Golam Rahman College

Golam Rahman College

Share

Donar, Founder & President of GOLAM RAHMAN COLLEGE is Md.Golam Rahman, Director General, Health Audit Directorate

"Golam Rahman College" is a newly established educational institution that was founded in 2022 with a mission to provide quality education, instill discipline and promote peace. The college's vision is to create a conducive learning environment that fosters academic excellence, personal growth, and social responsibility among its students. By providing a comprehensive and well-rounded education, t

16/06/2026

*জীবনের শেষ ৫টি মিনিট বাকি...*
# # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # #

আমরা প্রতিদিন কতশত পরিকল্পনা করি—নতুন বাড়ি গাড়ি, ক্যারিয়ার, ব্যাংক ব্যালেন্স, আর দুনিয়ার হাজারো আয়োজন। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, যখন আপনার জীবনের শেষ ৫টি মিনিট বাকি থাকবে, তখন আপনার মনের ভেতর ঠিক কী চলবে?

আজ বিজ্ঞান যা আবিষ্কার করছে, তা আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আজ থেকে ১৪০০ বছর আগেই আমাদের জানিয়ে গেছেন। পুরো লেখাটি পড়ার পর আপনার নিজের জীবনকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি চিরতরে বদলে যাবে।

চিকিৎসা বিজ্ঞান ও নিউরোলজির সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, যখন একজন মানুষের হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যায় এবং ডাক্তাররা তাকে 'মৃত' ঘোষণা করেন, তখনও মানুষের মস্তিষ্ক বা ব্রেন সম্পূর্ণ সচল থাকে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মৃত্যুর ঠিক শেষ মুহূর্তগুলোতে ব্রেনের ভেতর 'হালুসিনেশন' বা এক অদ্ভুত স্মৃতির ঝড় ওঠে। মানুষ তখন তার পুরো জীবনের একটা ফ্ল্যাশব্যাক দেখতে পায়। ভালো-মন্দ, আনন্দ-বেদনা—জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত যেন একটা সিনেমার মতো চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ব্রেন তখন বুঝতে পারে যে সে চিরতরে স্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে, আর এই চরম সত্যটি মেনে নেওয়ার সময় মানুষের অনুভূতির তীব্রতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।

ইসলাম কী বলছে? বিজ্ঞান যেখানে আজ এসে পৌঁছাল, ইসলাম আমাদের তা বহু আগেই শিখিয়েছে। মৃত্যুর শেষ ৫মিনিট আসলে দুনিয়া এবং আখেরাতের মাঝখানের এক অদৃশ্য দেয়াল বা 'বারযাখ'-এর সূচনা। এই সময়ে মানুষের চোখের ওপর থেকে দুনিয়ার সমস্ত পর্দা সরিয়ে দেওয়া হয়।

আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন:

"তুমি তো এই দিনটি সম্পর্কে উদাসীন ছিলে, এখন তোমার সামনে থেকে পর্দা সরিয়ে দিয়েছি, ফলে আজ তোমার দৃষ্টি অত্যন্ত তীক্ষ্ণ।"
(সূরা কাফ, আয়াত: ২২)

এই শেষ ৫ মিনিটে একজন মানুষের মাথায় প্রধানত ৩টি বড় চিন্তা বা অনুশোচনা আসে:

১. "হায়! আমি যদি আর একটা মাত্র সাজদা করতে পারতাম!"

মানুষ যখন দেখতে পায় তার হাত-পা আর নড়ছে না, জিহ্বা অবশ হয়ে আসছে, তখন সে চরমভাবে উপলব্ধি করে যে দুনিয়ার যে সম্পদের পেছনে সে ছুটেছিল, তা আজ কোনো কাজে আসছে না। নেক আমল ছাড়া আজ সে সম্পূর্ণ নিঃস্ব।

২. ফেরেশতাদের আগমন ও নিজের ঠিকানা দেখা:

হাদিস শরীফে এসেছে, মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে মানুষের সামনে মালাকুল মউত (আজরাইল আলাইহিস সালাম) এবং তাঁর সাথে অন্যান্য ফেরেশতারা হাজির হন। হযরত বারা ইবনে আজেব (রা.) থেকে বর্ণিত দীর্ঘ হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "কোনো মুমিন বান্দা যখন দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে আখেরাতের দিকে রওনা হয়, তখন আকাশ থেকে উজ্জ্বল ও শ্বেতশুভ্র চেহারার ফেরেশতারা জান্নাতি কাফন ও সুগন্ধি নিয়ে আসেন এবং তার চোখের সীমানা পর্যন্ত বসে যান। অতঃপর মালাকুল মউত এসে বলেন—'হে পবিত্র আত্মা! আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টির দিকে বের হয়ে এসো।' আর যখন কোনো পাপিষ্ঠ বা কাফের বান্দার বিদায়লগ্নে ফেরেশতারা আসেন, তখন তাদের চেহারা থাকে অন্ধকার এবং তারা জাহান্নামের খসখসে কাপড় নিয়ে আসেন..."
(মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নম্বর: ১৮৫৩৪)

এই শেষ কয়েক মিনিটে একজন মানুষ পরিষ্কার দেখতে পায় সে জান্নাতি নাকি জাহান্নামী। জান্নাতি হলে তার আত্মা অত্যন্ত শান্তির সাথে বের হয়ে আসে, আর পাপিষ্ঠ হলে তীব্র যন্ত্রণার সৃষ্টি হয়।

৩. "আমাকে আর একটু সময় দেওয়া হোক!"

মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার ঠিক আগ মুহূর্তে মানুষের মনে তীব্র আকুতি জাগে—যদি আর কয়েকটা মিনিট সময় পাওয়া যেত, তবে নিজের সব গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে খাঁটি তওবা করে নেওয়া যেত। মানুষের মনে হয়, "হায়! আমি যদি আমার সমস্ত সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিয়ে যেতে পারতাম!" কিন্তু ততক্ষণে বড্ড দেরি হয়ে গেছে।

আমাদের জন্য শিক্ষা:

আজ এই লেখাটি যখন আপনি পড়ছেন, আপনার ফুসফুসে এখনও বাতাস আছে, আপনার হৃদপিণ্ড এখনও সচল আছে। তার মানে আপনার সেই শেষ ৫মিনিট এখনও আসেনি। আল্লাহ আপনাকে তওবা করার সুযোগ দিয়েছেন।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "তোমরা বেশি বেশি করে লজ্জত ধ্বংসকারী জিনিসের (অর্থাৎ মৃত্যুর) স্মরণ করো।" (জামে তিরমিযী)

আমরা কি সত্যিই প্রস্তুত সেই মুহূর্তটার জন্য? যখন আজরাইল (আ.) আমাদের সামনে এসে দাঁড়াবেন, তখন আমাদের শেষ চিন্তাটা কী হবে? দুনিয়ার মোহ নাকি আল্লাহর দিদার?

---------------
IFM Desk
---------------

15/06/2026

ভালো ছাত্রদের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য আছে, যেগুলো তাদের আলাদা করে:

*১. কিউরিওসিটি আছে*
শুধু পড়া মুখস্ত করে না। "কেন হলো?" "কিভাবে কাজ করে?" - এই প্রশ্নগুলো করে।

*২. ডিসিপ্লিন + টাইম ম্যানেজমেন্ট*
রাত জেগে সিলেবাস শেষ করে না। রুটিন মেনে পড়ে, সময়কে ভাগ করে নেয়।

*৩. অ্যাকটিভ লিসেনার*
ক্লাসে শুধু বসে থাকে না। টিচারের কথা বুঝে, নোট নেয়, দরকারে প্রশ্ন করে।

*৪. ভুল থেকে শেখে*
খারাপ মার্ক পেলে ভেঙে পড়ে না। খাতা চেক করে বুঝে "কোথায় ভুল হলো" আর পরেরবার সেটা শুধরায়।

*৫. কনসিস্টেন্সি*
পরীক্ষার আগের রাতে না। রোজ একটু একটু করে পড়ে। ছোট ছোট স্টেপেই এগোয়।

*৬. হেল্পিং মাইন্ডসেট*
নিজে বুঝে গেলে বন্ধুকে বোঝায়। পড়া শেয়ার করলে নিজেরও ক্লিয়ার হয়।

*৭. স্ট্রেস ম্যানেজ করে*
পড়ার চাপ নিতে জানে। পড়ার ফাঁকে ব্রেক নেয়, ঘুম-খাওয়া ঠিক রাখে।

মার্কস 100% পাওয়া না, বরং শেখার মনোভাবটাই আসল বৈশিষ্ট্য।

15/05/2026

বাংলাদেশের মানুষ আজাইরা কাজেই বেশি সময় দেয়।
------------------------------------------------

উন্নত দেশ এবং অনুন্নত দেশের পার্থক্য করনের একটি নমুনা আছে এখানে। আপনি খেয়াল করে দেখবেন, বাংলাদেশের মানুষ আজাইরা কাজেই বেশি সময় দেয়।
কেউ গাছ কাটছে, ১০ জন এসে পাশে দাঁড়াই থাকবে। দেখবে কীভাবে গাছ কাটে।
কেউ রাস্তা মেরামত করছে, ২০ জন এসে দেখবে কীভাবে কাজ করা হচ্ছে।
দুজনে মিলে তর্ক-বিতর্ক করছে, এখানে ১০ জন এসে দেখবে কীভাবে তারা ঝগড়া করছে।
এরকম অসংখ্য চিত্র আছে, যা দেখলে মনে হয়, পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবসর মানুষ বাংলাদেশেই অবস্থান করে।
কেউ কেউ বলতে পারেন, কাজ ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা এটা দেখার জন্য মানুষ আসে এবং দাঁড়িয়ে থাকে। না, এটা ভুল। ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা এটা দেখার জন্য আসে না। তারা এমনি ফেল ফেল করে তাকিয়ে থাকে।
বাইরের চীন, জাপান, কুরিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা— ওই সকল দেশের চিত্র দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন, বাংলাদেশের মানুষ কত আকাইম্মা হতে পারে। এরা ভুলেও এসব চিত্র দেখে তাদের সময় নষ্ট করে না। এছাড়া, সমালোচনা আর গীবতের কথা না বলাই ভালো।

-মাহমুদ বিন নূর । নির্বাচিত কলাম

14/04/2026

🎇আসুক আলো,
কেটে যাক আধার,
নতুন বছর হোক
নতুন আশার🌿

গোলাম রহমান কলেজের পক্ষ থেকে নিকট -দূর সকলকে শুভ নববর্ষ ১৪৩৩

Photos from Golam Rahman College's post 26/03/2026

গোলাম রহমান কলেজ-এর পক্ষ থেকে দেশ ও বিদেশের সকল নাগরিককে জানাই মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের রক্তিম শুভেচ্ছা।

"২৬শে মার্চ, আমাদের গর্বের স্বাধীনতা দিবস”। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি সেই সকল বীর শহিদদের প্রতি, যাঁদের মহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন মানচিত্র ও লাল-সবুজের পতাকা।

একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গোলাম রহমান কলেজ নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে বদ্ধপরিকর। আসুন, আজকের এই দিনে আমরা শপথ করি— মেধা ও শ্রম দিয়ে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও 'সোনার বাংলা' হিসেবে গড়ে তুলবো।

20/02/2026

তাঁদের বুকের তাজা খুনে
সূর্য উঠে লাল
রক্ত রাঙা হয় যে পলাশ
কৃষ্ণচূড়ার ডাল।

গোলাম রহমান কলেজের পক্ষ থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

20/01/2026

এই প্রজন্মের গন্ত্যব কোথায়!
--------------------------------------------------------

মোবাইলে আসক্ত এক অস্থির জেনারেশন তৈরি করছি আমরা। বিলিভ অর নট এই জেনারেশনের স্পেসিফিক কোনো লক্ষ্য নাই। এদের আদর্শিক কোনো এমবিশান নাই। পবিত্র কোনো মিশন নাই।
এরা বই পড়ে না, নিউজপেপার পড়ে না। আউটডোর খেলাধুলায়ও এদের অনীহা। সকালে ঘুম থেকে উঠেই ফোন চালায়,আবার ঘুমানোর আগেও ফোন চালায়। রাত-দিন সবসময় ফোন দিয়েই শুরু হয়।
এরা রৌদ্রে হাঁটতে পছন্দ করে না। বৃষ্টিতে ভিজতে চায় না। কাঁদামাটি, ঘাস, লতাপাতায় এদের এলার্জি। এরা আধা কিলোমিটার গন্তব্যে যেতে আধা ঘন্টা রিক্সার জন্য অপেক্ষা করে।
এরা অস্থির। প্রচণ্ডরকম অস্থির এক জেনারেশন।
এরা অপরিচিত সিনিয়রদের সালাম দেবে না। পাশ কাটিয়ে হনহন করে চলে যাবে। অথবা গা ঘেষে পা পাড়া দিয়ে চলে যাবে। সরি বলার টেণ্ডেন্সি এদের মধ্যে নাই। এরা অনর্থক তর্ক জুড়ে দেবে। না পাবেন বিনয়ী ভঙ্গি, না পাবেন কৃতজ্ঞতাবোধ। এদের উদ্ধত আচরণ, সদম্ভ চলাফেরায় আপনি ভয়ে কুকড়ে যাবেন। সংযত হওয়ার উপদেশ দিতে চাইলেই বিপদ, নাজেহাল হওয়ার সম্ভাবনা অধিক।
আপনি পাব্লিক বাসে চড়ছেন, দেখবেন খালি সীটটায় জায়গা পেতে সবচেয়ে জুনিয়র ছেলেটা বেশি প্রতিযোগিতা করবে। আপনাকে ধাক্কাটাক্কা দিয়ে সটান বসে পড়বে। তার বয়সের দ্বিগুন এই আপনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া তেমন কিছু করার থাকে না।
বলছিলাম এই জেনারেশনের কথা। সবচেয়ে ভয়াবহ ফিতনার কথা যে মজলিসে এই জেনারেশন দাঁড়িয়ে থাকার কথা, সেই মজলিসে তারা নিজের জন্য চেয়ার খোঁজ করে। যেখানে চুপ থাকার কথা, সেখানে জ্ঞান দিতে চেষ্টা করে।
সারা রাত ধরে অনলাইনে থাকে, সারা সকাল ঘুমায়। এরা সূর্যোদয় দেখে না, সূর্যাস্ত দেখে না। সূর্যোদয়ে বিছানায় থাকে, সূর্যাস্তে মোবাইলে থাকে।
এরা ফার্স্টফুডে আসক্ত।
এরা আউটডোর খেলা অপছন্দ করে। এরা ইনডোরে স্বস্তি পায়। নিদৃষ্ট করে বললে মূলত অনলাইন গেম তাদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি।
এরা ইতিহাস পড়ে না। সাহিত্য বুঝে না। এরা নজরুল চিনে না, রবীন্দ্রনাথ চিনে না, ফররুখ চিনে না। সাদী, রুমি, হাফিজ ত বহু অচেনা প্রসঙ্গ। এরা বই বুঝে না, বই পড়ে না, বই কিনে না৷
এরা নন-স্কিলড। এরা হাঁটতে পারে না, দৌড়াতে পারে না, গাছে চড়তে জানে না, সাতার কাটতে পারে না। সাগর পাড়ি দেওয়ার সেই দু:সাহসিকতা নাই, পাহাড় কেটে পথ তৈরি করার সেই অদম্য মনোবল নাই। এদের উচ্ছ্বাস নাই। আবেগ নাই। সৎ সাহস নাই। এদের একটাই স্কিল- স্মার্ট ফোন দ্রুত স্ক্রল করতে পারা৷
এদের না আছে মূল্যবোধ, না আছে শ্রদ্ধাবোধ, না আছে শৃঙ্খলাবোধ।
কখন চলতে হবে, কখন থামতে হবে, কখন বলতে হবে, কখন শুনতে হবে এরা জানে না। এরা কি যে জানেনা সেইটাও জানেনা।তবে, সবাই এক নয়। কিছু আলাদা আছে। তবে, বেশিরভাগই এরকম। এটা আমাদেরই ব্যর্থতা নয় কী?

01/01/2026

গোলাম রহমান কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাাই ২০২৬ ইংরেজি নব বর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা। বছরটি দেশ ও জাতির জন্য বয়ে আনুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি , আমিন।

16/12/2025

গোলাম রহমান কলেজের পক্ষ থেকে সকলকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

16/12/2025

পাহাড় থেকে সমুদ্র ,
শান্তি আসুক সর্বত্র।
সকলকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা....!!

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Vill: Purbodebu P. O: Tambulpur P. S: Pirgachha
Rangpur
5450

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00