28/03/2026
সতর্কতামূলক ১৫টি টিপস:
১. অপরিচিতের কাগজ বা চিঠি এড়িয়ে চলুন: অপরিচিত কারো দেওয়া কোনো ঠিকানা বা তথ্য সম্বলিত কাগজ ধরবেন না বা পড়তে যাবেন না। অপরাধীরা অনেক সময় 'স্কোপোলামিন' (শয়তানের নিঃশ্বাস) নামক রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে মানুষকে অচেতন বা নিয়ন্ত্রণ করে সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া অপরিচিতের দেওয়া কোনো খাবার বা পানীয় গ্রহণ করবেন না।
২. গণপরিবহনে সতর্কতা: লোকাল বাসে অনেক সময় অপরাধীরা গায়ের ওপর বমি করে বা ধাক্কাধাক্কি করে বিভ্রান্তি তৈরি করে মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নেয়। পাশের কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে দ্রুত সিট পরিবর্তন করুন। বাস থেকে নামার সময় তাড়াহুড়ো না করে চারপাশ খেয়াল রেখে সাবধানে নামুন।
৩. পিছু নেওয়া বা ফলো করা: যদি বুঝতে পারেন কেউ আপনাকে অনুসরণ করছে, তবে অন্তত দুবার রাস্তার দিক পরিবর্তন করে নিশ্চিত হোন। এরপরও পিছু নিলে দ্রুত জনবহুল কোনো স্থানে চলে যান এবং প্রয়োজনে সাহায্য চান।
৪. পরিচয় নিশ্চিত না হয়ে প্রবেশ নয়: বাসা বা মেসে কারো রেফারেন্স দিয়ে (মেকানিক, ইলেকট্রিশিয়ান বা আত্মীয় পরিচয়ে) কেউ ভেতরে ঢুকতে চাইলে অবশ্যই যাচাই করুন। মূল ব্যক্তির সাথে ফোনে কথা না বলে কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।এভাবেই অনেক বাসায় চুরি হয় ।
৫. ওভারব্রিজ ব্যবহারে সতর্কতা: দিনের বেলা ফুটওভারব্রিজ ব্যবহার করা নিরাপদ হলেও, রাত বা ভোরে নির্জন ওভারব্রিজ এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। বর্তমান সময়ে নির্জন ওভারব্রিজগুলো ছিনতাইকারীদের প্রধান আখড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে।
৬. শারীরিক সংকেত বুঝুন: আশেপাশে লোকজন থাকা সত্ত্বেও যদি হঠাৎ কান নিস্তব্ধ হয়ে যায় বা গা ছমছম করে, তবে সতর্ক হোন। অনেক সময় আমাদের অবচেতন মন পরিবেশের বিপদ আগে টের পায়।
৭. অন্তর্দৃষ্টি বা 'গাট ফিলিংস': কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি বারবার মনে হয় 'কিছু একটা ভুল হচ্ছে', তবে সেই অনুভূতিকে গুরুত্ব দিন। আপনার অবচেতন মন বিপদ আঁচ করতে পারলে অযথা ঝুঁকি নেবেন না।
৮. গ্যাস লিকেজ ও আগুন: রান্নাঘরে ঢুকেই দিয়াশলাই বা ইলেকট্রিক সুইচ অন করবেন না। আগে নাকে কোনো গন্ধ পাচ্ছেন কি না খেয়াল করুন। গ্যাস লিকেজ মনে হলে আগে জানালা ও দরজা খুলে দিন। মনে রাখবেন, বৈদ্যুতিক সুইচের সামান্য স্পার্ক থেকেও বড় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।
৯. প্লাস্টিক পোড়া গন্ধ: ঘর বা অফিসে কোনো কারণ ছাড়াই প্লাস্টিক পোড়া গন্ধ পেলে অবহেলা করবেন না। এটি দেয়ালের ভেতরের শর্ট-সার্কিটের সংকেত হতে পারে। দ্রুত মেইন সুইচ বন্ধ করে পরীক্ষা করুন।
১০. ত্রুটিপূর্ণ লিফট: লিফট আসার পর যদি দেখেন দরজা পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না বা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছে, তবে তাতে প্রবেশ করবেন না। এটি যান্ত্রিক বড় ত্রুটির লক্ষণ।
১১. লিফটে ওঠার সময় মনোযোগ: লিফটে ওঠার সময় মোবাইল বা অন্য কিছুতে মগ্ন থাকবেন না। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অনেক সময় লিফটের মেঝে (Floor) আসার আগেই দরজা খুলে যেতে পারে। না দেখে পা দিলে মারাত্মক দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে।
১২. লিফট ছিঁড়ে পড়লে করণীয়: যদি বুঝতে পারেন লিফটের কেবল ছিঁড়ে যাচ্ছে, তবে কোনো শক্ত ব্যাগ বা হাত দিয়ে মাথা রক্ষা করার চেষ্টা করুন এবং দ্রুত লিফটের মেঝেতে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ুন। এতে শরীরের ওপর চাপের প্রভাব কিছুটা কমে। তবে এটি অত্যন্ত বিরল ঘটনা, তাই আতঙ্কিত হবেন না।
১৩. ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা: অপরিচিত ব্যক্তি ক্রমাগত ব্যক্তিগত প্রশ্ন করলে দ্রুত সেই স্থান ত্যাগ করুন। অপরাধীরা সাধারণত আক্রমণ করার আগে তথ্য সংগ্রহ করে পরিস্থিতি যাচাই করে নেয়।
১৪. নির্জন রাস্তা পরিহার: রাতে যাতায়াতের সময় নির্জন রাস্তা এড়িয়ে চলুন। সাথে বেশি নগদ টাকা না রেখে মোবাইল ব্যাংকিং বা কার্ড ব্যবহার করা নিরাপদ। এতে আর্থিক ক্ষতি ও শারীরিক নিরাপত্তা ঝুঁকি কমে।
১৫. ভূমিকম্পে সতর্কতা: ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত হয়ে সরু সিঁড়ি দিয়ে নামতে যাবেন না। অনেক সময় মূল ভবনের চেয়ে সিঁড়ি আগে ভেঙে পড়ে। সম্ভব হলে শক্ত টেবিল বা বিমের নিচে আশ্রয় নিন অথবা খোলা জায়গায় চলে যান।
#সংগৃহীত
12/03/2026
একদা এক অলস লোকের খেজুর খাওয়ার খুব শখ হলো। কিন্তু লোকটি এতোটাই অলস যে, কষ্ট করে গাছ থেকে খেজুর পেড়ে খাওয়ার ইচ্ছে নেই।
অতঃপর, লোকটি রাস্তার পাশের একটি খেজুর গাছের নিচে শুয়ে রইলো এই আশায় যে, গাছ থেকে দু'একটি খেজুর তার মুখে পড়বে, আর সে মজা করে খাবে।
অনেক সময় শুয়ে থাকার পর গাছ থেকে একটি পাকা খেজুর এসে পড়লো ঠিক তার গোঁফের ওপরে। কিন্তু, লোকটি এতোটাই অলস যে, গোঁফ থেকে খেজুরটি নিয়ে মুখে নিয়ে খাওয়ার মতো কষ্ট করতেও নারাজ!
কী আর করা! গোঁফের ওপর খেজুর নিয়ে শুয়ে শুয়ে অপেক্ষা করতে থাকে এই আশায় যে, কোনো পথিক রাস্তা দিয়ে যাবার সময় তার গোঁফ থেকে খেজুরটি তুলে মুখে পুরে দিবে।
অতঃপর অলস লোকটি খেঁজুর খাবে!
এই ঘটনা থেকেই সৃষ্টি হলো বাগধারা - গোঁফ খেঁজুরে। যার অর্থ নিতান্তই অলস।
#সংগৃহীত
08/03/2026
#ছদ্মনাম
১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর = ভানুসিংহ ঠাকুর
২। কাজী নজরুল ইসলাম = ধূমকেতু
৩। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় = কমলাকান্ত
৪। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় = অনিলা দেবী
৫। প্রমথ চৌধুরী = বীরবল
৬। জসীমউদ্দীন = তুজম্বর আলী / জমির উদ্দিন মোল্লা
৭। মীর মশাররফ হোসেন = গাজী মিয়া
৮। কালীপ্রসন্ন সিংহ = হুতোম প্যাঁচা
৯। মাইকেল মধুসূদন দত্ত = টিমোথি পেনপোয়েম
১০। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর = কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য
১১। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় = অনিমেষ
১২। সৈয়দ মুজতবা আলী = ওমর খৈয়াম
১৩। রাজশেখর বসু = পরশুরাম
১৪। বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় = বনফুল
১৫। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় = নীললোহিত / সনাতন পাঠক
১৬। সমরেশ বসু = কালকূট / ভ্রমর
১৭। শিবরাম চক্রবর্তী = ঈশানচন্দ্র
১৮। বুদ্ধদেব বসু = ব্যাঙ্গাচি/ঐরাবত
১৯। অন্নদাশঙ্কর রায় = লীলাময় রায়
২০। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় = ডি এল রয়
২১। সুকুমার রায় = উহ্যনাম পন্ডিত
২২। বিমল ঘোষ- নটবর/ মৌমাছি
২৩। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় = ক্কচিতপ্রৌঢ়
২৪। শামসুর রহমান = মজলুম আদিব
২৫। আবদুল করিম = সাহিত্যবিশারদ
২৬। গোলাম মোস্তফা = কাব্য সুধাকর
২৭। আবুল মনসুর আহমদ = ব্যাঙ্গাচি
২৮। আবুল ফজল = শমসের উল আজাদ
২৯। কাজী আবদুল ওদুদ = শ্রী দীক্ষিত
৩০। ফররুখ আহমদ = আহমেদ আবদুল্লাহ
01/02/2026
পোস্টটি করেছিলাম ২০২২ সালে।
সরকারি কর্ম কমিশন ২০২৬ সালে এসে তার মর্যাদা রেখেছেন।
চেষ্টা করে যান। সাফল্য আসবেই।
10/01/2026
ছবি দেখে প্রবাদ বলে যান।
দেখি কার কয়টা হয়।
11/12/2025
📢 শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালার গেজেট প্রকাশ 📢
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার নতুন বিধিমালায় থাকসে না লিখিত পরীক্ষা।
19/11/2025
জেনে নিন বাদ্যযন্ত্রের তারের সংখ্যা।
অনেকেই জানতে মেসেজ করেছিলেন।
07/10/2025
✅✅ক্যাডার হতে চান?✅✅
১.ফেসবুকের এডিকশন কমান,রিলস দেখা বন্ধ করুন। প্রয়োজনে একঘন্টা ইংলিশ মুভি দেখুন।তাও ইংরেজি শিখতে কাজে দিবে।
২.পজেটিভ থাকুন।ভরসা রাখুন আল্লাহর উপর। বিশ্বাস রাখুন নিজের উপর। অসাধ্য কিছুই নেই।
৩.দুইঘন্টা ধরে পত্রিকা পড়ার অভ্যেস বন্ধ করুন। গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল ছাড়া হুদাই সাম্প্রতিকের আশায় এটা নিয়ে সময় নষ্ট করবেন না।
৪. এক সাবজেক্টের একটাই বই কিনুন। সেটাকে দাগিয়ে ভাজাভাজা করুন। এমনভাবে পড়ুন, যেন বই আপনাকে অভিশাপ দেয়।
৫.প্রশ্ন এনালাইসিস করে গুরুত্বপূর্ণ টপিক আগে পড়ুন।কম গুরুত্বপূর্ণ টপিক বাদ দিন। যেমন, সাহিত্য থেকে মুসলিম সাহিত্যিকে বেশি জোর দিবেন,জিকেতে মুক্তিযুদ্ধে কম শ্রম দিবেন, ইংরেজি গুছিয়ে পড়বেন, ম্যাথের সিলেক্টিভ অধ্যায়গুলো করবেন।
৬. বিসিএস প্রশ্নব্যাংক ভাজাভাজা করুন।এখান থেকেই ৩০% কমন পাবেন।আইমিন,মিনিমাম ৬০ নাম্বার।
৭.ম্যাথ কম পারেন? প্যারা নিয়েন না। ম্যাথের কারণে কারো ক্যাডার মিস হয় না। প্রমাণ চান? আছে।
৮. ইংরেজি পারেন না.? তবে প্যারা নেয়া উচিত। গুছিয়ে ইংরেজি পড়তে হবে। মূলত দুইটা জিনিসে ফোকাস করুন ইংরেজির। নিয়মিত ৩০মিনিট পত্রিকা পড়ুন, নিয়মিত ২০-২৫টা ভোকাবুলারি শিখুন।ব্যাস।
৯. হায় হুতাশ করবেন না। বিসিএস ধৈর্যের খেলা। চুপচাপ পড়ুন।আপনার বন্ধুর প্রাইমারি হয়ে গেছে,বান্ধবীর ব্যাংকে হয়ে গেছে,তাতে কী! আপনার ভাগ্য এখনো লিখার বাকি আছে।
১০. বিসিএসের কোন সাবজেক্টে জোর দিতে হবে,সেটা জানা জরুরি। বিশেষত জিকে,বাংলা,ইংরেজি হলো প্রিলি টিকানোর মূল জায়গা।এখানে বেশি ফোকাস করুন।
১১.বাবা-মা,মুরুব্বিদের সম্মান করুন। কারো সাথেই খারাপ ব্যবহার করবেন না। এসবের কারণে মেজাজ বিগড়ে থাকবে। মনে রাখবেন,মেজাজ খারাপ নিয়ে আর যাই হোক,পড়া মনে থাকবেনা।
১২. যেসব মানুষ ফ্রাস্টেটেড,তাদের সাথে চলবেন না।কথায় কথায় সে বুঝাবে, আপনি ভুল পথে আছেন, ভুল বই পড়ছেন,ভুল গাইডলাইন ফলো করছেন। এসবের প্রভাবে প্রিপারেশান খারাপ হবে।
১৩.মেসে উঠলে রুমমেট গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রভাবে আপনি ক্যাডারও হতে পারেন, কেরানিও হতে পারেন। টক্সিক হলে জীবন শেষ।
১৪. নিজেকে গণ্ডার বানিয়ে ফেলুন।বেকারত্ব নিয়ে যে যাই বলুক, চুপ থাকবেন। রিজিক উপর থেকে নির্ধারিত। আপনি চেষ্টা করে যান, আল্লাহ নিরাশ করবেন না। নিজের ভাগ্যকে ততদিন মেনে নিবেন না, যতদিন ভাগ্য আপনার মনের মত তৈরি না হয়।
১৫.পরিশ্রম, পরিশ্রম, পরিশ্রম, ভাগ্য= ক্যাডার। ক্যাডার হতে হলে মনে-প্রাণে আল্লাহর কাছে চাইতে হবে। সেই হিসেবে যুদ্ধ করতে হবে। এই যুদ্ধ একান্তই আপনার। আল্লাহ কোনো পরিশ্রমিকে নিরাশ করেনা, করেনি। আপনাদের জন্য শুভ কামনা। নিজের পরিচয় চেঞ্জ করুন, ভাগ্য গড়ুন।নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিন। উপরের প্রতিটা লাইন মেনে চলুন। ইনশাআল্লাহ আমরা হেরে যাব না।
(সংগৃহীত)
23/03/2025
অভিনন্দন তুন্না 🎉
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
D ইউনিটে ২৬ তম ও
B ইউনিটে ৪২৯ তম।