📘 Markazul Ummah Quran Academy
✨ ভর্তি চলছে!
📚 কোর্সের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
🔹 দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষিকা দ্বারা পাঠদান
🔹 প্রতিটি কোর্সের মেয়াদ ২ মাস
🔹 মাশকের ব্যাবস্থা
🔹 হরফুল মাশক
🔹 বেসিক থেকে এডভান্স লেভেল পর্যন্ত শিক্ষা
🏷️ বিভাগসমূহ:
🔸 তাজবিদ সহ কোরআন শিক্ষা
🔸 নাজেরা বিভাগ
🔸 হিফজুল কোরআন বিভাগ (৩০ নং পারা)
🔸 ৪০ হাদিস
💰 কোর্স ফি: মাত্র ৫২০৳
(এছাড়া আর কোনো ফি নেই)
🕰️ ক্লাস টাইম:
সকাল / বিকেল / রাত ৯ টা
💳 ফি পরিশোধের মাধ্যম:
বিকাশ / নগদ
🕌 আপনার সন্তানকে দিন সঠিক কুরআন শিক্ষা — বিশ্বস্ত ও নারীবান্ধব পরিবেশে।
📞 যোগাযোগের জন্য ইনবক্স করুন এখনই!
Markazul Ummah Quran Academy
কোরআন শিক্ষা ও দ্বীন শিক্ষার নির্ভরযোগ্য একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠান
10/04/2026
সর্বোচ্চ ১ পারা কোরআন তিলাওয়াত শুনাতে ভর্তি হন এই কোর্সটিতে।
পূর্ণ কোরআন নাজেরা কোর্স।
যারা স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ১/২ মাসে পূর্ণ কোরআন শেষ করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
এডমিশন পদ্ধতি :
নং ১ : ভর্তি ফি ২০০০৳
মাসিক ফি ১০০০৳
নং ২ : একবারে ভর্তি হলে ৩১০০৳
এছাড়া আর কোন ফি নেই।
ক্লাস টাইম : দুপুর/ রাত/ বিকেল
সময় : ১ ঘন্টা
রামাদানে সালফে সালিহীনের অবিশ্বাস্য ইবাদত বন্দেগির কিছু খণ্ডচিত্র:
১: রামাদানে, আসওয়াদ বিন ইয়াযিদ (রহ.) প্রতি দুই রাতে এক খতম কুরআন কারীম তিলাওয়াত করতেন। তিনি মাগরিব থেকে ঈশা পর্যন্ত ঘুমাতেন। বাকি সময় ইবাদতে কাটিয়ে দিতেন। রামাদানের বাইরে তিনি প্রতি ছয় রাতে এক খতম কুরআন কারীম তিলাওয়াত করতেন।
২: মালিক বিন আনাস (রহ.) রামাদান আসলেই হাদীসচর্চা থেকে, বিভিন্ন ইলমি মজলিস থেকে রীতিমতো পালিয়ে যেতেন। সারাক্ষণ কুরআন তিলাওয়াতে মগ্ন থাকতেন।
৩: সুফইয়ান সাওরি (রহ.) রামাদান এলে, সমস্ত নফল ইবাদত ছেড়ে, কুরআন তিলাওয়াতে মশগুল হয়ে যেতেন।
৪: সায়ীদ বিন জুবাইর (রহ.) প্রতি দুই রাতে এক খতম কুরআন কারীম তিলাওয়াত করতেন।
৫: কাতাদাহ (রহ.) এমনিতে সাত দিনে এক খতম কুরআন তিলাওয়াত করতেন। রামাদান এলে তিন দিনে এক খতম দিতেন। আর শেষ দশকে প্রতি দিন এক খতম।
৬: রবী‘ বিন সুলাইমান (রহ.) বলেছেন:
ইমাম শাফেয়ি (রহ.) সাধারণত মাসে ত্রিশ খতম কুরআন কারীম তিলাওয়াত করতেন। কিন্তু রামাদান এলে তিনি ষাট খতম কুরআন তিলাওয়াত করতেন।
৭: ওয়াকী‘ বিন জাররাহ (রহ.) রামাদানে প্রতিদিন এক খতম এবং এক তৃতীয়াংশ কুরআন তিলাওয়াত করতেন। বারো রাকা‘আত চাশতের নামায আদায় করতেন। জোহর থেকে আসর পর্যন্ত নফল নামায আদায়ে কাটিয়ে দিতেন।
৮: মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বুখারি (রহ.) রামাদানে প্রতিদিন এক খতম কুরআন তিলাওয়াত করতেন। আর তারাবীহের পর নামাযে দাঁড়িয়ে প্রতি তিন রাতে এক খতম কুরআন তিলাওয়াত করতেন।
তিন দিনের কমে কুরআন খতম করতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু বিশেষ সময়ে, যেমন রামাদান এর আওতামুক্ত।
আবার বিশেষ স্থানও এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত। যেমন কেউ মক্কায় গেলে বেশি বেশি কুরআন কারীম তিলাওয়াত করতে পারবে।
• উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ
যখন রমাদান আসে, তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃঙ্খলিত করা হয়।
—সহীহ বুখারী, হাদিসঃ ১৮৯৯
গুনাহ হৃদয়কে ভারী করে, রূহকে নিস্তেজ করে, আর ইবাদতের পথে অদৃশ্য শেকল পরিয়ে দেয়। তাই কিয়ামুল লাইল কঠিন লাগে, কুরআন ভারী মনে হয়, দোয়ার স্বাদ পাওয়া যায় না।
হাসান বসরী রহ.–এর উপনাম ছিল আবু সাঈদ।
একদিন এক ব্যক্তি এসে বলল, “হে আবু সাঈদ! আমি চাই রাত জেগে ইবাদত করতে, কিন্তু পারি না। এর কারণ কী?”
তখন এই মহান তাবেঈ খুব সংক্ষেপে, অথচ গভীর এক উত্তর দিলেন—
أَنْتَ رَجُلٌ قَدْ قَيَّدَتْكَ ذُنُوبُكَ
''তুমি একজন বন্দি—তোমার গুনাহই তোমাকে শেকলে বেঁধে রেখেছে।''
(সিফাতুস সাফওয়া : ৩/২৩৫)
সুতরাং যদি আমরা ইবাদতে অলসতা অনুভব করি, তাহলে আগে নিজের গুনাহের হিসাব করি। কারণ, গুনাহ বান্দাকে রব থেকে দূরে সরায়, আর তাওবা বান্দাকে আবার রবের দরজায় ফিরিয়ে আনে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের গুনাহের শেকল ভেঙে দিয়ে ইবাদতের স্বাদ দান করুন। আমিন।
-খুতুবাত
আসসালামু আলাইকুম
সামনে রমাদান উপলক্ষে ভর্তি চলছে।
এছাড়াও রয়েছে পূর্ণ কোরআন নাজেরা কোর্স
তাজবিদ কোর্স, ৪০ হাদীস কোর্স, আমলের সূরা হিফজ কোর্স।
রমজান ঘনিয়ে আসছে। সালাফে সালেহীন দুই মাস আগ থেকেই অর্থাৎ রজব মাস থেকেই রমজানের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করতেন। আর শাবান এলে তো একেবারে উঠেপড়ে লাগতেন। তাদের প্রস্তুতির মধ্যে মোটাদাগে যে বিষয়গুলো থাকত তা হচ্ছে,
১. গুনাহ পরিহারে বাড়তি মনোযোগ দেওয়া।
২. কুরআনের তিলাওয়াত বৃদ্ধি করা।
৩. পুষ্টিকর খাবার খেয়ে শরীরে শক্তি যোগানো।
৪. যাকাত আদায় করা।
৫. নফল রোজা রাখা।
৬. রমজান ও রোজা সংক্রান্ত ইলমকে পুনঃপাঠের মাধ্যমে ঝালাই করে নেওয়া।
৭. অধিকহারে দুআর ইহতিমাম করা।
৮. নফল ইবাদাতের পরিমাণ বৃদ্ধি করা।
শাবানের আজ ১ তারিখ। মানে, রমজানের বাকি আর মাত্র ৩০ দিনের মতো। সুতরাং রমজানের টুকটাক প্রস্তুতি এখন থেকেই নেওয়া শুরু করতে হবে। নইলে পূর্ব-প্রস্তুতিহীন থাকলে রমজান থেকে পরিপূূর্ণ ফায়দা হাসিল করা সম্ভব হবে না। আজ থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণের পণ করুন। সামনের রমজান যেন বিগত সকল রমজানের থেকে শ্রেষ্ঠ হয়, সেই পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হোন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফীক দিন। আমিন।
~উস্তায আবদুল্লাহ আল মাসউদ হাফি.
আসসালামু আলাইকুম
হযরত উমর (রা.) যখন মারাত্মকভাবে আহত হলেন, তখন তাকে দুধ খেতে দেওয়া হলো। কিন্তু দুধ পান করার সাথে সাথেই তা তার পাঁজরের ক্ষত দিয়ে বেরিয়ে এল। তখন চিকিৎসক বলে দিলেন, "হে আমিরুল মুমিনীন! আপনার হাতে আর বেশি সময় নেই, আপনি অসিয়ত করে নিন।"
মৃত্যুশয্যায় শুয়ে হযরত উমর (রা.) তার ছেলে আব্দুল্লাহকে ডেকে বললেন, "আমার কাছে হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.)-কে ডেকে আনো।"
হুজাইফা (রা.) ছিলেন সেই সাহাবি, যাকে রাসূলুল্লাহ (সা.) মুনাফিকদের গোপন তালিকা দিয়েছিলেন। তিনি ছাড়া আর কেউ সেই নামের তালিকা জানতেন না।
রক্তাক্ত অবস্থায় হযরত উমর (রা.) হুজাইফা (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, "হে হুজাইফা! আমি তোমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, রাসূলুল্লাহ (সা.) কি মুনাফিকদের তালিকায় আমার নাম রেখেছেন?"
হুজাইফা (রা.) কান্নায় ভেঙে পড়লেন এবং বললেন, "এটা রাসূল (সা.)-এর গোপন আমানত, আমি কাউকে বলতে পারব না।"
উমর (রা.) আবার আকুতি জানিয়ে বললেন, "আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে শুধু এটুকু বলো, আমার নাম কি সেখানে আছে?"
হুজাইফা (রা.) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বললেন, "হে উমর! আমি শুধু আপনাকে বলছি, অন্য কেউ হলে বলতাম না। জেনে রাখুন, আল্লাহর রাসূল (সা.) আপনার নাম ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেননি।"
এরপর উমর (রা.) একটু শান্ত হলেন এবং ছেলেকে বললেন, "আমার একটি শেষ ইচ্ছা বাকি আছে। আমি রাসূল (সা.)-এর রওজার পাশে দাফন হতে চাই। তুমি মা আয়েশা (রা.)-এর কাছে যাও এবং তাকে বলো, 'উমর তার দুই সাথীর (নবীজি ও আবু বকর) পায়ের কাছে কবরস্থ হওয়ার অনুমতি চাইছে।' তাকে 'আমিরুল মুমিনীন' বলো না, শুধু 'উমর' বলো।"
হযরত আয়েশা (রা.) অনুমতি দিলেন। তিনি বললেন, "আমি এই জায়গাটি নিজের জন্য রেখেছিলাম, কিন্তু আজ আমি উমরের জন্য তা ছেড়ে দিলাম।"
আব্দুল্লাহ ফিরে এসে সুখবর দিলেন। তখন উমর (রা.) তার গাল মাটির সাথে মিশিয়ে দিলেন। ছেলে তার মাথা কোলে তুলে নিতে চাইল, কিন্তু উমর (রা.) বললেন, "ছেড়ে দাও! আমার গাল মাটিতেই থাকতে দাও। ধ্বংস উমরের জন্য, যদি কাল আল্লাহ তাকে ক্ষমা না করেন!"
মৃত্যুর আগে তিনি ছেলেকে এক কঠিন অসিয়ত করলেন:
"আমার জানাজা যখন পড়ানো হবে, তখন হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.)-এর দিকে নজর রাখবে। যদি সে আমার জানাজায় অংশ নেয়, তবে বুঝবে আমি মুনাফিক নই। তখন আমার লাশ রওজা শরীফের দরজায় নিয়ে যেও এবং আবার অনুমতি চাইবে। কারণ হতে পারে আমার জীবদ্দশায় লজ্জায় পড়ে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। যদি অনুমতি পাওয়া যায়, তবে দাফন করবে; নতুবা সাধারণ কবরস্থানে দাফন করে দিও।"
জানাজার সময় আব্দুল্লাহ দেখলেন, হুজাইফা (রা.) জানাজায় শরিক হয়েছেন। এতে তিনি আশ্বস্ত হলেন। রওজার দরজায় গিয়ে অনুমতি চাইলে মা আয়েশা (রা.) বললেন, "উমরকে তার সাথীদের পাশে দাফন হওয়ার জন্য স্বাগতম।"
(ঘটনার কিছু অংশ সহিহ বুখারী,মুসলিমে রয়েছে,আর কিছু অংশ তারিখুত তাবারী ইত্যাদি গ্রন্থের ঐতিহাসিক বর্ণনা।)
যাকে রাসূল (সা.) দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন এবং যার শাসনে অর্ধেক পৃথিবী চলত, সেই হযরত উমর (রা.)-ও আল্লাহর ভয়ে এবং মুনাফিক হওয়ার আশঙ্কায় কতটা ভীত ছিলেন! আর আমরা পাপে ডুবে থেকেও কত নিশ্চিন্ত!
Salman Farsi
11/12/2025
ভর্তি চলছে। হিফজুল বিভাগ। ৩০ নং পারা। টার্গেট ৭ দিন / ১৫দিন / ৩০ দিনের কাফেলা নিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে আমাদের হিফজুল কোরআন কোর্স। আলহামদুলিল্লাহ।
ব্যাচ হবে ৩টি:
🔘 ১ম কাফেলা ৭ দিনের টার্গেট নিয়ে
🔘 ২য় কাফেলা ১৫ দিনের টার্গেট নিয়ে
🔘 ৩য় কাফেলা ৩০ দিনের টার্গেট নিয়ে
ছেলে / মেয়ে আলাদা ব্যাচ। আগ্রহীরা পেজে যোগাযোগ করুন ইনশাআল্লাহ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Rangpur