B.T high school- Baghaichari

B.T high school- Baghaichari

Share

B.T High School is a popular School in Baghaichari.In 1985,It was established at Korengatali.

01/11/2024

স্কুলের বিভিন্ন কার্যক্রম পেইজে পোস্ট করার জন্য কয়েকজন এডমিন দরকার। স্কুলের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক অথবা কোন ছাত্রছাত্রী আগ্রহী হলে পেইজের ইনবক্সে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা গেলো।
সমসাময়িক বিভিন্ন কার্যক্রম পেইজে পোস্ট হলে স্কুলের পরিচিতি বৃদ্ধি পাবে এবং অনেকেই উপকৃত হবে আশা করছি।

02/04/2024

📢সুখবর!~সুখবর! ~সুখবর!📢
=================
সবাইকে ঝু ঝু/ নমস্কার
সুপ্রিয় সহপাঠীগণ!
বি.টি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের এসএসসি ব্যাচদের জন্য সুখবর!
মিলন মেলা এবং পিকনিক , যেটি আমরা প্রথমবারের মত করতে চলেছি। এই মিলন মেলা বা পিকনিকের মাধ্যমে আমরা আমাদের সেই ৫ বছর একসাথে কাটানো সুন্দর সোনালি অতীত গুলো স্মরণ করতে পারবো। নতুন করে সবাই একত্রিত হয়ে সুখ দুঃখের কথা শেয়ার করে এবং মিলেমিশে আনন্দ উপভোগ করতে পারবো। উক্ত আয়োজিত ১ম পিকনিক টা যদি আমরা সাফল্যমন্ডিত করতে পারি, তাহলে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতে প্রতি বছর পিকনিক আয়োজন করে ঐতিহ্য হিসেবে ধরে রাখতে পারবো। তাই আসুন সবাই একমত হয়ে, সেই সোনালি অতীতগুলো পূনঃউজ্জীবিত করে তোলার জন্য সকলে উৎসুক হয়ে উঠি।

এসো হে বন্ধুগণ, আমরা যে যেখান থেকে পারি আয়োজিত পিকনিকে অংশ নিতে দৃঢ় মানসিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করি।
পরিশেষে আবারও সকলকে পাশে থাকার অনুরোধ রইল।

✅আগামী ১১এপ্রিল ২০২৪ইং রোজ বৃহস্পতিবার পিকনিক আয়োজন করা হয়েছে।

🏖️পিকনিকের স্থান: বি.টি হাই স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণ।
📝রেজিষ্ট্রিশন ফি: ৬০০ টাকা
🕐রেজিষ্ট্রেশন সময়: আগামী ৩০শে মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত।

🛂রেজিষ্ট্রেশন করুন-
✅মানস চাকমা( রাঙ্গামাটি) - 01825718029 ( বিকাশ)
✅নলেজ চাকমা( মারিশ্যা) - 01673589971 ( বিকাশ)
✅জিবন শান্তি চাকমা( চিটাগাং)- 01873797464 ( বিকাশ/ নগদ/ রকেট)।

⚠️বিশেষ নির্দেশনা বার্তা⚠️

✅নগদ, বিকাশ, রকেটে টাকা পে করার সময় অবশ্যই খরচ সহ পে করতে হবে।
✅টাকা পাঠানোর আগে কল দিয়ে অথবা পরে মেসেজ দিয়ে নিশ্চিত করে নিতে হবে।
✅ টি- শার্ট সাইজ বলে দিতে হবে।

ধন্যবাদান্তে-
২০১৮ এসএসসি ব্যাচ।

#এডমিন_পোস্ট

24/08/2022

❤️❤️❤️

Photos from B.T high school- Baghaichari's post 13/01/2021

নতুন নির্মাণাধীন ভবনের কাজ চলছে প্রিয় বিদ্যাপীঠে।

13/03/2020

"হৃদয়ে বাঘাইছড়ি " নামক একটি অরাজনৈতিক, সেবামূলক সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় আগামী রবিবার বি.টি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে একটা ব্লাড গ্রুপ ক্যাম্পিং হতে যাচ্ছে। আপনারা যারা নিজেদের ব্লাড গ্রুপ কি জানেননা বা কখনো পরীক্ষা করে দেখেননি, তাদের জন্য বড় সুযোগ। মাত্র বিশ টাকা ফি দিয়ে আপনারা নিজেদের ব্লাড গ্রুপ জেনে নিতে পারবেন। আশা করব যাদের সম্ভব হয় তারা রবিবার এসে নিজেদের ব্লাড গ্রুপ জেনে নিবেন।

বর্তমান এই সময়ে নিজের রক্তের গ্রুপ জেনে রাখা অতিব জরুরি একটা ব্যাপার। যেকোন সময় আপনার রক্তের প্রয়োজন হতে পারে বা আপনার গ্রুপের রক্ত অন্যের দরকার হতে পারে,রক্ত দান করে একটি জীবন ও বাচাতে পারেন।
তাই আসুন সবাই সচেতন হই,রক্তের গ্রুপ জেনে নিই।

#বিঃদ্রঃ- বিশ টাকা ফি টা সংগঠনটির সামগ্রিক কিছু খরচ এবং সামাজিক কর্মকান্ডে ব্যায় করা হবে।

17/12/2019

স্কুলের সমসাময়িক কর্মকান্ড নিয়ে পোষ্ট করার জন্য কিছু স্টুডেন্ট দরকার যারা বর্তমানে স্কুলে অধ্যয়নরত আছে। যারা যারা আগ্রহী তারা কমেন্ট করবেন।

ধন্যবাদ

Photos from B.T high school- Baghaichari's post 03/06/2019

#প্রাণের_বিদ্যালয় 😍😍
বি.টি উচ্চ বিদ্যালয়
বাঘাইছড়ি, রাংগামাটি পার্বত্য জেলা।

PHOTO_CREDIT - MD ISMAIL HOSEN
2013 BATCH.

14/05/2019

বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্যতম সেরা একটি বিদ্যালয় হচ্ছে আমাদের এই বি.টি উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয় যেমনি সেরা তেমনি এই বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ও সেরা সেটা বলতে দ্বিধা নেই।কারণ এই বিদ্যালয় থেকে পাশ করে অনেক শিক্ষার্থী সফল হয়েছেন,অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন,অনেকে সরকারি চাকরি করছেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি এই বিদ্যালয়ের কিছু স্টুডেন্ট এখনো মূর্খ রয়ে গেছেন। তারা এই পেইজে মেসেজ দেন তাদের ছবি দিয়ে সাথে আবার বিভিন্ন হাস্যকর ক্যাপশন ও দেন। আজকে একজন মেসেজ দিলো হাই জানু লিখে🤣🤣

এই পেইজ টা খুলেছিলাম সবার সুবিধার জন্য,যেন স্কুলের কোন খবরাখবর আমরা এই পেইজের মাধ্যমে পেতে পারি। সবাই সবার সাথে যোগাযোগ করতে পারি। কিন্তু এইটা আসলে মোটেও হচ্ছেনা। আমি আশা রাখব,আপনারা শিক্ষনীয় কিছু এই পেইজে পোস্ট করেন,স্কুল সম্পর্কিত যেকোন তথ্য এখানে পোষ্ট করেন কিন্তু দয়া করে কোন আজেবাজে মেসেজ বা পোষ্ট দিবেন না। আর এরকম কেউ করলে নেক্সট টাইম থেকে পেইজ থেকে ব্যান করা হবে।

আর কেউ যদি পেইজে লেখার জন্য,পেইজে বিভিন্ন আপডেট দেওয়ার জন্য চান তাহলে ইনবক্স করিয়েন। পেইজে কিছু এডমিন দরকার যারা নিয়মিত আপডেট দিবেন। বর্তমান স্টুডেন্ট হলে বেটার হবে।

ধন্যবাদ।

05/01/2019

ফেলে আসা স্কুল জীবনের দিনগুলো এখন বড্ড মিস করি 😪😭

28/10/2018

এই ব্যাস্ত শহরে - অপরিচিত ভিড়ে - হঠাৎ মনে পড়ে যায়
পুরোনো দিন - কত রঙ্গিন - তাকে আটকে রাখি মায়ায়

হয়তো আমরা বহুদূর - ইশকুলের চৌকাঠ পেরিয়ে

এখনও একই মানুষ - এখনও বন্ধু

আয় আয় বন্ধুরা ফিরে আয় - শৈশব কৈশোরের ঠিকানায়
আর একটা দিন কাটুক না হয় সব ভুলে
আয় আয় বন্ধুরা ফিরে আয় - সবুজ মাঠের সোনালী ছায়ায়
হাসবো মোরা প্রান খুলে সবাই মিলে

পেছনে তাকালেই যেন এখনি ডাক দিবি
খাতার মাঝে চোখ ফাঁকি দেয়া কত না কাটাকাটি
অংক বাংলা ভূগোল ... ধুর ছাই
কিছু মনে নাই
শুধু মনে আছে খোলা হাসি আর গান এখনও একই মানুষ - এখনও বন্ধু

আয় আয় বন্ধুরা ফিরে আয় - শৈশব কৈশোরের ঠিকানায়
আর একটা দিন কাটুক না হয় সব ভুলে
আয় আয় বন্ধুরা ফিরে আয় - সবুজ মাঠের সোনালী ছায়ায়
হাসবো মোরা পরান খুলে সবাই মিলে

যারা নেই আজ পাশে তোরা থাকবি বেঁচে
সবসময় আমাদেরই মাঝে

আয় আয় বন্ধুরা ফিরে আয়

আয় আয় বন্ধুরা ফিরে আয় - শৈশব কৈশোরের ঠিকানায়
আর একটা দিন কাটুক না হয় সব ভুলে
আয় আয় বন্ধুরা ফিরে আয় - সবুজ মাঠের সোনালী ছায়ায়
হাসবো মোরা প্রান খুলে সবাই মিলে

আয় আয় বন্ধুরা ফিরে আয়

09/07/2018

Great job. Thanks everyone for like this page.

B.T high school- Baghaichari B.T High School is a popular School in Baghaichari.In 1985,It was established at Korengatali.

24/03/2018

😊😊😊

সেসময় জীবন আমায় কিছু ব্যাপার শিখিয়েছিল। কোনও কিছু করার জন্য যতটা দরকার অনুপ্রেরণার, তার চাইতে অনেক অনেক অনেক বেশি দরকার---ধৈর্য ধরে কাজটির পেছনে লেগেথাকা। প্রতিদিনই রুটিন করে কাজ করে যেতে হবে। কাজটি করতে ভাল লাগুক, আর না-ই লাগুক, কাজটি করে যেতে হবে, কাজটির পেছনেই সময় দিতে হবে। মনের ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে হলেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিজেকে কাজটার পেছনে নিয়োজিত করে রাখতে হবে। পড়াশোনা করাটা প্রয়োজন হলে আনন্দে হোক আর বিনা আনন্দেই হোক, পড়াশোনা করে যেতেই হবে। অংক করতে ভাল লাগে না বলে যদি আমি কখনওই খাতাকলম নিয়ে না বসি, তবে আমি জীবনেও অংক শিখতে পারব না। এটাই বাস্তবতা। যদি আমি অনুপ্রেরণার জন্য অপেক্ষা করে থাকি, তাহলে হয়ত আমি কখনওই আমার কাজটা করতে পারব না। অনুপ্রেরণার জন্য অপেক্ষা করে থাকে যারা, ওরা কেবলই অজুহাত দেখানোর রাস্তা বানায়। আর কে না বোঝে, লোকে কেবল অর্জনকেই স্যালুট করে আর অজুহাতকে স্রেফ করুণা করে! কোনও লেখক যদি অপেক্ষা করে বসে থাকেন, কখন উনি অনুপ্রাণিত হবেন আর লিখবেন, তাহলে হয়ত উনি সারাজীবনে একটি বইও লিখতে পারবেন না। কাজ করে যাওয়ার যে প্রক্রিয়া, তা বেশিরভাগ সময়ই খুবই একঘেয়ে আর ক্লান্তিকর একটা ব্যাপার। তবু কাজ করে যেতেই হবে---ভাল লাগুক, আর না-ই লাগুক। কাজ করতে-করতেই অনুপ্রেরণা চলে আসে। অনুপ্রেরণা থেকে কাজ নয়, কাজ থেকে অনুপ্রেরণা---এ সহজ সূত্রটি একবার মাথায় গেঁথে গেলে আর পিছিয়ে পড়ে থাকার কথা নয়। আমার মনে আছে, আমি সেসময় ফেসবুক/ ভাইবার/ হোয়াটস্‌অ্যাপ/ ইমো কোথাও ভুলেও ঢুকতাম না, কোনও ফোন ধরতাম না। সবকিছুতেই আর সবাইকেই সময় দিলে সব স্বপ্ন আজীবন স্বপ্নই থেকে যাবে---এটা নিশ্চিত। আমি সবসময়ই মিলিয়ে নিতাম, আমি যা করছি, তার কি সত্যিই কোনও দরকার আছে---অন্তত এই সময়টাতে? যদি উত্তর পেতাম---না, তবে সেটি করা তৎক্ষণাৎই বন্ধ করে দিতাম। জীবনে কোন কারণে কিছু করতে পারলাম না, সেটা কোনও বিষয় না, করতে যে পারলাম না, সেটাই একমাত্র বিবেচ্য বিষয়। এ পৃথিবী কখনওই অজুহাত শুনতে প্রস্তুত নয়। নিজের উপর রাগ করে আমি আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটাই ডিলিট করে দিয়েছিলাম। আমি ফেসবুকে ছোটছোট গল্প লিখতাম, ওই মুহূর্তে আমার ফলোয়ার ছিল ৩৭,৮৪১ জন---আমি ফেসবুকে কতটা অ্যাক্টিভ ছিলাম, এ থেকে তা সহজেই অনুমেয়। ডিলিট করার সময় বারবারই মনে হচ্ছিল, আহা, জীবনের সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে! এতএত ফ্যান-ফলোয়ার, পোস্ট, সব চলে গেল! এখন বুঝি, ওটাই ছিল আমার জীবনের শুরু! ওইসব ফেসবুক ফ্রেন্ড, ফলোয়ার খুবই অপ্রয়োজনীয় আর অতিমূল্যায়িত জিনিস। আগের অ্যাকাউন্ট তো আর নেই, নতুন অ্যাকাউন্টে এখন আমাকে লক্ষাধিক লোক ফলো করে। লোকে আসলে ব্যক্তিকে ফলো করে না, অর্জনকে ফলো করে। তখন প্রায় আটত্রিশ হাজার ফলোয়ারকে আমার গোটা জীবনের সমান মনে হত, আর এখন লক্ষাধিক ফলোয়ারকেও আমার একটা অলস দুপুরের নির্বিঘ্ন ঘুমের সমানও মনে হয় না। সেসময় আমি নিজেকে পুরোপুরিই নিঃসঙ্গ করে ফেলেছিলাম। নিজেকে নিঃসঙ্গ করে না ফেললে কোনওভাবেই অন্যদের চাইতে বেশি কাজ করা সম্ভব নয়। আমাকে হয়ত অনেকেই রোবট ডেকেছে। কিন্তু আজ আমি বুঝি, আমি ঢাকা ভার্সিটিতে দ্বিতীয়বারেও চান্স না পেলে লোকে আমাকে তার চাইতেও আরও বেশি আজেবাজে কথা বলতে ছাড়ত না। আমি দেখেছি, কোনও কাজের সবচাইতে কঠিন ধাপটা হচ্ছে, শুরু করাটা। শুরু করে দিলে আর নিজেকে ফাঁকি না দিয়ে প্রতিদিনই করে গেলে, কাজটা শেষ হবেই হবে। আমি সেসময় এক ধরনের দ্বৈত সত্তা নিয়ে বাঁচতাম। আমি অন্য যে কাজই করি না কেন, তার পুরোটাই আমার কাছে সময়ের অপচয় মনে হত। আমার মাথায় সারাক্ষণই ঘুরতে থাকত, কখন আমি পড়তে বসব! পড়তে যে খুব শখ করে বসতাম, তা কিন্তু নয়, আমি বুঝে গিয়েছিলাম, বাঁচতে চাইলে আমাকে পড়তে বসতেই হবে! কারণ, আমি জানতাম, আমি আমার স্বপ্ন ছুঁতে না পারলে আমার অন্য সব কাজই অর্থহীন হয়ে যাবে। হাজার বছর লুকিয়ে বাঁচার চাইতে হাজার মিনিট চুটিয়ে বাঁচা অনেক বেশি আনন্দের। তখন পড়তে ইচ্ছে না করলেও টেবিল ছেড়ে উঠে যেতাম না---অন্য যা পড়তে ভাল লাগে, তা-ই পড়তাম। গান শুনতে ইচ্ছে করলে একটু গান শুনে নিতাম। তবে তা ততক্ষণ পর্যন্তই, যতক্ষণ না আমার সাময়িক অনিচ্ছাটা কাটছে। আমার অভিজ্ঞতা বলে, আধাঘণ্টা ইন্সট্রুমেন্টাল শুনলে ক্লান্তি কেটে যাওয়ারই তো কথা! টেবিল ছেড়ে একবার উঠে গেলে নিজেকে আবারও টেবিলে টেনে আনাটা খুব কঠিন কাজ। যতক্ষণ জেগে আছি আর বাথরুমে না যাচ্ছি, ততক্ষণই টেবিলে থাকব---এই টার্গেটেই প্রতিদিন বাঁচতাম। প্রতিদিনই পড়ার টেবিল ছাড়তাম এক ধরনের অতৃপ্তি আর আত্মঅভিযোগ নিয়ে, যাতে করে পরেরদিন আরও বেশি করে নিজেকে খাটিয়ে নিতে পারি। প্রতিভা হয়ত সকলের থাকে না, কিন্তু পরিশ্রম করার ক্ষমতা তো সবারই থাকে! আমি বিশ্বাস করি, যে কেউই ক্রমাগত পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রতিভার ঘাটতিকে অতিক্রম করতে পারে। কাজ করে যাওয়াটাই জরুরি, বেঁচে থাকাটা নেহায়েত অপ্রয়োজনীয়। আমি ওই সময় কঠোর পরিশ্রম করতে পারতাম, এবং এর ফলে আমার ভেতর থেকে যতটা বের করে আনা সম্ভব বলে আমি বিশ্বাস করতাম, তার চাইতে অনেক বেশি বের করে আনতে পেরেছি। সময়ের প্রয়োজনে হঠাৎ করেই আমার বিবেকবোধ খুবই তীব্র হয়ে উঠেছিল। ওই সময় আমি এতটাই বেপরোয়া হয়ে গিয়েছিলাম যে, আমি জানতাম, কেউ যদি আমাকে এটা সম্পর্কে নিশ্চিত করেও দিত---যতই পড়ি না কেন, আমি কোথাও চান্স পাব না.........তবু আমি নিরলসভাবে চেষ্টা করে যেতাম। আমি নিজেকে বারবার বলতে থাকতাম---আমি যা করছি, তার শেষ দেখে তবেই ছাড়ব! (অকেজো মানুষের অকেজো গল্প'র কিছু অংশ)

Want your school to be the top-listed School/college in Rangamati?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Baghaichari
Rangamati
4590