এবং ফলশ্রুতিতে তারা ঊর্ধ্বতন শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সহায়তায় নব প্রতিষ্ঠিত হারাগাছ হাই স্কুলটিকে স্থানান্তরিত করে নিয়ে হারাগাছ হাই মাদ্রাসার সঙ্গে একীভূত করেন এবং হারাগাছ হাই মাদ্রাসাটিকে হাই স্কুল রূপে রূপান্তরিত করেন। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশে ক্রমে হারাগাছ হাই মাদ্রাসার বিলুপ্তি ঘাটে। জন্ম নেয় আজকের “হারাগাছ হাইস্কুল”।

তথ্যসূত্রঃ মোঃ আবুল কাসেম কর্তৃক রচিত “হামার দ্যাশ হারাগাছ(প্রথম খন্ড)”

07/12/2013

¶ অনুগ্রহ পূর্বক পেজটাতে একটা করে লাইক দিবেন। পারলে সব হারাগাছি/নন-হারাগাছি দেরকে লাইক দেয়ার জন্য ইনভাইট এন্ড শেয়ার করবেন।। আপনাদের সকলের সুস্বাস্থ কামনা করছি......
https://www.facebook.com/aushcyberlibrary

AUSH একটি অরাজনৈতিক এবং অলাভজনক সংগঠন।

02/05/2013

**********হারাগাছ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাস**********

হারাগাছস্থ খান বংশীয় খান সাহেব আছিমুদ্দিন দালাল তার পিতা বন্দে আলী মিয়ার নামে ধুমগাড়া গোলাহাটে প্রতিষ্ঠা করেন “বন্দে আলী জুনিয়ার মাদ্রাসা”।এটি তিনি পরবর্তীতে সারাই হক বাজার এলাকায় পাবলিক মাঠ সংলগ্ন রাস্তার পশ্চিম পার্শ্বে স্থানান্তরিত করেন এবং ইহাকে নিউ স্কীমভূক্ত “হারাগাছ সিনিয়র মাদ্রাসা” নামে প্রতিষ্ঠা করেন। পরে উহার বর্তমান অবস্থানে(হারাগাছ হাইস্কুল) স্থানান্তরিত করা হয়। এই মাদ্রাসার জন্য সমূদয় জমি দান করেন প্রামাণিক বংশীয়-

*তমিজ উদ্দিন প্রামাণিক
*মফিজ উদ্দিন প্রামাণিক
*আলহাজ আব্দুল হামিদ প্রামাণিক ও
*আঃ হক প্রামাণিক ভ্রাতৃগণ

সমুদয় আসবাবপত্র দান করেন-

*জিয়ারতুল্যা সাহেব

খান সাহেব নিজেই উহার পাকা মেঝে সহ টিনের বেড়াযুক্ত বিরাট ভবনটি নির্মাণ করে দেন।
তৎকালে সারা পূর্ব বঙ্গে এই স্কীমভূক্ত একটি মাত্র মাদ্রাসাই ছিল তা হলো এই হারাগাছ সিনিয়র মাদ্রাসা। এই মাদ্রাসায় এতদঞ্চলের ও দেশ-বিদেশের বহু ছাত্র লেখাপড়া করত। খান সাহেব আছিমুদ্দিন স্বীয় প্রচেষ্টায় বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিজ্ঞ ও ভাল শিক্ষক খুজে এনে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করতেন।
খান সাহেব অছিমুদ্দিনের মৃত্যুর পর কিছুকাল যাবত হারাগাছ হাই মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা ও পরিচালনা সঠিকভাবে চললেও ধীরে ধীরে এর ব্যবস্থাপনায় ও শিক্ষাদান ক্ষেত্রে শিথিল অবস্থার সৃষ্টি হতে থাকে।
১৯৪৭ এর পরবর্তীতে মুসলিম লীগ ভেঙ্গে একটি অংশ(মৌলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শেরে বাংলা, হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী প্রমুখ) আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন করে। ডাঃ আব্দুল হামিদ খন্দকার সাহেব এই নতুন দলে সম্পৃক্ত হন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পাশাপাশি সামাজিক পট পরিবর্তন ঘটে এবং এই রাজনৈতিক তৎপরতার ব্যপ্তি ঘটাবার জন্যই ডাঃ আব্দুল হামিদ খন্দকার সাহেব “হারাগাছ হাই মাদ্রাসা”-টিকে “আছিমুদ্দিন মেমোরিয়াল হাই স্কুল” নামে রূপান্তরিত করার প্রস্তাব দেন। প্রস্তাব গৃহীত না হওয়ায় একটি নতুন হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাজী জিয়ারতুল্যা সাহেবের পুত্র রইচ উদ্দিন আহম্মেদ ও সামসুদ্দিন আহম্মেদের বাসভবনের পরিত্যক্ত বিরাট গুদামঘরে “হারাগাছ হাই স্কুল” নামে একটি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়।
১৯৫০ সালের পর এদেশের মানুষের কাছে আরবী ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি একটা অনীহার ভাব ফুটে উঠে,ছাত্র ও অবিভাবকেরা ইংরেজী ও সাধারণ শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠে। এমনকি এ সময়েই দু’চারটি অভিজাত পরিবার ধর্মের গোঁড়ামির বেড়া ভেঙ্গে শিক্ষার জন্য মেয়েদেরকে হাই মাদ্রাসায় পাঠাতে শুরু করেন। ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার শিথিলতার কারণে হারাগাছ হাই মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে, ছাত্র সংখ্যা কমতে থাকে, উপযুক্ত শিক্ষকের ওভাব প্রকট হয়ে দেখা দেয়।
অপরদিকে ডাঃ আঃ হামিদের ভ্রাতা খন্দকার আঃ বারী সাহেবকে, যিনি একজন সুযোগ্য ও নামকরা প্রধান শিক্ষক হিসেবে খ্যাত ছিলেন, এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। ১৯৫৯ সালে ইহার গোড়া পত্তন হয় ও ১৯৬০ সালে এই স্কুলটি যথারীতি অনুমোদন লাভ করে।
এই সময়ে মুসলিম লীগ ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও তৎপরতা হানাফী-মোহাম্মদী কোন্দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে। হারাগাছ হাই মাদ্রাসার শুভাকাঙ্কী কর্তৃপক্ষ হারাগাছ হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার পর সচেতন ও তৎপর হয়ে উঠেন এবং তারাও মাদ্রাসা শিক্ষার পরিবর্তে সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালান এবং ফলশ্রুতিতে তারা ঊর্ধ্বতন শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সহায়তায় নব প্রতিষ্ঠিত হারাগাছ হাই স্কুলটিকে স্থানান্তরিত করে নিয়ে হারাগাছ হাই মাদ্রাসার সঙ্গে একীভূত করেন এবং হারাগাছ হাই মাদ্রাসাটিকে হাই স্কুল রূপে রূপান্তরিত করেন। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশে ক্রমে হারাগাছ হাই মাদ্রাসার বিলুপ্তি ঘাটে। জন্ম নেয় আজকের “হারাগাছ হাইস্কুল”।

তথ্যসূত্রঃ মোঃ আবুল কাসেম কর্তৃক রচিত “হামার দ্যাশ হারাগাছ(প্রথম খন্ড)”

Address

Haragach;Kawnia
Rangpur
5441

Opening Hours

Monday 08:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 17:00
Thursday 08:00 - 17:00
Saturday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Haragach Multilateral High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share