Ariful Islam

Ariful Islam

Share

Official page of Ariful Islam Assalamu Alaikum.Welcome to Ariful Islam. This is the official FB page of Ariful Islam.

"Creative thinking and Positive in behavior"

Aims and objectives of this account: Calling to the path of truth, beauty and goodness. Our contents are: Education, Information, Motivation, Communication and Technology.

1. "Ariful Islam" Where people will increase their knowledge and skills with Inspiration, Happiness and Productivity.

2. We regularly bring quality content in Bengali.

3. Our aim

27/02/2026

একটি রাষ্ট্রের পতন বা ধ্বংস নিশ্চিত করতে সত্যিই এই তিনটি উপাদানই যথেষ্ট:

১. অসচেতন নাগরিক (ঘুমন্ত প্রজা): দেশের মানুষ যখন তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে উদাসীন থাকে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করে না এবং নীরবতা পালন করে, তখন সমাজের মেরুদণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ে।

২. দুর্নীতিগ্রস্ত শাসক (জঘন্য রাজা): নাগরিকদের এই উদাসীনতার সুযোগ নেয় অত্যাচারী ও স্বার্থপর শাসক। জবাবদিহিতা না থাকায় সে নিজের ইচ্ছামতো দেশ পরিচালনা করে এবং সম্পদ কুক্ষিগত করে।

৩. বিবেকহীন গণমাধ্যম (বিক্রিত সাংবাদিক): সমাজের দর্পণ বলা হয় গণমাধ্যমকে। সাংবাদিকরা যখন সত্য প্রকাশ না করে নিজেদের বিবেক বিক্রি করে দেয় এবং শাসকের চাটুকারিতায় লিপ্ত হয়, তখন জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়।

21/02/2026

সাদামাটা ইফতার, অফুরন্ত বরকত। আলহামদুলিল্লাহ

19/02/2026
08/02/2026

২৪-এর গণঅভ্যুত্থান আমাদের ভোটাধিকার ও দেশ গড়ার সুযোগ ফিরিয়ে দিয়েছে। ইতিহাসের এই সন্ধিক্ষণে গুজব, উসকানি বা সহিংসতা পরিহার করে আমাদের জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

দীর্ঘ দেড় যুগ পর আমরা নেতা নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছি। তাই রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে যেন আত্মীয়তা বা বন্ধুত্ব নষ্ট না হয়, সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। ভিন্নমতকে সম্মান জানিয়ে ভালোবাসার বন্ধন অটুট রাখাই কাম্য। সাধারণ মানুষ এখন আর কাদা-ছোড়াছুড়ির রাজনীতি চায় না; চায় ইতিবাচক ও জনকল্যাণমুখী পরিকল্পনা।

একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। ভোট একটি পবিত্র আমানত। তাই বিবেক খাটিয়ে সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীকেই বেছে নিন এবং আল্লাহর কাছে সঠিক নেতৃত্বের জন্য প্রার্থনা করুন।

নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে, সংকীর্ণতা ভুলে আসুন সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

05/02/2026

জীবনের প্রথম ভোট, কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নয়। 🗳️
ভোট হোক অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে।
আমার ভোট, আমার দেশের ভবিষ্যৎ। 🇧🇩

01/02/2026

পরনিন্দা বা গীবত হলো আগুনের মতো, যা আমাদের কষ্টার্জিত নেক আমল মুহূর্তেই পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। হাশরের ময়দানে নিজের নেকি অন্যকে দিয়ে দিতে হবে এবং অন্যের পাপের বোঝা নিজের কাঁধে নিতে হবে—এর চেয়ে বড় দুর্ভাগ্য আর কিছু নেই।

তবে আশার কথা হলো, আল্লাহ তাআলা পরম দয়ালু। তিনি তওবাকারীকে ভালোবাসেন।

এখন যা করবেন:
১. ক্ষমা প্রার্থনা: মন থেকে লজ্জিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান। চোখের দু-ফোঁটা পানিই আপনার সব গুনাহ ধুয়ে দিতে পারে।
২. দৃঢ় প্রতিজ্ঞা: সংকল্প করুন যে, ভবিষ্যতে আর কখনো অন্যের সমালোচনা বা গীবত করবেন না।
৩. দোয়া করা: যার গীবত করেছেন, তার কল্যাণ চেয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন। এটা গীবতের কাফফারা (ক্ষতিপূরণ) হিসেবে কাজ করবে।

হতাশ হবেন না। আল্লাহর রহমতের ওপর ভরসা করে নতুনভাবে নিজেকে গড়ুন। ইনশাআল্লাহ, আপনার আমল ও অন্তরে প্রশান্তি ফিরে আসবে।

16/01/2026

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংকট এখন ‘বিশ্বাসের’। বিশেষ করে যখন আমরা দেখি, যাদের কাজ জাতিকে পথ দেখানো, সেই আলেম সমাজ নিজেরাই একে অপরের বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুড়িতে ব্যস্ত।
১. ঐক্যের ফাটল ও আমাদের করণীয়
ইসলাম যেখানে সীসা ঢালা প্রাচীরের মতো ঐক্যের কথা বলে, সেখানে যখন একজন আলেম অন্য আলেমের গীবত বা নিন্দায় মগ্ন হন, তখন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা দিশেহারা হয়ে পড়ি। যদি পথপ্রদশনকারীরাই পথ হারিয়ে ফেলেন, তবে ইনসাফ বা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে কার মাধ্যমে?
মনে রাখবেন, সত্যিকারের জ্ঞান মানুষকে বিনয়ী করে, উদ্ধত নয়। তাই একটি সহজ সিদ্ধান্ত নিন—
"যেই আলেম বা বক্তা অন্য আলেমের নামে বিষোদগার বা মন্দ কথা বলেন, তাকে সচেতনভাবে এড়িয়ে চলুন। কারণ, যিনি সম্মান দিতে জানেন না, তিনি সম্মানের পাত্র হতে পারেন না।"
২. পরিণত মানুষ ও আত্মপ্রেম
বাইরের এই কোলাহল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিজের দিকে তাকান। জীবন আপনাকে দুটি অত্যন্ত দামী শিক্ষা দেয়:
দুনিয়া বোঝার মুহূর্ত: যেদিন আপনি নিজের সমস্যার কথা অন্য কাউকে বলতে গিয়েও থেমে যাবেন, বুঝবেন—আপনি দুনিয়াটাকে চিনে ফেলেছেন। আপনি বুঝতে শিখেছেন যে, সবার কাছে সব কথা বলতে নেই।
নিজেকে ভালোবাসার মুহূর্ত: যেদিন অন্যের তিক্ত কথা বা কটু মন্তব্য একপাশে সরিয়ে রেখে আপনি মুচকি হাসতে পারবেন, সেদিন বুঝবেন—আপনি নিজেকে ভালোবাসতে শিখেছেন।
পরিশেষে:
অন্যের সমালোচনা বা নিজের জীবনের হতাশা—কোনোটিই যেন আপনার মানসিক শান্তি নষ্ট করতে না পারে। নিজের যত্ন নিন, কারণ এই পৃথিবীতে আপনি কারো অপশনের অংশ নন, আপনি নিজেই অনেক দামী।

(ইসলামী ঐক্য)
(নিজের যত্ন)
(মানসিক শান্তি)
(পরিপক্কতা)
(জীবনের শিক্ষা)

15/01/2026

জন্মের সুযোগ সবাই সমান পায় না, কিন্তু অজুহাত দেওয়ার বেলায় সবাই এক। আসলে পার্থক্যটা ভাগ্যে নয়, মানসিকতায়। কেউ অজুহাত দেখিয়ে থেমে যায়, আর কেউ বাধাকেই সিঁড়ি বানিয়ে এগিয়ে যায়। মনে রাখবেন, ইতিহাস কেবল হার না মানা লড়াকু মানুষকেই মনে রাখে, অজুহাতকারীদের নয়।

31/12/2025

ক্ষমতা বা পদবী দিয়ে নয়, মৃত্যুর পর মানুষের ভালোবাসা আর উপস্থিতিই একজন মানুষের প্রকৃত মূল্যায়ন। গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার আদায়ে যিনি আজীবন লড়েছেন, আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাত নসিব করুন।

আজকের জানাজায় সংসদ ভবন থেকে পুরো ঢাকা শহরের জনসমুদ্র প্রমাণ করে তিনি মানুষের হৃদয়ে কতটা জায়গা করে নিয়েছেন। যারা আজ গর্তে লুকিয়ে আছে, তারা এই দৃশ্য দেখে রাখুক এবং মিলিয়ে নিক—ভবিষ্যতে তাদের নেত্রীর বিদায়ের চিত্রটা কেমন হতে পারে!

30/12/2025

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসটি বাংলাদেশের জন্য এক গভীর শোকের মাস। এই একই মাসে আমরা হারালাম ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী লড়াইয়ের দুই অকুতোভয় কিংবদন্তীকে।
১. আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া:
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনোই অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি তিনি। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন এক প্রবল প্রাচীর। দীর্ঘ অসুস্থতার সাথে লড়াই করে ৩০ ডিসেম্বর এই 'মাদার অফ ডেমোক্রেসি' মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেলেন।
২. বিপ্লবী চেতনার প্রতীক শহীদ ওসমান হাদী:
জুলাই বিপ্লবের অন্যতম এই রূপকার ছিলেন তারুণ্যের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলায় ১৮ ডিসেম্বর তাকেও জীবন দিতে হলো। বয়সে তরুণ হলেও সাহসিকতায় তিনি ছিলেন অনন্য।
প্রবীণ ও নবীন—এই দুই কিংবদন্তীর বিদায় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলনে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি করল। জাতি তাদের এই ত্যাগ শ্রদ্ধার সাথে মনে রাখবে।

28/12/2025

পৃথিবী যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন জায়নামাজে দাঁড়িয়ে রবের সাথে কথা বলার অনুভূতিটাই আলাদা! 😌
ফজর মানে শুধু ঘুম থেকে জেগে ওঠা নয়; এটি নফসের বিরুদ্ধে আপনার দিনের প্রথম বিজয়। ভোরের এই স্নিগ্ধ আলোয় যখন আপনি কপাল সিজদায় রাখেন, তখন হৃদয়ের সব অস্থিরতা নিমেষেই শান্তিতে পরিণত হয়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ফজরের নামাজ পড়ল, সে আল্লাহর জিম্মায় চলে গেল।"

ভাবুন তো, যার দিন শুরু হয় আল্লাহর নিরাপত্তায়, তার চেয়ে সৌভাগ্যবান আর কে? ❤️

আজকের ফজর কি আদায় করেছেন?

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Rangpur