রাশিয়ায় অধ্যয়নরত এক ছাত্র লিখেছেঃ
রাশিয়ায় পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর দেয়া হয় ৫ আর কেউ কোন উত্তর না লিখে সাদা খাতা জমা দিলে তাকে দেয়া হয় ২।
মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিনটিতে আমি পরীক্ষার এই নম্বর পদ্ধতি সম্পর্কে জানতাম না। জেনে অবাক হয়ে ড থিওদর মেদ্রায়েভকে জিজ্ঞেস করি,একজন ছাত্র কিছুই না লিখে ২ পাবে এটা কী যৌক্তিক! তার তো শূন্য পাওয়াটাই সঠিক।
ড মেদ্রায়েভ উত্তর দেন, একজন মানুষ এতো শীতের মধ্যে সকাল সাতটার ক্লাসগুলো ধরতে আরো আগে ঘুম থেকে উঠেছে, গণপরিবহনে চড়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্লাসরুমে পৌছেছে; প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে চেষ্টা করেছে, তাকে কী করে শূন্য দিই!
যে তার রাতগুলোতে পড়ালেখা করেছে, কলম-নোটবুক-কম্পিউটার কিনেছে পড়ালেখার জন্য; জীবন-ধারায় এতো ত্যাগ সাধন করেছে পড়ালেখার জন্য তাকে কী করে শূন্য দিই!😚☺️
একজন ছাত্র উত্তর লিখতে পারেনি জন্যই তাকে আমরা শূন্য দিতে পারিনা বাবা। আমরা মানুষ হিসেবে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে চাই; তার মেধা আছে, সে কমপক্ষে চেষ্টা করেছে। যে ফলাফল আমরা দিই এটা শুধু উত্তরপত্রে লেখা উত্তরের ওপর ভিত্তি করে হতে পারেনা। এই ফলাফল দেয়া হয় তার প্রশংসা করতে আর সে যেহেতু মানুষ সে ন্যুনতম একটা নম্বর পাবার যোগ্য।
এটা শুনে আমি কেঁদেছি; বুঝতে পারিনি কী বলবো। কিন্তু ঐদিন আমি মানুষের গুরুত্ব বুঝতে পারি।
শূন্য নম্বর ছাত্রদের মোটিভেশন কমায়, তাদেরকে শেষ করে দেয়, তারা আর লেখাপড়াকে পছন্দ করতে পারে না।
গ্রেড বুকে শূন্য নম্বর লেখা হলে, ছাত্ররা ঐ বিষয়ের প্রতি আর আগ্রহ বোধ করে না। এই গল্পটা শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলা; তারা যেন নিজ নিজ দেশের শূন্য দেবার বাতিল-জবুথবু শিক্ষা-ব্যবস্থাটাকে বদলাতে চেষ্টা করে।
(সংগৃহীত পোস্ট)
MH School
বই পড়ার অভ্যাস করি, তাই নিয়মিত বই পড়ি। ?
*লিপিড প্রোফাইল*
-----------------
একজন বিখ্যাত ডাক্তার খুব সুন্দরভাবে লিপিড প্রোফাইল ব্যাখ্যা করেছেন এবং একটি অনন্য উপায়ে ব্যাখ্যা করে একটি সুন্দর ও প্রয়োজনীয় গল্প শেয়ার করেছেন।
কল্পনা করুন যে আমাদের শরীর একটি ছোট শহর। এই শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টিকারী হল -- *"কোলেস্টেরল"*
তার কিছু সঙ্গীও আছে। অপরাধে তার প্রধান অংশীদার হল- *ট্রাইগ্লিসারাইড*
তাদের কাজ হল শরীরের রাস্তায় ঘোরাঘুরি করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং রাস্তা অবরোধ করা।
*"হৃদয়"* এই শহরের প্রধান কেন্দ্রস্থল। সমস্ত রাস্তা হৃদয়ের দিকে নিয়ে যায়।
যখন এই সমস্যা সৃষ্টিকারীরা বাড়তে শুরু করে, তখন আপনি কল্পনা করতে পারেন কী ঘটে? তারা হৃদয়ের কাজকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে।
কিন্তু আমাদের দেহ-শহরেও একটি পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা আছে -
*এইচডিএল* হলো তার নাম।
সেই ভালো পুলিশ এই সমস্যা সৃষ্টিকারীদের ধরে জেলে *(লিভার)* ঢুকিয়ে দেয়।
তারপর লিভার তাদের শরীর থেকে বের করে দেয় - আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেমের মাধ্যমে।
কিন্তু একজন খারাপ পুলিশও আছে - *এলডিএল* -যে ক্ষমতার জন্য ক্ষুধার্ত।
LDL এই দুষ্কৃতীদের জেল থেকে বের করে আবার রাস্তায় ফিরিয়ে আনে কুকর্ম চালিয়ে যাওয়ার জন্য।
যখন ভালো পুলিশ *HDL* কমে যায়, খারাপ পুলিশ LDL এর কারনে তখন পুরো শহরটা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যায়।
এমন শহরে কে থাকতে চাইবে?
আপনি কি এই দুষ্কৃতীদের কমাতে এবং ভালো পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে চান?
তাহলে আজই *হাঁটা* শুরু করুন!
প্রতি পদক্ষেপে আপনার *HDL* বৃদ্ধি পাবে, এবং *কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড* এবং *LDL* এর মতো দুষ্কৃতকারীদের সংখ্যা কমবে।
আপনার শরীর (শহর) আবার প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
আপনার হৃদয় - শহরের কেন্দ্র - দুষ্কৃতীদের ব্লকেজ *(হার্ট ব্লক)* করা থেকে সুরক্ষিত থাকবে।
এবং যখন হৃদয় সুস্থ থাকবে, তখন আপনিও সুস্থ থাকবেন।
তাই, যখনই সুযোগ পাবেন - হাঁটা শুরু করুন এবং"গুলশান জোগার্স" বন্ধুদের মতো নিয়মিতভাবে হাঁটুন।
*"সুস্থ থাকুন"* আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।
*এই প্রবন্ধটি আপনাকে HDL (ভালো কোলেস্টেরল) বৃদ্ধি এবং LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) হ্রাস করার সর্বোত্তম উপায়, অর্থাৎ হাঁটার উপায় সম্পর্কে বলবে।*
প্রতিটি পদক্ষেপ HDL বৃদ্ধি করে।
তাই – *আসুন, এগিয়ে যান এবং এগিয়ে যেতে থাকুন।*
*শুভ প্রবীণ নাগরিক সপ্তাহ*
এই জিনিসগুলি কমিয়ে দিন:-
১. লবণ
২. চিনি
৩. ব্লিচ করা পরিশোধিত আটা
৪. দুগ্ধজাত 'দ্রব্য'
৫. প্রক্রিয়াজাত খাবার
*প্রতিদিন এই জিনিসগুলি খান:-*
১. শাকসবজি
২. ডাল
৩. মটরশুটি
৪. বাদাম/বিভিন্ন প্রকারের উপকারি Nuts
৫. ডিম
৬. ঠান্ডা চাপযুক্ত তেল
*তিনটি জিনিস ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করুন:*
১. আপনার বয়স
২. আপনার অতীত
৩. আপনার অভিযোগ
*চারটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস গ্রহণ করুন:*
১. আপনার পরিবার
২. আপনার বন্ধুবান্ধব
৩. ইতিবাচক চিন্তাভাবনা
৪. পরিষ্কার এবং স্বাগতপূর্ণ বাড়ি
*তিনটি মৌলিক জিনিস গ্রহণ করুন:*
১. সর্বদা হাসুন
২. আপনার নিজস্ব গতিতে নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ করুন
৩. আপনার ওজন পরীক্ষা করুন এবং নিয়ন্ত্রণ করুন
*ছয়টি প্রয়োজনীয় জীবনযাত্রার অভ্যাস আপনার গ্রহণ করা উচিত:*
১. জল পান করার জন্য তৃষ্ণার্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
২. বিশ্রামের জন্য ক্লান্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
৩. নিয়মিত চেক-আপ করার ব্যপারে অসুস্থ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
৪. অলৌকিক ঘটনার জন্য অপেক্ষা করবেন না। তবে সৃষ্টিকর্তার উপর আস্থা রাখুন।
৫. নিজের উপর কখনও বিশ্বাস হারাবেন না।
৬. নেতিবাচক নয়, সর্বদা ইতিবাচক থাকুন এবং সবসময় একটি ভালো আগামীর জন্য আশা করুন।
Note: সংগৃহিত, তবে পরিমার্জিত ও পরিবর্ধিত।
খুব ভালো লাগলো লিখাটা।❤️
ফুলটাইম চাকরি শুরু করি ১৯৯৯ ইং সন থেকে। বেতন ৬ হাজার টাকা; ছয় মাস পর ৮ হাজার হয়। ১ বছরের দিকে আরেকটা চাকরি হয়। বেতন এক ধাক্কায় সোজা ২২ হাজার টাকা।
কিন্তু একটা অদ্ভুত অনুভূতি আল্লাহ্ দিলেন আমার ভেতর। তখন আমি মাত্র ১ বছরের অভিজ্ঞ, তার উপর এমন প্রোফেশনে ছিলাম যা তখন বাংলাদেশেই একদম নতুন। তাতেই ৮ হতে সোজা ২২ হাজার হবার প্রশ্নই আসে না! আমার চিন্তায় আসে যে, ঠিক যেই মাসে আমি এই চাকরি পাই, তার আগের মাসেই আব্বুর চাকরি চলে যায়।
আমার অনুভূতি হয় যে, নতুন একটা লাইনে মাত্র ১ বছরের অভিজ্ঞ হওয়া স্বত্বেও ৮ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকার বেতন পাবার যোগ্যতা আসলে আমার নেই। বরং পরিবারের একটা ইনকাম সোর্স আপাতত
বন্ধ হয়েছে বলেই আল্লাহ্ আমার মাধ্যমে সেই কমতি কিছুটা পূরণ করাবার জন্যই হঠাৎ এমন বেতনে বৃদ্ধি করলেন। আর এই অনুভূতি আসার সাথে সাথে প্রথম মাস থেকেই সামান্য কিছু হাতখরচ রেখে বাকি টাকা আম্মিকে দিয়ে দিতাম।
এভাবে প্রায় ১৪ মাস পরে আব্বু আবার চাকরি পান। আম্মিও আমার কাছ থেকে টাকা নেয়া বন্ধ করে দিলেন। বলেছিলেন, "সঞ্চয় করো।"
সঞ্চয় করতে করতে বিয়ের সময় হয়ে যায়। সম্পূর্ণ নিজ খরচে বিয়ে করার ইচ্ছে ছিলো। ইচ্ছেটা এতোটাই স্পষ্ট করে আল্লাহ্ পূরণ করবেন বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। বলতে গেলে সমস্ত সঞ্চয় শেষ হয় আমার বিয়েতে। কি অবাক! ঠিক পরের মাসেই ছিলো performance increment-এর সময়। বেশ ভালো একটা রেইজ পেলাম।
আবার আল্লাহ্ অনুভূতি দিলেন যে, যেহেতু বিয়ে করেছি নিজের হালাল উপার্জন দিয়ে, আমার বউয়ের রিজিকটা আমার ইনকামে যুক্ত হয়ে বেড়ে গেলো। শুধু তাই নয়, কিছু মাস পরে আবার নতুন একটা চাকরী পেলাম, মানে বেতন আরো একটু বাড়লো! আলহামদুলিল্লাহ।
নতুন এই কোম্পানিতে থাকা অবস্থায় আল্লাহ্ আমাদেরকে যমজ দুটি মেয়ে উপহার দিলেন। চারজনের সংসার শুরু হয়ে যায়। ওদের দুজনের ওজন কম ছিলো, নানা রকমের অসুস্থতা লেগেই থাকতো। সম্ভবত গড়ে প্রতি ২ সপ্তাহে ডক্টর ভিজিট করতেই হতো দু'জনকে নিয়েই। ডবল ডক্টর ভিজিট, ডবল ঔষধ, ডবল ডায়পার, ডবল কৌটার দুধ (বুকের দুধ পায়নি) ছিলো নিয়মিত খরচ। কিন্তু বিন্দুমাত্র বিচলিত ছিলাম না।
কি অদ্ভুত যে, এবার চাকরি খুঁজিনি। বরং চাকরিই খুঁজে নেয় আমাদের চারজনকে, আলহামদুলিল্লাহ । খুব মনে আছে, সকাল সকাল বাচ্চা-দুটোকে নিয়ে হাসপাতালের টিকেট কেটে অপেক্ষা করছিলাম। একজন মেয়ে আমার কোলে, আরেকজন বউয়ের
কোলে। ফোন আসে, আমার এক্স-কলিগ চাকরীর খবর দেন। বেতনটাও আনুমানিক জানালেন।
কি আশ্চর্য, মেডিকেল বেনিফিটও আছে! তাও আবার শুধু আমার একার জন্য নয়, পুরো পরিবারের জন্য
মেডিকেল বেনিফিট! আমিতো মহা খুশী,
আলহামদুলিল্লাহ। বাচ্চা জন্মের সপ্তম
মাসেই নতুন চাকরিতে জয়েন করি।
আবার অনুভূতি পাই, নতুন চাকরি, মেডিকেল বেনিফিট আমার যোগ্যতায় নয়। বরং আমার মেয়ে দুটোর রিযিক আল্লাহ্ আমার বেতনে যুক্ত করেছেন।
আমি আজও মনে করি আল্লাহ্ আমাকে যেই কর্ম দক্ষতা দিয়েছেন তার বাজার মূল্য ৬ থেকে ৮ হাজার টাকাই মাত্র। বাকি একটি অংশ আমার মা-বাবার জন্য বরাদ্ধ, আরেকটা অংশ আমার স্ত্রীর জন্য বরাদ্ধ, আরেকটা বড় অংশ আমার মেয়ে-দুটোর জন্য।
হিসাব করে দেখলাম, আমার ইনকামের বড় একটা অংশ আসে আমার মেয়ে-দুটোর রিজিক হতে।
ওদিকে আল্লাহ্ ওয়াদা করে রেখেছেন:....
“তোমাদের সন্তানদের দারিদ্র্যের আশংকায় হত্যা করো না। আমিই তাদেরকে রিযিক দেই এবং তোমাদেরকেও। (১৭:৩১)”
আমার এই লেখাটা সেই সকল বাবাদের অন্তরে ও চিন্তায় আঘাত করার জন্য,
যারা মনে করছেন তার বৃদ্ধা মা, অবসর নেয়া বাবা আর স্ত্রী-সন্তানরা শুধু বসে বসে তার কামাই খায় আর তিনি একাই সম্পূর্ন নিজ যোগ্যতায় সকলের জন্য প্রচুর পরিশ্রম করে উপার্জন করছেন।
(সংগৃহীত)
আজ বৃহস্পতিবার
০৫ আগস্ট ২০২১
২৫ ই জিলহজ্জ, ১৪৪২ হিজরী
২১ শ্রাবন ১৪২৮
----------------------
ফজর ৪:০৬
যোহর ১২:০৮
আসর ৪:৪২
মাগরিব ৬:৪৫
ইশা ৮:০৫
---------------------
সূর্যোদয় ৫:২৯
সুর্যাস্ত ৬:৩৮
অর্থ বুঝে কোরআন পড়া ও শেখার চমৎকার ঘটনা
(সংকলিত)
এক ব্যক্তি প্রচুর কুরআন পড়তো, তবে তার থেকে কিছু তার মুখস্ত থাকত না । একদিন তার ছোট ছেলে তাকে জিজ্ঞাস করলো, তুমি এতো কুরআন পড় কিন্তু কিছুই মুখস্ত রাখতে পার না, এতে কী লাভ ?
তিনি বললেন, আচ্ছা, আমি তোমাকে এই প্রশ্নটির উত্তর দিব তার আগে তুমি এই বেতের ঝুড়িটি দিয়ে সমুদ্র থেকে পানি এনে আমাকে দেখাও ।
ছেলেটি বললোঃ এটাতে পানি ভরে আনা তো অসম্ভব ব্যাপার ।
বাবা বললোঃ চেষ্টা করে দেখ ।
বেতের ঝুড়িটি কয়লা আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হতো । ছেলেটি ঝুড়িটি নিল এবং সমুদ্রের দিকে রওয়না হলো ৷ সমুদ্রের পানি তাতে ভরে পিতার কাছে নিয়ে আসতে আসতে ঝুড়িটি থেকে সব পানি বের হয়ে গেল ।
এবার সে পিতাকে বললোঃ এতে কী লাভ ? পানি তো সব বের হয়ে যাচ্ছে ! পিতা বললোঃ চেষ্টা চালিয়ে যাও ।
ছেলেটি দুইবার, তিনবার, চারবার, পাচবার এভাবে করেক বার চেষ্টা করেও পানি ধরে রাখতে পারল না ।
অবশেষে ক্লান্ত শ্রান্ত বদনে পিতার কাছে ফিরে এসে বললোঃ আমার পক্ষে পানি দিয়ে এই পাত্রটিকে ভরে আনা সম্ভব না ।
বাবা তখন ছেলেটিকে বললোঃ তুমি কি খেয়াল করেছ ঝুড়িটির কি হয়েছে ?
ছেলেটি বললোঃ 'হ্যাঁ । ঝুড়িতে আমি পানি ধরে রাখতে পারিনি, তবে পানি ঝুড়ির মধ্যে থাকা কয়লার কালো ময়লা ধুয়ে সাফ করে দিয়েছে । এখন সেটি পরিষ্কার ও চকচক করছে ।
পিতা বলল, তুমি ঠিক ধরেছো বাবাসোনা । কুরআনও তোমার অন্তরের সাথে একই কাজ করে । অর্থাৎ দুনিয়া ও দুনিয়াবি কাজের কারণে তোমার অন্তর কলুষিত হয়ে যায় । কুরআন সমুদ্রের পানির মতো তোমার অন্তরকে পাক-সাফ করে দেয় যদিও তুমি তার থেকে কিছু তোমার অন্তরে সংরক্ষণ করে রাখতে না পার ! মুখস্ত না করতে পারলেও প্রতিদিন অর্থসহ তেলাওয়াত করো ।
মনে রেখো, কুরআনের নাযিলকৃত প্রথম আয়াত "পড়"। সুতরাং কুরআন মুখস্ত করতে না পারার কারণে শয়তান যেন তোমার মনে ওসওয়াসা সৃষ্টি করতে না পারে এবং তোমাকে কুরআন পড়া থেকে দূরে রাখতে না পারে ৷
কুরাআন নিয়মিত পড় ।
কুরআান অর্থসহকারে পড় ।
কুরআন বুঝে পড় ।
কবিতা আবৃত্তি ....
ঈদ মোবারক।
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা
গণিতের ১১০টি বেসিক সূত্র ও সংজ্ঞা:
******************************
১। গুণফল =গুণ্য × গুণক।
২। গুণক = গুণফল ÷ গুণ্য।
৩। গুণ্য= গুণফল ÷ গুণক
নিঃশেষে বিভাজ্য হলে।
৪।ভাজক= ভাজ্য÷ ভাগফল।
৫। ভাগফল = ভাজ্য ÷ ভাজক।
৬। ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল।
নিঃশেষে বিভাজ্য না হলে।
৭। ভাজ্য= ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ।
৮। ভাজ্য= (ভাজ্য— ভাগশেষ) ÷ ভাগফল।
৯।ভাগফল = (ভাজ্য — ভাগশেষ)÷ ভাজক।
১০। গড়= রাশিগুলোর যোগফল ÷ রাশিগুলোর সংখ্যা।
১১। লাভ = বিক্রয়মূল্য — ক্রয়মূল্য।
১২। ক্ষতি = ক্রয়মূল্য — বিক্রয়মূল্য।
১৩। ৫৯০০ ÷ ১০০ = ৫৯
১৪। ১×.১×.০১×.০০১= ০.০০০০০১
১৫। ১০০০ গ্রাম = ১ কিলোগ্রাম।
১৬। ১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিক টন।
১৭। ১ কুইন্টাল= ১০০ কিলোগ্রাম (কেজি)।
১৮। ১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম (কেজি)।
১৯। ১ এয়র = ১০০ বর্গমিটার।
২০। ১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার।
২১। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
২২। সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা।
২৩। ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ( ভূমি × উচ্চতা) ÷২
২৪। দৈর্ঘ্য = ক্ষেত্রফল ÷ প্রস্থ।
২৫। প্রস্থ = ক্ষেত্রফল ÷ দৈর্ঘ্য।
২৬। ভূমি = ( ক্ষেত্রফল × ২) ÷ উচ্চতা।
২৭। উচ্চতা = ( ক্ষেত্রফল ×২) ÷ ভূমি।
২৮। পরিসীমা = ২ × ( দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)।
২৯। জনসংখ্যার ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন।
৩০। আয়তন = জনসংখ্যা ÷ ঘনত্ব।
৩১। ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন।
৩২। জনসংখ্যা = ঘনত্ব × আয়তন।
৩৩। ভাগ কী?
উত্তরঃ ভাগ হলো পুনঃ পুনঃ বিয়োগ।
৩৪। খোলা বাক্য কাকে বলে?
উত্তরঃ যখন কোনো বাক্যের সত্য না মিথ্যা যাচাই করা যায় না তাকে খোলা বাক্য বলে।
৩৫। গাণিতিক বাক্য কাকে বলে?
উত্তরঃ যখন কোনো বাক্যের সত্য না মিথ্যা যাচাই করা যায় তাকে গাণিতিক বাক্য বলে।
৩৬। অক্ষর প্রতিক কী?
উত্তরঃ অজানা সংখ্যা নির্দেশক করতে যে বিশেষ প্রতীক বা অক্ষর ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ষর প্রতীক বলে।
৩৭। গাণিতিক প্রতীক কী?
উত্তরঃ গণিতে যে প্রতীক ব্যবহার করা হয় তাই গাণিতিক প্রতীক।
৩৮। সংখ্যা প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উত্তরঃ সংখ্যা প্রতীক ১০টি। যথা- ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯
৩৯। প্রক্রিয়া প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উত্তরঃ ৪টি যথা- +, —, × ,÷
৪০। সম্পর্ক প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উত্তরঃ সম্পর্ক প্রতীক অনেক আছে তবে প্রাথমিকে ব্যবহৃত সম্পর্ক প্রতীক ৬ টি যথা—
<
=
>
< নয়
< নয়
= নয়
৪১। গুণিতক কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা যে সকল সংখ্যাকে নিঃশেষে ভাগ করা যায়, সেই সকল সংখ্যার প্রত্যেককে ঐ নির্দিষ্ট সংখ্যার গুণিতক বলে।
৪২। লসাগু কাকে বলে?
উত্তরঃ দুই বা ততোধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে ছোট সাধারণ গুণিতককে বলে লসাগু।
৪৩। গসাগু কাকে বলে?
উত্তরঃ একাধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সাধারণ গুণনীয়ক হলো গসাগু।
৪৪। গুণনীয়ক কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো সংখ্যা যে সকল সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য, সেই সকল সংখ্যাকে গুণনীয়ক বলে।
৪৫। মৌলিক সংখ্যা কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো সংখ্যার গুণনীয়ক যদি ১ এবং ঐ সংখ্যা(শুধু দুইটি) হয় তাহলে সংখ্যাটিকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
৪৬। সংখ্যারশি কী?
উত্তরঃ কতিপয় সংখ্যাকে প্রক্রিয়া চিহ্ন এবং প্রয়োজনে বন্ধনী দ্বারা যুক্ত করলে একটি সংখ্যা রশি তৈরি হয়।
যেমনঃ (৩৬÷৪)× ৫—৭
৪৭। ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো বস্তু বা পরিমানের অংশ নির্দেশ করতে যে সংখ্যা ব্যবহৃত হয় তাকে ভগ্নাংশ বলে।
৪৮। প্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশের লব ছোট হর বড় তাকে প্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
৪৯। অপ্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশের লব বড় হর ছোট তাকে অপ্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
৫০। সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশের হর একই তাকে সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ বলে।
৫১। মিশ্র ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশে পূর্ণ সংখ্যার সাথে প্রকৃত ভগ্নাংশ যুক্ত হয়ে থাকে তাকে মিশ্র ভগ্নাংশ বলে।
৫২। গড় কাকে বলে?
উত্তরঃ রাশিগুলোর যোগফলকে রাশি গুলোর সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে মান পাওয়া যায় তাই গড়।
৫৩। শতকরা কী?
উত্তরঃ শতকরা হলো এমন একটি অনুপাত যা ১০০ এর ভগ্নাংশ রুপে প্রকাশ করা হয়।
৫৪। আসল কী?
উত্তরঃ বিনিয়োগ কৃত টাকাকে আসল বলে।
৫৫। বৃত্ত কী?
উত্তরঃ বৃত্ত হলো একটি আবদ্ধ বক্ররেখা যার প্রত্যেক বিন্দু ভিতরের একটি বিন্দু থেকে সমান দুরে থাকে।
৫৬। পরিধি কী?
উত্তরঃ যে বক্ররেখাটি বৃত্তকে আবদ্ধ করে রেখেছে তাকে পরিধি বলে।
৫৭। জ্যা কী?
উত্তরঃ জ্যা হলো একটি বৃত্তচাপের শেষ প্রান্তে বিন্দু দুইটির সংযোজক রেখাংশ।
৫৮। ব্যাসার্ধ কী?
উত্তরঃ কেন্দ্র থেকে পরিধির দুরত্বই হলো ব্যাসার্ধ।
৫৯। কর্ণ কাকে বলে?
উত্তরঃ বিপরীত শীর্ষ বিন্দুর সংযোগকারী রেখাকে কর্ণ বলে।
৬০। রম্বস কাকে বলে?
উত্তরঃ যে চতুর্ভূজের চারটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান তাকে রম্বস বলে।
৬১। আয়ত কাকে বলে?
উত্তরঃ যে চতুভূজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল তাকে আয়ত বলে।
৬২। বর্গ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে আয়তের চারটি বাহু সমান ও কোন গুলো সমান তাকে বর্গ বলে।
৬৩। চতুর্ভুজ কাকে বলে?
উত্তরঃ চারটি বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে চতুর্ভূজ বলে।
৬৪। অধিবর্ষ কী?
উত্তরঃ চার দ্বারা বিভাজ্য বছরকে অধিবর্ষ বলে।
৬৫। ১ শতাব্দী কী?
উত্তরঃ ধারাবাহিক ১০০ বছর সময় কালকে ১ শতাব্দী বলে।
৬৬। যুগ কী?
উত্তরঃ ধারাবাহিক ভাবে ১২ বছর সময় কালকে ১ যুগ বলে।
৬৭। ১ দশক কী?
উত্তরঃ ধারাবাহিক ভাবে ১০ বছর সময় কাল হয় ১ দশক।
৬৮। উপাত্ত কাকে বলে?
উত্তরঃ প্রাপ্ত তথ্য সমূহকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করাকে উপাত্ত বলে।
৬৯। উপাত্ত কত প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ উপাত্ত ২ প্রকার। বিন্যস্ত উপাত্ত এ অবিন্যস্ত উপাত্ত।
৭০। বিন্যস্ত উপাত্ত কাকে বলে?
উত্তরঃ যে উপাত্ত গুলো কোনো বৈশিষ্ট অনুযায়ী সাজানো থাকে তাকে বিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
৭১। অবিন্যস্ত উপাত্ত কাকে বলে?
উত্তরঃ যে উপাত্ত গুলো কোনো বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সাজানো থাকেনা তাকে অবিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
৭২। লেখচিত্র কাকে বলে?
উত্তরঃ চাক্ষুষ প্রদর্শনের জন্য রেখার সাহায্যে আঁকাচিত্র হলো লেখচিত্র।
৭৩। শ্রেণি ব্যবধান কী?
উত্তরঃ শ্রেণির উর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমার মধ্যে পার্থক্যই হলো শ্রেণি ব্যবধান।
৭৪। ঘটন সংখ্যার অপর নাম কী?
উত্তরঃ গণসংখ্যা।
৭৫। জনসংখ্যার ঘনত্ব কী?
উত্তরঃ প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাসরত লোক সংখ্যা হলো জনসংখ্যার ঘনত্ব।
৭৬। ক্যালকুলেটর কী?
উত্তরঃ ক্যালকুলেটর হলো একটি সাধারণ গণনার জন্য হস্তচালিত একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র, যা একটি বৈদ্যুতিক ব্যাটারি দ্বারা চলে।
৭৭। মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কী ক্যালকুলেটর ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর।
৭৮। কম্পিউটার কী?
উত্তরঃ কম্পিউটার একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র যা ক্যালকুলেটর অপেক্ষা বড় গণনা করতে পারে।
৭৯। রাশিগুলোর যোগফল = গড় ×রাশিগুলোর সংখ্যা।
৮০। যৌগিক সংখ্যা কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সংখ্যার গুণনীয়ক ১ এবং ঐ সংখ্যা ছাড়াও অন্য সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায়,তাকে যৌগিক সংখ্যা বলে।
৮১। পরিসর = ( সর্বোচ্চ—সর্বনিম্ন)+১
৮২। গুণ্য কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সংখ্যাকে গুণ করা হয় তাকে গুণ্য বলে।
৮৩। গুণক কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সংখ্যা দিয়ে গুণ করা হয় তাকে গুণক বলে।
৮৪। গুণফল কাকে বলে?
উত্তরঃ গুণ্যকে গুণক দ্বারা গুণ করার পর যে মান পাওয়া যায় তাকে গুণফল বলে।
৮৫।ভাজ্য কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সংখ্যাকে ভাগ করা হয় তাকে ভাজ্য বলে।
৮৬। ভাজক কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা হয় তাকে ভাজক বলে।
৮৭। ভাগশেষ কাকে বলে?
উত্তরঃ ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করে যদি কোনো অবশেষ সংখ্যা থেকে যায় তবে তাকে ভাগশেষ বলে।
৮৮। ভাগফল কাকে বলে?
উত্তরঃ ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করার পর যে মান পাওয়া যায় তাকে ভাগফল বলে।
৮৯। সমলব ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশ গুলোর লব সমান তাদেরকে সমলব বিশিষ্ট ভগ্নাংশ বলে।
৯০। ঐকিক নিয়ম কাকে বলে?
উত্তরঃ হিসাবের সুবিধার্তে প্রথমে একটির দাম বের করে সমস্যা সমাধানের পদ্ধতিকে ঐকিক নিয়ম বলে।
৯১। ১ জোড়া = ২টি
৯২। ১ হালি = ৪টি
৯৩। ১ কুড়ি = ২০টি
৯৪। ১দিস্তা = ২৪টি
৯৫। ১ ডজন = ১২টি
৯৬। ১ রীম = ২০ দিস্তা
৯৭। ১ সপ্তাহ = ৭ দিন
৯৮। ১ মাস = ৩০ দিন
৯৯। ১ বছর = ১২ মাস ৩৬৫ দিন
১০০। মৌলিক সংখ্যার অপর নাম কী?
উত্তরঃ উৎপাদক
১০১। দশমিক ভগ্নাংশ কী?
উত্তরঃ ভগ্নাংশ প্রকাশের একটি বিশেষ পদ্ধতি হলো দশমিক ভগ্নাংশ।
১০২। বিপরীত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো ভগ্নাংশের লবকে হর এবং হরকে লব করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া য়ায় তাকে বিপরীত ভগ্নাংশ বলে।
১০৩। শতকরাকে কী বলা হয়?
উত্তরঃ শতকরাকে শতাংশ বলা হয়।
১০৪। ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
১০৫। ১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি
১০৬। ১লিটার = ১০০০ মিলিমিটার = ১০০০ ঘন সেন্টিমিটার।
১০৭। ১ ঘনমিটার = ১০০০ লিটার।
১০৮। ১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি।
১০৯। ১০০০ গ্রাম= ১কেজি
১১০। ১ পক্ষ = ১৫ দিন
কালেক্টেড
১। থানা ও উপজেলার মধ্যে পার্থক্য কী?
থানা ও উপজেলা প্রশাসনিক কারনে আলাদা।থানার প্রধান নির্বাহী অফিসার ইনচার্জ (OC) এবং উপজেলার প্রধান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO)।
উলেখ্য,উপজেলায় চেয়ারম্যান থাকে ও ভাইস চেয়ারম্যান থাকে।
২। থানা আর মডেল থানা, কোতয়ালী থানার মধ্যে পার্থক্য কি?
থানার প্রধান দায়িত্বে থাকেন ওসি আর মডেল থানার ASP মডেল থানা আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত আর থানা সাধারণ অস্ত্রে সজ্জিত ।বাংলাদেশের প্রথম মডেল থানা-ভালুকা , ময়মনসিংহ। কোতয়ালী থানা - এক সময় জেলা প্রশাসক তথা রাজস্ব কালেক্টটররা রাজস্ব সংগ্রহের জন্য নিয়মিত পুলিশ বাহিনী ব্যতীত দাঙ্গা পুলিশের মতো কোতয়াল বাহিনী দ্বারা কিছু থানা পরিচালিত করত। কোতয়াল বাহিনী যারা রাজস্ব তথা খাজনা দিতে পারত না তাদের ধরে এনে থানায় রাখত। পরবর্তীতে সেই থানা গুলোই কোতয়ালী থানা হিসেবে পরিচিত হয়েছে।
৩। অববাহিকা বলতে কী বোঝায়?
ভূ-পৃষ্ঠের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে গাঠনিক কারনে বা অন্যভাবে নিম্নভূমি স্মৃষ্টি হলে এবং সে নিম্নভূমি পলল ধারন করার উপযোগী অবক্ষেপণ মঞ্চে পরিণত হলে তাকে অববাহিকা (basin) বলে।
৪। বেনাপোল ও পেট্রোপোল কী?
বেনাপোল(বাংলাদেশ অংশের) ও পেট্রোপোল (ভারত অংশের) দুইটি স্থলবন্দর।
৫। অভিবাসী ও শরণার্থীদের মধ্যে পার্থক্য কী ?
যখন কেউ নিজ দেশ ত্যাগ করে অন্য কোন দেশে শিক্ষা,ব্যবসা, চাকুরি,শ্রম , গবেষণা ইত্যাদির জন্য স্থায়ী বা অস্থায়ী ভিত্তিতে বসবাসের উদ্দেশ্যে পাড়ী জমায় তখন তাকে অভিবাসী বলে আর রাজনৈতিক, সামাজিক, জাতিগত বিভিন্ন নিরাপত্তাগত কারণে নিজ ভূমি ছেড়ে বা আশ্রয়ের সন্ধানে অন্য কোন দেশে অস্থায়ীভাবে অবস্থানকৃত জনসমষ্টিকে শরণার্থী বলে।
৬। বামপন্থী ও ডানপন্থী বলতে কী বোঝায় ?
প্রগতিশীল মতবাদ ও সমাজতন্ত্রের এবং ধর্ম নিরপেক্ষতায় বিশ্বাসীদের বামপন্থী বলে ।অপরপক্ষে গণতান্ত্রিক ,পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা এবং ধর্মীয় প্রতি অতি বিশ্বাসীদের ডানপন্থী বলে।
৭। একাডেমি ও ইনস্টিটিউটের এর মধ্যে পার্থক্য কী ?
সাধারণত মৌলিক , প্রথাগত , কারিগরি বা সামরিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে একাডেমি বলে।যেমন-বাংলা একাডেমি,মেরিন একাডেমি।
অপরপক্ষে পেশাগত বা ব্যবস্থাপনাগত উন্নয়নমূলক শিক্ষা প্রদানকারী বা কোন বিষয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে ইনস্টিটিউট বলে ।
যেমন- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট।
৮। ট্যাবলয়েড পত্রিকা কাকে বলে ?
সাধারণত যে সাইজের পত্রিকা ছাপা হয় তার চেয়ে অর্ধেক সাইজের পত্রিকাকে ট্যাবলয়েড পত্রিকা বলে ।
যেমন: মানবজমিন ।
৯। অধিদপ্তর ও পরিদপ্তরের মধ্যে পার্থক্য কী ?
সাধারণত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এক বা একাধিক দপ্তরকে অধিদপ্তর বলে, যার প্রধান হলেন মহাপরিচালক । যিনি অতিরিক্ত সচিবের মর্যাদাসম্পন্ন অন্যদিকে অধিদপ্তরের অধীনস্ত এক বা একাধিক দপ্তরকে পরিদপ্তর বলে যার প্রধান হলেন পরিচালক । যিনি একজন যুগ্ম সচিব বা উপসচিবের মর্যাদাসম্পন্ন ।
১০। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টি ও উপজাতির মধ্যে পার্থক্য কি?
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী / আদিবাসী : কোন এলাকার সবচেয়ে প্রাচীন জনবসতি ও তাদের সংস্কৃতিকে বোঝাতে আদিবাসী পদটি ব্যবহৃত হয়। আধুনিক জনগোষ্ঠীর জৈব ও সামাজিক প্রভাবজাত নয় এমন জনগোষ্ঠীকে আদিবাসী বলা হয়। উপজাতি এমন জনগোষ্ঠীগুলোকে বুঝায় যারা আলাদা রাষ্ট্র গঠন করতে পারেনি কিন্তু নিজস্ব একটি আলাদা সংস্কৃতি গড়ে তুলেতে সমর্থ হয়েছে। মূলতঃ রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের ভিত্তিতে জাতি বা উপজাতি নির্দিষ্টকরণ হয়ে থাকে।
১১। Recto & Verso কী?
বইয়ের পাতার ডানদিকের পৃষ্ঠাকে Recto বলে আর বইয়ের পাতার বামদিকের পৃষ্ঠাকে Verso বলে । Verso গুলোতে জোড় সংখ্যা এবং
Recto গুলোতে বিজোড় সংখ্যা থাকে।
১২। নদী ও নদের মধ্যে পার্থক্য কী ?
সাধারণত বাংলা , হিন্দি ,ফারসি ইত্যাদি ভাষার ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দ অ-কারান্ত এবং নারী বাচক শব্দ আ কারান্ত বা ই , ঈ -কারান্ত হয় ।
যেমন- নদ-নদী , কুমার-কুমারী ইত্যাদি।
সুতরাং যে সকল নদীর নাম পুরুষবাচক সেগুলোর পর নদ থাকে ।
যেমন:নীলনদ , কপোতাক্ষ নদ , ব্রহ্মপুত্র নদ এবং ‘যেসকল নদীর নাম স্ত্রীবাচক সেগুলোর পর নদী থাকে
যেমন:পদ্মা নদী,মেঘনা নদী
ইত্যাদি।
১৩। মহীসোপান ও মহীঢাল বলতে কী বুঝায় ?
পৃথিবীর মহাদেশগুলোর চর্তুদিকে স্থলভাগের যে অংশ অল্প অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে , তাকে মহীসোপান বলে।
আর মহীসোপানের শেষ সীমা থেকে ভূ-ভাগ খাড়াভাবে নেমে সমুদ্রের গভীরে তলদেশের সাথে
মিশে যাওয়া অংশকে মহীঢাল বলে ।
১৪। মহাসাগর,সাগর, উপসাগর , হ্রদের মধ্যে পার্থক্য কী ?
মহাসাগর- বিস্তীর্ন বিশাল জলরাশি যার সীমা নির্ণয় করা প্রায় দু:সাধ্য তাকে মহাসাগর।
সাগর- মহাসাগরে চেয়ে ছোট বিস্তীর্ন জলরাশিকে সাগর বলে ।
উপসাগর- যে সাগরে তিনদিক স্থল সীমানা দ্বারা পরিবেষ্টিত তাকে উপসাগর বলে।
হ্রদ -সাগরের চেয়ে ছোট বিস্তীর্ন জলরাশি। চারদিকে স্থল সীমানা দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে।
১৫। ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদ কি?
এই মতবাদের মূলনীতি ব্যক্তিস্বাধীনতা।
১৬। সাম্রাজ্যবাদ কি?
অপর রাষ্ট্র দখল করে শক্তি বৃদ্ধি ও সম্পদ বৃদ্ধি করার নাম সাম্রাজ্যবাদ।
১৭। ফ্যাসিবাদ কি?
ফ্যাসিবাদের মুখ্যনীতি জনগনের জন্য রাষ্ট্র নয় রাষ্ট্রের জন্য জনগন।রাষ্ট্রই সকল ক্ষমতার অধিকারী,ব্যক্তি নয়।
১৮। জাতীয়তাবাদ কি?
কোন জাতি বা সমাজের জাতীয় সংহতি বজায় রাখাকে জাতীয়তাবাদ বলে।
১৯। মার্কসবাদ কি?
কার্ল মার্কস এর মতবাদ ধনতান্ত্রিক, রাজতন্ত্র উচ্ছেদ করে শ্রেনী বৈষম্যহীন ব্যবস্থা কায়েম করাই এর কাজ।
২০। অ্যাডাল্ট ফ্রাঙ্কাইজ বলতে কি বুঝায়?
জাতি,ধর্ম,বর্ণ,নির্বিশেষে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটার পুরুষ ও মহিলা ভোটারদের ভোট অধিকার।
২১। অ্যাপার্ট হেড কি?
জাতিগত বা বর্ণগত বৈষম্য কে অ্যাপার্ট হেড বলে।
২২। স্যাভাটোজ কি?
অন্তর্ঘাতমূলক কার্যকলাপ দ্বারা কোন কিছু ধ্বংস করা বা ধ্বংস করতে বাধ্য করা।
২৩। ফেডারেশন কি?
ফেডারেশন বা যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে কয়েকটি অঙ্গ রাজ্য বা প্রদেশ নিয়ে গঠিত, যার ক্ষমতা কেন্দ্রীয় বা প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে সাংবিধানিকভাবে বণ্টন হয়।
যেমন, আমেরিকা,কানাডা ও ভারত।
২৪। কনফেডারেশন কি?
কয়েকটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র মিলিত হয়ে যে সংস্থা গঠন করে তাকে কনফেডারেশন বলে।
২৫। অ্যাটর্নী জেনারেল বলতে কি বুঝ?
একটি দেশের সরকারের প্রদান আইনজীবীকে।
২৬। ডিপ্লোমেসি কি?
কূটনৈতিক, বিভিন্ন দেশের সাথে চুক্তির পূর্বে শত্রুতা না করে আলোচনা বা চুক্তি ব্যবস্থা কৌশল।
২৭।। ডিপ্লোমেটিক ইলনেস কি?
কোনো অনুষ্ঠান বা সভায় যোগদান না করার অজুহাতে অসুস্থতাককে ডিপ্লোমেটিল ইলনেস বলে।
২৮। রাষ্ট্রদূত কি?
এক রাষ্ট্র কর্তৃক অন্য রাষ্ট্রের প্রেরিত শ্রেনীর কূটনীতিকই হলো রাষ্ট্রদূত।
২৯। 'চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ' কি?
একজন রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতিতে নিযুক্ত মিশনের অস্থায়ী প্রদান।
৩০। অ্যাম্বাসেডর কি?
একটি রাষ্ট্র থেকে অন্য রাষ্ট্রের প্রেরিত সর্বোচ্চ শ্রেনীর কূটনীতিকদের অ্যাম্বাসেডর বলা হয়।
৩১। হাইকমিশনার কি?
কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সর্বোচ্চ শ্রেনীর কূটনীতিকদের হাইকমিশনার বলা হয়।
৩২। হুইপ কি?
পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদলের সদস্যদের মধ্যে সংঘবদ্ধ করার দায়িত্বে নিয়োজিত।
৩৩। প্রোটোকল কি?
কূটনৈতিক পরিভাষায় একে সাধারণ আন্তর্জাতিক দলিল বুঝায়।আন্তর্জাতিক সভা-সমিতির কার্য বিবরণী।
৩৪। তৃতীয় বিশ্ব কোন দেশদের বলা হয়?
স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশ।
৩৫। স্বায়ত্তশাসন কি?
স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করার ক্ষমতা।
৩৬। দৈতশাসন কি?
একই রাষ্ট্রের দুই শক্তির শাসন ব্যবস্থা।
৩৭। শ্বেতপত্র কি?
কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত বিবরণী।
৩৮। টাস্কফোর্স কি?
কোন দেশের স্থল,বিমান ও নৌবাহিনীর সম্মিলিত সৈন্যদল।
৩৯। বাফার স্টেট কি?
বিবাদমান দুই বৃহত্তর রাষ্ট্রের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র,কম শক্তিসম্পন্ন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ রাষ্ট্র।
৪০। স্ট্র ভোট কি?
কোন বিষয়ে জনমত যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তি বা সংস্থা কর্তৃক বেসরকারি গৃহীত ভোট।
৪১। স্যাটেলাইট স্টেট কি?
প্রতিবেশি বৃহৎ এবং শক্তিশালী রাষ্ট্রের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক প্রভাবাধীন অপেক্ষাকৃত দুর্বল রাষ্ট্র।
৪২। পুলম কি?
পুলম একটি সাধারণ চুক্তি ফার্মের উৎপাদন পরিমান নির্দিষ্ট করে দেয় কিন্তু প্রত্যেক ফার্মেই তার নিজ নিজ সত্তা বজায় রাখেএবং পরিচালনায় উৎপাদন কার্য চালায়।
৪৩। জানটা কি?
একটি স্ব-গঠিত সমিতি যা গোপনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লিখিত হয়।
৪৪। গনভোট কি?
কোন বিতর্কিত প্রশ্নে রাষ্ট্রের ভোটদাতা কর্তৃক প্রত্যক্ষ ভোট।
৪৫। ইমপিচমেন্ট কি?
রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোন অপরাধের জন্য রাষ্ট্রের প্রধান বা কোন মন্ত্রী পার্লামেন্টে বা এজন্য গঠিত উচ্চ ট্রাইব্যুনাল বিশেষ বিচার।
৪৬। পঞ্চম বাহিনী ( 5th column) কি?
যে জনতা গোপনে নিজ সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং শত্রুকে সাহায্য করে।
৪৭। একনায়কতন্ত্র কি?
একনায়কতন্ত্র এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে সরকারের সমস্ত ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতে ন্যস্ত।
৪৮। দাঁতাত কি?
দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান কঠোর মনোভাব হ্রাসের প্রচেষ্টা।
৪৯। গনতন্ত্র কি?
জনগন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত শাসনব্যবস্থা, জনগনের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শাসনকার্য পরিচালনা করে।
৫০। ডী জুরী কি?
আইনগত নতুন সরকার বা রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।
৫১। ডী ফ্যাকটো বলতে কি বুঝায়?
বাস্তবিকপক্ষে নতুন সরকার বা রাষ্ট্রের রীতিসিদ্ধ স্বীকৃতির পূর্বেই যে কোন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সৃষ্টি করার জন্য বিধিবদ্ধ আইন।
৫২। ক্রশ ভোটিং কি?
শাসকদল অথবা বিরোধীদলের সদস্যগণ যখন দলগত বাধা এবং সমর্থন ভঙ্গ করে বিপক্ষ দলকে ভোট দেন।
৫৩। আমলাতন্ত্র বলতে কি বুঝায়?
আমলাদের দ্বারা পরিচালিত সরকার।
৫৪। বুর্জোয়া বলতে কি বুঝায়?
মধ্যবর্তী সম্প্রদায়, মার্কসিস্টদের মতে যারা মালিক শ্রেনীকে পছন্দ করে না এবং তাদেরকে শোষণ করে তারাই বুর্জোয়া।
৫৫। বহি:সমর্পণ চুক্তি বা Extradition Treaty কি?
বহি:সমর্পণ চুক্তি হলো এক দেশের অপরাধীকে অন্যদেশ চুক্তির মাধ্যমে তার নিজ দেশে ফেরত পাঠানো।
৫৬। ব্লু বুকস কি?
নীল মলাটে বাধানো ইংল্যান্ডের ব্যবস্থাপক সভার বা খাস রাজসভার বিবরনী পুস্তক।
৫৭। ব্লাক স্মার্ট কাদের বলা হয়?
ইতালির মুসোলিনের ফ্যাসিস্ট দল।
৫৮। রাজনৈতিক আশ্রয় কি?
যখন কোন রাজনৈতিক শরণার্থী অন্য কোন দেশে আশ্রয় নেন তখন তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় বলে।
৫৯। বাই ক্যামের্যাল লেজিসলেটার
শব্দটি দ্বারা কি বুঝায়?
যে কোন দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
৬০। শোভিনিজম কি?
অন্ধদেশ প্রেম বা উগ্র স্বদেশিকতা।
৬১। অধ্যাদেশ কাকে বলে?
জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য রাষ্ট্রপ্রধান কর্তৃক জারিকৃত আইন।
৬২। কুয়োমিনটাং কাদের বলা হয়।
চীনা জাতীয় বিপ্লবী দল।
৬৩। বলশেভিক কি?
রাশিয়ায় যারা কার্ল মার্কস মতবাদের বিশ্বাসী।
৬৪। PL-480 কি?
PL-480 হচ্ছে পাবলিক -ল ৪৮০। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য সাহায্য প্রদান সংক্রান্ত একটি আইন।
৬৫। দ্বীপ ও অন্তরীপ মধ্যে পার্থক্য কী ?
সাগরের মাঝে যখন স্থল জেগে ওঠে তখন তাকে দ্বীপ বলে যার চারদিকেই পানি দ্বারা বেষ্টিত আর যখন কোন দ্বীপ স্থলের সাথে সংযোগ থাকে তখন তাকে অন্তরীপ বলে ।
৬৬। ঐতিহাসিক রাজধানী কাকে বলে ?
যেসব রাজধানী কোন রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে কয়েকশত বছর ধরে টিকে আছে এবং রাষ্ট্রের বিবর্তনে এর ঐতিহাসিক ভূমিকা থাকে তাকে ঐতিহাসিক রাজধানী বলে।
যেমন: ঢাকা,করাচি, দিল্লি ,রোম ।
৬৭ । পঞ্চম স্তম্ভ বা ফিফথ এস্টেট
বলতে কী বোঝায় ?
আধুনিক যুগে ব্লগিংকে যে কোনো রাষ্টের পঞ্চম স্তম্ভ বলা হয় । তবে কেউ কেউ ইন্টারনেট প্রযুক্তির আওতায় থাকা প্রতিটি মানুষকেই পঞ্চম স্তম্ভ বলে।
উল্লেখ্য,আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় স্বীকৃত চারটি স্তম্ভ
হলো -আইন ,বিচার , নিবার্হী বিভাগ এবং সংবাদপত্র ।
৬৮। থ্রাস্ট সেক্টর বলতে কী বোঝায় ?
অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সামনে রেখে সরকার অনেক সময় বিভিন্ন সেক্টর বা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত বলা হয় । যেমন: বাংলাদেশ রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বিবেচনায় তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য ইত্যাদি থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ধরা হয়।
৬৯। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ‘গ্রিড ‘ দ্বারা কী বোঝানো হয় ?
উচ্চ ভোল্টেজ সমৃদ্ধ জাতীয়ভাবে ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার বা তড়িৎ ক্ষমতার বণ্টনের ব্যবস্থা হলো গ্রিড।
৭০। অপেরা দ্বারা কী ধরণের সাহিত্যকে বোঝানো হয় ?
সঙ্গীতপ্রধান নাটকের সাধারণত অপেরা বলা হয়।অপেররার কাহিনি ও চরিত্র পরিকল্পনা করতে হয়
সঙ্গীতকে উপযোগী করে,যা মূলত রঙ্গমঞ্চে উপস্থাপনার জন্যই রচিত হয় অনেকে যাত্রাপালাকে অপেরা হিসেবে অভিহিত করেন। বাংলা ভাষার প্রথম অপেরা শকুন্তলা।
৭১। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে 'কার্নিং' বলতে কি বোঝায়?
ডকুমেন্টে অক্ষর টাইপ করার সময় টাইপকৃত অক্ষরগুলোর সাধারন দুরত্ব পরিবর্তনের প্রক্রিয়া হল কার্নিং।
৭২। নীলা কি?
নীলা এক ধরনের নীল স্বচ্ছ মুল্যবান মণি।তবে অপ্ল পরিমানে আয়রণ ও টাইটেনিয়াম থাকলে এটা হলুদ, বাদামী,সবুজ,গোলাপি,কমলা ইত্যাদি রঙের হয়ে থাকে।
৭৩।ফাইবার গ্লাস কি?
ফাইবার গ্লাস হল খুব সুক্ষ্ম কাচের বস্তু।এর ব্যাস এক মিটারের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগেরও কম।গাড়ির বিভিন্ন অংশ ও অন্যান্য দ্রব্য তৈরিতে এটা ব্যবহৃত হয়।
৭৪।অ্যাক্টা-দিউরনা(Acta-diurna) কী?
আধুনিক সংবাদপত্রের আদিরূপ হল অ্যাক্টা-দিউরনা। খ্রিষ্টপূর্ব ৫০সালে জুলিয়াস সিজারের আমলে রোমে সে সময়ের ঘটনাবলী হাতে লিখে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ্য স্থানে সেঁটে রাখাহতো, যা অ্যাক্টা-দিউরনা নামে পরিচিত।
৭৫।সামাজিক যোগাযোগ সাইট Twitter এর লেগোর পাখির নাম কি?
ল্যারি বার্ড(Larry bird)। সাবেক খ্যাতিমান বাস্কেটবল খেলোয়াড় ল্যারি জো বার্ড'কে সম্মান জানাতে এরূপ নামকরণ করা হয়।Twitter এ বর্তমানের এই পাখির লেগোটি ৫জুন ২০১২ গৃহীত হয়।
৭৬। টমোগ্রাফি কী?
যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় তাকে টমোগ্রাফি বলে।
৭৭।Persona-non-grata শব্দ সমষ্টি কোন বিশেষ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
কূটনীতিবিদদের ক্ষেত্রে।
৭৮।অরগানিক ফুড বলতে কি বোঝায়?
বিশেষ পদ্ধতিতে চাষ করা সবজি যাতে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না এবং শরীরের প্রয়োজনীয় খাদ্যগুন বজায় রাখা হয়, তাই হল অরগানিক ফুড।
৭৯।'মুফাসসির' কাকে বলে এবং প্রথম মুফাসসির কে?
যিনি আল কুরআনের তাফসির ( অর্থাৎ অর্থ,তাৎপর্য ও ব্যাখ্যা) করেন তাকেই মুফাসসির বলা হয়। ইসলামের প্রথম 'মুফাসসির' হলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)।
৮০।পেট্রোলের অপর নাম কি?
গ্যাসোলিন,যা প্রধানত উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে ব্যবহৃত হয়!
৮১।রিট আবেদন কী?
রিট শব্দটির অর্থ হলো আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বিধান বা আদেশ।বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ ধারা মতে,কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যে কারো বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করতে পারেন।
৮২।নটিক্যাল মাইল বলতে কি বোঝায়?
নটিক্যাল মাইল হলো নাবিকদের দুরত্ব নির্ণায়ক মাপবিশেষ বা নৌমাইল। ১নটিক্যাল মাইল সমান
১.৮৫২কিমি বা ৬,০৭৬ ফুট(প্রায়)।
৮৩। Depreciation কী?
মুলত ব্যবহারজনিত ক্ষয়ক্ষতির কারণেযন্ত্রপাতি বা অন্য কোনো সম্পত্তির দাম যেটুকু কমে যায়, তাকেই এ সম্পত্তির অবচয় Depreciation বলে।
৮৪। হেমলক কী?
ইউরোপ ও উত্তর আফ্রিকার একটি অত্যন্ত বিষাক্ত বহুবর্ষজীবী সপুস্পক উদ্ভিদের নাম হেমলক। এর নি:সৃত রস থেকে তীব্র বিষ তৈরি করা হয়। সক্রেটিস এ বিষ পানেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন।
৮৫। সুপারনোভা কী?
সুপারনোভা বা অতিনবতারা হলো এক ধরনের নাক্ষত্রিক বিস্ফারণ,যার ফলশ্রুতিতে নক্ষত্র ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং অবশেষরূপে থাকে নিউট্রন তারা কিংবা কৃষ্ণবিবর।
৮৬। দ্য সাপার লাস্ট' কী?
' দ্য সাপার লাস্ট ' লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি'র আঁকা যীশু খ্রিস্টের শেষ আহার পর্বের বিখ্যাত ছবি।
৮৭।উপমহাদেশ বলতে কী বোঝায়?
উপমহাদেশ হলো কোন মহাদেশের অংশবিশেষ, যা ভৌগলিকভাবে মহাদেশের অন্য অংশ থেকে ভিন্ন টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত।
যেমন-ভারত উপমহাদেশ, আরবদ্বীপ।
৮৮।কোকো(Cocoa) কী?
কোকো ক্রান্তীয় অঞ্চলের একটি অর্থকরী ফসল।চকোলেট, মাখন,পানীয়সহ বিভিন্ন মিষ্টি জাতীয় খাদ্যের সুগন্ধ বাড়াতে কোকোর প্রয়োজন অপরিহার্য।
৮৯।কম্পিউটারের ড্রাইভ 'সি' থেকে শুরু হয় কেনো?
কম্পিউটারের শুরুর দিকে ইন্টারনাল স্টোরেজ না থাকায় স্টোরেজ হিসেবে ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহার করা হত।পরবর্তী ১৯৮০ সালের দিকে ইন্টারনাল স্টোরেজ হিসেবে হার্ডডিস্ক আসলে 'C' দ্বারা বোঝানো হয়।বর্তমানে ফ্লপি ডিস্কের ব্যবহার শেষ হলেও এটা 'চ'- তেই ব্যবহৃত হচ্ছে।
৯০।হায়ারোগ্লিক(Hieroglyph)কী?
হায়ারোগ্লিক বা চিত্রলিপি হলো চিত্রভিত্তিক প্রাচীন
মিশরীয় লিখন পদ্ধতি।প্রায় ৭৫০টি চিত্রলিপি চিহৃ দিয়ে এ লিখন তৈরি হয়েছিল।
৯১।ঘনবীক্ষণ যন্ত্র কী?
যে যন্ত্র দ্বারা স্বল্প ব্যবধানে দুটি বিন্দু থেকে দুটি আলোকচিত্র গ্রহন করে ত্রিমাত্রিক অনুভূতি পাওয়া যায় তাকে ঘনবীক্ষন যন্ত্র বলে।
৯২।ষোলোকলা বলতে কি বোঝায়?
পৃথিবী থেকে বিভিন্ন সময়ে চাঁদের আলোকিত অংশের বিভিন্ন অংশ দেখা যায়।চাঁদের এ পরিবর্তনকে কলা বলে।আর ষোলো ভাগে ভাগ করা হয় বলে একে একত্রে ষোলোকলা বলা হয়।
৯৩।সুমো খেলা কী?
'সুমো '(Sumo) এক ধরনের কুস্তিখেলা। অসম্ভব স্থুলকায় কুস্তিগীরেরা এ খেলায় অংশ নেয়। যীশু খ্রিস্টের জন্মের পূর্বেই এ খেলার উদ্ভব হয়।
৯৪।মেসমেরিজম বলতে কী বোঝায়?
মেসমেরিজম এক ধরনের সম্মোহন। এতে অন্যের মস্তিষ্ককে অসাড় করে নিজের ইচ্ছায় চালিত হয়।জার্মান চিকিৎসক ফ্রাঞ্জ অ্যান্টন মেসমার চিকিৎসায় এটি প্রথম ব্যবহার হয়।
৯৫। কসমোলজি কী?
মহাবিশ্বের স্থান ও কালসম্বন্ধীয় গঠন, উৎপত্তি, পরিণতি ইত্যাদি সম্বন্ধে তত্ত্বীয় এবং পর্যবেক্ষণ সম্মত বিদ্যাকে কসমোলজি বা মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব বলে।
৯৬।'প্রিজমা'এবং'পোকেমন গো' কী?
প্রিজমা হলো ছবি সম্পাদনার অ্যাপস,যার মাধ্যমে ছবি সম্পাদন করে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় তা শেয়ার করা যায় আর 'পোকেমন গো' হলো জনপ্রিয় গেমিং অ্যাপ।
৯৭।জেনোফোবিয়া(Xenophobia) দ্বারা কি বুঝানো হয়?
এটা দ্বারা অপরিচিত বা বিদেশী ব্যক্তি, তত্ত্ব, সংস্কৃতি, উদদ্যোগ ইত্যাদির প্রতি ভীতি ও অবিশ্বাস বোঝায়।এটাতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা বিদেশী বা অপরিচিত কোনো তত্ত্ব বা উদ্যোগের ভালোমন্দ আদৌ যাচাই না করে তা বর্জন করার পক্ষপাতী।
৯৮।জাইরোস্কোপ কী?
বিমানপোতে ওঠানামা বা গতি পরিবর্তনকালে দিগন্তের দিক এবং উত্তর দিক মনে রাখার যন্ত্র হলো জাইরোস্কোপ।
৯৯।ন্যায়পাল কাকে বলে?
ন্যায়পাল বলতে এমন একজন সরকারী মুখপাত্র বা কর্মকর্তাকে বোঝায়,যিনি সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেন।সরকারি আমলা ও সাধারন নাগরিকদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী সরকারি এজেন্ট হিসেবে তিনি থাকেন স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য। বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭নং অনুচ্ছেদে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
১০০। Green Currency কী?
সাধারণ কৃষিনীতি অনুসরণ করার জন্য ইউরোপীয় অর্থেনেতিক কমিউনিটিভূক্ত দেশগুলো যেসব মুদ্রা একটি কৃত্রিম বিনিময় হার ব্যবহার করে সেগুলো Green Currency বলে ।
১০১।Pupil ও Student এর মধ্যে পার্থক্য কী?
সাধারণত কোনো শিক্ষকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে শিক্ষা গ্রহণকারী বা নিচের শ্রেণীর শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে Pupil আর স্কুল (মাধ্যমিক),কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে Student ব্যবহৃত হয়।
১০২। ভায়াডাক্ট কী?
ভায়াডাক্ট এক ধরনের বিশেষ সেতু,যেখানে ধারাবাহিকভাবে পাশাপাশি দুই পিলারের ওপর ধনুক আকৃতির কাঠামো তৈরি করে তার ওপর সড়ক বা রেলপথ স্থাপন করা হয়।
১০৩। প্লুটো কেন গ্রহ নয়?
ভর,আকৃতি (ছোট) এবং অনিয়মিত কক্ষপথ-প্রধানত এ তিন বিষয়ের কারণেই প্লুটোকে গ্রহের মর্যাদাচ্যুত করা হয়।
১০৪।মনোকালচার কী?
কোনো জমিতে সকল ধরনের চাষাবাদ বাদ দিয়ে শুধু একটি শস্যের চাষ করাকে বলা হয় মনোকালচার বা একক কৃষি।
১০৫। Mbps ও MBps এর মধ্যে পার্থক্য কী?
Mbps এর পূর্ণরূপ Megabits per second,যা
সাধারণ ডাউনলোড ও আপলোড স্পিড।আর MBps এর পূর্ণরূপ Megabytes per second,যা সাধারণ
ফাইল সাইজ বা ডেটার পরিমাণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। উলেখ্য,১বাইট সমান ৮বিট।
১০৬। চন্দ্রমুদ্রা বা Moon Money কী?
প্রাচীনকালে চীনে প্রচলিত এক ধরনের বিনিময় মাধ্যম হলো ' চন্দ্রমুদ্রা '।তামার তৈরি এ মুদ্রাটি দেখতে অর্ধ চন্দ্রাকার হওয়ায় এর এরূপ নামকরণ করা হয়।
১০৭।Holy See (হলি সী) কী?
রোমান ক্যাথলিক চার্চের আইনগত ও প্রতিকী প্রতিভূ হলো হলি সী,যার সর্বোচ্চ পদে থাকেন পোপ। এটা দ্বারা অনেক সময় নগর ভ্যাটিকানকেও বোঝানো হয়।
১০৮।নাইলন(Nylon) কী?
কতিপয় কৃত্রিম প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থের সাধারণ নাম হলো নাইলন। এটা খুব শক্ত ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ।
কয়লা, বাতাস,পেট্রোলিয়াম,চুনাপাথর, বায়োগ্যাস ইত্যাদি উপাধানের সাহায্যে এক জটিল প্রক্রিয়ায় এটা তৈরি করা হয়।
১০৯।খ্রিষ্টাব্দ কী?এর প্রচলন কখন থেকে শুরু হয়?
যীশু খ্রিস্টের জন্ম থেকে গননা করা বর্ষপঞ্জী হলো খ্রিস্টাব্দ। ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৫৮২ পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরির এক আদেশানুসারে এ বর্ষপঞ্জীর প্রচলন ঘটে।
১১০।প্রতি চার বছর অন্তর লিপ ইয়ার
হওয়া সত্ত্বেও বাংলা নববর্ষ কিভাবে ১৪ এপ্রিলই হয়?
বংগাব্দকে আধুনিক করতে ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দের ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমী কর্তৃক ড. মুহম্মদ
শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়।গঠিত কমিটির প্রস্তাব অনুসারে বছরের ১ম পাঁচ মাস ৩১দিনের ও বাকী মাসগুলো ৩০দিনের এবং লিপইয়ারের ক্ষেত্রে ফাল্গুন মাসে ১দিন যোগ করা হয়।এ কারনে বাংলা নববর্ষ প্রতি বছর ১৪ এপ্রিলই হয়।
১১১। অ্যাকর্ড কী?
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ক্রেতাদের ইউরোপীয় জোট।
১১২। অ্যালায়েন্স কী?
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ক্রেতাদের উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোট।
১১৩। চেকবুক কূটনীতি কী ?
অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করে কোনো দেশকে কাছে টানতে চাওয়ার কূটনীতি।
১১৪। সার্কুলার নোট কী?
পর্যটকদের দেয়া যে হুন্ডি (নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ)ব্যাংকের বিদেশস্থ কোনো শাখায় ভাঙবার সুযোগ রয়েছে,তাকে সার্কুলার নোট বলে।এটা এক ধরনের প্রত্য্যপত্র বা লেটার অব ক্রেডিট (LC)।
১১৫। হিসপানিক কি?
হিসপানিক হলো ঐ সকল অভিবাসী জনগোষ্ঠী যারা স্পেনের ভাষা, সংস্কৃতির সাথে যুক্ত ।
১১৬। কত তারিখ থেকে বাবার নামের সাথে মায়ের নাম লেখা শুরু হয়?
উত্তর - ১৯৯৮ সালের ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মায়ের নাম লেখার ঘোষণা দেন এবং ২০০০ সালের ২৭ আগস্ট কার্যকর হয়।আর সার্টিফিকেটে পিতার নামের সাথে মায়ের নাম লেখা চালু হয়-২০০৪ সালে।
১১৭। "সরকারি সফর" এবং "রাষ্ট্রীয় সফর" এর মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর - রাষ্ট্র প্রধান ( রাষ্ট্রপতি), মন্ত্রিপরিষদ প্রধান
( প্রধানমন্ত্রী) - সফর হলো - রাষ্ট্রীয় সফর,
অন্যদিকে - সরকারের মন্ত্রী, এমপি, আমলাদের সফর হলো - সরকারি সফর ।
১১৮। আইটি পার্ক ও হাইটেক পার্কের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর - আইটি পার্ক মূলত সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট কিংবা আউটসোর্সিং কাজের সাথে সম্পর্কিত । যেমন :স্যামসাং, অ্যাপল ইত্যাদির ক্যাম্পাস।
আর হাইটেক পার্ক হল উন্নতটেকনোলজিরর সাথে
রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট এবং প্রোডাকশন ইত্যাদির সমন্বয়।
যেমন: সুইজারল্যান্ডের রোল্যাক্স আর ইসরাইলের চিকিৎসা আর সামরিক ইন্ডাস্ট্রি
১১৯। মাননীয় & মহামান্য এদের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর -
মাননীয়
১। যাকে মান্য করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য
২। যেমন: প্রধানমন্ত্রীকে সম্মোধনের ক্ষেত্রে মাননীয়
ব্যবহার করা হয়।
মহামান্য
১। যাকে মান্য করা প্রত্যেক নাগরিকের অবশ্য কর্তব্য
এবং যিনি আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন।
২। যেমন: রাষ্ট্রপতিকে সম্মোধনেরক্ষেত্রে মহামান্য
ব্যবহার করা হয়।
১২০। হাওর, বাওর এবং বিল, ঝিল এর পার্থক্য কী ?
উত্তর- হাওর হচ্ছে বিশাল গামলা আকৃতির জলাশয় যা
ভূআলোড়নের ফলে সৃষ্টি হয় এবং সেখানে অনেক পানি জমে। যেমনঃ হাকালুকি।
অন্যদিকে বাওর হল পুরাতন নদীর গতিপথ পরিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্ট জলাশয়। বিল পুরাতন নদীর গতিপথের ধার ঘেঁষে সৃষ্টি হয়। যেমন চন্দা। ঝিল নদীর পরিত্যাক্ত খাত। সাধারনত ঝিলকে অশ্বক্ষুরাকৃতি হৃদ হিসেবে নির্দেশ করা হয়।
১২১। ১, ২, ৫ টাকার কয়েন গুলো কেন সরকারি মুদ্রা ?
উত্তর - আমরা সবাই জানি ১, ২, ৫ টাকার কয়েনগুলো সরকারি মুদ্রা কারণ এগুলোতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থেকে আর বাকি নোটগুলোতে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের । মূলত দেশের টাকা ছাপানোর দায়িত্ব হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের । এজন্য ৫ থেকে ১০০০ হাজার টাকার নোট ছাঁপানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে যতটাকা ছাঁপাবে ততটাকার সমান টাকা বা gold বা ডলার মজুদ রাখতে হয় ফরেন রিভার্জ
সিরিকিউরিটি হিসেবে ।
অপর পক্ষে ১ ২ ও ৫ টাকার কয়েন ছাঁপানোর জন্যসরকারকে কোন Gold রিজার্ভ রাখতে হয় না । ফলে বহুল ব্যবহৃত এসব কয়েন সরকার ইচ্ছামতো পরিমাণে বানাতে পারে , এতে দেশের অনেক সময় মুদ্রাস্ফীতির লাগাম টেনে ধরা যায় । সেজন্য বহুলব্যবহৃত এসব কয়েনকে সরকারি মুদ্রা বলা হয়।
সহযোগীতায়ঃ
ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ মামুন উদ্দিন।
বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল)
কলঃ ০১৮৬২০৮৩২৭২
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Rangpur