07/02/2024
মাহফিল শুনতে আসবেন সবাই......
এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইহা মিয়ারহাট বাজারের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত
07/02/2024
মাহফিল শুনতে আসবেন সবাই......
আমাদের পরিচালনাধীন আর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান তা'লীমুল কুরআন আইডিয়াল একাডেমি ও হিফয মাদরাসার শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা।
সকলেই প্রিয় শিক্ষার্থীদের জন্য দোয়া করবেন।
19/12/2023
নিজের কাছে প্রশ্ন সাংবাদিক না হলে কি আমার জেলে থাকতে হতো!
আজ সকালে কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে গিয়েছিলাম পঞ্চগড়ের বাসের টিকিট কাটতে। সাধারনত বৃহস্পতিবার রাতের টিকিট খুবই মুশকিল। অনেক খুঁজেও টিকেট পেলাম না। তাই বাস কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে ভাবছি কী করব!
এমন সময় একজন পুলিশ এসে বলে, তুই কোথায় যাবি?
আমিতো অবাক! একজন পুলিশ অফিসার যাকে আমি চিনি না জানি না হঠাৎ করে এসে আমাকে 'তুই' বলে সম্বোধন করছে।
তারপর আমি সেই পুলিশের কাছে জানতে চাইলাম, ভাই আপনি আমার সাথে তুইতোকারি করছেন কেনো? আমি কি আপনাকে চিনি?
তিনি এবার ভীষণ রেগে গিয়ে বললেন, তাহলে তোকে স্যার ডাকবো?
আমি তাকে বললাম, ভাই স্যার ডাকবেন কেনো, আর একজন অপরিত মানুষকে তুই বলেই বা কেন সম্বোধন করবেন?
সে আরো রেগে গিয়ে বললো, তোমার বাড়ি কোথায়? বললাম, আমার বাসা ঢাকায়। সে এবার প্যাঁচানো শুরু করলো। তারপর আমার গ্রামের বাড়ি কোথায় জানতে চাইলো। তাকে আমার গ্রামের বাড়ির পূর্ণ ঠিকানা দিলাম মৌখিকভাবে। কথা শেষ হতেই সে হঠাৎ করে বলে, চল তোর খবর আছে। এই বলেই আমার ঘাড়ে হাত দিয়ে বলল, চল তোরে থানায় নিয়ে যাবো।
আমি তাকে আমার সাথে বাজে আচরণ করার কারন জানতে চাইলাম। সে কোন উত্তর না দিয়েই আমার কোমরের বেল্ট ধরে দাগী আসামির মতো টানতে লাগলো। তোরে পাইছি আজকে, চল থানায় নিয়ে যাবো তোরে।
ইতোমধ্যে দূর থেকে লোকজন তাকিয়ে দেখছে। অফিসার কে বললাম, আপনি আমাকে থানায় নিবেন নেন, সমস্যা নাই, কিন্তু আমার অপরাধ কী সেইটা তো বলেন।
সে বলল, তোকে সন্দেহ হইছে তাই থানায় নিয়ে যাবো। এই বলে আমার হাতে থাকা মোবাইলটাও ছিনিয়ে নিয়ে নিল।
তাকে আবার বললাম, আপনি আমাকে থানায় নিবেন ভালো কথা কিন্তু আমার ফোন আপনি নিলেন কেন? আমাকে যে থানায় নিচ্ছেন এটা আমার অফিসে ইনফর্ম করতে হবে, কারন আমি অন ডিউটিতে আছি।
সে কোন কথাই শুনলো না, বললো থানায় চল, থানায় গিয়ে কথা হবে।
এই বলে আমাকে টানতে টানতে পুলিশের গাড়ির কাছে নিয়ে গেলো। গাড়ির কাছে যাওয়ার পর আরো দুইতিনজন পুলিশ এগিয়ে আসলো। তারপর আমার ব্যাগ চেক করতে চাইল।
আমি বললাম, ব্যাগ আমি খুলে দিচ্ছি। আপনি আমার ব্যাগে হাত দিতে পারবেন না। পরে অনেক জোড়াজুড়ি করার পর ব্যাগ আমাকে খুলতে দিলো।
আমার ক্যামেরার লেন্স সহ যা যা ছিলো সব বের করলাম। আমার ব্যাগ থেকে প্রফেশনাল আইডি কার্ড বের করে তার সামনে দিলাম। আইডি দেখার পর বুঝতে পারলো যে আমি একজন সাংবাদিক।
পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আমার পিছনে থাকা একজন আমাকে হঠাৎ জড়িয়ে ধরে বললো, ভাই আপনি আগে বলবেন না আপনি সাংবাদিক। তাকে বললাম, ভাই আমার পেশাগত পরিচয়ের আগে আমি একজন মানুষ। তারপর আমি এই দেশের একজন সাধারণ নাগরিক। আপনারা আমার সাথে যা করলেন এতক্ষণ, এমন আচরণ আপনারা করতে পারেন কি না? তাছাড়া বাংলাদেশের কোন আইনে আছে কোনো ক্লু ছাড়া, নোটিশ কিংবা ওয়ারেন্ট ছাড়া এভাবে টানতে টানতে থানায় নিয়ে যাওয়া, তল্লাশির নামে এভাবে হয়রানি করা? কথাবার্তা নাই এসেই তুইতোকারি করা, বলুন আমাকে এটা কোন ধরনের প্রফেশনালিজম?
আপনি কোন ভাবেই আমার সাথে এমন আচরণ করতে পারেন না।
পরে তিনি বার বার স্যরি বলে মাফ চাচ্ছে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষয়টা দারুস সালাম থানার ওসিকে ইনফর্ম করা হয়।
রাতে বাসায় ফিরতে ফিরতে বিষয়টা নিয়ে ভাবলাম। আমি পেশায় একজন সাংবাদিক বলে এরা আমাকে নিয়ে আর ঘাঁটলো না। কিন্তু আমার জায়গায় কোনো সাধারণ মানুষ হলে হয়তো এতোক্ষণে অস্ত্র কিংবা মাদক মামলা ঠুকে জেলে চালান করে দেয়ার ব্যবস্থা করে ফেলত।
এই ঘটনাটাকে স্বাভাবিকভাবে নেয়া যেত। কিন্তু এটা মোটেও তেমন না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়োজিত করা হয়েছে মানুষের নিরাপত্তার জন্যে, সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে। কিন্তু এদের নিয়ে সাধারন মানুষের আতংকের শেষ নেই। সাধারণ একজন নাগরিকের নাগরিক অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য কি তাকে পুলিশ বা সাংবাদিক হতে হবে? সাধারণ একটা জীবনের কোনো দাম নাই?
জীবন আহমেদ
ফটো সাংবাদিক, দৈনিক মানবজমিন
(ফাইল ফটো)
দুনিয়ার নিকৃষ্ট জীব হলো পুলিশ! এজন্যই পুলিশকে ঘৃণা করি।
বিঃদ্রঃ যে সকল পুলিশ এখনো মানবিক আছেন তাদেরকে আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দান করুক।
মদিনার মসজিদ থেকে ইথারের ডানায় ভর করে ছড়িয়ে পড়ল ফজরের আজানের মোহনীয় সুর। মুসল্লিরা একে একে ছুটে চলেছেন মসজিদের দিকে। নামাজের ইমামতি করবেন অর্ধেক পৃথিবীর খলিফা, ইতিহাসের এক শ্রেষ্ঠ রাজনীতিক উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিআল্লাহু আনহু। কিছুক্ষণ বাদে নামাজ শুরু হলো। এই সময়টির অপেক্ষাই যেন করছিল আবু লুলু ফিরোজ! লুকিয়ে রাখা ছুরি বের করে পরপর ছয়টি আঘাত করল অর্ধ জাহানের শাসকের শরীরে।
তিনদিন শয্যাশায়ী থাকার পর শাহাদাত বরণ করলেন খলিফা। ইতিহাসের একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের যবনিকাপাত ঘটল। মক্কার নাম না জানা সাধারণ এক যুবককে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিয়ে এসেছিলেন পাদপ্রদীপের আলোতে। শাহাদাতের মাধ্যমে তাঁর বিদায় হলো বটে, তবে অনাগত পৃথিবীর রাজনীতিকদের জন্য রেখে গেলেন কিছু বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত। আজও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা তাঁর শাসনকাল নিয়ে গবেষণা করে করে গলদঘর্ম হচ্ছেন। জনগণের দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় শাহাদাতের ঘটনা সেটিই কি প্রথম? ইতিহাস ভালো বলতে পারবে।
তৃতীয় খলিফা উসমান ইবনে ইবনে আফফান রাদিআল্লাহু আনহুর খিলাফতের একদম অন্তিম সময়। সবকিছু ভীষণ টালমাটাল। বিদ্রোহীরা খলিফার বাড়ির পানি সরবরাহ পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছে। প্রথম খলিফার ছেলে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকরসহ কয়েকজন ঢুকে পড়ল খলিফার বাসভবনে। মুহাম্মদ গিয়ে বৃদ্ধ খলিফার দাড়ি চেপে ধরল। খলিফা বললেন, 'বেটা! তুমি যে দাড়ির সঙ্গে বেয়াদবি করছো, সে দাড়িকে তোমার বাবাও সম্মান করতেন।' মুহাম্মদ সম্বিত ফিরে পেলো এবং সরে গেল সেখান থেকে।
বিদ্রোহীরা খলিফার মাথায় তিনটি আঘাত করল। গলগল করে বেরিয়ে এলো রক্ত। এরপর কোপাতে শুরু করল। কোপ ঠেকাতে তিনি হাত এগিয়ে দিলেন। কেটে গেল হাত। খলিফা বিদ্রোহীদের উদ্দেশ্য করে বললেন, 'তোমরা যে হাতে আঘাত করলে, সে হাত প্রথম কুরআন সংকলন করেছিল।' এরপর শহীদ করা হলো ইসলামের তৃতীয় খলিফাকে; যাঁকে দেখলে ফেরেশতারাও লজ্জা পেতেন। জনগণের দায়িত্বরত অবস্থায় শহীদ হন চতুর্থ খলিফা আলী রাদিআল্লাহু আনহু-ও।
লেখা: লাবিব আহসান।
(পায়রাবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ মো: মাহবুবার রহমান এর গর্বিত সন্তান।)
23/10/2023
আলহামদুলিল্লাহ্।
আগামী-২৭,২৮,২৯ অক্টোবর-২০২৩ইং তিনদিনের ফ্রি যাচাই ক্লাসের মধ্য দিয়ে SSC ও দাখিল প্রস্তুতি ব্যাচ-২০২৪ এর পাঠদান কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
তিনদিনের ফ্রি যাচাই ক্লাস সকল শিক্ষার্থীদের জন্য উম্মুক্ত।
২০২৪ সালের SSC ও দাখিল পরিক্ষার্থী বন্ধুদের প্রতি আহ্বান,কোথাও ভর্তি হওয়ার পূর্বে আমাদের ফ্রি যাচাই ক্লাসে উপস্থিত হয়ে তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিও।
তোমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি যেন গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যের মধ্যে দিয়ে সম্পন্ন হয় সেই প্রত্যাশায়-
মোঃকামরুজ্জামান
পরিচালক-মিয়ারহাট কোচিং সেন্টার।
18/10/2023
সাফল্যের ১১তম বর্ষে মিয়ারহাট কোচিং সেন্টার।শিক্ষার্থীদের মেধার পূর্ণ বিকাশ সাধনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় কোচিং সেন্টারটি।শিক্ষার্থীদের মেধা পরিস্ফুটিত হওয়ার অনন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।প্রতিষ্ঠানটি এলাকার শিক্ষার্থীদের মেধাকে শাণিত করে বিগত বছরগুলোতে SSC পরিক্ষাগুলোতে ঈর্ষান্বিত ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয়।
তারই ধারাবাহিকতায় SSC-2024 পরিক্ষার্থীদের জন্য মিয়ারহাট কোচিং সেন্টার-এ চূড়ান্ত প্রস্তুতি ব্যাচ এ বিজ্ঞান ও মানবিক শাখায় ক ও খ গ্রুপে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি চলছে।
★এই কোর্সে শিক্ষার্থীদেরকে মানবিক ও বিজ্ঞান শাখার সকল বিষয়ের সম্পূর্ণ নতুন সিলেবাসের আলোকে দক্ষ ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পাঠদান করা হবে।
★সু -যোগ্য,দক্ষ ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা ১৮টি বিষয়ে পাঠদান প্রদান করা হবে।
★প্রতিটি বিষয়ের অধ্যায় ভিত্তিক লিখিত ও নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা গ্রহণ এবং সমাধান মূলক ক্লাস প্রদান।
★বিষয়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সমূহের লেকচারশীট প্রদান।
★সকল বিষয়ের সর্বোচ্চ সংখ্যক পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট গ্রহণের মাধ্যমে ফাইনাল পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদেরকে প্রস্তুুত করা।
★ফলে এই কোর্সটি শিক্ষার্থীদের SSC চূড়ান্ত পরীক্ষার প্রিপারেশনের জন্য যথেষ্ট।
®কোচিং এর মান যাচাইয়ের জন্য থাকছে ২২,২৩ এবং ২৪ শে অক্টোবর ফ্রি যাচাই ক্লাস যা সকল শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত।
তাই অন্য কোনো কোচিং এ ভর্তি হওয়ার পূর্বে আমাদের ফ্রি যাচাই ক্লাস গুলোতে উপস্থিত হয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।
বিঃ দ্রঃ- ৬ষ্ঠ শ্রেণি হতে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত একাডেমিক কোচিং এ ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি চলছে।
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ-
মোঃ কামরুজ্জামান(কামরুল)
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
মিয়ারহাট কোচিং সেন্টার।
মিয়ারহাট,মিঠাপুকুর,রংপুর।
☎️01724-389985/01739-264641
25/06/2023
ইম্পেরিয়াল পাবলিক স্কুল-মিয়ারহাট এর সম্মানিত সভাপতির পক্ষ হতে ঈদ শুভেচ্ছা
| Monday | 08:00 - 17:00 |
| Tuesday | 08:00 - 14:00 |
| Wednesday | 08:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 08:00 - 17:00 |
| Sunday | 08:00 - 17:00 |