Introduction
HSC স্টুডেন্টদের ICT বিষয় বইটি শুধু মুখস্থ করার জন্য নয় বরং এটি পড়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রাকটিক্যাল জ্ঞান অর্জন করার জন্য যেখানে HTML, সি প্রোগ্রাম ও ডাটাবেজের ( যেমন-MS-Access, SQL)মত বিষয় আছে যা জানার জন্য বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ দক্ষ ট্রেইনার নাই আর একারণেই আমাদের এই HSC স্টুডেন্টদের জন্য এই কোর্সটি চালু করা। এর ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের ICT বিষয়ে A+ পেতে সহায়ক হবে আর সরকারের যে উদ্দেশ্য নিয়ে HSC স্টুডেন্টদের ICT বিষয় চালু করেছে তা বাস্তবায়ন হবে।
Methodology
Interactive Lecture, PowerPoint Presentation, Video Demo, Practice, Question and answer session.
Contents of Training:
প্রথম অধ্যায় : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত
১)বিশ্বগ্রামের প্রাথমিক ধারণা
২)বিশ্বগ্রামের সুবিধা এবং বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার প্রধান উপাদানসমূহ
৩)বিশ্বগ্রাম ধারণা সংশ্লিষ্ট উপাদানসমূহ যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, শিক্ষা,চিকিৎসা, গবেষণা,অফিস, বাসস্থান, ব্যবসায়-বাণিজ্য সংবাদ,বিনোদন ও সামাজিক যোগাযোগ,সাংস্কৃতিক বিনিময়
৪)ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, প্রাত্যহিক জীবনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব
৫)তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাম্প্রতিক প্রবণতা
৬)কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স
৭)এক্সপার্ট সিস্টেম, রবোটিকস, ক্রায়োসার্জারি,মহাকাশ অভিযান
৮)আইসিটি নির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা
৯)প্রতিরক্ষা,বায়োমেট্রিক্স,বায়োইনফরমেট্রিক্স, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ন্যানো টেকনালোজি
১০)তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের নৈতিকতা
১১)কম্পিউটার ইথিকস বা নীতিশাস্ত্র
১২)সমাজ জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রভাব এবং নেতিবাচক প্রভাব বা কুফল
১৩)তথ্য ও যােগাযোগ প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন
দ্বিতীয় অধ্যায় : কমিউনিকেশন সিস্টেম এবং নেটওয়ার্কিং
১)কমিউনিকেশন সিস্টেম, কমিউনিকেশন সিস্টেমের ধারণা
২)ডেটা কমিউনিকেশনের ধারণা, ডেটা কমিউনিকেশনের উপাদান
৩)ব্যান্ড উইডথ : ডেটা ট্রান্সমিশন, ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড
৪)ডেটা চলাচলের মোড, ডেটা কমিউনিকেশন মধ্যম
৫)তার বা ক্যাবল, কো-এক্সিয়াল ক্যাবল, টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
৬)অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বা কই মসক
৭)টেলিফোন, তারবিহীন বা ওয়্যারলেস মাধ্যম
৮)রেডিও ওয়েভ বা বেতার তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ, ইনফ্রারেড
৯)ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম, ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের প্রয়োজনীতা।
১০)ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের প্রকারভেদ, ওয়ারলেস ইন্টারনেট অ্যাক্সেস পয়েন্ট
১১)ওয়াইফাই, ওয়াইম্যাক্স, মোবাইল যোগাযোগ, সেলুলার টেলিফোন বা মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক
১২)বিভিন্ন প্রজনের মোবাইল, মোবাইল /সেলুলার ফোনের প্রকারভেদ
১৩)সেলুলার টেলিফোন বা মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ত, মোবাইল ইন্টারনেট
১৪)কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং, নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ, নেটওয়ার্ক ডিভাইস বা যন্ত্রপাতি
১৫)নেটওয়ার্ক টপোলজি ক্লাউড কম্পিউটিং এর ধারনা
তৃতীয় অধ্যায় : সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস
১ম অংশ : সংখ্যা পদ্ধতি।
১)সংখ্যা পদ্ধতির ধারণা, সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ
২)সংখ্যার পদ্ধতির রূপান্তর, সংখ্যা পদ্ধতি রূপান্তরের গাণিতিক সমস্যা ও তার সমাধান
৩)বাইনারি যোগ বিয়োগ
৪)চিহ্নিত সংখ্যা বা সাইন্ড নাম্বার, ২-এর পরিপূরক
৫)কোড, অ্যাসকি(ASCII) কোডের সারণি
২য় অংশ : ডিজিটাল ডিভাইস
১) বুলিয়ান অ্যালজেবরা ও ডিজিটাল ডিভাইস, বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ
২) বুলিয়ান উপপাদ্য, লজিক ফাংশন সরলীকরণ
৩) সত্যক সারণি, ডি-মরগ্যানের উপপাদ্য
৪) মৌলিক লজিক গেইট,বিশেষ গেইট, সার্বজনীন গেইট
৫) লজিক্যাল ফাংশন থেকে লজিক্যাল সার্কিটে রূপান্তর
৬) এনকোডার ও ডিকোডার।
৭)অ্যাডার (Adder),, ফ্লিপ-ফ্লপ, রেজিস্টার, কাউন্টার
চতর্থ অধ্যায় : ওয়েব ডিজাইন পরিচিতি এবং HTML
১) ওয়েব ডিজাইনের ধারণা, ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইট, ওয়েব পোর্টাল
২) আইপি অ্যাড্রেস, ডমেইন ও সাব- ডমেইন
৩) ওয়েব অ্যাড্রেস, ওয়েব ব্রাউজার
৪) ওয়েব সাইটের প্রকারভেদ, ওয়েব সাইটের কাঠামো
৫) HTML এর মৌলিক বিষয়সমূহ
৬) এইচটিএমল (HTML) এর ধারণা, HTML এর সুবিধা-অসুবিধা
৭) HTML ট্যাগ ও সিনটেক্স পরিচিতি, HTML বেসিক বা মৌলিক ট্যাগ।
৮) ওয়েব পেজ তৈরির কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্যাগের নাম ও গঠন, ওয়েব পেজ তৈরির গুরুত্বপূর্ণ ট্যাগের নাম
৯) এইচটিএমএল ফরমেটিং, ওয়েব পেজে অনুচ্ছেদ বা প্যারাগ্রাফ তৈরী
১০) হাইপারলিংক (Hyperlinks), ব্যানারসহ চিত্র যোগ করা
১১) টেবিল (Table),
ট্যাগের ব্যবহার
১২) HTML নকশা ও কাঠামো লে-আউট, ওয়েব সাইট ডিজাইনিং এবং পাবলিশিং
পঞ্চম অধ্যায়। প্রথম অংশ : প্রোগ্রামেরধারণা, অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট
১) প্রোগ্রামের ধারণা, প্রোগ্রামিং, প্রোগ্রামিংও প্রোগ্রামিং ভাষা
২) প্রোগ্রামেরভাষার স্তর- নিম্নস্তরের ভাষা, অ্যাসেম্বলি ভাষা, মধ্যস্তরের ভাষা, উচ্চস্তরের ভাষা।
৩) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা
৪) কয়েকটি উচ্চস্তরের ভাষার পরিচিতি
৫) অনুবাদক প্রোগ্রাম , একটি প্রোগ্রামেরসংগঠন
৬) প্রোগ্রাম তৈরির ধাপসমূহ, আদর্শ প্রোগ্রাম ও তার গুণাবলি
৭) অ্যালগরিদম (Algorithm), ফ্লোচার্ট (Flowchart) বা প্রবাহ চিত্র, ফ্লোচার্ট এর মৌলিক গঠন
৮) অ্যালারিদম ও ফ্লোচার্ট উদাহরন
৯) প্রোগ্রাম ডিজাইন, প্রোগ্রামিং মডেল (Programing Model)
দ্বিতীয় অংশ : সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
১) সি- প্রোগ্রামিং য়ের প্রাথমিক ধারণা, সি++ প্রোগ্রামিং ভাষা
২) সি- প্রোগ্রামিং ভাষার সুবিধা-অসুবিধা
৩) সি-ল্যাংগুয়েজে প্রোগ্রাম ডিবাগ, লিংক, কম্পাইল করার ধারণা
৪) সি- প্রোগ্রামের গঠন
৫) একটি প্রোগ্রামের সাহায্যে সি প্রোগ্রাম এর বেসিক স্ট্রাকচারের বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করা
৬) একটি হেডার ফাইলে কোন কোন লাইব্রেরি ফাংশন ব্যবহৃত হয়
৭) সি ল্যাংগুয়েজ প্রোগ্রাম তৈরি, সি- প্রোগ্রামে ডেটা ও ডেটার প্রয়োজনীয়তা
৮) ডেটা টাইপ (Data Type), ধ্রুবক ও চলক।
৯) ধ্রুবক বা কনস্ট্যান্ট (Constant), চলক বা ভেরিয়াবল (variable), চলকের প্রকারভেদ
১০) ডেটা টাইপ ঘোষণার পদ্ধতি
১১) চলক বা ভেরিয়াবল গঠনের নিয়মাবলি
১২) কী-ওয়ার্ড (Key word)।
১৩) সি প্রোগ্রামের রাশিমালা বা এক্সপ্রেশন, সি প্রোগ্রামের অপারেটর।
১৪) স্টেটমেন্ট (Statement), ইনপুট ও আউটপুট স্টেটমেন্ট।
১৫) ইনপুট স্টেটমেন্ট (বা কী বোর্ড হতে ডেটা ইনপুট করার স্টেটমেন্ট)
১৬) if, )if ...else, nested if, else if
১৭) লুপ (Loop) কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট, লুপিং এর শ্রেণিবিভাগ, লুপ কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট
১৮) অ্যারে (Array), অ্যারের প্রকারভেদ বা ভাইমেনশ, অ্যারে ঘোষণার পদ্ধতি
১৯) ফাংশন।, সি প্রোগ্রামে ফাংশন ডিকেয়ারেশনের পদ্ধতি
ষষ্ঠ অধ্যায় : ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
১) ডেটাবেজ তৈরি, ডেটাবেজ ডিজাইন
২) ডেটা টাইপ, ডেটাবেজের টেবিল স্ট্রাকচার তৈরি ও সংত্যক্ষণ
৩) ডেটাবেজের কাঠামো বা স্ট্রাকচার পরিবর্তন
৪) ডেটাবেজে নতুন রেকর্ড যোগ করা
৫) কুয়েরি (Query), কুয়েরির প্রকারভেদ,, কুয়েরী ভাষা
৬) SQL Query (Structured Query Language -SQL)
৭) ডেটাবেজ ইনডেক্সিং এবং সটিং
৮) সম্পর্কযুক্ত ডেটাবেজ বা সম্পর্কযুক্ত ডেটাবেজ মডেল
৯) এনটিটি রিলেশনশীপ মডেল (E-R Model)
১০) ডেটাবেজ রিলেশন/রিলেশনশীপ, ডেটাবেজের ব্যবহার।
১১) ডেটা সিকিউরিটি (Data Security), ডেটা ইনক্রিপশন
ITDeal Academy
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ITDeal Academy, Educational consultant, House 18, Dhap Rangpur, Rangpur.
*** তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা ICT কি?
-- ICT এর পূর্ণ অর্থ Information and Communication Technology অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা ICT কি? জানতে হলে, আমাদের আগে জানতে হবে তথ্য প্রযুক্তি কি এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি কি?
-- তথ্য প্রযুক্তি (Information Technology):
যে প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য দ্রুত আহরণ, প্রয়োজন অনুযায়ী সংরক্ষণ, আধুনিকীকরণ, ব্যবস্থাপনা এবং বিতরণ করা হয় তাকে তথ্য প্রযুক্তি বলে। তথ্য প্রযুক্তিকে Infomation Technology বা It বলা হয়।
-- যোগাযোগ প্রযুক্তি (Communication Technology):
কম্পিউটারের উপর নির্ভর করেই সারা বিশ্বের যোগাযোগ বাবস্থা গড়ে উঠেছে। তথ্যকে অন্য স্থানে এক বা একাধিক কম্পিউটার থেকে অন্য ডিভাইসে আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে যোগাযোগ প্রযুক্তি বলে।
আমারা তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সংজ্ঞা হতে বলতে পারি ICT কি। অর্থাৎ তথ্য প্রযুক্তির সাথে যোগাযোগ প্রযুক্তি ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা Information and Communication Technology বলা হয়। তথ্য প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আধুনিক টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট বাবস্থা।
03/08/2018
→সংখ্যাপদ্ধতি এবং সংখ্যা যখন তৈরি হয়েছিল তখন একটা প্রশ্ন ছিল সকল বিজ্ঞানীর মাঝে যে 0 কে 0, 1 কে 1, 2 কে 2, 3 কে 3, 4 কে 4, 5 কে 5 .. .. .. .. .. 9 কে 9 বলা হয় কেনো এবং 2 কে কেনো 5 বলা হয় না কেনো?
=> সেই প্রশ্নের উত্তর ছিল এঙ্গেল (Angles)....!
তখন সকলে চমকে বলেন এঙ্গেল (Angles) দ্বারা এটা কিভাবে সম্ভব.....! তখন তারা দেখিয়েছিলেন এভাবে
প্রশ্নঃ রিজার্ভেশন সিস্টেম ( Reservation System ) কাকে বলে?
উত্তরঃ
যোগাযোগ ক্ষেত্রে রিজার্ভেশন সিস্টেম বর্তমানে বহুল প্রচলিত। ইলেক্ট্রনিক উপায়ে আসন বিন্যস্ত করাকে রিজার্ভেশন সিস্টেম বলে।
যেমনঃ বিমান, রেলওয়ে, দূরপাল্লার বাস, হোটেলের সীট অগ্রিম বুকিং ইত্যাদি।
অথবা,
রিজার্ভেশন সিস্টেম হলো ইলেকট্রনিক উপায়ে আসন সংরক্ষণ ব্যবস্থা। প্লেনে, বাসে, ট্রেনে, হোটেলে নির্ধারিত পরিমাণ আসন থাকে আর সেসব আসন বরাদ্দ করার ব্যবস্থা থাকে। প্রচলিত পদ্ধতিতে কাগজে ছক কেটে আসন বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু দূর-দূরান্ত থেকে বরাদ্দ করার আসন ব্যবস্থা প্রচলিত পদ্ধতিতে থাকে না। যে সিস্টেম ব্যবহার করে দূর-দূরান্ত থেকে বরাদ্দ কাজ সম্পন্ন করা যায় তাকে রিজার্ভেশন সিস্টেম বলা হয়।
এয়ার লাইন ও হোটেল রিজার্ভেশন সিস্টেমের জন্য ওয়াইড এরিয়া কম্পিউটার নেটওয়ার্ক (WAN) ব্যবহার করা হয়। এ জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এয়ার লাইনের অফিস, হোটেল ও ট্রাভেল এজেন্টের অফিসে কম্পিউটার টারমিনাল ব্যবহার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের SABRE সিস্টেম বিমানের সিট রিজার্ভেশনের জন্য ব্যবহৃত এমন একটি পদ্ধতি। এসব রিয়েল টাইম ওয়াইড এরিয়া ডেটা ও কম্পিউটার যোগাযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করে তাৎক্ষণিকভাবে বিমান অথবা হোটেলে খালি সিটের অবস্থা জেনে নেওয়া সম্ভব।
ফলে দক্ষভাবে বিমান বা হোটেলের সিট ব্যবহার করা সম্ভব হয়। বাংলাদেশ বিমান এবং রেলওয়ে কম্পিউটারভিত্তিক এই রিজার্ভেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করে থাকে।
রিজার্ভেশন সিস্টেমের জন্য যা যা ব্যবহার করতে হয়-
* কম্পিউটার
* মডেম
* টেলিফোন লাইন
* ইন্টারনেট সংযোগ
* বিশেষ সফটওয়্যার।
Q: HSC ICT Chapter-1
প্রস্নঃ ই-মেইল (E- Mail ) কী ? ( Q Cha 1)
উঃ ই-মেইল হল ইলেকট্রিক মেইল ( ElectronicMail ) এর সংক্ষিপ্ত রূপ । ই-মেইল হল কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদান করার প্রক্রিয়া ।
অথবা,
ElectronicMail কে সংক্ষেপে E- Mail বলা হয়। এটি একটি উন্নত ও দ্রুত বৈদ্যুতিক ডাক ব্যবস্থা । এটি এমন একটি নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা যার মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে তাৎক্ষনিক ভাবে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে সংবাদ আদান প্রদান করা যায়।
কয়েকটি Mail Address হচ্ছে gmail, yahoo, Hotmail, outlook, zoho, yandex, proton, icloud ইত্যাদি ।
আবিষ্কারকঃ ১৯৭১ সালে রে টমলিনসন(Ray Tomlinson) Arpanet এর মাধ্যমে E- Mail প্রেরন করেন এবং @ চিহ্ন প্রথম ব্যবহার করেন।
**************Data Communication & Networking ***********
০১। কোন ডেটাকে একস্থান থেকে অন্যস্থানে স্থানান্তরকে কী বলে?
উত্তর ঃ ডেটা কমিউনিকেশন।
০২। কম্পিউটার প্রসেসিং করার জন্য ডেটাকে কীসে রূপান্তর করা হয়?
উত্তর ঃ ডিজিটাল সংকেত এ।
০৩। ডেটা কমিউনিকেশন প্রক্রিয়ায় কয়টি পক্ষের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান হয়ে থাকে?
উত্তর ঃ দুটি।
০৪। ডেটা কমিউনিকেশন প্রক্রিয়ায় কয়টি উপাদান আছে?
উত্তর ঃ ৫টি।
০৫। একস্থান হতে অন্যস্থানে ডেটা স্থানান্তরের হারকে কী বলে?
উত্তর ঃ ব্যান্ডউইড্থ।
০৬। ব্যান্ডউইড্থ এর অপর নাম কী?
উত্তর ঃ ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড।
০৭। প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে কী বলে?
উত্তর ঃব্যান্ডউইড্থ।
০৮। ব্যান্ডউইড্থ কে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
উত্তর ঃ তিন।
০৯। ন্যারোব্যান্ড এর গতির পরিমাণ কত?
উত্তর ঃ ৪৫ থেকে ৩০০ নঢ়ং পর্যন্ত।
১০। ন্যারোব্যান্ড কোথায় ব্যবহার করা হয়?
উত্তর ঃ টেলিগ্রাফিতে।
১১। ভয়েসব্যান্ড এর গতির পরিমাণ কত?
উত্তর ঃ ৯৬০০ নঢ়ং পর্যন্ত।
১২। কম্পিউটার থেকে প্রিন্টার ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোন ব্যান্ডউইড্থ ব্যবহার করা হয়?
উত্তর : ভয়েসব্যান্ড
১৩। ব্রড ব্যান্ডের গতির পরিমাণ কত?
উত্তর ঃ ১ মেগাবিট পারসেকেন্ড বা সনঢ়ং হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত।
১৪। ব্রড ব্যান্ড কীসে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর ঃ কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডেটা স্থানান্তরে।
১৫। স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কিউনিকেশনে কোন ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়?
উত্তর ঃ ব্রড ব্যান্ড।
১৬। ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড পদ্ধতিকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
উত্তর ঃ তিন ভাগে।
১৭। যে ডেটা ট্রান্সমিশন প্রেরক হতে ডেটা গ্রাহকের কাছে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেকক্টার ট্রান্সমিট হয় তাকে কোন ট্রান্সমিশন বলে?
উত্তর ঃ এসিনক্রোসান ট্রান্সমিশন।
১৮। এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে কয়টি ক্যারেক্টার থাকে?
উত্তর ঃ ৮ বিট ক্যারেক্টার।
১৯। সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের প্রতিটি ব্লকে কয়টি ক্যারেক্টার থাকে?
উত্তর ঃ ৮০ থেকে ১৩২ টি।
২০। সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের উন্নত সংস্ককরণ কী বলে?
উত্তর ঃ আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
House 18, Dhap Rangpur
Rangpur
1200