কবিতা নং: ১৪
বসন্তের সাত দিন
✍️ লেখক: পিকু
হালকা রোদে ভিজে উঠলো মনের উঠোন,
তোমার নামটা হাওয়ায় ভেসে এল অচেনা স্বপ্নের মতো।
কচি পাতার মতো লাজুক কিছু অনুভূতি,
চোখের কোণে জমে উঠলো অদেখা এক গল্প।
ফুলের গন্ধে মিশে গেল তোমার স্মৃতি,
অচেনা হয়েও কেন এত আপন লাগে, বলো?
বাতাসে তোমার হাসির শব্দ শুনি,
নীরবতাও আজ কথা বলে শুধু তোমার জন্য।
রঙিন বিকেলে হারিয়ে যাই তোমার কল্পনায়,
বাস্তবটা তখন ছোট লাগে আনমনায়!
অপেক্ষার দীর্ঘ পথে দাঁড়িয়ে থাকি,
হয়তো তুমি আসবে—এই বিশ্বাসেই বাঁচি।
সবকিছু থেমে যায় এক অদ্ভুত শান্তিতে,
তোমাকে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা হয়ে ওঠে নিঃশব্দ প্রার্থনা—
পরের জনম নাই দেইখাই তো এই জনমে তোমাকে পাওয়ার এতো আকাঙ্ক্ষা।
চলো - কবিতা পড়ি
পড়বো যতো - শিখবো ততো 🥰
কবিতা নং : ১৪
বেইমান প্রিয়া
✍️ লেখক : পিকু
তোমার দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো
এখনো ঝুলে আছে দেয়ালের ক্যালেন্ডারের মতো,
তারিখ বদলায়, সময় বদলায়—
শুধু বদলায় না আমার অপেক্ষা।
তুমি বলেছিলে,
আমার আকাশে অন্য কোনো তারা জ্বলবে না,
আজ দেখি সেই আকাশেই
তুমি নতুন স্বপ্নের প্রদীপ জ্বালাও।
আমার সরল ভালোবাসা
তোমার কাছে ছিল হয়তো খেলা,
আমি যেখানে জীবন ভেবেছি,
তুমি সেখানে করেছ অবহেলা।
রাতের নির্জনতায় এখনো
তোমার নামটাই ভেসে আসে,
কিন্তু জানি—
সে নামের ভেতর আর আমার ঠিকানা নেই।
বেইমান প্রিয়া,
অভিশাপ দেবো না তোমায়,
কারণ যে সত্যিকারের ভালোবাসে
সে হারিয়েও ভালোবাসতেই চায়।
তুমি সুখে থেকো—
আমার দুঃখগুলো আমি কবিতায় বাঁচিয়ে রাখবো।
পৃথিবী বড় নিষ্টুর 🥲
আল্লাহ সবাইকে ধৈর্য্য ধারন করার তৈফিক দান করুন 🤲
কবিতা নং: ১৩
শূন্য আমি
✍️ লেখক: পিকু
শূন্য আমি ভিড়ের মাঝে,
মানুষ আছে—তবু নেই পাশে।
কথার ভিতর মিথ্যে হাসি,
অন্তরে শুধু নিরব বাসি।
দিন কেটে যায় হিসেব ছাড়া,
স্বপ্নগুলো ভাঙে বারেবারা।
যা চাই আমি, তা পাই না কখনো,
অভিমানী মনে ব্যথা জমে গোপনে।
শূন্য ঘরে প্রতিধ্বনি বাজে,
নিজের ছায়াও দূরে সরে আজে।
সব পেয়েও মনে হয় ফাঁকা,
হৃদয় যেন অশ্রুর আঁকা।
ভালোবাসা মেলে না সহজে,
বিশ্বাস ভাঙে প্রতিদিন খোঁজে।
জীবনের পথে হাঁটি নিরাশা নিয়ে,
শূন্য আমি, তবু বাঁচি বুকে ব্যথা নিয়ে।
কবিতা নং: ১২
মায়া
✍️ লেখক: পিকু
মায়া নামে অদৃশ্য বাঁধন,
ছুঁয়ে যায় মনে অনন্ত কল্পন।
হাসির মাঝে লুকায় অশ্রু,
তবু সে মায়ায় ডুবে যাই গোপন।
ছাড়তে চাই, ছাড়ি না তবে,
হৃদয় জুড়ে আগুন রবে।
আলোর মাঝে আঁধার ঢাকে,
মায়ার ছোঁয়ায় সব ভুলে যাকে।
স্বপ্নগুলো মায়ার খেলা,
অচেনা পথ করে দেয় বেলা।
মায়া হলো জীবনের গান,
বেঁধে রাখে সারাক্ষণ প্রাণ।
কবিতা নং: ১১
প্রেমের ফালুদা
✍️লেখক: পিকু
প্রেমটা ঠিক ফালুদার মতো,
মিষ্টি, শীতল, রঙিন আলোতে,
কখনো গোলাপি, কখনো সবুজ,
মনের ভেতর জাগায় মধুর ভরসা।
বরফকুচি ভাঙা স্বপ্নের মতো,
তবুও ঠান্ডা করে জ্বলন্ত হৃদয়,
সেমাই জড়ানো বাঁধনের মতো,
দুই হৃদয়ে গড়ে তোলে এক সেতু।
প্রেমের ফালুদা খেলে যেমন,
ঘুরে ফিরে চাই আরও এক চুমুক,
তেমনি ভালোবাসা একবার পেলে,
চিরকাল চাই শুধু সেই অনুকূল সুখ!
কবিতা নং: ১০
ভেজা অভিমান
✍️লেখক: পিকু
বৃষ্টি পড়েছিল তোমার গায়ে,
ভিজেছিলাম আমি নীরবতায়,
শুকনো ছিল শুধু তোমার চোখ,
কেঁদে ছিলাম আমি অন্ধকারে।
তুমি ছিলে ব্যস্ত দামী খাবারে,
মানুষের সাধ নিতে শত চেষ্টা,
আমি ভিজছিলাম বিষাক্ত জলে,
একাকী অভিমানের নেশায়।
খোঁজ নিলে না তুমি একবারও,
পিঠ ফিরে তাকালে না কখনো,
একটুও জানতে চাওনি তুমি—
কেমন আছি আমি।
কবিতা নং: ৯
স্নিগ্ধ হাওয়া
✍️ লেখক: পিকু
স্নিগ্ধ হাওয়া ছুঁয়ে যায়, ভোরের শিশির ঘাস, মনের ভেতর জাগিয়ে তোলে, অদ্ভুত এক বিশ্বাস। ফুলের গন্ধে ভেসে আসে, দূর কোনো সুরেলা গান, স্বপ্ন হয়ে ডানা মেলে, ছুঁই আমি আকাশ মান।
হাওয়ার মাঝে দোলে পাতা, দোলে হৃদয়তরী, কানে বাজে মধুর সুরে, জীবনেরই ভরি। স্নিগ্ধ হাওয়া ফিসফিস করে, ভালোবাসার কথা, তাতে ভিজে প্রাণের ভেতর, গড়ে ওঠে ব্যথা।
নীল আকাশে মেঘের ভেলা, ডাকে দূর ঠিকানায়, হাওয়ার স্রোতে ভেসে চলে, মন যায় আনমনায়। আলো-অন্ধকার মিশে গিয়ে, রঙিন হয় দিগন্ত, স্নিগ্ধ হাওয়া বয়ে আনে, অশেষ অনন্ত।
স্বপ্নের মাঠে দোলে জীবন, আশা হয়ে ঘেরা, হৃদয়ের এই গানটা তবে, হাওয়ায় লিখি সারা। তুমি আমি মিলে যেন, খুঁজে পাই পথচলা, স্নিগ্ধ হাওয়ায় বাঁধা পড়ে, থাকুক ভালোবাসা।
কবিতা নং :৮
মাতৃত্বের স্বাধ
✍️লেখক: পিকু
নরম বালিশে নিঃশ্বাস ফেলে সে,
ছোট্ট হাতের উষ্ণতা হাতে বেয়ে আসে।
প্রথম হাসি, প্রথম কান্না, সবই যেন জাদু,
প্রতিটি মুহূর্তে ভরে ওঠে হৃদয়ের কোণে শান্তি।
চোখের কোণ ভিজে যায় অজান্তেই,
তার প্রতিটি শ্বাসে মিশে আছে অমোঘ ভালোবাসা।
ক্লান্তি, নিদ্রাহীন রাত—সব মুছে যায়,
যখন ছোট্ট হাতটা ধরেছে তার হাত।
মায়ের স্পর্শে পৃথিবী নরম,
মায়ের হাসিতে উড়ে যায় অন্ধকার সব।
এভাবেই প্রতিটি দিন, প্রতিটি ক্ষণ,
মাতৃত্বের স্বাধ যেন গুছিয়ে রাখে চিরন্তন।
কবিতা নং: ৭
তোমার হলুদ সন্ধ্যা
✍️ লেখক: পিকু
তোমার হলুদ সন্ধ্যাটা নরম আলোয় ভেজা, ঘাসের ফাঁকে রোদ যেন তোমার চোখের সাজা। পথের ধারে দাঁড়িয়ে ছিলে, গোধূলির ছায়া হাতে, আমি চুপচাপ হারিয়ে যাই, তোমার সেই মায়া গাতে।
হলুদ পাতার নীচে তুমি—শরতের গল্প বলো, তোমার হাসি যেন কবিতা, তবুও থাকে ভালো। আলো-আঁধারের মাঝখানে, সেই চেনা নিরবতা, তুমি ছিলে, আমি ছিলাম—বাকি ছিল শুধুই ব্যাকুলতা।
একদিন হয়তো সেই সন্ধ্যা ফিরবে না আর ফিরে, তবুও তোমার হলুদ আলো, থেকে যাবে হৃদয় ঘিরে। স্মৃতির পাতায় লিখে রাখি, নিঃশব্দ অভিযান, তোমার হলুদ সন্ধ্যা যেন আমার শেষ অভিমান।
কবিতা নং :৬
চারুলতা
✍️লেখক: পিকু
চারুলতা, সন্ধ্যাবেলার কুয়াশায় ভেজা নাম, চোখে তার জল, তবুও মুখে রহস্যভরা ধাম। ছায়ার মত চুপচাপ হেঁটে যায় গলি ধরে, কারো কথা শোনে না, হারায় নিজের ঘোরে।
বাতাসে তার চুল উড়ে, যেমন বইতো গল্পে, ভবিষ্যতের ভয় পায়, তবু জেগে থাকে তপে। ডায়রির পাতায় আঁকে কিছু স্বপ্নের রেখা, প্রেম বুঝেনি সে, শুধু ভালোবাসতে শেখা।
চারুলতা জানে না, কে তাকে দেখে দূর হতে, কে চায় তার পাশে, জীবনের যত রঙ রথে। সে শুধু হেঁটে চলে, একাকী কিছু ছন্দে, ভাবনায় ভরে থাকে, এক অনন্ত বন্দে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Website
Address
Rangpur