Khalekbd's JOBS Special

Khalekbd's JOBS Special

Share

It's a career related education page specially Bangladesh Civil Service .Our aim is to serve of BCS information and... More

23/06/2020

ফ্রী সেমিনার চলছে (চাকরির বিষয়ে) ........

....জরুরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি.......
#নিজস্ব অফিসে DM পদে কিছু সংখ্যক কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে,,
# #আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ,

#মাসিক বেতন
রেঞ্জ,৮০০০-২০.০০০৳.....কাজটি ঘড়ে বসে অনলাইনের মাধ্যমে করা যাবে,,
#কোন অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নাই

#৮০০০-২০.০০০৳ ইনকাম কোরতে চান ইনবক্স করুন

21/06/2020

"ফ্রি সেমিনার চলছে"

**একটি স্বনামধন্য কোম্পানিতে কাজের জন্য কিছু ছেলে এবং মেয়ে প্রয়োজন ।

=> কাজের ধরন: ফ্রিল্যান্সিং জব

=> বেতন: 8000-12000 (প্রতি মাসে)

=> কাজের সময়: মাত্র 5 ঘন্টা (সাপ্তাহিক 6 দিন)

=> ডিভাইস: কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন

=> শিক্ষাগত যোগ্যতা: সর্বনিম্ন s.s.c

=> অভিজ্ঞ না হলে প্রশিক্ষণ দিয়ে শিখতে পারেন ।

আরো বিস্তারিত জানার জন্য অথবা যদি আপনি আগ্রহী হন তাহলে দয়া করে ইনবক্স করুন ।

13/02/2017

৩৬তম বিসিএস ভাইভা প্রস্তুতি
------------------------------------
মেগা পোস্ট
সৌজন্যে >>Sheikh Sujan
অর্থনৈতিক অনুপ্রবেশ(Economic
Infiltration) কাকে বলে?
★উত্তরঃরাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে একটি
শক্তিশালী কর্তৃক অন্য একটি
অপেক্ষাকৃত দুর্বল রাষ্ট্রের বিভিন্ন
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর
নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার
প্রক্রিয়াকে বলে অর্থনৈতিক
অনুপ্রবেশ।অর্থনৈতিক প্রাধান্য
প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে সাধারণত
নিম্নলিখিত পন্থাগুলো গ্রহণ করা হয়ে
থাকেঃবিপুল পরিমান পুঁজি
বিনিয়োগ,কল-কারখানা প্রতিষ্ঠা বা ক্রয়,রাস্তাঘাট ও রেলপথ
নির্মাণ,বিভিন্ন অর্থলগ্নীকারী
প্রতিষ্ঠানে ও ব্যাংকের শাখা
প্রতিষ্ঠা, দুর্বল রাষ্ট্রের বৈদেশিক
বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি।দুর্বল
রাষ্ট্রসমূহকে ঋণ ও অনুদানের
ক্রমবর্ধমান হারের দ্বারা নির্ভরশীল করে তোলার মাধ্যমে তাদের ওপর অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক
মোড়লি চাপিয়ে দেওয়ার কৌশল
বর্তমানে বহুলভাবে অনুসৃত। এর আরেক নাম অর্থনৈতিক আগ্রাসন(Economic Aggression)

# কোকাকোলা_সংস্কৃতি_কী ?
★উত্তরঃকোকাকোলা নামের এই হালকা পানীয়ের আবিষ্কার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আবিষ্কারের পরপরই এই পানীয় সমগ্র বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং তরুন সমাজকে বিশেষভাবে আকর্ষণকরে।অনুরূপভাবে, হালকা মেজাজের পপ জাতীয় সংগীত,চা-চা জাতীয় নৃত্য,হিপ্পি জীবনপদ্ধতি,মারিজুয়ানা-হাসিস ইত্যাদি মাদব দ্রব্যের আসক্তি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যুবসমাজকে, বিশেষভাবে হতাশাগ্রস্ত যুবসমাজকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। বলা বাহুল্য,এসব জিনিষ মানুষের চেতনাকে জীবণ ও সমাজের গভীরতর দিক থেকে ফিরে রাখে,জীবনসংগ্রামককে ভোঁতা করে দেয় এবং হালকা মেজাজ ও উদ্দেশ্যেহীনতার আবর্তে মানুষকে আচ্ছন্ন করে তোলে।এরূপ আচ্ছন্ন মানুষেরা অন্যায়,বৈষম্য, শোষণ ইত্যাদির বিরুদ্ধে সংগ্রাম থেকে বিরত থাকে।হালকা ও উদ্দেশ্যহীন এই মানসিকতা, জীবনপদ্ধতি ও মূল্যবোধের সংস্কৃতিকে কোকাকোলা সংস্কৃতি বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে।
.
প্রতিক্রিয়াশীল(Reactionary) কারা?
★উত্তরঃ যারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির স্বাভাবিক বিকাশের কারণে সমাজবিবর্তনের ধারাকে সহজেই মেনে নিতে পারেন না, বরং পুরানো ব্যাবস্থা,মূল্যবোধ,চিন্তাচেতনাকে আঁকড়ে ধরে থাকতে চায়,তাদেরকে বলা হয় প্রতিক্রিয়াশীল।সমাজতন্ত্রীদের বিবেচনায়,সমাজবিরোধী মাত্রই প্রতিক্রিয়াশীল।

হাই কমিশনার ও রাষ্ট্রদূত কী?
★উত্তরঃকমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহ পরস্পরের মধ্যে যে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করে তাঁকেই বলা হয় হাইকমিশনার।
★কমনওয়েলথ বহির্ভূত দেশ কমনওয়েলথভুক্ত দেশে কিংবা কমনওয়েলথ বহির্ভূত দেশে কোন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করলে তাঁকে রাষ্ট্রদূত(Ambassador) বলা হয়।

রাজবন্দি(Political Prisoner) কারা?
★উত্তরঃরাজবন্দি অর্থ্যাৎ রাজনৈতিক কারণে বন্দি। সাধারণত রাজনৈতিক কারণে বন্দিদের, সাধারণ বন্দি বা কয়েদিদের তুলনায় কারাগারে উচ্চতর মর্যাদা প্রদান করা হয়ে থাকে যাদের রাজবন্দি বলা হয়ে থাকে।

ফটকাবাজ কারা ?
★উত্তরঃ ভবিষ্যতে অধিক মুনাফা হবে -----এরূপ আন্দাজ করে কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করে বা কোন পণ্য ক্রয় করে তা মজুদ করার ব্যাপারে অর্থলগ্নি করে থাকে যিনি তাকে ফটকাবাজ বলা হয়।আর এই প্রক্রিয়ার নামই ফটকাবাজি(Speculation)।ফটকাবাজির ফলে প্রায়শই বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সংকট সৃষ্টি হয় ও মূল্যবৃদ্ধি ঘটে।

জীবাণুযুদ্ধ(Bacteria Warfare) কী?
★উত্তরঃশত্রুর ওপর বিশেষ ধরণের বোমা বর্ষণের মাধ্যমে বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় কলেরা,প্লেগ ইত্যাদি ভয়াবহ রোগের জীবাণু ছড়িয়ে দেওয়াই হল জীবাণুযুদ্ধ।এ যুদ্ধ এ জন্যই অতিমাত্রায় নৃশংস যে, এরূপ যুদ্ধের ক্ষেত্রে সামরিক ব্যক্তিদের তুলনায় নিরীহ আবাল-বৃদ্ধ-বনিতাই নির্মম মৃত্যুর শিকার হয়। ভিয়েতনাম যুদ্ধসহ বিভিন্ন যুদ্ধে এরূপ প্রক্রিয়া ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

শূন্যতাবাদ ও মুজিববাদ কী?
★উত্তরঃ
# শূন্যতাবাদঃ এর ইংরেজি Nihilism যা ল্যাটিন শব্দ Nihil থেকে এসেছে।যার অর্থ হচ্ছে কোন কিছু অস্তিত্বহীনতা। এই মতবাদে প্রচলিত মূলবোধ,বিশ্বাস ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়।যেখানে কোন ব্যক্তি কোন কর্তৃপক্ষের নিকটমাথা নত করে না এটিই এই নীতির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।ডি.পি সারভেক এর প্রবক্তা।
# মুজিববাদঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ---- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র,গণতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতা এই চারটি মূলনীতিতে বিশ্বাসী।শেখ মুজিবুর রহমান এই চারটি মৌল আদর্শের প্রবক্তা এবং তাঁরই নাম অনুসারে এদের সমষ্টিকে মুজিববাদ বলা হয়।

আনসার ও কনসোর্টিয়াম কী?
★উত্তরঃ
# আনসারঃএর আরবি শব্দটির অর্থ স্বেচ্ছাসেবক। হযরত মুহাম্মদ (সা)মক্কা থেকে মদিনা হিজরত করলে যেসব ব্যক্তি তাঁকে ও তাঁর সহযোগীদের অভ্যর্থনা জানান এবং সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন তাঁরাই ইতিহাসে আনসার নামে খ্যাত।
★ # কনসোর্টিয়ামঃ কোন জটিল প্রকল্প যা একটিমাত্র প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বাস্তবায়িত করা দুরূহ, এমন প্রকল্প বাস্তবায়িত করার উদ্দেশ্যে একাধিক প্রতিষ্ঠান গ্রুপবদ্ধ হয়ে কাজ করলে এরূপ গ্রুপকে বলে কনসোর্টিয়াম। শুধু কতিপয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই নয়, কোন বিশেষ প্রকল্প বা কর্মসূচিকে বাস্তবায়িত করার জন্য কতিপয় রাষ্ট্রকে নিয়েও কনসোর্টিয়াম গঠিত হতে পারে।

কনডোমিনিয়াম(Condominium) কী?
★উত্তরঃকোন এলাকা বিশেষের ওপর দুই বা ততোধিক রাষ্ট্র যৌথভাবে শাসনকার্য পরিচালনা এবং সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করলে, এরূপ এলাকা বা অঞ্চলকে বলে কনডোমিনিয়াম। এরূপ শাসন বা সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের ব্যাপারটিকেও কনডোমিনিয়াম বলা হয়।

অপারেশন বারবারোসা(Operation Barbarossa) কী?
★উত্তরঃসোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে হিটলার যে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিলেন, তারই সাংকেতিক নাম অপারেশন বারবারোসা। সম্ভবত এটাই ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ও বৃহত্তম স্থলযুদ্ধ।

রুলস অব বিজনেস কী?
★উত্তরঃরুলস অব বিজনেস স্বাভাবিকভাবে মনে হতে পারে ব্যবসায়িক নীতি বিষয়ক কিছু,কিন্তু না।এটি হলো সরকারি কার্যবিধিমালা।অর্থ্যাৎ যে দলিল অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়েরর মধ্যে বিভিন্ন কার্যাবলী বণ্টন করা হয় এবং কে,কোন দায়িত্ব পালন করবে,কিভাবে পালন করবে,কোন বিভাগ বা মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলী কিরূপ হবে তা নির্ধারণ করা হয় তাকেই বলা হয় রুলস অব বিজনেস(Rules of Business)। বাংলাদেশের সংবিধানে ৫৫(৬) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি "রুলস অব বিজনেস" সংশোধন করতে পারেন।

ইন্টারপোল(International Criminal Police Commission) কী?
★উত্তরঃবিশ্বের ১৮৮ টি সদস্য দেশের মধ্যে অপরাধ অনুসন্ধানের ব্যাপারে পারস্পরিক সহযোগীতা গড়ে তোলা। ১৯২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ২য়
বিশ্বযুদ্ধের সময় বন্ধ হয়ে গেলেও ১৯৪৬ সালে পুনরায় কাজ শুরু হয়। এটি ১৯২৩ সালে
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ
কমিশন নামে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং
১৯৫৬ সালে বর্তমানের নামে
পরিবর্তিত হয়।এই
সদস্যরাই বাৎসরিক চাদার মাধ্যমে ৫৯ মিলিয়ন ডলারের বাৎসরিক খরচ নির্বাহ করে।
এর অধিবেশন এক এক সময় এক এক সদস্যরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়।সদস্যরাষ্ট্রের পুলিশবাহিনীর সঙ্গে ত্বরিত যোগাযোগ স্থাপন,অপরাধীদের
সন্ধান,গতিরোধ ও গ্রেফতার ইত্যাদির জন্য এই কমিশনের বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে।
এর সদর দপ্তর প্যারিসে অবস্থিত।

ইন্টারপ্যালেশন( Interpellation )কী?
★উত্তরঃসুইজারল্যান্ড,ইতালি,বেলজিয়াম,নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশে প্রচলিত একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে কোন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সম্পর্কে
পার্লামেন্টে জবাবদিহি করতে বাধ্য করা হয়,তাঁর জবাবের ভিত্তিতে ভোট
গ্রহণ করা যায় এবং ভোটে তাঁর পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমান না হলে তাঁকে দফতরচ্যূত করা যায়।এই পদ্ধতিই ইন্টারপ্যালেশন।

স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডা যুদ্ধ (Nerve
War or Cold War) কী?
★উত্তরঃসরাসরি অস্ত্রপ্রয়োগের
বদলে দুই প্রতিপক্ষ যখন পরষ্পরকে অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক, প্রচার
গোয়েন্দা তৎপরতা ও সামরিক
হুমকিসহ বিভিন্নভাবে পরোক্ষ
কায়দায় ঘায়েল বা মানসিকভাবে
দুর্বল করার চেষ্টা করে,তখন এরূপ তৎপরতাকে বলে স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডাযুদ্ধ,কেননা এরূপ তৎপরতায় প্রতিপক্ষের স্নায়ুর উপর দারুন চাপ সৃষ্টি করে।

খোলা-দরজা নীতি(Open-door Policy) কী?
★উত্তরঃএর অর্থ হল এমন একটি অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ করা, যা ফলে সযশ্লিষ্ট দেশে বিশ্বের যে কেউ বিনাশর্তে যে কোন খাতে যে
কোন পরিসান পুঁজি বিনিয়োগ করতে
সমর্থ হবে এবং এরূপ শিল্পকারখানা ও
ব্যবসা বাণিজ্যলব্ধ মুনাফা
পুনর্বিনিয়োগ করতে বা ইচ্ছামতো
অন্যত্র সরিয়ে নিতে পারবে।
সিঙ্গাপুর, হংকং ইত্যাদি হলো
বর্তমান শতাব্দীতে খ্রলা দরজা
নীতির
অনুসারী।এছাড়া বহু দেশই এখন খোলা
দরজা নীতি অনুসরণ করে।


লক আউট( Lock Out) কী?
★উত্তরঃশ্রমিকদের দাবি মানা না হলে শ্রমিকরা যেমন ধর্মঘট করে, তেমনি মালিকপক্ষের শর্তাবলী শ্রমিকরা গ্রহণ না করলে মালিকরাও কারখানা তালাবদ্ধ করে দিতে পারেন,যাতে শ্রমিকরা কারখানার ভিতরে ঢুকতে এবং চাকরি করতে না পারে।মালিক কর্তৃক কারখানা বন্ধ করে শ্রমিকদের আয়ত্বে আনার বা চাকরিতে রাখতে অস্বীকার করার এই কৌশলই হল লক আউট।

এক দেশ, দুই ব্যবস্থা 'নীতি কী?
★উত্তরঃএক দেশ দুই নীতি বা One Country Two Policy --দেশ চীন।১৯৯৭ সালের ৩০জুন মধ্যরাতে হংকং চীনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে চীন সরকার এই নীতি প্রণয়ন করে। চীনের শাসনাধীনে যাওয়ার পূর্বে হংকং এর অর্থনীতি ছিল পুঁজিবাদী ব্যবস্থা। অন্যদিকে চীনের অর্থব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল সমাজতান্ত্রিক। এই অবস্থায় চীন সরকার হংকং এর পূর্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে উক্ত নীতি প্রবর্তন করে।

ব্ল্যাকলিস্ট ও ব্ল্যাকলেগ(Black List and Blackleg) কী?
★উত্তরঃব্ল্যাকলিস্ট(Black List):কোন জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রণীত তালিকা,যে তালিকা
ভুক্ত --- ব্যক্তি, সংগঠন,দেশ বা পণ্যের ব্যাপারে সুযোগ সুবিধা বা অধিকার প্রদান করা হয়না সেটাকেই ব্ল্যাকলিস্ট বলে।
★ব্লাকলেগ(Blackleg):মূলত তাস খেলায় বা ঘোড়ার রেসে যে ব্যক্তি প্রতারণা বা ধোঁকার আশ্রয় নেয়, তাকেই বলে ব্ল্যাকলেগ। কিন্তু,১৯৩০ এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শব্দটি ট্রেড ইউনিয়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। বর্তমান শ্রমিকরা যখন ধর্মঘটরত থাকে
তখন যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় মালিকের
পক্ষে কাজ করে এবং ধর্মঘটিদের
ক্ষতি সাধন করে, তাকেই বলা হয়
ব্লাকলেগ।

খোলা-দরজা নীতি(Open-door Policy) কী?
★উত্তরঃএর অর্থ হল এমন একটি অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ করা, যা ফলে সংশ্লিষ্ট দেশে বিশ্বের যে কেউ বিনাশর্তে যে কোন খাতে যে কোন পরিমান পুঁজি বিনিয়োগ করতে সমর্থ হবে এবং এরূপ শিল্পকারখানা ও ব্যবসা বাণিজ্যলব্ধ মুনাফা
পুনর্বিনিয়োগ করতে বা ইচ্ছামতো
অন্যত্র সরিয়ে নিতে পারবে।
সিঙ্গাপুর, হংকং ইত্যাদি হলো
বর্তমান শতাব্দীতে খোলা দরজা
নীতির অনুসারী।এছাড়া বহু দেশই এখন খোলা দরজা নীতি অনুসরণ করে।
;
চরমপত্র (Ultimatum) কাকে বলে?
★উত্তর: সরকার বা কোন ককর্তৃপক্ষের
নিকট একটি নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে
নির্দিষ্ট দাবি মেনে নেওয়ার জন্য
চূড়ান্ত আহ্বান জানিয়ে এবং ঐ
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট
দাবি মানা না হলে চরম ব্যবস্থা
(যেমন, ধর্মঘট, হরতাল, অসহযোগ,
বিদ্রোহ বা যুদ্ধ) গ্রহণের হুমকি দিয়ে
যে পত্র প্রদান করা হয়,তাকেই বলে
চরমপত্র। এক রাষ্ট্রও অপর রাষ্ট্রের
কাছে চরমপত্র দিতে পারে।

তাঁবেদার_রাষ্ট্র কাকে বলে?
★উত্তরঃযে রাষ্ট্র নামে মাত্র
স্বাধীন,কিন্তু যে রাষ্ট্রের বৈদেশিক
ও অভ্যন্তরীণ নীতিসমূহ কার্যত অপর
কোন শক্তিশালী রাষ্ট্র কর্তৃক
নিয়ন্ত্রিত, সেই রাষ্ট্রকে বলে
তাঁবেদার রাষ্ট্র। উপগ্রহ যেমন গ্রহের
বলয়ের মধ্যেই পরিভ্রমণ
করে,তাঁবেদার রাষ্টও অনুরূপভাবে
কোনো শক্তিশালী রাষ্ট্রের
বলয়াবদ্ধ থাকে বিধায় এরূপ রাষ্ট্রকে
উপগ্রহ রাষ্ট্র( satellite_state ) -ও বলা
হয়।

জাতীয় মুক্তি(National
Emancipation) কী?
★উত্তরঃসাম্রাজ্যবাদ, নয়া
সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ,নয়া
উপনিবেশবাদ বা তাদের দেশীয়
এজেন্টদের কবল থেকে জাতীকে মুক্ত
করাই হল জাতীয় মুক্তি এবং এর জন্য
সংগ্রামই হল জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম।
গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট এ লাইক বা কমেন্ট
লিখে ব্যক্তিকে উৎসাহিত করুন।
.
হেবিয়াস_কর্পাস
(Habeas_Corpus ) কী?
★উত্তরঃHabeas Corpus একটি ল্যাটিন শব্দ
যার হুবহু অর্থ হচ্ছে "সশরীরে হাজির
করতে হবে"।আইনশাস্ত্র অনুযায়ী
বন্দিকে আদালতে হাজির করার জন্য
এবং তাকে আটক করার কারণ
দর্শানোর জন্য আদালত বা বিচারক
কর্তৃক জারিকৃত পরোয়ানাই হল
হেবিয়াস কর্পাস।১৬৭৯ সালে
ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম এই আইন
বিধিবদ্ধ করা হয়।
.

ধীরে চলো কৌশল(Go Slow Tactics) কী?
★দাবি আদায়ের কৌশল হিসাবে
শ্রমিকরা অনেকসময় ধর্মঘটের
পরিবর্তে কাজের গতি কমিয়ে
দেওয়ার এই কৌশল গ্রহণ করে।
রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও প্রতিপক্ষের
হামলা ও দৃষ্টি এড়িয়ে সাংগঠনিক
শক্তি সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যে
রাজনৈতিক দল বা সরকারও অনেক
সময় ধীরে চলো নীতি গ্রহণ করে।

ডিমাগগ(Demagogue) কারা?
★উত্তরঃযে সমস্ত রাজনৈতিক নেতা
কোনো সুনির্দিষ্ট নীতি-আদর্শের
বদলে আবেগপ্রবণ বক্তৃতা, মিথ্যা
প্রতিশ্রুতি,অসার ও অবাস্তব
দাবিনামা ইত্যাদির মাধ্যমে
জনগণকে উত্তেজিত করে তোলেন
এবং উত্তেজিত জনতার রোষকে
কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের
প্রয়াস পান,সেই সমস্ত রাজনৈতিক
নেতাকে বলে ডিমাগগ। ডিমাগগরা
সাময়িক ইস্যু,সস্তা মুখরোচক
স্লোগান ইত্যাদি নিয়েই মেতে
থাকেন,কখনই তাত্ত্বিক বিষয়ে বা
সমস্যার গভীরে যায় না।

প্রগতিশীল(progressive) ও বামপন্থি (leftist) কারা?
@ উত্তরঃ
★প্রগতিশীলঃ যারা বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তির স্বাভাবিক বিকাশের
কারণে সমাজ ও সামাজিক সম্পর্কের
স্বাভাবিক বিবর্তনকে সহজেই মেনে
নিকে পারে,তাদেরকেই বলা হয়
প্রগতিশীল। তাদের মতে,যারা
সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করেনা বা
ভিন্ন ধরণের সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস
করে, তাদের বলা হয় প্রক্রিয়াশীল।

★বামপন্থিঃসমাজতন্ত্রী ও
প্রগতিশীলদেরই এখন সাধারণভাবে
বামপন্থি বলা হয়।১৭৮৯ সালে ফরাসি
জাতীয় পরিষদে তৎকালীন
প্রগতিশীল দল সমূহের সদস্যরা
স্পীকারের বাম দিকে
বসতেন,মধ্যমপন্থিরা বসতেন
মাঝখানে এবং রক্ষণশীলরা বসতেন
ডানদিকে।ফলে তাঁরা Left Winger বা
বামপন্থি বলে পরিচিত হন।পরবর্তীতে
অন্যান্য দেশের আইনসভাতেও এই
বসার রীতিটি প্রচলিত ছিল।

কলব্যাক(Call Back) কী?
★উত্তরঃযদি কোন নির্বাচিত
গণপ্রতিনিধি জনগণের
স্বার্থবিরোধী বা দুষ্কৃতিমূলক কোন
কাজে লিপ্ত হন,তা হলে তাঁর বিরুদ্ধে
অনাস্থা দিয়ে তাঁর প্রতিনিধিত্ব
প্রত্যাহারের অধিকার যদি সংশ্লিষ্ট
জনগণের থাকে, তা হলে সেই
অধিকারকেই বলে 'কলব্যাক' করার বা
ফিরিয়ে আনার অধিকার।
.
স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডা যুদ্ধ (Nerve War or Cold War) কী?
★উত্তরঃসরাসরি অস্ত্রপ্রয়োগের বদলে দুই প্রতিপক্ষ যখন পরষ্পরকে অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক, প্রচার গোয়েন্দা তৎপরতা ও সামরিক হুমকিসহ বিভিন্নভাবে পরোক্ষ কায়দায় ঘায়েল বা মানসিকভাবে দুর্বল করার চেষ্টা করে,তখন এরূপ তৎপরতাকে বলে স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডাযুদ্ধ,কেননা এরূপ তৎপরতায় প্রতিপক্ষের স্নায়ুর উপর দারুন চাপ সৃষ্টি করে।
....
গোমড়ামুখো আইন
এ আইনটি ইতালির মিলান শহরের
জন্য। সেখানে গোমড়ামুখো থাকা
যাবে না। শহরের বাসিন্দাদের
সবসময় হাসিমুখে থাকতে হবে। তবে
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আর হাসপাতালে
রোগী দেখার সময় ছাড় রয়েছে।
অন্যসময় গোমড়ামুখে থাকলে
রীতিমতো জরিমানা গুনতে হবে!

বায়ু ছাড়া আইন
বায়ু ছাড়ার জন্যও আইন মানতে হবে
আপনাকে। আপনি মানে
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার বাসিন্দা
যদি হন। আপনি হয়তো রাস্তায়
আছেন, পেটে প্রচণ্ড বাতাসের চাপ।
বায়ু ছাড়তে হবে। ঠিক আছে ছাড়ুন
তবে তার আগে ঘড়িটা দেখে নিন।
কেননা বিকেল ৫টা ৫৯ মিনিটের
মধ্যে এ কর্মটি করা যাবে! কারণ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ৬টা থেকে
পাবলিক প্লেসে বায়ু ত্যাগ
করাঅপরাধ।

ইলেকট্রিক আইন
অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রদেশ
ভিক্টোরিয়াতে রয়েছে এ আইন।
অনুমোদিত ইলেক্ট্রিশিয়ান ছাড়া
ইলেকট্রিক বাতি পরিবর্তন করা
যাবে না। যে কেউ নষ্ট বাতিটি খুলে
ভালোটি লাগাতে পারবেন না।
অন্যথায় আপনাকে জরিমানা গুণতে
হবে ১০ অস্ট্রেলীয় ডলার।

আজরাইল আইন
এ আইনটি ২০০৭ সালে ব্রিটেনের
সবচেয়ে হাস্যকর আইন হিসেবে
ভোট পেয়েছিল। আপনি সংসদ সদস্য
নির্বাচিত হতে পারেন তবে
আজরাইলকে সংসদ এলাকায় আসতে
নিষেধ করতে হবে। কারণ ব্রিটিশ
পার্লামেন্ট এলাকায় মারা
যাওয়াটাও নাকি অপরাধ!

গাধা আইন
বেশ মজার আইন। যুক্তরাষ্ট্রের
ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যে সন্ধ্যা
৭টার পর গাধাকে গোসল করানো
অপরাধ।
পেট্রোল আইন
সঙ্গে গাড়ি আছে। রাস্তাও বড়সড়
আর ফাঁকা। বেশ ভালো গতিতেই
গাড়ি চালাচ্ছেন। মনের ভুলে
ভালোভাবে পেট্রোল ভরেননি।
মাঝপথেই তেল শেষ। জার্মানির
অটোবাহন সড়কে এই কাণ্ড ঘটালে
আপনাকে গুণতে হবে নগদ জরিমানা।
.
সংস্কৃতি আইন
কানাডার সরকার দেশের জনগণকে
সংস্কৃতিপ্রেমী করতে দারুণ উদগ্রীব।
তাইতো দেশটির রেডিও-টিভিতে
প্রচারিত প্রতি পাঁচটি গানের একটি
গাওয়া নাগরিকদের জন্য
বাধ্যতামূলক।
কোমর আইন
জাপানের সুমো কুস্তিগিরদের দেখে
আপনার হয়তো মনে হবে জাপানিরা
মোটু হতে পছন্দ করেন। ব্যাপারটি তা
নয়, কেবল সুমো কুস্তিগির ছাড়া
অন্যদের মোটা হওয়া জাপানে
আইনগতভাবে নিষিদ্ধ। ২০০৯ সালে
একটি আইনে জাপানি নারী ও
পুরুষদের কোমরের মাপ নির্দিষ্ট করে
দেয়া হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, ৪০
বছরের উর্ধ্বে পুরুষদের কোমর ৩১
ইঞ্চির বেশি হতে পারবে না, আর
নারীদের বেলায় সর্বোচ্চ ৩৫ ইঞ্চি।
টয়লেট আইন
মনে করুন গভীর রাতে টয়লেট
চেপেছে। কিচ্ছু করার নেই। ভোরের
আলো ফোটা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে
হবে। কারণ সুইজারল্যান্ডে রাত ১০টার
পর টয়লেটে ফ্ল্যাশ করাবে আইনি।
সরকার একে শব্দ দূষণ বলে গণ্য করে।
.
কলব্যাক(Call Back) কী?
★উত্তরঃযদি কোন নির্বাচিত গণপ্রতিনিধি জনগণের স্বার্থবিরোধী বা দুষ্কৃতিমূলক কোন কাজে লিপ্ত হন,তা হলে তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা দিয়ে তাঁর প্রতিনিধিত্ব প্রত্যাহারের অধিকার যদি সংশ্লিষ্ট জনগণের থাকে, তা হলে সেই অধিকারকেই বলে 'কলব্যাক' করার বা ফিরিয়ে আনার অধিকার।
/
প্রগতিশীল(progressive) ও বামপন্থি(leftist) কারা?
@ উত্তরঃ
★প্রগতিশীলঃ যারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির স্বাভাবিক বিকাশের কারণে সমাজ ও সামাজিক সম্পর্কের স্বাভাবিক বিবর্তনকে সহজেই মেনে নিতে পারে,তাদেরকেই বলা হয় প্রগতিশীল। তাদের মতে,যারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করেনা বা ভিন্ন ধরণের সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করে, তাদের বলা হয় প্রতিক্রিয়াশীল।
★বামপন্থিঃসমাজতন্ত্রী ও প্রগতিশীলদেরই এখন সাধারণভাবে বামপন্থি বলা হয়।১৭৮৯ সালে ফরাসি জাতীয় পরিষদে তৎকালীন প্রগতিশীল দল সমূহের সদস্যরা স্পীকারের বাম দিকে বসতেন,মধ্যমপন্থিরা বসতেন মাঝখানে এবং রক্ষণশীলরা বসতেন ডানদিকে।ফলে তাঁরা Left Winger বা বামপন্থি বলে পরিচিত হন।পরবর্তীতে অন্যান্য দেশের আইনসভাতেও এই বসার রীতিটি প্রচলিত ছিল।
.
ডিমাগগ(Demagogue) কারা?
★উত্তরঃযে সমস্ত রাজনৈতিক নেতা
কোনো সুনির্দিষ্ট নীতি-আদর্শের
বদলে আবেগপ্রবণ বক্তৃতা, মিথ্যা
প্রতিশ্রুতি,অসার ও অবাস্তব
দাবিনামা ইত্যাদির মাধ্যমে
জনগণকে উত্তেজিত করে তোলেন
এবং উত্তেজিত জনতার রোষকে
কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের
প্রয়াস পান,সেই সমস্ত রাজনৈতিক
নেতাকে বলে ডিমাগগ। ডিমাগগরা
সাময়িক ইস্যু,সস্তা মুখরোচক
স্লোগান ইত্যাদি নিয়েই মেতে
থাকেন,কখনই তাত্ত্বিক বিষয়ে বা
সমস্যার গভীরে যায় না।
.
ধীরে চলো কৌশল(Go Slow Tactics) কী?
★দাবি আদায়ের কৌশল হিসাবে শ্রমিকরা অনেকসময় ধর্মঘটের পরিবর্তে কাজের গতি কমিয়ে দেওয়ার এই কৌশল গ্রহণ করে।রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও প্রতিপক্ষের হামলা ও দৃষ্টি এড়িয়ে সাংগঠনিক শক্তি সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক দল বা সরকারও অনেক সময় ধীরে চলো নীতি গ্রহণ করে।
.
জাতীয় মুক্তি(National Emancipation) কী?
===================
★উত্তরঃসাম্রাজ্যবাদ, নয়া সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ,নয়া উপনিবেশবাদ বা তাদের দেশীয় এজেন্টদের কবল থেকে জাতীকে মুক্ত করাই হল জাতীয় মুক্তি এবং এর জন্য সংগ্রামই হল জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম।
.
স্বপ্ন জয়ের পথিক
জয়কামনা আর সুপ্ত ভাবনা নিয়ে হয়ত সেই স্বপ্ন পাগলেরা বইয়ের এলার্জিধারী পাতা গুলো স্মৃতির কোটরবাসী করার নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এক চোঁখে অশ্রু অন্য চোঁখে ভবিষ্যৎ,কী অসম্ভব বৈষম্যভেদ্য! পুঞ্জিভূত স্বপ্নের সাথে শীতের কুয়াশাকে জয় করে অদম্য গতিধারায় আবেগময় সেই বাবা-মার স্বপ্নকে হিমালয় করে জাগিয়ে তোলা,কী দারুন কষ্টভোগ! সৃষ্টিকর্তা সব কষ্টের মূল্য অবশ্যই দিবেন।সব বেকারদের প্রতি কষ্টপাথর ভাঙ্গার আহ্বান জানাই।

# চরমপত্র (Ultimatum) কাকে বলে?
★উত্তর: সরকার বা কোন ককর্তৃপক্ষের নিকট একটি নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট দাবি মেনে নেওয়ার জন্য চূড়ান্ত আহ্বান জানিয়ে এবং ঐ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দাবি মানা না হলে চরম ব্যবস্থা (যেমন, ধর্মঘট, হরতাল, অসহযোগ, বিদ্রোহ বা যুদ্ধ) গ্রহণের হুমকি দিয়ে যে পত্র প্রদান করা হয়,তাকেই বলে চরমপত্র। এক রাষ্ট্রও অপর রাষ্ট্রের কাছে চরমপত্র দিতে পারে।

# বেলুন_ব্যারেজ ( )
কী?
★উত্তরঃ১৯৪০ সালের সেপ্টেম্বর
মাসে # হিটলার ইতিহাসের
সর্বাধিকসংখ্যক জঙ্গি বিমান নিয়ে
বৃটেনের ওপর হামলা চালালে, শত্রু
বিমানকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে
বৃটেন আকাশে অসংখ্য বেলুন উড়িয়ে
দেয়।ফলে নাৎসি বোমারু বিমানসমূহ
নির্ধারিত লক্ষ্যস্থলের অবস্থান
নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়ে এলোপাথারি
বোমাবর্ষণ করে। এতে জানমালের
ব্যাপক ক্ষতি হলেও তাঁরা তাদের
ইপ্সিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়।
বেলুনের আবরন দিয়ে লক্ষ্যবস্তুকে
আড়াল করার এই কৌশল ইতিহাসে
বেলুন ব্যারেজ নামে খ্যাত|
===================
★মানিব্যাগ গণতন্ত্র (Moneybag
Democracy) কী?
উত্তরঃচীনে ভিন্নমত পোষণকারীদের
ব্যাপক জেলজুলুম চাপিয়ে দেওয়ার
পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৭ সালের শুরুতে
মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ চীনের
সমালোচনা করে এবং তাদের এই
আচরণকে স্বেচ্ছাচারী বা
কর্তৃত্ববাদী (Authoritarian)বলে
আখ্যায়িত করে।এর জবাবে চীন বলে
যে,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে
গণতন্ত্রের মডেল বলে দম্ভ করলে কী
হবে,মার্কিন গণতন্ত্র আসলে
মানিব্যাগ গণতন্ত্র অর্থাৎ এটা
ধনীদেরই গণতন্ত্র। ২০০ বছর যাবৎ
মার্কিনিরা গণতন্ত্রের নামে আসলে
ধনিকতন্ত্র বা মানিব্যাগ গণতন্ত্র
চর্চা করে এসেছে বলে চীন অভিযোগ
করে।
================
আম্র কূটনীতি (Mango Diplomacy) কী?
★উত্তরঃ১৯৯৭ সালের আগষ্ট মাসে
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ
শরিফ ভারতের ৫০ তম স্বাধীনতা
বার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের
রাষ্ট্রপতি কে. আর. নারায়ণ,
উপরাষ্ট্রপতি কৃষাণ কান্ত ও
প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালসহ
বিভিন্ন ভারতীয় নেতার কাছে
পাকিস্তানি আমের উপহার পাঠান।
এটাকেই কূটনৈতিক মহলে Mango
Diplomacy বলা হয়।এভাবে পাক-ভারত
সম্পর্ক উন্নতি ঘটলেও ১৯৯৮ সালের
মাঝামাঝি সময়ে উভয় দেশই
পারমানবিক বিস্ফোরণ ঘটানোর ফলে
সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
=================
=================
গেলাপ নির্বাচন (Gallup Poll) কী?
উত্তর:গেলাপ নির্বাচন হল ড.গেলাপ
নামক জনৈক মার্কিন ব্যক্তি কর্তৃক
আবিষ্কৃত জনমত যাচাইয়ের একটি
পদ্ধতি।কোন বিষয়ে জনসাধারণের
বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিত্বমূলক
সদস্যদের প্রশ্ন করে উত্তর সংগ্রহের
মাধ্যমে ফলাফল বা সিদ্ধান্তে
উপনীত হওয়াই হল এই পদ্ধতির মূল কথা।
মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য প্রভৃতি
দেশে আসন্ন নির্বাচনের ফলাফল
সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করার
উদ্দেশ্যেও এই পদ্ধতি ব্যবহার করা
হয়ে থাকে।প্রায়শই এরূপ
ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে বাস্তব ফলাফল
এর খুব একটা গরমিল হয়না যদিও
যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন ডোনাল ট্রাম্প
ফলাফল উল্টে দিয়েছিল।তিনি
মানুষের চিন্তাভাবনাকে করায়ত্ত
করেছিলেনন।
=================
ট্যাবু(Taboo) কী?
উত্তরঃ ট্যাবু অর্থ্যাৎ নিষিদ্ধ করণ
প্রথা।কোন ব্যক্তি বা বস্তুকে অস্পৃশ্য
বা
অপবিত্র বিবেচনা করে নিষিদ্ধ বা
পরিহার করাই ট্যাবু।পৃথিবীর প্রায়
সকল
আদিম অধিবাসীদের মধ্যে এই প্রথা
প্রচলিত ছিল।এই প্রথা অনুযায়ী
অপরিচিত ব্যক্তি, গর্ভবতী
নারী,মৃতদেহ
ইত্যাদিকে নিষিদ্ধ বলে গণ্য করা হয়।
যে
ব্যক্তি নিষিক্ত ব্যক্তি বা দ্রব্যাদি
স্পর্শ করবে,সেও নিষিদ্ধ বলে গণ্য
হবে।
নিষিদ্ধকরণ অমান্যকারীকে মৃত্যুদণ্ড
প্রদান করাই সাধারণ নিয়ম।
=================
পিকেটিং(Picketing) কী?
উত্তরঃকোন ধর্মঘট বা হরতালকালে
শ্রমিক কর্মচারী বা ছাত্ররা যাতে স্ব
স্ব কলকারখানা,অফিস-আদালত বা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না যায়;গাড়ির
চালকরা যেন গাড়ি না চালায়,তার
জন্য সংশ্লিষ্টদের বুঝিয়ে - শুনিয়ে
নিরস্ত রাখাই হল পিকেটিং।আমরা
সাধারণত পিকেটিং বলতে
ভাংচুর,টায়ার পোড়ানো ইত্যাদি বুঝে
থাকি। এক কথায়, কোন রাজনৈতিক
বা পেশাগত উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বাভাবিক
কাজকর্ম থেকে বিরত করার কাজই
হলো পিকেটিং।

★মৌলিক অধিকার ও মৌলিক চাহিদা কী?
উত্তরঃ
# মৌলিক_অধিকার ( # Fundamental_Rights ):একটি রাস্ট্রের প্রতিটি নাগরিকে বাঁচার অধিকার,জীবিকার অধিকার,ধর্মের অধিকার,সংস্কৃতির অধিকার,মতামত ও সংগঠনের অধিকার,সরকার নির্বাচনের ও সরকারে নির্বাচিত হওয়ার অধিকার,সম্পত্তির অধিকার,চুক্তির অধিকার,বিবাহের অধিকার ইত্যাদিকে বলা হয় মৌলিক অধিকার(
ntal_Rights)।মানুষের যথার্থ জীবনযাত্রা ও ব্যক্তিত্বের বিকাশ ও স্ফূর্তির জন্য এই অধিকার অপরিহার্য বলে বিবেচনা করা হয়।এই অধিকার সংবিধানে সন্নিবেশিত আছে।
# মৌলিক_চাহিদা ( # Basic_Requirements ): প্রতিটি মানুষকে মানুষের মতো বাঁচতে হলে ন্যূনতম পাঁচটি জিনিষ প্রয়োজন হয়।খাদ্য, বস্ত্র,শিক্ষা,স্বাস্থ্য ও বাসস্থান।এর সাথে নতুন আরেকটি যোগ হয়েছে "মানসিক শান্তি"।এগুলো সংবিধানে সন্নিবেশিত নেই।

14/10/2016

চাকরির ভাইভায় বরিশাল বিভাগের পরীক্ষাথীদের কাজে লাগবে ।
একনজরে বরিশাল .
/
★যদি বলা হয় বাংলার রানী বলা হয়
কাকে.....???
উত্তরঃ বরিশাল
★বরিশাল একটি বিভাগ, যাদের
সাথে ভারতীয়
কোন বর্ডার সংযোগ নেই। ( ঢাকার সাথেও নেই)
★বরিশাল একটি মাত্র নাম, যে
বিভাগের প্রতিটা
জেলার মানুষের ভাষা, বরিশালের
আঞ্চলিক ভাষা। এ
রকম আর কোন বিভাগে পাওয়া যবে
না।
★বর্তমানে বরিশালে শিক্ষার হার সব
থেকে বেশি।
★বর্তমান সরকারের ১ম সারির মন্ত্রীর
৪-জনই বরিশালের।
★বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর,
বীরশ্রেষ্ঠ
মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, দেশের
সাত বীরশ্রেষ্ঠের
দুইজনই বরিশালের সন্তান।
★মুক্তিযুদ্ধের সময় ৯ নম্বর সেক্টর গঠন করা
হয়েছিল
বরিশালে, যার সেক্টর কমান্ডার
ছিলেন মেজর এম এ জলিল।
★বাংলার ঐতিহাসিক খানকাগুলোও বরিশালে যেমন,চরমোনাই/ছারছিনা/নেছারাবাদ/মিজাগন্জজ ইত্যাদি।
★রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাস।
★সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
★মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি বিজয় গুপ্ত।
★কবি আসাদ চৌধুরি "অমর একুশে"
গানের রচয়িতা কবি।
★সাংবাদিক-"মানিকমিয়া"
যারনামে করা হয়,
""ঢাকার মানিক-মিয়া এভিনিউ""
এবং সে দৈনিক
ইত্তেফাক এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
★লেখক গাফফার চৌধরি বরিশালে
জন্মেছেন।
# আমাদের_মেয়েরাও_কিন্তু_পিছিয়ে_নেই ।
★সুফিয়া কামাল, কামিনী রায়,
কুসুমকুমারী দাশের
মতো মহিলা কবিরা বরিশালে
জন্মেছেন।
→বাংলার বাঘ
★শেরে বাংলা একে ফজলুল হক""
ব্রিটিশরা তাকে
*টাইগার অব ""বেঙ্গল""* উপাধি
দিয়েছিল। তার মতো
সাহসী রাজনিতিক, অসাধারণ
প্রতিভাবান,বিখ্যাত
বক্তার জন্মস্থান বরিশালে।
★মহাত্তা গান্ধি বলেছেন “ যখন ভারত
বর্ষ ছিল চির
নিদ্রায় মগ্ন ,তখন বরিশাল ছিল যাগ্রত”
★বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক আরজ
আলী মাতুব্বর,
অশ্বিনী কুমার দত্ত আরো অনেকের জন্ম
স্থান বরিশালে।
★যাদু শিল্পি জুয়েল আইচ এর জন্ম কিন্তু
বরিশালে।
★জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক
এমিলি,
এমেকার নাম। একই পরিবারের ৩ ভাই
জাতীয় দলে ফুটবল
খেলার ইতিহাস বিশ্বে বিরল। এদের বাড়ি
পিরোজপুরের উদয়কাঠী।
★দেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীম তিনিও কিন্তু বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার সন্তান।
★বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর
"পায়রা সমুদ্র বন্দর" বরিশালের
পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায়
পায়রা নদীতে অবস্থিত।
★ "আবার আসিব ফিরে, ধানসিড়িটির
তীর" ধানসিড়ি
নদীটিও কিন্তু এই বরিশালে।
★ দেশের সর্বোচ্চ সেতু - গাবখান
সেতুটিও বরিশালের ঝালকাঠিতে।
★ এছাড়াও কবি আহসান হাবিব, হানিফ সংকেত,
অভিনেতা মোশাররফ করিম,
মীর সাব্বির, তানিয়া
আহমেদ, সোহেল রানা, রুবেল, সুচন্দা,
মিঠুন চক্রবর্তী, অনেকের প্রিয় নাইকা
ভারতের শ্রবন্তী চ্যাটাজী,
কন্ঠশিল্পি জুয়েল, নচিকেতা, প্রমুখ এই
বরিশালেরই সন্তান।
★দেশের একমাত্র "কোষ্ট গার্ড'' এর
ট্রেনিং সেন্টারটিও বরিশালের পটুয়াখালীতে।
★বাংলাদেশের অন্যতম পর্যাটক কেন্দ্র
"সাগরকন্যা বা কুয়াকাটা" নামে পরিচিত সেটাও
বরিশালের পটুয়াখালীতে অবস্থিত।
★এছাড়াও বিশ্বের অন্যতম খেলোয়ার শাহরিয়া
নাফিজ, সোহাগ গাজী, প্রমূখ
ব্যক্তিবর্গও বরিশালের।
★সবচেয়ে বড় যে ব্যাপার বরিশাল বাংলাদেশের
খাদ্যভাণ্ডার নামে পরিচিত।
বরিশালে যে পরিমাণ
খাদ্যশস্য উৎপন্ন হয়, তা দিয়ে দেশের
সিংহভাগ খাদ্য চাহিদা মেটানো হয়।

02/09/2016

★ Let's go learn Quran in a Maktab
- চলো মক্তবে কুরআন শিখতে যাই ।
★ The Quran is our road map
- কুরআন আমাদের পথ নির্দেশক ।
★ The Quran is our life rules
-কুরআন আমাদের জীবন বিধান ।
★ The Quran is ALLAH's talk
- কুরআন আল্লাহর বাণী ।
★ The Quran is a devine book
- কুরআন একটি আসমানী কিতাব ।
★ There are 114 surahs in the holly Quran
-পবিত্র কুরআনে ১১৪ টি সূরা আছে ।
★ There are 6,666 ayats/sentences in the holly
Quran
-পবিত্র কুরআনে ৬,৬৬৬ টি আয়াত আছে ।
★ We'll learn more about it later
- পরে এ বিষয়ে আরও শিখব ।
★ Bye at this moment
- এই মূহুর্তে বিদায়।।
ধন্যবাদ সবাইকে।। পোষ্টটি ভালো লাগলে বন্দুদের জন্য শেয়ার করতে পারেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Rangpur