16/12/2025
মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
যাঁদের মহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এ বাংলাদেশ, তাঁদের পূণ্য স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ❣️
আগামীর বাংলাদেশ হোক সুখী-সমৃদ্ধ-অসাম্প্রদায়িক এক দেশ।
এ মাটি আমার আবেগের... ভালোবাসার... মমতার ...
জুমারবাড়ী।
খুব সাধারণ একটি গ্রামের নাম। কিন্তু অসাধারণ তার মোহনীয় ক্ষমতা। আর সব গ্রামের চেয়ে একটু আলাদা আমাদের এই গ্রাম। ঠিক গ্রাম হলেও নাগরিক অনেক সুবিধাই রয়েছে এখানে।আশেপাশের এলাকার কেন্দ্রস্থল এই এলাকাটি। এ মাটি আমাদের পরম মমতার, ভালোলাগার, ভালোবাসার...
16/12/2025
মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
যাঁদের মহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এ বাংলাদেশ, তাঁদের পূণ্য স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ❣️
আগামীর বাংলাদেশ হোক সুখী-সমৃদ্ধ-অসাম্প্রদায়িক এক দেশ।
Fun post!
রোগী-ডাক্তার কথোপকথন:
-বয়স কত চাচী আপনার?
-চল্লিশ।
-চল্লিশ? বেশী হবে মনে হয় একটু।
-না। চল্লিশই।
-তাইলে তো আপনি আমার চেয়েও ছোট!
-হওয়া পারে। ওগে-শোকে চেহারা তাই ইঙ্ক্যা হছ্যে।
-বাচ্চা কয়টা আপনার?
-ছ'ডা।
-ছোট বাচ্চার বয়স কত?
-ছোল ছোড নাই তো! সেয়ানা হছ্যে।
-ছয়টার মধ্যে সবশেষ বাচ্চার বয়স কত?
-হবি তাও তো তিরিশ বচ্ছর।
-ছোট বাচ্চার সাথে আপনার বয়সের পার্থক্য তাইলে দশ বছর।
-হওয়া পারে। ছোডতি বিয়া হ্যছলো তো!
-হুম। তাইলে তো চাচী আপনার বড় বাচ্চার বয়স আপনার থেকে একটু বেশীই হবে।
-হওয়া পারে। ছোডতি বিয়া হয়্যাই ছোল প্যাটোত আচ্চে!
লেখা-ফাহমিদা নীলা
08/11/2025
#জুমারবাড়ীর_মানুষ
গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার ৮নং জুমারবাড়ী ইউনিয়নের বগারভিটা গ্রামের প্রখ্যাত মন্ডলের পরিবারের আঃ লতিফ মন্ডলের তিন পুত্রের মধ্যে একপুত্র ছিলেন আব্দুল্লাহ মন্ডল৷
জনাব আব্দুল্লাহ মন্ডল পিতার হাত ধরে বগুড়া শহরে গিয়ে বসবাস করতে শুরু করেন৷ তিনি বগুড়া শহরে বিএনপি'র রাজনীতি করতেন। তিনি বগুড়া শহর বিএনপি'র সহ-সভাপতি ও ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি'র সভাপতি ছিলেন। তিনি বগুড়া পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ব্যবসায় ব্যপক সাফল্য লাভ করেন৷
জনাব আব্দুল্লাহ মন্ডলের পুত্র মোঃ নাহিদুজ্জামান নিশাদ৷ তিনি গত ০১/১২/১৯৭৬ খ্রিঃ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন৷ তাঁর রক্তে পৈত্রিক সুত্রে জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারা প্রবাহমান৷ তাই তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি ছাত্রদলের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন৷ তিনি ১৯৯৪ সালে বগুড়া শহরের ৮ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন৷ তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন৷
মোঃ নাহিদুজ্জামান নিশাদ ১৯৯৭ সালে বগুড়া শহরের এক বিশিষ্ট শিল্পপতির কন্যাকে বিবাহ করেন৷ তাঁর স্ত্রীও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী৷ নিশাদ দম্পতির ঘরে এক কন্যা ও দুই পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে৷ তাঁদের কন্যা এমবিবিএস ডাক্তার এবং বড় ছেলে আমেরিকায় এরিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত৷ তাঁদের ছোট ছেলেও ছাত্র৷
মো: নাহিদুজ্জান নিশাদের একমাত্র বোন বর্তমানে স্বামীর সাথে আমেরিকা প্রবাসি। এই বোনের স্বামী মেজর (অব:) মো: রাসেল পিএসসি, এসএসএফ সদস্য হিসেবে ২০০১-২০০৬ ইং পর্যন্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্বে ছিলেন । সেই কারণে পরবর্তীতে আওয়ামী সরকার তাঁর চাকরি জীবন অতিষ্ঠ করে তোলে। বাধ্য হয়ে তিনি অবসর গ্রহণ করে প্রবাস জীবন বেছে নেন।
মোঃ নাহিদুজ্জামান নিশাদ ২০০১ সালে প্রথম হজ্ব পালন করেন৷ এরপরে আরো ৪ বার হজ্বব্রত ও ৭/৮ বার ওমরা পালন করেন।
মোঃ নাহিদুজ্জামান নিশাদ পিতার হাত ধরে ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন৷ তিনি যে ব্যবসায় হাত দিয়েছেন, সেখানেই সাফল্য পেয়েছেন৷ বর্তমানে তিনি নানা ধরণের ব্যবসা ও শিল্পকারখানার মালিক৷ তিনি বিশিষ্ট শিল্পপতি৷ তিনি দুইটি স্থানীয় সংবাদপত্রের সম্পাদকও বটে৷
মোঃ নাহিদুজ্জামান নিশাদের পিতা মৃত্যুবরণ করলে বিএনপি'র বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সেসময়ে তাঁদের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত প্রার্থনা করেন ও পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানান। সেসময় তিনি এই পরিবারের রাজনৈতিক অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্রুতি দেন।
...........
তথ্যসূত্র-অনলাইন
#নাহিদুজ্জামান_নিশাদ
(এই পেজে #জুমারবাড়ীর_মানুষ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে ধারাবাহিকভাবে দলমত নির্বিশেষে জুমারবাড়ী ইউনিয়নের সফল ও গুণী মানুষের পরিচিতি তুলে ধরা হবে। পরবর্তীতে অন্য কাউকে নিয়ে পোস্ট করা হবে)
সাপে কাটা নিয়ে দু'চার কথা-
১ সাপ নিয়ে অতিকথন ও বাস্তবতা:
👉সাপ মানুষের মতো সামাজিক প্রাণী নয়। সুতরাং সাপের যুগল বা জোড়া একটি অতিকথন।
👉গরুর বাঁট থেকে দুধ খাওয়ার মত সাপের মুখের গঠন নেই।
👉দুধ বা দুগ্ধ জাত পদার্থ সাপের খাদ্য নয়। দুধকলা দিয়ে কালসাপ কেন কোনো সাপই পোষা যাবে না।
👉সাপের স্মৃতি শক্তি খুবই দুর্বল। সাপের প্রতিহিংসা নেবার সব গল্পই অতিকথন।
👉সাপ মোটেই হিংস্র নয়। একাকী, নির্জনে থাকতে ভালোবাসে।
হটাৎ মানুষের মুখোমুখি হলে মানুষ যেমন পালাতে চায়, সাপও তেমনি ভয় পেয়ে পালাতে চায়।
👉তাড়া করে করে কামড়ানোর ঘটনা বিরল থেকে বিরলতম দু একটি প্রজাতির সাপের স্বভাব।
২ কামড় এড়ানোর উপায়:
👉যে কোনো সাপের সামনাসামনি পড়ে গেলে, একদম স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকুন । যেহেতু সাপের দৃষ্টি ও ঘ্রান শক্তি অতি ক্ষীন, আপনার 'অবস্থান' বুঝতে না পারলে এমনিই চলে যাবে ।
👉সাপের তীব্রতম অনুভুতির স্থান তার পেটের 'সাদা' অংশ , আপনি ছুটলে মাটির কম্পন থেকে সাপ আপনার 'অবস্থান' বুঝে নেবে ।
👉যে অঞ্চলে সাপের আধিক্য , সেখানে চলাচলের সময় হাতে লাঠি জাতীয় কিছু রাখুন,এবং সেটি মাটিতে ঠুকতে ঠুকতে হাঁটুন ,সাপ তার স্বাভাবিক জৈব প্রবৃত্তি বশে,পালিয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে সাপ অত্যন্ত ভীতু, আত্মরক্ষার তাগিদ ছাড়া সে কামড়ায় না ।
👉দুটি একই প্রজাতির সাপকে পাশাপাশি দেখলে এড়িয়ে চলুন। সম্ভবতঃ পুরুষ ও স্ত্রী , যৌন মিলনের তাগিদে কাছাকাছি ( সাপ স্বভাবত একা থাকতে পছন্দ করে ) এই অবস্থায় তাদের প্রতিক্রিয়া আন্দাজ করা শক্ত।
৩ সাপ কামড়ালে স্থানীয় লক্ষণ:
👉দংশন চিহ্ন থাকতে পারে। আদৌ নাও থাকতে পারে। একটি বা দুটি দাঁতের দাগ থাকতে পারে। ছড়ে যাওয়ার দাগ থাকতে পারে। ওই দাগ দেখে বোঝা অসম্ভব যে কি ধরণের সাপে কামড় দিয়েছে।
👉দংশন স্থানে ফোলা ও ব্যথা থাকবে। ফোলা টি আকার আয়তনে বাড়তে থাকবে।
৪ অন্যান্য লক্ষণ:
👉চোখ ঢুলু ঢুলু বা শিবনেত্র, চোখে ঝাপসা দেখা, কথা জড়িয়ে আসা। রুগী আচ্ছন্ন হতে থাকলে তার সাথে অনবরত কথা বলে তাকে জাগিয়ে রাখতে হবে।
👉গলা ব্যথা।
👉পেটে ব্যথা
👉শরীরের নানা জায়গা থেকে রক্ত ক্ষরণ।
৫ ক্ষত স্থানের পরিচর্যা:
👉ক্ষতস্থানে বরফ ঘষবেন না। ঠান্ডা বা গরম সেঁক দেবেন না।
👉ক্ষতস্থানটিকে চেরা-কাটা করবেন না, তাতে শিরা কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ওভাবে বিষ বের হয় না।
👉ক্ষতস্থান থেকে চুষে বা পাম্প করে রক্ত বের করবেন না।
👉ক্ষত স্থানে কোনও রকম কেমিক্যাল, চুন ইত্যাদি লাগাবেন না। এতে রোগ নির্ণয়ে অসুবিধে হয়।
৬ অন্যান্য পরিচর্যা:
👉শান্ত থাকতে হবে। দৌড়ানো বা সাইকেল চালানো বারণ। এসবে বিষ আরো দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে।
👉হাঁটাচলা যথা সম্ভব কম। যে হাতে বা পায়ে দংশন হয়েছে সেই অঙ্গটিকে স্প্লিন্ট ব্যবহার করে তার নাড়াচাড়া বন্ধ রাখতে হবে যেমনটি করা হয় হাত পা ভেঙে গেলে।
👉কোনো অবস্থাতেই শক্ত বাঁধন বা ট্যুরনিকেট বা তাগা ব্যবহার করবেন না। এভাবে বিষ ছড়ানো আটকানো যায় না। বরঞ্চ রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে মারাত্নক ক্ষতি, যেমন গ্যাংগ্রিন হতে পারে। চুড়ি, বলা, আংটি খুলে রাখবেন।
👉রোগীকে আশ্বস্ত করতে হবে। আমাদের দেশের ৭০% সাপ বিষহীন। কামড়ের সময় সাপের বিষ থলিতে পূর্ন মাত্রায় বিষ নাও থাকতে পারে। ছোবল দিলেই বিষ ঢালবে এমনটা নয়।
👉রোগীকে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনও ওষুধ খাওয়াবেন না। 👉দংশনের পর মদ খাবেন না।
৭ নির্দিষ্ট চিকিৎসা:
👉রুগীকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব (১০০ মিনিট) এর মধ্যে শয্যা বিশিষ্ট কোনো হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
👉ঝাড়ফুঁক, বিষ পাথর, কবিরাজি, হোমিওপ্যাথি ইত্যাদি চিকিৎসার শরণাপন্ন হবেন না। ওসব করে কোনো ফল পাওয়া যায় না। মূল্যবান সময়ের অপচয় হয় যার ফলে মৃত্যু হতে পারে।
👉আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে সাপে কাটা রোগীর শারীরিক লক্ষণ দেখে কি জাতীয় বিষ ঢুকেছে বা আদৌ ঢুকেছে কিনা তা স্থির করা হয়। তাই সাপ, জ্যান্ত বা মৃত, ধরে আনলে বা মোবাইলে ছবি তুলে আনলে সেটা চিকিৎসকের কোনো কাজে লাগে না।। মনে রাখবেন চিকিৎসক তার শাস্ত্র বিশেষজ্ঞ, তিনি সর্প বিশারদ নন। সাপের ফনা দেখে বিষ আছে কি নেই চেনা যায় না। অন্যান্য বৈশিষ্ট্য দেখতে হয়।
৮ সব সরকারি হাসপাতালে সাপের বিষ এর প্রতিষেধক বা এন্টি স্নেক ভেনাম বিনে পয়সায় পাওয়া যায়।
রোগী জটিল হলে ভেন্টিলেটর বা ডায়ালিসিস এর প্রয়োজন হয় যে গুলি কেবলমাত্র বাছাই করা হাসপাতালে পাওয়া যায়।
৯ টুর্নিকেট এর ব্যবহার:-
◆ সাধারণ মানুষতো বটেই বিদ্বান শিক্ষিত মানুষদের মধ্যেও এ বিষয়ে ভুল ধারণা আছে। কোনো অবস্থাতেই শক্ত বাঁধন বা ট্যুরনিকেট বা তাগা ব্যবহার করবেন না। এভাবে বিষ ছড়ানো আটকানো যায় না। বরঞ্চ রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে মারাত্নক ক্ষতি, যেমন গ্যাংগ্রিন হতে পারে। চুড়ি, বলা, আংটি খুলে রাখবেন।
◆ অধিকাংশ সাপের কামড়ই হাতে বা পায়ে হয়। যে হাতে বা পায়ে দংশন হয়েছে সেই অঙ্গটিকে স্প্লিন্ট ব্যবহার করে তার নাড়াচাড়া বন্ধ রাখতে হবে, যেমনটি করা হয় হাত পা ভেঙে গেলে বা মচকে গেলে।
◆ একটি কাঠের স্কেল, না পেলে গাছের ডাল এর সাহায্যে হাত বা পা কে সোজা রাখুন। ১০ সেমি চওড়া ও ৫ মিটার লম্বা ক্রেপ ব্যান্ডেজ, বা কাপড়ের চওড়া ফালি ব্যবহার করে চাপ দিয়ে পাক মেরে বেঁধে রাখুন। এতটা টানটান থাকবে যে কষ্ট করে একটা আঙ্গুল ঢোকানো যেতে পারে। পা মচকে গেলে অনেকেরই বাঁধার অভ্যেস আছে।
◆ কেউ পালস বা নাড়ি দেখতে জানলে একবার পরীক্ষা করে নেবেন যে বাঁধন দেওয়ার পরে নাড়ি পাওয়া যাচ্ছে কি না। না পাওয়া গেলে আঁটোসাঁটো ভাবটা কমিয়ে একটু ঢিলে করে দিন।
◆ একে বলে PIM বা প্রেসার ইমমোবিলাইজেশন মেথড।
১০ ব্যবস্থাপনা:
👉সাপের বিষ এর প্রতিষেধক (এন্টি স্নেক ভেনাম। সিরাম) তৈরী হয় দক্ষিণ ভারতে। সেগুলি আজকাল কিছু ক্ষেত্রে বাংলার সাপের বিষ এর বিরুদ্ধে কাজ করছে না। বাংলায় ওই প্রতিষেধক তৈরির কাজ শুরু করা আশু প্রয়োজন।
👉গ্রাম বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামীণ হাসপাতালে সাপের কামড়ের। চিকিৎসার প্রাথমিক ওষুধগুলির সরবরাহ সুনিশ্চিত করা আশু প্রয়োজন।
👉জেলা স্তরের পাশাপাশি মহকুমা স্তরেও ডায়ালিসিস এর ব্যবস্থা করা ও আশু প্রয়োজন।
১১ প্রচার:
সরকার, অসরকারী সংগঠন, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী, সাধারণ যুক্তিবাদী মানুষ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে প্রচারের জন্য।
সাপের কামড়ে এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি কালে কেউ বিনাচিকিৎসায় বা ভুল চিকিৎসায় মারা যাবেন এটা মানা যাবে না।
লিখেছেন-
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ Dr. Samudra Sengupta.
#সাপসমস্যাওসমাধানকথা
#বিজ্ঞানকথা
#বিজ্ঞানমনস্কতা