Medicine Club, Rangamati Medical College Unit

Medicine Club, Rangamati Medical College Unit

Share

We distribute drugs among rural people of Bangladesh as well as we do blood grouping, blood donation

12/07/2024

রক্তশূন্যতা/ অ্যানিমিয়া হলো রক্তের এমন একটি রোগ যেখানে রক্তে লোহিত রক্তকণিকা (RBC) বা হিমোগ্লোবিন স্বাভাবিক সংখ্যার চেয়ে কম থাকে বা রক্তের অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা হ্রাস পায়। যখন রক্তশূন্যতা ধীরে ধীরে হয়, তখন লক্ষণগুলি প্রায়ই অস্পষ্ট হয়, যেমন ক্লান্তি বোধ, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা এবং ব্যায়াম করার কম ক্ষমতা। যখন রক্তস্বল্পতা দ্রুত হয়, তখন বিভ্রান্তি, অজ্ঞান হওয়া, চেতনা হ্রাস এবং তৃষ্ণা বৃদ্ধির মতো লক্ষণগুলি থাকতে পারে। একজন ব্যক্তির ত্বক লক্ষণীয়ভাবে ফ্যাকাশে হওয়ার আগে রক্তাল্পতা অবশ্যই তাৎপর্যপূর্ণ হতে হবে। এই রোগের অন্তর্নিহিত কারণের উপর নির্ভর করে অতিরিক্ত উপসর্গ ঘটতে পারে। অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় এমন লোকেদের ক্ষেত্রে প্রি-অপারেটিভ অ্যানিমিয়া অস্ত্রোপচারের পরে রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

১২ জুলাই, ২০২৪
এক অ্যানিমিয়া আক্রান্ত রোগীর প্রয়োজনে রক্তদানে এগিয়ে আসে ১০ম ব্যাচের সুদীপ্ত বড়ুয়া।

Photos from Medicine Club, Rangamati Medical College Unit's post 08/07/2024

আজ ৮ জুলাই, রোজ সোমবার, দশম প্রজন্ম 'দিদৃক্ষা' এর সাথে মেডিসিন ক্লাব, রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ ইউনিটের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেডিসিন ক্লাব নিয়ে পরিচিতি পর্ব ছাড়াও, প্রথম প্রফের বিষয়গুলি সঠিকভাবে পড়ার নির্দেশনা, কুইজ, চান্সপ্রাপ্তদের অভিজ্ঞতা শেয়ার এবং ব্যতিক্রমী কিছু আয়োজন করা হয়।

বিশেষ ধন্যবাদান্তে,
৭ম প্রজন্ম : তানভীর, অর্ণব, ইশরাত, অর্পিতা, হাসিফ, স্নেহা, প্রাঙ্গন, শারমিন, টিনা, তিথি, আরিয়ান, উজ্জ্বল
৮ম প্রজন্ম : দীপ্ত, কমল
৯ম প্রজন্ম : অভিজিৎ, জিয়াদ, তসলিম, পার্থিব, সৃজন, মেগা, শারিয়া, আশাতি, লাবিবা, ঋত্বিকা

সার্বিক তত্ত্বাবধানে : আয়াদ শরীফ সিরাজ এবং ডেন্নিস খোয়ালরিং

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ : ডাঃ তন্ময় চৌধুরী

Photos from Medicine Club, Rangamati Medical College Unit's post 07/07/2024

Congratulations to Dr. A.Z. Fattah, Dr. Nosrath Jahan & Dr. Samin Isfaq for passing the FCPS Part-1 exam!

We are incredibly proud of you!

06/07/2024

📌রাসেল’স ভাইপার / চন্দ্রবোড়া

চন্দ্রবোড়া বা উলু বোড়া দক্ষিণ এশিয়ার ভাইপারিডি পরিবারের একটি অত্যন্ত বিষাক্ত সাপ। প্যাট্রিক রাসেল ১৭৯৬ সালে তার অ্যান অ্যাকাউন্ট অফ ইন্ডিয়ান সারপেন্টস, কালেক্টেড অন দা কোস্ট অফ করোমান্ডেল বইয়ে চন্দ্রবোড়া সম্পর্কে লিখেছেন ও তার নাম অনুসারে এটি রাসেল’স ভাইপার নামেও পরিচিত।

04/07/2024

🩸🩸রক্তদানে যেভাবে উপকৃত হন রক্তদাতা🩸🩸

রক্তদান যে গ্রহীতাদের জীবনকেই শুধু বাঁচায় তা-ই নয়, নিয়মিত রক্তদান রক্তদাতাকেও দিতে পারে অসাধারণ সব উপকার:

🩸হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো
আমেরিকান জার্নাল অব এপিডেমিওলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয় যে, নিয়মিত রক্তদাতাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩৩ ভাগ কম এবং তাদের হার্টঅ্যাটাক হওয়ার ঝুঁকি কম ৮৮ ভাগ। রক্তদান করলে দাতার শরীরে লৌহের পরিমাণ কমে যাওয়াকেই এর কারণ হিসেবে বলেন বিজ্ঞানীরা।

🩸রক্তে লৌহের পরিমাণ বেশি থাকলে রক্ত ঘন হয়, কোলেস্টেরল তৈরি হওয়ার হার ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে। আর কোলেস্টেরলের সাথে যে হৃদরোগের যোগ আছে তা তো কারো অজানা নয়। তাছাড়া লোহা বা আয়রনের পরিমাণ বেড়ে গেলে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, অবসাদ, পেশির দুর্বলতা, ধমনীর শক্ত হয়ে যাওয়া, লিভার বড় হয়ে যাওয়াসহ নানান অসুখের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

অন্যদিকে রক্ত দিলে একজনের শরীর থেকে প্রায় ২২৫ থেকে ২৫০ মিলিগ্রাম লোহা বেরিয়ে যায়। যা হৃদরোগসহ এর কারক হিসেবে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে তার ঝুঁকি কমায়।

🩸বাড়তি ওজন হ্রাস
প্রতি পাইন্ট (এক গ্যালনের আট ভাগের এক ভাগ) রক্ত দিলে ৬৫০ ক্যালরি করে শক্তি খরচ হয়। কারণ দেহ তখন তা পূরণের জন্যে কাজে নিয়োজিত হয়। কাজেই ওজন কমানোর ক্ষেত্রে এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

🩸ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানো
মিলার-কিস্টোন ব্লাড সেন্টারের এক গবেষণায় দেখা যায়, যারা বছরে দুই বার রক্ত দেয়, অন্যদের তুলনায় তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম। বিশেষ করে ফুসফুস, লিভার, কোলন, পাকস্থলী ও গলার ক্যান্সারের ঝুঁকি নিয়মিত রক্তদাতাদের ক্ষেত্রে অনেক কম বলে দেখা গেছে। চার বছর ধরে ১২০০ লোকের ওপর এ গবেষণা চালানো হয়। গবেষকরা বলেন, নিয়মিত রক্ত দিলে রক্তের ইনফ্লেমেটরি মার্কার কমে ও এন্টিঅক্সিডেন্ট উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ে।

🩸বিনামূল্যে সুস্থতা যাচাই
রক্ত দিতে এলে প্রতিবারই একজন রক্তদাতার সুস্থতার বেশ কিছু পরীক্ষা একদম ফ্রি হয়ে যাচ্ছে। যেমন তার নাড়ি, ব্লাড প্রেশার, দেহের তাপমাত্রা, হিমোগ্লোবিন মাত্রা ইত্যাদি। তাছাড়া রক্ত দেয়ার পর তার হয়ে যাচ্ছে হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, এইচআইভি, সিফিলিস, গনোরিয়া এরকম রক্তবাহিত পাঁচটি রোগের স্ক্রিনিং। ফলে প্রতি চার মাসে একবার করে বছরে তিনবার হয়ে যাচ্ছে তার সুস্থতার সার্বিক একটি যাচাই। রক্তদাতা জানতে পারেন তিনি কোনো সংক্রামক রোগে ভুগছেন কিনা।

🩸প্রাণবন্ততা ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি
রক্তদান করার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের মধ্যে অবস্থিত বোনম্যারো বা অস্থিমজ্জা নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয়। রক্তদান করার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দেহে রক্তের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায়, আর লোহিত কণিকার ঘাটতি পূরণ হতে সময় লাগে চার থেকে আট সপ্তাহ। এই পুরো প্রক্রিয়া আসলে শরীরের সার্বিক সুস্থতা, প্রাণবন্ততা আর কর্মক্ষমতাকেই বাড়িয়ে দেয়।

তবে রক্তদানের এ উপকারগুলো আসলে তারাই পাবেন যারা নিয়মিত রক্তদান করেন। জার্নাল অব আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের এক রিপোর্টে দেখা গেছে, ৪৩ থেকে ৬১ বছর বয়সী যেসব মানুষ প্রতি ছয় মাস পর পর নিয়মিত রক্ত দেন, তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কম। আর প্রাকৃতিক নিয়মেই যেহেতু প্রতি চার মাস পর পর আমাদের শরীরের লোহিত কণিকা বদলায়, তাই বছরে তিনবার রক্ত দিলে শরীরের লোহিত কণিকাগুলোর প্রাণবন্ততা আরও বেড়ে যায়।

🩸মন ভালো করতে অনবদ্য
রক্তদানের ফলে মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়। কাউকে সাহায্য করার মতো, বিশেষ করে কারো জীবন বাঁচানোর মতো প্রশান্তিদায়ক অনুভূতি অন্য কিছুতেই নেই। সেই মানসিক তৃপ্তি কখনই অন্য কোনোকিছুর সঙ্গে তুলনীয় নয়। রক্তদানের মাধ্যমে মানুষের প্রতি মানুষের মমত্ববোধও বাড়ে।

🩸ধর্মীয় দৃষ্টিতে
রক্তদান ধর্মীয় দিক থেকেও অত্যন্ত পুণ্য বা সওয়াবের কাজ। পবিত্র কুরআনের সূরা মায়েদার ৩২নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘...আর যখন কেউ কোনো মানুষের জীবন রক্ষা করল, সে যেন সমগ্র মানবজাতির জীবন রক্ষা করল।’ বলা হয়েছে- ‘নিঃশর্ত দানের জন্যে রয়েছে চমৎকার পুরস্কার। তারা লাভ করে আশীর্বাদধন্য দীর্ঘজীবন ও অমরত্ব।’ আসলে সব ধর্মেই রক্তদানকে উৎসাহিত করা হয়েছে। নিঃসন্দেহে রক্তদানের মাধ্যমে প্রাণ বাঁচানো একটি মহৎ কাজ এবং বড় ইবাদত।

🩸নিজের জন্য সঞ্চয়
স্বেচ্ছায় রক্তদাতাকে একটি ডোনার কার্ড দেওয়া হয়। ওই কার্ড দিয়ে রক্তদাতা নিজে এবং নিজের পরিবার প্রয়োজনে আজীবন ওই প্রতিষ্ঠান থেকে রক্ত পেতে পারেন। এজন্য বলা যায়, রক্তদান করে দাতা আসলে নিজের দুঃসময়ের জন্য রক্ত সঞ্চয় করছেন।

🩸সামাজিক দায়িত্ববোধ
রক্তদান আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বও বটে। এটা সম্পূর্ণ মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক কার্যক্রম। এর মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি পায়, এমনকি ধর্মীয় সম্প্রীতিও বৃদ্ধি পায়।

সবশেষে বলা যায়, জীবনের জন্য প্রয়োজন রক্তের। অপারেশন ছাড়াও বিভিন্ন কারণে শরীরে রক্তের ঘাটতি হতে পারে। এসময় প্রয়োজন বিশুদ্ধ রক্ত, যার কোনো বিকল্প নেই। এখনো বিশ্বের অনেক দেশে মানুষের রক্তের চাহিদা হলে নির্ভর করতে হয় নিজের পরিবারের সদস্য বা নিজের বন্ধুদের রক্তদানের ওপর।

২ জুলাই, ২০২৪
এক এনিমিয়া আক্রান্ত রোগীর প্রয়োজনে রক্তদানে এগিয়ে আসে ৯ম ব্যাচের পার্থিব চৌধুরী।

16/06/2024

প্রিয়জনকে নিয়ে প্রশান্তি ও আনন্দে কাটুক উৎসবের দিনগুলো। সবাইকে ঈদ উল- আযহা-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা।

ঈদ মোবারক।

Photos from Medicine Club, Rangamati Medical College Unit's post 05/06/2024

৫ জুন ,২০২৪ ইং রোজ বুধবার রাঙামাটি মেডিকেল কলেজে নব্য ব্যাচের (দিদৃক্ষা -১০)আগমন উপলক্ষে অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে উষ্ণ অভ্যর্থনার মাধ্যমে বরণ করে নেয়া হয় নবাগত অনুজদের।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেডিসিন ক্লাব নিয়ে পরিচিতি পর্ব ছাড়াও, চান্সপ্রাপ্তদের অভিজ্ঞতা শেয়ার এবং ব্যতিক্রমী কিছু আয়োজন করা হয়।

নবীনদের পদচারণায় মুখরিত হোক মেডিসিন ক্লাব, রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ ইউনিটের পথচলা।তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সেবাস্পৃহা ক্লাবকে এগিয়ে নিয়ে যাক আরো কয়েক ধাপ!!!

বিশেষ ধন্যবাদান্তে,
৬ষ্ঠ প্রজন্ম : ডেনিস, সঞ্জিব, ন্যান্সি, আরশি
৭ম প্রজন্ম : অর্ণব, ইশরাত, আরিয়ান, হাসিফ, প্রাঙ্গন,উজ্জ্বল
৮ম প্রজন্ম : দীপ্ত, কমল,বর্তি,মিথিলা, ফারিয়া
৯ম প্রজন্ম : সৃজন, জিয়াদ, তসলিম, পার্থিব,মুগ্ধ, মেগা,আশাতি, অভিজিৎ।

"Learn & Let Others Learn To Serve The Humanity In Best Possible Manner."

24/10/2023

শুভ বিজয়া!

Photos from Medicine Club, Rangamati Medical College Unit's post 17/08/2023

১৫ আগস্ট, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ শাখা কর্তৃক আয়োজিত মেডিকেল ক্যাম্পেইনে মেডিসিন ক্লাব, রাঙ্গামেক ইউনিটের অংশগ্রহণের একাংশ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য রাঙ্গামাটি ২৯৯ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জননেতা জনাব দীপংকর তালুকদার মহোদয় । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জনাব হাজী মো. মুছা মাতব্বর সহ বিভিন্ন অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ধন্যবাদান্তে,
৫ম: অন্তরা দাশগুপ্তা, তাসনিমা শাবরিন নওমি
৬ষ্ঠ: আয়াদ শরীফ সিরাজ, ন্যান্সি বম, আরশি শর্মা
৭ম: বিক্রমাদিত্য চাকমা
৮ম: দীপ্ত দে, কমল ত্রিপুরা, মিথিলা চক্রবর্তী, ফারিয়া তাসনিম, কারিনা সরকার
৯ম: ইসমাইল তসলিম, অবনী ত্রিপুরা

সার্বিক তত্বাবধায়নে : আয়াদ শরীফ সিরাজ।
নির্দেশনায়: অন্তরা দাশগুপ্তা

Photos from Medicine Club, Rangamati Medical College Unit's post 09/08/2023

যে একটি গাছ লাগালো, সে একটি আশা তৈরি করলো🌿

গত ৮ই আগস্ট, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মদিন উপলক্ষে, রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে, মেডিসিন ক্লাব, রাঙ্গামেক ইউনিট কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

সারাদিন অতিবৃষ্টির মধ্যেও কর্মসূচি বাস্তবায়নে :
৭ম প্রজন্ম : তানভীর হোসেন
৮ম প্রজন্ম : দীপ্ত দে, কমল ত্রিপুরা

সার্বিক তত্বাবধায়নে : তন্ময় চৌধুরী

Photos from Medicine Club, Rangamati Medical College Unit's post 02/08/2023

আজ ২রা আগস্ট, নবম প্রজন্ম 'লুব্ধক' এর সাথে মেডিসিন ক্লাব, রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ ইউনিটের অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেডিসিন ক্লাব নিয়ে পরিচিতি পর্ব ছাড়াও, প্রথম প্রফের বিষয়গুলি সঠিকভাবে পড়ার নির্দেশনা, কুইজ, চান্সপ্রাপ্তদের অভিজ্ঞতা শেয়ার এবং ব্যতিক্রমী কিছু আয়োজন করা হয়।

বিশেষ ধন্যবাদান্তে,
৬ষ্ঠ প্রজন্ম : আয়াদ শরীফ সিরাজ
৭ম প্রজন্ম : তানভীর, অর্ণব, ইশরাত, অর্পিতা, সাদিয়া, শ্রাবণী, আরিয়ান, হাসিফ, স্নেহা, প্রাঙন, মুনতাহা, তাফহিমা, শারমিন, টিনা, তিথি, নুসরাত, বিক্রমাদিত্য
৮ম প্রজন্ম : দীপ্ত, কমল, চিংসা, মিথিলা, কারিনা, ফারিয়া

Photos from Medicine Club, Rangamati Medical College Unit's post 25/07/2023

নবম প্রজন্মের আগমন উপলক্ষে মেডিসিন ক্লাব কর্তৃক ফুলেল শুভেচ্ছা এবং বই তালিকা বিতরণ ছাড়াও নবাগতদের নিয়ে ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইনের একাংশ।

Want your school to be the top-listed School/college in Rangamati?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Rangamati Medical College
Rangamati
4500