09/01/2024
পর্ব-০১
নতুন কারিকুলামের মৌলিক কিছু বিষয়:
১/ শেখন হবে অভিজ্ঞতায়, মূল্যায়ন হবে যোগ্যতায়।
২/ যোগ্যতা হল- কোনো বিষয়ে জ্ঞান, দক্ষতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ অর্জন।
৩/ প্রত্যেক বিষয় একাধিক যোগ্যতায় বিভক্ত। প্রত্যেক যোগ্যতা "একক যোগ্যতা" হিসাবে বিবেচ্য।
৪/ একক যোগ্যতা অর্জিত হবে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে, এক বা একাধিক অভিজ্ঞতার থাকবে এক বা একাধিক পারদর্শিতার নির্দেশক (PI)।
৫/ PI হচ্ছে স্পষ্ট, পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নযোগ্য নির্দেশক।
৬/ পারদর্শিতার নির্দেশকসমূহ (PI) মূল্যায়নের সূচক হিসাবে কাজ করবে।
৭/ প্রত্যেক যোগ্যতা/অধ্যায়/অভিজ্ঞতার জন্য নির্ধারিত PI রয়েছে যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়।
৮/ মূল্যায়নের ৩টি পর্যায়- ত্রিভুজ, বৃত্ত ও আয়ত। পারদর্শিতার নির্দেশক(PI) অনুযায়ী প্রত্যেক পর্যায়ের নির্ধারিত ব্যাখ্যা রয়েছে। শিক্ষক পর্যায়ের ব্যাখ্যা দেখে শিক্ষার্থীদের মান নির্ধারণ করবেন; যাকে পারদর্শিতার মানদণ্ড (PS) বলা হচ্ছে।
৯/ পরিচালিত হবে শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক ও আনন্দদায়ক শিখন-শেখানো কার্যক্রম।
১০/ নতুন কারিকুলামে সন্নিবেশ ঘটেছে যুগোপযোগী বিষয়বস্তু, শিখন-শেখানোর কৌশল, আধুনিক মূল্যায়ন পদ্ধতি।
লেখা: সাজিব চৌধুরী
সিনিয়র শিক্ষক, বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ বিদ্যালয়।
উপজেলা শিক্ষক প্রশিক্ষক (বাংলা: ৬ষ্ঠ-৯ম)
শিক্ষা থানা- বায়েজিদ বোস্তামী, বন্দর, পতেঙ্গা অঞ্চল, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।