Giraihat Technical and Business Mnagement college.Girai,Mithapukur,Rangpur

Giraihat Technical and Business Mnagement college.Girai,Mithapukur,Rangpur

Share

Giraihat Technical and BM college.Girai,Mithapukur,Rangpur. The institute is setup of local Aria. It is establish of 12 September 2004 in Village of Girai

15/08/2025

সরাসরি ভর্তি চলছে।

10/08/2025
19/02/2024

কারিগরি ও জেনারেল শিক্ষার প্রযুক্তিগত সমন্বয় এইচ এস সি (বিএমটি)

কারিগরি শিক্ষা এবং জেনারেল শিক্ষা দুটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার ধারণা বা মানবিক বিকাশের প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। এই দুটি ধারণা পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত এবং একটি সুস্থ এবং সম্পূর্ণ শিক্ষার কাঠামো তৈরি করে।

১) কারিগরি শিক্ষা (Vocational Education): কারিগরি শিক্ষা হলো যে ধরণের শিক্ষা যার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা নির্দিষ্ট কাজে নিজেদের প্রশিক্ষণ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারে। কারিগরি শিক্ষার লক্ষ্য হলো ছাত্রছাত্রীদের কৌশল এবং প্রযুক্তি শেখানো, যা তাদেরকে সর্বোত্তম কর্মজীবনে সফলতা অর্জন করতে সাহায্য করে। o উদাহরণস্বরূপ, পানির পাম্প, বৈদ্যুতিক কাজ, কারখানা প্রযুক্তি, গাড়ি মেকানিক, পাঁচালি, মেডিকেল প্রফেশনাল, হেয়ারড্রেসিং এবং অন্যান্য পেশাগত ক্ষেত্রে কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হয়।

২) জেনারেল শিক্ষা (General Education): জেনারেল শিক্ষা হলো সাধারণত স্কুল এবং কলেজে প্রদান করা হয় যেখানে ছাত্রছাত্রীদের একটি প্রাথমিক এবং সাধারণ শিক্ষার প্রাপ্ত করা হয়। জেনারেল শিক্ষার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের প্রাথমিক ধারণা, প্রাথমিক গণিত, বাংলা ভাষা এবং ইংরেজি ভাষার জ্ঞান, বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, ইত্যাদি সাধারণ বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হয়। জেনারেল শিক্ষার লক্ষ্য হলো ছাত্রছাত্রীদের পূর্ণাঙ্গ মানব বিকাশ এবং তাদের চিন্তা পরিবর্তন করার ক্ষমতা উন্নত করা। এই দুটি ধারণার সমন্বয়ে, শিক্ষার প্রক্রিয়াতে উপস্থাপিত হয় ছাত্রছাত্রীদের সম্পূর্ণ বিকাশের একটি সমৃদ্ধ ও সার্থক মানক যা তাদেরকে সমগ্র ব্যক্তিত্ব পরিবর্তন করে। কারিগরি শিক্ষা দেশের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপায় হিসাবে প্রমাণিত হয়ে উঠেছে। এটি একটি প্রশিক্ষণ প্রদানের পদ্ধতি যা ছাত্রছাত্রীদের প্রযুক্তি এবং কাজের জন্য প্রস্তুত করে যাতে তারা কৌশল এবং দক্ষতা অর্জন করে এবং কাজে যোগ দিতে পারেন।

কারিগরি শিক্ষা অনেকগুলি সুযোগ সৃষ্টি করে, যেমন:

১) দক্ষ শ্রমিকের প্রশিক্ষণ: এটি দেশের শ্রমিক শক্তিকে দক্ষতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির সাথে নতুন প্রযুক্তি ও প্রস্তুতিকরণের সাথে সংযোগ করে।

২) উদ্যোগ ও উদ্যোগপ্রবণতা: কারিগরি শিক্ষা প্রাপ্তদের জন্য নতুন উদ্যোগের সৃষ্টির সুযোগ তৈরি করে এবং তাদের কাজের জন্য সামগ্রিক সক্ষমতা ও প্রস্তুতিতে সাহায্য করে।

৩) উন্নত প্রযুক্তি এবং প্রস্তুতিকরণ: কারিগরি শিক্ষা প্রদান করে উন্নত প্রযুক্তির এবং অবসরপ্রাপ্ত প্রস্তুতি সরঞ্জামের ব্যবহার ও তার ব্যবহারের জন্য তৈরি করে।

4. বাজারের প্রযুক্তির প্রযুক্তিগত দক্ষতা: কারিগরি শিক্ষা বাজারে বিভিন্ন প্রযুক্তির প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং আবার্যতা পরিমাপ করে যা অবশ্যই ব্যবহৃত হতে পারে। এই পদ্ধতি একটি দেশের উন্নয়নের জন্য মৌলিক অবদান রাখতে পারে কারণ এটি তৈরি করে এবং পোশাক করে দক্ষ মানুষ, যারা সরঞ্জাম, প্রযুক্তি এবং উন্নত প্রস্তুতি ব্যবহার করে অধিক উন্নতি ও উন্নত উৎপাদনশীলতা উন্নতি। এটি সাথে তাদের ব্যবসায়ের আগ্রহও উন্নতি করতে সাহায্য করে এবং বেশী বেশী আমদানি তৈরি করে। এই কারিগরি দক্ষতার উন্নয়ন এবং বৃদ্ধি মাধ্যমে, একটি দেশ তার অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হয় ।

বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি দেশের বেকারত্ব এবং প্রস্তুতি বিশেষভাবে নিয়ে যাওয়ায় সহায়ক হতে পারে। কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা সংখ্যায় কাজের সৃষ্টি করে এবং শ্রমিক শক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে সামগ্রিক দক্ষতা ও উন্নতি বৃদ্ধি করে। কারিগরি শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক সমূহ নিম্নে উল্লিখিত হতে পারে:

১) বেকারত্ব প্রতিরোধ: কারিগরি শিক্ষা মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা এবং প্রযুক্তির সম্পূর্ণ বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করা হয়, যা তাদেরকে নিরাপদ ও অন্য বিভিন্ন পেশায় চাকরির সৃষ্টির জন্য সক্ষম করে। এটি বেকারত্বের সমস্যা মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২) অর্থনৈতিক উন্নয়ন: কারিগরি শিক্ষা দ্বারা দেশের বেকারত্ব নিয়ে যাওয়া হতে পারে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। দক্ষ শ্রমিকের প্রযুক্তি এবং দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদেরকে স্বাবলম্বী উদ্যোগে জন্য সাহায্য করে।

৩) প্রযুক্তির উন্নয়ন: কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হয় সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নতুন প্রযুক্তিগত উন্নতির মাধ্যমে। এটি প্রযুক্তিগত উন্নতির উদ্ভাবন এবং ব্যবহার করার জন্য দক্ষ মানুষের সৃষ্টি করে এবং এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের উপর ভবিষ্যতের প্রভাব ফেলতে পারে। তারা দ্বারা সমাজে নিরাপদ এবং উন্নত উৎপাদনশীলতা উন্নতি হতে পারে যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে বেকারত্ব লাঘবে এইচ এস সি (বিএমটি) শিক্ষাক্রম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এবং এটি দেশের উন্নয়নে একটি প্রভাবশালী পদক্ষেপ হিসাবে গণ্য। এইচ এস সি (বিএমটি)শিক্ষাক্রম হ'ল দেশের শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ ধারণা এবং দক্ষতা উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি তাদেরকে উচ্চশিক্ষার পথে প্রবেশ করার জন্য প্রস্তুত করে এবং তাদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা করার জন্য সাহায্য করে। এইচ এস সি (বিএমটি) শিক্ষাক্রম মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যেমন প্রযুক্তি, প্রকৌশল, হিসাব ও নোটিং, সফটওয়্যার উন্নতি, প্রযুক্তি নির্মাণ এবং বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিভাগে। এই প্রশিক্ষণ সাহায্যে তারা নিজেদের জন্য অনেক উচ্চমানের পেশা পথে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়ে ওঠে। এইচ এস সি (বিএমটি) পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে সাহায্য করা হয়। তারা তাদের উচ্চশিক্ষার দায়িত্ব এবং উদ্যোগে সাহায্য করে এবং তাদের ক্যারিয়ার পথে সঠিক দিকে মার্গনির্দেশন প্রদান করে। এইচ এস সি (বিএমটি) পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নতি এবং উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ উপলব্ধি করা হয়, যা তাদেরকে আধুনিক এবং সম্মানজনক কর্মজীবনে প্রবেশ করার জন্য প্রস্তুত করে। এই উপায়ে এইচ এস সি (বিএমটি) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি কী ভূমিকা পালন করে।

20/01/2024

এইচ এস সি(বিএমটি) ১ম বর্ষ বোর্ড সমাপনী পরীক্ষা/২৩ ফল প্রকাশিত ।

02/07/2023

এখনো যারা যোগাযোগ করেননি তাদেরকে জরুরূী ভাবে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে বলা হলো।

24/12/2022

বন্ধু মিলন মেলা/২০২২

08/06/2022

জরুরী নোটিশ:
২০২২ সালের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রীদের
ফরম ফিলাপ আগামী ৯ জুন থেকে ২২ জুন পর্যন্ত চলবে।
বিস্তারিত জানার জন্য অফিসে যোগাযোগ করার জন্য বলা হলো।
অধ্যক্ষ
গিরাইহাট বিএম কলেজ।

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Rangpur
৫৪৬০