প্রাণিবিদ্যা & Zoology

প্রাণিবিদ্যা & Zoology Bachelor of Science (B.Sc) Honours in Department of Zoology

হ্যালো তৃতীয় বর্ষ😃কী খবর আপনাদের?বিবর্তনে লিখতে লিখতে হাত ব্যাথা নাকি ঠিক আছে?আজকের প্রশ্ন তুলনামূলক সহজ হয়েছে🥰সকলের পরী...
24/04/2025

হ্যালো তৃতীয় বর্ষ😃কী খবর আপনাদের?
বিবর্তনে লিখতে লিখতে হাত ব্যাথা নাকি ঠিক আছে?
আজকের প্রশ্ন তুলনামূলক সহজ হয়েছে🥰
সকলের পরীক্ষা কেমন হলো?🤔 সাজেশন থেকে পরীক্ষায় সব কমন পড়েছিল কি?

বিষয় :বিবর্তন, প্রত্নজীব ও প্রাণীভূগোল
পরীক্ষা :২০২৩

এই ছবিতে যে পাখিটিকে দেখা যাচ্ছে, সেটি হলো ক্যাসোওয়ার (Cassowary)। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক পাখিদের একটি বলে বিবেচি...
23/04/2025

এই ছবিতে যে পাখিটিকে দেখা যাচ্ছে, সেটি হলো ক্যাসোওয়ার (Cassowary)। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক পাখিদের একটি বলে বিবেচিত হয়।

♦️ক্যাসোওয়ার (Cassowary) সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:

🔸১. বৈজ্ঞানিক পরিচয়:

বৈজ্ঞানিক নাম: Casuarius

পরিবার: Casuariidae

জাতি: সাধারণত তিনটি প্রজাতি রয়েছে—Southern Cassowary, Northern Cassowary, ও Dwarf Cassowary। ছবির পাখিটি সম্ভবত Southern Cassowary।

🔸২. আবাসস্থল:

ক্যাসোওয়ার মূলত অস্ট্রেলিয়া ও নিউ গিনি দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চলের গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনে বসবাস করে। তারা সাধারণত গভীর অরণ্যপ্রবণ এলাকায় থাকে এবং মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলে।

🔸৩. বাহ্যিক গঠন ও সৌন্দর্য:

এই পাখিটির গঠন অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক:

মাথার ওপর যে বিশাল শিংয়ের মতো গঠন দেখা যাচ্ছে, সেটিকে বলে “casque”। এটি মূলত হাড়, কেরাটিন ও ফাইবারের তৈরি একধরনের স্তর।
গলা ও মুখমণ্ডল উজ্জ্বল নীল, চোখ দুটি তীক্ষ্ণ আর হিংস্রতার ছাপযুক্ত।
গলার নিচে দেখা যায় লাল রঙের ঝুলে থাকা অংশ, যাকে বলে “wattle”।
দেহ সাধারণত কালো পালকে ঢাকা, তবে ঘাড় ও মাথার রঙ বেশ বৈচিত্র্যময় ও উজ্জ্বল।

🔸৪. আচরণ ও স্বভাব:
ক্যাসোওয়ার সাধারণত একাকী জীবনযাপন করে।
তারা খুব সহজে উত্তেজিত হয় এবং বিপদের সময় আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।
এদের পায়ের আঙুলে একটি ধারালো ৬ ইঞ্চির মতো লম্বা নখর থাকে যা দিয়ে তারা লাথি মেরে বিপদজনক ক্ষতি করতে পারে। এজন্য একে বলা হয় "The most dangerous bird in the world".

🔸৫. খাদ্যাভ্যাস:
ক্যাসোওয়ার মূলত ফলভোজী (frugivorous), তবে মাঝে মাঝে তারা পোকামাকড়, ছোট প্রাণী ও ছত্রাকও খায়।
এরা বনের ফলের বীজ ছড়িয়ে দিয়ে বন পুনরুত্থানে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

🔸৬. ক্যাসোওয়ার ও মানুষের সম্পর্ক:

◽সাধারণত ক্যাসোওয়ার মানুষ এড়িয়ে চলে, তবে মানুষ যদি তাদের খুব কাছ থেকে বিরক্ত করে, তখন তারা প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
প্রতি বছর কিছু মানুষ ক্যাসোওয়ারের আক্রমণের শিকার হয়।

🔹ক্যাসোওয়ার প্রকৃতির এক অপূর্ব সৃষ্টি—চোখধাঁধানো রঙ, শক্তিশালী দেহ, আর ভয়ংকর সৌন্দর্য সব মিলিয়ে এরা যেমন রহস্যময়, তেমনি সম্মান ও দূরত্ব বজায় রাখার মতো প্রাণী। এই পাখিটির ছবি দেখে তার চোখের দৃষ্টি যেন কেমন এক অদ্ভুত মিশ্র অনুভুতি জাগায়—রাগ, কৌতূহল, আর নিজের রাজ্য রক্ষার দৃঢ়তা।

🔗 উৎস:

Britannica

Wikipedia

-আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের অনার্স ৩য় বর্ষের পরীক্ষা।।-সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য রইলো শু...
23/04/2025

-আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের অনার্স ৩য় বর্ষের পরীক্ষা।।

-সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য রইলো শুভ কামনা।।

-আগামীকালের পরীক্ষা হলো "বির্বতন প্রত্নজীববিদ্যা ও প্রাণিভূগোল" এই বিষয়ের বেশির ভাগ প্রশ্নের উত্তর গুলো বর্ণনামূলক অনেক বড় বড় যা পুরোপুরি মুখস্থ করা অনেকটা কষ্টসাধ্য।
এক্ষেত্রে আপনারা আপনাদের পড়ার সুবিধার্থে একটা প্রশ্নের উত্তর থেকে কিছু কীওয়ার্ড সিলেক্ট করবেন যাতে করে আপনি মাঝ পথে উত্তর ভুলে গেলেও ওই কীওয়ার্ড গুলো ব্যবহার করে মানসম্মত ভাবে প্রশ্নের উত্তর টা শেষ করতে পারেন।।

-আর এই পরীক্ষায় প্রশ্নের উত্তর বড় দেখে পরীক্ষার হলে প্রশ্নের উত্তর বড় করতে গিয়ে সবাই যুক্তিসঙ্গত কথার থেকে অপ্রাসঙ্গিক কথাই বেশি লেখে যেটা একদমই ভুল একটা কাজ এতে খাতার সৌন্দর্য নষ্ট হয়।।
-মনে রাখবেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের বিষয়গুলোর মার্ক পৃষ্ঠার সংখ্যার উপর নির্ভর করে না। আপনার প্রশ্নের উত্তর সম্পন্ন করতে যতটুকু দরকার ততটুকুই লিখবেন বেশি লেখার দরকার নাই।।

-অবশ্যই ক বিভাগ ও খ বিভাগের প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে দেওয়ার চেষ্টা করবেন
-প্রশ্নের উত্তর গুলো ধারাবাহিক ভাবে লেখার চেষ্টা করবেন.......
-প্রাণির বৈজ্ঞানিক নাম ও বিভিন্ন বিজ্ঞানীদের নামের বানানে নজর রাখবেন।।

অতঃপর ZOOLOGY - প্রাণিবিদ্যা পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সকলের জন্য....

আজকের ANIMAL DIVERSITY-II পরীক্ষা-র প্রশ্নপত্র। কেমন হলো পরীক্ষা? কমেন্ট বক্সে জানান।ZOOLOGY - প্রাণিবিদ্যা কর্তৃক প্রকা...
06/01/2025

আজকের ANIMAL DIVERSITY-II পরীক্ষা-র প্রশ্নপত্র।

কেমন হলো পরীক্ষা? কমেন্ট বক্সে জানান।

ZOOLOGY - প্রাণিবিদ্যা কর্তৃক প্রকাশিত সাজেশন থেকে কেমন কমন এসেছে তা-ও জানান।

প্রাণিবিদ্যা বিভাগ।  Gaibandha Govt.University College, Gaibandha,ক্যাম্পাস
18/12/2024

প্রাণিবিদ্যা বিভাগ। Gaibandha Govt.University College, Gaibandha,ক্যাম্পাস

18/12/2024
বলেন.. বলেন...
18/12/2024

বলেন.. বলেন...

🛑 আগামী ২১ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে অনার্স প্রথম বর্ষ (শিক্ষাবর্ষ: ২০২২-২৩) এর পরীক্ষা।🛑 অনেকেই পরীক্ষার হলের টাইম ম...
14/10/2024

🛑 আগামী ২১ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে অনার্স প্রথম বর্ষ
(শিক্ষাবর্ষ: ২০২২-২৩) এর পরীক্ষা।

🛑 অনেকেই পরীক্ষার হলের টাইম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে চিন্তিত!

🛑 অনার্স প্রথম বর্ষের সকল পরীক্ষা ৪ ঘন্টা সময়ব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে। উত্তর করতে হয় তিনটি বিভাগের (ক,খ,গ) প্রশ্ন।

”ক” বিভাগের ১০ টি প্রশ্ন।
”খ” বিভাগের ৫ টি প্রশ্ন।
”গ” বিভাগের ৫ টি প্রশ্ন।

🛑 ক-বিভাগের প্রশ্ন (ক-ঠ) পর্যন্ত ১২ টি প্রশ্ন সিরিয়ালে নম্বর গুলো দিয়ে যে কতটি প্রশ্ন লিখবেন সেগুলো লিখে বাকি নম্বরগুলো এতটানে কেটে দিবেন। তাহলে প্রশ্নগুলো সিরিয়ালি থাকবে।

🛑 ক,খ,গ/ ক,গ,খ বিভাগ যেটাই লিখেন অবশ্যই একটি বিভাগের সকল প্রশ্ন শেষ করে পরবর্তী বিভাগে যাবেন ।

⏰ প্রতিটি বিভাগের প্রতিটি প্রশ্নের জন্য কিভাবে সময় ভাগ করে নিতে পারেন সেটি নিচে ছবির মাধ্যমে তুলে ধরা হলো।

-প্রাণিবিদ্যা

 #আসসালামু_আলাইকুম 📖একাডেমিক আলোচনা   #অনার্স_২ম_বর্ষ(শিক্ষাবর্ষঃ২০২১-২২) #বিষয়ঃ_প্রাণিবিদ্যা-২ঃ কর্ডাটা  #অধ্যায়-১২ : শ...
01/10/2024

#আসসালামু_আলাইকুম
📖একাডেমিক আলোচনা


#অনার্স_২ম_বর্ষ(শিক্ষাবর্ষঃ২০২১-২২)
#বিষয়ঃ_প্রাণিবিদ্যা-২ঃ কর্ডাটা
#অধ্যায়-১২ : শ্রেণি : Aves
আজকের পাঠে আমরা জানবো প্রতীক প্রাণী Columba livia (কবুতর) সম্পর্কে -

যেসব পাখির ডানা উন্নত ও উন্নত ধরনের বায়ুথলি বিদ্যমান, অস্থিগুলো নিউমাটিক এবং সহজে আকাশে উড়তে পারে তাদেরকে উড্ডয়নক্ষম পাখি (flying bird) বলা হয়।
এদের খাদ্যাভ্যাস, স্বভাব, বাসস্থান ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়।

প্রতীক প্রাণী: Columba livia (কবুতর)।

মূলত পায়রা বা কবুতর নাম (Columba livia) বেশি পরিচিত। ইংরেজিতে একে pigeon বলা হয়। কবুতরকে প্রায় সর্বত্র দেখা যায়। অর্থাৎ এরা বিশ্বব্যাপী বিস্তার লাভ করেছে। এরা ক্ষতিকর নয়। সুবিধামতো আকারের ও সর্বত্র সহজে পাওয়া যায়। তাই এদের প্রাণিবিদ্যা পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শ্রেণিবিন্যাস (Classification) :

Phylum-Chordata

Subphylam-Vertebrata

Class-Aves

Sub-Class-Neornithes

Super Order-Neagnathae

Order-Columbiformes

Sub-Order-Columbae

Family-Columbidae

Cenus-Columba

Species- C. livia var. domestica

স্বভাব ও বাসস্থান (Habit and habitat): কবুতর (Columba livia var domistica) মূলত একটি গৃহপালিত পাখি। এদের সর্বত্র দেখা যায়। কবুতরকে মানুষ কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে পরিবর্তিত করে নানা জাতের গৃহপালিত ভ্যারাইটি উৎপন্ন করেছে। এদেশে প্রায় ৪০ রকমের গৃহপালিত কবুতর দেখা যায়। বন্যনীলা পাহাড়ি কবুতর বা জালালী কবুতর মূলত গৃহপালিত কবুতরের পূর্বপুরুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বন্য কবুতর পাথরের ফাটল, গর্তের কিনারে, কেল্লাতে, ভাঙা ও পুরাতন দালান কোঠা, ভাঙা মন্দির ইত্যাদি জায়গায় বাস করে, এছাড়া এদের মানুষের বাসায় ঝুলিয়ে দেয়া কৃত্রিম বাসায় বাস করতে দেখা যায়। এদেরকে বিভিন্ন শহরে অনেক সংখ্যক দেখা যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দালানে এদের বাস করতে দেখা যায়। কবুতর স্বভাবে নিরীহ প্রাণী। তারা সকালে খাদ্যের খোঁজে বের হয় ও সন্ধায় নীড়ে ফেরে। এরা অনাক্রমণকারী ও অক্ষতিকর প্রাণী এবং দেখতে সুন্দর ও আকর্ষণীয়, তাই একে শান্তির প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। এরা ঝাক বেঁধে ওড়ে ও রাতের বেলা সমবেতভাবে অবস্থান করে। এরা পোষ মানে পোষা কবুতরকে ডিগবাজি খেয়ে আকাশে উড়তে দেখা যায়। পোষা কবুতর অপরিচিত জায়গায় ছেড়ে দিলেও এরা নিজ গৃহস্থের বাড়িতে পৌছে যায়।

প্রাকৃতিক ইতিহাস (Natural history): কবুতর এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকায় ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে। প্যালেস্টাইনে যথেষ্ট কুবতর দেখা যায়। হিমালয় পর্বতের ১৩০০ ফুট উপরের শৈল ধাপে Columba livia neglecta উপপ্রজাতি দেখা যায়। বাংলাদেশে ছোট ও অধিক গাঢ় বর্ণের প্রজাতি Columba livia intermedia দেখা যায়। এ প্রজাতিটি ভারতেও ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে।

কবুতরের প্রকারভেদ (Types of pigeon): পৃথিবীতে প্রায় ৫০০ এর অধিক প্রজাতির কবুতর বিদ্যমান। এদের মধ্যে বন্য ও গৃহপালিত দু'ধরনের কবুতর রয়েছে। সাধারণত বন্য কবুতরকে পাথুরে ঘুঘু বলা হয়। এরা অর্ধগৃহপালিত কবুতর নামেও পরিচিত। এছাড়া সম্পূর্ণভাবে গৃহপালিত কবুতরের মধ্যে লোটন, সিরাজি, গিরাবাজ, পোটার, মুখি, লাক্কা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। কৃত্রিম পদ্ধতিতে এগুলো বন্য কবুতর থেকে উৎপন্ন করা হয়েছে।

খাদ্য ও খাদ্যাভ্যাস (Food and feeding habit): কবুতর মূলত উদ্ভিদভোজী প্রাণী। তবে কখনো কখনো এরা পোকা মাকড় ও শামুক খায়। এরা সাধারণত সকালে ঝাঁক বেধে খাদ্য গ্রহণের জন্য মাঠে যায় ও খাদ্য গ্রহণ করে।

শব্দ (Sound): কবুতর গান গাইতে পারে না। এরা সাধারণত কু শব্দ উৎপাদন করে তবে কখনও বাঁশির হুইসেলের মতো গুটরগুণ-গুটরগুণ বা বাকবাকুম ইত্যাদি শব্দ তৈরি করতে দেখা যায়।

চলন (Locomotion): কবুতরের দীর্ঘ ডানা বেশ শক্তিশালী; এদের ডানার পালকগুলো উড়বার জন্য অভিযোজিত। এদের পশ্চাৎ পা জোড়া বেশ খাটো। খাদ্যের সন্ধানে এরা মাটিতে হেঁটে বেড়ায়। কোনো ধরনের শব্দ শুনলে বা ভয় পেলে এরা মাটিতে ডানার আঘাত করে উড়ে যায়। পোষা কবুতর প্রায় ৫৮-৬০ মাইল বেগে উড়তে পারে। মূলত পেক্টোরালিস মেজর ও পেক্টোরালিস মাইনর পেশি কবুতরকে উড়তে সাহায্য করে।

প্রজনন (Reproduction): কবুতরের সারা বছর প্রজনন হয়। পুরুষ ও স্ত্রী কবুতর জোড়া বেঁধে বসবাস করে। এরা পরস্পর অত্যন্ত প্রিয় এবং সর্বদা একসাথে থাকে। সঙ্গমের পূর্বে এদের পূর্বরাগ দেখা যায়। যৌন মিলনকালে পুরুষ কবুতর স্ত্রী কবুতরের পিঠে চড়ে। এদের কোনো সঙ্গম অঙ্গ নেই। এরা সঙ্গমকালে তাদের অবসারণী পরস্পরকে স্পর্শ করে। এর ফলে শুক্রাণু স্ত্রী পাখির ইউরোডিয়ামে দ্রুত ও সরাসরি প্রবেশ করে। অতপর শুক্রাণু দ্বারা ডিম নিষিক্ত হয়। এদের প্রজনন দ্রুত হয়। বাচ্চা উড়তে শেখার সাথে সাথে স্ত্রী কবুতর আবার ডিম পাড়ে।

বাসা (Nest): কবুতর বাসা বানানোর জন্য খুব বেশি মনোযোগ দেয় না। খালি পাথর বা অনুরূপ স্থানে ডিম পাড়ে। অনেক লৌন্দর্যহীন ছোট কাঠি, শেকড়, ইত্যাদি দিয়ে সাদামাটা ধরনের বাসা নির্মাণ করে। সূর্যের আলো ও বৃষ্টির পানি পড়ে না এমন স্থানে কবুতর বাসা বানায়। এদেরকে গাছের ডালে বাসা বানাতে দেখা যায় না।

ডিমে তা দেয়া (Incubation): একটি স্ত্রী কবুতর সাধারণত ২টি ডিম পাড়ে। এদের ডিম প্রায় ২.৫ সে.মি. লম্বা ও ২ সে.মি. প্রশস্ত হয়ে থাকে। পুরুষ ও স্ত্রী কবুতর নিয়মিত পালাক্রমে ডিমে তা দেয়। এরা মূলত এদের দেহের তাপ দিয়ে ডিমে তা দেয়। ১৫ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়।

অপত্য লালন (Parental care): ডিম থেকে অসহায়, অন্ধ ও পালকবিহীন নবজাতক বেরিয়ে আসে। পূর্ণাঙ্গ হওয়া পর্যন্ত পিতা ও মাতা এদের লালন-পালন করে। চর্বির মতো দৈ-এর ন্যায় এক ধরনের পদার্থ কবুতর তাদের ক্রপ (crop) থেকে ক্ষরণ করে। এই ক্ষরিত পদার্থ কবুতরের দুধ নামে পরিচিত। মূলত কবুতরের দুধ ত্রুপের প্রচীরের দুগ্ধ গ্রন্থি থেকে উৎপন্ন হয়। কবুতর নিয়মিত তাদের বাচ্চাকে দুগ্ধ খাওয়ায়। এদের বাচ্চা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এসময় এদের ডানায় কন্ট্যুর পালক গজায়।

প্রাকৃতিক শত্রু (Natural enemies): এরা মাংসাশী প্রাণী দ্বারা আক্রান্ত হয়। বিড়াল, শিয়াল, খাটাস, কাক, পেঁচা, মাংস ভক্ষণের লোভে আক্রমণ করে। এছাড়া মানুষ মাংসের জন্য কবুতর শিকার করে। এছাড়া এদের ডিম মানুষ খায়। বিভিন্ন পরজীবী, ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস দ্বারা কবুতর আক্রান্ত হয়।

বাসা চেনা (Homing Behaviour): কবুতরকে বাসে বা ট্রেনে নিয়ে বহু দূরে ছেড়ে দেয়া যায় তবুও এরা পূর্বের আবাসে নির্ভুলভাবে ফিরে আসতে পারে। এরা মাইগ্রেটরি পাখির মতো দিক নির্ণয় করতে সক্ষম। প্রাচীনকালে যুদ্ধক্ষেত্রে বা অন্য কোনো স্থানে চিঠি আদান প্রদানের জন্য কবুতর ব্যবহার হতো।

🖊️মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির।
( প্রাণিবিদ্যা বিভাগ)
গাইবান্ধা সরকারি কলেজ, গাইবান্ধা ।

🖋️ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন

Address

Rangpur

Telephone

+8801756873965

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রাণিবিদ্যা & Zoology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category