21/08/2026
নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে রাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলর ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের অভিনন্দন জ্ঞাপন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রাক্তন মহাসচিব ও প্রাক্তন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী এবং মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহোদয়ের সুযোগ্য, বলিষ্ঠ ও বিজ্ঞ নেতৃত্বে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নতুন দিগন্তের সূচনা হবে এবং তাঁর বিচক্ষণ দিক নির্দেশনায় দেশের উচ্চশিক্ষা খাত আরও গতিশীল হবে বিশেষকরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির তাত্ত্বিক-প্রায়োগিক ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক মানের গুণগত গবেষণার প্রসার হবে বলে তাঁরা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ।
একজন প্রাজ্ঞ ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আনন্দ ব্যক্ত করেন এবং প্রত্যাশা করেন একজন দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে তিনি বিশেষ কৃতিত্বের নজির রাখবেন। রাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলর ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর মহামান্য রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন।
জনসংযোগ দপ্তর
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
18/08/2026
ছাত্র হলের আসন বরাদ্দের নোটিশ
17/08/2026
।।স্মরণ।।
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস-চ্যান্সেলর এবং প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা ১৭ আগস্ট ২০২২ তারিখে মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি ২০১৩ সালে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০১৪ সালে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তিনি ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে দুই মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ সফলতার সাথে পরিচালনা করেন।
তিনি খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা সদরের খবংপরিয়ায় ১৯৫৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ১৯৭৮ সালে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন।
আজ তাঁর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী; তাঁর এই মৃত্যুবার্ষিকীতে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী ও মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম এবং রাবিপ্রবি পরিবার গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছে; তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছে।
জনসংযোগ দপ্তর
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১৭ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.
17/08/2026
রাবিপ্রবি’তে ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগে মাস্টার্স প্রোগ্রাম উদ্বোধন
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি (এফএমআরটি) বিভাগে মাস্টার্স (স্নাতকোত্তর) কোর্সের উদ্বোধন ও প্রথম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান আজ ১৭ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. তারিখ সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-০১ এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি'র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম, বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপক কমান্ডার মোঃ ফয়েজ আল করিম ও রাবিপ্রবি'র রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মতিউর রহমান চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এফএমআরটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মিজানুর রহমান। অতঃপর সহকারী অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন মাস্টার্স কোর্স কারিকুলাম বিস্তারিতভাবে একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন। তিনি কারিকুলামের অবজেকটিভস, ক্রেডিট ডিস্ট্রিবিউশনসহ (কোর কোর্সেস, টেকনিক্যাল কোর্সেস, রিসার্চ) ল্যাব সুবিধা ও দেশ-বিদেশের এ সংক্রান্ত ইনস্টিটিউট ও সংস্থার সাথে কোলাবরেশন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও তথ্য প্রদান করেন। মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয় মাস্টার্স প্রথম ব্যাচে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করেন।
প্রধান অতিথি মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর এ মাস্টার্স কোর্স চালু করার জন্য বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, আজকের দিনটি ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের জন্য একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিন এবং এই বিভাগটি আজ পথ চলায় নতুন এক অধ্যায় সূচনা করলো। এ বিভাগের কোর্স ডিজাইন ও কোর্স কনটেন্ট দেখে ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ কোর্স যুগোপযোগী ও লেক-কেন্দ্রিক মৎস্য গবেষণা ও ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করেন। তিনি, উন্নত বিশ্বের ও দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে, সে অনুযায়ী পাঠ ও গবেষণায় দক্ষতা অর্জন করতে পারে এ বিষয়ে সম্মানিত শিক্ষকদের দৃষ্টি আর্কষণ করেন। লেক কেন্দ্রিক অনেক বিষয় এখনো আনএক্সপ্লোর আছে তা এক্সপ্লোর করতে শিক্ষার্থীরা যেমন সক্ষম হয়ে উঠবে, তেমনি এ কোর্সের অধ্যয়ন ও গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন। মানবসৃষ্ট দূষণ কী ভাবে পরিহার করা যায় এবং জনস্বাস্থ্য কী ভাবে উন্নয়ন করার যায় সে-বিষয়ে বিশেষত লেক-ম্যানেজমেন্ট, ইকো সিস্টেমের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ভর্তিকৃত মাস্টার্স প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান ও দেশের সমৃদ্ধিতে আত্মনিয়োগের আহবান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বদ্ধ জলাসয়সমূহের মধ্যে কাপ্তাই লেক সর্ববৃহৎ। এ লেকে ৮৬ প্রজাতির মাছের মধ্যে ৭১ প্রজাতি দেশীয়, যা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সমুদ্র ব্যবস্থাপনা থাকলেও লেক ম্যানেজমেন্ট পলিসি নেই বললেই চলে, অথচ এ লেক দেশের জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ও পুষ্টি সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাছাড়া দেশীয় যে প্রজাতিগুলো বিলুপ্ত বা বিপন্ন তা পুনরুজীবিত করা যায় কিনা সে বিষয়ে মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন বলে সকলের দৃষ্টি আর্কষণ করেন। আজকে যে কোর্স উদ্বোধন ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হলো তা এ ক্ষেত্রকে সমৃদ্ধ করবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। অত্র অঞ্চলের সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে রাবিপ্রবি কাজ করবে এমন আশা ব্যক্ত করেন। তিনি মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদেরকে এসডিজি এর আলোকে কাপ্তাই লেক-কেন্দ্রিক ইকোলজিক্যাল, সোশ্যাল ও ইকোনমিক্যাল বিষয়াদি সমন্বয় করে গবেষণা করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। কাপ্তাই লেকের উপর জিআইএস সংক্রান্ত গবেষণা হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেন। শিক্ষার্থীদের সকল ভালো কাজের মূল্যায়ন যেন যথাযথ হয় সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী সকলকে জ্ঞান-সৃজনে কাজ করার আহবান জানান। তিনি গবেষণার বিষয়ে বিএফডিসি’র সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন এবং শিক্ষার্থীদের কমিউনিকেশন স্কিল বৃদ্ধির জন্য দ্রুত ভাষা-কোর্স চালু করার আশ্বাস প্রদান করেন।
বিশেষ অতিথি বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপক কমান্ডার মোঃ ফয়েজ আল করিম বলেন, কাপ্তাই লেকের প্রধান অংশীজন বিএফডিসি: এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কৃত্রিম উপায়ে তৈরি করা হলেও এটি এখন মৎস্য তথা পুষ্টির একটি বিশেষ হাব-এ পরিণত হয়েছে। এতদসংক্রান্ত গবেষণা এ কোর্সের মাধ্যমে চালু হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন এবং প্রয়োজনে রাবিপ্রবি-কে গবেষণার ক্ষেত্রে যথাসম্ভব প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি এ কোর্সের শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান ও সফলতা কামনা করেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
পরিশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মতিউর রহমান চৌধুরী অনুষ্ঠানটি সফল করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএমআরটি বিভাগের অনার্স প্রথম ব্যাচ থেকে স্নাতক (সম্মান) সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৩ জন শিক্ষার্থী মাস্টার্স প্রথম ব্যাচে ভর্তি হয়েছেন। মাস্টার্স প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন গোলাম রসূল সোহাগ। উক্ত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এফএমআরটি বিভাগের শিক্ষার্থী মায়মূনা মুসাররাত তাসফিয়া। এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এফএমআরটি বিভাগের সকল শিক্ষক ও অন্যান্য ব্যাচের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনসংযোগ দপ্তর
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
তারিখঃ ১৭ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.
17/08/2026
রাবিপ্রবি’তে ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদযাপন
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে ‘রূপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে ধারন করে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ আজ ১৭ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ সোমবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয় এবং কাপ্তাই লেকে কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
অতঃপর জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষ্যে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করার হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি'র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম, বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপক কমান্ডার মোঃ ফয়েজ আল করিম ও রাবিপ্রবি'র রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মতিউর রহমান চৌধুরী।
প্রধান অতিথি মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় বলেন, প্রায় ৬৮,৮০০ হেক্টর বিশিষ্ট এ বিশাল কাপ্তাই লেক জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষে তৈরি হলেও আজ মৎস্য উৎপাদন, দেশীয় মুদ্রা অর্জন, স্থানীয় জনসাধারনের জীবন-জীবিকা উন্নয়ন, আমিষের চাহিদা পূরণ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে। অনেক দেশীয় প্রজাতির মাছ হারিয়ে যাচ্ছে তার কারণ অনুসন্ধানের উপর গুরুত্বারোপ করেন। রুপালী মৎস্যে দেশকে স্বনির্ভর করতে হলে আমাদেরকে গবেষণার পাশাপাশি এ লেকের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আজকের এ আয়োজনের জন্য তিনি এফএমআরটি বিভাগকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর উদ্দেশ্য সফল করার লক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণা ও জনসাধারনের সচেতনতার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, আমাদের পুরো দেশটাই কম-বেশি এক প্লাবনভূমি; এ দিবসে মৎস্য গবেষণার পাশাপাশি জলাভূমি সমূহের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার করে জাতীয় উন্নয়নে কাজ করার আহবান জানান।
বিশেষ অতিথি বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপক কমান্ডার মোঃ ফয়েজ আল করিম জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর গুরুত্ব ও বিএফডিসি কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম, গবেষণা, উৎপাদন, বিপণন, মনিটরিং, চলমান প্রকল্পসহ জাতীয় অর্থনীতিতে অবদানের তথ্যাদি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএমআরটি বিভাগের সাথে MoU করার বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মতিউর রহমান চৌধুরী অনুষ্ঠানটি সফল করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। উক্ত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এফএমআরটি বিভাগের শিক্ষার্থী মায়মূনা মুসাররাত তাসফিয়া। সভায় এফএমআরটি বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনসংযোগ দপ্তর
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
তারিখঃ ১৭ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.
17/08/2026
THM Football Tournament 2026-এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (THM) বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত ব্যাচভিত্তিক THM Football Tournament 2026-এর ফাইনাল ম্যাচ ১৬ আগস্ট ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় ‘অদম্য’ ও ‘পঞ্চপ্রহর’।
ফাইনাল ম্যাচ শেষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবির মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ও ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব জি. এম. সেলিম আহমেদ, প্রভাষক জনাব মো. আবদুল হালিম, প্রভাষক ফওজুল কবির, প্রভাষক মিতানুর রহমান এবং ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভাগের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা।
গত ৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে শুরু হওয়া এ টুর্নামেন্টে THM বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের মোট ৭টি দল অংশগ্রহণ করে। দলগুলো হলো— অন্বেষণ, প্রত্যাবর্তন, অদম্য, অনিরুদ্ধ, পঞ্চপ্রহর, ভ্রমণদূত ও কম্পাস।
ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর ম্যাচটি ট্রাইব্রেকারে গড়ায়। ট্রাইব্রেকারে ২–১ গোলে ‘অদম্য’কে পরাজিত করে THM 5th Batch-এর দল ‘পঞ্চপ্রহর’ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
🏆 ব্যক্তিগত পুরস্কার
🏅 ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়: মো. শেফায়েতুল ইসলাম শারেক
⭐ টুর্নামেন্টের উদীয়মান খেলোয়াড়: মো. মেহরাব হোসেন ইসান
⚽ সর্বোচ্চ গোলদাতা: ইমন জ্যোতি তঞ্চ্যঙ্গা
🏆 টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়: মোহাম্মদ সাঈদ
ফাইনাল ম্যাচে রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শারীরিক শিক্ষা বিভাগের সদস্য সচিব জনাব কামাল হোসেন।
এই টুর্নামেন্ট শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, নেতৃত্ব, দলীয় চেতনা, শৃঙ্খলা ও ক্রীড়াসুলভ মনোভাব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। টুর্নামেন্টের সফল আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, খেলোয়াড় ও আয়োজকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন।
চ্যাম্পিয়ন: 🏆 পঞ্চপ্রহর | THM 5th Batch
পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
শারীরিক শিক্ষা বিভাগ
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
16/08/2026
রাবিপ্রবি’তে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী ও আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে আজ ১৬ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ রবিবার দুপুর ০২:৩০ ঘটিকায় তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, তিনি ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯১-১৯৯৬ সাল, ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির পর কয়েক সপ্তাহ এবং ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁর আপোষহীন ভূমিকা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে তাঁর নিরলস লড়াই-সংগ্রামের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ও নেতৃত্ব আদর্শ হয়ে থাকবে।
দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, গতকাল তাঁর ৮২তম জন্মবাষির্কী ছিল কিন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আমরা আজ তাঁর জন্য এ দোয়ার আয়োজন করেছি। আর এই আয়োজনের জন্য আমি ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামী কর্মময় জীবন ও সংগ্রামের উপর একটি সেমিনার আয়োজন করার আহবান রাখছি। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবনের তথ্য তুলে ধরে বলেন, বেগম জিয়া যেখানেই অন্যায়-অত্যাচার দেখেছেন সেখানেই দৃঢ়তার সাথে প্রতিবাদ করেছেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত মিতভাষী অথচ তাঁর ব্যক্তিত্ব ছিল পাহাড়ের মত অটল; তাঁর আদর্শ, দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক চেতনা ও মূল্যবোধ ছিল আদর্শভিত্তিক; তিনি কখনোই অন্যায় অবিচারের সাথে আপোষ করেননি। বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের ভিশন ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-কে এগিয়ে নেয়ার জন্য, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে সুসংহত করতে তাঁর আদর্শ অনুকরণীয় হলে অবশ্যই দেশ এগিয়ে যাবে এবং সমৃদ্ধশালী হবে। তাঁর আদর্শ লালন করার জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তাঁর কর্মময় জীবন ও আদর্শকে আমাদের পথচলার পাথেয় করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়া তাঁর বক্তব্যে বলেছিলেন, কারো প্রতি অন্যায়-অবিচার যেনো না হয় এবং ন্যায় ভিত্তিক ও দায় ভিত্তিক দেশ ও সমাজ বিনির্মাণে আমাদেরকে কাজ করতে হবে। আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে দায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাব। বেগম খালেদা জিয়ার মাঝে যে দেশপ্রেম ছিল তা যেন সবার মাঝে জাগ্রত ও সঞ্চারিত হয় এ আশা ব্যক্ত করেন।
অতঃপর বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দেশের শান্তি ও কল্যাণের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল আলম। এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির এবং উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিনসহ প্রক্টর, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।
জনসংযোগ দপ্তর
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
তারিখঃ ১৬ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.
16/08/2026
আবাসিক হলে আসন বরাদ্দ সংক্রান্ত নোটিশ
13/08/2026
রাবিপ্রবি’তে ‘Q1 জার্নালে প্রকাশনার জন্য শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ এন্ড ইনোভেশন ম্যানেজমেন্ট সেল (আরআইএমসি) এর আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে আজ ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় Q1 জার্নালে প্রকাশনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের নয় জন সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
উক্ত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, বিশেষ অতিথি হিসেবে মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম এবং প্রধান বক্তা হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমিন মহোদয় উপস্থিত ছিলেন।
আজ প্রথমবারের মতো Q1 জার্নালে প্রকাশনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দকে সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে রাবিপ্রবি এক অনন্য মাইলফলক অর্জন করলো বলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী মহোদয় মন্তব্য করেন। এ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ এন্ড ইনোভেশন ম্যানেজমেন্ট সেলকে ধন্যবাদ জানান এবং সম্মাননা প্রাপ্ত নয় জন শিক্ষককে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বক্তব্যের শুরুতে প্রধান বক্তা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমিন মহোদয়ের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাডেমিক অর্জন, গবেষণা ও শিক্ষকতা পেশায় অভিজ্ঞতার বিষয়ে ভূঁয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, গবেষণার মাধ্যমে একজন শিক্ষক/গবেষক জ্ঞানের সৃজন করতে পারেন। গবেষণার মাধ্যমে গবেষকরা কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন এবং আনএক্সপ্লোরড (অনাবিষ্কৃত) বিষয়েও আলোকপাত করেন। এটাই গবেষণা এবং উদ্ভাবনের মূল লক্ষ্য। প্রান্তিক বিশ্ববিদ্যালয় (peripheral university) থেকে Q1 জার্নালে গবেষণা প্রকাশিত হওয়া রাবিপ্রবি’র জন্য একটি বড় অর্জন। পার্বত্য অঞ্চল ও বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে শিক্ষকদের গবেষণায় পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদসমূহ বিশেষত কাপ্তাই লেক, পরিবেশ, বন সংরক্ষণ, খনিজ সম্পদ, মৎস্য সম্পদসহ বিভিন্ন বিষয়সমূহ অর্ন্তভূক্তির বিষয়ে লক্ষ্য রাখার জন্য বলেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রকল্পের শিক্ষার্থীদেরকে অর্ন্তভুক্ত করার বিষয়েও অনুপ্রাণিত করেন। তিনি ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের বাজেট প্রাপ্তি সাপেক্ষে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মত ফেলোশীপ প্রদানের মাধ্যমে গবেষণা প্রকল্প পরিচালনা (মাস্টার্স থিসিস) করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন জ্ঞানের সৃজন করতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই এবং গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষকতা পেশার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে বলেন, কারন পিএইচডি ডিগ্রী লাভের মাধ্যমে একজন প্রভাষক গবেষণায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে উঠেন এবং সুনির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেন। সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পিএইচডি সম্পন্ন করার বিষয়ে উৎসাহিত করেন। তিনি শিক্ষকদেরকে পাঠদানের সাথে সাথে আধুনিক প্রযুক্তি (এআই) আয়ত্ব করার বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে বলেন। শিক্ষকদের গবেষণা জাতির উন্নয়নে ও নীতি নির্ধারণে কিভাবে ভূমিকা রাখতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি চীনের একটি প্রদেশে একজন স্বনামধন্য প্রফেসর এর গবেষণা প্রকল্পের (Moso Bamboo) মাধ্যমে কিভাবে একটি গ্রামের মানুষের জীবন-জীবিকা, পর্যটন, বাঁশের হস্তশিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠা, ইকো ট্যুরিজম, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন সম্ভব তা পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি গবেষণা প্রকল্প পরিচালনার সময় গবেষকদের কঠোরভাবে রিসার্চ এথিক্স (Ethics) মেনে চলার আহবান জানান এবং জনসাধারণের ট্যাক্সের টাকায় যে গবেষণা প্রকল্পের অনুদান প্রদান করা হয় তার সঠিক ব্যবহার করার বিষয়ে জোর দেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দকে Q1 জার্নালে গবেষণা প্রকাশের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে সমৃদ্ধ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অভিনন্দন জানান এবং আগামী দিনে Q1 জার্নালে গবেষণা প্রকাশনার ক্ষেত্রে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি পার্বত্য অঞ্চল তথা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে শিক্ষকদেরকে পাঠদানের পাশাপাশি গবেষণাকে প্রাধান্য দেয়ার বিষয়ে আলোকপাত করেন। নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রাবিপ্রবি’র গবেষণায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের জন্য শীঘ্রই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হবে এবং রাবিপ্রবি‘তে এক-দুই বছরের মধ্যে রিসার্চ হাব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ‘সেন্টার অব এক্সিল্যান্স’ হিসেবে পার্বত্য অঞ্চলের জন্য রোল মডেল হবে- এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, রাবিপ্রবি’তে বেশ কিছু মৌলিক বিষয় (বিভাগ) রয়েছে- যে বিভাগগুলো তাদের গবেষণায় আমাদের কাপ্তাই লেক এবং তিন পার্বত্য জেলার আনএক্সপ্লোরড রিসোর্স (অনাবিষ্কৃত সম্পদ) অনুসন্ধানের জন্য শিক্ষক/গবেষকদের লক্ষ্য রাখতে বলেন। বর্তমান সরকারের সুষম উন্নয়নের লক্ষ্য বাস্তবায়নে পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে অত্র অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি, উচ্চ শিক্ষার প্রসার এবং গবেষণার মাধ্যমে এ বিশ্ববিদ্যালয় অনন্য ভূমিকা রাখবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
Q1 জার্নালে বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশনার জন্য রাবিপ্রবি’র মোট নয় জন শিক্ষকবৃন্দকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মানিত শিক্ষকগণ হলেন- রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির (সোশ্যাল ইকোনমি); সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল আলম (মাইক্রোওয়েভ সেন্সিং); কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তানজিম মাহমুদ (এআই ইন হেলথকেয়ার, এগ্রিকালচার এন্ড কম্পিউটেশনাল লিঙ্গুইস্টিক) ও সহকারী অধ্যাপক ড. মিঠুন দত্ত (কম্পিউটার প্রোগ্রামিং); ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তালেব (টক্সিকোলজি) ও প্রভাষক জনাব মোঃ ছায়েদুল আমিন (ফরেস্ট্রি); ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন (মাইক্রোবিয়াল ইকোলজি) ও প্রভাষক জনাব সিফাতুন নূর (Microalgae Research) এবং ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক জনাব মোঃ নাফিজ মন্ডল (ট্যুরিজম)।
স্বাগত বক্তব্যে আরআইএমসি সেলের প্রেক্ষাপট ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন রিসার্চ এন্ড ইনোভেশন ম্যানেজমেন্ট সেলের পরিচালক ও ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক জনাব ফাহিম হোসেন।
অনুষ্ঠানে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ ফখরুদ্দিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক এবং বিভিন্ন বিভাগের স্নাতকোত্তর ও স্নাতক (তৃতীয় ও চতুর্থ) বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনসংযোগ দপ্তর
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
তারিখঃ ১৩ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.