06/04/2026
শিশুদের হাম (Measles) হলে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেওয়া অত্যন্ত জরুরি এবং এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক স্বীকৃত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি।
হামের ক্ষেত্রে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের গুরুত্ব এবং ডোজ নিচে দেওয়া হলো:
হাম হলে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের উপকারিতা
হামের সময় শরীরে ভিটামিন এ-র মাত্রা দ্রুত কমে যায়। ভিটামিন এ ক্যাপসুল দিলে নিম্নলিখিত জটিলতাগুলো কমানো সম্ভব হয়:
অন্ধত্ব প্রতিরোধ: হামের কারণে শিশুদের চোখে ঘা বা কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অন্ধ হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা ভিটামিন এ প্রতিরোধ করে।
মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস: হাম পরবর্তী নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়ার তীব্রতা কমিয়ে দেয়, যা শিশুর মৃত্যুঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনে।
দ্রুত সুস্থতা: এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) বাড়িয়ে দেয়, ফলে শিশু দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।
হামের চিকিৎসায় ভিটামিন এ-র ডোজ (মাত্রা)
হামের লক্ষণ দেখা দিলে সাধারণত পরপর দুই দিন দুটি ডোজ দিতে হয়। শিশুর বয়স অনুযায়ী ডোজের পরিমাণ নিচে দেওয়া হলো:শিশুর বয়স ডোজ (পরপর দুই দিন)
৬ মাসের কম ৫০,০০০ IU (আইইউ)
৬ মাস থেকে ১১ মাস ১,০০,০০০ IU (নীল রঙের ক্যাপসুল)
১২ মাস বা তার বেশি (১-৫ বছর) ২,০০,০০০ IU (লাল রঙের ক্যাপসুল)
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
১. যদি শিশুর মধ্যে চোখের কোনো গুরুতর সমস্যা (যেমন কর্নিয়ায় ঘা) দেখা দেয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শে ৪ সপ্তাহ পর তৃতীয় একটি ডোজ দেওয়া লাগতে পারে।
২. হাম আক্রান্ত শিশুকে পর্যাপ্ত তরল খাবার, মায়ের দুধ (যদি শিশু বুকের দুধ পান করে) এবং পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে হবে।
আপনার এলাকার নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র বা কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এই ডোজগুলো নিশ্চিত করা সবচেয়ে নিরাপদ। যেহেতু হাম একটি সংক্রামক রোগ, তাই শিশুকে আলাদা রাখা এবং দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা জরুরি।
29/03/2026
তেল নিয়ে জরুরী কিছু আপডেট !
তেলের জন্যে সারাবিশ্বে হাহাকার...ফিলিপাইনে ইতোমধ্যে রাস্ট্রীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে...পাকিস্তানে লিটার ৩৫০ রুপির উপরে...ইরান যে হারে টোল নিচ্ছে তাতে আমাদের দেশেও বাড়বে নিশ্চিত!
তবে আমি বরাবরের মত অন্য তেল নিয়ে কথা বলতে আসছি!
তেল তেলে প্রশংসা এমন একটা জিনিস...যা পেলে আপনি সহজেই বুঝবেন...এটা তেল...তবুও ভাল লাগবে!
তবে যদি এমন হয়, আপনার বস তেল পছন্দ করেন না..কিন্তু তাঁকেও তেল দিয়ে কাবু করতে চাচ্ছেন...কিন্তু কিভাবে?
খুব সহজ....সামনে গিয়ে খোশ মেজাজে বলবেন!
'স্যার, আপনিই হলেন আমার দেখা দুনিয়ার একমাত্র মানুষ যে তেল পছন্দ করেন না'
ব্যাস, কাজ হবেই!
তেল নিয়ে অনেক প্রবাদ আছে!
এই যেমন 'তেলে জ্বলে মিশেনা'...অথচ, তেলের সাথে পানি মেশালে দ্রুত মাথার চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে...
প্রায় শুনি,
মাথায় তেল দিলে চুল ঘন কালো ও দীঘল কাল হয়!
না..একমাত্র তেল কোম্পানি ছাড়া এমন আবিষ্কার বিজ্ঞানের পাতায় আজ পর্যন্ত পাওয়া যায় নাই!
অনেকে ভয় পান...গায়ে অলিভ অয়েল কিংবা সরিষার তেল মাখলে চেহারা কালো হয়!
ভুল...এসবেই ভুল!
তবে...
তেল দিয়ে চুলকানি কিন্তু থামানো যায়! বিশেষ করে শীতকালে...
শীতে ত্বক পানি স্বল্পতায় শুষ্ক হয়ে যায়..ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে বেশ চুলকায়!! তেল দিয়ে ত্বকের ময়েশ্চার ধরে রাখলে চুলকানি কমে যায়!
সুখবরও আছে!
যাদের মুখ সব সময় তেল তেলে থাকে....
তাদের মুখে সহজে বার্ধক্যের ছাপ পড়েনা!
বাংলাদেশের যে প্রাণী সর্বাধিক তেল পছন্দ করে....তাকে অনেকে রাজনীতিবিদ বলে! এটা ঠিক না...এই যেমন দেশের একজন ডিসি..মন্ত্রীর সামনে দুই মিনিট কথা বলতে যেয়ে গুনে গুনে ৫০ বার স্যার বলেছেন...এটা নির্লজ্জ তেল!
আবার যাদের হাত পা সব সময় ঘেমে তেল তেলে থাকে...তাদের পায়ে প্রচুর দুর্গন্ধ হয়!
একটা ভাসকুলার রোগ আছে...আকাবাকা শিরা বা ভ্যারিকোস ভেইন...এই রোগে পা শুস্ক হয়(ছবি দেখুন) ....
ডায়াবেটিস রোগী, কিডনি রোগী, বয়স্ক রোগীদের পা শুকায় যায় বেশি...এই শুকনা পা অনেক চুলকায়...সামান্য চুলকানোর জায়গায় ইনফেকশন হয়ে পায়ের অনেক বড় ক্ষতি হওয়ার ঝুকি থাকে!
তাই মুখের মত পায়েরও যত্ন নিন...তেল তেলে রাখুন সব সময়! ত্বক ভাল থাকবে! থাকবেন ঝুঁকিমুক্ত!
(পর্ব-১)
24/03/2026
আপনি কি জানেন সাপের পুরুষাঙ্গ হয় দুটি!
সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগ্রত হয়েছে। হাত দিয়ে ধরে রাখা অঙ্গটি সাপের পা, লিঙ্গ নাকি অন্য কিছু? লিঙ্গ হলে তা দুটি কেন?
আসুন সহজ ভাবে উত্তরগুলো জানার চেষ্টা করি,
উক্ত ভিডিওতে ধরে রাখা অঙ্গটি আসলে সাপের হোমি পেনিস। এবং তা হয় দুটি।
কেন সাপের লিঙ্গ ২টি থাকে??
কারণটা আসলে তাদের প্রজনন কৌশল এবং বিবর্তনের সাথে জড়িত। আসুন বিস্তারিত জানা যাক...
১.বিবর্তনীয় সুবিধা: সাপের ক্ষেত্রে, দুটি হেমিপেনিস থাকার কারণে তাদের প্রজননের সুযোগ বেড়ে যায়। এর মানে হল, যখন তারা কোনো সঙ্গিনীর সাথে মিলিত হয়, তখন তারা যেকোনো একটি লিঙ্গ ব্যবহার করতে পারে। এটা বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ যখন সাপেরা এমন পরিবেশে থাকে যেখানে তাদের বিপরীত লিঙ্গের সাপের সাথে ঘন ঘন দেখা নাও হতে পারে।
২.আঁকড়ে ধরা: সাপের পেছনের পা নেই, তাই তারা মিলনের সময় সঙ্গিনীকে আঁকড়ে ধরতে পারে না। দুটি হেমিপেনিস তাদের সঙ্গিনীর সাথে শক্তভাবে লেগে থাকতে সাহায্য করে। প্রতিটি হেমিপেনিস সাধারণত ছোট ছোট কাঁটা বা খাঁজযুক্ত হয় যা মিলনের সময় সঙ্গিনীকে আঁকড়ে ধরতে সুবিধা করে, যাতে তারা সহজেই বিচ্ছিন্ন না হয়।
৩.বিকল্প হিসেবে ব্যবহার: প্রজননের সময় একটি লিঙ্গ যদি কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা ঠিকমতো কাজ না করে, তবে অন্যটি ব্যবহার করার বিকল্প সুযোগ থাকে।
৪.নির্দিষ্ট অবস্থান: সাপের ক্ষেত্রে, মিলনের সময় পুরুষ সাপ এবং স্ত্রী সাপের শারীরিক অবস্থান বেশ জটিল হয়। সেক্ষেত্রে দুটি হেমিপেনিস যেকোনো দিক থেকে মিলনের সক্ষমতা বাড়ায়।
৫.শুক্রাণু স্থানান্তরে দক্ষতা: দুটি হেমিপেনিস থাকার ফলে পুরুষ সাপ একটি মিলনের পরপরই অন্য একটি লিঙ্গ ব্যবহার করে দ্রুত দ্বিতীয়বার শুক্রাণু স্থানান্তর করতে পারে। এতে তাদের প্রজনন সাফল্য বৃদ্ধি পায়।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, সাপের দুটি লিঙ্গ থাকার বিষয়টি তাদের টিকে থাকার এবং প্রজনন সফল করার একটি বিবর্তনীয় কৌশল, যা তাদের শারীরিক গঠন এবং প্রজনন পদ্ধতির সাথে মানানসই।
-মশিউজ্জামান প্রিন্স
Core batch member
Wildlife And Snake Rescue Team in Bangladesh-WSRTBD
20/03/2026
পটকা ফুটাতে গিয়ে এ অবস্থা, রাজশাহী মেডিকেলে ভর্তি। অভিভাবকগণ! আপনার সন্তানের প্রতি নজর রাখুন, না হলে আপনার সন্তানের ও এমন অবস্থা হতে পারে।
19/03/2026
বাচ্চাকে কিসমিস খেতে দিবেন।
কিশমিশে থাকা
আয়রন ও কপার বাচ্চার শরীরে লোহিত রক্ত কনিকা তৈরি ও হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সহায়ক।
19/03/2026
ব্যাপারটা একটু অন্যরকম…
যারা সবসময় “ছেলে চাই” বলেন—এই পোস্টটা তাদের জন্য না।
একটা পরিবারের কথা বলি।
পরপর ৫টা ছেলে সন্তানের পর, ৬ নম্বর বাচ্চা—একটা মেয়ে।
নরমাল ডেলিভারি হয়েছে।
ভিতরে আমরা বাচ্চার প্রাথমিক যত্ন নিচ্ছি—শ্বাস ঠিক আছে কিনা, শরীর মুছে দেওয়া, ওজন নেওয়া, শরীর গরম রাখা… এই কাজগুলো করতে সাধারণত ৮–১০ মিনিট সময় লাগে।
এরপর আমরা বাচ্চাকে কিছু সময় মায়ের বুকে দেই—
skin-to-skin contact (ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার)
এটাই বাচ্চার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও প্রয়োজনীয় প্রথম ধাপ।
কিন্তু বাইরে কি দৃশ্য!
ডেলিভারি রুমের দরজার সামনে ভিড়।
কেউ গ্লাসের ফাঁক দিয়ে উঁকি দিচ্ছে, কেউ অপেক্ষা করছে—
শুধু একবার “মেয়েটাকে” দেখবে বলে।
ছবিতে হয়তো ৬–৭ জন দেখা যায়…
কিন্তু পেছনে আরও অনেক মানুষ দাঁড়িয়ে ছিল।
অপেক্ষা… আগ্রহ… একরাশ ভালোবাসা।
ভাবুন তো—
একটা মেয়ে সন্তানের জন্য এত আকুলতা!
যে পরিবারে ৫টা ছেলে আছে, সেখানেও এই অপেক্ষা কমে না।
❤️ এই পোস্ট তাদের জন্য—
যাদের বাড়িতে ৪–৫টা ভাইয়ের পরে একটা ছোট বোন এসেছে…
যে বোনটা আসার পর ঘরের পরিবেশটাই বদলে গেছে।
মেয়ে সন্তান মানে শুধু “আরেকটা বাচ্চা” না—
মেয়ে সন্তান মানে ঘরের মায়া, কোমলতা, আলাদা একটা আলো।
-ল একটা কথা বলি—
ছেলে-মেয়ে কোনোটাই “কম” না।
কিন্তু একটা মেয়ে সন্তানের মূল্য যারা বুঝে, তারা সত্যিই ভাগ্যবান।
যাদের বাড়িতে অনেক ভাইয়ের পরে একটা ছোট বোন আছে—
কমেন্টে জানাতে পারেন ❤️
চলুন, আমরা সন্তানের মূল্য বুঝি—লিঙ্গ দিয়ে না, ভালোবাসা দিয়ে।
আল্লাহ সব সন্তানকে সুস্থ রাখুন।
Future Medics Education
15/03/2026
আমরা সাধারণত খাবারের পুষ্টিগুণের দিকে বেশি গুরুত্ব দিই, কিন্তু খাবারের সময়ও শরীরের বিপাকক্রিয়া (metabolism) ও ওজন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অনেক পুষ্টিবিদের মতে, দিনের শুরুতে শরীর শক্তি উৎপাদনের জন্য বেশি সক্রিয় থাকে। তাই সকালে পুষ্টিকর ও তুলনামূলক বেশি খাবার গ্রহণ করলে শরীর প্রয়োজনীয় শক্তি পায় এবং সারাদিনের কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারে।
দুপুরের খাবার হওয়া উচিত সুষম ও পরিমিত। এ সময় ভাত বা কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন (যেমন ডাল, মাছ, মাংস বা ডিম) এবং সবজি একসাথে থাকলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেতে পারে। এতে শরীরের শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল থাকে এবং দিনের কাজের সক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
অন্যদিকে রাতে শরীরের কার্যকলাপ তুলনামূলক কম থাকে এবং বিপাকক্রিয়াও ধীরে চলে। তাই রাতের খাবার খুব ভারী বা বেশি ক্যালোরিযুক্ত হলে অতিরিক্ত শক্তি সহজে খরচ না হয়ে শরীরে জমতে পারে। এজন্য অনেক পুষ্টিবিদ রাতে হালকা ও সহজপাচ্য খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন, যা হজমের জন্যও তুলনামূলক আরামদায়ক হতে পারে।
15/03/2026
ভেবেছেন শরীরের রক্ত? জ্বি না।
বাসায় কেউ না থাকা অবস্থায় জিন এগুলো ছিটিয়ে বা ঢেলে দিয়ে গেছে। বিশ্বাস হচ্ছে না?
কিচ্ছু করার নাই ভাই।
এগুলো যার সাথে না হয় সে বুঝেও না, মানতে চায়ও না।
আর এই রক্তের ছিটা এক দুই দিনের ঘটনা না। অনেক দিন হয়েছে। ঘরে রুকইয়াহ এর স্প্রে না করলে কিংবা সুরা বাকারা তেলাওয়াত না করলে এসব করে যায় জিন। তাই পেসেন্টা সাবধান।
সুরা বাকারার আমল কিংবা পানি স্প্রে কে অবহেলা করবেন না।
Future Medics Education
14/03/2026
ইফতারে তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা
1️⃣ পানিশূন্যতা দূর করে
তরমুজে প্রায় ৯০–৯২% পানি থাকে, তাই সারাদিন রোজার পর শরীর দ্রুত হাইড্রেট করে।
2️⃣ দ্রুত শক্তি দেয়
এতে প্রাকৃতিক চিনি ও কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরকে দ্রুত এনার্জি দেয়।
3️⃣ পেটের জন্য হালকা
তেলেভাজা খাবারের মতো ভারী নয়, তাই পেটের জন্য আরামদায়ক।
4️⃣ হজমে সাহায্য করে
তরমুজে ফাইবার ও পানি থাকার কারণে হজম ভালো হয়।
5️⃣ গরমে শরীর ঠান্ডা রাখে
রমজানের সময় গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
Future Medics Education
06/03/2026
একটু সতর্ক থাকুন।
আশেপাশে কেউ কি হঠাৎ করে আঙুলে তীব্র ব্যথা, ঠান্ডা অনুভূতি, বা নীল-কালো রঙ লক্ষ্য করছেন?
অনেকেই এটাকে ছোট সমস্যা মনে করে অবহেলা করেন। কিন্তু অনেক সময় এটি হতে পারে হাতের রক্তনালীর গুরুতর সমস্যার লক্ষণ।
বুড়ো আঙুলে সামান্য কালচে দাগ অনেক সময় ক্ষতিকর নয়।
কিন্তু অন্য আঙুলগুলো হঠাৎ যদি—
• নীল বা কালো হয়ে যায়
• খুব ঠান্ডা হয়ে যায়
• তীব্র ব্যথা শুরু হয়
• আঙুল অবশ হয়ে যায়
তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।
কেন এমন হতে পারে?
• ঠান্ডা পরিবেশে বা কম্পনযুক্ত যন্ত্র দিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করলে
• গলার অতিরিক্ত হাড় (Cervical Rib) থাকলে
• কিছু হৃদরোগ বা রক্তনালীর সমস্যায়
• কিছু ক্ষেত্রে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতায়
• বিরল ক্ষেত্রে কিছু জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল ব্যবহারের সাথেও ঝুঁকি থাকতে পারে
এ অবস্থায় আঙুলে রক্ত চলাচল কমে যেতে পারে।
সময়ে চিকিৎসা না হলে আঙুল বা হাতের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
কি করবেন?
এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত একজন ভাসকুলার সার্জনের পরামর্শ নিন।
সমস্যা অনুযায়ী ওষুধ বা প্রয়োজন হলে সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।
মনে রাখবেন—
আঙুল হঠাৎ নীল বা কালো হয়ে যাওয়া অনেক সময় Vascular Emergency হতে পারে।
অনেক ক্ষেত্রে প্রথম ৬ ঘন্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই সময়ের মধ্যে চিকিৎসা না পেলে স্থায়ী ক্ষতির ঝুঁকি বাড়তে পারে।
সচেতন থাকুন।
এই তথ্যটি শেয়ার করুন—হয়তো কারও একটি আঙুল, এমনকি একটি হাতও বাঁচতে পারে।
05/03/2026
অতিরিক্ত চিন্তা করার ফলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে যায়।
এজন্য আমাদের উচিত, দিনের কিছুটা সময় একদম চিন্তামুক্ত থাকা।