আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! Md Solyman Jkt, Md Liton Sarkar, Md Akramul
Math & ICT Batch
যে কখনও ভুল করেনা। সে নতুন কিছু করার চেষ্টা করে না।🥰
21/09/2024
#ক্যাডেট কলেজ ভর্তি
এ বছর অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে বা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ক্যাডেট কলেজসমূহে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশে ১২টি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে। ছেলেদের জন্য ৯টি ও মেয়েদের জন্য ৩টি ক্যাডেট কলেজে সপ্তম শ্রেণিতে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হবে। ভর্তির প্রক্রিয়াটি হবে লিখিত, মৌখিক ও স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার মাধ্যমে।
ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস:
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) ষষ্ঠ শ্রেণির সিলেবাসের আলোকে হবে।
ভর্তি পরীক্ষার বিষয় ও নম্বর: মোট নম্বর ৩০০। গণিতে ১০০, ইংরেজিতে ১০০, বাংলায় ৬০ ও সাধারণ জ্ঞানে ৪০ নম্বর।
প্রার্থীর যোগ্যতা—
জাতীয়তা: ছাত্রছাত্রীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ছাত্রছাত্রীকে ষষ্ঠ শ্রেণি অথবা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
বয়স: ১ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে সর্বোচ্চ ১৩ বছর ৬ মাস হতে হবে।
শারীরিক যোগ্যতা: প্রার্থীকে নিচের শারীরিক যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে।
উচ্চতা: ন্যূনতম ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি (বালক ও বালিকা উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।
সুস্থতা: প্রার্থীকে অবশ্যই শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ হতে হবে।
আবেদন করার সময়সূচি—
নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
ফরম পূরণের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে—
১.
পঞ্চম শ্রেণির বাষি৴ক পরীক্ষার সত্যায়িত সনদ (ইংরেজি মাধ্যমের প্রার্থীদের জন্য আবশ্যিক নয়)।
২.
জন্মনিবন্ধন/জন্মসনদের সত্যায়িত ফটোকপি।
৩.
অধ্যয়নরত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ষষ্ঠ অথবা সমমানের বাংলা/ইংরেজি মাধ্যম /মাদ্রাসা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সনদ।
৪.
পিতা/অভিভাবক ও মাতার মাসিক আয়ের সপক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র।
৫.
প্রার্থীর পিতা ও মাতা উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
আবেদন করার সম্ভাব্য সময়: নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৪।
লিখিত পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ: জানুয়ারি ২০২৫ সালের প্রথম বা দ্বিতীয় শুক্রবার।
বিস্তারিত তথ্য জানতে ওয়েবসাইট: https://cadetcollegeadmission.army.mil.bd
゚
Academic Care (ক্যাডেট কোচিং)
মাধ্যমিকের নতুন শিক্ষাক্রম থাকছে না। হচ্ছে দ্রুত পরিমার্জন। এছাড়া আরও যা জানা যাচ্ছে...
০১। আপাতত এই বছর (২০২৪) যেভাবে আছে সেভাবেই থাকছে বইগুলো (৬ষ্ঠ থেকে ৯ম পর্যন্ত)।
০২। পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হচ্ছে। ২০২৪- এ বছর শেষে হবে বার্ষিক পরীক্ষা। পরীক্ষার ধরণ ও প্রশ্নের কাঠামো দ্রুত পরিপত্র আকারে জারি করা হবে (১ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে)।
০৩। আগামী বছর ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ৯ম ও ১০ম শ্রেণিতে থাকছে আগের মত বিজ্ঞান, ব্যবসায় ও মানবিক শাখা।
০৪। ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আগামী বছর ১০ম শ্রেণিতে পুরানো শিক্ষাক্রমে সহজ ও সংক্ষিপ্ত সিলেবাস অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষা দিবে।
০৫। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসেই ১০ম শ্রেণিতে দেওয়া হবে পুরানো বই। সাথে থাকবে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস।
(সংগৃহীত)
#শিক্ষককে সম্মান করতে না জানলে অন্তত তাদের অ'পমান করবেন না! সারা জীবন তাদেরকে মা বাবার চোখে দেখে আসছি এখন তাদের এই অ'পমান মেনে নিতে পারছিনা 🥺🖤
একজন শিক্ষিত ছাত্র তার শিক্ষক'কে কোনো দিন অ'পমান করতে পারে না।
#ডিপ্লোম্যাসি::
#০১. আজ উপদেষ্টা নাহিদ মহোদয় যেভাবে প্রতিবেশি দেশটিকে বার্তা (message) দিয়েছেন এবং প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় দেশটির হাইকমিশনারকে তলব করেছেন, তা সত্যিই অ্যামাইজিং। প্রতিপক্ষকে deter (বিরত) করতে ৩টি স্টেপ নিতে হয়-
#১ম স্টেপ: message (বার্তা) প্রদান। এটি ইনফরমালি হয়৷ যাতে প্রতিপক্ষ মনে করে যে, যা ঘটানো হয়েছে তার জন্য আমরা ইতিবাচকভাবে গ্রহণে প্রস্তুত না।
#২য় স্টেপ: communication (যোগাযোগ)। এটি ফর্মাল হয়৷ ১ম স্টেপ ব্যর্থ হলে নেয়া হয়। এখানে সরাসরি বুঝানো হয় যে, we r not taking u cordially, but ready to react (যেটা আজ প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় করলেন)
#৩য় স্টেপ: threat (হুমকী)। ১ম ও ২য় স্টেপ ব্যর্থ হলে এই স্টেপ নেয়া হয়। এখানে বুঝানো হবে যে, তোমার কার্যক্রম পরিবর্তন না হলে আমরা এই এই পদক্ষেপ নিব৷ যেমন হতে পারে-
- ১৯৭২ সালের নৌ ট্রানজিট চুক্তি বিবেচনায় নেয়া
- ২০১১ সালের ট্রানজিট প্রটোকল নিয়ে ভাবা
- ২০২৪ সালের রেল ট্রনজিট বাতিলের হুমকী
- চীন ও পাকিস্তানের সাথে পানি বণ্টন আলোচনার হুমকী
- বাংলাদেশে ২য় বৃহত্তর আমদানী বাজারকে মূল্যায়নে নেয়া। ইত্যাদি..
অর্থাৎ, এমন কিছু power show করা যাতে তারা বুঝে, if u strike me first in next time, then u will be striken harder.
আজ ১ম ও ২য় স্টেপ ফলো করায় তাদেরকে ধন্যবাদ৷
০২. ডিপ্লোমেসিতে কয়েকটি বিষয় অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি-
ক. প্রতিপক্ষের শক্তির কথা স্বীকার করা যাবে না। আপনাদের মনে থাকতে পারে, ২০১৬ সালে ভারত পাকিস্তানে সার্জিক্যাল অ্যটাক করে। ভারত দাবি করে তাদের সফল আক্রমণে পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন সেনা প্রাণ হারিয়েছে, কিন্তু পাকিস্তান তা স্বীকার করেনি৷ আবার ২০২০ সালে চীন দাবি করে গালওয়ান উপত্যকায় ভারতের ৩৩ সেনাকে উপত্যকা থেকে ফেলে দিয়েছে, কিন্তু ভারত এই দাবি উড়িয়ে দেয়৷ তেমনি, আমরা বার বার প্রতিপক্ষ দেশের শক্তিকে প্রকাশ করলে কার্যত আমরা দুর্বলতা প্রকাশ করে তাদের শক্তির উল্লাসের সুযোগ দেই।
খ. কূটনীতি 2w চায় না এবং 2H কে হিডেনলি মেম্যোরিতে রাখে৷ এখানে 2W= war & using of weapons আর 2H= Head (মাথায় শুধু স্বার্থ আদায় থাকবে) এবং Hand shaking (প্রকাশ্যে হাসি থাকবে)
গ. প্রতিপক্ষের নাম বার বার নেয়া যাবে না৷ দেশের নাম না নিয়ে যেমন পশ্চিমা, প্রাচ্য, প্রতিবেশি, রাজধানীর নাম নিতে হয়৷
ঘ. নিজের দুর্বলতা প্রকাশ না করে নিজের শক্তি নিয়ে আলোচনা করা যায়৷ যেমন, আমরা বলতে পারি, কুমিল্লা ও ফেনী আক্রান্ত হওয়ায় বিবিরবাজার ও বিলোনিয়া স্থলবন্দর দিয়ে ট্রানশিপমেন্ট বন্ধ করার কথা প্রেজেন্ট করা যায়।
ঙ. বিশ্বায়নের যুগে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ না করে, প্রতিপক্ষের কাছে আমার দেশটি কতটা অপরিহার্য তা মনে করিয়ে দিতে হয়। যেমন, ULFA, Kuki-chin, Moitoi, MLF সহ স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা এ বিষয়ে ভেবে দেখবো তা মনে করিয়ে দিলেই বুঝবে আমাদের ট্রাম্পকার্ডগুলো কী কী।
আমরা আয়তনে ছোট হতে পারি, কিন্তু ৮ম বৃহত্তর জনবহুল এবং ৫ম বৃহত্তর বাজার। ভাঙ্গবো কিন্তু মচকাবো না। এটাই ফাইনাল। ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশকে কেউ হারাতে পারবে না, পারেনি৷
HSC অবশিষ্ট পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা
·
Relations In Earth Never Die= Friend
আহত বন্ধুকে হসপিটালে ও শহীদ বন্ধুকে কবরে রেখে পরীক্ষায় বসবে না এইচএসসি ২০২৪ ব্যাচ।
অটোপাশের ঘোষণা আসলে ধন্যবাদ জানাবো সরকার বাহাদুরকে৷
12/08/2024
চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য জেনে রাখা ভালো!!
ডঃ মুহাম্মদ #ইউনূস এর জীবনবৃত্তান্ত:
জন্মঃ ২৮ জুন, ১৯৪০
অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক। অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন। ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার সহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
#পরিবার-Family
মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৪০ সালের ২৮ জুন চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম হাজী দুলা মিয়া সওদাগর, এবং মাতার নাম সুফিয়া খাতুন। মুহাম্মদ ইউনূসের সহধর্মিনী ডঃ আফরোজী ইউনুস। ব্যক্তিগত জীবনে মুহাম্মদ ইউনূস দুই কন্যার পিতা। মুহাম্মদ ইউনূসের ভাই মুহাম্মদ ইব্রাহিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং ছোট ভাই মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর একজন জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্ব।
#শিক্ষা জীবন
তাঁর প্রথম বিদ্যালয় মহাজন ফকিরের স্কুল। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় মুহাম্মদ ইউনূস মেধা তালিকায় ১৬তম স্থান অধিকার করেন এবং চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন। সেখানে তিনি সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। কলেজে তিনি নাটকে অভিনয় করে প্রথম পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা এবং আজাদী পত্রিকায় কলাম লেখার কাজে যুক্ত ছিলেন। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় তিনি বয়েজ স্কাউটসে যোগ দেন এবং বয়েজ স্কাউটসের পক্ষ থেকে মাত্র ১৫ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।
#কর্ম জীবন
১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ যোগ দেন গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি লাভ করেন। ইউনূস বাংলাদেশে ফিরে আসার আগে ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের পক্ষে বিদেশে জনমত গড়ে তোলা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা প্রদানের জন্য সাংগঠনিক কাজে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন এবং ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এ পদে কর্মরত ছিলেন।
ইউনুস দারিদ্র্যতার বিরুদ্ধে তার সংগ্রাম শুরু করেন ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত দুর্ভিক্ষের সময়। তিনি বুঝতে পারেন স্বল্প পরিমাণে ঋণ দরিদ্র মানুষের জীবন মান উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকরী হতে পারে। সেই সময়ে তিনি গবেষণার লক্ষ্যে গ্রামীণ অর্থনৈতিক প্রকল্প চালু করেন। ১৯৭৪ সালে মুহাম্মদ ইউনুস তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন যা সরকার প্যাকেজ প্রোগ্রামের আওতায় অধিগ্রহণ করে।
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা
মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন গরিব বাংলাদেশীদের মধ্যে ঋণ দেবার জন্য। তখন থেকে গ্রামীণ ব্যাংক ৫.৩ মিলিয়ন ঋণগ্রহীতার মধ্যে ৫.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ প্রদান করে। ঋণের টাকা ফেরত নিশ্চিত করার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক “সংহতি দল” পদ্ধতি ব্যবহার করে। একটি অনানুষ্ঠানিক ছোট দল একত্রে ঋণের জন্য আবেদন করে এবং এর সদস্যবৃন্দ একে অন্যের জামিনদার হিসেবে থাকে এবং একে অন্যের উন্নয়নে সাহায্য করে। ব্যাংকের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে গরিবকে রক্ষা করার জন্য ব্যাংক অন্যান্য পদ্ধতিও প্রয়োগ করে। ক্ষুদ্রঋণের সাথে যোগ হয় গৃহঋণ, মৎস খামাড় এবং সেচ ঋণ প্রকল্প সহ অন্যান্য ব্যাংকিং ব্যবস্থা। গরিবের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্য উন্নত বিশ্ব এমন কি যুক্তরাষ্ট্র সহ অন্যান্য শিল্পোন্নত দেশসমূহকে গ্রামীণের এই মডেল ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ হয়।
প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ
Banker to the Poor:Micro-lending and The battle against World Proverty. (১৯৯৮)
Three Farmers of Jobra; Department of Economics, Chittagong University; (১৯৭৪)
#সম্মাননা
ডঃ ইউনুস পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪৮টি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন। শান্তিতে নোবেলজয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডাল গ্রহণ করেছেন। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে এই সম্মাননা দেয়া হলো ইউনূসকে, যিনি এই পদক পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি ও মুসলিম।
বিশ্বের সর্বোচ্চ সম্পদশালী দুই শতাধিক ব্যক্তির সম্মেলনে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। ২০১৩, ৫ মে বুধবার জাতিসংঘ ভবনে এ সম্মাননা জানানো হয়। জাতিসংঘে বিশ্বের সম্পদশালী ব্যক্তিদের এ সমাবেশের আয়োজন করে বিশ্ববিখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিন। একজন সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবে ইউনূসকে এ ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’ প্রদান করা হয়।
অ্যাওয়ার্ড
প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড। (১৯৭৮)
রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার। (১৯৮৪)
কেন্দ্রীয় ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড। (১৯৮৫)
স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮৭)
আগা খান অ্যাওয়ার্ড। (১৯৮৯)
কেয়ার পুরস্কার। (১৯৯৩)
নোবেল পুরস্কার (শান্তি)। (২০০৬)
মানবহিতৈষণা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র। (১৯৯৩)
মুহাম্মদ সাহেবুদ্দিন বিজ্ঞান (সামাজিক অর্থনীতি) পুরস্কার,শ্রীলঙ্কা (১৯৯৩)
রিয়াল এডমিরাল এম এ খান স্মৃতি পদক,বাংলাদেশ (১৯৯৩)
বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার,যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪)
পিফার শান্তি পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪)
ডঃ মুহাম্মাদ ইব্রাহিম স্মৃতি স্বর্ণ পদক, বাংলাদেশ (১৯৯৪)
ম্যাক্স সছমিধেইনি ফাউন্ডেশন ফ্রিডম পুরস্কার,সুইজারল্যান্ড (১৯৯৫)
ঢাকা মেট্রোপলিটন রোটারারি ক্লাব ফাউন্ডেশন পুরস্কার, বাংলাদেশ (১৯৯৫)
আন্তর্জাতিক সাইমন বলিভার পুরস্কার (১৯৯৬)
ভ্যানডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় বিশিষ্ট আলামনাই পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৬)
আন্তর্জাতিক একটিভিটিস্ট পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৭)
প্লানেটরি কনশিয়াশনেস বিজনেস ইনোভেশন পুরস্কার, জার্মানি (১৯৯৭)
হেল্প ফর সেলফ হেল্প পুরস্কার,নরওয়ে (১৯৯৭)
শান্তি মানব পুরস্কার (ম্যান ফর পিস এওয়ার্ড), ইতালি (১৯৯৭)
বিশ্ব ফোরাম পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৭)
ওয়ান ওয়ার্ল্ড ব্রডকাস্টিং ট্রাস্ট মিডিয়া পুরস্কার, যুক্তরাজ্য (১৯৯৮)বিশ্ব
দ্যা প্রিন্স অফ আউস্তুরিয়া এ্যাওয়ার্ড ফর কনকর্ড, স্পেন (১৯৯৮)
সিডনি শান্তি পুরস্কার, অস্ট্রেলিয়া (১৯৯৮)
অযাকি (গাকুডো) পুরস্কার, জাপান (১৯৯৮)
ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, ইন্ডিয়া (১৯৯৮)
জাস্টটি অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কার,ফ্রান্স (১৯৯৮) ( Les Justes D’or )
রোটারারি এ্যাওয়ার্ড ফর ওয়ার্ল্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৯)
গোল্ডেন পেগাসাস এ্যাওয়ার্ড, ইটালি (১৯৯৯)
রোমা এ্যাওয়ার্ড ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান, ইটালি (১৯৯৯)
রাথিন্দ্রা পুরস্কার, ইন্ডিয়া (১৯৯৮)
অমেগা এ্যাওয়ার্ড অফ এক্সিলেন্সি ফরব লাইফ টাইম এচিভমেন্ট, সুইজারল্যান্ড (২০০০)
এ্যাওয়ার্ড অফ দ্যা মেডেল অফ দ্যা প্রেসিডেন্সি,ইটালি (২০০০)
কিং হুসেইন হিউম্যানিটারিয়ান লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড, জর্ডান (২০০০)
আই ডি ই বি গোল্ড মেডেল এ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ (২০০০)
আরতুসি পুরস্কার, ইটালি (২০০১)
গ্র্যান্ড প্রাইজ অফ দ্যা ফুকুওকা এশিয়ান কালচার পুরস্কার, জাপান (২০০১)
হো চি মীণ পুরস্কার, ভিয়েতনাম (২০০১)
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পুরস্কার ‘কাজা ডি গ্রানাডা’, স্পেন (২০০১)
নাভারা ইন্টারন্যাশনাল এইড এ্যাওয়ার্ড, স্পেন (২০০১)
মহাত্মা গান্ধী পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০২)
বিশ্ব টেকনোলজি নেটওয়ার্ক পুরস্কার, যুক্তরাজ্য (২০০৩)
ভলভো পরিবেশ পুরস্কার, সুইডেন (২০০৩)
জাতীয় মেধা পুরস্কার, কলম্বিয়া (২০০৩)
দ্যা মেডেল অফ দ্যা পেইন্টার অসওয়াল্ড গুয়ায়াসামিন পুরস্কার, ফ্রান্স (২০০৩)
তেলিছিনকো পুরস্কার, স্পেন (২০০৪)
সিটি অফ অরভিতো পুরস্কার, ইটালি (২০০৪)
দ্যা ইকোনমিস্ট ইনোভেশন পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
লিডারশীপ ইন সোশ্যাল অন্টাপ্রিনেয়ার এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
প্রিমিও গ্যালিলীয় ২০০০ স্পেশাল প্রাইজ ফর পিস ২০০৪, ইটালি (২০০৪)
নিক্কেই এশিয়া পুরস্কার, জাপান (২০০৪)
গোল্ডেন ক্রস অফ দ্যা সিভিল অর্ডার অফ দ্যা সোশ্যাল সলিডারিটি,স্পেন (২০০৫)
ফ্রিডম এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৫)
বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি গোল্ড মেডেল, বাংলাদেশ (২০০৫)
প্রাইজ ২ পন্টে, ইটালি (২০০৫)
ফাউন্ডেশন অফ জাস্টিস, স্পেন (২০০৫)
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি নেউসতাদ এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৬)
গ্লোব সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার এ্যাওয়ার্ড,যুক্তরাষ্ট্র (২০০৬)
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট স্বাধীনতা পুরস্কার, নেদারল্যান্ড (২০০৬)
ইতু বিশ্ব তথ্য সংগঠন পুরস্কার, সুইজারল্যান্ড (২০০৬)
সিউল শান্তি পুরস্কার, কোরিয়া (২০০৬)
কনভিভেঞ্চিয়া (উত্তম সহকারিতা) সেউতা পুরস্কার, স্পেন (২০০৬)
দুর্যোগ উপশম পুরস্কার, ইন্ডিয়া (২০০৬)
সেরা বাঙালী, ইন্ডিয়া (২০০৬)
গ্লোবাল ট্রেইলব্লেজার পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
এ বি আই সি সি এ্যাওয়ার্ড ফর লিডারশীপ ইন গ্লোবাল ট্রেড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
সামাজিক উদ্যোক্তা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
বিশ্ব উদ্যোগী নেতৃত্ব পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
রেড ক্রস স্বর্ণ পদক, স্পেন (২০০৭)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্ম শত বার্ষিকী স্মারক, ইন্ডিয়া (২০০৭)
ই এফ আর বাণিজ্য সপ্তাহ পুরস্কার,নেদারল্যান্ড (২০০৭)
নিকলস চ্যান্সেলর পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
ভিশন এ্যাওয়ার্ড, জার্মানি (২০০৭)
বাফি গ্লোবাল এচিভমেন্ট এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
রুবিন মিউজিয়াম মানডালা এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
সাকাল বর্ষ ব্যক্তিত্ব পুরস্কার, ইন্ডিয়া (২০০৭)
১ম আহপাডা গ্লোবাল পুরস্কার, ফিলিপাইন (২০০৭)
মেডেল অফ ওনার, ব্রাজিল (২০০৭)
জাতিসংঘ সাউথ- সাউথ সহযোগিতা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
প্রোজেক্ট উদ্যোগী পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
আন্তর্জাতিক নারী স্বাস্থ্য মিশন পুরস্কার, নিউইয়র্ক (২০০৮)
কিতাকইয়ুশু পরিবেশ পুরস্কার, জাপান (২০০৮)
চ্যান্সেলর পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
প্রেসিডেন্স পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
মানব নিরাপত্তা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
বাৎসরিক উন্নয়ন পুরস্কার, অস্টিয়া (২০০৮)
মানবসেবা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
শিশু বন্ধু পুরস্কার,স্পেন (২০০৮)
এ জি আই আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান পুরস্কার, জার্মানি (২০০৮)
করিনি আন্তর্জাতিক গ্রন্থ পুরস্কার, জার্মানি (২০০৮)
টু উয়িংস প্রাইজ,জার্মানি (২০০৮)
বিশ্ব মানবতাবাদী পুরস্কার, ক্যালিফোর্নিয়া (২০০৮)
ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এ্যাওয়ার্ড ,ক্যালিফোর্নিয়া (২০০৮)
এস্টরিল গ্লোবাল ইস্যু’স ডিসটিনগুইশড বুক প্রাইজ, পর্তুগাল (২০০৯)
এইসেনহওয়ের মেডেল ফর লিডারশীপ অ্যান্ড সার্ভিস, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
গোল্ডেন বিয়াটেক এ্যাওয়ার্ড, স্লোভাকিয়া (২০০৯)
গোল্ড মেডেল অফ ওনার এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
পি আই সি এম ই টি এ্যাওয়ার্ড, পোর্টল্যান্ড (২০০৯)
বৈরুত লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড (২০০৯)
সোলারওয়ার্ল্ড আইন্সটাইন এ্যাওয়ার্ড (২০১০)
©সংগৃহীত।
"বর্তমান শিক্ষা কারিকুলাম" বাতিল এখন সময়ের দাবি।
06/08/2024
Alhamdulillah 🙏
Finally, our beloved motherland has been liberated from the oppression of the tyrant, zalim, mass murderer Hasina regime.
We salute the incredible, brave, and heroic students of this generation. 🇧🇩
We are incredibly indebted to each and every one of you for your remarkable contribution.
May Allah taala accept our Shuhadah and reward our brothers and sisters immensely for their immense sacrifice
কাজে মনোযোগ ধরে রাখার উপায়
যেকোনো কাজে সাফল্যের পূর্বশর্ত—মনোযোগ দিয়ে কাজ করা। কাজে মনোযোগ ধরে না রাখতে পারলে শুধু কর্মদক্ষতা কমে যায় না, বরং কাজের মান, কাজ করার ইচ্ছা, আগ্রহ ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। কিন্তু কিছু কৌশল অবলম্বন করলে কাজে মনোযোগ ধরে রাখা সম্ভব। লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।
কাজের সময়সীমা নির্ধারণ করুন:
যেকোনো কাজ শুরু করার আগে সে কাজের সময়সীমা নির্ধারণ করাটা জরুরি। কত সময়ের মধ্যে কাজটি শেষ করতে হবে, তা যদি আগে থেকে জানা যায়, তাহলে কাজে গতি বাড়ে। সময় বেঁধে দেওয়া থাকলে নিজের মন অবচেতনে একটা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজটা শেষ করার জন্য মন তাড়াহুড়া করে। মনে রাখতে হবে, কাজের মধ্যে বারবার ঘড়ি দেখলেও মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে।
কাজের তালিকা আগেই তৈরি:
আগামীকাল কী কী কাজ করতে হবে, সেগুলো আগেই ঠিক করে নিতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ তালিকার প্রথম দিকে রাখতে হবে। তারপর একটু কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এভাবে পর্যায়ক্রমে তালিকা তৈরি করলে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ বাকি থাকবে না। আগামীকাল কী কী কাজ করতে হবে, সেগুলো যদি আগেই ঠিক করে রাখা যায়, তাহলে কাজের গতি ঠিক থাকে। মনোযোগও ঠিক থাকে। অন্যদিকে সময়ও বাঁচানো যায়। যদি এক দিন আগে কাজের শিডিউল তৈরি করা সম্ভব না হয়; তাহলে ঘুম থেকে উঠে সকালে প্রথম গুরুত্ব অনুসারে কাজের তালিকা তৈরি করে নিতে হবে। কাজটা করতে কত সময় লাগবে, সেটাও লিখে রাখতে হবে।
কাজের মাঝে কিছু বিরতি:
একটানা অধিক সময় কাজ করলে কাজে মনোযোগ না থাকারই কথা। কারণ, একটানা অনেক সময় কাজ করলে স্বাভাবিকভাবে মানব মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে যায়। কাজের গতি কমে যায়। তাই কাজের গতি ঠিক রাখা এবং কাজে মনোযোগ ধরে রাখার জন্য কাজের মাঝে ৪-৫ মিনিটের বিরতি নিন। এতে সতেজতা আসবে। আর কাজেও গতি, মনোযোগ—দুটোই থাকবে।
একসঙ্গে একাধিক কাজ নয়:
আমরা অনেকে একসঙ্গে একাধিক কাজ করতে চাই। ফলে কোনো কাজই ঠিকঠাকমতো হয়ে ওঠে না। তাই গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার সময় সেই নির্দিষ্ট কাজটিই একমনে করতে হবে। অন্যদিকে মন দেওয়া যাবে না। কম্পিউটার একসঙ্গে একাধিক কাজ করতে পারলেও মানুষের মস্তিষ্ক একসঙ্গে একাধিক কাজ করতে গেলে কোনো দিকেই ফোকাস ঠিক রাখা যায় না। তাই যে কাজ করছেন, শুধু সে কাজই করুন। সেই কাজের প্রতি ফোকাস রাখুন। সেই কাজটি শেষ হলে অন্য কাজে হাত দিন।
কাজের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করুন:
ভালোভাবে কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য সে কাজের অনুকূল পরিবেশ খুব গুরুত্বপূর্ণ। কাজের জন্য অনুকূল পরিবেশ যতটা থাকবে, কাজটা তত অল্প সময়ে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা সহজ হবে। তাই কাজ করার সময় কাজের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করুন। কাজের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস পাশে রাখুন।
সামাজিক মাধ্যম থেকে দূরে থাকুন:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেন আমাদের জীবনের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে। কিছু সময় পরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশ করতে না পারলে যেন অস্থির হয়ে যাই। কিন্তু কাজের সময় ঘন ঘন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশ করলে কাজে নির্ঘাত ব্যাঘাত ঘটবে। তাই কাজ করার সময় যথাসম্ভব ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, ইমো প্রভৃতি থেকে দূরে থাকতে হবে। হাতের স্মার্টফোনটিও একটু দূরে রাখতে হবে; যাতে ঘন ঘন চোখে না পড়ে আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন চেক করার জন্য ব্যস্ত হয়ে না উঠি।
কাজের অনুপ্রেরণা খুঁজুন:
কাজের মধ্যে অনুপ্রেরণা খুঁজুন। অনুপ্রেরণা পেলে কাজটি করার জন্য আপনার আগ্রহ, উদ্যম বেড়ে যাবে। আর যখনই আপনার কাজের আগ্রহ, উদ্যমে বেড়ে যাবে, তখনই কাজে পূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখতে পারবেন। আর কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করা আপনার জন্য সহজ হবে। তাই যেকোনো কাজ করার সময় অনুপ্রেরণা নিয়ে, আগ্রহ নিয়ে, কাজটি ভালোবেসে করুন।
শরীর সুস্থ রাখুন:
কাজে মনোযোগ ধরে রাখার জন্য শরীর সুস্থ রাখা অন্যতম শর্ত। শরীর সুস্থ না থাকলে কোনো কাজেই মন বসানো যায় না। শরীর সুস্থ রাখার জন্য পরিমিত খাবার খান, পানি পান করুন, ব্যায়াম করুন। মনে রাখতে হবে, দেহঘড়িটা ঠিকমতো সায় দিলে মনঘড়িটাও ঠিকমতো সংকেত দেবে। আর শরীর-মন ঠিক থাকলে যেকোনো কাজে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।
আরও কিছু কৌশল:
কাজে মনোযোগ ধরে রাখার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিমিত খাবার খান। আপনি যে ধর্মেরই হোন না কেন, প্রার্থনা করুন। প্রার্থনায় মন সতেজ থাকে আর যেকোনো কাজে মনোযোগ দিতে তো মনই আপনাকে তাড়না করে। তাই আজ থেকে মনোযোগ দিয়ে কাজ করুন। হয়ে উঠুন সফল সুন্দর মানুষ।
-দৈনিক আজকের পত্রিকা
©এম এম মুজাহিদ উদ্দীন
লেখক: ভাইভা বোর্ডের মুখোমুখি,
মুজাহিদ'স ভাইভা সাজেশন,
ব্যাংকার'স ভাইভা বোর্ড।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
Rangpur
5660