পরিযায়ী

পরিযায়ী

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from পরিযায়ী, Tutor/Teacher, Rangpur.

11/04/2025

“সামনেই ত পহেলা বৈশাখ”
আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় দুশমন শয়তানের বেশ কিছু মাস্টার প্লান রয়েছে। কুরআনের সূরা নিসার মধ্যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেই মাস্টার প্ল্যান সম্পর্কে বিবৃত করেছেন। শয়তান যখন তার দোষে আসমান থেকে বিতাড়িত হলো‚ যখন সে অভিশপ্তদের কাতারে নাম লেখালো‚ তখন সে মহান আল্লাহ সুবাহানাহু তায়ালার সামনে চারটে অঙ্গীকার তথা শপথ করে। সেই চারটা শপথ সম্পর্কে আপনাকে আমাকে অবশ্যই জানতে হবে। জাহান্নামের লেলিহান শিখা থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য আমাদের জানতে হবে। শয়তানের প্রথম অঙ্গীকার ছিল-

-এবং আমি তাদের অবশ্যই পথভ্রষ্ট করব।
সুরা নিসা‚ আয়াত: ১১৯

এরই প্রেক্ষিতে শয়তান আপনাকে ওয়াসওয়াসা দিতে পারে এই বলে যে‚ “পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রায় বাঘ-ভাল্লুক আর প্যাঁচার প্রতিমূর্তি মাথায় নিয়ে মিছিল করার মধ্যে খারাপ কিছু নেই; বরং এগুলো তোমাকে দুনিয়ার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে শেখাবে। তোমার মতন কত মুসলিমই তো এসব উৎসবে যায়‚ তাদের কি ধর্ম চলে গেছে? ”

শয়তানের টোপগুলো এমনই। আপনার হিতাকাঙ্ক্ষী সেজে আপনাকে আপাত ভালো বুদ্ধি দিয়ে সে আপনাকে পহেলা বৈশাখের বাঘ-ভাল্লুক আর প্যাঁচার মূর্তি মাথায় পরিয়ে আপনাকে দিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা করাবে।
শয়তান তার মিশনে সর্বৈব বিজয়ী। আমাদের দাবার গুটি বানিয়ে সে নিজের কৃত ওয়াদা পূরণে বদ্ধপরিকর। সে নিজে তো ধ্বংসপ্রাপ্ত আর অভিশপ্ত‚ তবে সে একা ধ্বংস হতে চায় না। সে চায় আল্লাহর বান্দাকে তাঁর রহমত থেকে দূরে সরিয়ে তাদের অভিশপ্ত আর ধ্বংসপ্রাপ্ত করে ছাড়তে।
আমাদের বাঁচানোর জন্য আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'য়ালা শত্রুর পরিকল্পনা আমাদের সামনে মেলে ধরেছেন। বলে দিয়েছেন কোন কোন উপায়ে‚ কোন কোন কৌশলে‚ কোন কোন রঙে ঢঙ্গে শত্রু আমাদের সামনে আসতে পারে। এবার আমাদের পালা! শত্রুর হাত থেকে বাঁচতে আমাদের হতে হবে সংকল্পবদ্ধ। সর্বোতভাবে পরাজিত করতে হবে তাকে। নয়তো আমরা হারিয়ে যাব এক নিকষ কালো অন্ধকারের মাঝে।
পরিমার্জিত: বেলা ফুরাবার আগে বই থেকে

09/01/2025

প্রতিটি থাকার পাশে না থাকা অধিক
গাছে-থাকা ফুলটিরও শূন্য চারদিক।
-শূন্যতা

22/08/2024

৫০টি বোটসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের টিম ফেনীতে

22/08/2024

উপকূলীয় এলাকায় একটানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং ভা*রতের উজানের পানিতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লাসহ দেশের বেশ কিছু অঞ্চল। বন্যাকবলিত এসব এলাকায় সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর পাশাপাশি দেশের আপামর তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান রইলো।

সেনাবাহিনীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দিন। মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করুন। আসুন বরাবরের মতো আমরা সবাই মিলে বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়াই।

সম্প্রীতির এই বাংলাদেশে বিপদে-আপদে কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিস্টান সেটা যে আমরা দেখিনা; তা আরো একবার জানান দেওয়ার সময় এটা।

22/08/2024

মন্দির ভাঙলে আওয়াজ উঠাও,
এখন মন্দির ডুবলে চুপ কেন সার্বজনীন সুশীলরা?
সবগুলো ধর্মীয় কার্ড খেলা সার্বজনীন বাটপার।

23/05/2024

কনে খোঁজা চিঠি!

কনে খুঁজতে শুরু করা ছেলেটি জানতে পারল, ওই পরিবারে বিয়ের উপযুক্ত একটি মেয়ে আছে। ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, উপযুক্ত দীনদার পাত্র পেলে দেরি করবে না। এটাও জানা গেছে, আগের একটি প্রস্তাব মেয়ের পরিবার নাকচ করে দিয়েছে। প্রধান কারণ ছিল, পাত্র দীনদার ছিল না। ছেলেটি বুদ্ধি করে হবু শ্বশুরের কাছে ছোট্ট একটি চিঠি লিখেছে....
জনাব,
ক্লান্তিকর সফর শেষে আমার একটি মাথা গোঁজার ঠাঁই দরকার। আমার অসম্পূর্ণ সত্ত্বাকে পূর্ণ করার জন্য আরেকটি পূত পবিত্র আত্মা দরকার। আমার অর্ধেক দীন পূর্ণ করার জন্য আপনার নাড়িছেঁড়া ধনের মতো একজন মহীয়সী দরকার!

ইতি
...........

~শায়েখ আতিক উল্লাহ হাফি.

12/05/2024

তখন ভার্সিটির মাত্র সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। বুয়েটের ছাত্র বিধায় টিউশনির বাজারে ভালোই চাহিদা ছিল।

মিরপুর-০১ এর একটি অভিজাত হাউজিং এলাকায় এক ছাত্রকে পড়াতাম। হল থেকে বেশ দূরে বিধায় সপ্তাহে মাত্র দুইদিন যেতাম পড়াতে।
ছাত্রের বাবা আমাকে খুব পছন্দ করতেন। লোকটাকে বেশ ভালোই মনে হত।
কিন্তু ছাত্রটা বেশি একটা সুবিধার ছিল না। মাত্র নাইনে পড়ে, কিন্তু বখাটে হয়ে গিয়েছিল। নেশা করত, পড়াশুনা করত না একেবারেই।
আমি খুব চেষ্টা করতাম, বুঝিয়ে-শুনিয়ে যদি কিছুটা পড়ানো যায়!

কিন্তু না! ছেলেটাকে একেবারেই লাইনে আনতে পারছিলাম না। মাস গেলেই দশ হাজার টাকা সম্মানী নিতে নিজের কাছে ভালো লাগত না। তাই অনেক চেষ্টা করতাম, ছেলেটাকে যদি একটু চেইঞ্জ করতে পারি!
ছেলেটা তার আব্বু, আম্মু কাউকেই মানত না।
একদিন ছেলেটা আমাকে তার নষ্ট হওয়ার পেছনের গল্প শুনালো!
ছেলেটার মা প্রখ্যাত এক টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক। তাও আবার যেন তেন সাংবাদিক না। প্রাইম মিনিস্টারের সংবাদ সংগ্রহ করেন। অনেকেই তাকে চিনেন।

ছেলেটা আমাকে জানালো, তার মায়ের সাথে অন্য এক সাংবাদিকের পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে। ও আমাকে স্ক্রিন শর্ট দেখালো যেখানে তার মায়ের চ্যাটিং হিস্ট্রি ছিল। ও এও জানালো যে, কিছুদিন আগে তারা দেশের বাহিরে গিয়েছিল প্রফেশনাল কাজে। তখন নাকি কিবা কিবা হয়েছে তাদের মাঝে!
আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম! তবে এটাও বুঝতে পারছিলাম যে, ছেলেটাও খুব ধূর্ত। কেননা সে তার মাকে প্রায় ব্ল্যাক মেইলের মতই করত! মায়ের পরকীয়ার সুযোগ নিয়ে নিজের অবাধ্য রাজ্যের রসদ যোগাঢ় করতে ব্যস্ত ছিল।

আমি দেখলাম এখানে কন্টিনিউ করা আর সম্ভব না। ছেলের আব্বু আমাকে রিকুয়েষ্ট করেছিল যে, আমি যাতে অন্তত শুক্রবার ওকে গিয়ে পড়িয়ে আসি।
কিন্তু যাইনি।

সত্য বলতে কি, ঢাকা শহরের হাজারো ফ্যামিলির চিত্র এমন। অনেক ছেলে-মেয়ে নষ্ট হওয়ার পেছনের গল্প এটি। যদিও এই ধরণের বিষয় কোন ছেলে মেয়ে নষ্ট হওয়াকে যৌক্তিকতা দেয় না। কিন্তু দু:খজনক এই বিষয়টা অনেক ছেলে মেয়ের জীবনকে বিষিয়ে দিয়েছে, দিচ্ছে!

তাই, নিজের সন্তান নষ্ট হওয়ার পেছনে কারণটা খুঁজতে গিয়ে প্রথমে নিজের প্রতি, এরপর নিজের পরিবারের অন্য সদস্যদের দিকেও নজর দেওয়া উচিত।
সন্তানদের সুন্দরভাবে বেড়ে উঠার জন্য একটা সুন্দর পরিবেশ দেওয়ার কোন বিকল্প নেই।

-মেহেদি হাসান

02/05/2024

অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাক্সিন গ্রহণকারীদের শরীরে বিরল দুটো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। দুটো সমস্যা হলো:

(১) ডেঙ্গু কিংবা অন্যান্য রোগ হলে প্লাটিলেট লেভেল যেভাবে ড্রপ করে সেভাবে প্লাটিলেট লেভেল কমে যেতে পারে।

(২) শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রক্তজমাট বেঁধে নানারকম জটিলতা দেখা দিতে পারে।

02/05/2024

প্রেম করে কাপুরুষ বিয়ে করে বীরপুরুষ …

02/05/2024

"শুন দোস্ত! এখনই সময় লাইফটাকে উপভোগ করার বুঝেছিস? জীবন তো মাত্র একটাই! একটু ফুর্তি করবো না? এখন একটু মজা করে নেই। বয়স হোক তারপরে একেবারে তাওবা করে আমি ভালো হয়ে যাবো। তখন শুধু আল্লাহর ইবাদত করবো। সুন্দর ভাবে পর্দা করে চলবো। কোনো পরপুরুষ আমায় দেখবেনা।"

এই কথাগুলো রোজা তার বান্ধুবী মেঘলা কে বলছিলো।

এরপর মেঘলা কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর বললো,

"দেখ বোন, এই দুনিয়াটা তো দু'দিনের। আমরা কে কবে মারা যাবো কেউ জানিনা। আমরা কেউ জানিনা আগামীকাল আমরা কি অর্জন করবো। এবং আমরা কেউ জানি না কোন জায়গায় আমাদের মৃত্যু হবে।[1]

দুই দিনের শিশু ও মারা যায়।আমাদের বয়স কম দেখে যে আমরা এখন মারা যাবোনা এ কথার গ্যারান্টি কি? হতেও তো পারে কাল বাদ যোহর আমার জানাজা। আর দুনিয়াটা উপভোগ করার জায়গা না বোন।

দুনিয়া মুমিনের জন্য কয়েদখানা এবং কাফিরের জন্য জান্নাততুল্য।[2]

এটা আমাদের পরীক্ষাকেন্দ্র। এখানে আমরা যেমন কাজ করবো সে অনুযায়ী পরকালে সেটার ফল ভোগ করবো।[3]

তাই দুনিয়াতে আল্লাহ ও তার রাসূলের দেখানো পথেই চলতে হবে।তবেই আখিরাতটা সুন্দর হবে।"

" ইশ! বললেই হলো না? এখনও বিয়ে হলো না। সন্তানের মুখ দেখলাম না আর আমি মরে যাবো?

শুন! মরে যাওয়া এত সহজ না বুঝেছিস? মরার আগে আমি তাওবা করে ভালো হয়ে যাবো।"

সেদিন খুবই তাচ্ছিল্যের সাথে কথা গুলো বলেছিলো রোজা।

আজ বাদ আসর রোজার জানাজা। কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে রোড এক্সিডেন্টে মারা যায় সে। আর হলো না রোজার মারা যাবার আগে তাওবা করে ভালো হওয়া! আর হলোনা তার বিয়ে। আর দেখলোনা সে তার সন্তানের মুখ।তার আগেই সে চলে গেলো পরপারে! মাত্র ১৮ বছর বয়সেই।

ঠিক এভাবেই হাজারো রোজা এই আশায় আছে যে সে মারা যাবার আগে তাওবা করে মারা যাবে। যৌবনের জীবনটা এখন একটু ইনজয় করে নিক বুড়ো বসয়ে ফিরে আসবে রবের কাছে।

কিন্তু তারা যেনো ভুলেই যায় যে, এই দুই দিনের দুনিয়াতে কোনো কিছুরই লাইফ টাইম গ্যারান্টি নেই। যে কোনো সময় যে কেউ মারা যেতে পারে। আমাদের আসার সিরিয়াল আছে কিন্তু যাওয়ার নেই। দুনিয়াতে আসার আগে প্রথমে বাবা আসে এরপরে সন্তান। বাবার আগে কখনই সন্তান আসেনা। কিন্তু যাওয়ার বেলায়, বাবার আগে সন্তানও পরপারে চলে যেতে পারে।তাই আমাদেরকে "আগামীকাল থেকে করবো, কাল থেকে ভালো হয়ে যাবো, যৌবন শেষে দ্বীন আকড়ে ধরবো" এই কথাগুলো মন থেকে মুছে ফেলতে হবে। এবং বলতে হবে "এক্ষুণি আমি আমার রবের কাছে ফিরে আসবো। আর অবহেলা করবোনা। কারণ, হতে পারে আজ বিকেলেই আমার জানাজা!

★রেফারেন্স
[1] সূরা লুকমান- আয়াত ৩৪
[2] সহিহ মুসলিম -হাদিস নং ৭৩০৭
[3] সুরা আল আহ্ক্বাফ-আয়াত ১৯

গল্পের নাম— “যৌবন শেষে দ্বীন আকড়ে ধরবো!”
লিখায়_ আমাতুল্লাহ ফারজানা আক্তার

পেজ- দ্বীনি লিখন

দীপ্তিময়ী টিম
#দীপ্তিময়ী

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Rangpur