21/11/2022
Gaibandha Govt. Boys High School
This is the official page of gaibandha govt boys high school ©2015
21/11/2022
08/09/2022
এক পৃথিবী কষ্ট আর অভিযোগ নিয়ে তাকিয়ে আছে চোখগুলো! আহা, কি অভিমান একদিনের সেই নিষ্পাপ শিশুটির !!
নরমাল ডেলিভারী কিংবা পেট কেটে নয়, পেট ফেটে বের হয়ে পৃথিবীর আলো দেখেছে সে। এখনো জানে না কতটা নিষ্ঠুর এই পৃথিবী। আসলে কত নিষ্ঠুর আর কষ্টকর হতে পারে এই পৃথিবী এটা সে টের পেয়েছে জন্মের সাথে সাথেই। যে মা ১০ মাস ১০ দিন গর্ভে লালন করেছিলেন কিংবা যে বাবা অপেক্ষায় ছিলেন একটা সুস্থ সন্তানের জন্য, তারা জানতেই পারলেন না তাদের অনাগত সন্তানের কি অবস্থা হলো। সে কি বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে? ইস! কি মর্মান্তিক।
একটা দানব ট্রাকের ধাক্কায় পৃথিবীর আলো দেখার আগেই এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলো প্রিয় মমতাময়ী মা সহ পরিবারের সকল সদস্য। এই নিষ্পাপ শিশুটি হারিয়েছে মমতায় ঘেরা মায়ের আদর।
জুলাই ২০২২ ময়মনসিংহের ত্রিশালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা মা, প্রিয় বাবা ও বোনকে হারায় শিশুটি। জন্মের আগে মায়ের পেটে থাকা অবস্থায় দূর্ঘটনা কবলিত ট্রাকের চাপে মায়ের পেট ফেটে রাস্তায় ছিটকে পড়ে শিশুটি। এসময় অলৌকিকভাবে শিশুটি বেঁচে গেলেও তার ডান হাতের দুটি অংশ ভেঙ্গে যায়।
যতবার এই খবর দেখি আমার কান্না চলে আসে। অস্থির লাগে। এই বাচ্চা কোনদিন তার মা-বাবার স্নেহ, মমতা, আদর পাবে না। কোনদিন জানতে পারবে না কতটা মধুর হয় মা-বাবার ভালবাসা! হতভাগ্য এই শিশুটিকে আল্লাহ হেফাযত করুক। যেখানেই থাকুক ভাল থাকুক।
13/08/2022
তেলের ট্রাকের পিছনে লোহার শিকল ঝুলানো থাকে কেন?
ডিজেল, পেট্রোল বা যেকোনো তেল যখন ট্রাকে করে নেওয়া হয় তখন ট্রাকের ঝাঁকুনির ফলে তেল ট্যাংকের এদিক সেদিক দুলতে থাকে, যেমন ধরুন একটি বোতলে পানি নিয়ে সেটিকে ঝাঁকি দিলে পানি যেরকম গড়াগড়ি খেতে থাকে সেরকম তেলও ট্যাংকের ভিতর গড়াগড়ি খেতে থাকে। যার ফলে ট্যাংকের সাথে তেলের ঘর্ষণজনিত কারণে আধান (চার্জ) সৃষ্টি হয়। এভাবে সৃষ্ট আধানের ফলে তেল যে ট্যাংকে রাখা হয় সেখানে স্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি হয়ে থাকে এবং যদি এমনটা হয় তাহলে পেট্রোলে আগুন ধরে যাবে। এই দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার জন্য ট্রাকের পিছনে ধাতব শিকল ঝুলিয়ে দেওয়া হয় যাতে উৎপন্ন তড়িৎ এই শিকলের মাধ্যমে ভূমিতে চলে যাবার পথ তৈরি হয়।
30/12/2021
Congratulations to all Students
20/03/2021
23/08/2017
08/03/2016
#বজ্রপাত কি? কি ভাবে এর সৃস্টি হয়?
এই পোস্টটি শেয়ার করতে পারেন !
বছরের বিভিন্ন সময় পত্র-প্রত্রিকার পাতা খুললেই দেখতে পাই,দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে এত জন মারা গেছেন।আসুন জানার চেস্টা করি কেন কিভাবে এর সৃস্টি হয়।বায়ূমন্ডলের উপরের অংশে নীচের তুলনায় তাপমাত্রা কম থাকে।এ কারনে অনেক সময় দেখা যায় যে,নীচের দিক থেকে উপরের দিকে মেঘের প্রবাহ হয়।এ ধরনের মেঘকে থান্ডার ক্লাউড ( ) বলে।
অন্যান্য মেঘের মত এ মেঘে ও ছোট ছোট পানির কনা থাকে।আর উপরে উঠতে উঠতে পানির পরিমান বৃদ্ধি পেতে থাকে।এ ভাবে বৃদ্ধি পেতে পেতে পানির পরিমান যখন 5 মিঃমিঃ এর বেশী হয়,তখন পানির অনুগুলো আর পারস্পারিক বন্ধন ধরে রাখতে পাড়ে না।তখন এরা আলাদা ( ) হয়ে যায়, ফলে সেখানে বৈদ্যুতিক আধানের ( ) এর সৃস্টি হয়।আর এ আধানের মান নিচের অংশের চেয়ে বেশী হয়।এরকম বিভব পার্থক্যের ( ) কারনেই ওপর হতে নিচের দিকে বৈদ্যুতিক আধানের নির্গমন ( ) হয়।এ সময় আমরা আলোর ঝলকানি ( ) দেখতে পাই।আর ক্রিয়ার সময় উক্ত এলাকার বাতাসের প্রসারন ( ) এবং সংকোচনের ( ) ফলে আমরা বিকট শব্দ শুনতে পাই।এ ধরনের বৈদ্যুতিক আধানের নির্গমন দুটি মেঘের মধ্যে অথবা একটি মেঘ এবং ভূমির মধ্যে ও হতে পারে।
মার্চ থেকে মে মাসের গোড়া পর্যন্ত বিহারের মালভূমি অঞ্চলে নিম্নচাপের ক্ষেত্র সৃস্টি হয়।তখন বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয়বাস্প পূর্ন বায়ু প্রবাহ এই নিম্নচাপ ক্ষেত্রের দিকে এগিয়ে যায়।এই ছুটে আসা আদ্র বায়ু প্রবাহ এই দুয়ের সংঘাতে একটি দুটি করে বজ্র মেঘের সৃস্ট হয়।আর সেগুলি ত্ত্রিব গতিতে মাথা তুলতে থাকে।এই মেঘগুলি থেকে নঃসৃত শীতল ঝড়ের জাপটা ( ) সামনের দিকে আঘাত করে।বঙ্গোপসাগর থেকে আসা আর্দ্র বায়ুস্তর ঐ ঠান্ডা হাওয়ার ঝাপটা খেয়ে ওপরে উঠ্র যায়,সঙ্গে সঙ্গে সেইসব জায়গায় নতুন করে বজ্র-মেঘ সৃস্টি হয়।সবচেয়ে প্রথম যে একটি দুটি মেঘ তৈরী হয়েছিল তাদেরকে জননী ( ) বলা হয়।তবে সামনের দিকে সৃস্ট হওয়া নতুন বজ্র-মেঘ গুলো কে বলা হয় কন্যা ( )।এই ভাবে সামনের দিকে ক্রমে অনেক গুলি বজ্রমেঘ সৃস্টি হয়ে একটা রেখা বরাবর দক্ষিন-পূর্ব দিকে এগোয়।
রাডার যন্ত্রে স্বষ্ট দেখতে পাওয়া যায় যে,কালবৈশাখী মেঘের এই রেখাটি ( )( ক্রমে উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিন-পূর্বে আগায়।এই রেখার দৈর্ঘ্য 50 থেকে 100 কিঃমিঃ পর্যন্ত হয়।আর বিস্তৃতি হয় প্রায় 15- থেকে 20 কিঃমিঃ’র মত হয়।এই রেখাটি যে অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝাপটা দিয়ে যায়,সেই অঞ্চলেই কালবৈশাখীর তান্ডবলীলা চলে।ক্রম্র ক্রমে এই মেঘ বঙ্গোপসাগরের কাছে পড়লেই এই কাল কালবৈশাখী ঝড় নিস্তেজ হয়ে যায়।কারন সমুদ্রের ওপর কালবৈশাখী হয় না।মনে রাখতে হবে যে কালবৈশাখী মেঘের বিস্তৃতি হয় প্রায় 15- 20 কিঃমিঃ এর মতো।এবং মেঘগুলি সাধারনত প্রতি ঘন্টায় 25-30 কিঃমি গতিতে এগোয়।সুতরাং কোন কোন স্থান অতিক্রম করতে এই মেঘগুলির সাধারনত আধঘন্টা থেকে বড়জোর এক ঘন্টার মতো সময় লাগে।বৃস্টি ও ততক্ষন হয়।কিন্তু বজ্র মেঘের সঙ্গে অনেক সময় মধ্যস্তর মেঘ থেকেও অনেক সময় বৃস্টি হয়।এই জন্য কোন কোন সময়ে এক ঘন্টারও বেশী সময় বৃস্টি হতে পারে।
বজ্রপাতের সময় আমরা একটু সচেতন হলে আমরা এর হাত থেকে রক্ষা পেতে পারি।
১-
বজ্রপাতের সময় কোন খোলা মাঠে বা খোলা স্থানে দাড়াবেন না,যদি ঐ স্থানে কোন বড় গাছ না থাকে,তবে আপনি সেই স্থানের সব থেকে উচু ব্যাক্তি।সেই সাথে কোন গাছের নীচে আশ্রয় নিবেন না।গাছের উপর বজ্রপাত বেশী হয়।
২-
পানির কাছে থাকবেন না,রাস্তায় সাইকেল বা মটরসাইকেলের উপর থাকলে,দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় গ্রহন করুন।
৩-
যদি খোলা মাঠ বা খোলা জমিতে থাকেন,তবে লক্ষ্য করুন তার টানা কোন বৈদুত্যক খুটি আছে কিনা।যদি থাকে তবে দুই খুটির মাঝখানে তারের নিচে পায়ের পাতা উচু করে পাতার উপর মাথা নিচু করে বসে থাকুন।
৪-
বজ্রাহত কোন ব্যাক্তিকে কখনো খালি হাতে স্পর্শ করবেন না,কারন তার শরিরে তখনও বিদ্যুৎ থাকতে পারে।
পৃথিবীতে প্রতি সেকেন্ডে কোথাও না কোথাও 100 বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে,অতএব সাবধান।
07/01/2016
Latest marks distribution for class vi, vii, & ix
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
Rangpur
5700