SSC বাংলা ২য় পত্র: বাচ্য চেনার শর্টকাট 📌
▶️ কর্তৃবাচ্য (কর্তা প্রধান): সাধারণ বাক্য, কর্তায় কোনো বিভক্তি থাকে না।
* উদাহরণ: আমি ভাত খাই।
▶️ কর্মবাচ্য (কর্ম প্রধান): কর্তার সাথে ‘দ্বারা/দিয়া/কর্তৃক’ যুক্ত থাকে।
* উদাহরণ: আমার দ্বারা ভাত খাওয়া হলো।
▶️ ভাববাচ্য (ক্রিয়া প্রধান): কর্তায় ‘র/এর’ বিভক্তি থাকে, কোনো কর্ম থাকে না।
* উদাহরণ: আমার খাওয়া হলো না।
📕ঝটপট রূপান্তর:
* কর্তৃ ➔ কর্ম: কর্তায় ‘দ্বারা/দিয়া’ বসাও (পুলিশ চোর ধরেছে ➔ পুলিশ কর্তৃক চোর ধৃত হয়েছে)।
* কর্তৃ ➔ ভাব: কর্তায় ‘র/এর’ বসাও (আমি যাব না ➔ আমার যাওয়া হবে না)।
(সেভ করে রাখো পরীক্ষার রিভিশনের জন্য! 📚)
Basic Campus
Basic Campus is an educational page where you can get 6 to 12 all academic classes. Our Mission: Gain knowledge and improve yourself
📚 এইচএসসি বাংলা ১ম পত্র: ‘নেকলেস’
(পরীক্ষার মোস্ট ইম্পর্টেন্ট তথ্য)
* লেখক ও অনুবাদক: মূল ফরাসি গল্প ‘La Parure’-এর লেখক গী দ্য মোপাসাঁ এবং বাংলা অনুবাদক পূর্ণেন্দু দস্তিদার।
* প্রধান চরিত্র: মাতিলদা(উচ্চাকাঙ্ক্ষী নারী), তাঁর স্বামী লুইসেল (শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কেরানি) এবং বান্ধবী মাদাম ফোরেস্টিয়ার।
* বলনাচের নিমন্ত্রণ: শিক্ষা মন্ত্রী রামপোনো এবং তাঁর স্ত্রীর পক্ষ থেকে প্যারিসের সরকারি ভবনে বলনাচের (Ball Dance) নিমন্ত্রণ পান।
* পোষাক ও অলংকার: মাতিলদা পোষাকের জন্য স্বামীর জমানো ৪০০ ফ্রাঁ নেন এবং বান্ধবীর কাছ থেকে একটি হিরের নেকলেস ধার করেন।
* হারানোর ঘটনা: ১৮ই জানুয়ারি রাতে বলনাচ শেষে ট্যাক্সিতে করে বাড়ি ফেরার পথে নেকলেসটি হারিয়ে যায়।
* নতুন নেকলেস ক্রয়: হারানো হারের বদলে প্যালেস রয়েলের দোকানে ঠিক একই রকম একটি নেকলেস পাওয়া যায়, যার দাম ছিল ৩৬ হাজার ফ্রাঁ।
* ১০ বছরের কষ্ট ও ঋণ শোধ: ১৮ হাজার ফ্রাঁ সুদে ঋণ নিয়ে এবং নিজেদের বাড়ি ছেড়ে দিয়ে ১০ বছর ধরে কঠোর পরিশ্রমে সেই ঋণ পরিশোধ করা হয়।
* গল্পের চমকপ্রদ শেষ: ১০ বছর পর মাদাম ফোরেস্টিয়ারের সাথে দেখা হলে জানা যায়, আসল ধার করা নেকলেসটি ছিল মেকি বা নকল, যার সর্বোচ্চ দাম ছিল ৫০০ ফ্রাঁ!
* মূল শিক্ষা: অহেতুক লোকদেখানো মানসিকতা ও অলীক বিলাসিতা মানুষের বাস্তব জীবনকে ধ্বংস করে দেয়।
💡 ১ মিনিটে রিভিশনের জন্য পোস্টটি সেভ করে রাখো এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দাও!
📚 এইচএসসি বাংলা ১ম পত্র: ‘গন্তব্য কাবুল’
(মোস্ট ইম্পর্টেন্ট তথ্য)
▶️লেখক ও উৎস: সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী ‘দেশে বিদেশে’ গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
▶️ যাত্রার শুরু: লেখক কলকাতা থেকে ‘হাউড়া-পেশোয়ার এক্সপ্রেসে’ চড়ে প্রথম পেশোয়ারে পৌঁছান।
▶️ উষ্ণ অভ্যর্থনা: পেশোয়ার স্টেশনে তাঁকে সংবর্ধনা জানান শেখ আহমদ আলী, যার আতিথেয়তাকে লেখক ‘নির্ঝলা আন্তরিক’ বলেছেন।
▶️ ঐতিহাসিক পথ: পেশোয়ার থেকে কাবুল যাওয়ার পথে দুর্গম ও ঐতিহাসিক ‘খাইবার গিরিপথ’ অতিক্রম করতে হয়।
▶️ সীমান্ত অতিক্রম: আফগানিস্তান সীমান্তে প্রবেশ করতে ল্যান্ডিকোটাল সীমান্ত পাড়ি দিতে হয়েছিল।
▶️ রাতের অভিজ্ঞতা: কাবুলগামী বাসের চালক সর্দারজি রাতে চোখে কম দেখতেন (রাতকানা ছিলেন), তাই মাঝপথেই বাস থামিয়ে রাত কাটাতে হয়।
▶️ গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ: “ইওম উস সফর, নিস্ফ উস সফর” — যার অর্থ ‘যাত্রার দিনই ভ্রমণের অর্ধেক কাজ শেষ হয়ে যায়’।
▶️ মূল বিষয়বস্তু: আফগানদের দুর্গম পাহাড়ি পরিবেশ, রুক্ষ প্রকৃতি এবং একই সাথে তাদের দারুণ আতিথেয়তা ও আন্তরিকতার চিত্র।
💡 ১ মিনিটে রিভিশনের জন্য পোস্টটি সেভ করে রাখো এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দাও!
📚 SSC বাংলা ১ম পত্র: ‘জীবন ও বৃক্ষ’
(১ মিনিটে MCQ ও CQ এর মোস্ট ইম্পর্টেন্ট ট্রিকস)
পরীক্ষায় শতভাগ কমন পাওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো একনজরে দেখে নাও:
🔥 ১. মূল তথ্য ও পরিচয়
▶️ লেখক: মোতাহের হোসেন চৌধুরী।
▶️ উৎস: ‘সংস্কৃতি কথা’ প্রবন্ধ গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
▶️ মূল ভাব: বৃক্ষের মতো নীরব বৃদ্ধি, সৌন্দর্য এবং বিলিয়ে দেওয়ার মানসিকতাই মানুষের প্রকৃত সার্থকতা।
🔥 ২. পরীক্ষায় বারবার আসা গোল্ডেন পয়েন্ট
▶️ বৃক্ষের চরম সার্থকতা: নদীর সাথে নয়, বরং ‘ফুলে ও ফলে’ বৃক্ষের সাধনার রূপ ফুটে ওঠে।
▶️ অহংকারহীন সেবা: বৃক্ষ মাটির রস গ্রহণ করে বৃদ্ধি পায় এবং নীরবে ফুল-ফল উপহার দেয়, কোনো অহংকার করে না।
▶️ মানবজীবনের সাথে তুলনা: মানুষের জীবনে কেবল বেঁচে থাকা (জীবধর্ম) মূল কথা নয়, আত্মবিকাশ ও পরোপকার (মানবধর্ম) করাই আসল।
▶️ উপসংহারের শিক্ষা: বাহ্যিক আনন্দের চেয়ে অন্তরের ‘বিকাশ ও মুক্তি’ লাভ করাই মানবজীবনের চরম লক্ষ্য।
💡 ১ মিনিটে রিভিশনের জন্য পোস্টটি সেভ করে রাখো এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দাও!
📚 SSC বাংলা ২য় পত্র: অনুনাসিক ও পরাশ্রয়ী বর্ণ
(১ মিনিটে MCQ কনফার্ম করার ট্রিক)
পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ অধ্যায়ের এই অংশ থেকে হুবহু কমন আসা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও শর্টকাট:
🔥 ১. অনুনাসিক বা নাশিক্য বর্ণ (৫টি)
* বর্গের ৫ম বর্ণগুলোকে অনুনাসিক বর্ণ বলে— ঙ, ঞ, ণ, ন, ম।
* এগুলো উচ্চারণের সময় বাতাস মুখ ও নাক দিয়ে একসাথে বের হয়।
🔥 ২. পরাশ্রয়ী বর্ণ (৩টি)
* ং (অনুস্বার), ঃ (বিসর্গ), ঁ (চন্দ্রবিন্দু)— এই ৩টি বর্ণ একা একা উচ্চারিত হতে পারে না, সবসময় অন্য বর্ণের আশ্রয়ে বসে। তাই এদের পরাশ্রয়ী বর্ণ বলে।
🔥 ৩. বিসর্গ (ঃ) এর বিশেষ রূপ
* বিসর্গ মূলত ‘হ’ অথবা ‘স’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
(যেমন: নমঃ → নমস্, প্রাতঃ → প্রাতহ্)
🔥 ৪. যুক্তবর্ণের গোপন রূপ (পরীক্ষায় আসা মোস্ট ইম্পর্টেন্ট ৩টি)
* ক্ষ = ক্ + ষ
* জ্ঞ = জ্ + ঞ
* হ্ম = হ্ + ম
💡 ১ মিনিটে রিভিশনের জন্য পোস্টটি সেভ করে রাখো এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দাও!
📚 SSC বাংলা ২য় পত্র: স্বরধ্বনি ও স্বরবর্ণ (১ মিনিটে MCQ ১০০% কমন ট্রিক)
পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ অধ্যায়ের স্বরধ্বনি অংশ থেকে বারবার আসা মোস্ট ইম্পর্টেন্ট প্রশ্ন ও শর্টকাট:
🔥 ১. মৌলিক স্বরধ্বনি (৭টি)
* বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট ৭টি— অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা।
(মনে রাখো: 'অ্যা' ধ্বনিটির নিজস্ব কোনো স্বরবর্ণ বা বর্ণরূপ নেই!)
🔥 ২. যৌগিক স্বরধ্বনি ও স্বরজ্ঞাপক বর্ণ
* যৌগিক স্বরধ্বনি: মোট ২৫টি।
* যৌগিক স্বরবর্ণ: মাত্র ২টি— ঐ (অ + ই) এবং ঔ (অ + উ)।
🔥 ৩. উচ্চারণের স্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি
* কণ্ঠ্য/জিহ্বামূলীয়: অ, আ
* তালব্য: ই, ঈ
* ওষ্ঠ্য: উ, ঊ
* মূর্ধন্য: ঋ
* কণ্ঠতালব্য: এ, ঐ
* কণ্ঠোষ্ঠ্য: ও, ঔ
🔥 ৪. মাত্রা অনুযায়ী স্বরবর্ণ ভাগ (১১টি)
* পূর্ণমাত্রা (৬টি): অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ
* অর্ধমাত্রা (১টি): ঋ
* মাত্রাহীন (৪টি): এ, ঐ, ও, ঔ
💡 ১ মিনিটে রিভিশনের জন্য পোস্টটি সেভ করে রাখো এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দাও!
📚 SSC বাংলা ২য় পত্র: ধ্বনি ও বর্ণ (১ মিনিটে রিভিশন ও শর্টকাট)
পরীক্ষার নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)-তে ১ নম্বর নিশ্চিত করার সেরা আলটিমেট ট্রিকস:
🔥 ১. স্পর্শ বা স্পৃষ্ট বর্ণ (২৫টি)
* ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি বর্ণকে স্পর্শ বর্ণ বলে।
* ক-বর্গ (ক, খ, গ, ঘ, ঙ): কণ্ঠ্য ধ্বনি
* চ-বর্গ (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ): তালব্য ধ্বনি
* ট-বর্গ (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ): মূর্ধন্য ধ্বনি
* ত-বর্গ (ত, থ, দ, ধ, ন): দন্ত্য ধ্বনি
* প-বর্গ (প, ফ, ব, ভ, ম): ওষ্ঠ্য ধ্বনি
(ট্রিক: ক-চ-ট-ত-প বা "কচটতপ" দিয়ে সারির নাম মনে রাখবে!)
🔥 ২. ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনি
* অঘোষ (কম কাঁপে): বর্গের ১ম ও ২য় বর্ণ (যেমন: ক, খ / চ, ছ)
* ঘোষ (বেশি কাঁপে): বর্গের ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম বর্ণ (যেমন: গ, ঘ, ঙ / জ, ঝ, ঞ)
🔥 ৩. অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি
* অল্পপ্রাণ (বাতাস কম ছাড়ায়): বর্গের ১ম ও ৩য় বর্ণ (যেমন: ক, গ)
* মহাপ্রাণ (বাতাস বেশি ছাড়ায়): বর্গের ২য় ও ৪র্থ বর্ণ (যেমন: খ, ঘ)
🔥 ৪. তাড়নজাত, কম্পনজাত ও শিস ধ্বনি
* কম্পনজাত ধ্বনি: র (জিভ কাঁপে)
* তাড়নজাত ধ্বনি: ড়, ঢ়
* পার্শ্বিক ধ্বনি: ল (বাতাস দুপাশ দিয়ে বের হয়)
* উষ্ম বা শিস ধ্বনি: শ, ষ, স, হ
💡 ১ মিনিটে রিভিশনের জন্য পোস্টটি সেভ করে রাখো এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দাও!
📚 SSC বাংলা ২য় পত্র: সন্ধি
(পরীক্ষায় নিশ্চিত কমন আসা উদাহরণ)
🔥 টেকনিক ১: ‘ং’ (অনুস্বার) থাকলেই ‘ম্’ বসাবে
* সংবাদ = সম্ + বাদ
* সঞ্চয় = সম্ + চয়
* সংসার = সম্ + সার
* সন্ধ্যা = সম্ + ধ্যা
🔥 টেকনিক ২: ‘চ্ছ’ থাকলে ‘চ’ বাদ দিয়ে সরাসরি ‘ছ’ বসাবে
* পরিচ্ছেদ = পরি + ছেদ
* একচ্ছত্র = এক + ছত্র
* অনুচ্ছেদ = অনু + ছেদ
* বৃক্ষছায়া = বৃক্ষ + ছায়া
🔥 টেকনিক ৩: ‘জ্জ’ বা ‘চ্ছন্ন’ দ্বিত্ব থাকলে ১ম বর্ণে ‘উৎ’ (ত্) বসাবে
* উজ্জ্বল = উৎ + জ্বল
* সজ্জন = সৎ + জন
* উচ্ছেদ = উৎ + ছেদ
🔥 টেকনিক ৪: ‘ও’ (ো) কার থাকলে তা ‘বিসর্গ’ (ঃ) হয়ে যাবে
* মনোরম = মনঃ + রম
* তপোবন = তপঃ + বন
* শিরোমণি = শিরঃ + মণি
💡 ১ মিনিটে রিভিশনের জন্য পোস্টটি সেভ করে রাখো এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দাও!
📚 HSC বাংলা ১ম পত্র: ‘অর্ধাঙ্গী’
(একনজরে রিভিশন)
পরীক্ষার সেরা প্রস্তুতির জন্য বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘অর্ধাঙ্গী’-র মূল তথ্য ও টেকনিকগুলো নিচে দেখে নাও:
🔥 একনজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
▶️* লেখিকা: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
▶️* উৎস: ‘মতিচূর’ (১ম খণ্ড)
▶️* মূল বিষয়বস্তু: নারী-পুরুষের সমঅধিকার, নারীশিক্ষা ও সামাজিক সচেতনতা
🎯 মূল বক্তব্য ও মূলভাব
▶️অর্ধাঙ্গী শব্দের অর্থ: ‘অর্ধ অঙ্গ’ বা সমান অংশীদার।
▶️গাড়ির দুই চাকা রূপক: সমাজ যদি একটি গাড়ি হয়, তবে পুরুষ ও নারী তার দুটি চাকা। এক চাকা পঙ্গু থাকলে যেমন গাড়ি চলতে পারে না, তেমনি নারীকে পিছিয়ে রেখে সমাজ এগোতে পারে না।
▶️পঙ্গুত্ব ও পিছিয়ে থাকা: লেখিকা দেখিয়েছেন যে, নারীদের অলস ও শিক্ষা-দীক্ষাহীন করে রাখার কারণে তারা সমাজে পুরুষের ওপর নির্ভরশীল ও পঙ্গু হয়ে পড়েছে।
▶️সমাধান: নারীশিক্ষা প্রসার ও মানসিক দাসত্ব থেকে মুক্তির মাধ্যমেই কেবল নারীর প্রকৃত সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
💡 ১ মিনিটে পুরো প্রবন্ধের রিভিশন দিতে পোস্টটি সেভ করে রাখো এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দাও!
📚 HSC বাংলা ১ম পত্র: ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ (একনজরে মোস্ট ইম্পর্টেন্ট তথ্য)
লেখক শওকত আলী-র লেখা ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ ছোটগল্প থেকে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় মূল তথ্যগুলো দেখে নাও:
✍️ একনজরে মূল তথ্য
🔼লেখক: শওকত আলী
🔼প্রধান চরিত্র: কপিলদাস মুর্মু (একজন বৃদ্ধ সাঁওতাল)
🔼মূল পটভূমি: ভূমির অধিকার হারানো ও উচ্ছেদ আতঙ্কে থাকা সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর আত্মমর্যাদা এবং অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম।
🔥 কপিলদাস মুর্মুর ‘শেষ কাজ’ ও মূল ভাব
▶️ভূমির অধিকার রক্ষা: মহাজন ও শোষকদের কারণে নিজেদের ভিটেমাটি হারিয়ে যখন সাঁওতাল জাতি উচ্ছেদের মুখোমুখি, তখন যুবকরা ভয় ও দ্বিধায় নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে।
▶️বার্ধক্যকে জয় করে প্রতিরোধ: কপিলদাস বয়সের ভারকে পেছনে ফেলে নিজের পুরোনো তীর-ধনুক হাতে তুলে নেন।
▶️প্রতিরোধের প্রতীক (শেষ কাজ): অন্ধকারের দিকে একে একে নিশানা করে তীর ছুড়ে তিনি নিজের জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার আপসহীন লড়াই চালিয়ে যান।
▶️মূল বার্তা: ‘লড়াইয়ের কোনো বয়স নেই’। মাটি ও নিজস্ব অস্তিত্ব রক্ষার এই নিরন্তর সংগ্রামই ছিল কপিলদাস মুর্মুর জীবনের শেষ ও শ্রেষ্ঠ কাজ।
💡 ১ মিনিটে রিভিশনের জন্য পোস্টটি সেভ করে রাখো এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দাও!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Alamnagar Station Road
Rangpur
5402