Dhaka University Admission Test Helpline

Dhaka University Admission Test Helpline It's one of the best educational pages directed by the students of all public Universities of Bangladesh.

ছেলেটার নাম ইফতেখার, বিইউপি'র ছাত্র। ত্রিবেদীকে নিয়ে চ্যানেল আইয়ের একটা ওপেন প্রোগ্রামে দর্শক সারি থেকে ছেলেটি ত্রিবেদ...
07/10/2026

ছেলেটার নাম ইফতেখার, বিইউপি'র ছাত্র। ত্রিবেদীকে নিয়ে চ্যানেল আইয়ের একটা ওপেন প্রোগ্রামে দর্শক সারি থেকে ছেলেটি ত্রিবেদীকে প্রশ্ন করে বসে, আপনারা কেন শেখ হাসিনাকে হ্যান্ডওভার করছেন না ?

প্রশ্ন শুনে দর্শক সারিতে তুমুল করতালি বেজে উঠল। ত্রিবেদী আর দালাল সঞ্চালক থতমত খেয়ে গেল, তাদের হয়তো ধারনাই ছিল না গোলামদের দেশে এই প্রশ্ন করার গাটস কার আবার আছে ?

কারণ এতদিন ধরে বাংলাদেশের কোন মিডিয়াই এ ধরনের প্রশ্ন করেনি ত্রিবেদীকে । দালাল সঞ্চালক সহ দুজনে মিলে নয়ছয় করে চেষ্টা করলেন প্রশ্ন এড়িয়ে চলতে। ছেলেটিকে ত্রবেদী লাঞ্চের দাওয়াত দিলেন, দালাল সঞ্চালক অন্য কোন প্রশ্ন থাকলে করতে বললেন।

ছেলেটি এবারও বলল আমি লাঞ্চ টাঞ্চ খাব না, আমাকে যতবারই জিজ্ঞেস করবেন বারবার বারবার বারবার আমার প্রশ্ন শুধু একটাই, "আপনারা কেন গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাকে হ্যান্ডওভার করছেন না ?"

এবার ত্রিবেদীকে উত্তর দিতে ছেলেটি কার্যত বাধ্যই করলেন। এরপর ত্রিবেদী ঘুরিয়ে পেঁছিয়ে ডিপ্লোম্যাটরা যে স্টাইলে উত্তর দেয় আরকি সে স্টাইলে উত্তর দিলেন। আইনের দোহাই, হাবিজাবি বলে নিজেকে রক্ষা করলেন, আর নিজের নার্ভাসনেস লুকানোর জন্য আবারও লাঞ্চের দাওয়াত দিয়ে পরিস্থিতি হালকা করার ব্যার্থ চেষ্টা করলেন।

এই জেনজিদের সামনে যতবড় ডিপ্লোম্যাট আর রাজনীতিবিদই হোক সবায় ধরা খায় ।

©

চুল কাটতে বের হয়েছিলো ১২ বছরের শিশু রায়হান।বের হয়ে পড়ে এক চক্রের হাতে। সুস্থ-সবল ছেলেটার পা কে'টে ভিক্ষা করতে বসিয়ে দেয় ...
14/09/2026

চুল কাটতে বের হয়েছিলো ১২ বছরের শিশু রায়হান।

বের হয়ে পড়ে এক চক্রের হাতে। সুস্থ-সবল ছেলেটার পা কে'টে ভিক্ষা করতে বসিয়ে দেয় কমলাপুর রেলস্টেশনে! তাকে দিয়ে এদিক সেদিক ভিক্ষা করায় সেই চক্র।

সাত মাস পরে একদিন এক মাহফিলে বাবার সাথে দেখা হয় ছেলে রায়হানের। বাবা দেখে তার আদরের ছেলে ভিক্ষা করছে! একটা পা নাই!

রায়হানের বর্ণনামতে ওই চক্র এরকম আরো অনেককে নিয়ে গিয়ে হাত-পা কে'টে পঙ্গু বানিয়ে ভিক্ষা করায় বিভিন্ন জায়গায়। ভিক্ষার টাকা নিয়ে নেয় তারা। ওদেরকে পেটে ভাতে বাঁচিয়ে রাখে জাস্ট!

কয়েকদিন আগেও এরকম একটা প্রতিবেদন দেখেছিলাম যে কিছু মহিলা ভিক্ষা করছে কোলে থাকা ঘুমন্ত শিশু দেখিয়ে। বাচ্চাগুলো সবসময় ঘুমায়। দেখে এক সাংবাদিকের সন্দেহ হলে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে দেখে বিশাল এক চক্র। এরা বিভিন্ন জায়গা থেকে বাচ্চাদেরকে চুরি করে এনে ঔষধ প্রয়োগ করে ঘুম পড়ায়ে ভিক্ষা করায় মহিলাদের দিয়ে।

এইধরনের বেশকিছু চক্র এখনো সক্রিয় দেশের বিভিন্ন জায়গায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিষয়টি নিয়ে সিরিয়াসলি তদন্ত করা দরকার।

©AB Zubair

রাজধানীর হলি ক্রস কলেজের শিক্ষকের বিরুদ্ধে গুরুতর যৌন হয়রানি ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ: তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে!রা...
11/09/2026

রাজধানীর হলি ক্রস কলেজের শিক্ষকের বিরুদ্ধে গুরুতর যৌন হয়রানি ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ: তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে!

রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী খ্রিষ্টান মিশনারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলি ক্রস কলেজের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি, অনৈতিক সম্পর্কে প্রলুব্ধ করা এবং একপর্যায়ে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের অনিমেষ সাহা বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের দেওয়া একাধিক বক্তব্য ও পোস্ট থেকে জানা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ও শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কলেজে শিক্ষকতা করে আসা অনিমেষ সাহা বিভিন্ন ক্লাব ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি ক্লাসে ও প্রাইভেট কোচিংয়ে মেয়েদের সাথে নিয়মিত কুরুচিপূর্ণ ও দ্ব্যর্থবোধক যৌন রসিকতা করতেন। ভালো নম্বর ও সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে ছাত্রীদের নিজের কোচিংয়ে পড়তে বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি ফাঁস হওয়া তথ্যে জানা যায়, বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক হওয়া সত্ত্বেও তিনি তার কোচিংয়ের এক ছাত্রীর সাথে অনৈতিক শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে শিক্ষক তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং জোরপূর্বক গর্ভপাত করান বলে অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিষয়টি কলেজ প্রশাসনকে জানালে কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষককে মাত্র এক মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে বলে শিক্ষার্থীরা দাবি করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়গুলো সামনে আসার পর কলেজের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কলেজটির এইচএসসি ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী জেসমিনা জেসমিন অভিযোগ করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে এমন অনুপযুক্ত আচরণ ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কলেজটিতে পিরিয়ড বা জরুরি প্রয়োজনেও ক্লাস চলাকালীন ওয়াশরুমে যাওয়ার মতো মৌলিক বিষয়ে অযৌক্তিক কড়াকড়ি রয়েছে। মরিয়ম ইসলাম নামে আরেক শিক্ষার্থী জানান, ক্লাসে ঘুমিয়ে পড়ায় তাকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক টেনে কুরুচিপূর্ণ রসিকতার শিকার হতে হয়েছিল।

মুমতাহিনা সাহরুন নামের আরেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, অনিমেষ সাহার অপকর্মের কারণেই কলেজের এক জনপ্রিয় শিক্ষিকা (তিথি মিস) পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তিনি অনিমেষ সাহার ক্লাসরুমের নানা আপত্তিকর মন্তব্য (যেমন— "বাবা হতে পারলাম, কিন্তু daddy হতে পারলাম না", "জান কিন্তু আমাদের একটাই", "আহারে! আর কিছু পরার থাকলো না") এবং অস্বাভাবিক আচরণের কথা তুলে ধরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষার অজুহাতে এবং কঠোর বিধিনিষেধের কারণে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অনিয়ম ও হয়রানির বিষয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা বাইরে প্রকাশ করতে পারেন না। এমন স্পর্শকাতর ও গুরুতর অপরাধের পরও প্রশাসনের যথাযথ দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহিতার দাবি জানিয়েছেন।

09/09/2026

দূর্নীতির অভিযোগে ভাইভার নম্বর কমানোর দাবি করেছিলো বিএনপি!

#বিএনপি

ফ্যাসিবাদ ২.০ কি লোডিং?ছেলেটার ভুল (অপরাধ নয় কিন্তু) দুইটি- ১/ তার বাসার ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা ২/ স...
04/09/2026

ফ্যাসিবাদ ২.০ কি লোডিং?
ছেলেটার ভুল (অপরাধ নয় কিন্তু) দুইটি-
১/ তার বাসার ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা
২/ সমালোচনায় গালি ব্যবহার।
-----------------------------------------------------------

টাকার বিনিময়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া আধুনিক রাষ্ট্রে নাগরিকের অধিকার এবং বিদ্যুতের ন্যায্য বিলের বেশি চার্জ করলে সেটার প্রতিবাদ করাও নাগরিক অধিকার।
অথচ, সরকারের দায়িত্বে থেকে আপনি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে পারছেন না, আবার নাগরিককে ভুয়া/বাড়তি বিল দিতে হচ্ছে, এর প্রতিবাদ করবে না সে?

আর অসহায় ক্ষুব্ধ একজন নাগরিকের প্রতিবাদের উপায় কী হবে? রূঢ় ভাষা তো? এখন সে রূঢ় ভাষায় কোন শব্দ উচ্চারণ করবে এটা তার রুচি বা কুরুচির বিষয়, পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষার ব্যাপার। কিন্তু তার অধিকার লঙ্ঘন করবেন, দুর্নীতি করবেন, পকেট কাটবেন, আবার গালি দিলে সুরুচির প্রশ্ন তুলে তাকে ধরে আনবেন! অদ্ভুত! এখানে তো উল্টো অন্যায় করলেন আপনি।
চোর কিছু চুরি করলে, আর সে চোরকে ধরতে না পারলে একজন ভুক্তভোগী রাগে-ক্ষোভে গালিগালাজ করে- এটা এখন খুবই কমন দৃশ্য।

নাগরিকের অধিকার খর্ব হলে সে তার যেমন রুচি তেমনভাবে গালি দেবে। আপনি তার রুচিকে গালি দেন, সামাজিকভাবে এমন আচরণ/ভাষা বয়কট করান, প্রাতিষ্ঠানিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় তা আরও সিরিয়াসলি অনুশীলনের ব্যবস্থা করেন, কিন্তু পুলিশ দিয়ে উঠিয়ে আনার হেডম দেখাতে পারেন না, ছাত্রদলকে লেলিয়ে দিতে পারেন না। ফ্যাসিস্ট হাসিনা এটা করতো। কিন্তু আপনার সরকারের এটা করা উচিৎ নয়। কারণ এটাই গণতন্ত্র।

(উল্লেখ্য, এ পোস্টের কমেন্টে প্রচুর ছাপড়ি দেখবেন যারা ভুতুড়ে বিল নিয়ে কনসার্ন না, কিন্তু গালি নিয়ে কনসার্ন। এরা অনেক উচ্চ রুচির অধিকারী। কিন্তু ফুটপাতে হেঁটে হেঁটে দোকান আর টেম্পু থেকে চাঁদা নেওয়া এদের কাজ। আর চান্দা না পাইলে এরা মানুষ খুন করে।)

একজন না, দুজন না একই পরিবারের চারজন মানুষকে হ%%ত্যা করা হলো! আর কারণটা এতটাই ছোট, যা তারা নিজেরাও হয়তো কল্পনা করতে পারেন...
23/08/2026

একজন না, দুজন না একই পরিবারের চারজন মানুষকে হ%%ত্যা করা হলো! আর কারণটা এতটাই ছোট, যা তারা নিজেরাও হয়তো কল্পনা করতে পারেনি 😔

রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে আগামী ও ছোট ছেলে প্রিয়ম একে একে চারজনকেই পৃথিবী থেকে বিদায় করে দেয় তাদেরই পরিচিত দুজন মা-দ-কা-স-ক্ত যুবক।

তারা দুজন হলো সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস৷ তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা এবং একে অপরের পরিচিত। এমনকি তারা গণপতি চক্রবর্তী স্যারকে ‘কাকা’ বলেও ডাকত।

ঘটনার দিন ছিল বৃহস্পতিবার রাত।

গণপতি স্যারের বিল্ডিংয়ের সঙ্গে লাগোয়া আরেকটি বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে অভিযুক্তরা স্যারের বাড়ির ছাদে আসে। সেখানে তারা মা-দ-ক সেবন করছিল।

হঠাৎ গণপতি স্যার ছাদে উঠে তাদের দেখে ফেলেন এবং বকাঝকা করেন।

কিন্তু অভিযুক্তরা ভয় পেয়ে যায়। তাদের ধারণা হয়, সম্মানিত শিক্ষক হওয়ায় স্যার হয়তো ঘটনাটি সবাইকে বলে দেবেন, এমনকি থানাতেও জানাতে পারেন।

আর তখনই মা-দ-কে-র নে-শা-গ্র-স্ত অবস্থায় তারা ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নেয়।

স্যারের সঙ্গে থাকা গামছা দিয়ে তাঁর গ-লা-য় চা%প দেওয়া হয়। কয়েক মিনিট ধস্তাধস্তির পর তিনি মা%রা যান।

এই সময় শব্দ শুনে স্যারের স্ত্রী ছাদের দিকে এগিয়ে আসেন। তিনি ঘটনাটি দেখে ফেলেন। তাই তাকেও সিঁড়ির কাছে একইভাবে *** করা হয়।

এরপর ধস্তাধস্তির শব্দ শুনে তাদের মেয়ে এগিয়ে এলে তাকেও *** করা হয়।

ঘরে তখন ছোট ছেলে প্রিয়ম একা ছিল। প্রথমে তাকে কিছু করা হয়নি। কিন্তু কিছুক্ষণ পর অভিযুক্তদের মনে হয়, প্রিয়ম তাদের ভালো করেই চেনে। আজ না হোক কাল, একদিন সে সবকিছু বলে দিতে পারে।

শেষ পর্যন্ত তাকেও বালিশ চা%%পা ও গামছা দিয়ে হ%%ত্যা করা হয়। 😓

তারা চারজনকে হ%%ত্যা&%র পর অভিযুক্তরা ওই বাসার ওয়াশরুমে গোসল করে। তারপর ঘরে বসেই আবার মা%দ&ক সেবন করে।

শুক্রবার সকাল হয়ে যায়।

এরপর তারা ঘরের আসবাবপত্র খুলে তল্লাশি চালাতে থাকে। স্বর্ণালংকার বের করে। সিদ্ধার্থ একটি স্বর্ণের দোকানে কাজ করত বলে অভিযোগ আছে, তাই সে আগুন জ্বালিয়ে গহনাগুলো আসল সোনা কি না, সেটিও পরীক্ষা করে।

এসব করতে করতে বেলা গড়িয়ে যায়।

তখন তারা চিন্তা করে, এখন বের হলে আশপাশের মানুষ দেখে ফেলতে পারে। তাই তারা জুমার নামাজের সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করে।

অপেক্ষার সময় ঘরে বসে খেজুর খায়, মা-দ-কে-র প্রভাব কমাতে ফ্রিজ থেকে শসা বের করে খায়।

তারপর জুমার নামাজের সময় যখন আশপাশের বেশিরভাগ মানুষ মসজিদে, তখন তারা ছাদ দিয়ে পাশের বাড়ির ছাদ ঘুরে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়।

ভাবুন তো একবার...

চারজন মানুষকে হ%%ত্যা করার পরও তারা এতটা সময় সেই বাড়িতেই ছিল! গোসল করেছে, খেয়েছে, মা&দ&ক নিয়েছে, ঘরের জিনিসপত্র তল্লাশি করেছে—তারপর সুযোগ বুঝে স্বাভাবিকভাবেই বেরিয়ে গেছে।

একটা পরিবারের চারটি প্রাণ চলে গেল শুধুমাত্র কয়েকজন নেশাগ্রস্ত মানুষের ভয় আর নিষ্ঠুরতার কারণে।

মানুষ নে%শা করলে কতটা ভয়ংকর হতে পারে, এই ঘটনাই তার সবচেয়ে ভয়াবহ উদাহরণ। 😓💔

© Rahat Ahmed

14/08/2026

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে সিনিয়র অফিসার আর ক্যাশ ইনচার্জ ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা গায়েব করে দিয়েছে।

এই টাকা তারা দুই নাম্বারি ব্যবসায় লাগাতে পারত। জমি কিনতে পারত। ফ্ল্যাট গাড়ি বাড়ি কিনতে পারত। জুয়া খেলে, মেয়েদের নিয়ে থাইল্যান্ড বা দুবাইয়ে গিয়ে ফূর্তি করে উড়াতে পারত।

এসব যদি না-ও করত, উন্নত জীবনের লক্ষ্যে অন্তত ইউরোপ আমেরিকায় পালিয়ে যেতে পারত।

কিন্তু না, ভদ্রলোকেরা এসব করেননি। পুরুষের আজন্ম লালিত স্বপ্ন পূরণ করেছেন।

কী করেছেন?

এই টাকা দিয়ে তারা গরুর খামার দিয়েছেন। তাদের খামারে রয়েছে ৫০/৬০ টা গরু।

সুযোগ হলে মনে হয় টাকাটাও তারা ফেরত দিতেন। আস্ত খামার পকেটে করে তো আর ভেগে যাওয়া সম্ভব না।

তবুও ধরা খেয়ে গেলেন।

কিন্তু একটা ব্যাপার প্রমাণ করে গেলেন, আপনি ব্যাংকের অফিসারই হোন বা বড় কোম্পানির সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারই হোন, দিনশেষে পুরুষ একটা স্বপ্নই বুকে পালতে থাকে।

নিজস্ব একটা গরুর খামার...

ক্রেডিট: অন্বয় আকিব

উত্তরায় তখন গভীর রাত। সাদা পোশাকে এসে অস্ত্রধারীরা তুলে নিয়ে গেল সালাহউদ্দিন আহমেদকে। চোখ বাঁধা, হাত বাঁধা।পরদিন থানায...
02/08/2026

উত্তরায় তখন গভীর রাত। সাদা পোশাকে এসে অস্ত্রধারীরা তুলে নিয়ে গেল সালাহউদ্দিন আহমেদকে। চোখ বাঁধা, হাত বাঁধা।

পরদিন থানায় ছুটে গেল পরিবার। সব শুনে থানার ওসি পানের পিক ফেলে বললেন, ‘এমন কোনো খবর তো নেই আমাদের কাছে। দেখেন গিয়ে, নিজেই কোথাও চলে গেছেন হয়তো।’

সালাহউদ্দিন তখন পাঁচ ফিট বাই দশ ফিটের একটা কুঠরির আয়নাঘরে। ৬১ দিন। প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর প্রহর গুনেছেন। তারপর এক রাতে সীমান্ত পার করে ফেলে দেওয়া হয় শিলংয়ে। অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় বন্দিত্ব, ৯ বছরের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে খালাস।

১১ বছর পর সেই সালাহউদ্দিন আহমেদ আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যে থানা একদিন তার পরিবারের অভিযোগ ফিরিয়ে দিয়েছিল, গুমের তদন্তের পুরো দায়িত্ব আজ সেই থানারই হাতে তুলে দিতে আইন বানাচ্ছেন তিনি নিজে। বাদ পড়ছে স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন।

যে দরজায় গিয়ে একদিন তার পরিবার ফিরে এসেছিল খালি হাতে, ভবিষ্যতে গুমের প্রতিটা ভুক্তভোগীকেও যেতে হবে সেই একই দরজায়। যে যন্ত্রণার ভেতর দিয়ে তাকে হেঁটে যেতে হয়েছিল, আজ সেই যন্ত্রণাই তিনি আইন বানিয়ে লিখে যাচ্ছেন অন্যের সন্তানের জন্য।
©

গত দুইদিন টাইমলাইনে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের ভিলেন হওয়ার পেছনের কাহিনীটা সংক্ষেপে একটু বলি । রাজশাহী বিশ্ববিদ্যাল...
31/07/2026

গত দুইদিন টাইমলাইনে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের ভিলেন হওয়ার পেছনের কাহিনীটা সংক্ষেপে একটু বলি ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে প্রেমের পস্তাব দিলো একই বিভাগের ছাত্র মহসিন।

ছাত্রী রাজি হয় নি । তাকে হু**মকি দেওয়া হলো ।

ক্যাম্পাস ছাড়ার জন্য ভয়-ভী**তি দেখানো হইলো ।

এটা নিয়ে ছাত্রী শেষমেশ প্রক্টর অফিসে বিচার দেয় ।

প্রক্টর অফিসের আলোচনায় অপরাধী মহসিন ও তার সতীর্থরা অনুতপ্ত হওয়া দূরে থাক উল্টো গ্যাঞ্জাম করে বের হয়ে আসে । নিজেরাই ক্রিমিন্যাল কিন্তু আচরণ করতে থাকে বেপরোয়া নেতাদের মতো ।

পরে এদের ভেতর একজনকেই ' সাবেক ছাত্রলীগ ' চিহ্নিত হওয়ায় আম্মারসহ তার সতীর্থরা পিডাইছে ।

বেলচা দিয়ে নয় , খালি হাতেই পিডাইছে লাইব্রেরিতে।

প্রশ্ন হইলো , বেলচা হাতের দৃশ্য ভাইরাল কেনো?

কারণ বেলচা হাতে আম্মার একজনকে মারতে উদ্যত হয়েছিলো , তার সতীর্থরা পরে তাকে আটকায় ।

কিন্তু মিডিয়া আম্মারকে দারুণভাবে হাইপে তোলে বেলচা হাতে ।

('গে)ইয়ার্কি ' পেজে আম্মারকে আঁকা হয় প্রাচীন গুহার হিং***স্র মানব হিসেবে ।

"The Daily Times of Bangladesh ' এ ফ্রন্ট পেজে সালাউদ্দিন আম্মারের হাতে বেলচা ও কোমরে গুঁজে দেয় " Ak-47 রাইফেল'।

সমকাল আম্মারকে নিয়া একটা ভিডিও বানাইছে ।

পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ডে রাখছে ' জঙ্গীদের পোশাকের নমুনার কয়েকজন মানুষ । '

প্রথম আলো হেডলাইন করলো , দফায় দফায়
' সাধারণ শিক্ষার্থীদের পেটাইলো আম্মার। '

সবগুলা পত্রিকার শিরোনামের ধরন একই ছিলো।

ছাত্রলীগ , ছাত্রদল যা করলে কখনোই গোণায় ধরা হইতো না শুধু এইটুকু করার দরুণ আম্মারকে হাইলাইটস করা হইলো —

"টে**ররিস্ট , জ**ঙ্গী , রেকলেস হিসেবে । "

তারপর আলিফের কথায় আসি ।

ছাত্রদলের হামলায় একজনের র**ডের আঘাতে আলিফ চো*খ হারাইলো । তার এক চোখ চিরতরে অন্ধ হইলো ।

রড হাতে হামলা করা ছেলেটার স্পষ্ট ছবি আছে ভিডিওতে ।

কিন্তু কোনো পত্রিকা রড হাতে এই ছেলের ছবি প্রকাশ করেছে ?

না ।

কোনো পত্রিকা এই ছেলেকে সন্ত্রা*সী অথবা জ*ঙ্গী হিসেবে প্রেজেন্ট করেছে ?

না ।

হাসিনার আমলে বলা হইতো প্রেসের মুখ চেপে ধরা হয়েছে । প্রেসের স্বাধীনতা নেই ।

কিন্তু স্বাধীনতা থাকলেও কয়টা পত্রিকা সরকার বিরোধী হয়ে গণমানুষের পক্ষে কথা বলতো এখন সন্দেহ হয় ।

যে পত্রিকা একটা সময় তারেক রহমানরে ' খাম্বা / মেরুদন্ড ভাঙা ' নিয়ে ট্রল করছে , সেই পত্রিকাই এখন তারেক রহমানের গুণগান গাইছে ।

কেনো ?

আমার মনে হয় সংবাদ পত্রগুলো বরাবরি শাসকের পা চেটে তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চায় ।

সত্য প্রকাশের আগে নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নেই আমাদের দেশে পত্রিকার জন্ম হয় ।

জর্জ অরওয়েল তার ' 1984 ' বইতে দেখিয়েছিলেন তথ্য সন্ত্রাসদের এই চাটুকারিতার শেষটা কি হয়—

"শক্তি সংবাদ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করে । আর সেই সংবাদ নিয়ন্ত্রণ করে জনগণকে । আর জনগণ নিয়ন্ত্রণে মানে শোষকের শাসন ক্ষমতা নিরাপদ । "

সত্যি বলতে এই মিডিয়াই ভিলেনকে হিরো বানায় । হিরোকে ভিলেন । যাদের তারা যা বানাইতে চায়...

২০০৩ সালে আমেরিকার সংবাদপত্রগুলো গণহারে খবরের পর খবর ছাপাইলো ইরাকে গণ-বিধ্বংসী যু***দ্ধাস্ত্র আছে ।

দেশের জনগণের এবং বিশ্বের জনসমর্থন নিতে আমেরিকা প্রেস'কে ইউজ করলো ।

তারপর লাখ লাখ মানুষ হ*ত্যার পর দেখা গেলো ইরাকে এরকম কোনো অ**স্ত্র নেই ।

নিউইয়র্ক টাইমসহ সব প্রেস দুঃখ প্রকাশ করলো , তাদের তথ্যে ভুল ছিলো ।

কিন্তু ততোদিনে মারা গেলো লাখ লাখ মানুষ!

এই মিডিয়াকে ব্যবহার করেই পশ্চিমা বিশ্ব মুসলিমদের পুরো বিশ্বে রিপ্রেজেন্ট করে টের**রিস্ট হিসেবে ।

তাই একটা দেশের এই মিডিয়া যখন তাদের এই নগ্নতা প্রকাশ করে তখন এই দেশের ভবিষ্যত নিয়ে সংশয় হয়।

একটা সত্য তথ্য যেমন একজন অপরাধীকে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করায় ঠিক তেমনি অনেকগুলো মিথ্যা তথ্য একটা গড ফাদারের জন্ম দেয় ।

তারেক রহমান সরকার এখনো ক্ষমতায় এসেছে মাস কয়েক ।

তারেক রহমানের সরকার প্রেসের স্বাধীনতা হরণ করেছে বলে আমি মনে করছি না । এরকম কিছু এখনো চোখে পড়ে নি।

কিন্তু গণমাধ্যমের এই দলীয় নগ্নতা , শাসকের পায়ের নিচে হাড্ডির আশায় কুকুর হয়ে বসে থাকা —

জাস্ট আমাদের কাছে এক্সপোজ করে সত্য প্রকাশের নামে এরা যা ছাপায় -

তা বস্তা পঁচা সত্যে মিথ্যের মিশ্রণ আর নিজেদের এজেন্ডা ছাড়া আর কিছুই নয়....

নোটঃ ' আলিফের উপর আক্রমণকারীর ছবি Ai দিয়ে ইমপ্রুভ করা হয়েছে ।

© অনিকেত প্রান্তর - No Man's Land

মানুষের জীবনের থেকেও বিশ্বকাপ কি এতোটাই বড়। খেলাকে খেলার জায়গায় রাখতে হবে।।কুমিল্লায় কোটবাড়ি বিশ্বরোডের মঠপুস্কুরনী ...
08/07/2026

মানুষের জীবনের থেকেও বিশ্বকাপ কি এতোটাই বড়। খেলাকে খেলার জায়গায় রাখতে হবে।।

কুমিল্লায় কোটবাড়ি বিশ্বরোডের মঠপুস্কুরনী এলাকায় ফুটবল বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনা বনাম মিশরের খেলাকে কেন্দ্র করে এক যুবক নিহত!

জানা যায় ম্যাচ চলাকালীন উনি আর্জেন্টিনাকে ট্রল করে। ম্যাচের পরে আর্জেন্টিনার সমর্থকরা রেগে গিয়ে ওরে লাথি মারতে থাকে এলোপাতারি। পরে নাক দিয়ে রক্ত বের হয়ে স্ট্রোক করে মা*রা যায়।

এর চেয়ে আবা*ল জাতি আর দ্বিতীয়টা আছে কি না সন্দেহ!

আল্লাহ মাফ করুক! ©

Address

Shahbag
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka University Admission Test Helpline posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Dhaka University Admission Test Helpline:

Shortcuts

Share

Category