05/11/2020
Merit International School and College Profile:
মেরিট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রফাইল
স্থাপিত – ২০১৯
স্থান – বালারহাট, মিঠাপুকুর, রংপুর
কমিউনিটি:
বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের মিঠাপুকুর উপজেলার বালারহাট ইউনিয়ন একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। একই সাথে এই অঞ্চলটি বাংলাদেশের একটি উন্নয়নশীল অঞ্চল। কৃষিকাজ, ব্যবসা বানিজ্যের সাথে সাথে, শিক্ষার উন্নয়ন খুব দ্রুত গতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ অঞ্চলের জনসাধারণ শিক্ষার বিষয়ে বেশ সচেতন হয়েছে বর্তমান সময়ে। বালারহাট পৌরসভার শিক্ষার হার ৮০%। যা অবশ্যই আমাদের গর্বের। আমাদের কমিউনিটি এই অঞ্চলের শিক্ষার হার বৃদ্ধি তরান্বিত করণের লক্ষে বেশ অনেক সময় ধরে কঠোর পরিশ্রম করে আসছে। এই লক্ষ্য সাধনের জন্য বালারহাট এলাকায় আমরা “মেরিট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ” প্রতিষ্ঠা করেছি ২০১৯ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে। যদিও এ অঞ্চলে বেশ অনেক গুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। তারপরও আমরা আশাবাদি এবং বদ্ধ পরিকর যে “মেরিট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ” বালারহাট তথা রংপুর অঞ্চলের শিক্ষার হার বৃদ্ধি ও শিক্ষিত জাতি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। আমাদের স্বপ্ন শুধু মাত্র একটি অঞ্চলের শিক্ষার উন্নয়ন নয়। আমরা সমগ্র দেশের শিক্ষার উন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ্র রহমতে আমরা আমাদের লক্ষ অর্জনে বদ্ধপরিকর। সে উদ্যেশ্যে রংপুর, মিঠাপুকুর এলাকার বালারহাট এ অবস্থিত “মেরিট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ” যুগোপযোগী ও কার্যকরী শিক্ষা প্রদানে প্রতিজ্ঞা বদ্ধ।
লক্ষ্য এবং উদ্ধেশ্য:
আজকের শিশুরাই আগামি দিনের জাতি গঠনের কারিগর। সুতরাং তাদের শিক্ষা আচার আচরণ গঠন এবং সর্বোপরি একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গরে তুলতে পারলে তবেই আমাদের দেশ তথা সমগ্র জাতির সামগ্রিক উন্নতি সাধন হবে। শৈশবেই তাদেরকে এই গুনাগুণ গুলো প্রদান করতে পারলে তারা একজন আদর্শ নাগরিক, তথা আদর্শ দেশ গঠনের সৈনিক হয়ে গরে উঠবে। সেই লক্ষ্য অর্জনের উদ্যশ্যে “মেরিট স্কুল এন্ড কলেজ” প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মেরিট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ দৃঢ়তার সাথে বিশ্বাস করে, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম, কিন্তু একই সাথে আচরণগত শিক্ষা, শারীরিক ও মানুষিক যথা, শিষ্টাচার, সততা, সৌহার্দ, সহমর্মিতা, সহানুভূতি, সমানুভুতি সহ নানান আত্মিক গুনাবলির শিক্ষাও শিক্ষার্থীদের একান্ত প্রয়োজনীয়। এবং এই গুনাগুণ গুলো শিক্ষার্থীরা স্কুল কলেজ জীবনেই সবচেয়ে বেশি শিখতে পারে। যার কারণে পড়াশোনার পাশাপাশি মেরিট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ এই শিক্ষা গুলো প্রদানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। শিক্ষার মাধ্যমে উন্নত জাতি গঠনের উদ্যেশ্য সাধনের জন্য কিছু লক্ষ্য নিয়ে মেরিট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
লক্ষ্য:
প্রাথমিক ভাবে বালারহাট অঞ্চলের শিশু কিশোরদের শিক্ষা দানের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করলেও, ধীরে ধীরে দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় বিদ্যালয়ের শাখা স্থাপনের উদ্যেশ্য রয়েছে।
মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ রয়েছে মেরিট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে।
শিক্ষার্থীদের উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে মেরিট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ অবিভাবকদের শরণাপন্ন হয় এবং তাদের সন্তানদের প্রতিটি বিষয়ে অবিভাবকদের অবিহিত করে থাকে। মেরিট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ মনে করে, যা শিক্ষার্থীর উজ্বল ভবিষ্যৎ গড়ায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
কারিকুলাম:
সমগ্র শিক্ষাবর্ষটি তিনটি সেমিস্টার এ বিভক্ত। প্রতি সেমিস্টারে দুটি প্রধান পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমতি অর্ধ সাময়িক, দ্বিতীয়টি সাময়িক পরিক্ষা। তিন সেমিস্টারের গড় রেজাল্ট ই হবে একজন শিক্ষার্থীর ফাইনাল রেজাল্ট। যদি একজন শিক্ষার্থী যে কোন দুইটি সাময়িক পরিক্ষায় অকৃতকার্য হলে সে পরবর্তী শ্রেণীতে উত্তিন্নের সুযোগ পাবে না। একজন শিক্ষার্থীকে প্রতিটি সাময়িক পরিক্ষায় এবং প্রতিটি বিষয়ে আলাদা আলাদা ভাবে পাশ নম্বর অর্জন করতে হবে। প্রতিটি সেমিস্টারে আবার বেশ কিছু শ্রেণী পরিক্ষা, এসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন সহ আনুসাঙ্গিক নানা পরিক্ষা থাকবে। যা নির্ধারিত হবে বিষয় শিক্ষকের সিদ্ধান্তে। তিন সেমিস্টারের গড় রেজাল্ট (সাময়িক ও অর্ধ সাময়িক পরীক্ষা, শ্রেণী পরীক্ষা, এসাইনমেন্ট), উপস্থিতির নম্বর, আচরণ গত নম্বর এবং বাৎসরিক পারফর্মেন্স এর গড় নাম্বারের ভিত্তিতে সামগ্রিক রেজাল্ট ঘোষণা করা হবে। সুতরাং শিক্ষার্থীদের মনোযোগ, নিয়মানুবর্তিতা, বাধ্যগত হয়ে তার নৈতিক এবং শিক্ষাগত দায়িত্ব পালন করতে হবে।
গ্রেড এবং নাম্বার বিভাজন:
গ্রেডিং সিস্টেম নিম্নে উল্লেখ করা হল –
নম্বর পয়েন্ট গ্রেড
৮০ – ১০০ 5.00 A+
৭৫ – ৭৯ 4.75 A
৭০ – ৭৪ 4.50 A-
৬৫ – ৬৯ 4.25 B+
৬০ – ৬৪ 4.00 B
৫৫ – ৫৯ 3.75 B-
৫০ – ৫৪ 3.50 C+
৪৫ – ৪৯ 3.25 C
৪০ – ৪৪ 3.00 C-
৩৫ – ৩৯ 2.75 D
৩৩ – ৩৪ 2.50 D-
৩৩ এর নিচে 0.00 F
বিদ্যালয়ে অবস্থান কালে আচরণ ও উপস্থিতির জন্য ১০ নম্বর, এসাইনমেন্ট ও প্রেজেন্টেশনের জন্য ১০ নম্বর, অর্ধ সাময়িক পরীক্ষায় ৩০ নম্বর, সাময়িক পরীক্ষা ৫০ নম্বরের হবে।
যদি কোন শিক্ষার্থীকে উত্তিন্ন হতে হয় তবে অবশ্যই তাকে প্রতিটি পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়য়ে আলাদা আলাদা ভাবে নুন্যতম ৩৩ নম্বর পেতে হবে বা নুন্যতম ২.৫০ জিপিএ অর্জন করতে হবে। অন্যথায় সে অকৃতকার্য বলে গণ্য হবে।
গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ (জিপিএ):
এই জিপিএ বা গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ শুধু মাত্র পরীক্ষার রেজাল্টের উপরেই নির্ভর করে না। বিদ্যালয় ও শ্রেণী পারফর্মেন্স, শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা, বাৎসরিক খেলাধুলায় ও অন্যান্য ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ ইত্যাদিও বিশেষ ভূমিকা রাখবে। উপড়ে উল্লেখিত পয়েন্ট গুলোর শিক্ষার্থীদের ভিত্তিতে গ্রেড নির্ধারণ হবে।
বার্ষিক খেলাধুলা, পুরষ্কার বিতরণ:
প্রতিবছর বছরের শেষের দিকে বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে স্কুল কর্তিক। বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতার সাথে সাথে প্যারেড অনুষ্ঠিত হবে। এই বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতা এবং প্যারেড শিক্ষার্থীদের আরো বেশি মনযোগী ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে বলে মেরিট স্কুল এন্ড কলেজ মনে করে। তাই এই প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ সকল শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক। বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হবে।