18/07/2025
Admin panel
fun
18/07/2025
30/10/2024
"নার্সিং ও শিরাবরণ প্রসঙ্গ"
নার্সিং ১ম বর্ষে ভর্তিকৃত ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে ''শিরাববরণ" নামক একটা অনুষ্ঠান হয়। সেখানে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ, মাথায় ক্যাপ পড়ানোর পাশাপাশি একটি শপথ পাঠ করানো হয়। অনেকটা মেডিকেলের শিক্ষার্থীদের 'হিপোক্রেটিক ওথ' পড়ানোর মত। তবে, শিরাবরণের শপথের মধ্যে একটা বিশেষ রীতি পালন করা হয়, সেটা হল প্রত্যেক শিক্ষার্থী হাতে জ্বলন্ত মোমবাতি নিয়ে শপথ করে। বিষয়টি নজরে আসার পর আমরা কয়েকজন আলেমের সাথে যোগাযোগ করি এই রীতি নিয়ে শরয়ী বিধান জানার জন্য। উনাদের বক্তব্যের সারসংক্ষেপ নিম্নরূপ:
প্রথমত, কসম বা শপথ হবে শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য। আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি বা দ্রব্যের নামে বা উপলক্ষ্য করে শপথ করা জায়েজ নাই। দলীল-
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«أَلاَ إِنَّ اللَّهَ يَنْهَاكُمْ أَنْ تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ، مَنْ كَانَ حَالِفًا فَلْيَحْلِفْ بِاللَّهِ أَوْ لِيَصْمُتْ»
“সাবধান! নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে তোমাদের পিতৃপুরুষের নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। কারো যদি শপথ করতেই হয়, তবে সে যেন আল্লাহর নামে শপথ করে অথবা চুপ থাকে”।(বোখারি, মুসলিম, মিশকাত, হাদিস ৩৪০৭)
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণিত আরেকটি হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَنْ حَلَفَ بِغَيْرِ اللَّهِ فَقَدْ أَشْرَكَ»
“যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে কসম করল, সে শির্ক করল” (আবু দাউদ, তিরমিজি, মিশকাত, হাদিস ৩৪১৯)
«مَنْ حَلَفَ بِالْأَمَانَةِ فَلَيْسَ مِنَّا»
“যে আমানত (আনুগত্য, ইবাদত, সম্পদ, গচ্ছিত দ্রব্য ইত্যাদি) এর নামে কসম করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়”।
(আবু দাউদ, মিশকাত, হাদিস ৩৪২০)
উপরোক্ত দলিলগুলো থেকে স্পষ্ট যে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও নামে শপথ বৈধ নয়। শিরাবরণে যে শপথ পড়ানো হয় তাতে আল্লাহ/ সৃষ্টিকর্তার নামেই শপথ পড়ানো হয়। সুতরাং এটুকুতে আপত্তি করবার কিছু নেই।
দ্বিতীয় বিষয়টা হলো জ্বলন্ত মোমবাতি হাতে নিয়ে শপথ পড়ানোর রীতি। এই রীতি নিয়ে আমাদের আপত্তি রয়েছে। মুসলিমদের শপথ হবে আল্লাহর নামে এবং আল্লাহর ভয় ও বিশ্বাস অন্তরে লালন করে। এখানে আগুন হাতে নেয়া বা অন্য কিছু হাতে নিয়ে শপথ করা নিষ্প্রয়োজন। এমনকি কুরআন শরীফ ছুয়ে শপথ করাও যেখানে নাজায়েজ সেখানে আগুণ হাতে নিয়ে শপথ করা তো কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। অধিকন্তু এটা অগ্নিপুজকদের বিশ্বাস ও রীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বলে মনে হয়। তারা যেমন আগুণকে শক্তিমান মনে করে সম্মান করে তেমনি কোন রীতি বলে এটাকে মনে হয়। অগ্নিপূজক/ মুশরিকদের সাথে সাদৃশ্য রাখা নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, :
«من تشبه بقوم فهو منهم».
“যে ব্যক্তি কোনো জাতির অনুকরণ, অনুসরণ ও সামঞ্জস্য বিধান করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে”।
উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলতেন:
«اجتنبوا أعداء الله في أعيادهم».
“তোমরা আল্লাহ শত্রুদেরকে তাদের উৎসবসমূহের ব্যাপারে এড়িয়ে চল”
প্রশ্ন হতে পারে, কেউ তো আগুণকে শক্তিমান মনে করে শপথ পড়ছে না তাহলে আপত্তি কিসের ?
এটি একটি অযৌক্তিক প্রশ্ন, কেননা যেসকল বিষয় অন্যায়ের দ্বার খুলে দেয় তা থেকেও বিরত থাকা ইসলামের একটি নীতি। সন্দেহজনক বিষয় থেকে বিরত থাকা উচিত। এছাড়াও, মূর্তিপূজা প্রথমে শুরু হয়েছিল জাস্ট একটা রীতি হিসেবে, পরবর্তীকালে তা পুজায় রুপান্তরিত হয়।
হাদিসে আছে,
'ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না আমার উম্মতের কিছু গোত্র মুশরিকদের সঙ্গে মিশে যাবে এবং কিছু গোত্র মূর্তিপূজারী হবে' (আবুদাউদ, মিশকাত হা/৫৪০৬ 'ফিৎনা সমূহ' অধ্যায়)।
সুতরাং, নার্সিং পড়তে যাওয়া মুসলিম ছেলেমেয়েদের উচিত মোমবাতি হাতে নিয়ে শপথ করা থেকে বিরত থাকা। একইসাথে প্রসাশনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান থাকবে এই রীতির বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে দেয়ার জন্য। অমুসলিমরা চাইলে পালন করতে পারে তবে কোন মুসলিম শিক্ষার্থীর এটি পালন করা উচিত নয়
(ছবিটি প্রতীকী)
Breast milk under microscope 🔬
পরীক্ষার হলে সম্মানিত পরিদর্শক শিক্ষকদের গল্প বলা এবং নাস্তা খাওয়ার বিষয়টি শিক্ষার্থীদের (যারা সামনের সীটে বসেন) পরীক্ষায় মনোযোগ যথেষ্ট বিঘ্ন ঘটায় ! এমতাবস্থায় শিক্ষকবৃন্দের এই বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন থাকা জরুরী !
নার্সিং শিক্ষার্থীদের সাথে ভালো ব্যাবহার করুন ও দূর্নীতি বন্ধ করুন। অন্যথায় পদত্যাগ সুনিশ্চিত।
দয়া করে আপনারা আর হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করবেন না। এতটা অকৃতজ্ঞ, অমানবিক হবেন না।।
লিখার আগে ভাবুন।
লিখতেসেন যাকে নিয়ে, তার অবদানের কথা মনে রাখবেন।
লেখার আগে আপনার হাত কাঁপে না?
কেন লিখছেন?
লেখার কী দরকার?
যেই মানুষটা আপনাদেরকে মেট্রোরেল, পদ্মাসেতু উপহার দিল তাকে নিয়ে কেন লিখছেন?
ব্যবহার করছেন যারা তারা কি মানুষ??
এসব লেখা বন্ধ করুন।
কারণ,
লিখলে আপনারা সফল হবেন ভাবছেন?
লিখে আপনারা কখনোই সফল হবেন না।
ব্যবহার করতে দেখলেই এখন থেকে ব্লক করবো।
লেখার শখ বোঝায় দিব।
যারা ব্যবহার করছেন তারা আমাকে আনফ্রেন্ড করুন।
কিছু হলেই কেন লিখতে হবে?
Stop Using .
No more hashtag
আমি কোনো দলের লোক না, আমার মনে হলো ব্যবহার করা উচিত হচ্ছেনা, আমি আমার কথা বললাম, ব্যাস।😑
Note :- no more
#কোটা_সংস্কার_চাই
#বাংলাদেশ_কোটা_আন্দোলন
#কোটা_আন্দোলন_২০২৪
Congratulations 🤣.... me too
Tag your backbencher friends 😂
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Ramna