29/05/2026
ঢাবি থেকে ঝাড়ু মিছিল বের হলেই নেতা সাবেক হয়ে যায়।
It's one of the best educational pages directed by the students of all public Universities of Bangladesh.
29/05/2026
ঢাবি থেকে ঝাড়ু মিছিল বের হলেই নেতা সাবেক হয়ে যায়।
26/05/2026
চায়না এম্বাসি থেকে শিক্ষা ও এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে সরকারের কাছে ২০ জনের তালিকা চাইছে,
সরকার দেশ থেকে বাছাই করে ছাত্রদল, যুবদলের কয়েকজনের নাম দিয়ে তালিকা ভর্তি করে দিয়েছে। ছাত্রদের নামের পাশে যে ডেজিগনেশন দিয়েছে,তাই ফখরুল সাহেবদের ভদ্রবেশী মুখোশের পেছনের চেহারা। এরা এই দেশটাকে নিজের বাপের তাল্লুক মনে করে! এটা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি দলের সফর হলে ঠিক আছে, এটা দেশের শিক্ষা ও এক্সেঞ্জের কল! বুঝলাম দলীয় ছাত্রদের দিয়েছেন, সেটা না দিয়ে তাদের বিভাগের নাম দেন (আসলে এরা নামে ছাত্র,বাস্তবে ছাত্রত্বের অস্তিত্ব এদের নেই)! আর পাশে যে JCD আর Jubodol লিখছেন, এটা কি ইউনিভার্সাল পরিচয়? Former VP candidate ,এটা মানুষের পরিচয়? ১৯ নাম্বারে জিতু জাহাঙ্গীরনগরের, ছাত্রদলে যোগ দিয়ে যুক্ত হয়েছে বটে,কিন্ত তাকেও ডাকসুর ভিপি বানিয়ে দেয়া হয়েছে।মানে ইংলিশে বিদেশীরা এটাকে কি হিসাবে জানবে? বাংগুর দল!! ফখরুল সাহেবকে ধরা হয় ভদ্র মানুষ (উনার দলের মানুষজন প্রচার করে), উনি শিক্ষক ছিলেন!ফকরুল সাহেবের এতটুকু সেন্স গ্রো করে নাই, এটা দলীয় প্যাড নয়,এটা দেশের মিনিস্ট্রি প্যাড! সে কত বছর কি রাজনীতি করছে,এটা তার কর্মে উঠে আসবে, বয়ান দেয়ার কিছু নেই।।উনার স্বাক্ষরে এমন লিস্ট, নিশ্চয়ই ফাহাম ভাই একটা ভিডিও বানাবেন ডেস্কিকেবল...বলে! আমি সব সময় বলি, তরুনদের সবচেয়ে বাজে ছেলেটার পেছনে দাঁড়াতে আমি রাজি আছি,কিন্ত এই বুইড়াদের সবচেয়ে ভালোটার পেছনে আমি নেই। কারন আমি জানি এরা পঁচে গলে অবশিষ্টটাই আছে! এরা পরিষ্কার বার্তা দেয় আমাদের মত ছোটলোকি রাজনীতিতে নাম লেখাও,না হয় তোমার জায়গা এই দেশে কোথায় হবে না!!
একটা দেশে দলীয়করণ এমনভাবে করা যায়, যা এইবার বিএনপি ক্ষমতায় না আসলে বুঝতাম না। এদের নোংরামীর পেছনে আর দেয়াল নেই! এদের নিয়ে লিখতেও রুচিতে বাদে! ডাস্টবিনস!
Shame on you Chotoloks!
©Fakhrul Islam Hemel
25/05/2026
বিচারকার্য শেষ করে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে কতটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে জেনে নিই। এরমধ্যে আছে মামলার পাহাড়! কতদিন পরপর একটা শুনানির ডেট পড়বে তার উপর নির্ভর করবে কতদিন লাগবে। আল্লাহ বাংলাদেশের উপর রহম করুন।
১। ঘটনা
২। সুরতহাল প্রতিবেদন
৩। মামলা দায়ের
৪। আসামী গ্রেপ্তার
৫। আসামীর দোষস্বীকার
৬। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন
৭। ডিএনএ প্রতিবেদন
৮। ঘটনাস্থল পরিদর্শন
৯। আলামত
১০। জব্দ-তালিকা
১১। খসড়া মানচিত্র
১২। খসড়া মানচিত্রের সূচি
১৩। খসড়া মানচিত্রের সূচির ব্যাখ্যা
১৪। ১৬১ ধারার জবানবন্দি
১৫। ১৭০ ধারার মুচলেকা
১৬। পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন
১৭। আমলে গ্রহণ
১৮। চার্জ গঠন
১৯। সাক্ষীর জবানবন্দি
২০। সাক্ষীর জেরা
২১। যুক্তিতর্ক
২২। সাজার রায়
২৩। হাইকোর্টে আপীল
২৪। হাইকোর্টে শুনানি
২৫। হাইকোর্টের রায়ে সাজা বহাল
২৬। আপীল বিভাগে আপীল
২৭। আপীল বিভাগে শুনানি
২৮। আপীল বিভাগের রায়ে সাজা বহাল
২৯। আপীল বিভাগে রিভিউ
৩০। আপীল বিভাগে রিভিউ'র শুনানি
৩১। আপীল বিভাগে রিভিউ'র রায়ে সাজা বহাল
৩২। রাষ্ট্রপতির নিকট সাজা মওকুফের প্রার্থনা
৩৩। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মওকুফের প্রার্থনা নামঞ্জুর
©Collected
৩৪। এরপর, হ্যাঁ এরপরই কেবল রায় কার্যকর।
21/05/2026
We Want Justice.
08/05/2026
কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের জন্য বিসিবি থেকে ২ কোটি টাকা নিয়ে এসেছি, ট্রেজারার সেটা ফেলে রেখেছেন আজ ৩ মাস!
সেন্ট্রাল মসজিদ সংস্কার করেছি ডাকসুর নিজস্ব উদ্যোগে, এসি লাগিয়েছি! ইচ্ছেকৃতভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়নি প্রশাসন!
ইউজিসি থেকে ৪ কোটি টাকা নিয়ে আসার পরও তিনি বলছেন, শনিবার বাস সার্ভিস চালু করতে তিনি দেবেন না! আমরা ডাকসু থেকে ১ টাকা বেতন পাইনা শ্রম দিচ্ছি শিক্ষার্থীদের জন্য।
নিঃস্বার্থভাবে কাজ করছি এটা শিক্ষার্থীদের দেয়া গুরু দায়িত্ব কাজ করতে গিয়ে যদি প্রশাসনের হর্তাকর্তাদের কাছে অপমানিত হতে হয়!
তারা যদি পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করতে চায় তাহলে এটা লজ্জার, সেজন্য ১০৫ বছরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের এই হাল!
প্রত্যেকটা কাজ কাজ নিয়ে আমরা উপাচার্যের অফিসে ট্রেজারারের অফিসে দিনের পর দিন ঘুরি! আমাদের কাজগুলো ইচ্ছেকৃতভাবে প্রশাসন আটকে রাখে! উপাচার্যের সামনে এমনই ক্ষোভ জানিয়েছেন!
ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য, সর্বমিত্র চাকমা
12/04/2026
টিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সাল: ১৯৮০
12/04/2026
This is the difference.
Learn something from Sri Lanka.
04/04/2026
এই ছবির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছ-
২০২২, ২০২৬ = সাংবিধানিক সরকার
২০২৪ = অবৈধ সরকার
04/04/2026
১৩৩ টি অধ্যাদেশের মধ্যে সরকার ৯৮ টি হুবহু বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করে আইনে পরিণত করবে।
১৫ টি অধ্যাদেশে কিছু সংশোধনী যুক্ত করে বিল আকারে উত্থাপন করবে।
বাকি থাকে ২০ টি অধ্যাদেশ।
এই ২০ টির মধ্যে সরকার ৪ টি সংসদে বিল এনে সরাসরি রহিত বা বাতিল করবে সরকার। এই ৪ টির মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ স্বাধীন বিচার বিভাগ গঠনের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ। কিছুদিন আগেও বিরোধী দলে থাকতে বিএনপি নেতাদের স্বাধীন বিচার বিভাগ নিয়ে কত আফসোস আর প্রতিশ্রুতি শুনেছি। অথচ এখন সংবিধানের দোহাই দিয়ে এবং প্রধান বিচারপতির একক ক্ষমতার খোঁড়া যুক্তি দিয়ে সেই বিএনপিই সংস্কার থেকে ফিরে আসলো। বিচারক নিয়োগে সংবিধানে যা আছে এটি সংশোধন করার মেজরিটি বিএনপির আছে। তাই এখানে সংবিধানকে সামনে আনা যে আইওয়াশ ও প্রতারণা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিএনপি নাহয় বলুক যে, তারা সুপ্রিম জুডিশিয়াল এপয়েনমেন্ট কাউন্সিল গঠন করবে সংবিধান সংশোধন করে। সেটি কিন্তু তারা বলছে না। তাই এটি স্পষ্ট প্রতারণা। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় করলে প্রধান বিচারপতির একক ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এটি ঠিক না। আর প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতা ঠিক? এটাই কি লজিক? জাস্ট হাস্যকর ও অতিশয় খোঁড়া যুক্তি।
বাকি যে ১৬ টি অধ্যাদেশ বিএনপি সংসদে না তুলে আপাতত ল্যাপস বা অকার্যকর করতে চায় তার অন্যতম হচ্ছে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি গুমের শিকার সবচেয়ে বেশি। তারপরে এ দেশে আলেমসমাজ। বর্তমান যে যুক্তি সরকার হাজির করছে একই যুক্তি আগেও দেয়া হতো। জাতীয় নিরাপত্তার দোহাই ও সরকারী কর্মচারীদের দায়মুক্তি। এমন যুক্তি আমরা কোনোভাবেই আশা করিনি। এটি মেনে নেয়া যায় না। যাকে তাকে তুলে নিয়ে গুম করে সে নিরাপত্তার হুমকি বলাই যায়। এটি খুবই হতাশার যে বিএনপি নিজে বড় ভিক্টিম হয়েও গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ তারা বাতিল করছে। এটি কি ক্ষমতা সংরক্ষণ ও প্রলম্বিত করার অগ্রীম প্রস্তুতি? বিএনপির গুমের ভিক্টিম নেতাদের পরিবার কি তাদের দলের এমন হীন কাজ মেনে নিবে?
মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ল্যাপস করছে সরকারের কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেই এই যুক্তি দিয়ে। এর চেয়ে হাস্যকর আর লজিক হতে পারে?
বিএনপির সংস্কারবিমুখতা আশঙ্কার। তাদের নোট অফ ডিসেন্ট যেখানে আছে সেগুলির বাইরেও তারা চলে গেছে। তারা নিজেদের ক্ষমতা আরো প্রবল করার অধ্যাদেশ ঠিকই মেনে নিচ্ছে। কিন্তু ক্ষমতা কিছুটা কমবে এমন অধ্যাদেশ বাতিল করছে। এটি সরাসরি জাতিকে ভিন্ন মেসেজ দেয়।
বিএনপি তাদের ৩১ দফায় সুপ্রিম কোর্টের অধীনস্থ বিচার বিভাগ সচিবালয় গঠনের প্রস্তাব করেছিল। নিম্ন আদালতের নিয়োগ, বদলি এগুলি সুপ্রিম কোর্টের অধীনের আনার কথাও বলেছিল। অথচ আমরা এখন দেখছি সরকার সেই অধ্যাদেশ বাতিল করছে।
এমন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই।
সরকার বিভিন্ন যুক্তি দিচ্ছে। তো সেই যুক্তি অনুসারে তারা নতুন বিল এনে আইন করুক। এটাই চাই।
যদি তা না করে সংস্কার একেবারে ছুঁড়ে ফেলা হয় তবে দল হিসেবে সেটি হবে বিএনপির জন্যে প্রতিষ্ঠার পরে সবচেয়ে বড় ভুল।
02/04/2026
গনভোট মানতে বিম্পির অসুবিধা কি জানেন.?
প্রথমত, নিজেদের ইচ্ছামতন সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না। চাইলেই সাংবিধানিক ভাবে হাসিনা হয়ে উঠতে পারবে না। মোট ভোটের আনুপাতিক হারে উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
দ্বিতীয়ত, দুদক কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, মহাহিসেবরক্ষক কমিশন, নির্বাচন কমিশন, হাইকোর্টে প্রধান বিচারক একটি স্বাধীন সতন্ত্র কমিশনের মাধ্যমে গঠিত হবে।
তৃতীয়ত, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য থাকবে।দলের প্রধান আবার রাষ্ট্র প্রধান হতে পারবে না।
কি সুন্দর প্রস্তাবনা। একটা সুন্দর দেশ গড়ার সুযোগ এসেছে। ৭০% জনগন রায় দিয়েছে।
কিন্তু তাহারা নব্য সৈরাচার হতে চায়।
©Md Fakrul Hasan
31/03/2026