আইটি টিউটোরিয়াল জোন, রাঙ্গামাটি।

আইটি টিউটোরিয়াল জোন, রাঙ্গামাটি।

Share

আইটি টিউটোরিয়াল জোন

22/08/2015

পিপড়া ইংরেজি ant.....
সবচেয়ে বড় সাইজের ant কে আমরা কি বলি?
:Elephant.
সবচেয়ে মেধাবী ant কে আমরা কি নামে ডাকি?
:Brilliant.
স্থায়ী ভাবে যে ant আপনার বাসায়
থাকে,তাকে কি নামে ডাকেন?
: Permanant.
যে ant সুন্দর পোষাক পড়ে থাকে তার নাম কি?
:Eligant.
টাকা পয়সার হিসাব রাখে যে ant-
:Accountant.
Ant ইন আ রিলেশনশিপ উইথ Tics
:Antics.
Ant কে সুস্থ করার জন্য যে ওষুধ -
:Antibiotic
যে ant এর বয়স ১০০ বছরের বেশী-
:Antique
Ant এর টুকরা
:Remnant
জমাট বাধা ant
:Coagulant
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে যে ant
: Sergeant
দেশের ভিতর বিদেশী ant
:Immigrant
মা হতে চলেছে যে ant
:Pregnant
Ant এর বাচ্চা
:Infant
পরনির্ভরশীল ant
:Dependant
আপনাকে খুব জালাতন করে যে ant
:Irritant
জোড়া বেধে চলে যে ant
:Concomitant
আপনার সাহাজ্যকারী ant
:Assistant
খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে ant
:Important
সেনাবাহিনীতে চাকরী করে যে ant
:Lieutenant
নিজের স্বাধীনতার ব্যাপারে সচেতন যে ant
:Independant
Ant এর খাবার বিক্রি হয় যেখানে:
:Restaurant
প্রতিদিন ভাতের সাথে Ant খেলে আপনি সুস্থ
থাকবেন, কারন তখন আপনার শরীরে থাকবে অনেক
Antibody.

21/08/2015

শিক্ষণীয় গল্প সমূহ নিয়ে এন্ড্রয়েড এপপ্স (সাইজঃ ১.৫ এমবি)

পাতার পর পাতা পড়ে আমরা অনেক সময় কিছুই শিখতে পারি না। কিন্তু বেশিরভাগ সময় একটি ছোট বাংলা গল্প আমাদের চিন্তাধারা পালটে দেয়। জীবন সম্পর্কে নতুন ভাবে চিন্তা করতে শেখায়। সেই আদিকাল থেকেই গুণীজনরা তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে গল্প বানিয়েছেন যাতে করে আমরা শিখতে পারি।

বর্তমান যুগে সবার হাতেই স্মার্ট ফোন। যার ফলে এখন যে কোন কিছুই হাতে রেখে পড়তে পারে। আর এমনই গল্প গুলো যদি একত্রে পাওয়া যেত কতই না ভালো হতো। হ্যাঁ তেমনই একটি এন্ড্রয়েড এপপ্স পাওয়া যাচ্ছে প্লে স্টোরে। সব গুলো গল্পই আমাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে। এই শিক্ষণীয় গল্প গুলা ছোট এবং বড় সবার উপযোগী। যা আমাদের সবার জীবনে কিছুটা হলেও পরিবর্তন আনবে।

এপপ্স এর সাইজও বেশী না মাত্র ১.৫ অর্থাৎ দেড় এমবি। এপপ্সটির সাইজ ও বেশী না, থ্রিজির যুগে যা ডাউনলোড করে ১-২ মিনিটের লাগবেনা।

এপপ্সটি ডাউনলোড করতে প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ বক্সে লিখুন ” Bangla Learning Story ” এবং সার্চ আইকনে ক্লিক দিন আর মূহূর্তেই এপপ্সটি চলে আসবে আপনার সামনে অথবা এই লিঙ্কে
https://play.google.com/store/apps/details?id=learning.stroy.bd&hl=en যান।

এপপ্সটি ইন্সটল শেষে আপনার রিভিউ দিতে ভুলবেন না যেন।

21/08/2015

উইন্ডোজ ১০ নিয়ে কয়েকটি কাজ

মাইক্রোসফটের নতুন অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ১০-এ এসেছে নানান পরিবর্তন। তাই কম্পিউটারে উইন্ডোজ সেটআপের পর কিছু কাজ করে নেওয়া ভালো।
হালনাগাদ পরীক্ষা: উইন্ডোজ সেটআপ শেষে সর্বশেষ হালনাগাদ আছে কি না, তা দেখে নিতে নিতে হবে। এ জন্য Start মেনু থেকে Settings অ্যাপ খুলুন। Update and Security-এ ক্লিক করুন। Windows Update-এর Check for updates বোতামে ক্লিক করুন। নতুন অনেক হালনাগাদ থাকতে পারে, বিশেষ করে কিছু যন্ত্রাংশের চালক-সফটওয়্যার (ড্রাইভার)। হালনাগাদ চাইলে তা নামতে দিন। নামা শেষ হলে সেটি ইনস্টল করে দরকার হলে কম্পিউটার পুনরায় চালু (রিস্টার্ট) হবে। আবার Windows Update settings চালু করে Advanced settings-এর Automatic Restart-এর Notify to schedule restart করে দিতে হবে।
অতিরিক্ত পদক্ষেপ: খেয়াল করলে দেখবেন টাস্কবারের ঘড়ির পাশে Notifications আইকন আছে। এখানে ক্লিক করলে উইন্ডোজের যেকোনো সমস্যা, নিরাপত্তাঘটিত কাজ বা অপেক্ষমাণ কাজের হালহকিকত বিজ্ঞপ্তি (নোটিফিকেশন) আকারে দেখতে পারবেন। চাইলেই Settings অ্যাপের System থেকে Notifications & actions-এ গিয়ে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
অ্যান্টিভাইরাস কি চলছে? যদি তৃতীয় পক্ষের কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার না করে থাকেন তবে উইন্ডোজের সঙ্গে থাকা (বিল্ট-ইন) উইন্ডোজ ডিফেন্ডার ব্যবহার করতে পারেন। পছন্দমতো এটিকে সাজিয়ে নিতে Win+I চেপে আপডেট অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাপ খুলে Windows Defender-এ ক্লিক করে কাজটি করা যাবে।

15/01/2015

ফেসবুক সম্পর্কে বিস্ময়কর ১০টি তথ্য
নিজে জানুন শেয়ার করে অন্যকেও জানান

ফেসবুক এখন আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ! ফেসবুক ছাড়া যেন একটা দিনও আমরা কল্পনা করতে পারিনা। শুধু আমাদের দেশেই নয়, ফেসবুকে আসক্তির এমন চিত্র পুরো পৃথিবী জুড়েই। আসুন দেখা যাক ফেসবুক সম্পর্কে অজানা দশটি তথ্য।

১. এই পৃথিবীর ১৩ জন লোকের ভিতরে দৈনিক ১ জন ফেসবুকে থাকে।

২. প্রতি ২০ মিনিটে ২,৭১৬,০০০ ফটো আপলোড হয়ে থাকে।

৩. প্রতি ২০ মিনিটে ১০.২ মিলিয়ন কমেন্ট পোস্ট হয় ফেসবুকে।

৪. প্রতি ২০ মিনিটে ১,৯৭২ মিলিয়ন ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট একসেপ্ট হয়ে থাকে।

৫. প্রতি ২০ মিনিটে ১,৮৫১,০০০ স্ট্যাটাস আপডেট হয়।

৬. ১৮ থেকে ৩৪ বছরের মানুষদের প্রায় ৪৮ শতাংশ ঘুম থেকে উঠেই ফেসবুক চেক করে।

৭. ফেইসবুক ব্যবহারকারীরা প্রতি মাসে ৭০০ বিলিয়ন এরও বেশি মিনিট ফেসবুকে কাটায়।

৮. যারা মোবাইলে ফেসবুক ব্যবহার করে তারা অন্যদের থেকে দ্বিগুণ সময় কাটায় ফেসবুকে।

৯. ফেসবুকের সব থেকে বেশি জনপ্রিয় ফ্যান-পেজ হচ্ছে ‘Shakira’ যার ফ্যান ১০০০০০০০০ ছাড়িয়ে গেছে।

১০. সব থেকে ইউএসএ তে বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে যার পরিমাণ ২৩.৬ শতাংশ।

14/01/2015

পুরনো স্মার্টফোন বিক্রির আগে অবশ্যই একটি টিপস দেখুন

স্মার্টফোনটি পুরনো হয়ে গেলে বিক্রি করে দেন অনেকেই। কিন্তু আপনার ব্যক্তিগত তথ্য? সেগুলোও বেচে দিচ্ছেন কি ফোনের সঙ্গে? হয়তো মুছে ফেলছেন যাবতীয় তথ্য। কিন্তু স্মার্টফোন থেকে তথ্য মুছে দিলেও তা উদ্ধার করা সম্ভব। সাইবার দুর্বৃত্তরা পুরনো স্মার্টফোন থেকে মুছে ফেলা ই-মেইল পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত বার্তা, ব্রাউজিংয়ের নানা তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এজন্য পুরনো স্মার্টফোন বিক্রির আগে কিছু সতর্কতা অবলম্বন জরুরি।

স্মার্টফোন বিক্রি

যুক্তরাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান সেন্সপয়েন্টের গবেষকরা দাবি করেছেন, তারা বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে মুছে ফেলা কয়েকটি স্মার্টফোন থেকে প্রায় ৫ হাজার তথ্য উদ্ধার করেছেন। এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে ব্যবহারকারীর বান্ধবীকে পাঠানো বহু মেসেজ ও কোন ওয়েবসাইটগুলো ব্রাউজ করেছিলেন সেসব তথ্য।

বিশ্লেষকরা জানান, প্রযুক্তি দ্রুত উন্নত হচ্ছে, পাশাপাশি প্রযুক্তিপণ্যে সংরক্ষিত তথ্য মুছে ফেলার প্রচলিত পদ্ধতিগুলোও হয়ে পড়ছে অকেজো। স্মার্ট ডিভাইসের তথ্য চিরস্থায়ীভাবে মুছে ফেলার সফটওয়্যার তৈরি করছে সেন্সপয়েন্ট। সেই পর্যন্ত তথ্য মোছার ক্ষেত্রে সেন্সপয়েন্টের পরামর্শ হচ্ছে, এনক্রিপ্ট করা তথ্য ফ্যাক্টরি রিসেট দেয়া। এতে তথ্য উদ্ধার প্রায় অসাধ্য। আইফোনের ক্ষেত্রে ফ্যাক্টরি রিসেট দিলে তথ্য উদ্ধার কঠিন হলেও অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে খুব একটা শক্ত কাজ নয়। এজন্য ফোন বিক্রির আগে একাধিকবার ফ্যাক্টরি রিসেট করে তারপর বিক্রি করুন।

Photos 13/01/2015

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর উপায়

পর্দার আলো কমিয়ে রাখুন। সেটিংস মেন্যু থেকে ডিসপ্লের ব্রাইটনেস কমিয়ে নেয়া যাবে। তাছাড়া ঠিক কতক্ষণ পর ডিসপ্লেটি বন্ধ হয়ে যাবে, তা-ও ঠিক করে দেয়া যায়।

কাজ শেষে বন্ধ রাখুন রেডিও বা ওয়্যারলেস সুবিধাগুলো। জিপিএস, বস্নুটুথ, এনএফসি বা নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন এবং ওয়াইফাই সুবিধাগুলো ব্যাটারি ব্যবহার করে খুব বেশি।

আলো

বিশ্রামের সময় চালু রাখুন ‘এয়ারপ্লেন মোড’। স্মার্টফোনের সেলুলার কানেক্টিভিটিও বন্ধ রাখতে পারেন। এছাড়া এ মোডে চার্জও হবে চটজলদি। ‘পুশ’ নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন বা কমিয়ে নিন। প্রতিক্ষণ আপডেটেড পুশ নোটিফিকেশনের জন্য আপনার স্মার্টফোনটিকে সার্ভারে যুক্ত থাকতে হচ্ছে। এতে ব্যাটারি খরচ হচ্ছে। স্মার্টফোন লক করে রাখুন। তাহলে পকেট বা ব্যাগে রাখার পর সহজে আনলক হবে না। অন্যথায় অজান্তে চাপ লেগে কারও কাছে কল চলে যেতে পারে অথবা চালু হয়ে যেতে পারে কোনো অ্যাপ।

অ্যাপস ব্যাটারি খরচ করে সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে কোনো কোনো অ্যাপ চালাতে প্রয়োজন হয় অতিরিক্ত শক্তি। অ্যাপলিকেশনগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকলে ব্যাটারি বেশি খরচ হয়। এছাড়া ‘লাইভ ওয়ালপেপার’ ব্যবহার না করাই ভালো। এটিও ব্যাটারি খরচ করে অনেক।

৩২ থেকে ৯৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট হচ্ছে স্মার্টফোনের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা। তাই স্মার্টফোনটি খুব গরম বা ঠা-া স্থানে না রেখে ঘরের তুলনামূলক স্বাভাবিক তাপমাত্রা রয়েছে এমন স্থানে রাখা উচিত। সঙ্গে রাখতে পারেন বাড়তি ব্যাটারি।

এছাড়া সম্প্রতি বাজারে এসেছে পাওয়ার ব্যাংক। ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে স্মার্টফোনের ব্যাটারি চার্জ করতে এগুলোও বেশ উপযোগী।

12/01/2015

নিজে জানুন শেয়ার করে অন্যকেও জানান
[Android]: Custom ROM কি? কেন ও কিভাবে Custom ROM ইন্সটল করবেন?

কাস্টম রম কি তা জানার আগে জানতে হবে ROM এবং Stock ROM সম্পর্কে।

ROM : ROM শব্দটা এখন অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়। আসলে ROM হচ্ছে একধরনের স্টোরেজ। এই স্টোরেজ থেকে ডাটা নেওয়া যায় কিন্তু কোন ডাটা লেখা (write) করা যায় না। এন্ড্রয়েডের জন্য যখন রম শব্দটি ব্যবহৃত হয় তখন সেটা দিয়ে ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেমকে (Operating System, OS) বোঝায়। আসলে সঠিক শব্দটা হবেFirmware যেমনঃ স্টক ফার্মওয়্যার, কাস্টম ফার্মওয়্যার ইত্যাদি। তবে এখন রম শব্দটিই প্রচলিত।

রম ডিভাইস ভেদে আলাদা। ৯৯% সময় এক ডিভাইসের রম অন্য ডিভাইসে ইন্সটল করা যায় না। করার চেষ্টা করলে ডিভাইস ব্রিক করবে। স্টক ও কাস্টম রম, দুটোর ক্ষেত্রেই একই কথা প্রযোজ্য। তবে ডিভাইসের স্পেসিফিকেশনে মিল থাকলে (প্রসেসর স্ট্রাকচার, চিপসেট, রেজুল্যুশন) হয়তো ইন্সটল করা সম্ভব অথবা পোর্ট করে তারপর ইন্সটল করতে হবে।

Stock ROM : আপনার এন্ড্রয়েড ডিভাইসটি যখন কেনেন তখন এটাতে একটা অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করাই থাকে, আপনার ডিভাইসের ম্যানুফ্যাকচারার/ প্রস্তুতকারক সেটা ইন্সটল করে দিয়েছে। এই প্রি-ইন্সটলড (Pre-installed) অপারেটিং সিস্টেমকে স্টক রম/ ফার্মওয়্যার বলে। এই রমগুলোতে ম্যানুফ্যাকচারার তাদের নিজস্ব কিছু অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে ইন্সটল করে দেয় (এগুলো হচ্ছে ব্লোটওয়্যার, Bloatware) যা সাধারনত আন-ইন্সটল করা যায় না। এছাড়া অনেক ম্যানুফ্যাকচারার মূল এন্ড্রয়েড সোর্স এডিট করে তাদের নিজেদের মত করে ইউজার ইন্টারফেস (User Interface, UI) বানিয়ে ডিভাইস বাজারজাত করে। বেশির ভাগ ম্যানুফ্যাকচারার তাদের স্টক রমের সোর্স কোড রিলিজ করে, যা আপনি ইচ্ছা করলে নামিয়ে এডিট করতে পারেন।

Custom ROM : কাস্টম রম হচ্ছে স্টক রম বেইজড এক ধরনের কাস্টমাইজড রম। কি ধরনের কাস্টমাইজেশন, পরিবর্তন, বাড়তি সুবিধা থাকবে সেটা ডেভেলপারের উপর নির্ভর করে।

কি কি সুবিধা থাকতে পারে এবং কেন কাস্টম রম ইন্সটল করবেনঃ

১. Update : স্টক ফার্মওয়্যারের চেয়ে কাস্টম রমের আপডেট পাওয়া যায় অনেক তাড়াতাড়ি। যেহেতু অনেক ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডেভেলপাররা মিলে কাস্টম রম বানায়, তাই কয়েক সপ্তাহ পর পর নাইটলি বিল্ড রিলিজ করা হয় যাতে নতুন ফিচার যুক্ত করা থাকে।

২. Better Performance : কাস্টম রমে সব ধরনের ব্লোটওয়্যার আন-ইন্সটল করা থাকে। তাই এটা স্টক রমের তুলনায় ফাস্ট হয়, র‍্যামও কম খরচ হয়। এছাড়া অনেক সময় রমের সাথে কাস্টম কার্নেল দেওয়া থাকে যেটা ডিভাইস আরও দ্রুত করতে সাহায্য করে।

৩. Android Version Upgrade : কাস্টম রম ডেভেলপ করার অন্যতম উদ্দেশ্য থাকে এন্ড্রয়েডের ভার্সন আপগ্রেড করা। অর্থাৎ আপনি কাস্টম রমের মাধ্যমে আইস ক্রিম স্যান্ডুইচ (Ice Crem Sandwich, ICS) থেকে জেলী বিন (Jelly Bean, JB) বা কিটক্যাট (Kitkat) এ আপগ্রেড করতে পারবেন। তবে এটা নির্ভর করে আপনার ডিভাইসের জন্য কেউ আপগ্রেডেড রম রিলিজ করেছে নাকি তার উপর।

৪. Better Software Support : কাস্টম রমে অনেক সময় বিভিন্ন অ্যাপের জন্য সাপোর্ট দেওয়া থাকে যা হয়তো আগে স্টক রমে ইন্সটল হত না।

কাস্টম রম ইন্সটলের পদ্ধতিঃ

যেখান থেকে রম ডাউনলোড করবেন সেখানেই ইন্সটলের পদ্ধতি বলে দেওয়ার কথা। বেসিক পদ্ধতি হচ্ছেঃ

প্রথমে আপনার ডিভাইস রুট এবং কোন একটা কাস্টম রিকভারি (CWM, TWRP, CTR ইত্যাদি) ইন্সটল করতে হবে।
কাস্টম রম ডাউনলোড করে নিন। বেশির ভাগ সময় রম জিপ (.zip) ফরম্যাটে দেওয়া থাকবে। নামানোর পর সেটা মেমোরি কার্ডে রাখুন।
রিকভারিতে যান। wipe data, wipe cache, factory reset – এই কাজ গুলো করেন
এরপর install zip from sdcard সিলেক্ট করে রমের জিপ ফাইলটি সিলেক্ট করুন
রম ইন্সটল শুরু হবে। অপেক্ষা করুন শেষ হওয়ার জন্য।

11/01/2015

নিজে জানুন শেয়ার করে অন্যকেও জানান

পৃথিবীতে এমন অনেক দেশ আছে যেখানে সবসময় মারামারি যুদ্ধ লেগেই থাকে। তবে আজকে আপনারা জানতে পারবেন এমন ১০টি দেশের কথা যারা অনেক সুখী। যেখানে কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নেই বললেই চলে। এতো বড় বড় রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও সে দেশের সবাই মিলে মিশে একসাথে থাকে।

আজকে জানবেন পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে কোন কোন দেশ সবথেকে শান্তিপ্রিয় দেশের তালিকায় যায়গা করে নিয়েছে।

বিস্তারিত-

১০। সাইপ্রাস-
ইউরোপের অন্যতম শান্তিপ্রিয় দেশ সাইপ্রাস। এখানকার মানুষের কখনো কিছু দেখে ভয় বা আতঙ্কে থাকে না। ইভেন তাঁরা রাত্রে ঘুমোবার সময়ও ঠিক মতো তাদের ঘড়ের দরজা বন্ধ করে ঘুমোয় না। এমনটি শোণা যায়। ঠিক এই কারনেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম সুখী দেশের কাতারে চলে এসেছে সাইপ্রাস।

০৯। ডেনমার্ক-
সাধারণ জনগনের নিরাপত্তার বিষয়ে ডেনমার্ক অনেক শক্ত আইন করে রেখেছে। এখানে প্রতি ১ লক্ষ মানুষের বিপরিতে আছে মাত্র একজন করে পুলিশ অফিসার। ডেনমার্কে খুনের ঘটনা নাই বললেই চলে, মাত্র ০.১% প্রতি ১ লক্ষে। স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য পৃথিবীতে অন্যতম একটি দেশ ডেনমার্ক। এমনটি শোণাযায় সেদেশের জনগনের মুখ থেকে।

০৮। আইসল্যান্ড-
আইসল্যান্ডের বাতাসেই শুখের আবেশ বয়ে বেড়ায়। এমন কথাই শোণাযায় সে দেশের বসবাসরত মানুষের মুখে। সেখানকার পুলিশ অফিসারদের সাথে কোন বন্দুক বহন করার অনুমতি দেয়া হয়না কারন তাদের সেটি প্রয়োজনই পরে না। আইসল্যান্ডে মোট অপরাধী বা পুলিশের কাছে বন্দী আছেন এমন মানুষের সংখ্যা মাত্র ২০০। এবং তাদের অপরাধও খুব গুরুতর না হওয়ার কারনে ইচ্ছা করলেই বন্দিরা তাদের স্বজনদের সাথে দেখা ও সময় কাটাতে পারে।

০৭। আইরল্যান্ড-
আইরল্যান্ডের ক্রাইমের সংখ্যা একেবারেই কম মাত্র ০.৩২% প্রতি ১ লক্ষ মানুষের গণনাই। পশ্চিম ইউরোপের মদ্ধে আইরল্যান্ডকে সব থেকে শান্তিপ্রিয় দেশ বলে বিবেচনা করা হয়। এখানে প্রতি ১ লক্ষ মানুষের বিপরিতে ৩০০ জন পুলিশ অফিসার নিয়োগ দেয়া আছে।

০৬। জাপান-
জাপান এমন একটি দেশ যাদের এশিয়া মহাদেশের ভেতরে সব থেকে নিরাপদ বা শান্তিপ্রিয় দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাপানের মানুষেরা পুলিশ বাহিনীকে অনেক বেশী সম্মানকরে এবং তাঁরা মনে করে যে, তাদের যে পুলিশ বাহিনী আছে তাঁরা তাদের যেকোনো ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করবে। জাপানে প্রতি বছর গড়ে মাত্র ০.৪% খুনের ঘটনা ঘটে প্রতি ১ লক্ষ মানুষের বিপরিতে। এবং প্রতি ১ লক্ষ মানুষের বিপরিতে জাপানে আছে ২০০ জন পুলিশ অফিসার। জাপানের আইনের শাসন খুব বেশী কার্যকরী যার দরুন তাদের ওখানে ক্রাইমের ঘটনাও খুব কম ঘটে।

০৫। লাক্সেমবার্গ-
এখানকার মোট জনসংখ্যা মাত্র ৬ লক্ষের মতো। ক্রাইমের পরিমাণ একেবারে নেই বললেই চলে। পৃথিবীর অন্যতম ক্ষুদ্র দেশের মদ্ধে এটি অন্যতম এবং এখানকার জনসংখ্যা এতো কম হবার কারনে সেখানে খুব বেশী অপরাধ সংঘটিত হয়না।

০৪। বাহারাইন-
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তথা পুলিশের সংখ্যা বাহারাইনে অন্যান্য দেশের তুলনাই অনেক বেশী। এখানে প্রতি ১ লক্ষ মানুষের বিপরিতে আছে ১৯০০ জন পুলিশ সদস্য। যেটি সত্যি অনেক বেশী। ঠিক একারণে এখানে কেও অপরাধ করে পার পায়না। পুলিশ ঠিকই অপরাধ কারীকে ধরে ফেলে। অনেকেই মনে করে বাহারাইন যে শান্তিপ্রিয় দেশ তার পেছনে প্রধান কারন হল এই বিশাল সংখ্যক পুলিশ সদস্য।

০৩। হংকং-
হংকং এর গড় ইন্টারনেট স্পীড যেমন বেশী তেমন শান্তিপ্রিয় দেশের তালিকাতেও তাঁরা অনেক এগিয়ে আছে। এখানে মানুষ হত্যা করার মতো ঘটনা ঘটে মাত্র ০.২% প্রতি ১ লক্ষে। যেটি সত্যি অনেক কম। অন্যান্য আধুনিক দেশের মতো হংকং অন্যতম। এখানকার পুলিশ সদস্যরা খুব বেশী সক্রিয়।

০২। সিঙ্গাপুর-
এশিয়া মহাদেশের সবথেকে শান্তিপ্রিয় দেশ বলা হয় সিঙ্গাপুরকে। এখানে প্রতি বছর হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটে শতকরা মাত্র ০.৩ প্রতি ১ লক্ষ মানুষের বিপরিতে। এছাড়া চুরি বা ডাকাতি করার মতো ঘটনা একেবারেই ঘটে না বললেই চলে। বর্তমানে সিঙ্গাপুরে মৃত্যুদণ্ড আইনটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যান্য অপরাধের জন্য এখানে বেত্রাঘাত এবং জেল জরিমানার আইন চালু আছে।

০১। সুইজারল্যান্ড-
সমগ্র পৃথিবীতে শান্তিপ্রিয় দেশের তালিকায় সবার শীর্ষে আছে সুইজারল্যান্ড। বসবাসের জন্য এই দেশকে স্বর্গীয় নগরী বলা হয়ে থাকে। এখানে স্থায়ী বাসিন্দাদের ভেতরে কোন কোন্দল বা মারামারি হয়না। কেউ কারোর সাথে ঝগড়া বিবাদে জরায় না। দেশের নাগরিকদের মদ্ধে শান্তির এক সংস্কৃতি বিরাজ করে। সুইজারল্যান্ডে বিগত দিনে যত খুন বা আপরাধ সংঘটিত হয়েছে সেগুলো সব বহিরাগত যেমন, পর্যটক বা বিদেশীদের দ্বারা। সুইজারল্যান্ডে প্রতি ১ লক্ষ মানুষের বিপরিতে মাত্র ২১৬ জন পুলিশ সদস্য আছে। অনেকেই এই সংখ্যাই বেশী মনে করে। এখনকার বাসিন্দাদের মতে,তাদের নিজেদের সুরক্ষা দেবার জন্য তাঁরা নিজেরাই যথেষ্ট।

# # # আমি মনেকরি আমাদের বাংলাদেশও অনেক শান্তিপ্রিয় একটি দেশ। কোন পরিসংখ্যানের হিসেবে না গেলে, বর্তমানে আমাদের দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা বাদ দিলে আমরাও অনেক শুখে আছি। অন্যান্য দেশের কথা জানিনা। আমি মনে করি আমাদের দেশের মানুষ যথেষ্ট আন্তরিক। আমরা সবাই সবাইকে আপন ভাই ভাই মনে করে চলি। তাদের সাথে মিশি। যার দরুন নতুন কোন মানুষের সাথে পরিচয় হতে আমাদের খুব বেশি সময়ের দরকার পরে না।

আশা করবো খুব তারাতারি আমারাও অন্যান্য দেশের মতো শান্তিপ্রিয় একটি দেশ হিসেবে পরিচয় পাবো।



সূত্রঃ ইন্টারনেট, উইকি

10/01/2015

নিজে জানুন শেয়ার করে অন্যকেও জানান

১০ টি কারন যার জন্যে আপনি আপনার ডিভাইস টি রুট করবেন।

১- রুট এক্সেস পাওয়া ঃ আপনার এন্ড্রয়েড ডিভাইস টি রুট করলে আপনি আপনার ডিভাইস এর এডমিন এক্সেস পাবেন যাকে এন্ড্রয়েড এর ভাষায় রুট এক্সেস বলে অনেকে। এই এক্সেস টি আপনি রুট না করলে পাবেন না। এই এক্সেস এর সাহায্যে আপনি অনেক কিছু করতে পারবেন এবং পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে আপনার ডিভাইস টি রুট করতেই হবে মাস্ট।

২- ইচ্ছামত অ্যাপ/সিস্টেম অ্যাপস রিমুভঃ রুট করার ফলে আপনি এডমিন এক্সেস পাচ্ছেন মানে আপনার ডিভাইস এ আপনার সম্পূর্ণ কন্ট্রোল এসেছে। এখন আপনি ইচ্ছামত আপনার ডিভাইস এর অ্যাপ/সিস্টেম অ্যাপস রিমুভ করতে পারবেন। যেমন স্টক সিস্টেম এর সাথে অনেক অ্যাপ আসে যা আমাদের ভালো লাগেনা ইউজ করতে অথবা ওগুলো কখন ও ইউজ করিনা। তো যেটা ইউজ করিনা সেটা রেখে লাভ কি? রুট করলে আপনি সেই অ্যাপস গুলো রিমুভ করতে পারবেন অথবা ফোন মেমোরি থেকে এসডি কার্ড এ মুভ করতে পারবেন যা আপনি নরমালি পারবেন না। এতে করে আপনার ডিভাইস এর ইন্টারনাল মেমোরি ও RAM বাড়বে। আর এই দুইটা বাড়ানো মানে ডিভাইস এর স্পীড বাড়ানো।

৩- ডিভাইস এর ফুল ব্যাকআপ নিনঃ ডাটা আমাদের অনেক ইম্পরট্যান্ট। আর সে জন্যে অনেক সময় আমাদের মোবাইল অথবা ট্যাব এর ডাটা ব্যাকআপ করা লাগে। নরমালি দেখা যায় একসাথে সব ব্যাকআপ করা যায় না অথবা গেলেও অনেক কিছু মিসিং থাকে। কারন আপনার ডিভাইস এর এডমিন এক্সেস আপনার নেই। আর এডমিন এক্সেস পেতে হলে আপনার রুট করতে হবে। আর রুট করলে আপনি আপনার ডিভাইস এর অ্যাপস ডাটা থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ রম ব্যাকআপ করতে পারবেন। আমরা প্লে ষ্টোর এ একটা অ্যাপ দেখেছি Titanium Backup নামক যা ব্যাকআপ এর জন্যে সবচেয়ে ফেমাস এবং এটি ব্যাবহারে আপনার রুট এক্সেস লাগবে।

৪- ডিভাইস এর বাহ্যিক সৌন্দর্যঃ এই কথাটি দ্বারা আমি আপনার ডিভাইস এর কাভার,কেসিং,রঙ বুঝাই নি। এই সৌন্দর্যের মানে আপনার ডিভাইস এর সিস্টেম এর সৌন্দর্য বাড়ানো। রুট করলে আপনি অনেক কিছু এডিট,কাস্টমাইজ করতে পারবেন যাতে করে নরমাল ডিভাইস এর চেয়ে আপনার ডিভাইস টি থাকবে এক ধাপ এগিয়ে।

৫- পিক্সেল ডেনসিটি পরিবর্তনঃ রুট করার মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইস এর ইউজার ইন্টারফেস চেঞ্জ করতে পারবেন। স্মার্টফোন মানেই অনেক স্মার্ট ফিচার তার ভিতরে থাকা। তবে স্ক্রিন সাইজ ছোট হউয়ার কারনে অনেক কিছু করতে অথবা দেখতে আমাদের সমস্যা হয়। তাই পিক্সেল ডেনসিটি এর পরিবর্তনের মাধ্যমে ইন্টারনালি আপনার ডিভাইস এর স্ক্রিন সাইজ বাড়িয়ে নিতে পারেন যা আপনাকে দিবে এক অন্য রকম অভিজ্ঞতা।

এই ৫ টি হল নরমাল কিছু পয়েন্ট। আসুন দেখি আরও ৫ টি এডভান্স লেভেল এর পয়েন্ট।

৬- রুট কার্নেল এর ব্যাবহার ও পারফর্মেন্স ইমপ্রুভমেন্টঃ এই পয়েন্ট টি আমরা অনেকেই শুনেছি তবে আসলে সম্পূর্ণ টা জানিনা। অনেক অ্যাপ আছে যা আপনার ডিভাইস এর ভিবিন্য ফাইল মডিফাই করে আপনার ডিভাইস এর স্পীড ও পারফর্মেন্স একধাপ বাড়াবে। এখন বলবেন এটা কি আপনার ডিভাইস এর মেমোরি,RAM,প্রসেসর ইত্যাদি বাড়াবে? নাহ… এটি আপনার হার্ডওয়্যার এর পরিবর্তন করতে পারবে না। তবে ফার্মওয়্যার এ পরিবর্তন ও অপটিমাইজ করে স্পীড বাড়াতে পারবে। এখন আসি রুট কার্নেল নিয়ে। রুট কার্নেল এর সাহায্যে আপনি আপনার ডিভাইস এর প্রসেসর ক্লক স্পীড ও হার্ডওয়্যার এর ব্যাবহার মডিফাই করতে পারবেন। এই কাস্টম কার্নেল এর সাহায্যে আপনি আপনার ডিভাইস এর পারফর্মেন্স বাড়াতে পারবেন তবে আপনাকে এডভান্স লেভেল এর ইউজার হতে হবে। আজ রুট করলেন আর কালই এটা নিয়ে ট্রাই করলেন তাহলে হবেনা। আগে আরও অনেক কিছু নিয়ে জানতে হবে।

৭- কাস্টম রম ও রম মডিফাইঃ রম অথবা ফার্মওয়্যার সিস্টেম যা ডিফল্ট ভাবে আপনার ডিভাইস এর সাথে এসেছে তা আমরা অনেক সময় মডিফাই করতে চাই। অথবা দেখা যায় এটি আমার ভালো লাগতেছেনা। ভালো না লাগলে আর কি করার পরিবর্তন করার ও কোন উপায় নেই তো নতুন মোবাইল কিনতে হবে। কিন্তু না… রুট করলে আপনি আপনার ডিভাইস এর ডিফল্ট সিস্টেম অথবা রম এ পরিবর্তন করতে পারবেন ইচ্ছা মতো। অনেক ফিচার এড করতে পারবেন যা নরমালি আপনার ডিভাইস এ পাবেন না। এছাড়াও সম্পূর্ণ সিস্টেম পরিবর্তন করতে পারবেন যা কাস্টম রম নামে পরিচিত। যেমন আমি প্রতি সপ্তাহে আমার মোবাইল এর রম চেঞ্জ করি এবং ভিবন্য রম এর স্বাদ নেই। এটি শুধুমাত্র সম্ভব রুট করলেই। এমন ও দেখা যায় আপনার মোবাইল এ কিছু একটা ফিচার নেই যা দামি একটি ডিভাইস এ আছে। কাস্টম রম ব্যাবহার এর ফলে আপনি ওই ফিচার টি ইউজ ও করতে পারেন।

৮- আলাদা অ্যাপ ইন্সটল ও ব্যাবহারঃ রুট করলে আপনি আলাদা কিছু অ্যাপ ইন্সটল করতে পারবেন যা নরমালি আপনি ইন্সটল করতে পারবেন না। এছাড়াও নরমাল ভাবে অনেক অ্যাপ এ অনেক কাজ করতে পারেনা এবং করতে রুট এক্সেস চায়। যেমন ধরুন- টাস্ক কিলার অ্যাপ। নরমাল ইউজার রা এই টাইপের অ্যাপ ইউজ করে আবার রুট ইউজার রাও করে। সেইম অ্যাপ ইউজ করে রুট ইউজার বেশি সুবিধা পায় কারন ওই অ্যাপ টি এডমিন পারমিশন পায় যার ফলে সিস্টেম ও হিডেন কিছু টাস্ক কিল করতে পারে যাতে করলে আপনার ডিভাইস এর স্পীড বাড়ছে।

৯- ইন্টারনাল Storage বাড়ানোঃ যাদের ফোনে ইন্টারনাল মেমোরি কম তারা চাইলে রুট করার মাধ্যমে যেকোনো অ্যাপ্লিকেশান SD কাের্ড ট্রান্সফার করে নিতে পারবেন। কিন্তু এই কাজটির জন্য রুট করা আবশ্যক। কিছু কিছু অ্যাপ্লিকেশান Storage ট্রান্সফার করার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা দিলেও অনেক অ্যাপস আছে যেগুলো রুট করা ছাড়া ট্রান্সফার একরকম অসম্ভব। যেমন আপনি চাইছেন আপনার সেটে জেলিবিন আপডেট করবেন কিন্তু তার জন্য আপনি সেটের ডাটা ব্যাকআপ নিতে চাইছেন। এখন আপনি যদি ব্যাকাপ নেবার জন্য কোন বিশেষ অ্যাপস ইন্সটল করতে চান তার জন্য অবশ্যই আপনার সেটটিকে রুট করে নিতে হবে।

১০- ডিভাইস এর মূল মালিকঃ রুট করা মানে আপনি আপনার ডিভাইস এর প্রকৃত মালিক হলেন। কারন রুট করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত আপনি আপনার ডিভাইস এর এডমিন না। এডমিন হল আপনার মোবাইল এর কোম্পানি এবং তাদের দেয়া ফার্মওয়্যার। তাদের দেয়া সিস্টেম এ যা যা জেভাবে আছে আপনাকে সেইভাবেই ডিভাইস টি ইউজ করতে হবে। কিন্তু আমি যেহেতু মালিক সুতরাং আমি আমার মোবাইল ইচ্ছামত ইউজ করবো তাহলে রুট আপনাকে করতে হবেই। রুট করার মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইস এর সর্বোচ্চ কন্ট্রোল এক্সেস পাবেন যার সাহায্যে আপনি অনেক কিছুই করতে পারবেন। যেমন ধরুন আপনি সনি ইউজ করছেন। কিন্তু Samsung এর ফিচার ও স্টাইল গুলো ভালো লাগে। তাহলে আপনি আপনার ডিভাইস এর ইন্টারফেস ও ফিচার সেরকম করে পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।

এই ১০ টি হল পয়েন্ট টু রুট। এখন এই ১০ টি পয়েন্ট এর ভিতর আরও হাজার হাজার পয়েন্ট ও ফিচার আছে যা আপনি পাবেন একমাত্র রুট করলেই। আমি মনে করি রুট করা ছাড়া এন্ড্রয়েড ইউজ করেন তারা ৫ বছর আগের জাভা ইউজ করা একই কথা।

Photos 09/01/2015

মানুষের বর্জ্য থেকে উত্পন্ন এমনই এক গ্লাস পানি পান করেছেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।

মানুষের বর্জ্য থেকেও পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায়! মানুষের বর্জ্য থেকে উত্পন্ন এমনই এক গ্লাস পানি পান করেছেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। মানব বর্জ্য থেকে পানি উত্পাদনের এ প্রযুক্তিকে আরও সামনে এগিয়ে নেওয়ায় উত্সাহ দিতেই বিল গেটস এই পানি পান করেন।
গেটস বলেন, মানুষের মল থেকে উত্পাদিত বিশুদ্ধ পানি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে পানির চাহিদা পূরণ করতে পারবে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিল গেটস জানিয়েছেন, এ বছরের শেষ নাগাদ মানব বর্জ্য থেকে বিশুদ্ধ পানি তৈরির পরীক্ষণ শেষ হবে। এর পরই বিভিন্ন দেশে এই পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট স্থাপন করবেন তিনি।
বিল গেটসের এই প্রকল্পকে এরই মধ্যে স্বাগত জানিয়েছে ওয়াটারএইড নামের অলাভজনক দাতব্য সংস্থা। ওয়াটারএইডের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৭৪.৮ কোটি মানুষ এখনো বিশুদ্ধ পানি পানের সুবিধা পায় না।
বিল গেটস তাঁর ব্লগ পোস্টে লিখেছেন, মানব বর্জ্য থেকে উত্পন্ন পানি পান করার আগে তিনি পানি উত্পন্ন করার পুরো প্রক্রিয়াটি দেখেন।
গেটস বলেন, ‘আমি যত বোতলজাত পানি পান করেছি এই পানির স্বাদ তার চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়। এই পানি উত্পাদনের পেছনের প্রকৌশল জানার পর থেকে আমি খুশি মনেই প্রতিদিন এই পানি পান করব। এই পানি পান সম্পূর্ণ নিরাপদ।’

বর্জ্য থেকে পানি তৈরির প্রক্রিয়ায় প্রথমে মানব বর্জ্যকে তাপ দিয়ে এর পানি বাষ্পে পরিণত করা হয়। এরপর বর্জ্য অংশটিকে জ্বালিয়ে তা থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করা হয় আর বাষ্পকে পরিশুদ্ধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানিতে রূপান্তর করা হয়।
বর্জ্য থেকে উত্পন্ন পানি মানুষ কেন পান করবে? গেটস এই প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন, ‘স্বাস্থ্যকর পয়োনিষ্কাশনের কারণে যেসব রোগ হয় তাতে প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে ৭০ লাখের বেশি শিশু মারা যায়। আমরা যদি নিরাপদ ও সহজলভ্য পদ্ধতিতে মানববর্জ্য নিষ্কাশন সুবিধা তৈরি করতে পারি, তবে ওই রোগ থেকে তাদের রক্ষা করতে পারব এবং শিশুরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবে।’
বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে মানব বর্জ্য থেকে বিশুদ্ধ পানি তৈরিতে অমনিপ্রসেসর নামের এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। শিগগিরই সেনেগাল ও ভারতে এই প্ল্যান্ট বসতে পারে।

Photos 02/01/2015

কি ধরনের প্রিন্টে মুভি ডাউনলোড করবেন এবং ভালো প্রিন্ট কিভাবে বুঝবেন

আমারা দেখি মুভির নামের পাশে অনেক ধরনের ফরমেটের নাম লেখা থাকে যেমন Blu Ray/BDRip/R5/DVDRip/TELESYNC/CAM/ ইত্যাদি । এই সব দ্বারা কি বুঝায় তা নিচে দেয়া হলো :

মুভি ডাউনলোড কি ধরনের প্রিন্টে মুভি ডাউনলোড করবেন এবং ভালো প্রিন্ট কিভাবে বুঝবেন

CAM : এটা হচ্ছে সরাসরি হল প্রিন্ট । দেখা মানে সময় নষ্ট ,ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে লুকিয়ে হলের কোন-কানা থেকে এটার ভিডিও করা হয়, মাঝে মাঝে ক্যামেরা নড়ে যায়, সামনে দিয়ে লোক হেটে যায়, কথা শোনা যায় না এবং ঝাপসা রং ছাড়া প্রিন্ট ।

TELESYNC : এটার প্রিন্ট ক্যাম প্রিন্টই পার্থক্য যেটা সেটা হলো সাউন্ডে। এটার অডিও এক্সার্টানাল অডিও সোর্স (যেমনঃ হেড ফোন) থেকে রেকর্ড করা হয়। অনেকক্ষেত্রেই ক্যামের চেয়ে ভালো প্রিন্ট পাওয়া যায় যদি খালি সিনেমা হলে বা প্রোজেকশন রুম থেকে ভিডিও করা হয়।

DVD-SCREENER : এটা হলো মূল ডিভিডি প্রিন্টের প্রি ভার্সণ। এটার কোয়ালিটি ডিভিডির মতই ।কিন্তু এটাতে নানারকম ওয়াটার মার্ক লেখা থাকে সাধারনতঃ এগুলো প্রমোশনাল কাজে নানা জায়গায় পাঠানো হয়

R5 : এটা হচ্ছে পাইরেসিকে টেক্কা দেবার জন্য মুভি ইন্ড্রাস্টির চেষ্টা…মূলত রাশিয়া জোনের জন্য এই প্রিন্ট বের করা হয়। এটা হলো কম খরচে, লো কোয়ালিটি প্রিন্টের ডিভিডি যেটা বের করা হয় স্ক্রিণার প্রিন্টের সময়েই…বেশির ভাগ সময়ে এটাতে ইংরেজী ডাব থাকে না…সেসময় এর উপর হল থেকে ইংরেজী অডিও ডাব করা হয় এবং লেখা থাকে- R5 LINE

WORKPRINT : এই ভার্সনে পুরো মুভিটি থাকে না..ডিভিডি তৈরি করার সময়ে নন-প্রসেসড ভার্সন এটা।

DVDRip : এটা হলো ফাইনাল ডিভিডি রিলিজ ।চমৎকার সাউন্ড এবং ভিডিও কোয়ালিটি ।ফাইল ফরম্যাট সাধারনত: DivX/XviD থাকে।

BDRip : এটা DVDRip এর উপরের ভার্শন। এটার রেগুলেশন অসাধারন।

Blu Ray : এটা হলো মুভির অরিজিনাল ভার্শন। এটা সরাসরি মুভির কম্পানি অনলাইন রিলিজ করে।

BrRip ( 720 & 1080p) : এটা হলো ইনকোড ভার্শন। বিভিন্ন আপলোডাররা এটা বিভিন্নভাবে ইনকোড করে। ফ্রির ভেতর এটাই সব থেকে ভালো প্রিন। ৪২০,৭২০ এবং ১০৮০ দিয়ে মুভির রেগুলেশন ও মনিটরের পরিমাপ দেখানো হয়।আমার মতে Blu Ray > BrRip > DVDRip > R5 পর্যায় ক্রমে প্রাধান্য দেয়া উচিত ডাউওনলোড করার ক্ষেত্রে , তবে অপেক্ষাকৃত ভালো প্রিন্টের জন্যে নতুন মুভি দেখার ক্ষেত্রে অপেক্ষা করা উচিত ।

▬▬▬▬۩۞۩▬▬▬▬
প্নতুন পোস্ট নিয়মিত আপডেট অর্থাৎ আপনার ফেসবুক ওয়ালে দেখতে চাইলে......ফলো করে রাখুন ...অথবা পেইজ লিংক বুকমার্ক করে রাখুন ...

Want your school to be the top-listed School/college in Rangamati?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


ফুর বারেঙ শপিং কমপ্লেক্স
Rangamati
4500