Medi Aspirants

Medi Aspirants

Share

A helping hand for medical Aspirant's.

Photos from Medi Aspirants's post 24/12/2025

রংপুর মেডিকেল কলেজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

06/10/2025

সার্কাস 😒

31/08/2025

আজমল স্যারের বইয়ের পরিবর্তন -

১। বাঘ উঠে দাঁড়িয়েছে,
২। পুরুষের মূত্রনালীর দৈর্ঘ্য বেড়েছে,
৩। রক্ত সারাদেহে গিয়ে আবার হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসার সময় বেড়ে হয়েছে ৬০ সেকেন্ড,
৪। লোহিত কণিকার সংখ্যা কমে গেছে,
৫। মায়ের পেটে থাকা বাচ্চারও ১-২ সপ্তাহ আগে অর্থাৎ ২০-২২ সপ্তাহে সারফেকট্যান্ট ক্ষরণ শুরু হচ্ছে,
৬। এদিকে হাইড্রার বাচ্চা আগে ভাগেই তৈরি হচ্ছে (মুকুলোদগম ৪-৭ দিন)
৭। সবচেয়ে দু:খজনক, ভোকাল কর্ড ৬ টা থেকে ২ কমিয়ে ৪ টি লিখেছে। আশা করি সামনের বছর আরও ২ টা কমিয়ে ২ করবে। কারণ ২ টা ভোকাল কর্ড এটাই সঠিক।

আরও কিছু পেলে জানাইয়েন....

সবই উত্তেজিত ২৭ ব্যাচ ইফেক্ট
©

05/08/2025

নতুন জীবন পাওয়া...
এই রোগীকে সাপে কামড় দেয়। এরপর রোগী নীলফামারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হোন। রোগীর শরীরে বিষক্রিয়া হয়ে যায়। চিকিৎসকরা দ্রুত যা যা করণীয় করেন। এরপর রোগীর শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। তখন নীলফামারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ মতিন ভাই রোগীর শ্বাসনালীতে টিউব দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং দ্রুত টিউব দেয়া হয়। কিন্তু নীলফামারীতে আইসিইউ নেই তাই AMBU (বেলুনের মত একটা বস্তু) দিয়ে একজন মানুষ পাম্প করে উনাকে শ্বাসপ্রশ্বাস দিয়ে রংপুরে নিয়ে আসে।

এই রোগীকে রংপুরের উদ্দেশ্য রওনা করে দিয়ে সর্প ম্যানেজমেন্ট গ্রুপে মেসেজ দেন ডাঃ মতিন ভাই। এরপর আমাদের পরম শ্রদ্ধেয়, বাংলাদেশের প্রতিথযশা চিকিৎসা বিজ্ঞানী অধ্যাপক এম এ ফয়েজ স্যার আমাদের সবাইকে প্রস্তুতি নিতে বলেন। দ্রুত আইসিইউ ম্যানেজ হয়।
রোগীকে অতি দ্রুত ভেন্টিলেটর মেশিনে দেয়া হয়। রাতে মেডিসিন বিভাগের প্রধান মোকলেস স্যার জানান রোগীর অবস্থা ভালো না। অব্জারভ করে তারপর হয়ত ডেথ ডিকলার করতে হবে। এরপর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগ ও আইসিইউ এর চিকিৎসক, নার্স সবার প্রচেষ্ঠায় রোগী সুস্থ হয়ে উঠেন।

আমি জানি এমন সফলতার কাহিনী আমাদের দেশের কোন মিডিয়া প্রচার করবে না। কারন সফলতার গল্প কোন নিউজ না, ভালো খবর কোন নিউজ না। যাহোক, এই পোস্টের মাধ্যমে নীলফামারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্টাফ এবং রংপুর মেডিকেল কলেজের সকল চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্টাফের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

সবার কাছে অনুরোধ সাপে দংশন করলে অবশ্যই হাঁসপাতালে নিয়ে আসবেন। আমাদের দেশের অধিকাংশ সাপ অবিষাক্ত, কিন্তু যদি কাউকে বিষাক্ত সাপে কামড় দেয় এবং তার শরীরে বিষক্রিয়া হয় তাহলে তাকে আধুনিক চিকিৎসা না দিলে মৃত্যু অনিবার্য।

অধ্যাপক এম এ ফয়েজ স্যার আমাদের দেশের সর্প দংশন চিকিৎসা ব্যবস্থার পরিবর্তন করে দিয়েছেন। এখন আমাদের দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সর্প দংশনের চিকিৎসা দেয়া হয়।

Source : Platform

©ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

(অনুমতিক্রমে ছবি নেয়া)

02/08/2025

শিশুদের প্রাণ রক্ষায় বাংলাদেশি ডাক্তারের অন্যবদ্য আবিষ্কার! বিশ্বের শীর্ষ গণমাধ্যমসমূহের শিরোনাম হওয়া এই ডাক্তার সম্পর্কে জানেন কি?

বিশ্বে প্রতি বছর ৯ লক্ষ ২০ হাজার শিশু [মা]রা যায় নিউমোনিয়ার কারণে যাদের বেশিরভাগই দক্ষিণ এশিয়া এবং সাব সাহারান আফ্রিকায় মারা যায়। বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়েরিয়াল ডিজিস রিসার্চ সেন্টারে (icddr.b), সিনিয়র সায়েন্টিস্ট হিসেবে নিয়োজিত ডা. মোহাম্মদ জোবায়ের চিশতি এই নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য একটি স্বল্প খরচের ডিভাইস উদ্ভাবন করেন যা বাঁচাতে পারে লক্ষ লক্ষ শিশুর মূল্যবান প্রাণ।

নিউমোনিয়া মূলত হয়ে থাকে স্ট্রেপটোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া অথবা রেসপিরাটরি সিনসাইটিকাল ভাইরাসের মতো অণুজীবের কারণে এবং এই রোগটি সরাসরি ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। এই রোগের ফলে শরীরের অভ্যন্তরে ফুসফুস ফুলে যায় এবং ফুসফুসে তরল জমে যার কারণে ফুসফুস অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না। ভেন্টিলেটরের সাহায্যে শিশুদের শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করা সম্ভব কিন্তু, তা অনেক ব্যয়বহুল। ফলে দক্ষিণ এশিয়া বিশেষত বাংলাদেশের মতো দেশে নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুদের [মৃ]ত্যুর হার কমানো অনেক চ্যালেঞ্জিং।

এই একই রকম চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিলেন ডা. চিশতী৷ ১৯৯৬ সালে তিনি ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন সিলেট মেডিকেল কলেজে৷ সেখানে প্রথম রাতেই তাকে মোকাবিলা করতে হয় অন্তত দুর্বিসহ পরিস্থিতির। একের পর এক নিউমোনিয়ার রোগী আসতে থাকে। সেদিন রাতে প্রায় ১৫-২০টি শিশুকে নিয়ে আসা হয় যার মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক। তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও তাদের মধ্যে ৩ জন শিশুকে বাঁচাতে পারেননি। সেদিনই তিনি ঠিক করেন এই পরিস্থিতি তিনি বদলাবেন৷ রিসোর্সের অভাবে যেন আর কোনো শিশুকে [ম]রতে না হয়৷

ডাক্তার জোবায়ের চিশতি অস্ট্রেলিয়ায় কাজ করার সময় কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রশার এর মাধ্যমে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ফুসফুসকে কার্যক্ষম রাখার পদ্ধতি দেখেন কিন্তু তা ছিলো অনেক ব্যয়বহুল। দেশে ফিরে তিনি আইসিডিডিআরবি তে যোগ দিয়ে একটি স্বল্পমূল্যের ডিভাইস বানানোর কাজে লেগে যান যাতে করে নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুরা বাঁচতে পারে। তিনি একটি পরিত্যক্ত শ্যাম্পুর প্লাস্টিক বোতল নিয়ে তাতে পানি ভরেন এবং প্লাস্টিক সাপ্লাই টিউবের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যের একটি ডিভাইস তৈরি করেন যা নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের হাতিয়ার হতে পারে। দুই বছরের গবেষণার পর তিনি ল্যানসেটে গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। তার এই আবিষ্কার বেশ কার্যকরী৷ হাসপাতালগুলোতে নিউমোনিয়ায় শিশু মৃত্যুহার তিনি ৭৫% পর্যন্ত কমিয়ে আনতে সক্ষম হন। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে দামী ভেন্টিলেটরের দাম যেখানে প্রায় ৮-১৫ লক্ষ টাকার মত, সেখানে প্লাস্টিকের এই যন্ত্র তৈরি করতে খরচ হয় মাত্র ২০০ টাকার মত!

২০১৭ সালে তার এই আবিষ্কার বিশ্বে চমক সৃষ্টি করে।

পাশাপাশি ২০১৫ সালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত নিউমোনিয়ায় ইনোভেশন সামিটে 'মোস্ট প্রমিজিং চাইল্ডহুড নিউমোনিয়া ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে তার এই আবিষ্কারটি৷ ডাক্তার জোবায়ের চিশতি তার এই ডিভাইস দিয়ে কো[ভি]ড-[১৯] এর রোগীদেরও প্রাণ রক্ষা করতে কাজ করেছেন বাংলাদেশ সরকারের সাথে।

কীভাবে কাজ করে এই যন্ত্র:

নিউমোনিয়া হলে শিশুদের অক্সিজেন দিতে হয়। তখন অক্সিজেন সিলিন্ডারের নলের সঙ্গে প্লাস্টিকের পানির বোতলের নলের একটি অংশ সংযুক্ত করা হয়। যখন শিশুটি শ্বাস নেয় তখন ওই নলের মাধ্যমে পানির বোতলে বুদবুদ তৈরি হয়। এতে বোতলের মধ্যে একটি চাপ তৈরি হয়। যা ফুসফুসকে সচল রাখতে সাহায্য করে, ফুসফুস চুপসে যেতে বাধা দেয় এবং নিঃশ্বাসের সঙ্গে অক্সিজেন নেওয়া সহজ করে।

ডাক্তার জোবায়ের চিশতির এই আবিষ্কার সারা বিশ্বের দরিদ্র্য মানুষের কাছে এক আশীর্বাদস্বরূপ। বিশ্বব্যাপী শিশুদের প্রাণ বাঁচানো এই যুগান্তকারী আবিষ্কার আমাদের গর্বের এক উৎস।

©️Tawfique Hasan

Photos from Medi Aspirants's post 15/06/2025

🎉 Presenting the stunning new auditorium of RpMC!
How would you rate it on a scale of 1 to 10? Drop your ratings below! 🔽

13/06/2025

📚 HSC পরীক্ষা মাত্র ১৩ দিন পর — Medi Aspirant-এর পক্ষ থেকে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি গাইডলাইন!

শেষ সময়ে গুছিয়ে পড়াশোনাই সাফল্যের চাবিকাঠি। নিচের গাইডলাইন অনুসরণ করলে এই সময়টাকে কাজে লাগানো সম্ভব:

✅ ১. রিভিশনকে অগ্রাধিকার দিন

•নতুন কিছু না পড়ে, যা পড়া আছে তা বারবার রিভিশন করুন।

•প্রতি সাবজেক্টের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো ঝালিয়ে নিন।

✅ ২. সময়ভিত্তিক রুটিন বানান

•প্রতিদিনের পড়ার জন্য সময় ভাগ করে নিন (যেমন সকাল-দুপুর-বিকেল)।

•দৈনিক অন্তত ১০-১২ ঘণ্টা ফোকাসড পড়াশোনা করুন।

✅ ৩. বিগত বছরের প্রশ্ন অনুশীলন করুন

•গত ৫ বছরের বোর্ড প্রশ্নগুলো সময় বেঁধে দিন ধরে অনুশীলন করুন।

•প্রশ্নের ধরন বুঝে উত্তর দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

✅ ৪. সংক্ষিপ্ত নোট ব্যবহার করুন

•সংক্ষিপ্ত সাজেশন বা নিজের লেখা নোট থেকে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।

•বিশেষ করে গাণিতিক বিষয়, তারিখ ও ঘটনাবলি সংক্ষেপে পড়ুন।

✅ ৫. MCQ ও CQ-তে ভারসাম্য বজায় রাখুন

•প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় MCQ প্র্যাকটিস করুন।

•CQ উত্তর লেখার অভ্যাস বজায় রাখুন—হাতে লিখে।

✅ ৬. দৈহিক ও মানসিক যত্ন নিন

•ঘুম কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা নিশ্চিত করুন।

•হালকা খাবার খান এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

•মাঝে মাঝে ছোট বিরতি নিন মানসিক ক্লান্তি কাটাতে।

✅ ৭. আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন

•নিজেকে ছোট মনে করবেন না—আপনি পারবেন।

•ভয় নয়, বিশ্বাস আর পরিশ্রমই শেষ হাসি হাসাবে।

---

🎯 Medi Aspirant সবসময় তোমার পাশে — পড়তে থাকো, বিশ্বাস রাখো, সাফল্য আসবেই!

✍️ শেয়ার করে দাও বন্ধুর সাথে, একসাথে তৈরি হই পরীক্ষার জন্য!

12/06/2025

এই প্রথম এমন ভয়াবহ রকমের ক্র‍্যাশের শিকার হলো কোনো বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার। ১৪ বছর আগে এ মডেলের প্রোডাকশন শুরু হওয়ার পর থেকে এমন দেখা যায়নি। ভিডিও দেখে মনে হচ্ছে উভয় ইঞ্জিনই বিকল হয়ে পড়ে। পাইলট দক্ষ হলেও এখানে আত্মসমর্পণ ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না।

এয়ার ইন্ডিয়ার AI171 ফ্লাইটটি যাত্রা করে আহমেদাবাদ থেকে, গন্তব্য ছিল লন্ডন। ২ জন পাইলট ও ১০ জন ক্রুসহ মোট ২৪২ জন ছিলেন প্লেনে। কিন্তু উড্ডয়নের ৫ মিনিটের মাথায় এয়ারপোর্টের কাছের আবাসিক এলাকায় ক্র‍্যাশ করলো বিমানটি। পাইলট এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলে (এটিসি) মে-ডে কল করেছিলেন, কিন্তু এরপরই সব নিস্তব্ধ হয়ে যায়। এটিসি থেকে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। এরপর বিমান বিদ্ধস্ত হয়।

অন্যদিকের অবস্থাও নাকি ভয়াবহ। বিমানটি আছড়ে পড়ে মেডিকাল কলেজের এমবিবিএস-পড়ুয়াদের একটি হোস্টেলে। (ছবিগুলো কমেন্টে) ওখানে ৫০ জন মারা গেছেন বলে আশংকা, ১৫ জন ডাক্তার আহত।

বিমানটির পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়াল। তিনি পাইলটদের প্রশিক্ষকও ছিলেন। ছিল ৮২০০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা। আর কোপাইলট ক্লাইভ কুন্দারের ছিল ১১০০ ঘণ্টার।

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Radhaballav
Rangpur