ইহকাল

ইহকাল

Share

চিন্তায় করি কালের ব্যবচ্ছেদ

12/03/2026

সুদীর্ঘ হয় লাইন।

ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতে একের পর এক সুদীর্ঘ হয় জুম্মদের লাইন, স্বামী হারানো বিধবাদের লাইন, বাবা হারানো সন্তানদের লাইন, ছেলে হারানো মায়েদের লাইন কিংবা পিতাদের লাইন। সুদীর্ঘ হয় জাতির অস্তিত্ব রক্ষার্থে নি:স্বার্থে কাজ করে যাওয়া নিহত মেধাবীদের লাইন। সুদীর্ঘ হয় দীর্ঘশ্বাস, সুদীর্ঘ হয় প্রতিহিংসার লাইন, সুদীর্ঘ হয় আর্তনাদ, সুদীর্ঘ হয়, না পাওয়া অধিকার-স্বাধিকারের লাইন।

সুদীর্ঘ চাকমা বুঝতে পারে এই লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে যাচ্ছে। সে বুঝতে পারে এই লাইন হল আমাদের অধিকার স্বাধিকার লাইন থেকে জুম্ম জাতির বিচ্যুতির লাইন। সে সুদীর্ঘ এই লাইন মেরামতে হাত দেয় কিন্তু তাকেই লাইনে দাঁড়িয়ে দেওয়া হয়!

সংখ্যাটা আবারো বাড়তে থাকে। লাইন আবার সুদীর্ঘ হতে থাকে। সুদীর্ঘ হয় সুদীর্ঘ চাকমার মৃত্যুবার্ষিকীর লাইন। এইবার ১৩।
আগামীতে ১৪ তারপর ১৫,১৬,১৭...
অত:পর আমি, আপনি এবং শেষমেশ আমরা।

12/03/2026

সব গাছই একদিন জীবত থাকে। কারণ সবার মৃত্যুই বলে দেয় সবাই একদিন জীবিত ছিল।

এই গাছটাও একদিন জীবিত ছিল। বাড়ির পাশেই গাছটির অবস্থান। গাছটি হয়ত ফুলে ফলে হৃষ্টপুষ্ট ছিল একদিন। হয়ত গাছটি ছিল অনেক পাখিদের আশ্রয়স্থল। হয়ত গাছটি সবাইকে ফুল, ফল, ছায়া দিয়ে নি:স্বার্থভাবে বিলিয়ে দিয়ে গেছে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।

টিয়া, ময়না, শালিক, দোয়েল, বক, ঘুঘু সহ নাম না জানা অনেক পাখিরা হয়ত আসত গাছটিতে বিশ্রাম নিতে, গাছটির ফুল ফল খেতে।

তবে টিয়াদের দেখা হয়ত খুব একটা পাওয়া যেত না। হয়ত কোথাকার কোন দূর থেকে হঠাৎ উড়ে আসত এক ঝাঁক টিয়া। আবার সময় হলে হয়ত বিদায় নিত। এতে গাছটি হয়ত নিজেকে ভাগ্যবান ও ধন্য মনে করত এই ভেবে যে, পাখিদের ভিতর সবচেয়ে বুদ্ধিমান ও সুদর্শন পাখিটির ঝাঁক বিশ্রাম নিতে আসে তার কাছে। এতে হয়ত গাছকূলের কাছে গাছটির মর্যাদাও বৃদ্ধি পেত কিঞ্চিৎ। এই দেখে হয়ত কিছুটা ঈর্ষান্বিতও হত আশেপাশের গাছেরা।

তবে কালপর্বে গাছটি এখন মৃত। নেই আগের সেই জৌলুশ কিংবা দেওয়ার মত হৃষ্টপুষ্ট সেই ফুল,ফল আর ছায়া। তাই গাছটিতে এখন আর বসে না পুরোনো সেই পাখিদের আড্ডা। আসে না আর সেই দূর থেকে আসা সেই টিয়া পাখির ঝাঁক।

কারণ গাছটির কাছে দেওয়ার মত অবশিষ্ট কিছু নেই আর নিজের মৃত শরীরটি ছাড়া। গাছকূলের কাছে হারিয়েছে তার সেই পুরোনো মর্যাদা। জীবিত গাছেরা গাছের সমাজ থেকে তার নাম কেটে দিয়েছে। তার নামের আগে একটি ট্যাগ জুড়ে দেওয়া হয়েছে "মৃত"। মৃত জিনিসদের সমাজ অশুভ–অপয়া–অকর্মঠ বলেই গণ্য করে! মানুষের সমাজে হলে গাছটিকে হয়ত এতক্ষণে কবর দিয়ে অথবা পুড়িয়ে সৎকার করা হত। গাছেদের সমাজ বলে হয়ত মানুষের সমাজের চেয়ে একটু মানবিক। তাই মৃত্যুর পরও দয়া করে হয়ত গাছটিকে নিজের অবস্থানে দাঁড়িয়ে থাকতে দিয়েছে।

ভোরবেলা এই পথ দিয়েই প্রতিদিন একাডেমিতে যাতায়াত করি। আসা-যাওয়ার সময় দেখি এখনো কিছু বক এসে মাঝে মাঝে গাছটিতে আশ্রয় নেয়। গাছটির নিচে ছোট্ট এক জলাশয় আছে। হয়ত বকগুলো আসে সেই ছোট্ট জলাশয়ে মাছের শিকারের আশায়। গাছটির প্রতি তাদের বিশেষ কোন আকর্ষণ নেই আর। তাদের দৃষ্টি সেই মাছের দিকে, তাদের দৃষ্টি সেই জীবিত গাছেদের দিকে যারা কাছে আছে জৌলুশ যার কাছে আছে হৃষ্টপুষ্ট ফুল-ফল-ছায়া।

মাঝে মাঝে দেখি এক দোয়েল এসে গাছটিতে এসে বসে। নিজের কিছির মিছির শব্দে হয়ত গাছটিকে প্রাণ দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করে। গাছটির হয়ত সে সবে কোন অনূভুতিই কাজ করে না আর। কারণ তার দেহে যে কোন প্রাণ নেই আর।

দুপুরবেলা মাঝে মাঝে কিছু ঘুঘু এসে বসে। ঘুঘুদের শব্দে আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন গুমোট হয়ে উঠে। ঘুঘুরা হয়ত গাছটির বলতে না পারা অব্যক্ত দু:খ-বেদনা-অপ্রাপ্তিগুলোকে প্রকাশ করে দেয় তাদের এক শোকাবহ ভাষায়।

আমি দূর থেকে দেখি গাছটি ঠায় দাড়িয়ে থাকে অনূভুতিহীন এক ধ্বংসাবশেষ হয়ে। দেখি কত গ্রীষ্ম-বর্ষা-শরৎকাল এল গেল, আর কত বসন্তকাল! গাছটি রোদে-পুড়ে আর বৃষ্টিতে ভিজল সেই একই জায়গায় দাড়িয়ে থেকে। কারোর কাছে কোন অভিযোগ নেই, রাগ নেই, নেই কোনো অভিমান বা কোন চাওয়া পাওয়া। অস্তিত্ত্ব আছে কিন্তু প্রাণ নেই।

গাছটি এখন প্রাণহীন এক অস্তিত্ব হয়ে বেঁচে আছে সেই মৃত্যুর পর থেকে!

এই মৃত গাছটির ভিতর আমি আমার অনাগত দিনগুলোকে দেখতে পাই। দেখতে পাই আমার অনাগত বৃদ্ধকালকে। নীবর–নিথর–নি:সঙ্গ হয়ে এক জায়গায় বসে থেকে কাটিয়ে দেব সারাদিন। আমার প্রতি তখন থাকবে না কারোর আকর্ষণ কিংবা কোন গুরুত্ব। আমারও তখন থাকবে না কারো প্রতি কোন অভিযোগ, অভিমান কিংবা চাওয়া-পাওয়া।

শুধু থাকবে মৃত্যুর অপেক্ষা, এই এক শরীর ছেড়ে সমগ্রতে বিলীন হয়ে যাওয়ার অপেক্ষা।

দিন যত যাচ্ছে মনে হচ্ছে আমিই হতে যাচ্ছি এই দাড়িয়ে থাকা মৃত গাছটি। মনে হয় আমিই দাড়িয়ে আছি সেই কবে থেকে, অপেক্ষা করছি কখন এই সীমাবদ্ধ শরীর ছেড়ে বিলীন হয়ে যাব সমগ্রতে...🌿

21/02/2026

সকল ভাষা শহীদদের জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি 🌸।

এই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পৃথিবীর সকল মাতৃভাষার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা, সম্মান এবং ভালোবাসা।

11/02/2026

আমি ইউপিডিএফ হয়ে দেখলাম,
সেখানে দেখলাম জেএসএস এর রক্তাক্ত দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন লাশ!
অথচ আমাদের ফুরোমোন হওয়ার কথা ছিল।

আমি জেএসএস হয়ে দেখলাম,
সেখানে দেখলাম ইউপিডিএফ এর রক্তাক্ত দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন লাশ!
অথচ আমাদের তাজিংডং হওয়ার কথা ছিল।

আমি ধর্মজ্যোতি চাকমা হয়ে দেখলাম,
দেখলাম সেখানে সমীরণদের প্রতি কি তীব্র হিংসা।
অথচ আমাদের রাজপথ হওয়ার কথা ছিল।

আমি সমীরণ দেওয়ান হয়ে দেখলাম,
দেখলাম সেখানে ধর্মজ্যোতিদের প্রতি কি তীব্র হিংসা।
অথচ আমাদের এক ও অভিন্ন স্লোগান হওয়ার কথা ছিল।

আমি চাকমা হয়ে দেখলাম,
দেখলাম সেখানে মারমা-ত্রিপুরাদের স্বার্থের কোন কথা লেখা নেই।
অথচ আমাদের বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসুতে মিশে যাওয়ার কথা ছিল।

আমি মারমা-ত্রিপুরাও হয়ে দেখলাম,
দেখলাম সেখানে চাকমাদের স্বার্থের কোন কথা লেখা নেই।
অথচ আমাদের চেঙ্গী-মেইনি-কাচালং এর মোহনা হওয়ার কথা ছিল।

আমি সর্বশেষ জুম্ম হয়ে দেখলাম,
সেখানেই খুঁজে পেলাম চাকমা-মারমা-ত্রিপুরা-তঞ্চঙ্গ্যা-বম-লুসাই-পাংখোয়া-চাক-মুরং-খিয়াং,
বৈসু-সাংগ্রাই-বিঝুর রেং,
খুঁজে পেলাম চেঙ্গী-মেইনি-কাচালং,
সেখানেই খুঁজে পেলাম আলুটিলা-ফুরোমোন-তাজিংডং,
জেএসএস-ইউপিডিএফ-ধর্মজ্যোতি-সমীরণ।

09/11/2025

জাতিসত্তার চেতনায় অমর মহান নেতা এম. এন. লারমার ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি 🫡।

“We are citizens of Bangladesh, but we are not Bengalis. We are Chakmas, Marmas, Tripuras and so on…”
— এম. এন. লারমা

আজ মহান নেতা এম. এন. লারমা আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর চেতনা, ন্যায়, ও আত্মমর্যাদার আদর্শ আজও প্রতিটি জুম্ম হৃদয়ে জেগে আছে।
তিনি শিখিয়েছিলেন: সমতা, অধিকার ও মর্যাদার জন্য সংগ্রাম কোনো বৈরিতা নয়, বরং আত্মপরিচয়ের জাগরণ।

চেতনায় অমর এম. এন. লারমা।
তাঁর আদর্শ হোক আগামী প্রজন্মের আলোকবর্তিকা ✊।

ভিডিও: Piyal Nisho

26/10/2025

পদ্ম ময়লা কাদা মাটি থেকে জন্মায় কিন্তু পদ্ম সেটা অস্বীকার করে না বরং সে কাদার মধ্যে থেকেই নিজের সৌন্দর্য টানে।

আমাদের জীবনটাও সেই কাদা মাটির মত। সেখানে আছে দুঃখ, অস্থিরতা, লোভ, রাগ, মোহ, হিংসা অহংকার ইত্যাদি কাদা। তবু সেই কাদার ভেতরেই রয়েছে জীবনের বীজ, যা সঠিক আলো ও জলের সংস্পর্শে পদ্মের মতো প্রস্ফুটিত হয়ে সৌন্দর্য লাভ করতে পারে।

পদ্ম ময়লা কাদা থেকেই আত্মবিকাশ লাভ করে। তাই আত্মবিকাশ মানে পলায়ন নয়, রূপান্তর, নতুন এক পুনঃজন্ম।

ঠিক একইভাবে কাদা মানুষের জীবনের বাস্তবতা, পদ্ম সেই বাস্তবতার মধ্যেও নির্মলতার প্রতীক।
জীবনের অশুদ্ধতার ভিতরেরই থাকে পবিত্রতার নতুন এক পুনঃজন্মের পথ।

পদ্মের মত জীবনের কাদা থেকেই সৌন্দর্য টানুন। জীবন থেকে পলায়ন নয়, আত্মবিকাশ তথা পুন:জন্ম লাভ করে জীবনকেই ভালোবাসুন।

23/10/2025

প্রশান্তি 🌿

22/10/2025

যেদিন চীবরদান বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পর আশেপাশে পরিষ্কার থাকবে, মানুষ যেখানে সেখানে ময়লা-পলিটিন ফেলবে না সেদিন বুঝবেন মানুষ প্রকৃত ধার্মিক হয়ে গেছে।

কারণ আপনি বলছেন "জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক", কিন্তু অপরদিকে সকল প্রাণিদের ঘর পৃথিবীকেই আপনি ময়লা-পলিটিন ফেলে বসবাসের অযোগ্য করছেন! তাহলে আপনিই বলেন সেই পৃথিবীতে সকল প্রাণীরা কিভাবে সুখে থাকবে????

বুদ্ধ বলেছেন- নিজের ভেতরের বুদ্ধকে জাগ্রত করুন, পরিশুদ্ধ হোন। সেই জাগ্রত হওয়া বুদ্ধ যে পথে হাটবে সেটি হল ধর্ম।

লারনার্স একাডেমির ছাত্র-ছাত্রীদের ভেতরের বুদ্ধরা জাগ্রত হচ্ছে, আপনারাও পরিশুদ্ধ হয়ে আপনাদের ভেতরের বুদ্ধদের জাগ্রত করুন তখন পৃথিবীটা সুন্দর হবে, সবুজ হবে, সব প্রাণীদের বসবাসের উপযোগী হবে।

সেই সুন্দর পৃথিবীতে জগতের সকল প্রাণীই সুখী হবে।

Video: Learners Academy

17/10/2025

বুদ্ধ যখন বুদ্ধত্ব লাভের পর নিজ রাজ্য কপিলাবস্তুতে যান তখন কপিলাবস্তুর তিন যুবরাজ বুদ্ধের আপন তিন চাচাতো ভাই আনন্দ, অনিরুদ্ধ এবং মহানাম রাজপরিবার ত্যাগ করে বুদ্ধের কাছে দীক্ষা নিতে যান।

তাদের সঙ্গে ছিলেন রাজপরিবারের নাপিত উপালি, যিনি জন্মে শূদ্র অর্থাৎ সমাজের তথাকথিত নিম্নবর্ণের ব্যক্তি।

যখন তারা বুদ্ধের কাছে পৌঁছায়,
বুদ্ধ তিন যুবরাজকে আগে নয় বরং উপালিকেই আগে দীক্ষা দেন।

এখানে উল্লেখ্য বুদ্ধের প্রধান ১০ শিষ্যের মধ্যে উপালি ছিলেন অন্যতম। উপালি এতই বিনয়ী ছিলেন যে তাকে বিনয়ীধর উপালি বলা হত এবং বুদ্ধের মৃত্যুর পর যে প্রথম সংঙ্ঘ পরিষদ হয়, সে সংঙ্ঘ পরিষদে বিনয়পিত্তক( সংঙ্ঘের নিয়ম) আবৃত্তি করেন এই উপালিই অর্থাৎ বর্তমানে বৌদ্ধ ধর্মের ত্রিপিটকের নিয়ম-শৃঙ্খলা যে রুপে ঠিকে আছে তার ভিত্তি এই উপালির মুখে উচ্চারিত সূত্রে।

উপালিকে প্রথমে দীক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে বুদ্ধ দেখিয়েছিলেন যে, তাঁর দেখানো পথে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য বা শূদ্র অর্থাৎ সব মানুষই সমান। ধর্মসঙ্ঘে প্রবেশের পর সবাই সমান,
সেখানে আর কোন “রাজা-প্রজা”, “উচ্চ-নীচ” নেই।
এই ছিল সংঘের গণতান্ত্রিক নীতি,
যা বিশ্বের ইতিহাসে এক অন্যন্য সাংগঠনিক সমতার মডেল।

এখন চারিদিকে কঠিন চীবর দান চলছে। পুরো মাসব্যাপী চলবে। এই চীবরদানের প্যান্ডেলগুলোতে সামনের সারিতে ব্যবস্থা করা হয় স্পেশাল প্যান্ডেল (ফ্যান, কার্পেট নানা রকম সুবিধা দিয়ে) সেখানে স্থান দেওয়া হয় ভিআইপিদের আর পেছনে বসানো হয় আমাদের সমাজের উপালিদের যারা সমাজের অনেক কষ্ট-ত্যাগ স্বীকার করে চীবর দানের জন্য অর্থ দিয়ে ধর্মকে ঠিকিয়ে রাখে একটু সুখ-শান্তির আশায়, দারিদ্র্য আর অভাব থেকে পরিত্রাণের আশায়। কিন্তু প্রতি চীবরদানগুলোতেই উপালিরা উপেক্ষিত হয়, বছর চলে যায় কিন্তু দারিদ্র্যতা আর অভাব তাদের পিছু ছাড়ে না!

যে ধর্ম মানুষে মানু্‌ষে ভেদাভেদ সৃষ্টি করে, উঁচু -নিচু তৈরি করে সেটি বুদ্ধের ভাষায় অর্ধম। মানুষ আজ সেই অর্ধমকেই চর্চা করে বুদ্ধের নামে ধর্মের নামে সমাজে ভেদাভেদ সৃষ্টি করছে যেটি স্পষ্টই বুদ্ধের নীতির পরিপন্থী, সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠার পরিপন্থী।

আমাদের মনে রাখতে হবে, চীবরদানগুলোতে যতদিন এই স্পেশাল ভিআইপি প্যান্ডেল থাকবে ততদিন মানুষের ভেতরের ভেদাভেদ জারি থাকবে, সমাজে না প্রতিষ্ঠা হবে সমতা এবং না স্থাপিত হবে কোন শান্তি।

পরিশেষে কর্তৃপক্ষের বোধ উদয় হোক, এই চীবরদানগুলোতেই প্রতিটি খিয়াংয়ের পেছনের সারির উপালি আর সামনের সারির আনন্দরা মিলেমিশে একাকার হোক, এক এবং অভিন্ন প্যান্ডেলের নিচেই মানুষে মানুষে সমতা প্রতিষ্ঠা হোক।

জগতের সকল প্রাণীই সুখী হোক, সমান ভাগীদার হোক বুদ্ধরে সেই সার্বজনীন শান্তির।

Video credit: "Buddha TV Serial"
Produced by: Rajarshi Modhi, Shetall Singh
Direcred By: Darmesh Shah

17/10/2025

"আমার দেখানো মার্গ (পথ) না কোন সিদ্ধান্ত, না কোন দর্শনশাস্ত্র! এটি শুধু অনুভব যা গভীর চর্চায় পাওয়া যায়, যে অনুভব শান্তির।" - বুদ্ধ

জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক, বুদ্ধের এই শান্তি অনুভব করুক। এই শান্তি কোন বর্ণ বা জাতের ভেদাভেদ করে না, এই শান্তি সার্বজনীন সকল প্রাণীর কল্যাণের শান্তি।

Want your school to be the top-listed School/college in Rangamati?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Rangamati
4520