Global Smart Asset School24

Global Smart Asset School24

Share

HS DHIMAN CHAKMA
FUNDER/TUTOR /TEACHER/INSTRUCTOR/ EDUCATION CONSULTANT/WRITER
LEARN, UNLEARN & RELEARN
BE HAPPY & STAY STRONG

Photos from Global Smart Asset School24's post 26/06/2020


#নাগিব_মাহফুজ
#সাহিত্যে_নোবেল_বিজয়ী_প্রথম_আরব্য_উপন্যাসিক

---> আরবি ভাষার কিংবদন্তি ঔপন্যাসিক নাগিব মাহফুজ। ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য পেয়েছেন নোবেল পুরস্কার। আরব লেখকদের মধ্যে তিনিই প্রথম ও সাহিত্যে একমাত্র নোবেল বিজয়ী। আরবি সাহিত্যে যেসব লেখক অস্তিত্ববাদ নিয়ে লেখালেখি শুরু করেন, তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। আরব বিশ্ব ছাড়িয়ে তিনি অবস্থান করে নিয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা সাহিত্যিকদের তালিকায়।

বিশ্বব্যাপী প্রভাবশালী এই আধুনিক ঔপন্যাসিকের জন্ম মধ্যপ্রাচ্যের দেশ মিশরে। ১৯১১ সালের ১১ ই ডিসেম্বর কায়রোর আল-জামালিয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বয়স যখন ১৩ বছর, তখন তার বাবা তার জন্মস্থান আল-জামালিয়া থেকে স্থানান্তরিত হয়ে আল-আব্বাসিয়া গ্রামে চলে যান। তারা বহু বছর সেখানে বসবাস করেন। পিতার মৃত্যুর পরও নাগিব মাহফুজ তার মাকে নিয়ে সেখানে অনেকদিন বসবাস করেন। তারপর তিনি চলে আসেন পুরনো কায়রোর আল-আজহার এলাকায়।

নাগিব ছাত্রাবস্থা থেকেই দর্শনের প্রতি অনুরাগী ছিলেন। ১৯৩৪ সালে তিনি বর্তমান কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় বা তৎকালীন ফুয়াদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। পাশাপাশি তিনি ছিলেন সাহিত্যের একজন গভীর পাঠক। ছাত্রজীবনে ইংরেজি এবং ফরাসি ভাষায় রচিত বহু গ্রন্থ তিনি গভীর আনন্দের সাথে পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র থাকাকালীনই তিনি তিনটি ছোট আকৃতির ঐতিহাসিক উপন্যাস লিখে ফেলেন। তিনি ১৭ বছর বয়সে লেখালেখি শুরু করেন। তার লিখিত প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয় ১৯৩৯ সালে। তবে লেখালেখির শুরুতেই খ্যাতি পেয়ে জাননি, করতে হয়েছে অনন্য সাধনা। প্যারিস রিভিউতে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার লেখালেখি শুরুর গল্প বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন-

১৯২৯ সালে আমার লেখালেখির যাত্রা শুরু। তখন আমার সবগুলো গল্প প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। মাজাল্লার সম্পাদক সালামা মুসা বলতেন, "তুমি সম্ভাবনাময়, কিন্তু এখন পর্যন্ত ভালো কিছু লিখতে পারনি।" ১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরের কথা আমার বিশেষভাবে মনে পড়ে, কারণ সেটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু, হিটলার পোল্যান্ড আক্রমণ করলেন। আমার গল্প ‘আবাছ আল-আকদার’ পত্রিকায় ছাপা হলো, সেটা আমার জন্য মাজাল্লা প্রকাশকদের পক্ষ থেকে একধরনের অপ্রত্যাশিত উপহার ছিল। সেটা আমার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

১৯৫২ সালের জুলাই মাসে সংগঠিত মিসর বিপ্লবের আগে তার প্রায় ১০টি বই প্রকাশিত হয়। এই বিপ্লবে তার লেখালেখি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এরপর তিনি বেশকিছু বছর তার লেখালেখি বন্ধ রাখেন। ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয় তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘কায়রো ট্রিলজি,’ যা তাকে সারাবিশ্বে পরিচিত করে তোলে। তার লিখিত মোট উপন্যাসের সংখ্যা ৩৪টি, ছোটগল্পের সংখ্যা ৩৫০টি। এছাড়াও লিখেছেন ৫টি নাটক এবং অনেকগুলো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য। তার লিখিত অনেক গল্প নিয়ে মিসরে ও বিভিন্ন দেশে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র।

নাগিব মাহফুজ তার সাহিত্য সাধনার প্রথম দশ বছর যে কয়েক ডজন ছোটগল্প রচনা করেছেন, তার অধিকাংশই শহুরে জীবনের নানা অন্ধকার দিক নিয়ে লিখিত এবং তার গল্পের অনেক চরিত্রই সরাসরি জীবন থেকে নেয়া। ফলে অতি দ্রুত সময়ে তিনি পাঠকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। ১৯৪৫ থেকে ১৯৫৭ সালের মধ্যে তার যে উপন্যাসগুলো প্রকাশিত হয়, তা সাধারণভাবে বাস্তবতাবাদী বলে অভিহিত হয়। এসব উপন্যাসের মধ্যে 'আল-খলিলি', 'মাইদাক গলি', 'মরীচিকা', 'শুরু এবং শেষ' ও 'কায়রো ট্রিলজি' বিশেষভাবে বিখ্যাত। ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত ‘গেবেলাউইর শিশুরা’ দিয়ে তার লেখালেখিতে পরিবর্তন আসে। রূপক ও প্রতীকধর্মী রাজনৈতিক বিষয়াদি এ সময়ে তিনি তার লেখায় তুলে ধরেন। লেখায় দার্শনিক ও জটিল মনস্তাত্ত্বিক বিষয়সমূহ প্রাধান্য পেতে শুরু করে। 'গেবেলাইর শিশুরা’ গ্রন্থটি একইসাথে বিখ্যাত এবং বিতর্কিত। নিজ দেশ মিশরে আজও বইটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়নি। ১৯৬৭ সালে লেবানন থেকে সর্বপ্রথম বই আকারে প্রকাশিত হয় এই উপন্যাসটি। ১৯৮১ সালে উপন্যাসটির আরবি থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ফিলিপ স্টুয়ার্ট। এ সময়ে প্রকাশিত তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য উপন্যাস হচ্ছে, ‘চোর ও কুকুর’, ‘শরতের কয়লা’, ‘নীলের ছোট ছোট কথা’, ‘মিরামার’ ইত্যাদি।

খান-ই-খলিলি কায়রোর আল আযহার মসজিদের পাশের একটি বাজার, এই বাজারের অজস্র অলিগলি ও তাদের উপাখ্যানকে কেন্দ্র করেই নাগিব মাহফুজ লিখেছেন তার 'আল-খলিলি' উপন্যাসটি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কায়রো শহরকে কীভাবে বদলে দেয়, সেই কাহিনী নিয়ে রচিত হয়েছে 'মাইদাক'।

20/06/2020

POS : Proof Of Stake
STO : Security Token Offering
ICO : Initial Coin Offering
IEO : Initial Exchange Offering
IPO : Initial Public Offering

10/06/2020


ানি_সম্পর্কিত_কতগুলো_শব্দ

👁 In deep water - বিপদ গ্রস্থ

👁 In smooth water - নির্বিঘ্নে

👁 Under water - প্লাবিত

👁 Hold water - পরীক্ষায় টেকা

👁 Keep one's head above water - সঙ্কট পরিহার করা

👁 Make water - প্রসাব করা

👁 Throw cold water on - নিরুৎসাহিত করা

👁 Still water run deep - শান্ত ভাবের অন্তরালে

👁 Back water - অচলতা, নিশ্চলতা

👁 In low water - অর্থকষ্টে

👁 Of the first water - সর্বোৎকৃষ্ট

👁 Water bird - জলচর পাখি

👁 Water blister - জল ফোস্কা

👁 Water cannon - জল কামান

👁 Water cart - পানিবাহী গাড়ি

👁 Water closet - শৌচাগার, বাথরুম

👁 Water fall - জলপ্রপাত

👁Water cress - কলমিদল, জলজউদ্ভিদ

👁 Water mark - কাগজের জলছাপ

👁 Water nymph - জলপরী

👁 Water shed - জল বিভাজক

👁 Water spout - পানি নিঃস্রাবী নল

👁 Water tight - জল রোধক

👁 Water tower - জলাধার

👁 Watering can - গাছে পানি দেওয়ার জন্য ছাঁকনা যুক্ত পাত্র

👁 Mouth watering - অত্যন্ত ক্ষুদাবর্ধক

👁 Water down - পানি মেশানো, শিথিল করা

👁 Watered silk - তরঙ্গাকারে রেখাঙ্কিত রেশমী বস্তু

Thanks Everyone
See you in the next presentation

Photos from Global Smart Asset School24's post 09/06/2020




---> লিও তলস্তোয় ( ২৮ আগস্ট ১৮২৮ – ২০ নভেম্বর ১৯১০) একজন খ্যাতিমান রুশ লেখক। তাকে রুশ সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক, এমনকি বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। তার দু’টি অনবদ্য উপন্যাস যুদ্ধ ও শান্তি (রচনাকাল ১৮৬৩–১৮৬৯) এবং আন্না কারেনিনা (রচনাকাল ১৮৭৩–১৮৭৭)। তিনি ১৯০২ থেকে ১৯০৬ পর্যন্ত প্রতি বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার-এর জন্য একাধিকবার মনোনয়ন পেয়েছিলেন, ১৯০১, ১৯০২ এবং ১৯১০ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার-এর জন্য মনোনীত হন এবং তার পুরস্কার না পাওয়ার ঘটনাটি নোবেল পুরস্কার বিতর্কের একটি প্রধান কারণ ছিল ।
তলস্তোয়ের জন্ম রুশ সাম্রাজের তুলা প্রদেশের ইয়াস্নায়া পলিয়ানা নামক স্থানে। তিনি ছিলেন পরিবারের চতুর্থ সন্তান। শিশু বয়সে তার বাবা-মা মারা যান এবং আত্মীয়স্বজনরাই তাকে বড় করেন। তিনি উপন্যাস ছাড়াও নাটক, ছোটগল্প এবং প্রবন্ধ রচনায় ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। ১৯১০ সালের ২০ নভেম্বর রাশিয়ার আস্তাপভা নামক এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের রেলওয়ে স্টেশনে তলস্তোয় অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং নিউমোনিয়াতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার মৃত্যুর পর তার ইচ্ছানুসারে ১৯২৮ ও ১৯৫৮ সালের মধ্যবর্তী সময়ে তার সাহিত্যকর্ম ৯০ খণ্ডে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রকাশিত হয়, যার অর্ধেকাংশ তার দিনলিপি ও চিঠিপত্র।

👉 বংশ
তল্‌স্তোয় রাশিয়ান প্রাচীন সুপরিচিত অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। পিয়োত্‌র্‌ টলস্টয়ের বর্ণিত ইন্দ্রিস নামে একটি পৌরাণিক অভিজাত পুরুষের সাথে তাঁদের বংশের যোগসূত্র ছিল, পিয়োত্‌র্রের বর্ণনায় ১৩৫৩ সালে "নেমেক থেকে, সিজারের ভূমি থেকে" যিনি দুই পুত্র লিটভিনোস (অথবা লিটভোনিস) এবং জিমোনটেন (বা জিগমন্ট) এবং ৩০০০ জনের অনুচরবৃন্দ নিয়ে চের্নিগভে পৌঁছেছিলেন। যদিও "নিমেক" (Nemec) শব্দটি কেবল জার্মানদের বোঝাবার জন্য ব্যবহৃত হত। সেই সময় এটি রাশিয়ান ভাষায় কথা বলেন না এমন যে কোনও বিদেশীর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়েছিল (নেময়ের শব্দের অর্থ নিঃশব্দ বা নির্বাক)। চেরেনিগোভ তৎকালীন ব্রায়ানস্কের প্রথম দিমিত্রি (Demetrius I Starshy) দ্বারা শাসিত হয়েছিল দর্শন ছিলো পৌত্তলিকতাবাদ। কিছু গবেষণা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে যে তল্‌স্তোয় পরিবার লিথুয়ানিয়া থেকে আগত; যারা লিথুয়ানিয়ার গ্র্যান্ড ডাচি (Grand Duchy of Lithuania) অন্তর্ভুক্ত অঞ্চলে ছিলো।

👉 শিক্ষা জীবন
নিজের চেষ্টায় আরো অনেক ভাষা শিখেছিলেন। তিনি লাতিন, ইংরেজি, আরবি, তুর্কো-তাতার, ইতালীয়, গ্রিক এবং হিব্রু ভাষা জানতেন। তিনি সংগীতশাস্ত্র এবং চিত্রাঙ্কন বিদ্যাতেও মোটামুটি পারদর্শী ছিলেন। তার একাগ্রতা ও পরিশ্রম করবার শক্তি ছিল অসাধারণ। তিনি মেধাবীও ছিলেন। বস্তুত তিনি ছিলেন স্বশিক্ষিত।

👉 ব্যক্তিজীবন
তার জীবনীশক্তি ও কর্মোদ্যম ছিল প্রচন্ড দানবীয় রকমের । ভালো শিকারি ছিলেন এবং ভয়ংকর একগুয়ে স্বভাবের ছিলেন। একবার ভালুক শিকারে গিয়েছিলেন, একটা ভালুক থাবা মেরে চোখের নিচে থেকে বাঁদিকের গাল ছিড়ে নামিয়ে দেয়; দুই সপ্তাহ পরে ভালো হয়ে তিনি ফের শিকারে যান এবং ঐ ভালুকটিকে বধ করেন। বন্ধু-বান্ধব বা সমাজ কী বলবে সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে নিজে যা উচিত এবং ন্যায্য বলে ভেবেছেন তাই করেছেন সবসময়। শান্ত-সুবোধ প্রকৃতির ছিলেন না, যৌবনে প্রচুর ধার-দেনা করেছেন এবং বিষয় সম্পত্তি নষ্ট করেছেন।পাদ্রী-পুরুতদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তাদের সমালোচনা করেছেন, এবং তার শাস্তি স্বরূপ যাজক সম্প্রদায় ঘোষণা করেছেন যে, তলোস্তয় কে খ্রিস্ট ধর্ম থেকে বহিষ্কার করা হল, তিনি আর খ্রিস্টান বলে গণ্য হবেন না। এর উত্তরে তিনি বলেছিলেন যে যারা ঈশ্বর ও যীশুকে নিয়ে ব্যবসা করে তাদের চেয়ে তিনি সহস্র গুণ বেশি ধার্মিক খ্রিস্টান। তিনি যখন মারা যান তখন পাদ্রী-পুরুতদের দল ভিড় করে এসেছিলেন, কিন্তু কাউকেই কাছে ঘেঁষতে দেওয়া হয় নি; এবং দেশের ও বিদেশের হাজার হাজার শোকার্ত মানুষ কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছাড়াই তার শবযাত্রায় শামিল হয়ে তাকে সমাহিত করে। অন্যদিকে, সম্রাটের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে তিনি সর্বদাই মুখর ছিলেন, স্বনামে ও বেনামে দেশের ভিতরে ও বাইরে জার-শাসনের সমালোচনা করে লেখা ছাপিয়েছেন; কিন্তু শাসক গোষ্ঠী ভয়ে তার বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি, পাছে তাদের যদি আরো দুর্নাম এবং কেলেংকারীর বোঝা বইতে হয়। নিজের জমিদারিতে দরিদ্র চাষাদের ছেলে-মেয়েদের জন্য স্কুল খুলেছিলেন, তাতে নিজে পড়িয়েছিলেন। দেশে দুর্ভিক্ষ হলে আক্রান্ত অঞ্চল সরেজমিনে ঘুরে ঘুরে দেখে বেড়িয়েছিলেন। সরকারের বিরুদ্ধে ঔদাসীন্যের অভিযোগ এনেছেন, আদমশুমারীতে অংশ নিয়েছেন। আইনের নামে বিচারের প্রহসন কিভাবে হয় তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের জন্য দিনের পর দিন আদালত আর জেলখানায় ঘুরেছেন। এমন সততা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ বিস্ময়কর। তার মনের গড়ন ছিলো ভাবুকের, দার্শনিকের। সে জন্যই তিনি যখন গল্প-উপন্যাস-নাটক ইত্যাদি সৃজনশীল সাহিত্য রচনা করতে শুরু করলেন, সেখানে কোথাও অবাস্তব রোমান্টিক কল্পনা আমরা দেখতে পাই না। তিনি সেসব মানুষ, সামাজিক স্তর বা জীবনযাত্রার ছবিই তার কাহিনী তে এঁকেছেন যা তিনি নিজে দেখেছেন। তার অভিজ্ঞতার পরিধিও ছিলো বিশাল-সমাজের সবচেয়ে নিচু তলার মানুষ থেকে শুরু করে রাজদরবারের লোকজনের সাথে তিনি মিশতে পারতেন। তিনি দীর্ঘজীবন লাভ করেছিলেন এবং নানা কারণে তার শিল্পী জীবনের সবটুকুই অশান্তির মধ্যে কেটেছে। এই অশান্তির একটি প্রধান কারণ ছিলো- সমাজে বা সভ্যতায় প্রচলিত কোন বিশ্বাস বা রীতিনীতি তিনি বিনা প্রশ্নে মেনে নেননি।

👉 সাহিত্যকর্ম
তল্‌স্তোয়কে রাশিয়ান সাহিত্যের অন্যতম ব্যক্তিত্ব হিসাবে বিবেচনা করা হয়। নিজের রচনায় তলস্তয় দেখিয়েছেন প্রাক-বৈপ্লবিক রাশিয়ার জীবন, ফুটিয়ে তুলেছেন সেই সময়ের পরস্পরবিরোধী পরিস্থিতি যাতে গড়ে উঠত রুশ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি ও স্তরের মানসতা। তাঁর রচনাগুলিতর মধ্যে যুদ্ধ ও শান্তি এবং আন্না কারেনিনা উল্লেখযোগ্য। তার কল্পকাহিনী লেখা বাস্তব জীবনকে নিয়ে লেখা। যুদ্ধ ও শান্তি বইটি ১৮৬৫ থেকে ১৮৬৭ সালে ধারাবাহিকভাবে ও ১৮৬৯ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের বিষয়বস্তু হচ্ছে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট-এর রুশ অভিযান। যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং শান্তির জন্য মানুষের সংগ্রামই এই উপন্যাসের মূল বক্তব্য। আন্না কারেনিনা ১৮৭৮ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয। উপন্যাসটিতে তৎকালিন সময়ের বাস্তবিকতা এবং পারিবারিক জীবনের ব্যক্তিগত অবস্থার প্রকাশ পেয়েছে। তার রচনার পরিমাণ বিশাল: ছোটগল্প, বড়গল্প, উপন্যাস, নাটক, শিশুসাহিত্য, প্রবন্ধ, ডায়েরি, চিঠিপত্র সব মিলিয়ে তার রচনা সমগ্র প্রায় ৯০ খণ্ডে বিভক্ত।

👉 শেষজীবন ও মৃত্যু
তলস্তয় শেষ বয়সে প্রায় সন্তের জীবন যাপন করতে চেয়েছিলেন। নিজের কাজ তিনি নিজে হাতে করতেন, এমনকি নিজে জুতো তৈরি করে পরতেন, চাষাভুষোর মতো সাধারণ ও অল্প আহার করতেন, পরতেন খেতমজুরের পোশাক। শেষ বয়সে তিনি কাউকে না জানিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। পথিমধ্যে ঠাণ্ডা লেগে তার নিউমোনিয়া হয়। এতেই তিনি বাড়ি থেকে দূরে এক রেলস্টেশনে ২০শে নভেম্বর ১৯১০ সালে মারা যান। মৃতুর সময় তার বয়স হয়েছিলো ৮২ বছর। পরে তার মরদেহ গ্রামে নিয়ে সমাহিত করা হয়।
তল্‌স্তোয়ের মৃত্যুর ঠিক আগের দিনগুলোতে স্বাস্থ্যের বিষয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন ছিলো। তার সক্রিয়ভাবে প্রতিদিন তার যত্নে নিযুক্ত ছিলেন। মৃতুর শেষ কয়েকদিন তিনি যা বলেছেন তাই লেখা হয়েছিলো। তিনি তার অভিজাত জীবনধারাকে ত্যাগ করে সাধারন জীবন-যাপন করতে চেয়েছিলেন। তাই স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক বাদ দিয়ে শীতের রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান এবং অসুস্থ হয়ে মারা যান।
পুলিশ তাঁর জানাজায় শোকযাত্রা সীমাবদ্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু বাধা না মেনে হাজার হাজার কৃষক রাস্তায় নেমেছিলো। সেই সময় কোনো কোনো লোকের মুখে এমন কথা বলতে শোনা গিয়েছিল, "আভিজাত্য মারা গিয়েছিলেন" ;তারা টলস্টয়ের সম্পর্কে অন্য কিছু জানতেন। কিছু সূত্রের মতে, টলস্টয় জীবনের শেষ ঘণ্টাগুলো ট্রেনে তাঁর সহযাত্রীদের কাছে প্রেম অহিংস, এবং জর্জিবাদ প্রচার করে কাটিয়েছিলেন।

👉 চলচ্চিত্র
২০০৯ সালে তল্‌স্তোয়ের জীবনের শেষ বছরের দিনগুলো নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়The Last Station এই চলচ্চিত্র Jay Parini উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি করা হয়।

👉 তথ্যসূত্রঃ
ইন্টারনেট, উইকিপিডিয়া

Thanks Everyone
See you in the next presentation

Photos from Global Smart Asset School24's post 08/06/2020






---> ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ মেয়েদের জন্য স্থাপিত বাংলাদেশের প্রথম ক্যাডেট কলেজ। এটি বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারী অনুদানে পরিচালিত বিশেষ ধরনের স্বায়ত্তশাসিত আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজকে সংক্ষেপে এম.জি.সি.সি বলা হয়ে থাকে।

👉 অবস্থান
-> ঢাকা-ভালুকা-ময়মনসিংহ সড়কের পাশে ময়মনসিংহ শহরের পূর্ব প্রান্তে সেহড়া এলাকায় কলেজটি অবস্থিত। অন্যান্য ক্যাডেট কলেজগুলো গ্রামীণ পরিবেশে স্থাপিত হলেও মেয়েদের কলেজ বিধায় এ কলেজটিকে যথাসাধ্য শহরের প্রাণকেন্দ্রে রাখবার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে কলেজটি তিন দিকে শহর দিয়ে ঘেরা হলেও এক দিকে গ্রামীণ এলাকা বিদ্যমান।

👉 ইতিহাস
-> স্বাধীনতাপূর্ব সময়ে স্থাপিত ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ ও রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ এর সাফল্যের ফলশ্রুতিতে তৈরি হয় আরো ছয়টি ক্যাডেট কলেজ যার মাঝে ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ অন্যতম। ১৯৮২ সালে 'ময়মনসিংহ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল ফর গার্লস' নামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজে রূপান্তরিত হয়। ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই দেশের প্রথম গার্লস ক্যাডেট কলেজটি গড়ে তোলার দায়িত্ব দেয়া হয় অধ্যক্ষ করিম উদ্দিন আহমেদকে। নিয়মানুযায়ী ৬৫ বছরের পর অধ্যক্ষ বা অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা যেত না। তাই তৎকালীন কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অত্যন্ত যোগ্য এ মানুষটিকে বাংলাদেশের প্রথম গার্লস ক্যাডেট কলেজের দায়িত্বভার প্রদান করেন।

👉 কলেজ ভবন সমূহ
-> কলেজের মূল গেইট দিয়ে ঢুকলেই পশ্চিম পাশে রয়েছে কলেজ আবাসিক এলাকা। এটি সংলগ্ন রাস্তা ধরে সোজা চলে গেলে পড়বে মূল কলেজের ভবন সমূহ। সেগুলো হলোঃ

👁 প্রশাসনিক ভবন
👁 শিক্ষা ভবন
👁 কলেজ ক্যান্টিন
👁 কলেজ ডাইনিং হল
👁 হাউস ভবন
👁 কলেজ হসপিটাল
উল্লেখ্য, এই প্রতিটি ভবন করিডোর দিয়ে একটি অপরটির সাথে সংযুক্ত যেন বৃষ্টিতে ক্যাডেটদের কোন প্রকার অসুবিধা না হয়। এছাড়াও একটি পুকুর ও তৎসংলগ্ন মাছ চাষ কেন্দ্র রয়েছে। কলেজ হসপিটালের দক্ষিণ দিকে রয়েছে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, এডজুটেন্ট ও মেডিকেল অফিসারের বাসভবন।

👉 সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম
-> সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজে বেশ কিছু ক্লাব রয়েছে যার কোন একটিতে একজন ক্যাডেট অংশগ্রহণ করতে বাধ্য।

👁 সাহিত্য ও সংস্কৃতি
👁 আবৃত্তি
👁 বিতর্ক
👁 বক্তৃতা
👁 নাট্যাভিনয়
👁 সঙ্গীত
👁 সাধারণ জ্ঞান
👁 ক্বিরাত
👁 নৃত্য ইত্যাদি।
👁 খেলাধুলা
👁 ভলিবল
👁 বাস্কেটবল
👁 ক্রিকেট
👁 লন টেনিস
👁 ব্যাডমিন্টন
👁 সাঁতার
👁 টেবিল টেনিস
👁 ক্যারাম
👁 দাবা । অন্যান্য বাগান করা ইত্যাদি।

👉 ভর্তির নিয়মাবলী
-> আবেদন
অন্যান্য ক্যাডেট কলেজগুলোর মতই বছরে মাত্র একবার এবং শুধুমাত্র সপ্তম শ্রেণীতে ছাত্রী ভর্তি করা হয়। সাধারণত নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের প্রধাণ প্রধাণ সংবাদপত্রগুলোতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্ধারিত ফর্মে আবেদন পত্র আহবান করা হয়।

👉 যোগ্যতা
-> ভর্তির বছরের পহেলা জানুয়ারীতে বয়স এগার থেকে সাড়ে বারো বছরের মাঝে হতে হবে।
প্রার্থীকে ষষ্ঠ শ্রেণী উত্তীর্ণ হতে হবে। ষষ্ঠ শ্রেণীর চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে এমন।
জন্মসূত্রে অথবা অধিবাসন আইনে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
শারীরিক যোগ্যতা সম্পন্ন।
উচ্চতা ৪ ফুট ৭ ইঞ্চি হতে ৫ ফুট ৩ ইঞ্চির মধ্যে হতে হবে।

👉 নির্বাচন প্রক্রিয়া
-> ত্রুটিহীন আবেদন পত্র সম্পন্ন প্রার্থীগণকে বাংলা, ইংরেজি, অঙ্ক এবং সাধারণ জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক চারটি লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হয়। উত্তীর্ণ নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রার্থীকে মৌখিক ও ডাক্তারী পরীক্ষায় ডাকা হয়। সমস্ত পরীক্ষায় উপযুক্ত বিবেচিতদের মধ্য থেকে সাধারণত প্রথম পঞ্চাশ জন চূড়ান্ত ভাবে নির্বাচিত হয়।

👉 #বাংলাদেশের_ক্যাডেট_কলেজসমূহ

👁 চট্টগ্রাম
ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ
ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ
কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ

👁 রাজশাহী
পাবনা ক্যাডেট কলেজ
রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ
জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ

👁 সিলেট
সিলেট ক্যাডেট কলেজ

👁 বরিশাল
বরিশাল ক্যাডেট কলেজ

👁 রংপুর
রংপুর ক্যাডেট কলেজ

👁 ঢাকা
মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ

👁 খুলনা
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ

👁 ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ

😎 তথ্যসূত্র
প্রসপেক্টাস - ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ
👓 উইকিপিডিয়া

Thanks Everyone
See you in the next presentation

08/06/2020


's_Wisdom_Message

👉"পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত যত বড় অর্জন হয়েছে, তার পেছনে আশা ছিল সবচেয়ে বড় শক্তি" – মার্টিন লুথার কিং, জুনিয়র
👉"তোমার কাজে যেন তোমার ভয়গুলোর বদলে আশাগুলো প্রকাশ পায়" – নেলসন ম্যান্ডেলা
👉"ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে আশা করার চেয়ে দারুন কিছু আর নেই "– ভিক্টর হুগো
👉"মানুষের মনের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো সংশয়, অবিশ্বাস আর সন্দেহ" – সমরেশ বসু
👉"সন্দেহপ্রবণ মন ভালো কাজের অন্তরায়" – রবার্ট ব্রাউনিং
👉"মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা আর সমস্তই তার অধীন" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
👉শিক্ষা যিনি দান করেন তিনি আলোকিত মানুষ, কাজটি তার জীবনকে আলোকিত করে - সংগৃহীত
👉একমাএ শিক্ষার মাধ্যমেই দেশ ও জাতিকে উন্নত করা যেতে পারে - সংগৃহীত
👉শিক্ষাই সর্বোত্তম বিনিয়োগ - সংগৃহীত
👉"অকৃতজ্ঞ মানুষ পরিপূর্ণরূপে মানুষ নয় "– টমাস হার্ডি
👉"সাহস মানে ভয়ের অনুপস্হিতি নয়, বরং ভয়কে জয় করা "– নেলসন ম্যান্ডেলা ।
👉Handsome is as handsome does.
👉Great minds think alike.
👉Cleanliness is next to godliness.
👉যদি মানুষের ধৈর্য থাকে তবে সে অবশ্যই সৌভাগ্যশীল হয় - আল হাদীস
👉Cheats never prosper.
👉Don't judge a book by its cover.
👉Beggars can't be choosers.
👉Live for today for tomorrow never comes.
👉Keep your friends close and your enemies closer.
👉Opportunity never knocks twice at any man's door.
👉The longest journey starts with a single step.
👉লোভী ও অহংকারী মানুষকে বিধাতা সবচাইতে বেশী ঘৃণা করে -জনরে
👉"যা তুমি নিজে করো না বা করতে পারো না, তা অন্যকে উপদেশ দিও না । "-হযরত আলী (রা)
👉সৎ উপদেশকে আর্থিক মূল্যে মূল্যায়ন করা যায় না” ইয়াসমুস
👉ছোট ছোট বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তোলে মহাদেশ, সাগর অতল - সংগৃহীত
👉The child is the father of the man.
👉“প্রতিভা মানে অপরিসীম পরিশ্রম” - লং ফেলো
👉Empty vessels sound much.
👉শিক্ষাই হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, যা দিয়ে তুমি পুরো পৃথিবী বদলে দিতে পারবে -নেলসন ম্যান্ডেলা
👉"শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেতো হলেও এর ফল মিষ্টি " -অ্যারিস্টটল
👉"যার সাহস আছে, জীবনযুদ্ধে সেই জয়ী হয় "- আবুল ফজল
👉শিক্ষা মানুষের দিগন্তকে প্রসারিত করে - সংগৃহীত
👉শিক্ষাই এক্য শিক্ষাই মুক্তি -সংগৃহীত
👉"যার আশা-আকাঙ্খা নেই, সে জয়ের পূবেই হেরে গেছে "- শিল্পি ম্যাসিঞ্জার
👉"যেখানে জীবন আছে, আশা সেখানে থাকবেই "- মার্কাস তুলিয়ার্স সিসেরো
👉"বন্ধুত্ব যত পুরনো হয়, ততই উৎকৃষ্ট ও দৃঢ় হয় "-এ্যারিস্টটল
👉"প্রগতি হলো আজকের দিনের কার্যকলাপ, আগামীদিনের নিশ্চয়তা "-চ্যানিং
👉"আমরা ভীতু বলেই সামনের দিকে হাঁটিনা "-জুবার্ট
👉"বন্ধুত্ব একমাত্র সিমেন্ট, যা সব সময় পৃথিবীকে একত্র রাখতে পারবে" -উইড্রো উইলসন
👉"একটি বই ১০০ জন বন্ধুর সমান, কিন্তু একজন ভালো বন্ধু পুরো একটি লাইব্রেরির সমান" -এ পি জে আবদুল কালাম
👉A thing of beauty is a joy forever.
👉A penny saved is a penny earned.
👉Don't put off for tomorrow what you can do today.
👉Discipline is life.
👉"আগুনকে যে ভয় পায়, সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না "-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
👉"সৎ উপদেশকে আর্থিক মূল্যে মূল্যায়ন করা যায় না" -ইয়াসমুস
👉একমাত্র শিক্ষার মাধ্যমেই দেশ ও জাতিকে উন্নত করা যেতে পারে
শিক্ষাই শক্তি, জ্ঞানই আলো, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড
👉"একটা পরীক্ষা খারাপ করলেই জীবনের সব পরীক্ষা শেষ হয়ে যায় না "-শংকর
👉"পরামর্শ বুদ্ধিকে পরিপক্ক করে" - ড্রাইডেন
👉"পরনির্ভরশীলতা ভীরুতা ও কাপুরুষতার পরিচায়ক" - উইলিয়াম বাই
👉"প্রভুত্বকারীর থাকে অনেক অজুহাত " –ঈশপ
👉"বাধা যত বিশাল, বিজয়ের আনন্দও ততই বাঁধভাঙ্গা " - পেলে
👉Haste makes waste.
👉Bad news travels fast.
👉An apple a day keeps the doctor away.
👉Without cause nothing happens.
👉Actions speak louder than words.

Thanks Everyone
See you in the next presentation

08/06/2020




Beforehand(পূর্বে)- Previously
Pile(গাদা)-Heap, Stack
Circumstance(পরিস্থিতি)- Condition, Situation
Prior(পূর্ববর্তী )- Previous
Manner(রীতিনীতি)- Method
Pretend(ভান করা)- Feign
Dignity(মর্যাদা)- Respect
Basis(ভিত্তি)-Foundation
Territory(এলাকা)- Region
Cruel(নিষ্ঠুর )- Brutal
Barrack(সেনানিবাস)- Cantonment
Fort(দুর্গ)- Castle
Instance(উদাহরণ)-Example, Precedent
Irony(বিদ্রুপ)- Ridicule
Stress(চাপ)- Tension
Phase(কালবিভাগ)- Stage
Universal(সার্বজনীন)- Global
Refuse(প্রত্যাখ্যান করা) - Reject
Outcry(হৈচৈ)- Scurry, Hue
Appeal(আবেদন) - Solicitation, Application
Affair(ব্যাপার) - Matter, Phenomenon
Tragic(দুঃখজনক) - Sorrowful, Miserable
Foggy(কুয়াশাচ্ছন্ন)- Misty
Needle(সুচ)- Stitch
Wrinkle(রেখা)- Curl
Attic(চিলে কোঠা)- Garret
String(দড়ি)- Rope
Exile(নির্বাসন)- Banishment
Racist (স্বজাতিবাদী)– Racialist
Symphony(মিল)- Harmony
Community(সম্প্রদায়)- People, Sect
Despair(হতাশা)- Disappointment, Dejection
Rescue(উদ্ধার) - Salvation, Recovery
Scarce (দুর্লভ) - Rare, Dear
Moonlit (চাঁদনী) - Moony
Firefly (জোনাকি) - Glow-worm
Remote (দূরবর্তী)- Distant, Far
Curtain (পর্দা) - Covering, Veil
Buzz(গুঞ্জন)– Hum, Lilt
Adequate (পর্যাপ্ত)- Enough, Ample
Literal(আক্ষরিক) - Verbal
Convey (বহন করা) - Carry
Abnormal(অস্বাভাবিক) - Unusual, Odd
Adjacent(সংলগ্ন)- Neighboring
Advancement(অগ্রগতি)- Progress, Improvement
Process(প্রক্রিয়া)- Method, Procedure
Fatal (মারাত্মক)- Deadly
Intense (তীব্র)- Severe, Acute
Interior(অভ্যন্তর)-Inside, Inward
Ill-fated (হতভাগা) Wretched, Unlucky
Strike (আঘাতকরা) - Hit, Injur.
Hazard (বিপত্তি) - Danger, Trouble.
Lucid (স্বচ্ছ) - Transparent, Clear.
Tiny (খুদ্র) - Very Small, Mini.
Barely (সবেমাত্র) - Only, Simply.
Etiquette (শিষ্টাচার,আদব) - Courtesy, manners.
Hazard (বিপত্তি,ঝুঁকি) - trouble, risk.
Prior (পূর্ববর্তী) - Previous; Former.
Extract (নির্যাস)- Essence, Gist.
Alarming (ভীতিপ্রদ) - Fearful, Terrible.
Disappear (অদৃশ্য হওয়া) - Vanish, Dissolve.
Principle (নীতি) - Ethics, Practice.
Odour (গন্ধ) - Flavour, Scent.
Hostility (শত্রুতা) - Enmity, Adversity.
Inevitable (অনিবার্য)- Irresistible, Unavoidable.
Further(অদিকন্তু)- Also, Moreover.
Agony (নিদারুন যন্ত্রণা) – Sufferings, Misery.
Regret (দুঃখ প্রকাশ করা) – Bewail, Mourn, Lament.
Assembly (সমাবেশ) - Gathering.

Thanks Everyone
See you in the next presentation

08/06/2020




👓SSC --> HSC👓

---> কলেজ নির্বাচনের আগে যে জিনিসগুলো অবশ্যই জানতে হবে|
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে| তোমাদের মধ্যে অনেকেই এমন আছো যারা তাদের আশানুরূপ ফল পেয়ে খুশিতে প্রায় আটখানা| অন্যদিকে এমন অনেককেই পাওয়া যাবে যাদের রেজাল্ট একেবারেই মনের মত হয়নি| তারা হয়তোবা মন খারাপ করে বসে আছো, আব্বু-আম্মু আর পাশের বাসার আন্টিদের নানান ধরণের কথা তো আছেই|
যেহেতু পরীক্ষা শেষ এবং রেজাল্টও তোমার হাতে, তাই এই মুহূর্তে আসলে রেজাল্ট খারাপ হলেও তোমার মন খারাপ করে লাভ নেই| মন খারাপ করলে কি রেজাল্ট পরিবর্তন হয়ে যাবে? তাই যে নম্বর হাতে আছে তাতেই সন্তুষ্ট থেকে সামনে এগিয়ে যাও| করোনাভাইরাসের কারণে আপাতত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকলেও ভর্তি কার্যক্রম কিন্তু যেকোনো সময় শুরু হয়ে যেতে পারে| আর তাই তোমাকেও আগে থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে কলেজ নির্বাচনের বিষয়ে|

🗣যা মাথায় রাখতে হবেঃ

👉 লিস্ট তৈরির আগে কলেজ নিয়ে যথাযথ জ্ঞান থাকাঃ

👉 কলেজ থেকে বাসার দূরত্ব

👉 Extra Curricular Activities

👉 Teacher-Student Ratio

👉 Class-Exam Ratio

👉 কলেজের সময়সূচী

👉 ল্যাবরেটরি সম্পর্কে জানা

👉 Affordable কিনা

👉 কতটুকু Digital

👉 সিনিয়রদের পরামর্শ নাও

-> তুমি যদি উপরের কাজগুলো করতে ব্যর্থ হও তবুও অন্তত এই কাজটি করো| যেই কলেজকে অগ্রাধিকার দিচ্ছো, সেখান থেকে বের হয়ে যাওয়া অথবা সেখানে পড়ুয়া কোন সিনিয়র ভাইয়া বা আপুর পরামর্শ নাও| তাদের কাছ থেকে তাদের অভিজ্ঞতাগুলো জেনে নাও|
সব ধরনের ভালো এবং খারাপ অভিজ্ঞতা জেনে নেয়ার ফলে তুমি কলেজ সম্পর্কে একটা সম্পূর্ণ ধারণা পেয়ে যাবে| তারপর নিজেই বিচার করে দেখো এই কলেজটি তোমার জন্য কতটা উপযোগী|
কলেজ নির্বাচনের পূর্বে এই বিষয়গুলো বিবেচনা করে যদি একটি কলেজকে তুমি দশের মধ্যে নম্বর দাও, আমার বিশ্বাস বাংলাদেশের কোন কলেজই দশে দশ পাবে না! কারণ, দিন শেষে সবারই কোন না কোন ত্রুটি থাকেই| কিন্তু চেষ্টা করো ব্যাপারগুলো মাথায় রেখে নিজের জন্য ভালো হবে এমন কলেজই বেছে নিতে|

সবার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা|

Best Regard
Founder
GSA School24
08/06/2020

30/05/2020




---> ডিজিটাল মুদ্রা(ইলেক্ট্রনিক মুদ্রা বা ইলেক্ট্রনিক টাকা) একধরনের মুদ্রা, যা শুধু ডিজিটাল রূপে পাওয়া যায়, ভৌতভাবে নয় (যেমন ব্যাংক নোট বা পয়সা)| এটি ভৌত মুদ্রার অনুরূপ বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে, তবে এটি তাৎক্ষণিক লেনদেন এবং সীমান্তহীন মালিকানা হস্তান্তর এর সুযোগ করে দেয়| উদাহরণ স্বরূপ ভার্চুয়াল মুদ্রা এবং ক্রিপ্টোকারেনসি| এমনকি কেন্দ্রিয় ব্যাংকও "ডিজিটাল ভিত্তিক মুদ্রা" জারি করে থাকে| প্রথাগত মুদ্রার মত এই মুদ্রাগুলোও ভৌত পণ্য বা সেবা ক্রয় করতে ব্যবহার করা যায়| তবে কিছু সম্প্রদায়ের মধ্যে এর ব্যবহার সীমিত করা হয়, যেমন অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম| যেমন বাংলাদেশেও যেকোন ধরনের ডিজিটাল মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক স্বীকৃত নয়|

ডিজিটাল মুদ্রা বৈদ্যুতিকভাবে (ইলেক্ট্রনিক্যালি) একটি সঞ্চিত-ভ্যালু কার্ডে বা অন্য কোন যন্ত্রে সঞ্চিত থাকে| ইলেকট্রনিক অর্থের আরেকটি রূপ হল নেটওয়ার্ক অর্থ, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বিশেষ করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়| ইলেক্ট্রনিক মুদ্রা অনেক বেসরকারি ব্যাংক বা অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানত হিসেবে রাখা যায়|

ডিজিটাল অর্থ কেন্দ্রীয়করণ হতে পারে, যেখানে অর্থ সরবরাহের উপর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ থাকে, বা বিকেন্দ্রিত হয়, যার অর্থ সরবরাহের উপর নিয়ন্ত্রণ বিভিন্ন উৎস থেকে হতে পারে|

Thanks Everyone
See you in the next presentation

Photos from Global Smart Asset School24's post 30/05/2020




......
👉 Bitcoin ($156.52B)
👉 Ethereum ($17.50B)
👉 Ripple's XRP ($9.80B)
👉 Bitcoin Cash ($5.76B)
👉 Bitcoin SV ($5.51B)
👉 Tether ($4.11B)
👉 Litecoin ($3.57B)
👉 EOS ($3.42B)
👉 Binance Coin ($2.62B)
👉 Monero ($1.12B)

27/05/2020





#নিজের_মাঝে_হার_না_মানা_মানসিকতার_জন্ম_দিতে_ও_তা_ধরে_রাখতে_প্রতিদিন_অনুপ্রেরণার_চর্চা_করা_উচি‌ৎ...

#শক্তিশালী_হার_না_মানা_উক্তিঃ

😎 করে ফেলার আগে সবকিছুই অসম্ভব মনে হয়”
–>নেলসন ম্যান্ডেলা, দক্ষিণ আফ্রিকার মহান নেতা|

😎 আমার সাফল্যের গোপন সূত্র হলো, আমি কখনও হার মানি না”
-> উইলমা ম্যানকেলার, আমেরিকান রাজনীতিবিদ|

😎 যা চিন্তা করা ছাড়া তোমার একটি দিনও কাটে না, সেই জিনিসের ব্যাপারে কখনও হাল ছেড়ো না।”
–> উইনস্টন চার্চিল, সাবেক বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী|

😎 কখনো হাল ছাড়বেনা। নিজের শক্তির পুরোটা দেয়ার পরও আরও দেয়ার চেষ্টা করো।”
–> ডেবি রেনোল্ডস, আমেরিকান অভিনেত্রী ও উদ্যোক্তা|

😎 ব্যর্থতাকে ভয় করার বদলে, চেষ্টা না করে বসে থাকাকে ভয় করো।”
–> রয় টি. বেনেট, লেখক ও বক্তা|

😎 পৃথিবীর বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ অর্জন সেইসব লোকদের দ্বারা হয়েছে, যারা সব আশার আলো নিভে যাওয়ার পরও চেষ্টা করে গেছে।”
–> ডেল কার্নেগী, লেখক ও মোটিভেটর|

😎 অনেক মানুষ ব্যর্থ হয়েছে শুধু হার মেনে নেয়ার কারণে। অনেকেই হার মেনে নেয়ার সময়ে বুঝতেও পারেনি তারা বিজয়ের কতটা কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল।”
–> টমাস আলভা এডিসন, বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ও সফল উদ্যোক্তা|

😎 কোনও অবস্থাতেই হাল ছেড়ো না, কারণ সময় যখন সবচেয়ে খারাপ, তখনই স্রোত নতুন দিকে মোড় নেয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।”
–> হ্যারিট বীচার স্টোয়ি, আমেরিকান লেখিকা ও দাসপ্রথা বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী|

😎 যে ব্যাপারে তুমি সত্যিই বিশ্বাস করো, সে ব্যাপারে কখনও হাল ছেড়ো না, পথ তুমি খুঁজে পাবেই।”
–> রয় টি. বেনেট, বেস্ট সেলিং লেখক ও মোটিভেটর|

😎 আমি আসলে খুব বেশি বুদ্ধিমান নই, আমি শুধু সমস্যার পেছনে অন্যদের চেয়ে বেশি সময় দিই।”
–> আলবার্ট আইনস্টাইন, বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী|

😎 তুমি নিজের হাতে তুলে না দিলে, তোমার স্বপ্ন ভেঙে দেয়ার ক্ষমতা কারও নেই।”
–> মেভ গ্রেইসন, আমেরিকান লেখিকা|

😎 ব্যর্থতা আসলে নতুন করে শুরু করার একটা দারুন সুযোগ, এবার তোমাকে শুধু আরেকটু বেশি বুদ্ধি খাটাতে হবে।”
–> হেনরি ফোর্ড, আমেরিকান বিলিওনেয়ার বিজনেস ম্যাগনেট ও ফোর্ড মোটরস এর প্রতিষ্ঠাতা|

😎 হার মেনে নেয়া আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা; সফল হওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো প্রতিবার হার মানা র আগে আরেকবার চেষ্টা করা।”
–> টমাস আলভা এটিসন, বিশ্বখ্যাত আবিষ্কারক ও উদ্যোক্তা|

😎 কঠোর পরিশ্রমের কোনও বিকল্প নেই।কখনো হাল ছেড়ো না। বিশ্বাস করা বন্ধ করো না। কখনো হার মেনো না।”
–> হোপ হিকস্, সাবেক হোয়াইট হাউস কমিউনিকেশনস ডিরেক্টর|



😎 তোমার কতক্ষণ চেষ্টা করা উচি‌ৎ? – যতক্ষণ না কাজ হয়।”
–> জিম রন, আমেরিকান সফল উদ্যোক্তা|

😎 যদি হার না মেনে চেষ্টা করে যাও, তুমি সফল হবেই।”
–> ড্যান ও’ব্রায়ান, সাবেক অলিম্পিক গোল্ড মেডেলিস্ট|

😎 মানুষ কখনও ব্যর্থ হয় না, সে শুধু একটা পর্যায়ে এসে হার মেনে নেয়।”
–> সংগৃহীত|

😎 হার না মানার আগে তুমি কখনওই ব্যর্থ হবে না”
–> আলবার্ট আইনস্টাইন, বিশ্বখ্যাত জার্মান বিজ্ঞানী|

😎 ওরা তোমাকে নিয়ে ঠাট্টা করুক, তোমাকে নিয়ে হাসুক, তোমাকে আঘাত করুক, অবজ্ঞা করুক – তাতে কিছুই হবে না। কিন্তু তারা যেন তোমাকে থামাতে না পারে!”
–> আপোর্ভ ডুবেই, লেখক ও মোটিভেটর|

😎 তুমি কত ধীরে চলেছ, সেটা কোনও ব্যাপার নয়; না থেমে চলাটাই আসল কথা।”
–> কনফুশিয়াস, চীনা দার্শনিক|

😎 হার মেনো না। আজকের দিনটা কঠিন, কাল হবে অন্ধকার, কিন্তু তারপর সূর্যকে উঠতেই হবে।”
–> জ্যাক মা, চীনা বিলিওনেয়ার ও আলিবাবা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা|

😎 হতাশাকে জয় করার জন্য তোমাকে বাধা বিপত্তির বদলে কাজের ফলাফলের দিকে ফোকাস করতে হবে।”
–> টি.এফ. হজ, প্রতিবন্ধী অবস্থাকে নিজের চেষ্টায় জয় করা লেখক|

😎 পরিশ্রমের ফল তখনই পুরোপুরি পাওয়া যায়, যখন একজন মানুষ হার মানতে অস্বীকার করে।”
–> নেপোলিয়ন হিল, লেখক – “থিংক এ্যান্ড গ্রো রিচ|

😎 হার না মানা মানুষকে তুমি কখনোই হারাতে পারবে না।”
–> বাবে রুথ, প্রয়াত আমেরিকান বাস্কেটবল খেলোয়াড়|

😎 কখনও না হারাটা মানুষের সবচেয়ে বড় বীরত্ব নয়, বার বার হেরে গিয়ে উঠে দাঁড়ানোই মানুষের সবচেয়ে বড় বীরত্ব।”
–> কনফুশিয়াস, চীনা দার্শনিক|

😎 সাফল্য মানে উ‌ৎসাহ না হারিয়ে একটার পর একটা ব্যর্থতাকে টপকে যাওয়া”
–> উইনস্টন চার্চিল, সাবেক বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী|

😎 আমি আস্তে চললেও কখনো পিছু হটি না।”
–> আব্রাহাম লিংকন, আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট|

😎 বিজয়ীরা হার মানে না, আর হার মেনে নেয়ারা কখনো বিজয়ী হয় না।”
–> ভিন্স লম্বার্ডি, আমেরিকান ফুটবল কোচ|

😎 যতক্ষণ পারো তোমার সেরাটা দিয়ে যাও, আর যখন একেবারেই পারবে না, তখন তারচেয়ে একটু কম দাও। একটু পিছনে হটো, কিন্তু কখনও হাল ছেড়ো না।”
–> চাক ইয়াগার, রেকর্ডধারী যুদ্ধবিমান চালক|

😎 সফল মানুষেরা কাজ করে যায়। তারা ভুল করতে পারে, কিন্তু তারা হার মানে না।”
–> কনরাড হিল্টন, বিশ্বখ্যাত হিল্টন হোটেল চেইনের প্রতিষ্ঠাতা|

Thanks Everyone
See you in the next presentation

Best Regards
GSA School24 Founder

26/05/2020




#জীবনে_চলার_জন্য_লিও_তলস্তয়ের_দেখানো_৬টি_পথনির্দেশনা......

---> আজ থেকে ১৫০ বছর আগে লিও তলস্তয় ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’ লেখা শুরু করেছিলেন। তিনি যে কেবল ঊনবিংশ শতাব্দীর স্বনামধন্য ঔপন্যাসিক ছিলেন তাই নয়, তিনি একজন প্রগতিবাদী চিন্তাবিদ ছিলেন। ১৮২৮-১৯১০ সালের দীর্ঘজীবনে তিনি তাঁর অভিজাত পরিবার থেকে প্রাপ্ত কিছু বিশ্বাস ত্যাগ করে বিস্ময়করভাবে সেসময়ে অপ্রচলিত এক বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলেন যা তাঁর সমগোত্রীয়দের চমকে দেয়।

তলস্তয় রাশিয়ার এক কুলীন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের পরিবারের একটি এস্টেট ছিল যেখানে শত শত ভূমিদাস কাজ করতো। যুবক এই কাউন্ট চূড়ান্ত ভোগবিলাসে মত্ত থাকতেন। জুয়া খেলে উড়িয়েছেন বিস্তর অর্থ। হেন কুকাজ নেই যে তিনি করেননি। কিন্তু একসময় তাঁর বোধোদয় হয় এবং তিনি পরিণত হন একজন অনুসরণীয় ব্যক্তিত্বে। এই বিবর্তন ঘটানোর জন্য তিনি কিছু উপায় অবলম্বন করেন যেগুলো আজ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল।

#মুক্ত_মন_মানসিকতাঃ

নতুন অভিজ্ঞতার সাথে সাথে নিজের ইচ্ছাশক্তি ও চিন্তাশক্তি বাড়ানোতে ওস্তাদ ছিলেন তলস্তয়। ১৮৫০-এর দশকে তিনি সামরিক অফিসার থাকাকালীন এই দক্ষতা অর্জন করেন। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে ভয়াবহ রক্তপাত দেখার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি একজন সাধারণ সৈন্য থেকে শান্তিবাদী হয়ে যান। প্যারিসে গিলোটিনে শিরশ্ছেদের পর পড়ে থাকা মুণ্ডুগুলো তিনি কোনোদিন ভুলতে পারেননি। এ থেকে তিনি বুঝতে পারেন যে রাষ্ট্র যে শুধু নির্মম তাই নয়, ধনী ও ক্ষমতাবানদের স্বার্থরক্ষা করাই এর মূল লক্ষ্য। তিনি এক বন্ধুকে লেখেন যে রাষ্ট্র জনগণকে শোষণ করার ও দুর্নীতিগ্রস্ত করে তোলার জন্য তৈরি করা এক ষড়যন্ত্র এবং তিনি আর কখনো কোনো রাষ্ট্রের হয়ে কাজ করবেন না। তিনি প্রায় নৈরাজ্যবাদী হয়েই যাচ্ছিলেন কিন্তু লেখক হিসেবে তাঁর খ্যাতি তাঁকে কারাভোগ থেকে রক্ষা করে। তলস্তয়ই প্রথম আমাদের শেখান কীভাবে আমরা আমাদের আশৈশব শেখানো বুনিয়াদি ভুল অনুশাসনগুলোকে প্রশ্ন করতে পারি।

#সহানুভূতির_চর্চা_করাঃ

ঊনবিংশ শতকের এক অন্যতম সহানুভূতিশীল ব্যক্তিত্ব ছিলেন তলস্তয়। যাদের জীবন তাঁর জীবনের চাইতে অনেক বেশি বৈপরীত্যে ভরা তাদের জুতায় নিজের পা রেখে তাদের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করে তাদেরকে অনুভব করতেন তিনি। যেটা সেসময় ছিল খুবই বিরল। ১৮৬১ সালে দাসমুক্তি এবং পুরো রাশিয়া জুড়ে কৃষকদের আন্দোলন তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তিনি একজন কাউন্ট হয়েও কৃষকদের মতো পোশাক পরে ক্ষেতে লাঙ্গল দেন, বাড়ি মেরামত করেন এবং শ্রমিকদের সাথে কাজে হাত লাগান। তিনি অভিজাতদের এড়িয়ে চলা শুরু করলেন এবং কৃষকদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেলেন। তাদের বাচ্চাদের জন্য স্কুল খুলে নিজেই পড়ানো শুরু করলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে কারো মতো জীবন যাপন না করে সে জীবন বোঝা সহজ নয়।

#পরিবর্তন_আনাঃ

কৃষক সম্প্রদায়ের প্রতি তাঁর ভালবাসা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় দুর্ভিক্ষের সময়। ১৮৭৩ সালে ফসল যথেষ্ট উৎপাদিত না হওয়ায় মানুষ অনাহারে মারা যাচ্ছিলো। তিনি তখন ‘আন্না কারেনিনা’ লিখছেন। তিনি বলেন যে তিনি জীবিত মানুষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে কল্পিত চরিত্র নিয়ে থাকতে পারবেন না। তিনি মানুষের সাহায্যের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন। এরপর ১৮৯১ সালের দুর্ভিক্ষের পর টাকা তোলার জন্য টানা ২ বছর লেখা বাদ দিয়ে নিজের পরিবারসহ কাজ করেন স্যুপ কিচেনে এবং সারা বিশ্ব থেকে সাহায্য জোগাড় করেন। এখন কেউ ভাবতে পারবেন একজন বেস্টসেলার লেখক টানা ২ বছর লেখা বাদ দিয়ে জনস্বার্থে কাজ করবেন?

ীবনযাপনঃ

তলস্তয়ের জীবনের জন্য আশীর্বাদ এবং একইসাথে যন্ত্রণার কারণ ছিল জীবনের অর্থ খোঁজার বাসনা। ১৮৭০ সালে একবার মানসিক ভারসাম্যও হারিয়েছেন অর্থ খুঁজে না পেয়ে। শোপেনহাওয়ার, বৌদ্ধ ধর্ম ও বাইবেল পড়েন এবং এক নতুন মতবাদের সৃষ্টি করেন। তিনি মদ্যপান ও ধূমপান ছেড়ে দেন এবং নিরামিষাশী হয়ে যান।

#নিজের_মতামতের_স্ববিরোধী_দিকগুলো_জানাঃ

তলস্তয় সরল জীবনযাপন করতে চাইলেও কিছু বিপরীত ব্যাপারও ছিল। যেমন- তিনি বিশ্বময় ভালবাসা ছড়িয়ে দেয়ার কথা বললেও সারাজীবন স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করেছেন। বুড়ো বয়স পর্যন্ত তাঁর অভিজাত বাড়িতে ছিল প্রচুর ভৃত্য। তিনি তাঁর সম্পত্তি বিলিয়ে দিতে চাইলেও স্ত্রী-সন্তানরা রাজী ছিলেন না। কিন্তু ১৮৯০-এর দিকে তিনি তাঁর বেশকিছু মূল্যবান কপিরাইট ছেড়ে দেন। অনেক বয়সেও কাঠ চিড়তেন ও বুট সেলাই করতেন।

#সামাজিক_পরিধি_বাড়ানোঃ

তলস্তয় ভিন্ন ভিন্ন মানুষের চিন্তাভাবনা বোঝার জন্য মস্কোতে সময় কাটানো কমিয়ে দিয়ে গ্রামাঞ্চলে চলে যেতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে ভিন্ন মানসিকতার মানুষের সাথে মিশলে, আদান-প্রদান করলে নিজের ভুল-ভ্রান্তি বোঝা যায়। জ্ঞানের পরিধি বাড়ে।

সুত্রঃ
ইন্টারনেট................

Want your school to be the top-listed School/college in Rangamati?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


KK ROY Road, RAJBHARI, RANGAMATI
Rangamati
4500