শিক্ষক দিবসে আমার শিক্ষাজীবনের ছোট্ট স্মরণিকা।
শিক্ষা জীবনের শুরু হয় আর. টি. এম প্রাথমিক বিদ্যালয় দিয়ে। শিশু শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণির মধ্যে নিয়মিত মক্তবে কায়দা, নামাজ শিক্ষা। পাশাপাশি ক্লাস থ্রি পর্যন্ত হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) আদর্শ মাদ্রাসায় অধ্যায়ন। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী শেষে ভর্তি পরীক্ষা দিই রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে, বেশ ভালো স্থানে উত্তীর্ণ হলেও ভর্তি হওয়া হয় নি। শেষমেষ ভর্তি হই আল-আমীন ইসলামিয়া ফাজিল মডেল মাদ্রাসায়। সেখানে পড়া অবস্থায় ক্লাস ৭ থেকে আলিম (এইচএসসি) সময়টায় জীবনের স্বর্গসময় কাটাই চট্টগ্রাম জামিয়া দারুল মা'আরিফ আল ইসলামিয়া'য়। তালিবুল ইলম হিসেবে দরস পাই বড় বড় সব আলেমে দ্বীন এর। অতঃপর করোনা সহ নানা পরিপার্শ্বিক কারণে ঘরে ফেরা। ভর্তি হই রাঙামাটি সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগে। মূলত এই যে একটা বড়সড় রিভার্স, আমার কাছে অভূতপূর্ব, অভাবনীয়। অনার্সের প্রায় শেষ মুহূর্তে এখন আমি, আশা করি পড়াশোনা শেষ করতে পারবো এই প্রতিষ্ঠানেই। ইংরেজির মত একটা বিষয় তিন জন অভিজ্ঞ, ব্যক্তিত্ব ও জ্ঞান সম্পন্ন শিক্ষকের কাছে অধ্যায়ন, আমাকে শুধু একাডেমিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে নি, বরং মুক্তচিন্তা, বিশ্বের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও নন্দিত-ক্ষণজন্মা সেরা সেরা সাহিত্যিকদের সাহিত্য-স্বাদ আস্বাদন করিয়েছে। এই রিভার্সটায় আমি বুঝতে পারি আমার শিক্ষা জীবনে ইলমে দ্বীন ও প্রিমিয়াম লিটারেচারের একটা ব্লেন্ড আমি পেয়েছি। যার ফলে আমার চোখে আমি একটা জিনিস দুইভাবে দেখতে পাই, দুই ভাবে উত্তর খুঁজতে পারি।
শিক্ষাজীবনে অর্জন সমৃদ্ধশালী নয় মোটেও, যেটা আমার একান্ত ব্যর্থতা। তবে শিক্ষাজীবনে আমি সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী ব্যক্তিবর্গদের শিক্ষক হিসেবে পেয়েছি, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ, ভিন্ন জ্ঞান, ভিন্ন প্রতিষ্ঠান আমার দৃষ্টিশক্তিকে একটু হলেও বৃহৎ পর্যায়ে উদ্ভাসিত করেছে।
আজ শিক্ষক দিবসে আমি একক শিক্ষক হিসেবে কারো নাম লিখতে পারিনি, বরং পাঁচ প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সম্মানিত শিক্ষককে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। ইতিমধ্যে প্রয়াত হয়েছেন প্রাইমারীর ইলিয়াস স্যার, আমার প্রথম ইংরেজি শিক্ষক। কামাল স্যার, যিনি আল-আমীন মাদ্রাসায় আমার বাংলা শিক্ষক। মাওলানা আবু তাহের সাহেব, দারুল মা'আরিফে আউয়াল সানুভীয়্যাতে তিনি সুওয়ারুন মিন হায়াতিস সাহাবা পড়াতেন। তাহের হুজুর আমার দেখা বিশ্বের সবচেয়ে নমনীয় ব্যক্তিত্ব, সবচেয়ে নমনীয়, এমন কখনো কেউ হয় না, হতে পারেন না। ইলিয়াস স্যারের পার্সন চেনার উপায় আর কামাল স্যারের কারক-বিভক্তি ঠোঁটস্থ করানোর দিনগুলো কখনো ভুলবার নয়। আল্লাহ তাঁদের জান্নাত বাসী করুন। আমার সকল শিক্ষকদের প্রতি আমার নত মস্তক শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা। আল্লাহ উনাদের সকলকে দীর্ঘজীবী করুন। বড় কিছু হই বা দিন মজুর হই, আমার শিক্ষকগণ বিশ্বের সেরা শিক্ষক ছিলেন, আমি কখনো আফসোসের ঢেকুর তুলতে পারবো না। তাদের ইন্ডিভিজুয়াল ফিলোসোফি, পয়েন্ট অফ ভিউ আমি অক্ষরে অক্ষরে স্মরণ করি। যদি কখনো আমার লেখা হাজার মানুষ পড়ে, এমন পর্যায়ে যাই, আমি আমার প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রত্যেক শিক্ষকের স্মরণে আলাদা করে লিখবো ইনশাআল্লাহ।
Sahel Masud Sabib
A Dreamer
13/09/2025
Success & Happiness: Tied or Contrasted?
Before expressing your answer, you might take a look at your definition of success and portion of happiness.
In my opinion, success has a particular threshold, it's just like stairs towards a never-ending stage with hard work. How many stairs have been stepped on by you signifies how much success you is. Though the interpretation of success is always different like money or education, etc. But the stairs are not; it is endless as aerospace always. Happiness, a thing that is clueless, can be filled with anything and can be measured with any meter. In a word 'a complete topic of feeling.'
Now, let's make an impression about the question that I've asked in the beginning. I think it is something that is neither tied nor contrasted. At first these are not tied; as we can mention thousands of successful persons who are not happy in their decorated life. Then these are not contrasted also, as we can explore; success without happiness is nothing but a vain. And happiness is so rarely felt without success. Instead, it is something that you have to combine and mingle in your life.
In conclusion, you may think that once you have succeeded, you will get the happiness of life. But life is the most unpredictable thing. You can lead a life mingled with both success and happiness if you gather satisfaction and trust in the Almighty after your restless hard work.
'Once upon a time...'
অথবা
'একটা সময়...'
কথা দুইটা নেহায়াত কয়েক ইঞ্চির, তবে ধারণ করে শত, হাজার, লাখ বা কোটি কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের গল্প, স্মরণ করিয়ে দেয় কত শত ব্যর্থতা কিংবা সফলতার যোগসাজশ। কথা দুইটা কখনো স্থান পায় পুরোনো আড্ডায়, কখনো সফলতার বক্তৃতায়, আবার কখনো কখনো চরম অসহায়তায়।
তবে এ দুই কথা মোটেও 'কথার কথা' না। এ দুই কথা আমাদের শেকড়টাকে মনে করিয়ে দেয়। সাময়িক উন্নতি বা অবনতিতে সবচেয়ে যে কাজটা আমরা আগে করি, আমরা আমাদের শেকড়টা ভুলে যাই, আমাদের প্রাইম টাইমটাকে আমরা পার্মানেন্ট টাইম মনে করি, খুব সহজে অতীত ভুলি আর খুব দ্রুত ভবিষ্যৎ প্রেডিক্ট করি।
আমি না কখনো ওই 'একটা সময়' কে অস্বীকার করি না, ওই সময়টা নিয়ে লজ্জা পাই না, লুকাই না। আজকের এই দিনটাও একদিন Once upon a Time... হবে, আমি এই দৈনিক দৈন্যতার কথা সেদিনও হাসি মুখেই মনে করবো।
04/07/2025
"ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা" বা "𝙄𝙣𝙙𝙞𝙫𝙞𝙙𝙪𝙖𝙡𝙞𝙨𝙢" একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শন, যা মূলত ব্যক্তিগত নৈতিক মূল্যকে গুরুত্ব দেয়। সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্টস যদি আমরা দেখি, সেক্ষেত্রে পাই, এই টার্মের প্র্যাক্টিস আসলে একেক সময় একেক পার্পাসে হয়ে আসছিলো। French Revolution এর পরপর টার্মটি নেতিবাচক অর্থেই পরিচিত হয়, যেখানে ব্যক্তি স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতাকে খাটো করা হতো। জার্মানিতে সেক্ষেত্রে ভিন্ন, সেখানে এর ব্যবহার হতো আত্ম-উন্নয়নে এবং রোমান্টিক ধারার অংশ ছিলো। ইংল্যান্ডে আবার ধর্মীয় ইস্যু তথা চার্চ অফ ইংল্যান্ডকে অনুসরণ না করা, আমেরিকায় তখন ১৯ শতকে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা-ই প্রধান মতাদর্শ হিসেবে রূপ নেয়।
দার্শনিকদের দৃষ্টিতে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতাকে খুঁজতে গেলে পাওয়া যায়ঃ তোকোভিল এটাকে স্বার্থপরতা বলেছেন, যেখানে তিনি ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিন্তাধারার ফলে মানুষ সামাজিকভাবে বিমুখ হওয়ার সম্ভাবনা আঁচ করেন। এমিল দুর্খেইম ব্যাপারটাকে ২ ভাবে বলেন, যেখানে একটা পর্যায়ে সমাজকে শুধু উৎপাদন ও বিনিময় যন্ত্র হিসাবে দেখা হয়, অন্য পর্যায়ে বুদ্ধির স্বাধীনতা হিসেবে ভাবা হয়।
তবে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং পার্ট হলো 'অস্তিত্বগত ব্যক্তিবাদ', যেখানে রাষ্ট্র, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, সমাজের অস্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। এই মতবাদ অনুযায়ী মূলত এসব প্রতিষ্ঠান কার্যতই মানুষ নিজস্ব স্বার্থ সিদ্ধি করতেই প্রতিষ্ঠা করে থাকে, এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক আদর্শ, স্বার্থ রক্ষা করাই এসব প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য।
সবশেষে মোরাল হয়তো বোঝার বাকি নেই, তাও বলতে হলে সোজা কথায় আমি ব্যক্তি হিসেবে আপনাকে যেকোনো না কোনোভাবে স্বার্থের জন্য ব্যবহার করছি, এটা হিউম্যান সাইকোলজি, অস্বীকারের সুযোগ নেই। আমার প্রতিষ্ঠান, দল, রাষ্ট্র তার স্বার্থ রক্ষার্থেই আমাকে ব্যবহার করে আসছে, আর আমি নিজের স্বার্থ খুঁজতেই মূলত এসবে অংশগ্রহণে সক্রিয় হই। আর এখান থেকেই অপরাধ কিংবা বিবাদ, সব কিছুর সৃষ্টি। স্বার্থের ঘূর্ণিতে বিবেক চাপা পড়ে। তাই ব্যক্তিকেন্দ্রিকতার সুফল ভোগ করতে চাইলে এটিকে সংরক্ষণ করা উচিত, যথাসাধ্য গোপন রাখা উচিত, প্রতিষ্ঠান কর্তৃক 'নির্ধারিত ইথিকস' ছুড়ে দিয়ে নিজের স্বার্থ রক্ষায় নিজের ইথিকস ফলো করা উচিত, এর জন্য বিসর্জন যাবে অনেক কিছু, তবে আত্মকেন্দ্রিকতার অমৃত স্বাদ আপনি আস্বাদন করতে পারেন।
02/07/2025
'পঞ্চপাণ্ডব' কে অস্বীকার করার জন্য অতো বেশি কারণ নাই, কারণগুলো অনেকটাই এমন-
-কিছু মানুষ আছে, অধিকাংশের পছন্দকে ক্রিটিসাইজ করাই তার অপিনিয়ন, অর্থাৎ যারা 'কুল'।
-শুক্কুরে শুক্কুরে আষ্টদিন হয় নি পাওয়ারপ্লে বুঝে, সে বহুত বড় বিশ্লেষক, স্ট্যাটিস্টিক্স যার কাছে মানদণ্ড।
-রক্ত গরম ক্রিকেট ভক্ত, ব্যাটিং মানে ছক্কা আর বোলিং মানে ইয়র্কার বলতে যে ক্রিকেট বুঝে।
-হাইক্লাস ফ্যান, যার গালে ক্লার্ক, কুক, হেডেন, রোহিত, হার্দিক, উইলিয়াম সন, স্টার্ক দের নাম ছাড়া কারো নাম আঁটে না।
আরও অতিজোর দুই এক কিসিম বাড়তে পারে, যারা উপরের সমমনা-ই!
তবে প্রেক্ষাপট বলে ভিন্ন কথা, আমাদের হা-ডু-ডু প্রধান দেশে ব্যাট-প্যাডের আভিজাত্যের ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করাটা এত সহজ ছিলো না, এই যে আজকের একাদশের সবার নাম আপনার মনে নাই, কিন্তু একজন ষাটোর্ধ বৃদ্ধ'র কাছে 'পঞ্চপান্ডব'-র অস্তিত্ব আছে। এই পাঁচজন একেকটা ব্রান্ড, এলিগেন্ট, ইমোশন আর অবশ্যই ইন্সপিরেশন। এদের ইন্ডিভিজুয়াল গাটস্ ও পুরা টিমের নাই, টু বি অনেস্ট! আজ বাংলাদেশ ক্রিকেটকে বাংলাদেশ মহিলা ফুটবল দলের সাথেও জনপ্রিয়তা নিয়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়, কই আগে তো আরো বেশি হারতো, তাও স্পোর্ট বলতে দেশের মানুষ ক্রিকেটকেই কেনো বুঝতো? এ বুঝ আপনার না থাকলে কোনো বুঝ আপনাকে বুঝাতে পারবে না।
সর্বোপরি পঞ্চপান্ডব, 'পঞ্চপান্ডব'ই, এদের সুপ্রেমেসি ফরেভার আনবিটেন থাকবে, পঞ্চপান্ডব বাংলাদেশ ক্রিকেটের একটা এরা-কে সিগ্নিফাই করে, পঞ্চপান্ডব দেশের সবার ভেতরে এক্সিস্ট করে, কার্যত এতে আপনার মন্তব্য বা মতামত কোনোই ইমপ্যাক্ট রাখে না।
17/06/2025
6th SIJDAH for 🇧🇩desi skipper
11/06/2025
It is a nightmare if STARC smiles! ☠️
Result on the second picture!
Starc roars, Markram departs on 🐣
11/06/2025
Another name is ready to be added on honour's board of Lords! Kagiso Rabada bangs with a well provided fifer!
So, the 212 is the final score of the first innings with impressive knocks from both Smith and Webster, waiting for Starc's supersolemnly fires!❤️🔥
11/06/2025
55th over on the card, look at the Duke!
You also should remain shiny, though 330 times pitched and yet to bowled as far as the innings lasts just like this Duke! 😃
Most awaited moment ✨
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Rangamati