25/07/2025
DNA বিস্ময়কর একটা মলিকিউল! প্রতিনিয়তই সে তার ডুপ্লিকেট কপি তৈরী করে, প্রোটিন তৈরী করে। DNA ছাড়া চলেই না। এতসব কাজের মাঝে সে কোনো কোনো সময় ভুল করে বসে, যেটাকে মিউটেশন বলে।
আমরা শারীরিক টেস্ট করার জন্য এক্স-রে করি। অতিরিক্ত এক্স-রে রশ্মির বিকিরণের ফলে কোষের DNA তে ক্ষত সৃষ্টি হয়। আবার সূর্য থেকে অতিরিক্ত আলট্রা ভায়োলেট রে এর বিকিরণের ফলে DNA এর ডাবল হেলিক্সের হাইড্রোজেন বন্ড ভেঙ্গে দেয়। এর কারনে DNA আর স্বাভাবিক কপি করতে পারে না। এটা তো বড়ই সমস্যা! DNA কপি না হলে কোষের মৃত্যু ঘটবে। কোষের মৃত্যু ঘটলে ধীরে ধীরে জীব তথা মানুষেরও মৃত্যু ঘটবে! দেখা যাবে যে, অল্প সমস্যাতেই মানুষের মৃত্যু ঘটবে, জীবকূলের মৃত্যু ঘটবে.........
হ্যাঁ, এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য মহান রব্বে কারীম কোষের মধ্যে নিজস্ব একটা সিস্টেম সেট করে দিয়েছেন যেন ক্ষতিগ্রস্থ DNA গুলো এই সিস্টেমের মাধ্যমে নিজে নিজে মেরামত হয়ে স্বাভাবিক অবস্থা প্রাপ্ত হতে পারে। কি বিস্ময়কর ব্যাপার!!!
বিজ্ঞানীরা এই পদ্ধতিটার নাম দিয়েছেন SOS (Save Our Souls), মানে "আমাদের রক্ষা করুন"।
তো, কে রক্ষা করবে?- কোষের মধ্যে যিনি এই রিপেয়ার সিস্টেম সেট করে দিয়েছেন তিনিই রক্ষাকারী। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা'আলা।
ফা-লিল্লাহিল হামদ
08/07/2025
Honours 4th Year Exam-2023
Course: Agronomy & Horticulture
Date: 08-07-2025
02/05/2025
❝Central Dogma/কেন্দ্রীয় প্রত্যয়❞
প্রোটিন সংশ্লেষণ পদ্ধতি অর্থাৎ DNA এর জেনেটিক সংকেত mRNA তে এবং mRNA থেকে Protein এ বাহিত হওয়ার ঘটনাকে ❝সেন্ট্রাল ডগমা❞ বলে।
সেন্ট্রাল ডগমা ধারণাটি সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেন F.H Crick ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে। ক্রিকের মডেল অনুযায়ী সেন্ট্রাল ডগমা–একমুখী। অর্থাৎ DNA এর জেনেটিক সংকেত mRNA তে বাহিত হয় এবং mRNA থেকে Protein এ বাহিত হয়। Crick আরও বলেন যে, তথ্য একবার Protein এ চলে গেলে তা আর ফিরে আসে না, ❝Once information has passed into protein, it cannot out again.❞
[ DNA→mRNA→Protein ]
সেন্ট্রাল ডগমার ধাপ ২ টি—
1️⃣১ম ধাপ— সেন্ট্রাল ডগমার প্রথম ধাপ কে ❝ট্রানস্ক্রিপশন❞ বলে। এই ট্রান্সক্রিপশনের মাধ্যমে DNA এর জেনেটিক সংকেত mRNA তে পৌঁছায়। এই ধাপে কোডের কোনো পরিবর্তন হয় না। কারণ, DNA এবং mRNA একে অপরের পরিপূরক।
2️⃣২য় ধাপ— সেন্ট্রাল ডগমার দ্বিতীয় ধাপকে ❝ট্রান্সলেশন❞ বলে। এই ধাপে DNA এর জেনেটিক সংকেত mRNA থেকে Protein এ পৌঁছায়। এই ধাপে কোডের পরিবর্তন হয়। নিউক্লিওটাইড ক্রম অ্যামাইনো অ্যাসিড ক্রমে পরিবর্তিত হয়। অ্যামাইনো এসিড পেপটাইড বন্ড দ্বারা পরস্পর যুক্ত হয়ে Protein সংশ্লেষণ ঘটায়। Protein সংশ্লেষণ রাইবোজোমে ঘটে।
এই সমগ্র প্রক্রিয়াটিকে ❝Central Dogma/কেন্দ্রীয় প্রত্যয়❞ বলে।
্ধু
26/09/2024
"উদ্ভিদবিজ্ঞান - Botany" গ্রুপ ও পেইজের পোস্ট ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজাইন সম্পন্ন। এখন থেকে নিয়মিত পোস্ট করা হবে ইনশাআল্লাহ।
বোটানি সম্পর্কিত তথ্যাদি জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।
আর ডিজাইন টি কেমন হয়েছে? কমেন্ট বক্সে জানাবেন...
ধন্যবাদ সবাইকে🌹