✔ বিভিন্ন প্রাণীর ডাক এক কথায় প্রকাশ ✔
✅ ময়ূরের ডাক - কেকা
✅ হাতির ডাক - বৃংহিত
✅ ঘোড়ার ডাক - হ্রেষা
✅ রাজহাঁসের ডাক - ক্রেংকার
✅ কোকিলের ডাক - কুহু
✅ কুকুরের ডাক - বুক্কন
✅ সিংহের ডাক - নাদ/হুঙ্কার
✅ পাখির ডাক - কূজন
(কুজন - মন্দ লোক)
✅ বাঘের ডাক - গর্জন/হালুম
✅ ভ্রমরের ডাক - গুঞ্জন
✅ মোরগের ডাক - কোক্কুরুৎ
✅ গরুর ডাক - হাম্বা
✅ গাধার ডাক - রাসভ
Dream BCS Cadre
I am a students.I love you allah��
✅ শ্রেষ্ঠ কবি - শবরপা (শহীদুল্লাহ)
✍️ শ্রেষ্ঠ কবি - লুইপা (হরপ্রসাদ শাস্ত্রী)
✍️ শ্রেষ্ঠ কবি - কাহ্নপা (ড. ওয়াকিল আহমদ)
✅ আদি কবি/১ নং পদ রচয়িতা - লুইপা (হরপ্রসাদ শাস্ত্রীসহ অধিকাংশের মতে)
✍️ আদি কবি - শবরপা (ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ)
✅ শেষ কবি - সরহপা (অধিকাংশ)
✍️ শেষ কবি - ভুসুকুপা (শহীদুল্লাহ)
✅ সর্বাধিক পদ রচয়িতা/ধর্ম ও সংগীত শাস্ত্রে দক্ষ - কাহ্নপা (১৩ টি পদ)
✅ পদ রচনায় ২য় সর্বাধিক/বাঙালি কবি - ভুসুকুপা (৮ টি পদ)
✅ মহিলা কবি - কুক্কুরীপা
✅ ১ টি পদের উল্লেখ আছে তবে পদটি নেই - লাড়ীডোম্বীপা
বি:দ্র: (এতে অনেক মনীষীর ভিন্ন ভিন্ন মত থাকায় কমেন্টটি এডিট করে তথ্য আপডেট করা হচ্ছে)
✅ প্রথম মহিলা কবি - চন্দ্রাবতী
✅ শ্রেষ্ঠ মহিলা কবি - সুফিয়া কামাল
✅ মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত / নারী জাগরণের অগ্রদূত - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
✅ মুসলিম নারী জাগরণের (কবি) - শামসুন্নাহার মাহমুদ
✅ প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক - স্বর্ণকুমারী দেবী
#২৬০টি কম্পিউটার বিষয়ক প্রশ্ন উত্তর সহ (যে কোন প্রিলি পরীক্ষার জন্য)-
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি
১) তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক – ডেটা
২) ডেটা শব্দের অর্থ – ফ্যাক্ট
৩) বিশেষ প্রেক্ষিতে ডেটাকে অর্থবহ করাই- ইনফরমেশন
৪) তথ্য=উপাত্ত+প্রেক্ষিত+অর্থ
৫) তথ্য বিতরণ, প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের সাথে যুক্ত – তথ্য প্রযুক্তি
৬) ICT in Education Program প্রকাশ করে – UNESCO
৭) কম্পিউটারের ভেতর আছে – অসংখ্য বর্তনী
৮) তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং উৎপাদন করে – কম্পিউটার
৯) কম্পিউটার গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে – ৪টি
১০) মনো এফএম ব্যান্ড চালু হয় – ১৯৪৬ সালে
১১) স্টেরিও এফএম ব্যান্ড চালু হয় – ১৯৬০ সালে
১২) সারাবিশ্বে এফএম ফ্রিকুয়েন্সি 87.5-108.0 Hz
১৩) Radio Communication System এ ব্রডকাস্টিং – ৩ ধরণের
১৪) PAL এর পূর্ণরূপ – Phase Alternation by Line
১৫) দেশে বেসরকারি চ্যানেল -৪১টি
১৬) পৃথিবীর বৃহত্তম নেটওয়ার্ক – ইন্টারনেট
১৭) ইন্টারনেট চালু হয় – ARPANET দিয়ে (১৯৬৯)
১৮) ARPANET চালু করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ
১৯) ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয় – ১৯৮২ সালে
২০) ARPANETএ TCP/IP চালু হয় – ১৯৮৩ সালে
২১) NSFNET প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৮৬ সালে
২২) ARPANET বন্ধ হয় – ১৯৯০ সালে
২৩) সবার জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত হয় – ১৯৮৯ সালে
২৪) ISOC প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৯২ সালে
২৫) বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৫কোটি ২২লাখ (৩২%)
২৬) ইন্টারনেটের পরীক্ষামূলক পর্যায় ১৯৬৯-১৯৮৩
২৭) টিভি – একমূখী যোগাযোগ ব্যবস্থা
২৮) “Global Village” ও “The Medium is the Message” এর উদ্ভাবক – মার্শাল ম্যাকলুহান (১৯১১-১৯৮০)
২৯) The Gutenberg : The Making Typographic Man প্রকাশিত হয় – ১৯৬২ সালে
৩০) Understanding Media প্রকাশিত হয় – ১৯৬৪ সালে
৩১) বিশ্বগ্রামের মূলভিত্তি – নিরাপদ তথ্য আদান প্রদান
৩২) বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ড – কানেকটিভিটি
৩৩) কম্পিউটার দিয়ে গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্তগ্রহণমূলক কাজ করা যায়
৩৪) বর্তমান বিশ্বের জ্ঞানের প্রধান ভান্ডার – ওয়েবসাইট
৩৫) EHRএর পূর্ণরুপ – Electronic Heath Records
৩৬) অফিসের সার্বিক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করাকে বলে – অফিস অটোমেশন
৩৭) IT+Entertainment = Xbox
৩৮) IT+Telecommunication = iPod
৩৯) IT+Consumer Electronics= Vaio
৪০) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকবে – ৫ম প্রজন্মের কম্পিউটারে
৪১। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের জন্য ব্যবহার করা হয় – প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
৪২।রোবটের উপাদান- Power System, Actuator, Sensor, Manipulation
৪৩।PCB এর পূর্ণরূপ – Printed Circuit Board
৪৪।খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ সালে ত্বকের চিকিৎসায় শীতল তাপমাত্রা ব্যবহার করতো – মিশরীয়রা
৪৫।নেপোলিয়নের চিকিৎসক ছিলেন – ডমিনিক জ্যা ল্যারি
৪৬।মহাশূন্যে প্রেরিত প্রথম উপগ্রহ – স্পুটনিক-১
৪৭।চাঁদে প্রথম মানুষ পৌঁছে – ২০জুলাই, ১৯৬৯ সালে
৪৮।MRP এর পূর্ণরুপ – Manufacturing Resource Planning
৪৯।UAV উড়তে সক্ষম ১০০ কি.মি. পর্যন্ত
৫০।GPS এর পূর্ণরুপ – Global Positioning System
৫১।ব্যক্তি সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয় -বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
৫২।হ্যান্ড জিওমেট্রি রিডার পরিমাপ করতে পারে – ৩১০০০+ পয়েন্ট
৫৩।আইরিস সনাক্তকরণ পদ্ধতিতে সময় লাগে -১০-১৫ সেকেন্ড
৫৪।Bioinformatics শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – Paulien Hogeweg
৫৫।Bioinformatics এর জনক – Margaret Oakley Dayhaff
৫৬।এক সেট পূর্নাঙ্গ জীনকে বলা হয় – জিনোম
৫৭।Genetic Engineering শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – Jack Williamson l
৫৮। রিকম্বিনান্ট ডিএনএ তৈরি করেন – Paul Berg(1972)
৫৯।বিশ্বের প্রথম ট্রান্সজেনিক প্রাণি- ইঁদুর (1974)
৬০।বিশ্বের প্রথম Genetic Engineering Company – Genetech(1976)
৬১।GMO এর পূর্ণরুপ – Genetically Modified Organism
৬২।পারমানবিক বা আনবিক মাত্রার কার্যক্ষম কৌশল – ন্যানোটেকনোলজি
৬৩।অনুর গঠন দেখা যায় – স্ক্যানিং টানেলিং মাইক্রোস্কোপে
৬৪।Computer Ethics Institute এর নির্দেশনা – ১০টি
৬৫।ব্রেইল ছাড়া অন্ধদের পড়ার পদ্ধতি – Screen Magnification / Screen Reading Software
৬৬।যোগাযোগ প্রক্রিয়ার মৌলিক উপাদান – ৫টি
৬৭।ট্রান্সমিশন স্পিডকে বলা হয় – Bandwidth
৬৮।Bandwidth মাপা হয় – bps এ
৬৯।ন্যারো ব্যান্ডের গতি 45-300 bps
৭০।ভয়েস ব্যান্ডের গতি 9600 bps
৭১।ব্রডব্যান্ডের গতি- 1 Mbps
৭২।ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিশন- এসিনক্রোনাস
৭৩।সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে প্রতি ব্লকে ক্যারেক্টার ৮০-১৩২টি
৭৪।ডাটা ট্রান্সমিশন মোড- ৩ প্রকার এন্ড্রয়েড অ্যাপ - জব সার্কুলার
৭৫।একদিকে ডাটা প্রেরণ- সিমপ্লেক্স মোড
৭৬।উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ, তবে এক সাথে নয়- হাফ ডুপ্লেক্স মোড
৭৭।একই সাথে উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ – ফুল ডুপ্লেক্স মোড
৭৮।ক্যাবল তৈরি হয়- পরাবৈদ্যুতিক(Dielectric) পদার্থ দ্বারা
৭৯।Co-axial Cable এ গতি 200 Mbps পর্যন্ত
৮০।Twisted Pair Cable এ তার থাকে- 4 জোড়া
৮১।Fiber Optic- Light signal ট্রান্সমিট করে
৮২।মাইক্রোওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 300 MHz – 30 GHz
৮৩।কৃত্রিম উপগ্রহের উদ্ভব ঘটে- ১৯৫০ এর দশকে
৮৪।Geosynchronous Satellite স্থাপিত হয়- ১৯৬০ এর দশকে
৮৫।কৃত্রিম উপগ্রহ থাকে ভূ-পৃষ্ঠ হতে ৩৬০০ কি.মি. উর্ধ্বে
৮৬।Bluetooth এর রেঞ্জ 10 -100 Meter
৮৭।Wi-fi এর পূর্ণরুপ- Wireless Fidelity
৮৮।Wi-fi এর গতি- 54 Mbps
৮৯।WiMax শব্দটি চালু হয়- ২০০১ সালে
৯০।WiMax এর পূর্ণরুপ- Worlwide Interoperabilty for Microwave Access
৯১।৪র্থ প্রজন্মের প্রযুক্তি- WiMax
৯২।WiMax এর গতি- 75 Mbps
৯৩।FDMA = Frequency Division Multiple Access
৯৪।CDMA = Code Division Multiple Access
৯৫।মোবাইলের মূল অংশ- ৩টি
৯৬।SIM = Subscriber Identity Module
৯৭।GSM = Global System for Mobile Communication
৯৮।GSM প্রথম নামকরণ করা হয়- ১৯৮২ সালে
৯৯।GSM এর চ্যানেল- ১২৪টি (প্রতিটি 200 KHz)
১০০।GSM এ ব্যবহৃত ফ্রিকুয়েন্সি- 4 ধরনের
১০১.GSM ব্যবহৃত হয় ২১৮টি দেশে
১০২.GSM 3G এর জন্য প্রযোজ্য
১০৩.GSM এ বিদ্যুৎ খরচ গড়ে ২ওয়াট
১০৪.CDMA আবিষ্কার করে Qualcom(১৯৯৫)
১০৫.রেডিও ওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 10 KHz-1GHz
১০৬.রেডিও ওয়েভের গতি 24Kbps
১০৭.CDMA 3G তে পা রাখে ১৯৯৯ সালে
১০৮.CDMA ডাটা প্রদান করে স্প্রেড স্পেকট্রামে
১০৯.1G AMPS চালু করা হয় ১৯৮৩ সালে উত্তর আমেরিকায়
১১০.সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয় 2G তে
১১১.MMS ও SMS চালু হয় 2G তে
১১২.3G চালু হয় ১৯৯২ সালে
১১৩.3G এর ব্যান্ডউইথ 2MHz
১১৪.3G Mobile প্রথম ব্যবহার করে জাপানের NTT Docomo (২০০১)
১১৫.4G এর প্রধান বৈশিষ্ট্য IP ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার
১১৬.4G এর গতি 3G এর চেয়ে ৫০ গুণ বেশি
১১৭.4G এর প্রকৃত ব্যান্ডউইথ 10Mbps
১১৮.টার্মিনাল দুই ধরনের
১১৯.ভৌগলিকভাবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক- ৪ ধরনের
১২০.PAN সীমাবদ্ধ ১০ মিটারের মধ্যে
১২১.PAN এর ধারণা দেন থমাস জিমারম্যান
১২২.LAN সীমাবদ্ধ ১০ কিলোমিটারের মধ্যে
১২৩.LAN এ ব্যবহৃত হয় Co-axial Cable
১২৪.কেবল টিভি নেটওয়ার্ক- MAN
১২৫.NIC=Network Interface Card
১২৬.NIC কার্ডের কোডে বিট সংখ্যা-48
১২৭.মডেম দুই ধরনের
১২৮.Hub হল দুইয়ের অধিক পোর্টযুক্ত রিপিটার
১২৯.স্বনামধন্য রাউটার কোম্পানি- Cisco
১৩০.ব্রিজ প্রধানত ৩ প্রকার
১৩১.নেটওয়ার্কে PC যে বিন্দুতে যুক্ত থাকে, তাকে নোড বলে।
১৩২.Office Management-এ ব্যবহৃত হয়- Tree Topology
১৩৩.বানিজ্যিকভাবে Cloud Computing শুরু করে- আমাজন (২০০৬)
১৩৪.Cloud Computing এর বৈশিষ্ট্য- ৩টি
১৩৫.সংখ্যা পদ্ধতিরর প্রতীক- অংক
১৩৬.সংখ্যা পদ্ধতি দুই ধরণের
১৩৭.Positional সংখ্যা পদ্ধতিরর জন্য প্রয়োজন- 3টি ডাটা
১৩৮.সংখ্যাকে পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশে ভাগ করা হয় Radix Point দিয়ে
১৩৯.Bit এর পূর্ণরুপ- Binary Digit
১৪০.Digital Computerএর মৌলিক একক- Bit
১৪১.সরলতম গণনা পদ্ধতি- বাইনারী পদ্ধতি
১৪২. “O” এর লজিক লেভেল : 0 Volt থেকে +0.8 Volt পর্যন্ত
১৪৩. “1” এর লজিক লেভেল : +2 Volt থেকে +5 Volt পর্যন্ত
১৪৪.Digital Device কাজ করে- Binary মোডে
১৪৫.n বিটের মান 2^n টি Android App: Job Circular
১৪৬.BCD Code = Binary Coded Decimal Code
১৪৭.ASCII=American Standard Code for Information Interchange
১৪৮.ASCII উদ্ভাবন করেন- রবার্ট বিমার (১৯৬৫)
১৪৯.ASCII কোডে বিট সংখ্যা- ৭টি
১৫০.EBCDIC=Extended Binary Coded Decimal Information Code
১৫১.Unicode উদ্ভাবন করে Apple and Xerox Corporation (1991)
১৫২.Unicode বিট সংখ্যা- 2 Byte
১৫৩.Unicode এর ১ম 256 টি কোড ASCII কোডের অনুরুপ
১৫৪.Unicode এর চিহ্নিত চিহ্ন- ৬৫,৫৩৬টি (2^10)
১৫৫.ASCII এর বিট সংখ্যা- 1 Byte
১৫৬.বুলিয়ান এলজেবরার প্রবর্তক- জর্জ বুলি(১৮৪৭)
১৫৭.বুলিয়ান যোগকে বলে- Logical Addition
১৫৮.Dual Principle মেনে চলে- “and” ও “OR”
১৫৯.এক বা একাধিক চলক থাকে Logic Function এ
১৬০.Logic Function এ চলকের বিভিন্ন মান- Input
১৬১.Logic Function এর মান বা ফলাফল- Output
১৬২.বুলিয়ান উপপাদ্য প্রমাণ করা যায়- ট্রুথটেবিল দিয়ে
১৬৩.Digital Electronic Circuit হলো- Logic Gate
১৬৪.মৌলিক Logic Gate – ৩টি (OR, AND, NOT)
১৬৫.সার্বজনীন গেইট- ২টি (NAND,NOR)
১৬৬.বিশেষ গেইট- X-OR,X-NOR
১৬৭.Encoder এ 2^nটি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট হয়
১৬৮.Decoder এ nটি ইনপুট থেকে 2^nটি আউটপুট দেয়
১৬৯.Half Adder এ Sum ও Carry থাকে
১৭০.Full Adder এ ১টি Sum ও ২টি Carry থাকে
১৭১.একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ হলো- রেজিস্ট্রার
১৭২.Input pulse গুনতে পারে- Counter
১৭৩.Web page তৈরি করা হয়- HTML দ্বারা
১৭৪.ছবির ফাইল-. jpg/.jpeg/.bmp
১৭৫.ভিডিও ফাইল-.mov/.mpeg/mp4
১৭৬.অডিও ফাইল- mp3
১৭৭.ওয়েবসাইটকে দৃষ্টিনন্দন করতে ব্যবহৃত হয়-.css
১৭৮.বর্তমানে চালু আছে- IPV4
১৭৯.IPV4 প্রকাশে প্রয়োজন- 32bit
১৮০.IP address এর Alphanumeric address- DNS
১৮১.সারাবিশ্বের ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে- InterNIC
১৮২.জেনেরিক টাইপ ডোমেইন- টপ লেভেল ডোমেইন
১৮৩.http = hyper text transfer protocol
১৮৪.URL = Uniform Resource Locator
১৮৫.HTML আবিষ্কার করেন- টিম বার্নার লী (১৯৯০)
১৮৬.HTML তৈরি করে W3C
১৮৭.ওয়েব ডিজাইনের মূল কাজ- টেমপ্লেট তৈরি করা
১৮৮.প্রোগ্রামিংয়ের ভাষা- ৫স্তর বিশিষ্ট
১৮৯.Machine Language(1G)-1945
১৯০.Assembly Language(2G)-1950
১৯১.High Level Language(3G)-1960
১৯২.Very High Level Language(4G)-1970
১৯৩.Natural Language(5G)-1980
১৯৪.লো লেভেল vaSha-1G,2G
১৯৫.বিভিন্ন সাংকেতিক এড্রেস থাকে- লেভেলে
১৯৬.C Language তৈরি করেন- ডেনিস রিচি (১৯৭০)
১৯৭.C++ তৈরি করেন- Bijarne Stroustrup(১৯৮০)
১৯৮.Visual Basic শেষবার প্রকাশিত হয়- ১৯৯৮ সালে
১৯৯.Java ডিজাইন করে- Sun Micro System
২০০.ALGOL এর উদ্ভাবন ঘটে- ১৯৫৮ সালে
২০১.Fortran তৈরি করেন- জন বাকাস(১৯৫০)
২০২.Python তৈরি করেন- গুইডো ভ্যান রোসাম (১৯৯১)
২০৩.4G এর ভাষা- Intellect,SQL
২০৪.Pseudo Code- ছদ্ম কোড prebd. com
২০৫.Visual Programming- Event Driven
২০৬.C Language এসেছে BCPL থেকে
২০৭.Turbo C তৈরি করে- Borland Company
২০৮.C ভাষার দরকারী Header ফাইল- stdio.h
২০৯.C এর অত্যাবশ্যকীয় অংশ- main () Function
২১০.ANSI C ভাষা সমর্থন করে- 4 শ্রেণির ডাটা
২১১.ANCI C তে কী-ওয়ার্ড- 47 টি
২১২.ANSI C++ এ কী-ওয়ার্ড- 63 টি
২১৩.ডাটাবেজের ভিত্তি- ফিল্ড
২১৪.Database Modelএর ধারণা দেন- E.F.Codd (১৯৭০)
২১৫.সবচেয়ে জনপ্রিয় Query- Selec Query
২১৬.SQL = Structured Query Language
২১৭.SQL তৈরি করে- IBM(১৯৭৪)
২১৮.ERP = Enterprise Resource Planning
২১৯.বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়- ২১ মে, ২০০৬
২২০.MIS = Management Information System
২২১।ভুয়া মেইল জমার স্থান- Spam
২২২।CD= Compact Disk
২২৩।MS Excel হলো Spreadsheet Software
২২৪।বাংলাদেশে ইন্টারনেট চালু হয়- ১৯৯৬ সালে
২২৫।বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার- ENIAC
২২৬।ল্যাপটপ প্রথম বাজারে আসে-১৯৮১ সালে
২২৭।ROM=Read Only Memory
২২৮।বর্তমান প্রজন্ম- 4G
২২৯।টুইটারের জনক- জ্যাক ডরসি
২৩০। MODEM এ আছে – Modulator + Demodulator
২৩১।UNIX হলো Operating System
২৩২।CPU= Central Processing Unit
২৩৩।IC দিয়ে তৈরি প্রথম কম্পিউটার- IBM360
২৩৪।ডিজিটাল কম্পিউটারের সূক্ষতা ১০০%
২৩৫।১ম প্রোগ্রামার- লেডি অগাস্টা
২৩৬।১ম প্রোগ্রামিং ভাষা-ADA
২৩৭।কম্পিউটারে দেয়া অপ্রয়োজনীয় তথ্য-গিবারিশ
২৩৮।কম্পিউটার ভাইরাস আসে-১৯৫০ সালে
২৪০।কম্পিউটার ভাইরাস নাম দেন-ফ্রেড কোহেন
২৪১। Mother of All Virus-CIH
২৪২।VIRUS=Vital Information Resources Under Seize
২৪৩।প্রোগ্রাম রচনার সবচেয়ে কঠিন ভাষা- মেশিন ভাষা
২৪৪।NORTON-একটি এন্টিভাইরাস
২৪৫।মুরাতা বয়-জাপানি রোবট
২৪৬। 1nm=10^(-9) m
২৪৭।স্বর্ণের পরমাণুর আকার- 0.3nm
২৪৮।আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশনে সময় লাগে শূন্য সেকেন্ড
২৪৯।অপটিক্যাল ফাইবারের কোর ডায়ামিটার- ৮-১০ মাইক্রন
২৫০।১ম Wireless ব্যবহার করেন-Guglielimo Marconi(1901)
২৫১। ASCII-7 কোডের প্রথম 3bitকে জোন এবং শেষ 4bitকে সংখ্যাসূচক বলে
২৫২।ASCII সারণি মতে,
0-3 & 127 = Control Character
32-64 = Special Character
65-96 = Capital Letters & Some Signs
97-127 = Small Letters & Some Signs
২৫৩। EBCDIC কোডে- 0-9 = 1111 A-Z = 1100,1101,1110 Special Signs = 0100,0101,0110,0111
২৫৪। EBCDIC কোডে ২৫৬টি বর্ণ,চিহ্ন ও সংখ্যা আছে
২৫৫। EBCDIC কোড ব্যবহৃত হয়- IBM Mainframe Computer ও Mini Computer- এ।
২৫৬। Unicode উন্নত করে-Unicode Consortium
২৫৭। ফাইবার অপটিক ক্যাবল তৈরিতে ব্যবহৃত অন্তরক পদার্থ- সিলিকন ডাই অক্সাইড ও Muli Component Glass (Soda Boro Silicet, NaOH Silicet etc.)
২৫৮।Real Time Application এর Data Transfer এ বেশি ব্যবহৃত হয় Isochronous
২৫৯।Radio Wave এর Data Transmission Speed –24 Kbps
২৬০।Wifi এর দ্রুততম সংস্করণ-IE
Father of English essay কাকে বলা হয়?
মনে রাখার কৌশল ও প্রিলি প্রস্তুতি - আমি মনোযোগ দিয়ে পড়ি, তারপরও মনে থাকে না কেন?
কোন কোন বই পড়ব? দৈনিক কতঘন্টা পড়ব? কিভাবে পড়ব?
আজকের আলোচনায় ২ টি বিষয় জানাতে প্রচেষ্টা করবো, যা আমি অনুসরণ করেছি।
,,,,,মনে রাখার কৌশল,,,,
আমি মনোযোগ দিয়ে পড়ি, তারপরও মনে থাকে না কেন?
এই প্রশ্নটি আমাদের সকলেরই, আমরা সকলেই চাই আমাদের পড়া বিষয়, শেখা বিষয় যেন মনে থাকে। কিভাবে পড়লে এটা সম্ভব?
সমাধানটা মোটেও কঠিন নয়। এর জন্য প্রয়োজন যথার্থ কৌশল অবলম্বন করা। প্রথমেই বলে রাখি, মানবমস্তি্স্কের ধারণক্ষমতা অপরিমেয়, তবে তার স্মরণ সক্ষমতা নির্ভর করে কতিপয় শর্তের উপর। সাধারণত আমরা যে পড়াটা শিখি তা প্রায় ২৪ ঘন্টা স্মরণে থাকে, তারপর ধীরে ধীরে বিস্মরণ হয়ে যায়।
এক্ষেত্রে পড়ালেখায় আমরা নিন্মোক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করবো,,,,,
১. প্রথমেই একটি পড়ার রুটিন তৈরি করবো
২. একটা নোট খাতা থাকবে যেখানে প্রতিদিনের পঠিতব্য বিষয়গুলোর নাম লিখা থাকবে,
৩. দিনের শুরুতে খাতার উপরে ঐদিনের তারিখ ও বার লিখতে হবে, বামপাশে বিষয় আর একেবারে ডানপাশে রিভিশন লিখতে হবে
৪. রিভিশন এর নিচে আন্ডারলাইন করে লিখতে হবে ৩ টি লাইন, নিম্নের অনুকরণে,
>আগামীকালের বারের নাম
>আগামি সপ্তাহের আজ যে বার তার নাম
>আজ যে তারিখ, আগামী মাসের সেই তারিখ
৫.এখন আজ যা পড়লাম তা খাতার বামপাশে লিখে রাখতে হবে এভাবে, বাংলা পৃষ্ঠা ১-১০
ইংরেজি পৃষ্ঠা ১-৬ ইত্যাদি।
ধরি খাতার উপরে লিখা আছে, ২/৫/২০২০ শনিবার, তাহলে খাতার ডানপাশে লিখা থাকবে এরকম,
>রবিবার
>শনিবার
>২/৬/২০২০
৬. এখন কাল পড়তে বসে শুরুতেই আজ যে সকল বইয়ের যা যা পড়েছি তা রিভিশন দিয়ে রবিবার লিখার উপর ঠিক চিহ্ন দিতে হবে। তারপর আবার নতুন পড়া শুরু।
৭. এভাবে ১ সপ্তাহ পরে, প্রতিদিন ২ ধরনের রিভিশন দিতে হবে, একটা গতকালের আরেকটা গত সপ্তাহের আজকের এই দিনের, অতঃপর ঠিক চিহ্ন দিতে হবে। আর ১ মাস পর প্রতিদিন ৩ ধরনের রিভিশন।
৮. রিভিশনে শুধুমাত্র একবার পড়ে গেলেই হবে। অর্থাৎ, ১ দিনের সমস্ত শিখা বিষয় ৩০ মিনিটেই রিভিশন দেয়া যাবে।
এই প্রক্রিয়া আপাত কঠিন মনে হলেও ১ সপ্তাহ অনুসরণ করলেই খুবই সহজ মনে হবে। আর আপনার শেখা বিষয় আপনার মস্তিষ্কে স্হায়ী হবে, যা আপনি সহজে ভুলবেন না।
অনুসরণ করুন, উপকার পাবেন সুনিশ্চিত।
,,,,,,,,,,প্রিলি প্রস্তুতি,,,,,,,,
সীমাহীন পড়া ও জানার বিষয়! কিন্তু যথার্থ কৌশল অবলম্বন করে এক্ষেত্রে উদ্ধার পাওয়া সম্ভব। আমরা সবাই জানি, প্রিলির মার্ক যোগ হয় না তারপরও এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। কেননা এর মাধ্যমেই লিখিত পরীক্ষায় বসার অনুমতি মিলে। প্রিলির প্রস্তুতি নেয়ার ক্ষেত্রে যে তিনটি প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি গত কয়েকদিন, আমি জানি অধিকাংশ পরীক্ষার্থীদের মনেই এই প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খায়।
> কোন কোন বই পড়ব?
>দৈনিক কতঘন্টা পড়ব?
>কিভাবে পড়ব?
প্রথমেই বলে রাখি, একেকজনের সফলতার কৌশল একেকরকম হয়, আর কৌশল যাই হউক দিন শেষে যারা সফল, তাদের কৌশলকে সফলতার কৌশল হিসেবেই গণ্য করা হয়। আমি এখানে আমার অনুসরণ করা কৌশলের আলোকে প্রশ্ন তিনটির উত্তর দেওয়ার প্রচেষ্টা করছি।
>প্রথমেই আসি কোন বই পড়ব এই প্রসঙ্গে। আমি প্রিলির জন্য প্রফেসর 'স এর এক সেট বই কিনেছিলাম, প্রতি মাসের কারেন্ট এ্যফেয়ার্স, সাহিত্য জিজ্ঞাসা বইটি, আর ৩ টি মডেল টেস্ট বই।
>এবার আসি কতো ঘন্টা পড়ব সেই প্রশ্নে। দৈনিক কত ঘন্টা পড়ব, এটি একটি অবান্তর প্রশ্ন। কেননা এটা ছাত্রের ধারণক্ষমতার উপর নির্ভর করে। কেউ আছেন ২ ঘন্টায় যা শিখতে পাড়েন, অন্য কারো তা ৫ ঘন্টা লাগে। তবে শিখতে সবাই পারেন, কেউ অতিদ্রুত, কেউ দ্রুত, কেউ ধীরে। কাজেই দৈনিক কয় ঘন্টা পড়ব, সেটা নির্ভর করছে স্বয়ং পরিক্ষার্থীর শেখার ও জানার সক্ষমতার উপর। এক্ষেত্রে আমি দৈনিক ৩/৪ ঘন্টা গড়ে ৩ মাস পড়েছিলাম। একটা কথা মনে রাখতে হবে, একদিন ১৫ ঘন্টা পড়লাম আর ৩ দিন বই স্পর্শ করলাম না, সেটা মূল্যহীন। নিয়মানুবর্তিতা সফলতার জন্য অত্যাবশ্যক।
>কিভাবে পড়ব। এক্ষেত্রে আমি আজকের আলোচনার প্রথমে উল্লেখকৃত পন্থা অবলম্বন করেছিলাম।
পরিশেষে একটা কথাই বলবো, লক্ষ্য থাকবে সামনে তবে অমূল্য বিদ্যার মূল্য নির্ধারণ করে তা অর্জন করা যায় না।
সকলের জীবনে সফলতার দিনটি আসুক অচিরেই, সেই কামনা করি। ভালো থাকবেন সবাই।
গাণিতিক যুক্তি যুক্তিবিদ্যার নীতির উপর ভিত্তি করে। গাণিতিক যুক্তির একটি সঠিক জ্ঞান একজনকে প্রস্তুত করে না
শুধুমাত্র গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য কিন্তু জনজীবনের সকল ক্ষেত্রে সমস্যা সমাধানের বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতাও বিকাশ করে এবং
নিরপেক্ষ এবং নৈর্ব্যক্তিক বুদ্ধিমান সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে।
গাণিতিক যুক্তিতে পরীক্ষা প্রার্থীর গণিতের জ্ঞান প্রয়োগ করার ক্ষমতা পরীক্ষা করবে এবং
গাণিতিক যুক্তি মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত অর্জিত, বিশেষ করে কংক্রিট অ্যাপ্লিকেশন-ভিত্তিক সমস্যাগুলির জন্য।
পরীক্ষার সিলেবাস নিচে দেওয়া হলঃ
1. পাটিগণিত এবং বীজগণিতীয় রাশির সরলীকরণ।
2. একক পদ্ধতি, গড়, শতাংশ, সরল এবং চক্রবৃদ্ধি সুদ, LCM, GCD, অনুপাত এবং অনুপাত, লাভ এবং
ক্ষতি।
3. বীজগণিতীয় সূত্র, বহুপদগুলির ফ্যাক্টরাইজেশন, রৈখিক এবং দ্বিঘাত সমীকরণ, রৈখিক এবং দ্বিঘাত অসমতা।
4. দুই বা তিনটি অজানা সহ রৈখিক সমীকরণের সিস্টেম।
5. সূচক এবং লগারিদম। সূচকীয় এবং লগারিদমিক ফাংশন।
6. পাটিগণিত এবং জ্যামিতিক ক্রম এবং সিরিজ।
7. রেখা, কোণ, ত্রিভুজ সম্পর্কিত উপপাদ্য। পিথাগোরাসের উপপাদ্য, বৃত্ত - উপপাদ্য, উপপাদ্য।
8. এলাকা সম্পর্কিত উপপাদ্য এবং নির্মাণ, পরিমাপ - সমতল পরিসংখ্যান এবং কঠিন বস্তু।
9. কার্টেসিয়ান জ্যামিতি- দূরত্ব, একটি সরল রেখার সমীকরণ।
10. ত্রিকোণমিতিক অনুপাত এবং ফাংশন। উচ্চতা এবং দূরত্বের সমস্যা।
11. সেট তত্ত্ব। ভেন ডায়াগ্রাম.
12. গণনা নীতি, স্থানান্তর এবং সমন্বয়। প্রাথমিক সম্ভাবনা।
পিএসসি নির্ধারিত ১১ জন সাহিত্যিকের বিস্তারিত পরিচিতি: বিগত সালের বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন উত্তর সহ (অগ্রদূত + শীকর)
PDF সহ
ঈশ্বরচন্দ্রবিদ্যাসাগরঃ (১৮২০-১৮৯১)
১। বিদ্যাসাগর কোন সালে জন্মগ্রহন করেন? - উঃ ১৮২০ সালে
২। বিদ্যাসাগর উপাধি দেয়া হয় কোথা থেকে? উঃ সংস্কৃত কলেজ থেকে
৩। বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত কে? উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
৪। বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্ন প্রথম স্থাপন করেন কে? উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
৫। ঈশ্বরচন্দ্রের কয়েকটি মৌলিক রচনার নাম কি কি? উঃ অতি অল্প হইল, আবার অতি অল্প হইল, ব্রজবিলাস, বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা, রত্ন পরীক্ষা।
৬। ঈশ্বরচন্দ্রের কয়েকটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থের নাম কি কিঃ উঃ- বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস ও ভ্রান্তিবিলাস।
৭। বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি? উঃ বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭)
৮। বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম কি? উঃ ব্যাকরণ কৌমুদী
৯। বিদ্যাসাগর কোন আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন? উঃ বিধবা বিবাহ আন্দোলন
১০। বিদ্যাসাগর কোন সালে মৃত্যুবরণ করেন? উঃ ১৮৯১ সালে।
কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯ – ১৯৭৬)★★
১। কাজী নজরুল ইসলাম কোন সালে জন্মগ্রহন করেন? উঃ ১৮৯৯ সালে
২। বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের রচয়িতা কে? উঃ কাজী নজরুল ইসলাম
৩। নজরুলের কোন কবিতা প্রকাশিত হলে তিনি গ্রেফতার হন? উঃ আনন্দময়ীর আগমনে
৪। কাজী নজরুল ইসলামকে রবীন্দ্রনাথ তাঁর কোন রচনাটি উৎসর্গ করন? উঃ বসন্ত
৫। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নজরুল তার কোন রচনাটি উৎসর্গ করেন? উঃ সঞ্চিতা
৬। নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম কি? উঃ ব্যথার দান ( ১৯২২)
৭। নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম কি? উঃ মুক্তি
৮। নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম কি? উঃ অগ্নিবীনা
৯। নজরুলের কাব্যগ্রন্থগুলো কি কি? উঃ সন্ধ্যা, নতুন চাঁদ , ছায়ানট, প্রলয় শিখা , অগ্নিবীনা ,
সাত ভাই চম্পা, , সিন্দুহিন্দোল, ফনিমনসা, চক্রবাক, সর্বহারা,ঝড় হাওয়া, জিঞ্জির, সাম্যবাদী, মরুভাস্কর, শেষ সওগাত , ঝিঙ্গেফুল, বিষের বাশিঁ , দোলনচাঁপা
ছন্দে ছন্দে মনে রাখা যায়ঃ
কোনো এক সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখার সময় ছায়ানটে লাগা প্রলয় শিখার অগ্নিবীনা দেখে সাত ভাই চম্পা, দোলনচাঁপা ও ফনিমনসারা চক্রবাক হয়ে সর্বহারার মতো ঝড় হাওয়ার গতিতে জিঞ্জিরার দিকে ছুটতে লাগল। সাম্যবাদী মরুভাস্করেরা শেষ সওগাত ঝিঙ্গেফুল ও বিষের বাশিঁ হাতে নিয়ে সিন্দুহিন্দোলের দিকে এগিয়ে চললেন।
১০। নজরুলের উপন্যাসগুলো কি কি? উঃ বাঁধনহারা, কুহেলিকা ও মৃত্যুক্ষুধা।
১১। নজরুলের গল্পগ্রন্থগুলোর নাম কি? উঃ শিউলিমালা, ব্যথারদান ও রিক্তের বেদন।
১২। কাজী নজরুল ইসলাম কোন সালে প্রথম ঢাকায় আসেন? উঃ ১৯২৬ সালে।
১৩। কাজী নজরুল ইসলাম মোট কতবার ঢাকায় আসেন? ১৩ বার।
১৪। কাজী নজরুল ইসলাম কোন সালে মৃত্যুবরন করেন? উঃ ১৯৭৬ সালে
কায়কোবাদ (১৮৫৭-১৯৫১) ★★
১। কায়কোবাদের প্রকৃত নাম কি? উঃ কাজেম আল কোরেশী।
২। কায়কোবাদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম কি কি? উঃমহাশ্মশান, অশ্রুমালা, বিরহ বিলাপ, কুসুমকানন, শিবমন্দির, ও অমিয়ধারা।
৩। কোন ঘটনা অবলম্বনে কায়কোবাদের মহাশ্মশান মহাকাব্যটি রচিত হয়? উঃ পানি পথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনী অবলম্বনে।
৪। বাঙ্গালী মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম মহাকাব্য রচনা করেন কে? উঃ কায়কোবাদ।
৫। কায়কোবাদের রচিত কবিতার নাম কি? উঃ বাংলা আমার
৬। কায়কোবাদের অশ্রুমালা কাব্যগ্রন্থের মূল সুর কি? উঃ প্রেম-বেদনা, আবেগ ও আনন্দ বিরহ।
জসীমউদদীন (১৯০৩-১৯৭৬) ★★
১। জসীমউদদীন কোথায় জন্মগ্রহন করেন? উঃ মাতুলালয়, তাম্বুলখানা গ্রাম, ফরিদপুর।
২। জসীমউদদীনের উপাধি কি? উঃ পল্লীকবি।
৩। জসীমউদদীন ছাত্র থাকা অবস্থায় তাঁর কোন কবিতা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমিকের পাঠ্যে তালিকাভুক্ত করা হয়? উঃ কবর কবিতা।
৪। কবর কবিতাটি জসীমউদদীনের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত? উঃ রাখালী।
৫। জসীমউদদীনের কবর কবিতাটি কোন পত্রিকায় ছাপা হয়? উঃ কল্লোল পত্রিকায়।
৬। জসীমউদদীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রনথগুলো কি কি? উঃরঙ্গিলা নায়ের মাঝি , হাসু, রুপবতী, সকিনা, রাখালীকে, বালুচরের, সোজান বাদিয়ার ঘাটে , মাটির কান্না , নকশী কাঁথার মাঠের ও এক পয়সার বাঁশি।
ছন্দে ছন্দে মনে রাখা যায়ঃ
রঙ্গিলা নায়ের মাঝি হাসু রুপবতী সকিনা ও রাখালীকে নিয়ে বালুচরের ধানক্ষেতের মধ্য দিয়ে সোজান বাদিয়ার ঘাটে গিয়ে এক পয়সার বাঁশি কিনে ফিরে আসার সময় নকশী কাঁথার মাঠের মাটির কান্না দেখল।
৭। জসীমউদদীনের রচিত নাটকগুলো কি কি? উঃ পদ্মাপাড়, বেদের মেয়ে, মধুমালা, পল্লীবধু ও গ্রামের মায়া।
৮। জসীমউদদীনের রচিত একমাত্র উপন্যাসের নাম কি? উঃ বোবা কাহিনী।
৯। নকসী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়? উঃ ১৯২৯ সালে।
১০। নকসী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদের নাম কি? উঃ ‘Field of the Embroidery Quilt’
১১। নকসী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদকের নাম কি? উঃ ই. এম. মরফোর্ড।
১২। জসীমউদদীনের ছদ্মনাম কি? জমীরউদ্দীন মোল্লা।
১৩। জসীমউদদীন কত সালে একুশে পদক পান? উঃ ১৯৭৬ সালে।
দীনবন্ধু মিত্র ( ১৮৩০-১৮৭৩) ★★
১। নীলকরদের অত্যাচার অবলম্বনে রচিত দীনবন্ধু মিত্রের নাটকের নাম কি? উঃ নীল দর্পণ
(১৮৬০)
২। দীনবন্ধু মিত্রের কাব্যগুলো কি কি? উঃ সুরধুনী কাব্য ও দ্বাদশ কবিতা।
৩। দীনবন্ধু মিত্রের রচিত প্রহসনগুলো কি কি? উঃ বিয়ে পাগলা বুড়ো, সধবার একাদশী।
৪। দীনবন্ধু মিত্রের রচিত নাটকগুলো কি কি? উঃ নীল দর্পণ, নবীন তপস্বিনী, লীলাবতী,
জামাই বারিক ও কমলে কামিনী।
৫। দীনবন্ধু মিত্রের রচিত নীল দর্পণ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে? উঃ মাইকেল
মধুসূদন দত্ত।
৬। নীল দর্পণ নাটকটি প্রথম কোথায় মঞ্চস্থ হয়? উঃ ঢাকায়।
ফররুখ আহমেদ (১৯১৮-১৯৭৪)★★
১। ফররুখ আহমেদ কোথায় জন্মগ্রহন করেন? উঃ মাঝআইল গ্রাম, যশোর।
২। ফররুখ আহমেদ রচিত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম কি কি? উঃসাত সাগরের মাঝি , নৌফেল, হাতেম তায়ী , সিরাজাম মুনিরা ও মুহূর্তের কবিতা। এন্ড্রয়েড অ্যাপ - জব সার্কুলার
ছন্দে ছন্দে মনে রাখা যায়ঃ
ঝড়ের কবলে পরে সাত সাগরের মাঝি, হাতেম তায়ী- সিরাজাম মুনিরা ও নৌফেলকে বিপদের
মুহূর্তের কবিতা পড়তে বললেন।
৩। ফররুখ আহমেদ রচিত শিশুতোষ গ্রন্থের নাম কি ? উঃ পাখির বাসা।
৪। ফররুখ আহমেদ রচিত পাখির বাসা গ্রন্থের জন্য তিনি কোন পুরস্কার লাভ করেন? ইউনেস্ক পুরস্কার (১৯৬৬)
৫। ফররুখ আহমেদ রচিত সাত সাগরের মাঝি গ্রন্থে কতটি কবিতা আছে? উঃ ১৯ টি।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধায় (১৮৩৮-১৮৯৪) ★★ এন্ড্রয়েড অ্যাপ - জব সার্কুলার
১। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধায়ের রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কি? উঃ ললিতা তথা মানস।
২। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধায়ের রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাসের নাম কি? উঃ দুর্গেশনন্দিনী।
৩। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধায়ের উপন্যাসগুলো কি কি? উঃইন্দিরা, আনন্দ মঠের , বিষবৃক্ষের,
দুর্গেষনন্দীনি, কপালকুণ্ডলা, কৃষ্ণকান্তের উইল , রাজসিংহ, দেবী চৌধুরানীর , চন্দ্রশেখর, শীতারাম, মৃণালীনি, রাধারানীকে , রজনীতে ও যুগলাঙ্গুরীয়
ছন্দে ছন্দে মনে রাখা যায়ঃ
এক রজনীতে ইন্দিরা রোডে আনন্দ মঠের সামনে বিষবৃক্ষের নিচে দাড়িয়ে দুর্গেষনন্দীনি ও কপালকুণ্ডলা কৃষ্ণকান্তের উইল পড়ছিলো। কিন্তু রাজসিংহ তা দেখে দেবী চৌধুরানীর দুই ছেলে
চন্দ্রশেখর এবং শীতারাম ও দুই মেয়ে মৃণালীনি ও রাধারানীকে বলে দিলে তারা ঐ যুগলাঙ্গুরীয়কে শাস্তি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হলো।
৪। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধায়ের কাব্যগ্রন্থগুলো কি কি? উঃলোকরহস্য, কমলকান্তের দপ্তর, বিবিধ সমালোচনা, সাম্য, কৃষ্ণচরিত্র ও ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন।
৫। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধায়ের ছদ্মনাম কি? উঃ কমলাকান্ত।
৬। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধায়ের সম্পাদিত পত্রিকার নাম কি? উঃ বঙ্গদর্শন ।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪- ১৮৭৩) ★★
১) মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম কি? উঃ Captive Ladie ( ১৮৪৯)
২) মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রহসনগুলো কি কি? উঃএকেই কি বলে সভ্যতা ও বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ।
৩। মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা নাটকগুলো কি কি? উঃ শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী ও কৃষ্ণকুমারী।
৪। মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো কি কি? উঃ তিলোত্তমাসম্ভার কাব্য, বীরাঙ্গনা কাব্য ও ব্রজাঙ্গনা।
৫। মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত অমর মহাকাব্যের নাম কি? উঃ মেঘনাদবধ কাব্য।
৬। বীরাঙ্গনা কাব্যটি কোন ধরনের কাব্য? উঃ পত্রকাব্য।
৭। অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে? উঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭- ১৯১১) ★★
১। মীর মশাররফ হোসেন সম্পাদিত পত্রিকা দু’টির নাম কি কি? উঃ আজীজননেহার ও হিতকারী।
২।মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম গ্রন্থ কোনটি? উঃ রত্নবতী
৩। মীর মশাররফ হোসেনের নাটক গুলো কি কি? উঃ জমীদার দর্পণ, বসন্তকুমারী, বেহুলা
গীতাভিনয়, টালা অভিনয়, নিয়তি কি অবনতি, ভাই ভাই এইতো চাই, ফাঁস কাগজ, একি, বাঁধা খাতা ইত্যাদি।
৪। মীর মশাররফ হোসেনের গদ্য ও অন্যান্য গ্রন্থগুলো কি কি? উঃ রত্নবতী, বিষাদসিন্ধু, গোজীবন, উদাসীন পথিকের মনের কথা, তহমিনা, রাজিয়া খাতুন, এসলামের জয়, মৌলুদ শরীফ, গোরাই ব্রিজ, পঞ্চনারী, বিবি খোদেজার বিবাহ মদীনার গৌরব ও মুসলমানের বাংলা
শিক্ষা। [ fb/BDCareerGuide ]
৫। মীর মশাররফ হোসেনের একমাত্র প্রহসন কি? উঃ এর কি উপায়?
৬। মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসের নাম কি? উঃ গাজী মিয়াঁর বস্তানী
৭। মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কি কি ? উঃ আমার জীবনী ও কুলসুম জীবনী। এন্ড্রয়েড অ্যাপ - জব সার্কুলার
৮। মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম কি ছিলো? উঃ গাজী মিয়াঁ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১)★★
১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার পিতামাতার কততম সন্তান? উঃ তিনি তাঁর মা বাবার চতুর্দশ সন্তান।
২। কত বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়? উঃ তের বছর বয়সে।
৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম কি? উঃ কবি কাহিনী।
৪। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত নাটকের নাম কি? উঃ বাল্মীকি প্রতিভা।
৫। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থেউপন্যাসের নাম কি? উঃ বৌ ঠাকুরাণীর হাট।
৬। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত ছোট গল্পের নাম কি? উঃ ভিখারিনী।
৭। বাংলা ছোট গল্পের জনক বলা হয় কাকে? উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।
৮। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কি? উঃ ভানুসিংহ ঠাকুর।
৯। গীতাঞ্জলি কাব্য কত সালে প্রকাশিত হয়? উঃ ১৯১০ সালে।
১০। গীতাঞ্জলি বা Song Offerings এর ভূমিকা লেখেন কে? উঃ ইংরেজ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস।
www. prebd. com
১১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থগুলো কি কি? উঃ ভানুসিংহ, গীতাঞ্জলি, , প্রভাত সংগীত, সন্ধ্যা সংগীত , বিচিত্রা, পূরবী,, পত্রপুট, শ্যামলী, মহুয়া, সোনার তরী , খেয়া, হিন্দুমেলার উপহার , ক্ষণিকা, নবজাতক, নৈবেদ্য, জন্মদিন, রোগশয্যা, আরোগ্য , কণিকা, চৈতালি, চিত্রা, মানসী, বনফুল, মায়ার খেলা , ছবি ও গান , বলাকা, সানাই , গীতালি, কল্পনা, কড়ি ও কোমল
ও শেষ লেখা।
ছন্দে ছন্দে মনে রাখা যায়ঃ
ভানুসিংহ গীতাঞ্জলির প্রভাত সংগীত, সন্ধ্যা সংগীত ও বিচিত্রা গাইতে গাইতে পূরবী, পত্রপুট, শ্যামলী ও মহুয়াকে সাথে নিয়ে সোনার তরী খেয়ায় করে হিন্দুমেলার উপহার কিনতে গেল। এদিকে সেদিন ছিলো ভানুসিংহের স্ত্রী ক্ষণিকার নবজাতক নৈবেদ্যর জন্মদিন। ক্ষণিকা রোগশয্যা থেকে আরোগ্য লাভ করার পর তার বোন কণিকা, চৈতালি, চিত্রা ও মানসীদের নিয়ে বনফুলের মিষ্টি খেলো। বাসায় ফেরার আগে তারা বলাকা সিনেমা হলে মায়ার খেলা ছবি ও গান দেখল। ভানু সিংহ তার নবজাতক পুত্রের কথা শুনে সানাই ও গীতালি বাজাতে বাজাতে কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে যায় এবং কড়ি ও কোমল নিয়ে বাসায় ফিরে এসে তার বিখ্যাত শেষ লেখাটি পুত্রকে উৎসর্গ করেন।
১২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলো কি কি? উঃ শেষের কবিতা, যোগাযোগ, চোখের বালি,
গোরা, চতুরঙ্গ, ঘরে বাইরে ও চার অধ্যায়।
১৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটকগুলো কি কি? উঃ বিসর্জন, রাজা, ডাকঘর, অচলায়তন, চিরকুমার সভা, রক্তকবরী ও তাসের দেশ।
১৪। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কতবার ঢাকায় আসেন? উঃ ২ বার।
বেগম রোকেয়া (১৮৮০-১৯৩২) ★★
১। বেগম রোকেয়ার রচিত উপন্যাসের নাম কি? উঃ পদ্মরাগ।
২। বেগম রোকেয়ার গ্রন্থ সমূহ কি কি? উঃ সুলতানার স্বপ্ন, ডিলিসিয়া, অবরোধবাসিনী, পদ্মরাগ ও মতিচূর।
ছন্দে ছন্দে মনে রাখা যায়ঃ
সুলতানার স্বপ্ন ছিলো ডিলিসিয়াদের মত অবরোধবাসিনীদের মুক্ত করে তাদের হাতে
পদ্মরাগ ও মতিচূর ফুল তুলে দেবেন।
৩। বেগম রোকেয়া মূলত কি হিসেবে পরিচিত? উঃ মুসলিম নারী জাগরনের অগ্রদূত।
৪। বেগম রোকেয়ার লেখাগুলো কোন কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হত? উঃ নবনূর, সওগাত ও
মোহাম্মাদী।
ছন্দে ছন্দে মনে রাখা যায়ঃ
সুলতানার স্বপ্ন ছিলো ডিলিসিয়াদের মত অবরোধবাসিনীদের মুক্ত করে তাদের হাতে পদ্মরাগ ও মতিচূর ফুল তুলে দেবেন।
20/08/2023
কার্যসহকারী নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩ LGED Job Assistant Exam Syllabus. সাধারণত ৭০-৮০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়। প্রতিটি প্রশ্নের মান সাধারণত ১। প্রশ্নপত্রে নেগেটিভ মার্কিংয়ের ব্যাপারে কিছু লেখা না থাকলে নেগেটিভ মার্কিং হবে না। প্রার্থী বেশি হলে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৮০টি প্রশ্নে ১০০ নম্বর বরাদ্দ থাকে এবং নেগেটিভ মার্কিং থাকে। পরীক্ষায় সাধারণত বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান (সমসাময়িক ঘটনাবলি, দৈনন্দিন বিজ্ঞান, কম্পিউটার ইত্যাদি) থেকে প্রশ্ন থাকে। পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন হয় সাধারণত এভাবে—বাংলায় ২০টি, ইংরেজিতে ২০টি, গণিতে ২০টি ও সাধারণ জ্ঞানে ২০টি করে প্রশ্ন।
গণিত : গণিতের ভিত্তিটা মজবুত না হলে পরীক্ষায় ভালো করা কঠিন! প্রতিদিন কমপক্ষে দুই ঘণ্টা গণিতের জন্য বরাদ্দ রাখুন। গণিতের বেসিক জানতে বা দুর্বলতা কাটাতে গণিতবিষয়ক বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সহযোগিতা নিতে পারেন। এ ছাড়া ইউটিউবেও খোঁজ করলেই গণিত প্রস্তুতির জন্য ভালো ভালো চ্যানেল পেয়ে যাবেন। ভিডিও পাঠ বা টিউটরিয়াল মন দিয়ে দেখলে কঠিন অঙ্কগুলো আয়ত্তে চলে আসবে! বাজারেও গণিত প্রস্তুতির জন্য ভালো বই পাওয়া যায়। সেগুলোরও সহায়তা নিতে পারেন। গণিতের সূত্রগুলো লিখে পড়ার টেবিলের সামনে টানিয়ে বারবার চোখ বোলালে একসময় মুখস্থ হয়ে যাবে।
ইংরেজি : ইংরেজি বিষয়ে প্রশ্ন আসে গ্রামার ও সাহিত্য অংশ থেকে। তবে বেশির ভাগ প্রশ্ন থাকে গ্রামার অংশ থেকে। বিগত সালের প্রশ্নগুলো থেকে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে Idioms and phrases, Synonyms and antonyms, Appropriate prepositions, Modals & group verbs, Corrections, Participle, Infinitive, Gerund, Subject verb agreement ইত্যাদি থেকে। এ ছাড়া গ্রামারের অনান্য গুরুত্বপূর্ণ টপিক থেকেও প্রশ্ন আসে।
প্রতিদিন কমপক্ষে দুই ঘণ্টা ইংরেজির জন্য বরাদ্দ রাখতে পারলে প্রস্তুতি ভালো হবে। আর সাহিত্য অংশ থেকে ইংরেজি সাহিত্যের যুগ বিভাগ, কিছু লিটারেরি টার্ম, বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর লেখকদের নাম ও পরিচিতি থেকে সাধারণত বেশি প্রশ্ন আসে। সাহিত্য অংশের প্রস্তুতির জন্য আগের বছরগুলোতে আসা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নগুলো বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে পড়তে হবে।
বাংলা : বিগত পরীক্ষাগুলোতে দেখা গেছে, বাংলা অংশে সাহিত্য ও ব্যাকরণ উভয় অংশ থেকেই প্রশ্ন এসেছে। ব্যাকরণ অংশে ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পদ, বাক্য, প্রত্যয়, সন্ধি, সমাস, প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, উপসর্গ, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান, বানান ও বাক্যশুদ্ধি, পরিভাষা, সমার্থক শব্দ এবং বিপরীতার্থক শব্দ, এক কথায় প্রকাশ, বাগধারা, প্রবাদ বাক্য ইত্যাদি থেকে সাধারণত প্রশ্ন আসে। ব্যাকরণ অংশে প্রস্তুতির জন্য নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড ব্যাকরণ বইটা ভালো করে পড়া যেতে পারে।
সাধারণ জ্ঞান : সাধারণ জ্ঞানের ওপর কয়েক ধরনের প্রশ্ন আসে। যেমন—মৌলিক সাধারণ জ্ঞান ও সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান। এ ছাড়া সাধারণ জ্ঞান অংশে দৈনন্দিন বিজ্ঞান, কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে। সাধারণ জ্ঞানে ভালো প্রস্তুতির জন্য নিয়মিত দৈনিক পত্রিকা পড়তে হবে। বাজারের প্রচলিত ভালো মানের একটি গাইড বই থেকে গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো পড়তে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Address
Rangpur
5320