24/05/2020
রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরিবারের সবাইকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরে শুভেচ্ছা।
ঈদ মুবারক!!!
Established 2010
"Friendship to all, malice to none"
24/05/2020
রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরিবারের সবাইকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরে শুভেচ্ছা।
ঈদ মুবারক!!!
04/06/2018
Couples of the Dept.
04/06/2018
সোনালী অতীত....
15/02/2018
দেখতে দেখতে চলে গেল ৭ টি বছর। ৮ম বর্ষে পদার্পণ বেরোবি রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরিবারের..
অনেক অনেক শুভকামনা প্রাণের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ।
(১ম থেকে ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কিছু স্মৃতি)
helpful page
https://www.facebook.com/Know-Thyself-420409838309767/
Know Thyself Education website
31/03/2017
viva time at DU campus, against the post of lecturer, political science, brur
স্মরণের আবরণে, যতনে রাখি স্মৃতি...
দূরে গিয়ে কাছে থাকি, স্মৃতিতে অটুট প্রীতি
(১ম ব্যাচ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান)
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়...
সাক্ষাৎকার,তালিকা প্রকাশ ও ভর্তি
সংক্রান্ত তথ্য (পুন:নির্ধারিত)...
...........................................................
............................................
সাক্ষাৎকার গ্রহণ: ৪ ও ৫ জানুয়ারি
...........................................................
............................................
********সময়: ৪ জানুয়ারি,২০১৭------সকাল
১১ টা থেকে (সূত্র: উপাচার্য)
৫ জানুয়ারি,২০১৭-----সকাল ১০ টা
থেকে বিকেল ৩ টা ৩০ মি.)...।
...........................................................
............................................
১ম মেধা তালিকা প্রকাশ: ১২
জানুয়ারি,২০১৭।
ভর্তি তারিখ ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি,২০১৭।
...........................................................
...........................................
২য় মেধা তালিকা প্রকাশ: ২৪
জানুয়ারি,২০১৭ ( আসন শূন্য
স্বাপেক্ষে)
ভর্তি তারিখ: ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি
...........................................................
...................................................
৩য় মেধা তালিকা প্রকাশ: ০৬
ফেব্রুয়ারি ( আসন শূন্য স্বাপেক্ষে)
ভর্তি তারিখ: ১২ ফেব্রুয়ারি,২০১৭।
...........................................................
..................................................
৪র্থ মেধা তালিকা প্রকাশ: ১৫
ফেব্রুয়ারি ( আসন শূন্য স্বাপেক্ষে)
ভর্তি তারিখ: ১৯ ফেব্রুয়ারি,২০১৭।
...........................................................
............................................
৫ম মেধা তালিকা প্রকাম: ২৩
ফেব্রুয়ারি ( আসন শূন্য স্বাপেক্ষে)
ভর্তি তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি,২০১৭।
...........................................................
............................................
৬ষ্ঠ মেধা তালিকা প্রকাশ: ০৫ মার্চ
( আসন শূন্য স্বাপেক্ষে)
ভর্তি তারিখ: ৯ মার্চ,২০১৭্
...........................................................
..................................................
৭ম মেধা তালিকা প্রকাশ: ১৫ মার্চ
( আসন শূন্য স্বাপেক্ষে)।
ভর্তি তারিখ: ২০ মার্চ,২০১৭ইং।
..................................................................
কোটায় সাক্ষাৎকার ৭ ও ৮
ফেব্রুয়ারি
তালিকা প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি এবং
ভর্তি তারিখ: ১৯ ও ২০
ফেব্রুয়ারি,২০১৭ ইং।
...........................................................
..........................................
সাক্ষাৎকারের সময় যা লাগবে:
১। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার মূল
রেজি:কার্ড,মাধ্যমিক ও উচ্চ
মাধ্যমিক পরীক্ষার মূল ট্রান্সক্রীপ্ট ও
মূল সার্টিফিকেট/প্রভিশনাল
সার্টিফিকেট/প্রশংসাপত্র।
( বি:দ্র:.. যে কোনো একটি না
থাকলে সেই কাগজপত্রের জন্য স্ব স্ব
প্রতিষ্ঠানকর্তৃক একটি প্রত্যয়নপত্র সঙ্গে
আনতে হবে)
২। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার
মূল ট্রান্সক্রিপ্টের ফটোকপি
( প্রতিটি ২ কপি করে)
৩। ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং
৪। ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
( ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রে ব্যবহৃত
ছবির অনুরুপ)।
৫। কোটায় সাক্ষাৎকারের জন্য
কোটা সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয়
কাগজপত্রাদি।
09/12/2016
৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া দিবস:
বাংলার মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া। তিনি নারীবাদী নন নারীমুক্তির পথিকৃৎ। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দের জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বরে অবিভক্ত বাংলার রাজধানী কলকাতায় পরলোকগমন করেন। ইংরেজ শাসকের ‘বিভেদ করে শাসন কর’ নীতি অনুসরণের দরুন এবং ইংরেজী শিক্ষাবিরোধী মনোভাবের কারণে ভারতবর্ষের মুসলমান সম্প্রদায় ছিল হতদরিদ্র, কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে অনগ্রসর। এই পরিবেশে ইংরেজ আমলের বাংলাদেশে আবির্ভাব ঘটে বেগম রোকেয়ার। শিক্ষা–দীক্ষায় অনগ্রসর পশ্চাৎপদ মুসলমান সম্প্রদায়ের নারী সমাজের অবস্থা ছিল অধিকতর শোচনীয়। মুসলমান সমাজে প্রচলিত নানাবিধ সামাজিক কুসংস্কার, পর্দা প্রথার নামে অমানবিক কঠোর অবরোধ প্রথা ও স্ত্রী শিক্ষাবিরোধী অনুদার মনোভাবের কারণে মুসলমান নারীরা ছিল সর্বাধিক পশ্চাৎপদ। মুসলমান নারীদের পশ্চাৎপদতা ও দুরবস্থা দয়ার্দ্র বেগম রোকেয়ার অন্তরকে পীড়িত করেছে, হৃদয়কে করেছে ব্যথিত ।
rokeya_begum-5
মুসলমান সম্প্রদায়ের সার্বিক উন্নতির লক্ষ্যে বিশেষত মুসলমান নারীদের মুক্তি বেগম রোকেয়ার জীবনব্রত, স্বপ্ন ও সাধনা। মানবসভ্যতার বিকাশ ও উৎকর্ষ এবং সার্বিক কল্যাণ সাধনের জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন নারী ও পুরুষের মধ্যে শিক্ষার বিস্তার। নারী মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে তিনি নারীদের মধ্যে সর্বপ্রথম শিক্ষার প্রচার ও প্রসারের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। যুগ যুগ ধরে মুসলমান সমাজে কুসংস্কার, কূপমন্ডূকতা ও অবনতির কারণসমূহ পুঞ্জীভূত হয়ে প্রগতির পথ রুদ্ধ করেছিল, তা একমাত্র শিক্ষা প্রচারের দ্বারাই দূর করা যেতে পারে–একথা তার কাছে ছিল নিঃশ্বাস–প্রশ্বাসের মতোই সত্য। অন্তর দিয়ে এই সত্য তিনি উপলব্ধি করেছিলেন। বেগম রোকেয়া তাঁর সমগ্র জীবনের অভিজ্ঞতায় এই সত্যও উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, শিক্ষা জাতির মেরুদ– এবং শিক্ষা ছাড়া জাতির উন্নতি কোনক্রমেই সম্ভবপর নয়। দেশের বিপুল জনসমষ্টির অর্ধেক নারী। এই বিপুল জনসমষ্টিকে অশিক্ষা ও অজ্ঞানতার অন্ধকারে রেখে জাতির উন্নতি সাধন অলীক কল্পনা মাত্র। সমাজের উন্নতি সাধনের জন্য শুধু পুরুষ সম্প্রদায় নয়, নারী সম্প্রদায়েরও উন্নতি সাধন প্রয়োজন। একই সমাজদেহের দুই অপরিহার্য অঙ্গ – নারী ও পুরুষ। পুরুষের বিকাশ যেমন প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন নারীরও বিকাশ। তিনি এই সত্য অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেই সমাজের সার্বিক কল্যাণের স্বার্থে শিক্ষা প্রচারের মাধ্যমে নারীসমাজের সার্বিক উন্নতি ও কল্যাণ সাধনের জন্য স্বীয় জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। জাতীয় জাগরণের ক্ষেত্রে স্যার সৈয়দ আহমদের চিন্তা–ভাবনার সঙ্গে মহীয়সী বেগম রোকেয়ার চিন্তা–ভাবনার সামঞ্জস্য দেখা যায়। স্বাধীনতাহীন ভারতবর্ষের মুসলমান সম্প্রদায় ইংরেজ ঔপনিবেশিক শাসনামলে শিক্ষাদীক্ষায় বঞ্চিত হয়ে অধঃপতিত হয়েছিল। স্বজাতির অধঃপতিত অবস্থা স্যার সৈয়দ আহমদকে বিচলিত ও মর্মাহত করে। শিক্ষার মাধ্যমেই জাতীয় জাগরণ সম্ভব এই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি শিক্ষা প্রচার আন্দোলনে ব্রতী হয়েছিলেন। তাঁর এই শিক্ষা প্রচার আন্দোলন ‘আলীগড় আন্দোলন’ নামে পরিচিত। অনুরূপভাবে বেগম রোকেয়াও বাংলার মুসলমান নারী সম্প্রদায়ের দুর্দশা ও অধঃপতিত অবস্থা দেখে হয়েছিলেন মর্মাহত ও ব্যথিত । দেশ ও জাতির স্বার্থে মুসলমান নারী সমাজের জাগরণের জন্য তিনি শিক্ষার প্রচার আন্দোলনে ব্রতী হয়েছিলেন। ১৯০৯ সালের ৩ মে তারিখে স্বামী খানবাহাদুর সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন মাত্র ৫১ বছর বয়সে অকালে পরলোকগমন করেন। স্বামীর অকাল মৃত্যুতে স্বামী সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হওয়ার পর প্রয়াত স্বামীর স্মৃতির প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শনের জন্য ও সেই সঙ্গে শিক্ষার প্রচার ও প্রসারের আকাঙ্খায় তিনি প্রথমে ভাগলপুরে মুসলিম বালিকাদের জন্য একটি স্কুল স্থাপন করেন। এই স্কুলটি স্থাপিত হয় তাঁর স্বামীর ইন্তেকালের প্রায় ৫ মাস পরে ১৯০৯ সালের ১ অক্টোবরে। সে সময়ে স্কুলটির ছাত্রী সংখ্যা ছিল নিতান্তই কম। মৃত্যুর পূর্বে সাখাওয়াত হোসেন মুসলিম মেয়েদের শিক্ষার উন্নতি বিধানের জন্য স্ত্রী রোকেয়াকে ১০ (দশ) হাজার টাকা দান করেন এবং তাঁকেই তিনি ট্রাস্টি মনোনীত করেন। এই বিপুল পরিমাণ টাকার জন্য বেগম রোকেয়া তাঁর সতীনকন্যা ও জামাতার প্রবল বিরোধিতার সম্মুখীন হন। তাদের দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে ১৯১০ সালের শেষ ভাগে ভাগলপুরের স্বামীগৃহ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে আসতে বাধ্য হন। বস্তুত কলকাতায় আগমন তাঁর জীবনের পক্ষে শুভই হয়েছিল। এখানেই তাঁর সুপ্ত প্রতিভা পরিপূর্ণভাবে বিকাশ লাভ করার সুযোগ পায়। কলকাতায় চলে আসার পর তিনি ১৯১১ সালের ১৬ মার্চ তারিখে নতুন উদ্যমে স্বল্পসংখ্যক ছাত্রী নিয়ে ১৩ নম্বর ওয়ালিউল্লাহ লেনের একটি বাড়িতে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলের ক্লাস শুরু করেন। ১৩ নম্বর ওয়ালিউল্লাহ লেনের বাড়িতে স্থান সংকুলান না হওয়ায় ১৯১৩ সালের ৯ মে তারিখে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল ১৩ নম্বর ইউরোপীয়ান এসাইলাম লেনে সরানো হয়। ১৯১৫ সালের সূচনায় স্কুলটি উচ্চ প্রাইমারি বিদ্যালয়ে পরিণত হয় এবং বছরের শেষে ছাত্রী সংখ্যা ৮৪–তে দাঁড়ায়। ছাত্রী সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকায় ১৯১৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি এই স্কুল ৮৬/এ লোয়ার সার্কুলার ঠিকানায় স্থানান্তরিত হয়। সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলকে গড়ে তোলার জন্য বেগম রোকেয়াকে হাড়ভাঙ্গা কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে।
ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিশিষ্ট নেত্রী সরোজিনী নাইডু সুদূর হায়দারাবাদ থেকে ১৯১৬ সালে ১৬ সেপ্টেম্বর লিখিত এক চিঠিতে শিক্ষা বিস্তারে বেগম রোকেয়ার মহৎ প্রচেষ্টার সাফল্য কামনা করে মন্তব্য করেছেন, “… কয়েক বৎসর হইতে দেখিতেছি, আপনি কি দুঃসাহসের কাজ করিয়া চলিয়াছেন। মুসলমান বালিকাদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের জন্য আপনি যে কাজ হাতে নিয়াছেন এবং তাহার সাফল্যের জন্য দীর্ঘকালব্যাপী যে ত্যাগ সাধনা করিয়া আসিতেছেন, তাহা বাস্তবিকই বিস্ময়কর। আপনার প্রতি আমার আন্তরিক সহানুভূতি এবং শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করিবার উদ্দেশ্যেই এই চিঠিখানা লিখিলাম।
… আজ সাময়িকপত্রে আপনার স্কুলের বার্ষিক রিপোর্ট পড়িতেছিলাম। আপনার এই ভগ্নী দূর হইতে বরাবর আপনার আদর্শকে এবং আপনার কর্মময় জীবনকে কিরূপ শ্রদ্ধার চোখে দেখিয়া থাকে, তাহা জানাইবার জন্যই এই চিঠি। মুসলমান নারীদের কল্যাণের জন্য আপনি যে অক্লান্ত সাধনা করিতেছেন, বিধাতা করুন, তাহা জয়যুক্ত হউক।” স্কুলের বিরুদ্ধে বিরোধিতা ও নানা ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও বেগম রোকেয়ার অসীম অধ্যবসায় ও আন্তরিক অনুপ্রেরণার ফলস্বরূপ ১৯৩০ সালে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল উচ্চ ইংরেজী বিদ্যালয়ে পরিণত হয়।
ইংরেজ ঔপনিবেশিক আমলে মুসলিম নারী সমাজের মধ্যে রেনেসাঁ তথা পুনর্জাগরণের বাণী বহন করে এনেছেন বেগম রোকেয়া। মুসলিম নারী সমাজ স্বাবলম্বী হোক, শিক্ষাদীক্ষায় জ্ঞানেকর্মে পুরুষদের মতোই যোগ্যতা অর্জন করুক, সামাজিক কর্মকান্ডে পুরুষদের মতো নারী সমাজও অবদান রাখতে সক্ষম হোক এটাই ছিল তার আন্তরিক কামনা। মুসলমান নারী সমাজের মধ্যে যুগ যুগ ধরে যে সমস্ত কুপ্রথা ও কুসংস্কার প্রচলিত আছে, যে সমস্ত কূপমন্ডূকতা আছে সেগুলো দূরীভূত করে মুসলমান নারী সমাজের সর্বাঙ্গীন কল্যাণ ও মঙ্গল সাধনের মহতী উদ্দেশ্যে ১৯১৬ সালে বেগম রোকেয়ার প্রচেষ্টায় স্থাপিত হয় ‘আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম’ বা মুসলিম মহিলা সমিতি। জাতি গঠনমূলক কাজের জন্য আঞ্জুমানের নাম ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে। বেগম রোকেয়া ১৯২০ সালে কলকাতার স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদর্শনীর সভানেত্রী, ১৯২৫ সালে আলীগড় মহিলা সমিতির সম্মেলন এবং ১৯২৬ সালে বেঙ্গল উইমেন্স এডুকেশনাল কনফারেনস–এর সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
begum rokeyaবেগম রোকেয়ার শ্রেষ্ঠ পরিচয় নারীমুক্তির পথিকৃৎ একজন অনন্য সমাজকর্মী হলেও তার সাহিত্যচর্চা বৈশিষ্ট্যের দাবিদার। মুসলিম নারীসমাজের সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে শিক্ষার প্রচার ও প্রসারে তিনি সাধনা করলেও সাহিত্যচর্চা থেকে কখনও বিরত হননি। বিচিত্র প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেই তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার হয় উন্মেষ। বাংলাভাষা শিক্ষা যে পরিবারে নিষিদ্ধ ছিল সেই পরিবারে জন্মগ্রহণ করে বেগম রোকেয়া শুধু বাংলাভাষাকে মাতৃভাষা হিসেবে বরণ করলেন না, মাতৃভাষার মাধ্যমে সাহিত্য চর্চায় আত্মনিয়োগ করলেন পরিপূর্ণভাবে। তিনি ইংরেজী ভাষায় মৌলিক সাহিত্য রচনা করেছেন সুলতানার স্বপ্ন। বেগম রোকেয়া রচিত সাহিত্য পরিমাণে বিপুল না হলেও বৈচিত্র্যে ভরপুর। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর নাম মতিচূর [১ম ও ২য় খ-], [সুলতানার স্বপ্ন], পদ্মরাগ (উপন্যাস) ও ‘অবরোধবাসিনী’ (সমাজচিত্র)। ‘মতিচূর (১ম খন্ড) প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে। ওই একই বছরে তিনি রচনা করেন ঝঁষঃধহধং উৎবধস। পুস্তক আকারে ঝঁষঃধহধং উৎবধস প্রথম সংস্করণ ১৯০৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। ‘মতিচূর (১ম খন্ড) প্রকাশের ষোল বছর পরে ১৯২১ সালে প্রকাশিত হয় মতিচূর (২য় খন্ড)। এছাড়া প্রসিদ্ধ ইংরেজ লেখিকা মেরী কবেলীর উপন্যাসের মর্মানুবাদ করে তিনি রচনা করেন ‘ডেলিসিয়া হত্যা।’
02/12/2016
MSS Thesis final viva seshe
এরই মাধ্যমে শেষ হল রাষ্ট্রবিজ্ঞান ১ম ব্যাচের পথ চলা........
12/10/2016
বেরোবির ৯ম বছরে পদার্পণে সকলকে শুভেচ্ছা.....
শুভ হোক আগামীর পথচলা......
24/08/2016