শীতকালীন বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা - ২০২৬
এতদ্বারা বিদ্যালয়ের প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বিদ্যালয়ের বার্ষিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২৫.০১.২০২৬ ইং রোজ রবিবার থেকে " শীতকালীন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা - ২০২৬ "আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
উক্ত প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর সক্রিয় অংশগ্রহণ একান্তভাবে কাম্য। প্রত্যেক ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।
অতএব, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকলকে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটির সাফল্য নিশ্চিত করার জন্য বিশেষভাবে নির্দেশ দেয়া গেল।
আদেশক্রমে
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
Ghagra high school
A place of learning, friendship and discovery.
এতদ্বারা ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ছাত্র ছাত্রী দের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,বিদ্যালয়ের নিয়মিত ক্লাস শুরু হয়ে গেছে তাই সবাইকে বিদ্যালয়ে নিয়মিত এসে ক্লাসে উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া গেল।
ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির ছাত্রী মধ্যে যারা গত ১২/১০/২৫ ইং তারিখে টাইফয়েড টীকা দিতে পারো নি তারা (বাকীরা) আগামী ২৭ /১০/২৫ ইং তারিখে রোজ সোমবার বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে টীকা গ্রহণ করবে।
বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি।
ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণীর সকল ছাত্র ছাত্রী দের জানানো যাচ্ছে যে, আগামীকাল ২২/১০/২৫ ইং তারিখ থেকে ক্লাস চলবে তাই আগামীকাল থেকে বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র ছাত্রী বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে ক্লাসে অংশ গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া গেল। উল্লেখ্য যে কর্ম বিরতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ক্লাস গুলো পুষিয়ে দেওয়ার জন্য আগামী শনিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা চলা পর্যন্ত প্রতি শনিবারে ও বিদ্যালয় খোলা থাকবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতির কারণে অভিভাবকদের জন্য নির্দেশনা 👇
১. শান্তভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করুন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণ যাই হোক, আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের মানসিক শান্তি বজায় রাখুন।
২. বাড়িতে পড়াশোনার পরিবেশ তৈরি করুন: সন্তানদের যেন পড়াশোনা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন না হয়, সেজন্য নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী পড়াশোনার ব্যবস্থা করুন।
৩. শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন: বিদ্যালয়ের শিক্ষক বা প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে পরবর্তী নির্দেশনা ও ক্লাস সংক্রান্ত তথ্য জেনে নিন।
৪. অনলাইন বা বিকল্প শিক্ষার সুযোগ ব্যবহার করুন: অনলাইন ক্লাস, টেলিভিশন বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেন পড়ালেখায় যুক্ত থাকে, তা নিশ্চিত করুন।
৫. সময় ব্যবস্থাপনা শেখান: সন্তানদের পড়াশোনার পাশাপাশি ঘরোয়া কাজ, খেলাধুলা ও বিশ্রামের সময় নির্ধারণ করুন, যাতে তাদের রুটিন সুশৃঙ্খল থাকে।
৬. নিরাপত্তা বজায় রাখুন: বন্ধের সময় যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, গরম বা অন্য কোনো সংকটের কারণে হয়, তাহলে সন্তানদের নিরাপদে রাখুন এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন।
৭. নৈতিক ও মানসিক শিক্ষা দিন: বাড়িতে থাকার সময় সন্তানদের নৈতিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধ শেখানোর সুযোগ নিন।
৮. আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলুন: সন্তানদের আশ্বস্ত করুন যে এই বন্ধ সাময়িক, এবং আবার শিগগিরই স্কুল খুলবে — এতে তারা অনুপ্রাণিত থাকবে।
"আমার কিছু ভাবনা
জড়ো হয় মনের আকাশে
শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সকাশে"
---- আশাধন চাকমা
অক্ষরে ও বাক্যে, হৃদয়ের সম্পূর্ণ কথামালা গড়া যায় না বা বলা যায় না।তবু আমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা আমার এ লেখাতে পাবেন।সবাইকে ধৈর্য ধরে পড়ার অনুরোধ রইল।
প্রতিষ্ঠান কর্তৃক করণীয়:
১।মাসে অন্তত একবার অভিভাবক সভা ডাকা যেখানে তাদের সাথে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান নিয়ে আলোচনা হবে এবং কীভাবে আরও গ্রৌ করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হবে।
২।মাঝে মাঝে শিল্প সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আয়োজন বা কার্যক্রমের প্রদর্শনী করা যায় স্কুলের মাঠে কিংবা হলরুমে যেখানে শিক্ষকেরা থাকবেন,শিক্ষার্থীরা থাকবেন, কর্মচারীরাও থাকবেন।অভিভাবকেরাও আসবেন এবং দেখবেন তাদের ছেলেমেয়েদের সৃজনশীল কাজগুলো।দেখে সবাই উৎসাহ পাবে,অনুপ্রাণিত হবে।শিক্ষার্থীদের জন্য ছোটখাট পুরষ্কারের ব্যবস্থাও থাকবে।
৩।অন্তত প্রতি তিন মাস পর পর একটা ম্যাগাজিন বের করা কিংবা দেয়ালিকা প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রাখা যেখানে শিক্ষার্থীরা মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানোর সুযোগ পাবে।
৪।মাঝে মাঝে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক স্থানে ট্যুরে নিয়ে যাওয়া।এটা শিক্ষার্থীদের ক্লাসের একঘেয়েমি দূর করবে ও নতুন কিছু জানতে সহায়ক হবে এবং আনন্দ দিবে।
অভিভাবক কর্তৃক করণীয়:
১।নিয়মিত ছেলেমেয়ের স্কুলে খোঁজ নেয়া বা কোন একজন শিক্ষককে কল করে খোঁজ নেয়া।
২।বাসায় ছেলেমেয়েদের পড়াশোনায় সহায়তা করা।
৩।বাসায় ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার ব্যাপারে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেয়া।
৪।মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্ক করে দেয়া।
৫।ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার প্রতি সবসময় নজর রাখা।
৬।নীতিনৈতিকতা, আদব কায়দা,ভালো-মন্দ এসব শেখানো।কারণ Charity begins at home ।
শিক্ষক কর্তৃক ক্লাসে করণীয়:
১।শিক্ষার্থীদের প্রথমে সহজভাবে বোঝানোর চেষ্টা করুন।পরবর্তীতে বিস্তারিত এক্সপ্লেইন করা যেতে পারে।
২।ক্লাসটা এনজয়েবল হোক,যাতে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে জ্ঞান অর্জন করতে পারে।
৩।সম্মানিত শিক্ষককে শুধু ক্লাস রুম বেসড টিচিং-লার্নিং চিন্তা না করে, আউট অব দ্যা ক্লাসরুম চিন্তা করতে হবে।
৪।শুধু আউট অব দ্যা সিলেবাস, আউট অব দ্যা ক্লাসরুম চিন্তা না করে মাঝে মাঝে ওদের বাইরে নেয়া যেতে পারে প্রকৃতির সান্নিধ্যে।রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনের ক্লাসের মতো প্রকৃতির ছায়া সুনিবিড় ঘেরা আনন্দঘন পরিবেশে ওরা শিখুক ইতিহাস, অর্থনীতি,সাহিত্য, বিজ্ঞান ইত্যাদি।
৫।মাঝে মাঝে মাল্টিমিডিয়ার পর্দায় ওদের ১০ মিনিটের মোটিভেশনাল স্পীচ শোনানো হোক কিংবা ভিডিও দেখানো হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় অনুপ্রেরণা পায়।কারণ হৃদয়ে অনুপ্রেরণা ছাড়া কোন কাজ সফল হয় না।
৬।তাদের সবসময় অনুপ্রাণিত রাখার চেষ্টা করা।সফল ব্যক্তিদের জীবনের গল্প বলা যেতে পারে।
৬।টিচিং ম্যাটেরিয়ালস ও মেথডস ফলৌ করুন।যেমন- চার্ট, পিকচার,বাস্তব যন্ত্র ইত্যাদি।
৭।সিলেবাসের বাইরে নৈতিকতা,দায়িত্ববোধ,আদব-কায়দা, সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মানুবর্তিতা শেখাতে হবে।
শিক্ষার্থীদের করণীয়:
১।প্রথমত পড়াশোনার প্রতি ও শিক্ষকদের প্রতি অনুগত ও অনুরাগী হতে হবে।
২।পড়াশোনাটাকে ভালোবাসতে হবে।
৩।নিয়মমাফিক পড়তে হবে।
৪।শিক্ষকরা কষ্ট করে পড়ান আর বাবা মায়েরা কষ্ট করে পড়ালেখার খরচ চালান এটা মাথায় রেখে পড়াশোনা করতে হবে,কষ্ট করতে হবে।জীবনে সফল হতে হলে কষ্ট পেতে হয়।
৫।প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ব্যবহার না করা।
৬।মাঝে মাঝে মোটিভেশনাল ভিডিও বা মুভি দেখা,সফল ব্যাক্তিদের স্পিচ শোনা।
৭।পড়াশোনাটাকে বিরক্তিকর না ভেবে,জানার শেখার একটা প্রক্রিয়া ভেবে,সুন্দর ভবিষ্যত গঠনের একটা প্রক্রিয়া ভেবে পড়াশোনা করা।
৮।পড়াশোনায় ও শিক্ষকের কথায় যতবেশি মনোযোগী হবে,ততবেশী জানবে,শিখবে এবং সফল হবে।
৯।'নট টূ মাচ হার্ড ওয়ার্ক বাট ওয়ার্ক ইন আ স্মার্ট ওয়ে' -- এই নিয়মে পড়াশোনা করা।যেমন- নোট করে পড়া,রিভিজন দেয়া,সহপাঠীর সাথে আলোচনা করা ইত্যাদি।
১০।বই পড়া।বই পড়ার প্রচুর উপকারীতা।যেমন--
ক)মেধা বাড়ায়
খ)চিন্তা ক্ষমতা বাড়ায়
গ)সৃজনশীল হতে সাহায্য করে
ঘ)জানা যায় অনেককিছু
ঙ)আনন্দ পাওয়া যায়
চ)শব্দ ভান্ডার ও ভাষাগত দক্ষতা বাড়ে
ছ)জীবন গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
ফাইনালি, শিক্ষার্থীদের প্রতি:
মনে রাখবে, মেধাবীরা সবসময় সফল হয় না,কিন্তু পরিশ্রমীরা সবসময় সফল হয়।
লেখনীতে
আশাধন চাকমা
সহকারী শিক্ষক(ইংরেজি)
ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়
ঘাগড়া, কাউখালী, রাঙামাটি জেলা।
13/10/2025
ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ও কর্ম বিরতি চলছে।
13/10/2025
ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠনের তফসিল ঘোষণা
12/10/2025
আজ দেশব্যাপী টাইফয়েড টীকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ায় ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে কাউখালি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আতিকুর রহমান স্যার টীকা দান ক্যাম্পেইন শুভ উদ্ভোদন করেন
এতদ্বারা ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্তমানে অধ্যায়নরত সকল শিক্ষার্থীদের জানানো যাচ্ছে যে,আগামী ১২ ই অক্টোবর স্কুল খোলার দিন আমাদের স্কুলের মাধ্যমে টাইফয়েড টীকা দান উদ্ভোদন করা হবে তাই সেদিন সকল ছাত্র ছাত্রী দের উপস্থিত থেকে টীকা গ্রহন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া গেল। টীকা দান অনুষ্ঠান উদ্ভোদন করবেন কাউখালি উপজেলার ইউএনও মহোদয়।
বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি।
নির্দেশনায়
ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয় কতৃপক্ষ
এতদ্বারা অত্র বিদ্যালয়ের সকল শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আগামী ৯/১০/২০২৫ ইং তারিখ পর্যন্ত বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।আগামী ১২/১০/২৫ ইং তারিখ রোজ রবিবার থেকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম যথারীতি চলবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Rangamati
4500