Sustainable Education TV

Sustainable Education TV

Share

Education is considered a fundamental human right and a core enabler for sustainable development.

SDG 4 – “Ensure inclusive and equitable quality education and promote lifelong learning opportunities for all” – is made up of a global monitoring framework of 10 targets and starting in 2020, 12 indicators.This goal promotes inclusive access to education for both genders as well as quality of services. SDG 4 encompasses early childhood education (4.2), primary and secondary education (4.1), and v

19/04/2026

সরকারি ১১ টি কলেজে পদ সৃজন করার জন্য প্রস্তাব পাঠানোর পর অর্থ মন্ত্রনালয় ৩ টি কলেজ বাদে বাকি ৮ টি কলেজের পদ সৃজনের প্রস্তাব পুনরায় পাঠাতে বলে। ২৫৫ টি ৪র্থ গ্রেডের অধ‍্যাপক পদের জন্য মাসিক বরাদ্দ প্রয়োজন ২৫৫x ৫০,০০০= ১,২৭,৫০,০০০ টাকা;
২১৩ টি ৫ম গ্রেডের সহযোগী অধ‍্যাপক পদের জন্য মাসিক বরাদ্দ প্রয়োজন ২১৩ x ৪৩,০০০= ৯১,৫৯,০০০ টাকা;
৪৫৮ টি ৬ষ্ঠ গ্রেডের সহকারী অধ‍্যাপক পদের জন্য মাসিক বরাদ্দ প্রয়োজন ৪৫৮ x ৩৫,৫০০= ১,৬২,৫৯,০০০ টাকা এবং
প্রভাষক পদের জন্য মাসিক বরাদ্দ প্রয়োজন ৫৩৫ x ২২,০০০ = ১,১৭,৭০,০০০ টাকা। মাত্র ১১ টি কলেজের ১৪৬১ টি পদ সৃজনের জন্য সরকারের প্রতি মাসে সর্বমোট ৪,৯৯,৩৮,০০০ টাকা বা প্রায় ৫ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বেতনের বেসিক স্কেল হিসাবে বছরে প্রায় ৬০ কোটি টাকা দরকার। অন্যান্য ভাতাদি বাবদ অর্থ প্রয়োজন হবে বছরে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। এই অতিরিক্ত খরচে ১১ টি কলেজে আনুমানিক ১-১.৫ লক্ষ শিক্ষার্থী গুণগত উচ্চ শিক্ষা পাবেন। এই উদ্যোগ অবশ্যই উচ্চ শিক্ষার জন্য ইতিবাচক দিক।

এই যে উচ্চ শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নের জন্য এত আয়োজন, এত ব্যয় করা হচ্ছে, এই উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য শিক্ষার্থী আসবে কোথা থেকে? মাধ্যমিক বিদ্যালয় শেষ করেই ত আসবেন। তাহলে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারের বরাদ্দ কেমন হওয়া প্রয়োজন? ৩২৮ টি পুরাতন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক রয়েছে ৭,৭০০ জন এবং শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ৫ লক্ষ। এছাড়াও ৩৭৯ টি সরকারিকৃত বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছে ৯,৮২৩ জন এবং শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ৬ লক্ষ। এই ১১ লক্ষ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের যথাযথ গুণগত শিক্ষা যারা প্রদান করবেন, তাদের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা নিয়ে কোন আলোচনা হয় নাই।

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষকের বেতন গ্রেড উন্নীত করণে কোন ধরনের পদক্ষেপ এখনও নেওয়া হয় নাই। এই ২০ হাজার শিক্ষকের বেসিক বেতনস্কেল ১০ম গ্রেড হতে ৯ম গ্রেডের উন্নীত করতে মাসে প্রয়োজন মাত্র ২ কোটি টাকা। বছরে ২৪ কোটি ও অন্যান্য ভাতাদি হিসাব করলে বছরে লাগবে মাত্র ৪০ কোটি টাকা!!!!

১১ টি সরকারি কলেজের আংশিক পদ সৃজন করার জন্য যে অর্থ লাগবে, ৭০৭ টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষকের জীবনমান তথা শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য সেই পরিমান টাকাও প্রয়োজন হবে না। এমনকি এই ১১ টি কলেজের ১,৪৬১ টি পদের অর্ধেক টাকা দিয়ে পুরা সরকারি মাধ্যমিক বিধ্যালয়গুলোকে একটি টেকসই সরকারি মাধ্যমিক সেক্টরে রূপান্তর সম্ভব। ১-১.৫ লক্ষ উচ্চ শিক্ষার শিক্ষার্থীর জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ এর অর্ধেক টাকা দিয়ে ১১ লক্ষ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গুনগত ও টেকসই মাধ্যমিক শিক্ষা প্রদান করা সম্ভব।

অথচ সরকারি কলেজের জন্য অহরহ পদ সৃজনের প্রস্তাব প্রেরণ করলেও সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য পদ সৃজন বা পদের উন্নয়নের কোন প্রস্তাব প্রেরণ করা হয় না কেন?

আসলে পদের উন্নয়ন চায় না নাকি সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন চায় না সেটাই বড় প্রশ্ন??

...

Photos from Sustainable Education TV's post 31/03/2026

Secondary Education Development Program -SEDP হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রোগ্রাম যা মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নের জন্য পরিচালিত হওয়ার কথা। এই প্রকল্প হতে ৪২ জন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও ৪১ জন সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাজস্বখাতে আসেন। এই প্রকল্পটি মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নের জন্য হলে এই প্রকল্পের প্রশিক্ষণও মাধ্যমিক সেক্টরের শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ থাকা উচিত।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এডভান্স কোর্সে কোনো সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংশ্লিষ্টতা নেই। বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কলেজ শাখার সহকারী অধ্যাপকবৃন্দ কর্তৃক সম্পন্নকৃত এই ৩০ দিন মেয়াদি কোর্স কোন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাজে লাগবে?

মাধ্যমিক পর্যায়ের জন্য নির্ধারিত প্রোগাম শেষ হলে প্রকল্পের জনবল রাজস্বে আসার পর সরকারি মাধ্যমিকে কেন আত্তীকরণ করা লাগবে? এইসব প্রকল্পের পরিচালক, ডিপিডি সবই আসে কলেজ শাখা হতে কিন্তু জনবল কলেজ শাখায় আত্তীকরণ করা হয় না কেন?

....

19/03/2026

সরকারিকৃত স্কুলে সহকারী শিক্ষক (ধর্ম) পদে আত্তীকরণের ক্ষেত্রে অর্থ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে সরকারিকরণ করা হবে।

....

18/03/2026

মেধার জয় হোক

শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন এবং মেধাবীদের সঠিক বিকাশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় মেধার ভিত্তিতে ভর্তি চালুর সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। দীর্ঘদিন পর লটারি পদ্ধতি বাতিল করে মেধা যাচাইয়ের চিরাচরিত পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়ার এই সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

করোনা মহামারীর বিশেষ পরিস্থিতিতে লটারি পদ্ধতি চালু করা হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি জাতীয় মেধার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। লটারি একটি ভাগ্যনির্ভর প্রক্রিয়া, যেখানে শ্রম ও মেধার চেয়ে ভাগ্য বড় হয়ে দাঁড়ায়। এতে অনেক পরিশ্রমী ও মেধাবী শিক্ষার্থী ভালো স্কুলে পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে, যা তাদের মানসিক বিকাশে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। পরীক্ষা না থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে শেখার ও প্রতিযোগিতার আগ্রহ কমে গিয়েছিল। এন্ট্রি লেভেলেই যদি কঠোর পরিশ্রমের বাধ্যবাধকতা না থাকে, তবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভবিষ্যতে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিকতা গড়ে ওঠে না।

সরকারি স্কুলগুলো সবসময়ই মেধাবীদের লালনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্যতম শিক্ষার্থীকে নির্বাচন করা হলে শিক্ষার একটি সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হয়। এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই লক্ষ্য অর্জনে কঠোর পরিশ্রমের অভ্যাস গড়ে তোলে। সঠিক মেধা যাচাই ও পরিচর্যার মাধ্যমেই আগামীতে দেশ সেবার উপযোগী আন্তর্জাতিক মানের নাগরিক গড়ে উঠবে, যারা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে।

কিছু মহল লটারি পদ্ধতি বহাল রাখার পক্ষে মত দিলেও, একটি আধুনিক ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে মেধা যাচাইয়ের বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার লটারির কুফল অনুধাবন করে পুনরায় মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে ভর্তির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আমাদের আগামী প্রজন্মকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের পথকে আরও সুগম করবে।

সৈয়দ মোশাররফ আলী
সহকারী শিক্ষক (ব্যবসায় শিক্ষা)
বসন্ত কুমারী গোপাল চন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,
হবিগঞ্জ।

13/03/2026

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকগণের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক আদেশ জারি করা হয়েছে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকগণ বি.এড. ডিগ্রি অর্জনের পর এই সুবিধা প্রাপ্তির জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর আবেদন করবেন। তারপর মাউশির অফিস আদেশ সাপেক্ষে হিসাবরক্ষণ কার্যালয় বকেয়া হিসাব করে অর্থ ছাড় করবে।

..

Photos from Sustainable Education TV's post 08/03/2026

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে যে সকল বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারভুক্ত পদ রয়েছে, সেগুলো মূলত বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখার পদ। এই শাখার বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারভুক্ত বিদ্যালয় পরিদর্শক, বিদ্যালয় পরিদর্শিকা,সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক, সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শিকা পদগুলো মূলত জেলা ও মাঠ পর্যায়ের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শনের জন্য ১৯৮০ সালে তৈরি করা হয়। বিগত ৪৬ বছরে উপজেলা বাড়লেও সময়ের বির্বতনে ৮০ সালে তৈরি হওয়া ৩২ টি পদ সংখ্যা আর বাড়ানো হয়নি।
এমনকি ২০০৯ সালের পর এসব পদে কোন ধরনের পদোন্নতি বা পদায়নও করা হয়নি। ফলে বিগত ২০-২৫ বছরে মাঠ পর্যায়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর আর্থিক ও প্রসাশনিক জবাবদিহিতা ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ণ হতে থাকে। এর ফলশ্রুতিতে জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগ, বিষয় পরিবর্তন করে চাকরি করা শিক্ষকের লিস্ট দিন দিন বড় হচ্ছে।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে ফ্রিকোয়েন্সি অনুসারে প্রস্তুতকৃত বার্ষিক পরিদর্শন ক্যালেন্ডার অনুসারে কারা পরিদর্শন করলে ভাল ফল দিবে? প্রকল্প হতে রাজস্বে আগত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সেসিপ প্রকল্পে কর্মরত উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজারগণ মাঠ পর্যায়ে বিদ্যালয় পরিদর্শন করলে ভাল ফল দিবে নাকি বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার ভুক্ত বিদ্যালয় পরিদর্শক, বিদ্যালয় পরিদর্শিকা,সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক, সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শিকা পদধারীরা ভাল সেবা দিবে?

বছরের পর বছর ধরে বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখার বিদ্যালয় পরিদর্শক, বিদ্যালয় পরিদর্শিকা,সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক, সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শিকা এই পদগুলো তে পদোন্নতি ও পদায়ন না দিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোকে জবাবদিহিতার উর্ধ্বে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না?

...

06/03/2026

শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার মান উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে। সরকারি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রকল্প চলমান থাকলেও সেসব প্রকল্পে সাময়িকভাবে ১৪ গ্রেড বা তার নিম্ন গ্রেডের জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়। সরকারি কলেজের বিভিন্ন প্রজেক্ট যেমন সিইডিপি তে ৯ম/১০ম গ্রেডের কোন জনবল অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয় না। কলেজের যে কোন প্রকল্পে ৯ম গ্রেডের পদ হলেই সেসব পদে ডেপুটেশনে বিভিন্ন কলেজ হতে জনবল পদায়ন করা হয়। কিন্তু মাধ্যমিক শিক্ষা সংক্রান্ত প্রজেক্টে কলেজের শিক্ষকগণ প্রকল্প পরিচালক হন। এসব প্রকল্পে ৯ম-১০ম গ্রেডের পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে অনেক সময়ই মৌখিকভাবে আশ্বস্ত করা হয় যে, প্রকল্প শেষ হলে আত্তীকরন করা হবে।

শিক্ষা সেক্টরের অন্য কোন প্রকল্পে ৯ম ও ১০ম গ্রেডে আত্তীকরণ না হলেও শুধু সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসনে প্রকল্প হতে রাজস্বে স্থানান্তর করা হয় কেন ???

......

05/03/2026

এম.এড.সহ যে কোন উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের বয়সসীমা ৫০ বছর নির্ধারিত হওয়ায় এমএড ভর্তির আবেদন মঞ্জুর না করা সংক্রান্ত আদেশ

.....

25/02/2026

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ১০,৯৯৪ টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছে মাত্র ৭,৮০০ জন। প্রায় ৩,০০০ পদ শূন্য অথচ নিয়োগ করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। সরকারিকরণকৃত বিদ্যালয়গুলোর প্রতিটিতেও ২৫ টি করে পদ সৃজন করা হয় নি। ফলে তীব্র শিক্ষক সংকটে রয়েছে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো। এর মধ্যে যদি লেইস ট্রেনিংয়ে পাঠানোর জন্য কোন শিক্ষককে ছাড়পত্র প্রদান করা হয়, তাহলে বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম কিভাবে চলবে?

....

Photos from Sustainable Education TV's post 20/02/2026

সরকারিকরণ হওয়ার পর বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারভুক্ত হওয়ার গেজেট প্রকাশ

.......

Photos from Sustainable Education TV's post 27/01/2026

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম গ্রেডভুক্ত সহকারী শিক্ষক পদধারীদের উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা মাস্টার্স বা এম.এড ডিগ্রির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৩০-১০-২০২৪ তারিখের অনাপত্তি পত্রের ভিত্তিতে অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা বহাল রাখা হয়। অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা ১৯৭০ সাল হতে ২০১২ পর্যন্ত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল শিক্ষক পেয়ে আসছিলেন এবং সকলে ননজেজেটেড হিসেবে ২-৩ টি ইনক্রিমেন্ট পেয়েছেন। কিন্তু সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম গ্রেডভুক্ত সহকারী শিক্ষক পদটি ২০১২ সালে গেজেটেড পদমর্যাদা লাভ করায় বিধিগত জটিলতার কারণে ২০১৭ সালের পর হতে বিপিএসসির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকগণ অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা হতে বঞ্চিত ছিলেন।

২০১৫ সালের পে-স্কেলের ১২(২) অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষকগণের কাঙ্ক্ষিত অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা প্রাপ্তির গেজেট শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক আজ প্রকাশিত হয়েছে।

২০১২ সালে পূর্বের শিক্ষকগণ ৩/২ টি ইনক্রিমেন্ট পেলেও বর্তমানে এবং ভবিষ্যতে যোগদানকৃত শিক্ষকগণ ১ টি ইনক্রিমেন্ট কম পাবেন।

.....

Photos from Sustainable Education TV's post 01/01/2026

বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগ লাভ করা যায় তিনটি উপায়ে। সরাসরি নিয়োগ, পদোন্নতি ও আত্তীকরণের মাধ্যমে ক্যাডারভুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সরাসরি নিয়োগ আবার দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে ক্যাডারের এন্ট্রি পদে অর্থাৎ ৯ম গ্রেডভুক্ত পদে সরাসরি বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে এবং অপরটি উচ্চতর পদে পার্শ্ব প্রবেশের মাধ্যমে। উচ্চতর পদ বলতে ৪র্থ, ৫ম ও ৬ষ্ঠ গ্রেডের পদ বুঝায়। শুধু শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের জন্য এই ধরনের পার্শ্ব প্রবেশের নিয়োগ সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

এক্ষেত্রে কততম বিসিএস দিয়ে নিয়োগ পেয়েছেন- এধরনের প্রশ্ন তোলার সুযোগ রয়েছে কি?

....

Want your school to be the top-listed School/college in Ramna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Ramna